স্টাফ রিপোর্টার: সদ্যই দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে দায়িত্ব নিয়ে বসে থাকার পাত্র যে তিনি নন, সেটা প্রথম দিনই বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র (Madan Mitra)। পরিবহণ কর্মীদের স্বাস্থ্যসাথী-সহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেকারণে একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। যার চেয়ারম্যান করা হয়েছে প্রাক্তন পরিবহণ মন্ত্রীকে। আর তারপরই বুধবার তাঁকে দেখা গেল পুরনো মেজাজে।এদিন নিজেই ফেসবুক লাইভে এসে বললেন, “আনঅর্গানাইজড সেক্টরের কর্মী এবং পরিবহণ কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পাইয়ে দিতে সরকার আমাকে একটা দায়িত্ব দিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করতে আমি একটা অফিস করব। আমি দুই-একদিনের মধ্যেই জানিয়ে দেব কোথায় অফিস করা হবে, কোথায় তাঁরা আবেদন করবে। তবে আমাকে ই-মেল বা হোয়াটসঅ্যাপ করেও আবেদন করতে পারেন। সবাই যাতে এই সুবিধা পায় তা আমি দেখব।” সবথেকে চর্চিত যে শব্দ ফেসবুকে লিখে তিনি রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, সেই প্যাক আপের মানেও এদিন পরিষ্কার করেন তিনি।প্যাক আপ প্রসঙ্গে মদন মিত্র বলেন, “যাঁরা অভিনয় জগতে আছে, তাঁরা মুখে রং মেখে থাকে। আমাদের কোনও রং মাখার স্কোপ নেই। আমাদের সবটাই লাইভ এবং মানুষের সামনে। এখন মুখ আর মুখোশ বা স্টাইল আর ফ্যাশনের লড়াই ছেড়ে দিয়ে আসুন আমরা তৃণমূলের মুখশ্রীটা ভাল করি। আমার প্যাক-আপ মন্তব্যের অর্থও ছিল এটা যে, অনেক সময় নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখনও যদি আমরা গোটাটা প্যাক আপ না করে বেঁধে ফেলতে না পারি তা হলে হবে না। প্যাক আপ মানে শুধু রং তোলা নয়, এর মানে গেট আপও। এখন গেট আপের সময়।”[আরও পড়ুন: গভীররাতে টেট উত্তীর্ণদের অবস্থান মঞ্চে পুলিশি ‘হানা’, জোরপূর্বক হটানো হল চাকরিপ্রার্থীদের]এদিন ট্যাক্সি সংগঠনের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন তিনি। বেঙ্গল ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ভাড়া বৃদ্ধি-সহ একগুচ্ছ দাবি জানানো হয় প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রীকে। তাছাড়া ট্যাক্সিচালকরাও যাতে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় আসে সে বিষয়টি দেখতে তাঁকে অনুরোধ করা হয়। এই বিষয়ে আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দেবেন বলে জানিয়েছেন বিটিএ সভাপতি বিমল গুহ। পরিবহণ দপ্তরের কর্মীরা স্বাস্থ্যসাথী-সহ অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের সুযোগসুবিধা পাচ্ছেন কিনা তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার নবান্নের তরফে একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিরই চেয়ারম্যান করা হয়েছে মদন মিত্রকে। এছাড়াও কমিটিতে রয়েছেন ট্রান্সপোর্ট ডিরেক্টরেটের ডেপুটি ডিরেক্টর, এসটিএ-র ডেপুটি সেক্রেটরি, এছাড়া পরিবহণ সংস্থার কমিটিগুলির সদস্যরাও রয়েছেন।[আরও পড়ুন: ‘৪০ লক্ষ টাকার বাড়ি হল কী করে?’ গ্রামবাসীদের রোষানলে তৃণমূলের উপপ্রধান, দেখুন ভিডিও]

Source link

Comments

comments