পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

 
প্রকাশিত: 07/13/2021 at 9:26 am

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) থেকে প্রকাশিত মানবাধিকার প্রতিবেদনে উল্লেখিত বাংলাদেশ সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি ইস্যু নিয়ে যা বলা হয়েছে, তা ঢাকা ‘গ্রহণ’ করেনি। কারণ ওগুলো ‘তথ্যভিত্তিক’ নয়।’ খবর : বাসস।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ‘গৃহবন্দি’ রয়েছেন এমন উল্লেখ করে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি ওই প্রতিবেদনটি তথ্যভিত্তিক হতো, তবে তা আমাদের জন্য সহায়ক হতো। কিন্তু যেহেতু এটি ভুয়া, তখন এটি উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে হতে পারে, এটি ভালো নয়।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি রিপোর্ট-২০২০ -এর বাংলাদেশ অধ্যায়ে উল্লেখিত ইস্যুগুলো সম্পর্কে অসন্তোষ ব্যক্ত করতে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেলকে তলব করার একদিন পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করলেন।

ব্রিটিশ দূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, (খালেদা জিয়া) তার বাড়িতে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং বিদেশে ভ্রমণ করতে পারবেন না, এই শর্তে সরকার ২০২০ সালের মার্চ মাসে তার সাজা স্থগিত করে তাকে ‘মুক্তি’ দেয়।

তলবের বিষয়ে ড. মোমেন বলেন, ব্রিটিশ ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার আশ্বাস দিয়েছেন যে, তিনি ঢাকার এই অসন্তোষের কথা তার সরকারকে জানাবেন। তিনি এ ব্যাপারেও সম্মত হয়েছেন, যে কোনো মানবাধিকার প্রতিবেদন তথ্যভিত্তিক হওয়া উচিৎ।

ঢাকা এই বিবৃতিতে ব্রিটিশ প্রতিবেদনে উল্লেখিত বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা সরকারি নথি বা প্রতিবেদনে উল্লেখ করার ক্ষেত্রে তথ্যের প্রামাণ্য সূত্রের ব্যবহারের গুরুত্বের ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন । আজই পাঠিয়ে দিন - write@sarabangla.in