হাইলাইটসদার্জিলিং মানে যেমন নস্টালজিয়া, তেমনই দার্জিলিং মানে এখানকার খাওয়া দাওয়া। তিব্বতি থেকে বাঙালি, অসমিয়া থেকে কন্টিনেন্টাল – সব রকম খাবারের সংমিশ্রণ ঘটেছে এখানে।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: বাঙালি মানেই নাকি ‘দীপুদা’। অর্থাত্‍ বাড়ির বাইরে বেড়াতে গেলে দীঘা, পুরী এবং দার্জিলিং-এর বাইরে নাকি যেতে পারেন না বাঙালিরা। তবে সেই বদনাম বহুকাল আগেই কাটিয়ে ফেলেছি আমরা। শুধুমাত্র ভ্রমণের টানে দেশে-বিদেশে বহু দুর্গম স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বাঙালিরা। তবু চিরকালের বড্ড চেনা দীঘা, পুরী এবং দার্জিলিং-এর প্রতি একটা আলাদা টান তো রয়েই গিয়েছে। দার্জিলিং তাই প্রায় সব বাঙালিরই বহুবার যাওয়া। ছোট্ট ছুটিতে টুক করে একটু দার্জিলিং ঘুরে আসতে কার না ভালো লাগে। ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে পাহাড়ের বাঁকে হারিয়ে যাওয়া টয়ট্রেন, ম্যালে বসে গরম চায়ে চুমুক দিতে দিতে আড্ডা আর টাইগার হিলের সূর্যোদয়, সে যতবারই দেখা হোক, তবু পুরনো হয় না। দার্জিলিং মানে যেমন নস্টালজিয়া, তেমনই দার্জিলিং মানে এখানকার খাওয়া দাওয়া। তিব্বতি থেকে বাঙালি, অসমিয়া থেকে কন্টিনেন্টাল – সব রকম খাবারের সংমিশ্রণ ঘটেছে এখানে। তাই ভোজনরসিকদের স্বর্গ হচ্ছে দার্জিলিং। পরেরবার দার্জিলিং গেলে যে চার রেস্তোঁরায় খাওয়া মিস করা যাবে না, তারই একটা তালিকা বানিয়েদিলাম আমরা। কঙ্গা রেস্তোঁরাছোট্ট এই রেস্তোঁরাটি একটি পরিবার চালায়। একবার খেলে এখানকার খাবার আপনার মুখে লেগে থাকবে। ছোট্ট এই রেস্তোরাঁ প্রায় সব সময় কাস্টমারের ভিড়ে ভর্তি। টেবিল খালি পেতে দিনের যে কোনও সময় আপনাকে অপেক্ষা করতেই হবে। তবে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর যখন টেবিল খালি পেয়ে বসবেন আর গরম গরম খাবার আপনার সামনে এসে যাবে, তখন তা মুখে দিয়ে বুঝতে পারবেন যে এতক্ষণ অপেক্ষা করাটা স্বার্থক। তিব্বতি এবং চিনা খাবার এখানে পাওয়া যায়। কঙ্গা রেস্তোরাঁর থুপ্পা আর মোমো অবশ্যই খেয়ে দেখবেন। গ্লেনারিজদার্জিলিং-এর কিংবদন্তী রেস্তোরাঁ হল গ্লেনারিজ। এখানকার পরিবেশই আপনাকে মুগ্ধ করে দেবে। এখানে ফরাসি ধরনের জানালা আছে। সেখানে কিছু খাবার নিয়ে বসে বেশ কয়েক ঘণ্টা আপনি কাটিয়ে ফেলতেই পারেন। চারপাশের দার্জিলিং শহরের একটা অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায় এখান থেকে। তার সঙ্গে এখানকার কন্টিনেন্টাল খাবার তো আছেই। এদের নিজস্ব বেকারির কেক পেস্ট্রি মিস করবে না। তার সঙ্গে অবশ্যই এক কাপ স্পেশাল চা।নাথমুলসদার্জিলিং গিয়ে এদের অসাধারণ চা না খেয়ে কিন্তু ফিরবেন না। দার্জিলিং-এর সবচেয়ে পুরনো চা ব্যবসায়ীদের অন্যতম এই রেস্তোরাঁটি চালান। তার সঙ্গে রয়েছে ম্যালের ধার ঘেঁসে এই রেস্তোঁরা থেকে উপরি পাওনা হিসেবে অসাধারণ ভিউ। স্পেশাল চা, তার সঙ্গে হালকা নিরামিষ স্ন্যাকস নিয়ে দার্জিলিং-এর একটা বিকেল আপনার ফাটাফাটি কাটবে। কেভেন্টার্সকেভেন্টার্সের হট চকোলেটের ভক্ত ছিলেন স্বয়ং ফেলু মিত্তির। এখানকার ইংলিশ ব্রেকফাস্ট না খেয়ে দার্জিলিং থেকে ফেরা কিন্তু অপরাধ। কেভেন্টার্সের ছাদে একটা ভালো জায়গা দেখে বসে পড়ুন। তারপর একটার পর একটা ডিশ চেখে দেখুন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Comments

comments