All posts by Sara Bangla

ত্রিশালে দরিদ্র পরিবারের ৪টি গরুসহ ঘর পুড়ে ছাই

মামুনুর রশিদ ত্রিশাল ( ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ত্রিশালে অগ্নিকান্ডে এক দরিদ্র মহিলা নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গত ২৯ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের কোনাবাখাইল গ্রামের চৌরাস্তা সংলগ্ন আয়েশা আক্তারের গোয়াল ঘরে আগুন লাগে।

এলাকাবাসী টের পেয়ে চেষ্ঠা চালিয়ে অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রনে আনলেও এসময় গোয়ালঘরে থাকা ৪টি গরু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুন নিভাতে গিয়ে আয়েশা আক্তারের বৃদ্ধা মা সেলিনা খাতুনও পুড়ে আহত হয়।

আয়েশা আক্তার জানান, আমি এনজিও থেকে ঋন তুলে গরু কিনেছিলাম। অগ্নিকান্ডে ৪টি গরু ও গোয়ালঘর পুড়ে আমার প্রায় ৪লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ক্ষতি আমি কোন ভাবেই পুরণ করতে পারব না। এখন এ ঋন পরিশোধ করার কোন ক্ষমতা আমার নেই।

স্থানীয় লোকজন জানান, দরিদ্র আয়েশা আক্তারের একমাত্র সম্বল গরুগুলো পুড়ে যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তিনি। তাদের আর সহায় সম্বল বলতে কিছু নেই, ঘরের জায়গা বাদে আর কোন জায়গা জমিও নেই।

স্থানীয় চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কথা বলেছি ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারক লোক দিয়ে সাহায্যের আবেদন করেছি।

retired income tax officer called for questioning in Lal Bazar

Published by: Sulaya Singha |    Posted: December 1, 2020 10:34 pm|    Updated: December 1, 2020 10:34 pm
অর্ণব আইচ: কালো টাকা সাদা করার মামলায় এবার প্রাক্তন এক আয়কর কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন লালবাজারের (Lal Bazar) গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার আয়কর দপ্তরের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল চিফ কমিশনার বিশ্বনাথ ঝাকে তলব করে কলকাতা পুলিশ। [আরও পড়ুন: অক্সফোর্ডের বিতর্কসভায় বাংলার উন্নয়ন, বুধবার ভিডিও কনফারেন্সে পড়ুয়াদের মুখোমুখি মমতা]তিন বছর আগে মধ্য কলকাতার হেয়ার স্ট্রিট থানায় হওয়া একটি মামলায় সম্প্রতি ব্যবসায়ী গোবিন্দ আগরওয়ালকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে গোয়েন্দা বিভাগের জালিয়াতি দমন শাখা। আগরওয়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি নিজেকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বলে পরিচয় দিয়ে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে অনেকের কালো টাকা সাদা করেছেন। তাঁর অফিস ও বাড়িতে তল্লাশি করে গোয়েন্দারা আয়কর সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেন। এই মামলায় অন্য এক আয়কর কর্তা মূল অভিযুক্ত। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছিল যে, আয়কর কর্তার প্রচুর টাকা গোবিন্দ আগরওয়ালের বিভিন্ন ভুয়া সংস্থায় লগ্নি করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, আগরওয়ালের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু নথিতে ওই আয়কর কর্তার সই ছিল। গত সপ্তাহে তাঁকে পুলিশ নোটিস দিয়ে লালবাজারের তলব করে। তখন তিনি পদে ছিলেন। তিনদিন আগে অবসর গ্রহণ করেন।এদিন দুপুরে তিনি লালবাজারে আসেন। তাঁর কাছ থেকে পুলিশ জানতে চায়, তার সই করা নথি ব্যবসায়ী গোবিন্দ আগরওয়ালের হাতে কীভাবে গেল, তিনি ওই ব্যবসায়ীকে চিনতেন কি না। যদি নথি খোয়া গিয়ে থাকে, তবে তিনি এই ব্যাপারে অভিযোগ জানিয়েছিলেন কি না, তাও তাঁর কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়। পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, গোবিন্দর সঙ্গে যোগাযোগের কথা সরাসরি স্বীকার করেননি তিনি। তাকে লালবাজারে ফের তলব করা হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।[আরও পড়ুন: মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ, রণক্ষেত্র ধর্মতলা]উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় মূল অভিযুক্ত এনামুল ও কয়লা পাচারে অভিযুক্ত লালার সঙ্গে গোবিন্দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। এ বিষয়ে প্রমাণ জোগাড়ের চেষ্টা করছেন তাঁরা।

