সারাবাংলা ডেস্ক: একই দিনে জোড়া অগ্নিকাণ্ডে উত্তাল শহর কলকাতা। বুধবার দুপুরেই মানিকতলার একটি ব্যাটারি কারখানায় আগুন লেগেছিল। আর সন্ধেয় বাগবাজার ব্রিজের কাছে বস্‌তি এলাকায় ঘটল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। একের পর এক সিলিন্ডার  বিস্ফোরণের শব্দে ছড়ায় তীব্র আতঙ্ক। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকল কর্মীরা। আশপাশের বহুতলেও আগুন ছড়িয়ে পড়ছে বলে খবর।
এদিন সন্ধেয় হঠাৎই আগুন লাগার ঘটনা টের পেয়ে বস্‌তি এলাকার লোকেরা দিশেহারার মতো এদিক-সেদিক ছুটতে থাকেন। খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীকে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, খবর পাওয়ার অনেক পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকল কর্মীরা। ফলে আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ে। আপাতত পাঁচটি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তবে ইঞ্জিনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই খবর। কিন্তু অত্যন্ত ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। তাছাড়া বস্‌তিতে প্লাস্টিক, কাঠ ইত্যাদি নানা দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে আগুন। গোটা এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যাওয়ায় রাতের অন্ধকারে আগুন নেভাতে আরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও তীব্র আতঙ্কিত স্থানীয়রা। বস্‌তিতে কেউ আটকে পড়েছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
[আরও পড়ুন: জনসভাস্থল ও যাতায়াতের পথে পুলিশি নিরাপত্তার দাবি, কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু]
কিন্তু ঠিক কীভাবে আগুন লাগল? এখনও পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয়। তবে এলাকার দাহ্য পদার্থে কোনওভাবে আগুন লেগে যাওয়ার ফলেই তা ছড়িয়ে পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় মধ্য ও উত্তর কলকাতার অনেকখানি রাস্তা জুড়ে যান চলাচল ব্যাহত। গিরিশ পার্ক থেকে সেন্ট্রাল এভিনিউ পর্যন্ত যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাইকপাড়া দিয়ে ঘুরিয়ে গাড়িগুলিকে বের করে জ্যাম কাটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তাতেও দীর্ঘক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে বহু গাড়ি। আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় দমকল কর্মীরা।  
[আরও পড়ুন: রাজ্যের রিপোর্টে সন্তষ্ট, শর্তসাপেক্ষে গঙ্গাসাগর মেলার ছাড়পত্র দিল কলকাতা হাই কোর্ট]

Source link

Comments

comments