PCOS এর সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। মোটামুটি ১৮ বছরের পর থেকে অনেক মেয়েই এই সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো দীর্ঘদিন ওষুধ খেয়ে যাচ্ছেন। ওষুধ খাওয়ার ফলেই পিরিয়ডস ঠিক সময়ে হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অন্যত্র। ওজন বেড়ে যাচ্ছে, চুল পড়ছে, ত্বকের সমস্যা, কখনও হালকা শ্বাসকষ্ট। এদিকে PCOS এর মূল কারণ হরমোনাল ডিসঅর্ডার। আর এই সমস্যার জন্য বিশেষজ্ঞরা দেন কনট্রাসেপটিভ পিল। ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের সংমিশ্রণ রয়েছে এই পিলে। পিরিয়ডসের প্রথম দিন থেকে চতুর্থ দিনের মধ্যে খাওয়া শুরু করে ২১ দিন পর্যন্ত একটানা রোজ একটা করে খেয়ে যেতে হয়। এই পিল নিয়ে অনেকের মধ্যেই অনেক রকম ভয় কাজ করে। এই পিলের দীর্ঘমেয়াদি ফল নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে এই পিল সবচেয়ে নিরাপদ। আর তাই যাঁরা এই সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা ওষুধের সঙ্গে যদি সামান্য এই নিয়ম মেনে চলেন তাহলে অনেকটাই উপকার পাবেন। মেথিমেথি সব বাড়ির রান্নাঘরেই থাকে। রান্নায় ফোড়ন হিসেবে রয়েছে মেথির ব্যবহার। প্রতিদিন রাতে একগ্লাস জলে মেথি ভিজিয়ে রেখে পরেরদিন সেই জল ছেঁকে খেয়ে নিন। এতে ওজন আর ব্লাড সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে। তবে সব দিন নয়, সপ্তাহে তিন দিন অন্তর মেথি জল খান। দুপুর এবং রাতের খাবার খাওয়ার ১০ মিনিট আগেও খেতে পারেন মেথির জল। দারচিনিপলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) থাকলে ডায়াবিটিসের সমস্যা আসে। মূলত টাইপ ২ ডায়াবিটিস। আর তাই ওষুধ খেলেও প্রতিদিন দারচিনির জল খেতে পারলে খুব ভালো। কিংবা দারচিনি দেওয়া চাও চলতে পারে। মিল্কশেক, টকদই যে কোনও কিছুর সঙ্গে দারচিনি মিশিয়ে খেতে পারেন। চলতে পারে দারচিনি মেশানো কেকও। ফ্লেক্স সিডযে কোনও ওষুধ দোকান কিংবা অনলাইনেই পেয়ে যাবেন এই ফ্লেক্স সিড। এরমধ্যে থাকে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। থাকে আয়রন, প্রোটিন। যা শরীরে হরমোনের কার্যকারিতা ঠিক রাখে। এছাড়াও পিসিওএস এর ক্ষেত্রে এই সিড খুবই উপকারী। ব্রেকফাস্টে স্মুদির সঙ্গে মিশিয়ে খান এই সিড। তুলসিঠান্ডা লাগা থেকে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। তুলসির গুণ অনেক। আর তাই প্রতিদিন খালি পেটে ১০ টা তুলসি পাতা চিবিয়ে খেতে পারলে তার উপকার অনেক। এতে লিভার ভালো থাকে। সেই সঙ্গে মুখের ফেসিয়াল হেয়ারের গ্রোথ কম হয়। হরমোনের সমস্যা হলেই মেয়েদের মুখে এই হেয়ার জন্মায়। এছাড়াও তুলসিপাতা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। প্রতিদিন সকাল ৭.৩০ এ তুলসি পাতা চিবিয়ে খেতে পারলে তার উপকারিতা অনেক। মধুPCOS মূলত হরমোনের সমস্যা। আর যেখান থেকে ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়। মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে হার্টের রোগ প্রতিরোধ করে। সকীলে উঠে খালি পেটে লেবু মধুর জল খান। এর উপকারিতা অনেক। পেট পরিষ্কার হবে। হজম ভালো হবে। সেই সঙ্গে প্রতিদিন খেতে পারলে ওজনও কমবে।

Source link

Comments

comments