অ্যাভোকাডো ত্বকের যত্নে অ্যাভোকাডো অত্যন্ত উপকারি। অ্যাভোকাডো ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বক কোমল হয়ে ওঠে৷ তবে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগালে আরও ভালো ফল পাবেন৷ গ্লিসারিন শুষ্ক ত্বকের জন্য গ্লিসারিন খুবই উপকারি। শুষ্ক ত্বকে গ্লিসারিন ব্যবহারের ফলে ত্বক খুব তাড়াতাড়ি কোমল হয়ে যায়। গ্লিসারিন ন্যাচারাল প্রোডাক্ট, যা ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে। দুধ বা দই রুক্ষ-শুষ্ক ত্বকে অনেক সময় জ্বালা বা চুলকানির মতো সমস্যা হয়৷ এক্ষেত্রে ঠান্ডা দই বা দুধে নরম কাপড় বা তুলো ভিজিয়ে ত্বকে পাঁচ মিনিট লাগিয়ে রাখুন৷ এতে করে ত্বকের জ্বালাভাব দূর হবে৷ এছাড়া, স্নানের আগে কাঁচা দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়েও সর্বাঙ্গে লাগাতে পারেন৷ শুকিয়ে গেলে স্নান করে নিন৷ শীতে মুখের চামড়া শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে? সৌন্দর্য ফেরাতে ঘরেই তৈরি করতে পারেন এই ফেস মাস্কগুলি ল্যাকটিক অ্যাসিড ক্রিম ল্যাকটিড অ্যাসিডে অ্যান্টি-এজিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা মুখের কোলাজেন বজায় রাখতে সহায়তা করে। যার ফলে ত্বক স্বাস্থ্যকর এবং সতেজ দেখায়। তাই, ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যবহার করে ত্বকের শুষ্কতা থেকে স্বস্তি পেতে পারেন। অ্যালোভেরা অ্যালোভেরা জেল ত্বকের যত্নে খুবই উপকারি। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে ময়েশ্চরাইজ করার পাশাপাশি, ত্বককে হাইড্রেটও রাখে। এছাড়া, ত্বকের জ্বালা এবং লালচেভাব দূর করতেও এটি ব্যবহার করতে পারেন। পাকা কলা ও মধু ত্বককে রুক্ষ-শুষ্ক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে, একটা পাকা কলার সঙ্গে পরিমাণমতো মধু দিয়ে একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন৷ এরপর এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। তারপর ময়েশ্চরাইজার লাগান৷ এটি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ত্বক সফ্ট হবে৷

Source link

Comments

comments