Source link

২ দিন নিখোঁজ থাকার পর সেপটিক ট্যাঙ্কে মিলল শিশুকন্যার দেহ, খুন নাকি দুর্ঘটনা? ধন্দে পুলিশ

শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: দু’দিন নিখোঁজ থাকার পর চার বছরের শিশুকন্যার মৃতদেহ মিলল সেপটিক ট্যাঙ্কে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর পুরসভার রঘুনাথপুরের তিনপাড়ায়। অনুমান, পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে শিশুটিকে। যদিও দুর্ঘটনার তত্ত্ব উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ।
জানা গিয়েছে, মৃত শিশুকন্যার নাম মেহেনাজ খাতুন। রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ পরিবারের সদস্যরা টের পান যে খুদে আশেপাশে নেই। শুরু হয় খোঁজাখুজি। কিন্তু কোথাও হদিশ মেলেনি তার। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে এলাকার একটি খোলা সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে দেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ধার করা হয় দেহটি। খবর পাওয়ামাত্রই খুদের বাবা মোসা শেখ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েকে শনাক্ত করেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ।
[আরও পড়ুন: পায়ে হেঁটেই দেশজুড়ে করোনা সচেতনতার প্রচার, প্রশংসা কুড়োচ্ছেন বাংলার প্রৌঢ়]
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর (Jangipur) মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। কিন্তু এখানে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে প্রতিশোধস্পৃহার শিকার কি এই খুদে? পরিকল্পনামাফিক কি খুন করা হয়েছে শিশুটিকে? তারপর প্রমাণ লোপাট করতে দেহটি ফেলে দেওয়া হয়েছে সেপটিক ট্যাঙ্কে? নাকি নিছকই দুর্ঘটনা? তা জানার চেষ্টায় পুলিশ। দ্রুত সত্য প্রকাশ্যে আনার দাবি জানিয়েছেন মৃত খুদের পরিবার-পরিজনের।
[আরও পড়ুন: স্বজনপোষণের অভিযোগ প্রাক্তন কাউন্সিলরের, মিহির গোস্বামীর পর তৃণমূলে ফের ভাঙন? তুঙ্গে জল্পনা]

Source link

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল দৌরাত্ব, রোগীরা সেবা বঞ্চিত

মোঃ রুবেল ইসলাম তাহমিদ,মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিন দিন বেড়েই চলছে দালাল এবং ঔষুধ কোম্পানীর দৌরাত্ব। ফলে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কমপ্লেক্সে আসা সাধারণ রোগীরা।

উপজেলাবাসীর একমাত্র সরকারী এই হাসপাতালটির সুনামের কথা জানিয়ে সেবা নিতে আসা সংশ্লিষ্টরা বলেন, ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠা নাম সর্বস্ব ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পোষ্য দালালদের কারণেই সরকারি এ হাসপাতালের সেবা নিতে পারছে না সাধারণ রোগীরা।

অন্যদিকে স্থানীয়রা মনে করেন, সরকারী হাসপাতালের আশেপাশে গড়ে উঠা ক্লিনিক গুলোর প্রভাবশালী মালিকদের কারণেই  দালালদের বিরুদ্বে ব্যবস্থা নিতে পারছেন না প্রশাসন।

তাদের ভাষ্যমতে, সাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে জরুরী বিভাগ ছাড়াও অর্থোপেড্রিক্সস, গাইনী ও প্রসূতি, শিশু, মেডিসিন, সার্জারী, প্যাথলজি বিভাগসহ অস্ত্রোপচার কক্ষ থাকার পরও দালাল এবং ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের উৎপাতে কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত  উপজেলাবাসী। তারা আরো বলেন, হাসপাতালকে ঘিরে এক ডজনেরও বেশি দালাল চক্র সক্রিয়। কমিশন ভিত্তিতে কাজ করা এসব দালাল চক্রের হোতারা উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে নিরিহ রোগীদের বাগিয়ে নিচ্ছেন ক্লিনিকে। সেখানে ভর্তি ফি হতে শুরু করে রোগ নির্নয়ের জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা ফি থেকে কমিশন সুবিধা নিয়ে নিচ্ছেন চক্রটি।

