Published by: Sulaya Singha |    Posted: December 1, 2020 10:42 pm|    Updated: December 1, 2020 10:42 pm
অভিরূপ দাস: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে উধাও হয়ে গেলেন এক করোনা রোগী। ষাটোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি পাইক পাড়ার বাসিন্দা। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সিবি টপ বিল্ডিংয়ে ভরতি ছিলেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরেই পরিবারের লোকেদের দেখার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন ওই প্রৌঢ়।করোনা আবহে কোভিড রোগীর সঙ্গে দেখা করায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে পরিবারকে তাই অনুরোধ করা হয়, “একটা স্মার্টফোন দিয়ে যান।” মঙ্গলবার সেই ফোন দিতে গিয়েই বিপত্তি। প্রৌঢ়র মেয়ের অভিযোগ, সকালবেলা মেডিক্যাল কলেজে ফোনটা দিতে আসি। নিচে হেল্পলাইনে বলি ফোনটা বাবার কাছে পৌঁছে দিতে। দীর্ঘক্ষণ পর কর্মচারীরা ফিরে এসে জানায় ওঁ নেই। সন্দেহ হয় পরিবারের। কোভিড রোগী নিজের বেড ছেড়ে যাবেন কোথায়? ফের অনুরোধ করা হয় ফোনটা পৌঁছে দেওয়ার জন্য। অনেক চাপাচাপির পর হাসপাতালের কর্মচারীরা জানান কোভিড আক্রান্ত ওই প্রৌঢ় নিঁখোজ হয়ে গিয়েছেন। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরেই আতঙ্ক ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে।[আরও পড়ুন: শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক অভিষেক, প্রশান্ত কিশোরের, ভাঙন থামাতে তৎপর তৃণমূল!]গোটা হাসপাতালে ওই ব্যক্তিকে তন্ন তন্ন করে খোঁজেন হাসপাতালের কর্মচারীরা। কিন্তু কোথাও তাঁর দেখা মেলেনি। কোভিড আক্রান্ত ওই ব্যক্তি গণ পরিবহণে উঠলে আরও অগুনতি লোককে অসুখ ছড়াবেন। গোটা ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে খোঁজ চলছে ওই প্রৌঢ়র।এই প্রথম নয়, এর আগেও মেডিক্যাল কলেজে একাধিকবার এমন বিপত্তি ঘটেছে। গত ৩১ অগাস্টই ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে ছুটতে থাকেন এক করোনা রোগী। তাঁকে ওয়ার্ডে ফেরাতে হিমশিম খেতে হয় স্বাস্থ্যকর্মীদের। গত ২১ অগাস্টও সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না, এই অভিযোগে অভাবনীয় কাণ্ড করে বসেন এক কোভিড-১৯ রোগী! তিনি বাড়ি যাবেন বলে হাসপাতাল থেকে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। তবে শেষ পর্যন্ত বাড়ির পথে পা না বাড়িয়ে লকডাউনে বন্ধ কফিশপের বাইরে বসে পড়েছিলেন তিনি।[আরও পড়ুন: কালো টাকা সাদা করার মামলায় প্রাক্তন আয়কর কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ লালবাজারের গোয়েন্দাদের]এদিন কলকাতা মেডিক্যালের সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন নিখোঁজ প্রৌঢ়র মেয়ে। সুপার জানিয়েছেন, পুলিশকে গোটা ঘটনা জানানো হয়েছে। খোঁজ চলছে।

Source link

Comments

comments