বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছাড়পত্রের অপেক্ষায় বায়োটেকের কোভাক্সিন

 
প্রকাশিত: 07/10/2021 at 10:17 am

ভারতের বায়োটেকের তৈরি করোনা ‘কোভ্যাক্সিন’ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটতে পারে সহসা। এটিকে ছাড়পত্র দিতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।

১৬ জানুয়ারি থেকে ভারতে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে প্রাথমিক ভাবে দু’টি করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছিল। সেরাম ইনস্টিটিউটের- কোভিশিল্ড এবং হায়দারাবাদের বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন।

বহু মানুষ এই টিকা পাওয়ার পরও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই টিকা নিয়ে বিদেশ যাওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে কোভ্যাক্সিন নিয়ে মুখ খুলল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখ্য বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন জানিয়েছেন, ‘করোনার প্রতিরোধক হিসেবে কোভ্যাক্সিন যথেষ্ট কার্যকর। ডব্লিউএইচও এখনও ছাড়পত্র না দিলেও অচিরেই তারা কোভ্যাক্সিনকে স্বীকৃতি দেবে, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে।’

সম্প্রতি একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌম্য জানিয়েছেন, ‘কোভ্যাক্সিনের করোনা প্রতিরোধক ক্ষমতা বেশ ভালো। যদিও করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ততটা কার্যকরী নয় এই ভ্যাকসিন। কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের রিপোর্ট তাদের হাতে পৌঁছেছে। সেই রিপোর্ট দেখেই ডব্লিউএইচও-র মনে হয়েছে, এই টিকাটি যথেষ্ট কার্যকরী।’

গত ২৩ জুন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে বৈঠক হয় বায়োটেকের। সেখানেই নিজেদের সকল রিপোর্ট ডব্লিউএইচও-র হাতে তুলে দেয় বায়োটেক কর্তৃপক্ষ। পরে সেই রিপোর্ট প্রকাশ করে বায়োটেক দাবি করে, করোনার উপসর্গযুক্তদের ক্ষেত্রে ৭৭ দশমিক আট শতাংশ কার্যকর কোভ্যাক্সিন। অতিমাত্রায় উপসর্গ যাদের, তাদের ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিন ৯৩ দশমিক চার শতাংশ কার্যকরী। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কোভ্যাক্সিন কাজ করে ৬৫ দশমিক দুই শতাংশ।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন । আজই পাঠিয়ে দিন - write@sarabangla.in