Category Archives: রাজ্য

Jitendra Tiwari sparks speculation on twitter

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: January 18, 2021 12:32 pm|    Updated: January 18, 2021 3:21 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: দলের সঙ্গে মান অভিমানের পালা চলছে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারির। ‘গেরুয়া টানে’ বেগরবাই করলেও কয়েকদিন আগেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেবেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তবে ততদিনে ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে। কিছুতেই আর তাঁর উপর ভরসা রাখতে পারছে না রাজ্যের শাসকদল। ফলে  পুরপ্রশাসকের পর তৃণমূলের জেলা সভাপতি পদও হাতছাড়া হয় জিতেন্দ্রর। এহেন পরিস্থিতিতে টুইট করে ফের জল্পনা উসকে দিলেন তিনি।When the going gets tough,The tough get going!!— Jitendra Tiwari (@JitendraAsansol) January 18, 2021[আরও পড়ুন: কোনওভাবেই ভ্যাকসিনের অপচয় নয়! দ্বিতীয় দফার টিকাকরণে সতর্কতার নির্দেশ স্বাস্থ্যভবনের]সোমবার নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে জিতেন্দ্র (Jitendra Tiwari) লেখেন, “পরিস্থিতি যখন কঠিন হয়। তখন দৃঢ়চিত্ত মানুষরা এগিয়ে যান।” এছাড়াও, হিন্দিতে বেশ কয়েক ছত্র লিখে তিনি বুঝিয়ে দেন যে কঠিন সময়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এই টুইটগুলি যথেষ্ট ‘ইঙ্গিতপূর্ণ’ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দলে তাঁর অবস্থান যে এখন বেশ নড়বড়ে তাও মেনে নিয়েছেন বিশ্লেষকরা। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি তাহলে তৃণমূলকে বিদায় জানাবেন তিনি? তবে কি শুভেন্দু অধিকারীদের মতোই গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন তিনি? এছাড়া, আরও প্রশ্ন হচ্ছে, বাবুল সুপ্রিয়র মতো বেশ কয়েকজন নেতাদের আপত্তি সত্বেও কি শেষমেশ বিজেপি হাইকমান্ড জিতেন্দ্রকে দলে জায়গা দেবে?সম্প্রতি পুরপ্রশাসকের পর জেলা সভাপতি পদও হাতছাড়া হয়েছে জিতেন্দ্র তিওয়ারির। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় অপূর্ব মুখোপাধ্যায়কে। ইস্তফাপত্র ফিরিয়ে নেননি বলেই দলের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন জিতেন্দ্র। তিনি যে পদ ছাড়বেন, ডিসেম্বরের শুরু থেকেই তা নিয়ে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল। কারণ, দলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করেছিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে। তিনি পদ ছাড়তে পারেন, এই আশঙ্কা করে তাঁর একাধিক অনুগামীও ইস্তফা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে পুরনিগমের মুখোমুখি ভবনে মিনিট পনেরো পুরকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানেই প্রথম ঘোষণা করেন ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা। পরে দলও ছাড়েন। সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। পরবর্তীতে কলকাতায় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে জানান, তিনি দিদিকে দুঃখ দিতে পারবেন না। তাই ভোলবদল করে থেকে যান তৃণমূলেই। পাশাপাশি, সমস্যা মিটে গিয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সমস্যা যে এখনও রয়েছে তা তাঁর টুইটেই ফের প্রমাণ হল।[আরও পড়ুন: কোনওভাবেই ভ্যাকসিনের অপচয় নয়! দ্বিতীয় দফার টিকাকরণে সতর্কতার নির্দেশ স্বাস্থ্যভবনের]

