হাইলাইটসকরোনা বিধ্বস্ত কালে জন্মাষ্টমীতে বাকি সব অনুষ্ঠান স্থগিত রেখে গরিব মানুষের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরানগরের বাবা তারক ভোলা মন্দির। বাবা তারক ভোলা মন্দির কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে গরিব মানুষের হাতে বস্ত্র ও অন্যান্য নিত্য সামগ্রী পণ্য তুলে দেওয়ার।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাবা বাসুদেব বলতেন ‘মানুষকে ভালোবাসুন, মানুষের জন্যে কিছু করুন।’ সেই সেবার কথা মাথায় রেখেই এবার করোনা বিধ্বস্ত কালে জন্মাষ্টমীতে বাকি সব অনুষ্ঠান স্থগিত রেখে গরিব মানুষের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরানগরের বাবা তারক ভোলা মন্দির। লকডাউনের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত মন্দিরের ভিতরের সমস্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠান সার্বজনীনভাবে পালন থেকে শুরু করে মন্দিরের ভিতরে সাধারণের প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ সবই বজায় রয়েছে এখনও। কিন্তু জমাষ্টমী এবার আর জাঁকজমকভাবে পালন নয়, বরং বাবা তারক ভোলা মন্দির কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে গরিব মানুষের হাতে বস্ত্র ও অন্যান্য নিত্য সামগ্রী পণ্য তুলে দেওয়ার।জন্মাষ্টমী বাবা বাসুদেবের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে প্রতি বছর ধূমধাম করে মন্দিরে পালিত হত দিনটি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি আলাদা। করোনার কোপে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে জাঁকজমক করে অনুষ্ঠান পালন প্রায় বন্ধই রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দরিদ্র সেবার পথে হাঁটতে চলেছে তারক ভোলা মন্দির।মানুষের পাশে..১১ অগস্ট, মঙ্গলবার জন্মাষ্টমীর দিন কলকাতা ও শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় একাধিক কর্মসূচি নিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে বরানগর ও পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের জন্যে পরিশ্রুত জলের মেশিন লাগিয়েছেন তাঁরা। এছাড়াও হাসপাতালের রোগীদের ও অনাথ শিশুদের শুকনো খাবার ও বস্ত্র বিতরণও করা হয়েছে। লকডাউনের পর থেকেই মন্দিরের আশেপাশের এলাকায় মানুষজনকে শুকনো খাবার দেওয়া ছাড়াও পানিহাটি, বেদিয়াপাড়া, তাঁতিপাড়া, আজাদহিন্দ নগর, মুসলমান পাড়া, ঘোলা সি ব্লক-সহ আরও নানা জায়গায় গরিব মানুষের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য তুলে দিয়েছে তাঁরা। এখানেই শেষ নয়, উম্পুন বিধ্বস্ত হিঙ্গলগঞ্জের ছোট সাহেবখালি দুলদুলি পঞ্চায়েত, স্যান্ডেলেরবিল ও কনকনগরের মতো গ্রামগুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের হাতে জামাকাপড়, মশারি, এমার্জেন্সি লাইট ও অন্যান্য দ্রব্য তুলে দেওয়া হয়েছে। এবার জন্মাষ্টমীতেও নেওয়া হয়েছে একই ধরনের কর্মসূচি।এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Comments

comments