সেবা নিতে আশা একাধিক রোগী অভিযোগ করে বলেন, এখানে চিকিৎসা নিতে আসলে কোন পরীক্ষা নিরীক্ষা প্রয়োজন হলে অনেক সময় ডাক্তাররাই প্রাইভেট ক্লিনিকে যাওয়ার জন্য বলে দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, সরকারি হাসপাতালে বেশির ভাগ চিকিৎসক বিভিন্ন ক্লিনিকের ঠিকানা দিয়ে দেন ভাল চিকিৎসা পাওয়ার কথা বলে। এছাড়াও ক্লিনিক থেকে বাড়তি কমিশন পাবার আশায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরিক্ষা নিরীক্ষাও দিয়ে থাকেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আঞ্জুমান আরা বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। যদি আগে থেকে এ ধরনের দালাল চক্র থেকে থাকে তবে তা একমুহুর্তে বন্ধ করবো।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমি নিজে এ বিষয়ে তদারকি শুরু করেছি। আমার সামনে এখনো কোন দালাল পরেনি।

চিকিৎসক কতৃক রোগিদের ক্লিনিকে পাঠানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে ডা. আঞ্জুমান আরা বলেন, আমি মিটিং করে সকল চিকিৎসকদের বলে দিয়েছি হাসপাতালে আসা রোগীদের অসুবিধা হয় এমন কোন কাজ কেউ করলে আমি কঠোর ভাবে ব্যবস্থা নিব।

Abhishek Banerjee, PK meet dissident Suvendu Adhikari

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: December 1, 2020 10:37 pm|    Updated: December 1, 2020 10:54 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: কোন্দল মিটিয়ে দলের ভাঙন রোধ করতে ‘বিক্ষুব্ধ’ হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের ‘ভোট সেনানায়ক’ প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকের।[আরও পড়ুন: কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরল ১ লক্ষের গণ্ডি, রাজ্যে সুস্থতার হার ৯৩ শতাংশের বেশি]সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শুভেন্দু অধিকারী। উত্তর কলকাতার একটি বাড়িতে ২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে আলোচনা। ওই বৈঠকে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনই বৈঠকের বিষয়ে সৌগত রায় বলেন, শুভেন্দু-অভিষেক-পিকে-কে নিয়ে মুখোমুখি বসার প্রয়োজন ছিল। আলোচনা সদর্থক হয়েছে। সমস্যা মিটে গেছে বলেও দাবি করেছেন সৌগত রায়ের। বৈঠকের বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বাবা তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শিশির অধিকারী বলেন, “সমস্যা মিটে গেলে ভাল। পার্টির জন্য মঙ্গল।”উল্লেখ্য, সদ্য মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করলেও বিধায়ক পদ ও তৃণমূল ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। তবে তৃণমূল হাইকমান্ডের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঠান্ডা লড়াইর চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই। তাঁর নামে পোস্টার পড়তে শুরু করেছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। পোস্টার দিচ্ছিল দাদা, শুভেন্দুর অনুগামীরা। বিষয়টিকে প্রথম ততটা গুরুত্ব দেওয়া না হলেও মেদিনীপুরের দাপুটে নেতার মন্ত্রিত্ব ত্যাগে নড়েচড়ে বসেছে শাসকদল। পালটা ‘দিদির সঙ্গে’ পোস্টার দিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা। এদিনও পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়াও মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর এবং জয়নগর-মজিলপুরের বিভিন্ন এলাকায় নজরে পড়ে একাধিক পোস্টার। [আরও পড়ুন: লিলুয়ায় রেল ভবন নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ, গাঁথনিতে ব্যবহার হচ্ছে পুরনো ইঁট]

