সারাবাংলা ডেস্ক: তাইওয়ানে হামলার প্রস্তুতি চালাচ্ছে চিন। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বে ক্রমশ সৈনিকের সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে লালফৌজ। এক প্রতিরক্ষা বিষয়ক পর্যবেক্ষককে উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করেছে হংকং স্থিত সংবাদমাধ্যম ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’।
[আরও পড়ুন: ট্রাম্পকে হারানোর আহ্বান, আমেরিকার রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল মহিলাদের]
সংবাদমাধ্যমটির দাবি, ওই অঞ্চল থেকে পুরনো ডিএফ-১১ ও ডিএফ-১৫ ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে অত্যাধুনিক ডিএফ-১৭ হাইপারসনিক মিসাইল মোতায়েন করেছে চিন। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ও অনেক বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম এই নয়া চিনা মিসাইলটি। কানাডা স্থিত ‘Kanwa Defence Review’-এর প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে ফুজিয়ান ও গুয়াংডং অঞ্চলে ম্যারিন কোর ও রকেট ফোর্সের সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে বেজিং।
গত মঙ্গলবার গুয়াংডং সামরিক ঘাঁটিতে যান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেখানে সৈনিকদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন তিনি। eople’s Liberation Army’ত (PLA) মেরিন কোরকে দেওয়া ভাষণে শি বলেন, “অপনরা অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। নিজের দেশের প্রতি অনুগত ও বিশ্বস্ত থাকুন। নিজের শক্তি ও বুদ্ধি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করুন।” চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জিনহুয়ার দাবি, শি জিনপিংয়ের চেষ্টা হচ্ছে সেনার উপর পার্টির রাশ বজায় রাখা। শুধু তাই নয়, সৈনিকরা যাতে সম্পূর্ণভাবে অনুগত ও বিশ্বস্ত থাকে সেটাও নিশ্চিত করছেন তিনি।
উল্লেখ্য, তাইওয়ান ও চিনের (China) মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে যুদ্ধের সম্ভাবনা। শি জিনপিংয়ের আমলে বারবার তাইওয়ান দখল করার হুমকি দিচ্ছে বেজিং। কয়েকদিন আগেই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে মার্কিন প্রতিনিধির সফর নিয়ে তুমুল আপত্তি জানায় চিন, শুধু তাই নয়, তাইওয়ানের বায়ুসীমায় ঢুকে পড়ে লালফৌজের যুদ্ধবিমান। পালটা, তাইপেইও হুমকি দিয়েছে চিন হামলা চললে পালটা জবাব দেবে দেশের সেনাবাহিনী। এনিয়ে বেশ কয়েকবার সামরিক মহড়াও চালিয়েছে দেশটি। ফলে তাইওয়ান দখলের উদ্দেশ্যও থাকতে পারে শি’র বলে অনেকে মনে করছেন।
[আরও পড়ুন: ফের সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা আজারবাইজান-আর্মেনিয়ার, এবার কি ককেশাসে ফিরবে শান্তি?]

Source link

Comments

comments