মুম্বইয়ের বান্দ্রার বাড়ি থেকে রবিবার ঝুলন্ত দেহ উ’দ্ধার হয় অ’ভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের। আত্মহ’ত্যার আগে পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাকই ছিল। সুশান্তের চেহারায় কোনও বিষণ্ণতা ধ’রা পড়েনি, এমনটাই দাবি করেছেন তাঁর বন্ধু-বান্ধবরা। তা হলে হঠাত্ কী’ এমন হল যে আত্মহ’ত্যা করতে হল, এই প্রশ্নই খুঁজে বেড়াচ্ছেন তাঁর বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-পরিজন থেকে আম জনতা। মৃ’ত্যুর আগের কয়েক ঘণ্টা কী’ করেছিলেন সুশান্ত?সকাল ৬.৩০: অন্য দিনের মতো রবিবারও সকালে উঠে পড়েছিলেন সুশান্ত।সকাল ৯.০০: দিদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।সকাল ৯.৩০: পরিচারক এসে বেদানার রস দিয়ে যান। প্রতি দিনের রুটিনমাফিক কাজ সেরে ফলের রস খেয়েছিলেন।সকাল ১০.৩০: দুপুরে কী’ খাবেন তা জনার জন্য রান্নার লোক এসে সুশান্তের ঘরের দরজার ক়ড়া নাড়েন। তাঁর দাবি, ডেকেও কোনও সাড়া পাননি। তিনি ফের রান্না করতে চলে যান।দুপুর ১২.০০: দুপুরের খাবার তৈরি করে রান্নার লোক ফের ডাকতে আসেন সুশান্তকে। এ বারও বেশ কয়েক ডেকে সাড়া না পেয়ে দরজায় জো’রে জো’রে আ’ঘাত করেন। ভিতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল। সুশান্তকে ফোনও করেন রান্নার লোক। কিন্তু তাতেও সাড়া পাননি। এর পরই তিনি বাড়ির অন্য পরিচারকদের ফোন করে ডেকে বিষয়টা জানান।দুপুর ১২.৩০: প্রচণ্ড উদ্বিগ্ন হয়ে পরিচারকরা সুশান্তের দিদিকে ফোন করেন। তিনি গোরেগাঁওতে থাকেন।আরও পড়ুন: শ্বা’সরোধেই মৃ’ত্যু সুশান্তের, বলছে পোস্ট ম’র্টেম, হবে ভিসেরা টেস্টওআরও পড়ুন: ‘আত্মহ’ত্যা নয়, খু’ন হয়েছে সুশান্ত’, বি’স্ফো’রক অ’ভিনেতার মামাদুপুর ১.১০: পরিচারকদের কাছ থেকে ফোন পেয়েই গোরেগাঁও থেকে বান্দ্রায় সুশান্তের বাড়িতে পৌঁছন তাঁর দিদি। তিনিও সুশান্তের ঘরের সামনে গিয়ে ডা’কাডাকি করেন। ফোন করেন। কিন্তু কোনও কিছুতেই সুশান্ত সাড়া না দেওয়ায় বিচলিত হয়ে পড়েন। দুপুর ১.১৫: সুশান্তের ঘর খোলার জন্য চাবি তৈরির লোককে ডা’কা হয়।দুপুর ১.৪০: চাবি তৈরির লোক এসে সুশান্তের ঘরের দরজা খোলেন।দুপুর ১.৪৫: দরজা খুলতেই সুশান্তের দিদি ও বাড়ির অন্য লোকেরা ঘরের ভিতর ঢোকেন। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁ’স লাগানো অবস্থায় সুশান্তকে দেখতে পান তাঁরা। সবুজ রঙের কুর্তা দিয়ে ফাঁ’স লাগানো ছিল গলায়। সেই কুর্তা কে’টে সুশান্তের দেহ নামান বা়ড়ির লোকেরাই।দুপুর ২.০০: পু’লিশকে ফোন করে ঘটনাটা জানানো হয়।দুপুর ২.৩০: খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পু’লিশের শীর্ষ আধিকারিকরা ছুটে আসেন। সুশান্তের মৃ’ত্যুর খবর ছড়াতেই বাড়ির সামনে ভিড় জমে যায়।বিকেল ৩.৩০: সুশান্তকে উ’দ্ধার করে হাসপাতা’লে নিয়ে যাওয়া হয়।বিকেল ৪.০০: চিকিত্সকরা সুশান্তকে মৃ’ত বলে ঘোষণা করেন।সন্ধ্যা ৬.০০: পু’লিশ জানায়, এটা আত্মহ’ত্যার মা’মলা। স’ন্দেহ’জনক কিছু পাওয়া যায়নি। ত’দন্ত চলছে।সোমবার সকাল: ময়নাত’দন্তের রিপোর্ট আসে। তাতে উল্লেখ করা হয়, ফাঁ’স লাগানোর কারণে শ্বা’সরুদ্ধ হয়ে মৃ’ত্যু হয়েছে সুশান্তের।

Comments

comments