Source link

Bombing at Khenjuri | Sangbad Pratidin

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: December 1, 2020 1:55 pm|    Updated: December 1, 2020 1:55 pm
রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের মারধরের ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি। অভিযোগ, গোটা ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার খেজুরি ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বোগা মোড়ে বিজেপির তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে কর্মীরা জমায়েত করতেই অতর্কিতে হামলা চালায় একদল। বিজেপি কর্মীদের উপর উদ্দেশ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। চলে গুলি। অভিযোগ, একের পর বিজেপি কর্মীদের বাইকে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা। যার জেরে রীতিমতো ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় খেজুরি (Khejuri) থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। শেষ পাওয়া খবর অনুয়ায়ী, এখনও ঘটনাস্থলে রয়েছে পুলিশ।[আরও পড়ুন: স্বজনপোষণের অভিযোগ প্রাক্তন কাউন্সিলরের, মিহির গোস্বামীর পর তৃণমূলে ফের ভাঙন? তুঙ্গে জল্পনা]বিজেপির অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। একুশের নির্বাচনের আগে বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই এই হামলা। পাশাপাশি বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, এভাবে বিজেপিকে ভয় দেখানো যাবে না। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। শাসকদলকে কালিমালিপ্ত করতেই এই চক্রান্ত বলে দাবি তাঁদের। উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী মন্ত্রিত্ব ত্যাগের পর শেষ কয়েকদিনে একাধিকবার উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকায়। [আরও পড়ুন: পায়ে হেঁটেই দেশজুড়ে করোনা সচেতনতার প্রচার, প্রশংসা কুড়োচ্ছেন বাংলার প্রৌঢ়]

Source link

how to increase sperm count: ‘স্বামীর শীঘ্র পতনের সমস্যা, মা হতে পারব কি?’ – what should minimum sperm count for pregnancy in bengali

হাইলাইটসশুক্রাণুর গুণগত মানের হ্রাস ও শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া দৈনিক পরিশ্রম এতই বেড়েছে যে প্রায় সব পুরুষই এই সমস্যায় ভুগছেনসারা বিশ্বজুড়েই এখন বিজ্ঞানীরদের চিন্তার বিষয়। প্রশ্ন: আমার ২ বছর হল বিয়ে হয়েছে। আমরা বহুবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। এখনও মা হওয়ার ইচ্ছা ছাড়িনি। কিছুদিন আগে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম। সেখান থেকেই জানতে পারি যে আমার স্বামীর স্পার্ম কাউন্ট কম। এছাড়াও আরও একটি সমস্যা রয়েছে। সহবাসের সময় আমার স্বামীর শীঘ্রপতন হয়। আমি কি কোনওদিনও সন্তানের মা হতে পারব না ? দয়া করে যদি কোনও সমাধান বলবেন। খুব হতাশ হয়ে পড়েছি। (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)বিশেষজ্ঞের উত্তরপ্রথমেই বলি আশা ছাড়বেন না। আপনারা দুজনেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা অভ্যাস করুন। সময়ে খাওয়া, ঘুম, শরীরচর্চা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চেষ্টা করুন। আপনার আশাও পূর্ণ হবে। শুক্রাণুর গুণগত মানের হ্রাস ও শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া সারা বিশ্বজুড়েই এখন বিজ্ঞানীদের চিন্তার বিষয়। দৈনিক পরিশ্রম এতই বেড়েছে, যে প্রায় সব পুরুষই এই সমস্যায় ভুগছেন। তবে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। আমূল বদলে যাওয়া লাইফস্টাইল অন্যান্য অসুখবিসুখের সঙ্গে বাড়াচ্ছে বন্ধ্যাত্ব। বিশেষ করে পুরুষের ক্রমবর্ধমান বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ আমাদের রোজকার জীবনযাত্রা। এর ফলে শুক্রাণুর পরিমাণ কমার সঙ্গে সঙ্গে তার গুণগত মানও খারাপ হচ্ছে। সাধারণত প্রতি সিসি সিমেনে ৮০ থেকে ১২০ মিলিয়ন গতিশীল স্পার্ম থাকলে পুরুষদের বাবা হতে কোনও অসুবিধে হয় না। কিন্তু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাচ্ছে। এই সমস্যা বিশ্বের প্রায় প্রতিটি উন্নত দেশেরই। সাধারণত ভাবে প্রতি সিসি সিমেনে কুড়ি মিলিয়ন (অর্থাৎ ২ কোটি) বা তার কিছুটা কম স্পার্ম থাকলেও পুরুষদের বাবা হতে কোনও অসুবিধে হবার কথা নয়। তবে শুক্রাণুর সংখ্যা কমতে কমতে দশ মিলিয়নের থেকেও কম হয়ে গেলে তখন সমস্যা হয়। আরও জেনে রাখা জরুরি, সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা আর পুরুষত্বহীনতা কিন্তু এক নয়। সহবাসে অক্ষম পুরুষদের সন্তান উৎপাদন সত্যিই সমস্যার সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে সিমেনে স্পার্ম কাউন্ট কম থাকলে বা যথাযথ গতিশীল শুক্রাণুর পরিমাণ অপর্যাপ্ত থাকলে এবং শুক্রাণু নিঃসরণের পথে কোনও বাধা থাকলে ভ্রূণ তৈরি সম্ভব হয় না। এর কারণগুলি জেনে নেওয়া যাক। প্রায় ব্যাঙাচির মত দেখতে শুক্রাণুদের মাথার নিচে কিছু বিশেষ ধরনের শক্তি উৎপাদনকারী রাসায়ানিক থাকে, যা এদের গতিশীল হতে সাহায্য করে। এই রাসায়ানিকের পরিমাণের তারতম্য হলে অথবা নেকপিসের কোনও গঠনগত ত্রুটি থাকলে স্পার্মের গতিশীলতা কমে যায়। এমনকী শুক্রাণুর টেল অর্থাৎ লেজের কোনও সমস্যা থাকলেও স্পার্ম এগিয়ে যেতে পারে না। গতিশীলতা মানে শুক্রাণু তীব্র বেগে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। একই জায়গায় নড়াচড়া করা মানে গতিশীলতা নয়।আরও পড়ুন: ‘কন্ডোম ছাড়া অচেনা ব্যক্তির সঙ্গে সেক্স! AIDS-এর আশঙ্কা করছি’স্পার্মের মরফোলজি অর্থাৎ আকৃতি স্বাভাবিক না হলে নিষেক অর্থাৎ ভ্রূণ তৈরি সম্ভব নয়।কোনও সংক্রমণ ও যৌন রোগ থাকলে স্পার্মের সংখ্যা ও গতিশীলতা কমে যাবার সম্ভাবনা থাকে।আরও পড়ুন: ‘কন্ডোম ছাড়া সেক্স…পিরিয়ডেও দেরি, গর্ভবতী কিনা চিন্তায়!’বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিমেনে স্পার্মের সংখ্যা ও গতিশীলতা ক্রমশ কমতে শুরু করে। মেয়েদের যেমন মেনোপজ হয়, তেমনই ছেলেদের অ্যান্ড্রোপজ হয়। তাই সঠিক সময়ে সন্তান উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিলে সমস্যায় পড়তে হয় না। সারাদিন কোলে ল্যাপটপ বসিয়ে কাজ করলেও স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। ফিটনেস থেকে ফোসকা সারানোর বিজ্ঞান, সেক্স থেকে স্ট্যামিনা বাড়ানোর উপায়… সব কিছুই জানতে মেইল করতে পারেন লাইফস্টাইল কোচ জীবক আচার্যকে। ঠিকানা- ask.jeebak.acharya@gmail.comএই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে

Source link

চাঁদপুরে মাস্ক পরা অভিযানে প্রশাসনের জালে ছিনতাইকারী!

