হাইলাইটসগুড় না চিনি, গুণে এগিয়ে কে? বাঙালির সব কিছুতেই চিনি মাস্ট? রান্নায় চিনি, রুটিতেও চিনি? চিনি না গুড়, বিতর্ক চিরকালের। শীতের ব্রেকফাস্টে চিনি দিয়ে রুটি খাবেন নাকি নলেন গুড়ে ডুবিয়ে, তা ঠিক করবেন খাদ্যরসিকই। চিনির বদলে পাতে রাখুন গুড়। রান্নাতেও গুড়, রুটি দিয়েও গুড়। গুড়ের অঢেল গুণ। তবে, সতর্ক থাকতে হবেই। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: গুড় না চিনি, গুণে এগিয়ে কে? বাঙালির সব কিছুতেই চিনি মাস্ট? রান্নায় চিনি, রুটিতেও চিনি? চিনি না গুড়, বিতর্ক চিরকালের। শীতের ব্রেকফাস্টে চিনি দিয়ে রুটি খাবেন নাকি নলেন গুড়ে ডুবিয়ে, তা ঠিক করবেন খাদ্যরসিকই। চিনির বদলে পাতে রাখুন গুড়। রান্নাতেও গুড়, রুটি দিয়েও গুড়। গুড়ের অঢেল গুণ। তবে, সতর্ক থাকতে হবেই। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ঋতু পরিবর্তন অনুযায়ী কিছু খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। গরমকালে যেমন আমরা জল জাতীয় জিনিস খাই শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য, তেমনি সব ঋতুতে পাওয়া গেলেও শীতকালে গুড় খাওয়া শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। আমাদের দেশে আখ বা খেজুরের রস থেকে তৈরি হয় গুড়। তবে অনেক দেশে পামের রস থেকেও গুড় তৈরি করা হয়। রস সংগ্রহ করার পরে তা বড় পাত্রে সংরক্ষণ করা হয় এবং তা কিছুক্ষণ স্থির ভাবে রেখে দিয়ে জ্বাল দেওয়া হয়। এই রস আগুনের তাপে ফুটে ওঠে এবং গুড়ে পরিণত হয়। যেহেতু এটা প্রাকৃতিক মিষ্টি তাই এর আছে নানা উপকারিতা। গুড় অনেক বেশি অকৃত্রিম। একে আয়ুর্বেদিক নানা ওষুধ তৈরির কাজেও ব্যবহার করা হয়। এরই সঙ্গে গুড় দিয়ে বাঙালির ঘরে রুটি ও পিঠে-পায়েস খাওয়ার প্রচলন বহু পুরনো। সাধারণত আখ ও তালের গুড়ই বেশি জনপ্রিয়।চিনিতে রয়েছে সুক্রোজ নামে শর্করা। আর গুড়ে সুক্রোজের সঙ্গে থাকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লোহা। সেই সঙ্গে সামান্য প্রোটিনও থাকে গুড়ে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, উপকারের প্রশ্ন উঠলে এগিয়ে থাকবে গুড়। গুড়ের খাদ্যগুণ জানলে সত্যিই অবাক হতে হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাঙানিজ ও জিঙ্ক থাকে। আয়ুর্বেদের মতে, এই গুড় সারিয়ে তুলতে পারে পেটের নানা অসুখও।গলার সমস্যা দূর করে- শীতের সময় কফ, গলাব্যথা, ফোলা বা খুসখুসে কাশি হয়। এগুলি দূর করত সাহায্য করে। শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন-কফ, বা বুকে কফ জমাট বাঁধা, রক্ত প্রবাহে সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। গুড় রক্ত পরিষ্কার করে। হিমোগ্লবিনের মাত্রা বাড়ায়। আর অবাঞ্ছিত উপাদান দূর করে। শীতের শুষ্ক ঠাণ্ডা বাতাস জীবাণু বিস্তারের জন্য উপযুক্ত, যে কারণে আমাদের শরীর রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।গুড় শরীর থেকে অবাঞ্ছিত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে। পাকস্থলী, অন্ত্র, ফুসফুস এবং খাদ্যনালী সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।মধুমেহ বা ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ-এটি অকৃত্রিম মিষ্টির ভাণ্ডার। শরীরে গুড়ের মিষ্টত্ব কখনওই মধুমেহ বা ব্লাড সুগার লেভেল বাড়িয়ে তোলে না।অ্যানিমিয়া দূর করে- অ্যানিমিয়া আক্রান্তদের জন্য গুড় দারুণ উপকারী। রোজ গুড় খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের উৎস হতে পারে গুড়।মাইগ্রেনের ব্যথা সারিয়ে তোলে-গুড়ে থাকা আয়রন শরীরে রক্ত তৈরি করে, রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে এবং রেসপিরেটরি সিস্টেম অনেক বেশি স্মুথ হয়। মাইগ্রেনের ব্যথা সারিয়ে তুলতেও দারুণ কাজে লাগে গুড়।কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়-গুড় খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। শরীরে ঘুরে বেড়ানো ফ্রি র‍্যাডিকালস দূর করতে সাহায্য করে গুড়। এতে থাকা জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম ইমিউনিটি সিস্টেমকে মজবুত করে।শরীর উষ্ণ রাখে-গুড় শরীরে তাপ উৎপাদন করে এবং শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এতে আছে উচ্চ মানের ক্যালোরিফিক, যা শরীর উষ্ণ রাখে এবং শক্তি যোগায়।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Comments

comments