ন্যায়বিচার পেতে আদালতে মামলা করলেন শিল্পী ন্যান্সি

 
প্রকাশিত: 07/11/2021 at 11:37 am

বেদখল হওয়া পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধারে চাচার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। তিনি বলেন, আইন ও আদালতের প্রতি আমার আস্থা আছে। আশা করছি ন্যায়বিচার পাব।

আগামী সোমবার মামলার প্রথম শুনানির দিন ধার্য থাকলেও লকডাউনের কারণে ন্যান্সি আদালতে হাজির থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছে তার পরিবার। এর আগে গত ১৭ জুন নড়াইল জেলা আদালতে ন্যান্সির পক্ষে মামলাটি করেছেন তার বড়ভাই জাকারিয়া নোমান।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার খাশিয়াল ইউনিয়নের বড়দিয়া এলাকার চোরখালি মৌজায় ন্যান্সির বাবা প্রয়াত সৈয়দ নাইমুল হকের ১৬ শতক পৈতৃক জমি আছে এবং তার বাবা নাইমুল হক ও মা মায়াতুন নাহারের ক্রয়কৃত আরও ৮ শতক জমি আছে। ওয়ারিশ সূত্রে যার মালিকানা ন্যান্সি, তার দুই ভাই জাকারিয়া নোমান, শাহরিয়া আমান সানি ও অন্য ওয়ারিশরা।

কিন্তু তার চাচা সৈয়দ কামরুল হাসান গং দীর্ঘদিন ধরে সেই জমি অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছেন। বারবার বলার পরেও পৈতৃক সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে না পেরে স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানান ন্যান্সি। থানার পরামর্শে আদালতে গিয়ে মামলাও করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে ন্যান্সি বলেন, বিষয়টা আমাদের পরিবারিক। তাই আমি ও আমার দুই ভাই মিলে পারিবারিকভাবেই স্থানীয় আত্মীয়স্বজন নিয়ে বিষয়টির মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এতেও যখন কাজ হয়নি তখন বাধ্য হয়েই আমরা আদালতে মামলা করেছি। সোমবার মামলার প্রথম শুনানি। কিন্তু লকডাউনের কারণে আমি সেখানে হাজির হতে পারছি না। মামলা হওয়ার পরও আদালতকে অবমাননা করে আমার চাচা ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন। আইন ও আদালতের প্রতি আমার আস্থা আছে। আশা করছি ন্যায়বিচার পাব।

ন্যান্সি আরও জানান, তার বাবা মারা যাওয়ার পর তাদের মালিকানাধীন পুরো জমিতে বাউন্ডারি দেওয়াল তুলে ন্যান্সির সেজো চাচা ও ফুফু। সেখানে তারা স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মামলা করার পর কিছুদিন কাজ বন্ধ ছিল। কিন্তু লকডাউনের মধ্যেও ন্যান্সির চাচা সৈয়দ কামরুল হাসান সেখানে কাজ শেষ করার জন্য তড়িঘড়ি করছেন।

বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানিয়ে ছিলেন ন্যান্সির ভাই। থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। এরপর থানার ওসির পরামর্শে আদালতে মামলা করেছেন।

এ বিষয়ে নড়াগাতি থানার ওসি রোকসানা খাতুন যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। যেহেতু আদালতে মামলা হয়েছে, সেখানে আমাদের তেমন কিছু করার নেই। এরপরও ক্ষতিগ্রস্তরা কোনো আইনি সহায়তা চাইলে তা অবশ্যই আমরা দেব।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন । আজই পাঠিয়ে দিন - write@sarabangla.in