মাহফুজুর রহমান, চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরে সকলের মুখে শতভাগ মাস্ক পরা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত কিছুদিন যাবৎ কঠোর অভিযান চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার শহরের ইলিশ চত্বর এলাকায় মাস্ক পড়ার অভিযানে প্রশাসনের জালে ধরা পড়ে দুই ছিনতাইকারী।

আটককৃতরা হলেন, গাজীপুর শ্রীপুর এলাকার শাহ মোহাম্মদ নেওয়াজ খানের ছেলে শোয়েব খান (২১) ও  একই এলাকার নবী নেওয়াজ খানের ছেলে শাকিল খান (২০)। সন্দেহভাজন দুই ছিনতাইকারীকে আটকের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুন নাহার।

পরে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে। তারা বড় ধরনের কোন ছিনতাই চক্রের সাথে জড়িত আছে কিনা জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুন নাহার জানান, মাস্ক পড়ার নিয়মিত অভিযান হিসেবে আমরা ইলিশ চত্বর এলাকায় পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনে অভিযান চালাই। আগত এই দুই যুবকের মুখে না মাস্ক থাকায় আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করে। এতে দুই যুবকের বক্তব্য সন্দেহজনক হলে তাদের সাথে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এসময় ওই ব্যাগ তল্লাশি চালিয়ে ৫ টি  মোবাইল, ৫ টি লাইটার, ৪ টি মেমোরী কার্ড, ১০ গ্রাম গাঁজা, একটি গাঁজা সেবনের কলকি, ১০ গ্রাম সাদাপাতা,হেডফোন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের তার উদ্ধার করা হয়। তন্মোধ্যে উদ্ধারকৃত ইলেকট্রিক শর্ট স্টেনগানটি যার শরীরে দেওয়া হবে সে অজ্ঞান কিংবা দুর্বল হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়বে।

Corona positive patient is missing from Calcutta Medical College

Published by: Sulaya Singha |    Posted: December 1, 2020 10:42 pm|    Updated: December 1, 2020 10:42 pm
অভিরূপ দাস: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে উধাও হয়ে গেলেন এক করোনা রোগী। ষাটোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি পাইক পাড়ার বাসিন্দা। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সিবি টপ বিল্ডিংয়ে ভরতি ছিলেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরেই পরিবারের লোকেদের দেখার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন ওই প্রৌঢ়।করোনা আবহে কোভিড রোগীর সঙ্গে দেখা করায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে পরিবারকে তাই অনুরোধ করা হয়, “একটা স্মার্টফোন দিয়ে যান।” মঙ্গলবার সেই ফোন দিতে গিয়েই বিপত্তি। প্রৌঢ়র মেয়ের অভিযোগ, সকালবেলা মেডিক্যাল কলেজে ফোনটা দিতে আসি। নিচে হেল্পলাইনে বলি ফোনটা বাবার কাছে পৌঁছে দিতে। দীর্ঘক্ষণ পর কর্মচারীরা ফিরে এসে জানায় ওঁ নেই। সন্দেহ হয় পরিবারের। কোভিড রোগী নিজের বেড ছেড়ে যাবেন কোথায়? ফের অনুরোধ করা হয় ফোনটা পৌঁছে দেওয়ার জন্য। অনেক চাপাচাপির পর হাসপাতালের কর্মচারীরা জানান কোভিড আক্রান্ত ওই প্রৌঢ় নিঁখোজ হয়ে গিয়েছেন। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরেই আতঙ্ক ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে।[আরও পড়ুন: শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক অভিষেক, প্রশান্ত কিশোরের, ভাঙন থামাতে তৎপর তৃণমূল!]গোটা হাসপাতালে ওই ব্যক্তিকে তন্ন তন্ন করে খোঁজেন হাসপাতালের কর্মচারীরা। কিন্তু কোথাও তাঁর দেখা মেলেনি। কোভিড আক্রান্ত ওই ব্যক্তি গণ পরিবহণে উঠলে আরও অগুনতি লোককে অসুখ ছড়াবেন। গোটা ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে খোঁজ চলছে ওই প্রৌঢ়র।এই প্রথম নয়, এর আগেও মেডিক্যাল কলেজে একাধিকবার এমন বিপত্তি ঘটেছে। গত ৩১ অগাস্টই ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে ছুটতে থাকেন এক করোনা রোগী। তাঁকে ওয়ার্ডে ফেরাতে হিমশিম খেতে হয় স্বাস্থ্যকর্মীদের। গত ২১ অগাস্টও সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না, এই অভিযোগে অভাবনীয় কাণ্ড করে বসেন এক কোভিড-১৯ রোগী! তিনি বাড়ি যাবেন বলে হাসপাতাল থেকে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। তবে শেষ পর্যন্ত বাড়ির পথে পা না বাড়িয়ে লকডাউনে বন্ধ কফিশপের বাইরে বসে পড়েছিলেন তিনি।[আরও পড়ুন: কালো টাকা সাদা করার মামলায় প্রাক্তন আয়কর কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ লালবাজারের গোয়েন্দাদের]এদিন কলকাতা মেডিক্যালের সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন নিখোঁজ প্রৌঢ়র মেয়ে। সুপার জানিয়েছেন, পুলিশকে গোটা ঘটনা জানানো হয়েছে। খোঁজ চলছে।

