হাইলাইটসফুরফরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি নতুন দল গড়ে ভোটে লড়াই কথা জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন ফুরফুরা শরিফের অপর পিরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি। মঙ্গলবার নবান্নে যান ত্বহা ও তাঁর অনুগামীরা। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে আসাদউদ্দিন ওয়েইসি, অন্যদিকে আব্বাস সিদ্দিকির মতো পিরজাদা। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপির পাশাপাশি আরও নতুন-নতুন যেন বিরোধী গড়ে উঠেছে তৃণমূলের। বিজেপিকে রুখতে মুসলিম ভোটের একচ্ছত্র ‘অধিকার’ নিজেদের দিকেই ধরে রাখতে চাইছে তৃণমূল। কিন্তু বিহার নির্বাচনের পরই ‘মিম’ নেতা ওয়েইসি জানিয়ে দিয়েছেন, এবার লক্ষ্য বাংলা। পশ্চিমবঙ্গের বহু আসনে তাঁরা প্রার্থী দেবে বলে জানা গিয়েছে। অপরদিকে, ফুরফরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি নতুন দল গড়ে ভোটে লড়াই কথা জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন ফুরফুরা শরিফের অপর পিরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি। মঙ্গলবার নবান্নে যান ত্বহা ও তাঁর অনুগামীরা। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে বেশ কিছু বিষয়ে স্মারকলিপিও জমা দেন তাঁরা। হাসপাতাল তৈরি হলেও তা চালু হয়নি বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন ত্বহা। পানীয় জলের কাজও দ্রুত সম্পন্ন করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। আনুষ্ঠানিকভাবে ত্বহা শুধু এই বিষয়ে বৈঠকের কথা বললেও রাজনৈতিক মহলের মতে, পুরো আলোচনাই হয়েছে ‘ভোটকেন্দ্রিক’। মুসলিম ভোটের পুরোটাই নিজের বাক্সে বদ্ধপরিকর মমতা তাই পুরনো ‘সঙ্গী’দের দ্বারস্থ হচ্ছেন। অপরদিকে, দিন দশেকের ব্যবধানে ভাঙড়ে ফের সভা করেছেন ফুরফরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি। সেখানে আবারও তিনি জানান, নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করছেন। তৃণমূল-বিজেপি নয়, তৃতীয় ফ্রন্টের হয়ে সওয়াল করেছেন তিনি। এই ফ্রন্টে কারা আছেন, তা নিয়ে খোলসা কিছু করেননি। আব্বাসের কাকা হলেন পিরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি। তিনি অবশ্য তৃণমূলকেই সমর্থন জানাচ্ছেন। তবে ফুরফরার আর এক পিরজাদা মেহেরাব সিদ্দিকি ভাঙড়ের সভায় এসে আব্বাসকেই সমর্থন জানিয়েছেন। মেহেরাব আব্বারসের তুতো দাদা। আব্বাসের কথার প্রেক্ষিতে মেহেরাব সিদ্দিকিও বলেন, ‘বাংলায় নতুন রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতায় আসছে।’নবান্নে ফিরহাদের সঙ্গে ত্বহাআরও পড়ুন: গোটা দেশকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় সরকার কোনওদিন বলেনি: স্বাস্থ্যমন্ত্রকনারায়ণপুরের ইসলামিক জলসায় আব্বাস তাঁর রাজনীতিতে আসার কারণ ব্যাখ্যা করেন। মেহেরাব সিদ্দিকিও ধর্মীয় বক্তব্য রাখার পাশাপাশি অল্পবিস্তর রাজনৈতিক কথাও বলেন। আব্বাসকে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে মুসলিমরা যে তিমিরে ছিল আজও সেই তিমিরে আছে। পিছিয়ে পড়া মানুষের দাবিদাওয়া নিয়ে আব্বাস যে ভাবে লড়াই করছে, তাতে আমি ওর পাশে আছি।’ আব্বাস এবং মেহেরাব সিদ্দিকির জোড়া আক্রমণে উৎসাহ বেড়েছে আব্বাসের আহলে সুন্নাতল জামাতের কর্মীদের মধ্যে। এখন দেখার রাজনীতির ময়দানে ফুরফুরার এই পিরজাদা কতটা সফল হন। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Comments

comments