এই সময়: টানা ১৬ দিন ছুটির পর আগামী সোমবার, ২ নভেম্বর রাজ্য সরকারি অফিস খুলবে। আর বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দপ্তরগুলোর কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে নবান্নে বৈঠক ডাকলেন।আগামী এপ্রিল-মে মাসে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। আগামী জানুয়ারির মধ্যে সরকারি প্রকল্পগুলো রূপায়ণের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী আগেই বিভিন্ন দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে এই বছর সরকারের আর্থিক টানাটানি রয়েছে। তাই, সরকারি প্রকল্পের কাজ কতটা এগিয়েছে, মন্ত্রীদের পারফরম্যান্স কেমন এবং সরকারি প্রকল্প রূপায়ণে কোনও সমস্যা আছে কি না, থাকলে কী সমস্যা, তা নিয়েই ৫ তারিখের বৈঠকে মন্ত্রী ও সচিবদের কথা সঙ্গে বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সভাঘরের ওই বৈঠকে সব মন্ত্রী, সচিব, বিভিন্ন দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক এবং জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের ভার্চুয়াল উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে।প্রসঙ্গত, দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে দর্শনার্থীদের প্রবেশের উপর কলকাতা হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে ৫ নভেম্বরই কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও রাজ্য পুলিশের ডিজি আদালতে রিপোর্ট দেবেন। আবার প্রত্যেক পুজো কমিটিকে রাজ্য সরকার ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে। আদালত ১৭ নভেম্বরের মধ্যে পুজো কমিটিগুলোকে ওই টাকা খরচের হিসেব অ্যাডভোকেট জেনারেলের কাছে দিতে বলেছে। যা পুলিশের মাধ্যমে দিতে হবে। ওই টাকা কেবল স্যানিটাইজার, মাস্ক কেনার জন্যই খরচ করতে হবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। নবান্ন সূত্রের খবর, এই নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মতো থানা থেকে পুজো কমিটিগুলোকে ৫০ হাজার টাকার চেক বিলি করা হলেও তার খরচের হিসেব রাখার কোনও সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। তাই, পুজো কমিটিগুলো এখনও পর্যন্ত জানে না, সরকারকে এই টাকা খরচের হিসেব কী ভাবে দিতে হবে।

Source link

Comments

comments