Source link

পান্ডুয়ায় লকেটের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ, বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপির

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: দলীয় কর্মসূচী উপলক্ষে পান্ডুয়া গিয়েছিলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে দলীয় কর্মীদের অনুরোধ রাখতে না পারায় শেষ পর্যন্ত তাঁদের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলল রাস্তা অবরোধও। পরে পুলিশের মধ্যস্থতায় অবরোধ উঠে যায়। নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে সিঙ্গুর থেকে ‘শুনুন চাষীভাই’ কর্মসূচী পালনের পর জনসংযোগ যাত্রা শুরু ‌করেছিলেন লকেট। মঙ্গলবার বলাগড়ের সোমরায় আদিবাসীদের সঙ্গে জনসংযোগ কর্মসূচী পালনের পর খামারগাছি হয়ে পান্ডুয়ার পাঁচগড়ায় একটি কর্মী বৈঠকে যোগ দিতে যান। সেই সময় পাঁচগড়ায় হাজির ছিলেন অসংখ্য বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা। বৈঠক শেষে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা দাবি করতে থাকেন সাংসদকে স্থানীয় কালী মন্দিরে পুজো দিতে যাওয়ার জন্য। কিন্তু অন্য জায়গায় আগে থেকে কর্মসূচী থাকার জন্য তাঁদের কথা রাখতে পারেননি সাংসদ। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ওই এলাকায় জড়ো হওয়া বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। সাংসদের গাড়ি আটকে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। কিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর পান্ডুয়া থানার পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেন।
[আরও পড়ুন: ‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, ভাঁওতাবাজি’, কর্মসংস্থান নিয়ে একযোগে মমতাকে কটাক্ষ বাম-কংগ্রেসের]
বিজেপির অভিযোগ, আগে থেকেই লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ওই এলাকায় থাকা মতুয়া সম্প্রদায়ের একটি আশ্রমে পুজো দিতে যাওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার সাংসদ পান্ডুয়া যাওয়ার পর সেই কথা শুনে অন্য একটি কালী মন্দিরে যাওয়ার আবেদন জানায় কিছু মানুষ। আসলে ইচ্ছা করে গন্ডগোল বাঁধানোর জন্য তাদের উসকানি দিয়েছে বিরোধীরা। না হলে ওনাদের যদি লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিজেদের পুজোয় নিয়ে যাওয়ার কথা মনে হত তাহলে আগে থেকে জানাত। কিন্তু, সেসব কিছু না করেই অযথা গন্ডগোল করার চেষ্টা করে।
এপ্রসঙ্গে হুগলি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, সারাদিন নানা কর্মসূচি ছিল। সারাক্ষণই কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন মাননীয় সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু, বিরোধীরা ষড়যন্ত্র করে ওনার গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করেছিল। আমাদের আগে থেকে বলা থাকায় পান্ডুয়ার মতুয়া আশ্রমে পুজো দিতে গিয়েছিলেন দিদি। কিন্তু, আচমকা কিছু মানুষ অন্য একটা কালী মন্দিরে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকেন। সময়ের অভাব থাকায় তা হয়ে ওঠেনি। আমাদের ধারণা, বিরোধীরা আমাদের হেনস্তা করার জন্যই এই ধরনের চক্রান্ত করেছে।’
[আরও পড়ুন: ‘শুভেন্দুর পদক্ষেপের অপেক্ষায়’, প্রাক্তন মন্ত্রীর সঙ্গে থাকার বার্তা দিয়ে পদত্যাগ তৃণমূল নেতার]
দেখুন ভিডিও:
sent Today at 21:36

Source link