Breaking News

হার্ট সুস্থ রাখতে নারীদের কলা খাওয়া উচিত, এগুলো হলো এর উপকারিতা

হাইলাইট

কলা মহিলাদের হার্ট সুস্থ রাখতে সহায়ক।
একটি ভালো পরিপাকতন্ত্র গড়ে তোলা প্রয়োজন।
কলা পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের একটি চমৎকার উৎস।

সুস্থ হার্টের জন্য কলা: শরীর সুস্থ রাখতে হার্টকে সুস্থ রাখা প্রয়োজন। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া হার্টকে সুস্থ রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। পটাশিয়াম রক্তচাপ এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম থাকে যা হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ৪০ বছর বয়সের পর নারীদের শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ কমতে শুরু করে। যার কারণে হার্ট ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হয়। কলা শুধু হার্টের জন্যই নয়, ত্বক ও হজমের জন্যও উপকারী।

সুস্থ হার্টের জন্য কলা খান
ওয়েব এমডি অনুযায়ী 40 থেকে 60 বছর বয়সী মহিলাদের মধ্যে পটাশিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণে উপকারী বলে প্রমাণিত হয়। যার মধ্যে কলা, শাকসবজি, ফল, বাদাম এবং দুগ্ধজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নিয়মিত কলা খাওয়া মহিলাদের সিস্টোলিক রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।



ক্যালসিয়ামের উৎস করতে

কলা শরীরে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বাড়াতে সহায়ক। ক্যালসিয়াম হাড়ের বৃদ্ধি ও শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাড় সুস্থ রাখতে ম্যাগনেসিয়ামও প্রয়োজনীয়, যা কলায় প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: দুধের সাথে জলেবি খেলে শুধু স্বাদই হবে না স্বাস্থ্যেরও উন্নতি হবে!

হজম ভালো করে
কলায় উপস্থিত ফাইবার পরিপাকতন্ত্র ঠিক রাখতে সহায়ক। কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেট সংক্রান্ত রোগ দূর করতে ফাইবার সমৃদ্ধ করা ভালো বলে মনে করা হয়।

আরও পড়ুন: সকালে এক চামচ ঘি আশ্চর্যজনক উপকার করে, সেগুলি সম্পর্কেও জেনে নিন

ডায়াবেটিসে উপকারী
কলা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে মনে করা হলেও বাস্তবতা হলো এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি পটাসিয়ামের একটি সমৃদ্ধ উৎস যা ডায়াবেটিসের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

ট্যাগ: স্বাস্থ্য, জীবনধারা


Source link

About sarabangla

Check Also

উচ্চ রক্তচাপ ভারতে হৃদরোগ এবং মৃত্যুর প্রধান কারণ, 75% রোগীর মধ্যে অনিয়ন্ত্রিত: ল্যানসেট রিপোর্ট

হাইলাইট দেশে উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন রোগীদের ৭৫%-এরও বেশি ক্ষেত্রে এটি নিয়ন্ত্রণে নেই। এ কারণে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *