benefits of waxing: রেজার নাকি ওয়াক্সিং! হাতের লোম থেকে আন্ডারআর্মস পরিষ্কারের সঠিক পদ্ধতি জানুন… – 8 benefits of waxing you don’t know in bengali

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শরীরের যে কোনও জায়গাতেই অবাঞ্ছিত লোম থাকলে তা মোটেই দেখতে ভালো লাগে না। আর হাত, পা যদি লোমে ভর্তি থাকে তাহলে খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলেও তা বোঝা দায়। বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে। প্রতি মাসে নিয়ম করে মেয়েদের সেই অবাঞ্ছিত লোম তুলে ফেলতেই হয়। তবে এই লোম তুলে ফ্লারও কিন্তু অনেক পদ্ধতি রয়েছে। রেজার, ওয়াক্সিং, হেয়ার রিমুভাল ক্রিম ইত্যাদি। এছাড়াও বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকাতেও লোমের গ্রোথ কমানো যায়। সেই সঙ্গে পরিষ্কার রাখা জরুরি আন্ডারআর্মসও। নইলে এখানে ঘামের মাধ্যমে জন্মায় নানা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। আন্ডারআর্মসের ত্বক যেমন নরম হয়, তেমনই এখানে কিন্তু লোমও থাকে অনেক বেশি। ফলে প্রতিমাসে যত্ন নিয়ে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে এই আন্ডারআর্মস। হাত ও পা পরিষ্কার থাকলে দেখতে ভালো লাগে, তেমনই ত্বকও ভালো থাকে। এছাড়াও হাত-পায়ের ট্যান অনেকটাই উঠে আসে এই ওয়াক্সের মাধ্যমে। যাঁরা নিয়মিত ওয়াক্স করেন তাঁদের চামড়া অনেকদিন পর্যন্ত কুঁটকে যায় না। ওয়াক্স করলে যেহেতু রোমকূপের মুখগুলি খুলে যায়, তাই চর্মরোগ, ফুসকুড়ি এসব হয় না। এছাড়াও ওয়াক্সের বিভিন্ন উপকারিতা রয়েছে। ওয়াক্সিং এর সুবিধাসেভিং, রেজার বা হেয়ার রিমুভাল ক্রিমের বদলে সবসময় ওয়াক্সিং ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা সবসময় বলেন রেজার ব্যবহার না করতে। ওয়াক্সিং নিয়মিত করলে ত্বকে কোনও দাগছোপ থাকে না। এছাড়াও আন্ডারআর্মসে কোনও কালো দাগছোপ পড়ে না। ওয়াক্সিং করলে একসাথে অনেকটা চুল উঠে আসে। এছাড়াও গোড়া থেকে সবটা উঠে আসে। ফলে নিয়মিত করলে অবাঞ্ছিত হেয়ার গ্রোথ কমে যায়। অনেকেই হরমোনের তারতম্যের সমস্যায় ভোগেন। ফলে শরীরে অত্যধিক লোমেরও আধিক্য থেকে যায়। ওয়াক্সিং করলে সেই সমস্যা থাকে না। ত্বকের সুরক্ষায়ওয়াক্সিং মূলত মোম, মধু ও চিনি দিয়ে তারি হয়। আর এই সবকটি উপকরণ ত্বকের পক্ষে খুবই ভালো। ওয়াক্সিং যেমন তাড়াতাড়ি হয় তেমনই কেটে যাওয়ার কোনও ভয় থাকে না। রেজার ব্যবহার করলে চামড়া কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও তা ভালোভাবে না ধুলে সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যায়। কোথাও যাওয়ার আগে সব মেয়েই ওয়াক্সিং করান। তখন রেজার ব্যবহার করলে সবাই তাড়াহুড়ো করেন, এতে বিপদের সম্ভাবনা থাকে। দক্ষ হাত হওয়া জরুরিওয়াক্সিং বাড়িতেও করা যায়। কিন্তু সাঁলো বা পার্লারে গিয়ে করানোই ভালো। কারণ সবার বাড়িতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকে না। এছাড়াও স্ট্রিপস টানার একটা কায়দা আছে। ঠিক করে না তুলতে পারলে লোমও ওঠে না। এমবকী রক্ত চলাচল ব্যহত হতে পারে। এছাড়াও সবসময় ঠান্ডা ওয়েদারে ওয়াক্সিং ভালো হয়। অনেকের বাড়িতেই এসি থাকে না। সেক্ষেত্রে পার্লারই ভালো। ত্বক নরম থাকেআমরা মুখের যেভাবে যত্ন নিই, সেই ভাবে হাত পায়ের যত্ন নেওয়া হয় না। আর হাতে নিয়মিত তেল, সাবান, ক্রিম লাগানোর ফলে রোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। নোংরা বসে। বাইরে বেরনোর সময় মুখে সানস্ক্রিন মাখলেও হাতে লাগানো হয় না। ত্বকে কালো ছোপ থেকে, পোড়া দাগ সবই থাকে। ওয়াক্সিং করলে এসব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর ত্বক নরমও থাকে।মৃত কোশ দূর করেশীত পড়লেই চামড়া সাদা আর খসখসে হয়ে যায়। অনেকেরই মাছের আঁশের মতো চামড়া ওঠে। এই সময় ময়েশ্চারাইজার লাগালে কিছুটা ফল পাওয়া যায়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কিছুই হয় না। ভালো করে ধুয়ে, মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর চেয়ে শীতকালে দুবার ওয়াক্সিং করিয়ে নেওয়া ভালো। এতে চামড়া ভালো থাকবে। টানটান থাকবে। সেই সঙ্গে বজায় থাকবে আর্দ্রতা। ত্বক ভেতর থেকে চকচকে থাকে। মানসিক শান্তিসুন্দর স্টাইলিশ জামা পড়তে এখন অভ্যস্ত ৪ থেকে ৭০। সুন্দর কাটিং এর ব্লাউজ, প্যান্ট, জামা এসব সবাই পরেন। আর তাই স্লিভলেস ব্লাউড পড়লে যদি আন্ডারআর্মস না করা থাকে তাহলে তা দেখতে যেমন বাজে লাগে, তেমনই পা পরিষ্কার না থাকলে হাঁটুঝুলের কোনও কিছু পরা যায় না। পরলেও মনে দ্বিধা থাকে। মনে হয় সবাই ঠিক আপনার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে। এসব ছাড়াও ত্বক যদি নরম, মোলায়েম হয় তাহলে নিজেরও ভালো থাকে। নিজেকে সুন্দর দেখাক এ কে না চায়! তাই যেমন নিয়ম করে ফেসিয়াল করেন তেমনই ওয়াক্সিংও করুন। কেমন ওয়াক্স ব্যবহার করবেনকোল্ড ওয়াক্স ব্যবহার করতে পারেন যদি আপনার ত্বক শুষ্ক প্রকৃতির হয়। কিন্তু সবচেয়ে ভালো হল ব্রাজিলিয়ান ওয়াক্স কিংবা চকোলেট ওয়াক্স। ত্বক যদি সংবেদনশীল হয় তাহলে এই ওয়াক্স খুব ভালো। এই ওয়াক্স যাবতীয় ময়লা, ট্যান সবই তুলে দেয়। এই জাতীয় ওয়াক্সে যে তেল থাকে সেটা ওয়াক্সিংয়ের পরে আপনার ত্বককে কোমল রাখে। চকলেট অয়াক্স সব রকমের ত্বকের জন্য উপযোগী। এমনকি সেনসিটিভ বা স্পর্শকাতর ত্বকেও এই ওয়াক্স খুব কার্যকরী।তবে রেগুলার ওয়াক্সের চেয়ে চকলেট ওয়াক্স একটু দামী। ওয়াক্সিং এর পরওয়াক্সিং এর পর গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে ভালো করে পা মুছে নিন। আন্ডারআর্মস আর হাত মুছে নিন। প্রথমে অ্যালোভেরা জেল মালিশ করুন। এর পর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ম্যাসাজ ক্রিম লাগিয়ে নিন। এরপর ৬ ঘন্টা কোনও জল লাগাবেন না।

Source link

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *