হবু জামাইয়ের সমর্থনে একাত্ম বিল গেটস ও মেলিন্ডা

 
প্রকাশিত: 08/05/2021 at 9:56 am

চলমান টোকিও অলিম্পিকে ইকুয়েস্ত্রিয়ানে খেলে ফাইনালে উঠেছেন বিল গেটসের বড় মেয়ে জেনিফার গেটসের হবু বর ৩০ বছর বয়সী মিসরীয় ঘোড় দৌড়বিদ নায়েল নাসের।

আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হবু মেয়ে জামাই নায়েল নাসেরকে একাত্মভাবে সমর্থন জানিয়েছেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা। সাবেক এই দম্পতি নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলাদা আলাদা পোস্টে নায়েলের প্রতি নিজেদের সমর্থন জানান।

নায়েল নাসেরের ছবি শেয়ার করে মেলিন্ডা লিখেছেন, আমার সব সময়ই অলিম্পিক দেখতে ভালো লাগে। তবে আমার হবু মেয়ে জামাই অংশ নেওয়ায় টোকিও অলিম্পিক একটু বেশিই স্পেশ্যাল।

বিল গেটসও ছবি শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে শনিবার হবু জামাইয়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লিখেছেন, টোকিওতে অনেক অ্যাথলেটকেই সমর্থন দিচ্ছি এখন। তবে সবচেয়ে বেশি সমর্থন পাচ্ছে আমার হবু মেয়ের জামাই নায়েল নাসের। শুভকামনা, নায়েল!

এদিকে, ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়ে ভীষণ আপ্লুত নাসের। প্রায় ৬০ বছর পর ২০২০ সালের অলিম্পিকের (টোকিও) চূড়ান্ত পর্বে মিসরের জায়গা করে নেওয়ার ক্ষেত্রে নাসেরের অনন্য ভূমিকা রয়েছে। বিল গেটসের কন্যা জেনিফারও অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন পেশাদার ঘৌড়দৌড় প্রতিযোগিতায়।

ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় জেনিফার গেটসের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। খুব শিগশিরই তা প্রণয়ে রূপ নেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের শিকাগো শহরে জন্ম হলেও নাসেরের শৈশব কেটেছে কুয়েতে।

চলতি বছরের শুরুতে নিজেদের জানুয়ারিতে আংটি বদলের খবর দিয়েছিলেন জেনিফার। এ বছরের জুনে নিজের ব্যাচেলরেট পার্টিও সেরে নিয়েছেন জেনিফার। তবে করে তারা বিয়ে করছেন তা জানা যায়নি।

এদিকে, গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের এক বিচারক বিল গেটস ও মেলিন্ডার আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ অনুমোদন করেছেন। তবে বিচ্ছেদের পরও নিজের পদবী পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত নেননি মেলিন্ডা।

বিল গেটস ও মেলিন্ডার সম্পর্কের শুরুটা ছিল পেশাভিত্তিক। ১৯৮৭ সালে প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে মাইক্রোসফটে যোগ দিয়েছিলেন মেলিন্ডা। এরপর দুজনের মধ্যে জানাশোনা শুরু হয়। তাদের বিচ্ছেদকে বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল বিচ্ছেদ বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন । আজই পাঠিয়ে দিন - write@sarabangla.in