Never Tell Anyone How Much Money You Make: সম্পর্ক বাঁচাতে বেতন চর্চা নয়! যা জানা জরুরি – never tell anyone how much money you make

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: সকলকেই পড়াশোনা করে কষ্ট করে রোজগার করতে হয়। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য কোনও একটা কাজ সকলেরই প্রয়োজন। সারা মাস কাজ করার পর যে স্যালারি হাতে আসে তা সঞ্চয় করেই ছোট ছোট পদক্ষেপে স্বপ্নপূরণের দিকে এগিয়ে যাওয়া। যাঁর যেমন আয় তিনি কিন্তু তারমধ্যেই নিজের সবটা মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে আরো ভালো চাকরি পাবার চেষ্টা সবসময় সবার মধ্যেই থাকে। সকলেই চান নিজের জীবনে ভালো থাকতে। কতায় বলে, টাকা যায় বন্ধুত্ব করতে। আর ফেরে যখন বিচ্ছেদ হয় তখন। আর তাই বাড়ির মা-বাবা ছাড়া কাউকেই কখনও নিজের স্যালারির কথা বলবেন না। বন্ধুদেরও নয়। প্রেমিক এবং প্রেমিকা উভয়েরই কিন্তু উভয়কে স্যালারি জিগ্গেস করা উচিত নয়। এতে সম্পর্কে জটিলতা বাড়ে। কোনও একটা সম্পর্কে সকলেই নিজের সেরাটা দিতে চান। সেখানে অযথা কোনও তুলনা না টানাই শ্রেয়। এছাড়াও আরও যা কিছু জানা প্রয়োজন…নিজের খরচ নিজে চালানোর চেষ্টা করুন প্রেমিকা কিংবা প্রেমিকের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেই নিজের খরচা চালানোর চেষ্টা করুন। নিজের যেটুকু প্রয়োজন, নিজের শখ আহ্লাদ নিজে পূরণ করুন। মাঝেমধ্যে উপহার পেতেই পারেন। তাই বলে সবসময় কেউ আপনাকে ভালো উপহার দিয়ে যাবেন যেহেতু তাঁর বেতন বেশি এমনটাই নয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী খরচা করুনযদি কোনও কারণে আপনার সঙ্গী সমস্যায় পড়েন তাহলে অবশ্যই তাঁর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন। যেটুকু পারবেন সাধ্যমত খরচও করবেন। আবার প্রয়োজনের অতিরিক্ত কখনই নয়। লাক্সারি ভালো, কিন্তু প্রয়োজন ছাড়া বিলাসবহুল জীবনের কোনও প্রয়োজন নেই। অতিরিক্ত আয় মানেই সবসময় আপনি খরচা করবেন এমন নয়হতেই পারে আপনি প্রেমিকার তুলনায় অনেকটাই বেশি আয় করেন। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, সবসময় সব খরচ আপনিই দেবেন। তিনি কিছু করবেন না। এবং আপনি তা দেখাবেনও না। এতে সঙ্গীর মনে অন্য রকম প্রশ্ন তৈরি হবে। যেখান থেকে সমস্যা হবে সম্পর্কে। ছুটি কাটানো মানেই বিদেশ নয়ছুটি কাটানোর অর্থ হল কয়েকটা দিন নির্ধারিত রুটিনের বাইরে থেকে একটু ঘুরে আসা। আর সেই সঙ্গে অবসরযাপন। তা যে হতেই হবে বিদেশ কিংবা বিলাস বহুল রিসর্ট এমনটা নয়। নিজের পকেট বুঝে ঘুরতে যান। শুধুমাত্র ছবি দেওয়ার জন্য কিংবা দেখানোর জন্য কিন্তু ঘুরতে যাওয়া নয়। প্রেমিকের পয়সা আছে বলেই দামি হোটেলে থাকব এরকমটা যেন না হয়। আর তাই এসবের জন্যেই কখনও কারোর আয় জিগ্গেস করা উচিত নয়। তুলনা নয়অমুকে এত বেতন পায়, তুমি কেন কম পাও… এরকম প্রশ্ন কখনই সঙ্গীকে করবেন না। এরকম পরিস্থিতি আসলে ওখানেই সম্পর্ক শেষ হয়ে যেতে বাধ্য। কোনও সম্পর্কেই তুলনা করা ঠিক নয়য়। এসবের জন্যই এড়িয়ে চলুন এই প্রসঙ্গ। সঙ্গীর স্যালারি জানতে চাইবেন না। মনে রাখবেন তিনি যেটুকু করছেন, সেটা তাঁর সাধ্যের মধ্যে বলেই হচ্ছে।

Source link

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *