সারাবাংলা ডেস্ক: করোনা আক্রান্ত বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করলেন বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakroborty)। তবে তার মাঝেও তাঁকে শুভেচ্ছাবার্তায় শ্লেষ আর কটাক্ষ জিইয়ে রাখলেন সিপিএম বিধায়ক। টুইটারে তিনি লিখলেন,“প্রসাদ, গোমূত্র বা ভাবিজি পাঁপড়ে ভরসা না রেখে সাংসদ দিলীপ ঘোষ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের শরণাপন্ন হয়েছেন। ওনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত। বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসায় দ্রুত সেরে উঠুন দিলীপবাবু।”করোনায় আক্রান্তদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।প্রসাদ, গো-মূত্র বা ভাবিজি পাঁপড়ে ভরসা না করে সাংসদ শ্রী দিলীপ ঘোষ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের শরণাপন্ন হয়েছেন।ওনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত।বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসায় দ্রুত সেরে উঠুন।ভবিষ্যতে আর কুসংস্কার নয়,পারলে, বিজ্ঞান প্রচারে মন দিন।। pic.twitter.com/PgqAu5gRbg— Dr.Sujan Chakraborty (@Sujan_Speak) October 18, 2020শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে সল্টলেকের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর শনিবার দিনভর তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে চিকিৎসকদের খুব উদ্বেগ না থাকলেও, ফুসফুসের সংক্রমণ কিছুটা অস্বস্তি জারি রেখেছিল। সংক্রমণ কতটা ছড়িয়েছে, তা জানতে থ্রোক্স সিটি স্ক্যান করানো হয়। যদিও দিলীপ ঘোষের রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক। তাঁর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তে দলী নেতারা তো বটেই, ভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বও আরোগ্য কামনা করেছেন। তারই মধ্যে একজন সুজন চক্রবর্তী। টুইটাকে তাঁকে সুস্থতা কামনা করে বাম পরিষদীয় দলনেতার পরামর্শ, “ভবিষ্যতে আর কুসংস্কার নয়, পারলে বিজ্ঞান প্রচারে মন দিন।”[আরও পড়ুন: পুজোয় কলকাতা মেট্রোর নতুন সময়সূচি, দেখে নিন কবে কখন মিলবে পরিষেবা]
করোনা (Coronavirus) আবহে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ভরসা না রেখে বহু বিজেপি নেতার গলায় শোনা গিয়েছে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বনের কথা। কেউ পরামর্শ দিয়েছেন নিয়মিত গোমূত্র পান করলে করোনা ধারেকাছে ঘেঁষবে না। কেউ বা বলেছেন কাদায় বসে শঙ্খ বাজালে দূরে চলে যাবে মারণ ভাইরাস। কেউ আবার দাওয়াই হিসেবে তুলে ধরেছিলেন ‘ভাবিজি পাঁপড়ে’র কথা। ঘটনাচক্রে এহেন অবৈজ্ঞানিক পরামর্শ দেওয়া অধিকাংশ বিজেপি নেতা পরবর্তী সময়ে নিজেরাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এসব প্রসঙ্গ টেনেই দিলীপ ঘোষকে এভাবে বিঁধলেন বাম বিধায়ক। কিন্তু কারও অসুস্থতার সময় এমন শ্লেষ যে কতটা অসংবেদনশীল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা।[আরও পড়ুন: পুলিশের ‘অমানবিক’ অত্যাচারে মৃত্যু পটাশপুরের বিজেপি কর্মীর, ফের বিস্ফোরক রাজ্যপাল]

Source link

Comments

comments