হাইলাইটসযে কোনও রকম সমস্যায় পড়লে কিংবা বিপদ থেকে পরিবারের আগে আপনাকে উদ্ধার করতে আসবে সেই বন্ধু। পারস্পরিক বিশ্বাস আর নির্ভরযোগ্যতা থেকে সারা জীবনের জন্য তৈরি হয় এই বন্ধুত্ব। আর এই সম্পর্ক কিন্তু ভীষণ দামিএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সামনা সামনি নিয়মিত দেখা হওয়ার প্রবণতা প্রায় নেই বললেই চলে। তবু প্রত্যেক মানুষের জীবনেই একজন বন্ধু থাকেন, যিনি পরিবারের কোনও সদস্যের থেকে কম নন। যাঁর সঙ্গে মন খুলে কথা বলায় কোনও ফিল্টার বসাতে হয় না। পারস্পরিক বিশ্বাস আর নির্ভরযোগ্যতা থেকে সারা জীবনের জন্য তৈরি হয় এমন বন্ধুত্ব। অত্যন্ত দামি এই সম্পর্ক। এমনই সম্পর্ক টলিউডের দুই অভিনেত্রীর। তাঁরা হলেন নুসরত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী। দু’জনেই সফল অভিনেত্রী। দু’জনেই সাংসদ। একে অপরকে তাঁরা ‘বোনুয়া’ বলে ডাকেন। সবসময় পাশে থাকেন। মিমি’র কাছে নুসরত যেন ‘যে কোনও সময়ের বন্ধু!’ এমনকী, সিনেমার চিত্রনাট্য নিয়েও আলোচনা করেন দু’জনে। বাড়িতে ভালোমন্দ কিছু রান্না হলেই নুসরত তা পাঠিয়ে দেন মিমির বাড়িতে। নুসরতের আইবুড়োভাতে মিমি তাঁর বাড়িতেই আয়োজন করেছিলেন ‘বোনুয়া’র প্রিয় সব খাবার। আর একসঙ্গে যদি দুজনের শ্যুটিং থাকে, তখন মিমির জন্য খাবার বানিয়ে নিয়ে আসেন নুসরত। উপহার আদান-প্রদান? সে তো চলতেই থাকে। আবার দুই বন্ধু খুব মন দিয়ে নিজেদের এলাকার মানুষদের জন্যও কাজ করেন। বরাবরই মানুষের পাশে যথাসম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরা। সম্প্রতি পুজোর একটি বিজ্ঞাপনেও একসঙ্গে দেখা গিয়েছে মিমি-নুসরতে। এই পুজোয় মুক্তি পাবে মিমি-নুসরত অভিনীত ‘SOS Kolkata’। বর্তমানে দু’জনেই রয়েছেন লন্ডনে। জিৎ-এর সঙ্গে বাজির শ্যুটিং করছেন মিমি। আর স্বস্তিক সংকেতের শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত নুসরত। তা দু’জনে যখন একই শহরে, তখন তো দেখা করতেই হবে। শ্যুটিং-এর ফাঁকে সময় বের করে দেখা করলেন দু’জনে। আর সেই ছবি দুজনে শেয়ার করলেন ইনস্টাগ্রামেও। তা মিমি নুসরতের মতো প্রিয় বন্ধু বা এমন ‘সোলমেট” আপনারও নিশ্চয় আছে। তাহলে দেখে নিন বন্ধুত্ব অটুট রাখার এই টিপস। একে অপরকে ভালো করে জানুন: যে কোনও সম্পর্কের মূলই হল একে অপরকে ভালো করে জানা। আর তাই দুজনের মধ্যে সম্পর্কের ভিত গাঢ় করতে একে অপরকে সব খুলে বলুন। ভালো করে চিনুন। সবসময় নিজেই খালি নিজের সমস্যার কথা বলে যাবেন না। বন্ধুর কথাও শুনুন। অনুমান নয়, নিশ্চিত ধারণা: মানুষ হিসেবে সবাই ভিন্ন। তাই অনুমান করে কখনও চলবেন না। সবসময় যে খুব বেশি প্রত্যাশাও রাখবেন এমনটা নয়। তবে সবসময় দুজন দুজনকে সমর্থন করবেন। আর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় অভিজ্ঞতা। বন্ধুত্বের সংজ্ঞা। তাই সব রকম বদলকেই সানন্দে গ্রহণ করুন। একসঙ্গে সময় কাটান: সুযোগ পেলেই দুজনে একসঙ্গে সময় কাটাতে ভুলবেন না। যদি একই শহরে দুজন না থাকেন তাহলে মাঝে মধ্যেই সারপ্রাইজ ট্রিপে যান। সবসময় দুজন দুজনের খবর নিন। মাঝে মধ্যেই ভিডিয়ো চ্যাটে কথা বলুন। অবাস্তব কোনও কিছু নিয়ে আলোচনা করবেন না। সুযোগ হলে এমনিই উপহার পাান। কিংবা একদিন বন্ধুর জন্য সারপ্রাইজ ডিনারের ব্যবস্থা করুন। দেখবেন সম্পর্ক ভালো থাকবেই। তবে এসবেরও আগে মন থেকে দুজনকেই পরিষ্কার থাকতে হবে। খুব ভালো করে নিজেদের বুঝতে হবে। তবেই অটুট হবে বন্ধন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Comments

comments