হাইলাইটসমাছ আর মাংস প্রোটিনে ভরপুর থাকলেও তা হজম করতে বেশ সময় লাগে। বিশেষত তা যদি হয় বড় মাছ। কারণ মাছ মশলা ছাড়া একদম রান্না করাই যায় না। আর মশলা বলতে থাকে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, টমেটো। যা রাতে হজম করা কঠিন। এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: সারাদিন তেল-মশলাদার খাবার যতই খাওয়া হোক না কেন রাতের খাবার সবসময় হালকা খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই সঙ্গে ৮টার মধ্যেই রাতের খাবার সেরে ফেলতে পরামর্শ দিয়েছেন সেই সঙ্গে রাতের মেনুতে মাছ-মাংস বাদ রাখার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। মাছ আর মাংস প্রোটিনে ভরপুর থাকলেও তা হজম করতে বেশ সময় লাগে। বিশেষত তা যদি হয় বড় মাছ। কারণ মাছ মশলা ছাড়া একদম রান্না করাই যায় না। আর মশলা বলতে থাকে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, টমেটো। রাতে এই কোনও উপকরণই হজম হতে চায় না। এছাড়াও মাছের মধ্যে থাকা তেলও হজম হতে বেশ খানিকক্ষণ সময় লাগে। যে কারণে মাছ খেলে অনেকবার ঢেকুর দেয়, অস্বস্তি হয়। কিছুতেই হজম হতে চায় না। আর হজম না হলে যে শরীরকে বেশ বেগ পেতে হয় একথা কে আর না জানে! কিন্তু দুপুরে আবার মাছ-ভাত খুব ভালো হজম হয়। তাই বয়স্ক হোক বা শিশু রাতে মাছ এড়িয়ে চলাই ভালো। যে কারণে ফিশ কাটলেট, ফিশ ফিঙ্গার এই সব স্ন্যাকস হিসেবেই খাওয়া হয়। কথায় বলে মাছ-ভাতে বাঙালি। কিন্তু সব খাবারেরই নির্দিষ্ট কিছু সময় রয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। সসুস্থ থাকতে ফিল্মস্টার থেকে খেলোয়াড় সকলেই কিন্তু নিরামিষ আহার পছন্দ করেন। এমনকী অনেকে দুধ, পনিরও খাদ্য তালিকা থেকে বাদ রাখেন। বিজ্ঞান বলে মাছ, মাংস কিংবা ডিম বাদে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মিটবে না এই ধারণা এবার ভাঙার সময় এসেছে। পেটের রোগ এড়াতে, দীর্ঘদিন নীরোগ থাকতে হলে অবশ্যই নিয়ম মেনে খান।আর দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিরামিশাষী তাঁদের গড় আয়ু কিন্তু মাংশাসীদের দেখে ১০ বছর বেশি। বাঙালির যাবতীয় অসুস্থতা তাদের খাদ্যাভাসকে ঘিরেই। আর তাই চিংড়ি, মাটন থেকে লোলুপ দৃষ্টি সরালে অনেকটাই ভালো থাকা যায়। এবার অনেকেই হয়তো ভাববেন একরকম খাবারে অভ্যস্ত আপনার শরীর। হঠাৎ করে শরীরে যদি প্রোটিনের ঘাটতি হয় তাহলে নানা সমস্যা আসতে পারে। বিষয়টি কিন্তু সেরকম নয়। বরং দিনে-রাতে মাছ-মাংস খেলে আপনি অনেক বেশি করেই শারীরির সমস্যাকে আহ্বান জানাচ্ছেন। এতে শরীরের অন্য অঙ্গ প্রতঙ্গে অনেক বেশি ক্ষতিকর প্রভাবও পড়ে। আর বয়স ৩৫ পেরোলেই এই অভ্যাসে আনুন বদল। আরও পড়ুনডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ থেকে রক্ত সঞ্চালন, মুগডালের আরও যা যা উপকারিতা…কারণ, ৩৫ বছরের পর থেকে শরীর নানা দিক থেকে দুর্বল হতে থাকে। পুরুষদের ক্ষেত্রে হার্টের অসুখ ও ওজন বৃদ্ধির প্রবণতা বাড়তে থাকে। মেয়েদের ক্ষেত্রে সন্তানধারণের পর বা ৩০-৩৫ বছর বয়সের পর ওজন প্রায় ১০-১৫ কেজি বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সির পর শরীর সম্পর্কে খুবই সচেতন হওয়া জরুরি। আর এই সময় সন্তানের প্রতি বেশি নজর থাকায় নিজের শরীর সম্পর্কে খুব কম মহিলাই সচেতন হতে পারে। তাই সবচেয়ে সহজ উপায় খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ঘটিয়ে শরীর ঠিক রাখা। এছাড়া কর্মরত পুরুষ-মহিলা সকলেরই শরীরচর্চার সময় আজ প্রায় নেই বললেই চলে, তার উপর খাওয়ার ব্যাপারে কোনও রাশ নেই। তাই এই বয়সে যদি কেউ ভেজ ডায়েটে চলে আসেন সেক্ষেত্রে সুস্থ থাকা যায় অনেক বেশি। এতে মহিলাদের মেনোপজ শুরুর সময় অনেকদিন পর্যন্ত আটকে রাখা সম্ভব। ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা ও নানান অপ্রত্যাশিত অসুখের প্রকোপ দূর করা সম্ভব। এছাড়া ফল, সবজি বেশি করে খেলে তা ক্যানসারের মতো মারণরোগ অনেক অংশেই রোধ করে। মাছের মধ্যে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা হার্টের জন্য ভালো। মাছ না খেলে রাতে এক কাপ দুধের সঙ্গে দুটি আমন্ড খান। আর দুধ না খেলে একসঙ্গে চারটে আমন্ড ও দুটো আখরোট খেয়ে ঘুমোতে যান। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Comments

comments