এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: পারবারিক ও সম্পর্কের বিষয়ে আমাদের দফতরে অনেকেই অনেক সমস্যার কথা জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সেই সব সমস্যার যথাসাধ্য সমাধান করার চেষ্টা করেছি আমরা। আশা করি আমাদের পরামর্শে আপনারা উপকৃত হবেন। আজ দেখে নেওয়া তেমনই একটি সমস্যা ও তার সমাধান। সমস্যাআমার শাশুড়ি মার স্বভাব হল বাড়ির পরিচারিকাদের সঙ্গে সাংসারিক বিষয় সব রকম আলোচনা করা। আমাদের পরিবারের মধ্যে কী হচ্ছে না হচ্ছ, সেই সব কিছু কাজের মেয়েদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। এমনকি নিতান্ত পারিবারিক ও স্পর্শকাতর বিষয়ও পরিচারিকার কানে তুলে দিতে তিনি দ্বিধা বোধ করেন না। ওনার এই স্বভাবে আমি খুবই বিরক্ত হই। আমি কত টাকা মাইনে পাই, আমার সঙ্গে আমার স্বামীর ঝগড়া হলে সেই সব কথা পরিচারিকাকে জানিয়ে দেন তিনি। কিন্তু কী বলব বুঝতে পারি না। কড়া ভাষায় কিছু বলতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু চাই উনি যাতে পারিবারিক বিষয়ে পরিবারের বাইরের কারোর সঙ্গে আলোচনা না করেন। কী করব বলতে পারেন?খারাপ ছেলেদেরই প্রেমে পড়েন যে ৫ রাশির মহিলারা বিশেষজ্ঞের উত্তরএকটা কথা মনে রাখবেন, যে কোনও মানুষের যে কোনও ব্যবহারের পেছনে নিশ্চয় কোনও কারণ আছে। কেন তিনি এই কাজ করছেন, এর পেছনে ওনার কী ধ্যান ধারণা কাজ করছে, সেটা বুঝতে পারলেই সমস্যা অর্ধেক সমাধান হয়ে যাবে। শাশুড়ি-বৌমার সম্পর্ক যতই ভালো হোক না কেন, তার মধ্যে একটু চাপা টানাপোড়েন থাকবেই। আপনার ক্ষেত্রে যেটা সমস্যা, তা দেখে আমার মনে হচ্ছে যে আপনার শাশুড়ি হয়তো সংসারে নিজেকে কিছুটা বিপন্ন বোধ করেন। ওনার হয়তো মনে হয় যে সংসারে ওনার খুব একটা মূল্য নেই। হতে পারে ওনার এই ধারণা নেহাতই অমূলক। কিন্তু যে কোনও কারণেই হোক, একটা বিপন্নতা ওনার মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে। ভুলে যাওয়া কঠিন যে ৫ রাশির জাতকদের রাগারাগি করে কিন্তু এই সমস্যার সমাধান হবে না। বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যেতে পারে। ওনাকে এই সংসারে ওনার গুরুত্ব বোঝান। শাশুড়ি মায়ের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলুন। সংসারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ওনার মতামত নিন। আলোচনার মাধ্যমেই কিন্তু অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। তাড়াহুড়ো করে কিছু হবে না। শাশুড়ি মায়ের সঙ্গে মাঝে মাঝে বাইরে খেতে যান। হালকা কোনও শপিং করতে পারেন। মন্দিরে পুজো দিতে নিয়ে যেতে পারেন। আপনাদের মধ্যে দূরত্ব কমলে তখন ওনাকে বোঝান যে বাইরের লোকের কাছে ঘরের সব কথা বললে নিরাপত্তার সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রয়োজনে এই বিষয়ে আপনার স্বামীর সঙ্গেও আলোচনা করুন। তিনি কি তাঁর মাতে যথেষ্ট সময় দেন? স্বামীকে বলুন মায়ের সঙ্গে আরও বেশি করে সময় কাটাতে। পরিবারে নিজের মূল্য বুঝতে পারলে তখন পারিবারিক বিষয় পরিবারের মধ্যেই রাখার গুরুত্ব বুঝে যাবেন আপনার শাশুড়ি মা। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Comments

comments