Source link

TMC’s Sougata Roy throws open challenge to Suvendu Adhikari

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: January 18, 2021 4:37 pm|    Updated: January 18, 2021 5:19 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নন্দীগ্রাম থেকে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার পরই ওই কেন্দ্রের সদ্য প্রাক্তন বিধায়ক তথা অধুনা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সৌগত রায়। বলে দিলেন, “বাপের বেটা হলে নন্দীগ্রামে মমতার বিরুদ্ধে লড়ে দেখাক শুভেন্দু।” প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম শুভেন্দুর খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সালে নন্দীগ্রাম থেকেই বিধায়ক হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী।  সোমবার রাজ্য রাজনীতিতে রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, একুশের বিধানসভায় ‘লাকি’ নন্দীগ্রাম (Nandigram) থেকে প্রার্থী হবেন তিনি। মমতার এই ঘোষণাকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে ব্যাখ্যা করছেন দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় (Sougata Roy)। একইসঙ্গে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সৌগত বলেন, “ওঁর যদি হিম্মত থাকে এবং বাপের ব্যাটা হলে নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়াক।” মমতার নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “দিদির সিদ্ধান্তই আমাদের কাছে চূড়ান্ত। দিদি যদি নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়ায় তাহলে ওঁকে কে আটকাবে। সারা রাজ্যের কর্মীরা উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা আরেকবার অভিনন্দন জানাই”।[আরও পড়ুন: একুশের নির্বাচন বড় চমক, নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ার ঘোষণা মমতার]বস্তুত, ২০০৯ উপনির্বাচন থেকেই নন্দীগ্রাম কেন্দ্রটি তৃণমূলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে দলের সেই গড়ে নিজের ‘আস্থাভাজন’ শুভেন্দুকে দাঁড় করান মমতা। প্রত্যাশিতভাবেই এই কেন্দ্র থেকে বড় ব্যবধানে জিতে আসেন শুভেন্দু। কিন্তু গত ১৯ ডিসেম্বর তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন শুভেন্দু। ছেড়েছেন বিধায়ক পদও। শুভেন্দুর দলত্যাগে নন্দীগ্রাম তো বটেই দুই মেদিনীপুরেই তৃণমূলের ধাক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সোমবার রীতিমতো মাস্টারস্ট্রোক দিয়ে মমতা ঘোষণা করলেন, নন্দীগ্রামে তিনিই প্রার্থী হবেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, মমতা নিজে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার উদ্দেশ্য, শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানো। এবং নিজের জেলাতেই তাঁকে কোণঠাসা করার চেষ্টা। সৌগত রায়ের কথাতেও সেই ইঙ্গিতই মিলল।

Source link

Mamata Banerjee’s decision to shift seat indicates her political nervousness

সারাবাংলা ডেস্ক: ভবানীপুরে হারবেন জেনেই এবার নন্দীগ্রামের ‘শরণ’ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে তৃণমূলের সভার পরেই একযোগে রাজ্যের শাসকদলের প্রধান মুখকে আক্রমণ করে এই মন্তব্যই করলেন বিরোধীরা।সোমবার নন্দীগ্রামের মানুষ ও সেখানকার জমি আন্দোলনের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এই আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামকে নিজের সবচেয়ে লাকি জায়গা বলে উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্তকে ‘বিবেকের ডাক’ বলেও আজ উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, “ভবানীপুর বড় বোন আর নন্দীগ্রাম মেজো। দুটো জায়গাই আমার খুব প্রিয়।”Mamata Banerjee’s decision to shift seat from Bhowanipore to Nandigram, for the first time in 10 years, indicates her political nervousness…Will she explain why IPS Satyajit Bandopadhyay, chargesheeted by CBI for firing on protesting farmers in Nandigram, was inducted in TMC?— Amit Malviya (@amitmalviya) January 18, 2021তাঁর এই বক্তব্যের পরেই কটাক্ষ করতে শুরু করেন বিরোধী দলের নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের সহকারী পর্যবেক্ষকের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য টুইট করেন, “গত ১০ বছরের মধ্যে এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের আসন ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ঘটনা প্রমাণ করছে যে তিনি রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি মানুষকে জানাবেন যে কেন নন্দীগ্রামের প্রতিবাদী কৃষকদের উপর গুলি চালানোর ঘটনায় সিবিআইয়ের চার্জশিটে নাম থাকা আইপিএস সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূলে নেওয়া হল?”[আরও পড়ুন: ‘আমি বেঁচে থাকতে বাংলাকে বিক্রি করতে দেব না’, ফের বিজেপিকে তোপ মমতার ]যাদবপুরের সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষ করে বলেন, “ভবানীপুর থেকে হেরে যাওয়ার ভয়েই এই ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একসময় হলদিয়াকে ঘিরে নন্দীগ্রামে শিল্প গড়ে ওঠার স্বপ্ন দেখেছিল মানুষ। কিন্তু, মমতা সেই স্বপ্ন ভেঙেছেন। আর এখন ভবানীপুর থেকে হেরে যাওয়ার ভয়ে অন্য কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে চাইছেন।”এবিষয়ে শুভেন্দুর প্রসঙ্গ টেনে আবদুল মান্নান বলেন, “একা শুভেন্দু যেভাবে মমতার মনে ভয় ধরিয়েছেন তাতেই এই অবস্থা। তবে এটা তো সবে শুরু।” একই সুর শোনা যায় প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও রাজ্যসভা সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যের গলাতেও। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আসলে লোকসভার ফল দেখে চিন্তায় পড়েছেন মমতা। কারণ ওই ফলাফলে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে নিজের আসনেই পিছিয়ে রয়েছেন তিনি। বাধ্য হয়ে তাই গদি বাঁচাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”[আরও পড়ুন: একুশের নির্বাচন বড় চমক, নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ার ঘোষণা মমতার]

Source link

Mamata at Nandigram: TMC leader announces ex gratia for missing leaders

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: January 18, 2021 1:42 pm|    Updated: January 18, 2021 1:44 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: ‘মনের নন্দীগ্রাম মনেই আছে।’ হাওড়ার ডুমুরজোলা স্টেডিয়াম থেকে হেলিকপ্টারে ওঠার আগেই সুর বেঁধে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর নন্দীগ্রামে পা রেখেই তিনি বুঝিয়ে দিলেন ১৩ বছর আগের সেই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাঁর হৃদয়ে অমলিন। নন্দীগ্রাম আন্দোলনে যে ১০ জন আন্দোলনকারী নিখোঁজ ছিলেন, সেই দশ পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা করে সাহায্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শহিদ পরিবার এবং নিখোঁজ পরিবারের পেনশনের ব্যবস্থা করবে সরকার। এদিন তেখালির মেগা র‍্যালির আগে নন্দীগ্রামে একটি সরকারি প্রশাসনিক সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রশাসনিক সভা থেকেই নিখোঁজ পরিবারগুলির হাতে আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্মরণ করেন আন্দোলনের শহিদদেরও। মনে করান, ১৩ বছর আগে আন্দোলনের সময় শহিদদের পাশাপাশি ১০ জন আন্দোলনকারী নিখোঁজও ছিলেন। তাঁদের এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। আরও একবার জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রাম এখনও তাঁর হৃদয়ে আছে।[আরও পড়ুন: ‘কবে নাগরিকত্ব কার্ড হাতে পাবেন মতুয়ারা?’, বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে প্রশ্ন শান্তনু ঠাকুরের]প্রশাসনিক সভার পরই মমতা তেখালির জনসভায় চলে যান। শুভেন্দু অধিকারীর দলত্যাগের পর প্রথমবার নন্দীগ্রামে পা রেখেই ফের জনজোয়ারে ভাসলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার বক্তব্য শুনতে এদিনও হাজার হাজার মানুষ হাজির হন। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে মমতার সভায় এদিন উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রামের শহিদ পরিবারের সদস্যরা। মমতার সভায় হাজির ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের সব বিধায়ক। পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকাংশ বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের।  নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মূল নেত্রী যে তিনিই, শহিদ পরিবারগুলিকে কাছে টেনে এদিন আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন মমতা। সভামঞ্চে বক্তৃতা শুরু করেই বাম আমলের সময়কার রক্তাক্ত আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করান মুখ্যমন্ত্রী। স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, “আমি কারও কাছে জ্ঞান নেব না, নন্দীগ্রাম আন্দোলন কে করেছে।” 

Source link

Will fight election from Nandigram, Says Mamata Banerjee

সারাবাংলা ডেস্ক: একুশের নির্বাচনের আগে বড় চমক। শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রাম (Nandigram) থেকে ভোটে লড়ার কথা ঘোষণা করে দিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জানিয়ে দিলেন, নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর আত্মার টান। তাই নিজের উত্থানস্থল থেকেই একুশের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে চান তিনি। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বিজেপিতে যোগদানের পর এই প্রথমবার নন্দীগ্রামে জনসভা করলেন মমতা। আর প্রথম সভাতেই রীতিমতো জনজোয়ার চোখে পড়ল। সেই জনজোয়ারকে সাক্ষী রেখেই তৃণমূল সুপ্রিমো ঘোষণা করলেন, “এবারে নন্দীগ্রামে এমন কাউকে প্রার্থী করব ভাবছি যে আপনাদের কাছে পড়ে থেকে আপনাদের কাজ করবে। ভাল কাউকেই প্রার্থী করব। ভাবছিলাম, আমি নিজেই যদি দাঁড়াই তাহলে কেমন হয়? একটু গ্রামের জায়গা, আমার মনের জায়গা, আমি হয়তো ভোটের আগে বেশি আসতে পারব না। আমাকে ২৯৪ আসনেই লড়তে হবে। আপনারাই সব করে দেবেন। ভোটের পরে যা করার আমি করব। নন্দীগ্রামের সঙ্গে আমার আত্মার টান। নিজের বিবেক থেকেই বলছি। নন্দীগ্রাম আমার জন্য লাকি। এখান থেকেই লড়ব, এবং সবক’টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) জিতবে।”[আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে মমতার সভায় ‘শহিদ’ পরিবারের সদস্যরা, নিখোঁজদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে অনুদান]এরপরই স্পষ্ট করে মমতা জানিয়ে দেন,”আমি আমার দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে (Subrata Baksi) বলব নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হিসেবে যেন আমার নামটা রাখা হয়। আমি নন্দীগ্রামের মানুষের মধ্যে থেকে আপনাদের জন্য কাজ করতে চাই।” উপস্থিত জনতার উদ্দেশে একাত্মতার বার্তা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”এমন দল কোথাও দেখেছেন? আমি ভালবাসার টানে আর নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলাম না।”[আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে’ রণক্ষেত্র ক্যানিং, গুলি-বোমায় আহত পুলিশকর্মী-সহ বেশ কয়েকজন]তবে, নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়ালেও ভবানীপুর কেন্দ্রও ছাড়ছেন না মুখ্যমন্ত্রী। তেখালির সভা থেকে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন,”পারলে দুটো আসনেই লড়ব। ভবানীপুর আমার বড় বোন হলে, নন্দীগ্রাম আমার মেজোবোন। আমি সুব্রত বক্সিকে অনুরোধ করব, দুটো জায়গাতেই আমার নামটা দিয়ে দিও।” মমতার সেই প্রস্তাবে সম্মতিও দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, একুশের আগে মমতার এই ঘোষণা মাস্টারস্ট্রোক হতে পারে। কারণ, তিনি নিজে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার অর্থ, শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানো। এবং নিজের জেলাতেই শুভেন্দুকে কোণঠাসা করার চেষ্টা। তাছাড়া, লোকসভায় জঙ্গলমহল এলাকায় বিজেপি ভাল ফল করেছিল। মমতা মেদিনীপুরে নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়ে জঙ্গলমহল এবং আশেপাশের জেলাগুলির বাসিন্দাদের কাছে থাকার বার্তাও দিয়ে দিলেন। সেই সঙ্গে মমতার নামের সঙ্গে যে নন্দীগ্রামের আবেগের বিষয়টি জড়িয়ে, সেটাও কাজে লাগাতে চাইছেন তৃণমূলনেত্রী। 

Source link

TMC chief Mamata Banerjee slams BJP from Nandigram meeting। Sangbad Pratidin

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: January 18, 2021 2:15 pm|    Updated: January 18, 2021 2:15 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: ‘আমি বেঁচে থাকতে বিজেপিকে বাংলা বেচতে দেব না। আগে তো তোমরা সু্প্রকাশ গিরিকেও হারাও। তারপর তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখবে।’ সোমবার নন্দীগ্রামের সভা থেকে কেন্দ্রের শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে একথাই বললেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গত কয়েকদিনে শুভেন্দু অধিকারী-সহ যে সমস্ত নেতা-নেত্রীরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সোমবার তাঁদেরও একহাত নেন মুখ্যমন্ত্রী। কারও নাম না করে কটাক্ষ করেন, ‘কেউ কেউ ইধার-উধার যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু, তাতে চিন্তার কিছু নেই। অনেকের কাছে প্রচুর টাকা রয়েছে তাই সেগুলো বাঁচানোর জন্য তারা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে। আসলে বিজেপি এখন ওয়াশিং মেশিনে পরিণত হয়েছে। এদিক দিয়ে কালো ঢোকালে ওদিক দিয়ে সাদা হয়ে বেরোবে। ওয়াশিং পাউডার ভাজপা। তবে এভাবে ওরা বাংলার ক্ষমতা দখল করতে পারবে না। পশ্চিম বাংলার সাধারণ মানুষ ওদের যোগ্য জবাব দেবেন।’[আরও পড়ুন: একুশের নির্বাচন বড় চমক, নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ার ঘোষণা মমতার ]ক্ষমতা দখলের জন্য বিজেপি এতটা মরিয়া হয়ে গিয়েছে যে সংবাদমাধ্যমকে চাপ দিয়ে নির্বাচনী সমীক্ষার ফলাফল বদলে দিচ্ছে বলেও আজ অভিযোগ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিজেপির দিল্লির নেতারা সংবাদমাধ্যমকে চাপ নির্বাচনী সমীক্ষার ফলাফলও বদলে দিচ্ছেন। আসলে এভাবে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। যদিও তাতে আখেরে কোনও লাভ হবে না। তোমরা দেশের ক্ষমতায় বসতে পারে। বিশ্বের নেতা হতে পার। কিন্তু, এই বাংলায় জিততে পারবে না।’[আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে মমতার সভায় ‘শহিদ’ পরিবারের সদস্যরা, নিখোঁজদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে অনুদান]

Source link

Canning boils after TMC factional feud

Published by: Abhisek Rakshit |    Posted: January 18, 2021 12:39 pm|    Updated: January 18, 2021 1:05 pm
দেবব্রত মণ্ডল, ডায়মণ্ডহারবার: তৃণমূলের (TMC) ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে’ উত্তপ্ত হয়ে উঠল ক্যানিংয়ের (Canning) গোলাবাড়ি এলাকা। গুলি-বোমাবাজিতে আহত হলেন বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হল পুলিশকেও। ইতিমধ্যে এক পুলিশ আধিকারিকের পায়ে গুলিও লেগেছে বলে সূত্রের খবর। আহতদের প্রত্যেককে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও পরবর্তীতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা।জানা গিয়েছে, রবিবার ক্যানিংয়ে দলীয় সভা ছিল শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। ওই সভায় গিয়েছিল দু’পক্ষই। তবে সভার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে। অভিযোগ, এদিন সকাল হতেই এলাকার যুব সংগঠন এবং মূল সংগঠনের মধ্যে বিরোধ চরমে ওঠে। এই সময় আচমকাই গুলি-বোমা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়ে যায়। যুবর অঞ্চল সভাপতি এবং মূল সংগঠনের সভাপতি একে-অপরের দিকে গুলিও ছোড়ে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। এরপরই শুরু হয় বোমাবাজি-মারধর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। কিন্তু আক্রান্ত হন পুলিশ আধিকারিকরাও। এক পুলিশ অফিসারের পায়ে গুলিও লেগেছে। এছাড়া বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গুরুতর আঘাত পান। আহতদের প্রত্যেককেই হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। পুরো জায়গাটি এখনও থমথমে।[আরও পড়ুন: কোনওভাবেই ভ্যাকসিনের অপচয় নয়! দ্বিতীয় দফার টিকাকরণে সতর্কতার নির্দেশ স্বাস্থ্যভবনের]শাসকদলের ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে’র জেরেই এই ঘটনা বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতারা ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে’র তত্ত্ব মানতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগের তির সমাজবিরোধীদের দিকেই। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা পরেশরাম দাস বলেন, “কে বা কারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তা আমরা এখনও জানি না। পুলিশ খবর পেয়ে ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তারাই তদন্ত করবে। যারা করছে তারা অপরাধী। গুলি-বোমার রাজনীতি কখনওই তৃণমূল করে না। পুলিশ এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।”[আরও পড়ুন: ‘কবে নাগরিকত্ব কার্ড হাতে পাবেন মতুয়ারা?’, বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে প্রশ্ন শান্তনু ঠাকুরের]

Source link

Corona Vaccination: West Bengal health department issues notification to stop waste of vaccine

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: January 18, 2021 11:14 am|    Updated: January 18, 2021 11:45 am
সারাবাংলা ডেস্ক: আজ রাজ্যজুড়ে দ্বিতীয় দফায় করোনার টিকাকরণ। সকাল ৯টা থেকেই রাজ্যের ২০৭ কেন্দ্রে টিকাকরণ শুরু হয়েছে। ভ্যাকসিনেশনের প্রথম দিন লক্ষপুরণ হয়নি। প্রচুর পরিমাণ ভ্যাকসিনের অপচয় হওয়ার অভিযোগও উঠেছিল। তাই দ্বিতীয় দফায় আটঘাট বেঁধে নামছে স্বাস্থ্য ভবন। কোনওভাবেই ভ্যাকসিনের (Corona Vaccine) যাতে অপচয় না হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের ২০৭টি টিকাকরণ কেন্দ্রকেই নির্দেশিকা পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।আসলে কোভিশিল্ডের (Covisheild) একেকটি ভায়াল থেকে টিকা দেওয়ার কথা দশজনকে। গ্রহীতা পিছু টিকা দেওয়ার কথা ৫ মিলিলিটার। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে ৫ মিলিলিটার করে ভ্যাকসিন ১০ জনকে দেওয়ার পরও ভায়ালে কিছু পরিমাণ ভ্যাকসিন অবশিষ্ট থাকছে। প্রথম দফায় স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই অবশিষ্ট ভ্যাকসিন ব্যবহার না করে ফেলে দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না স্বাস্থ্য ভবন। সেকারণে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণের (Vaccination) আগে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যাতে বলা হয়েছে, কোনও ভ্যাকসিনের অপচয় করা যাবে না। একটি ভায়াল থেকে ১০ জনকে টিকা দেওয়ার পর যতটা অবশিষ্ট থাকবে, সেটাও ব্যবহার করতে হতে। অবশিষ্ট ভ্যাকসিনের পরিমাণ যদি ৫ মিলিলিটার হয়, তাহলে তো সমস্যাই নেই। অন্য গ্রহীতার শরীরে তা দেওয়া যাবে। আর যদি তার কমও হয়, তাও ব্যবহার করতে হবে।[আরও পড়ুন: কাটল উদ্বেগ, করোনার টিকাকরণের পর অসুস্থ হয়ে পড়া নার্সের শারীরিক অবস্থার উন্নতি]এদিকে, প্রথম দিন টিকাকরণের লক্ষ্যপুরণ হয়নি। হিসেব মতো শনিবার রাজ্যে টিকা নেওয়ার কথা ছিল ২০ হাজার ৭০০ জনের। কিন্তু দিনের শেষে টিকা নিয়েছিলেন মাত্র ১৬ হাজার করোনা যোদ্ধা। কয়েকটি জেলায় টিকাকরণের ১০০ শতাংশ টার্গেট পুরণ হলেও কলকাতায় তা পুরণ হয়নি। শনিবার শহরে টিকাকরণ হয় ৯০ শতাংশের আশেপাশে। আরও কয়েকটি জেলা প্রথম দফায় টিকাকরণের টার্গেট পুরণ করতে পারেনি। তাই আজ টার্গেট পূরণে বদ্ধপরিকর রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। চিকিৎসা কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে, এই দফায় যাদের নাম আছে, তাঁরা যেন টিকা নেন। এদিকে, আগের দিন টিকাকরণের মাঝপথেই বিকল হয়েছিল CoWin অ্যাপ। যা এখনও ঠিক হয়নি। ফলে আজ টিকাকরণের ক্ষেত্রে বহু সমস্যায় পড়তে হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীদের।

Source link

BJP MP Shantanu Thakur demands Citizenship card to be issued soon

বিপ্লবচন্দ্র দত্ত, কৃষ্ণনগর: নাগরিকত্ব ইস্যুতে (CAA) ফের বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, কেন্দ্রকে স্পষ্ট করতে হবে, মতুয়ারা কবে নাগরিকত্ব কার্ড হাতে পাবেন। রবিবার বিকেলে নদিয়ায় মতুয়াদের এক অনুষ্ঠান শেষে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যেমন বিজেপি (BJP) সাংসদ, সেই সঙ্গে আমি মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি। তাই মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের জন্য সরকারের কাছে আমাদের দাবি, মানুষ কবে নাগরিকত্ব কার্ড পাবেন, সেটা স্পষ্ট করা হোক।’শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন,’২০০৩ সালে যে নতুন আইন করা হয়েছে, সেই আইনের রূপায়ণ করা আমাদের দাবি।’ যদিও কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) হবিবপুরের ছাতিমতলার মাঠে জনসভায় স্পষ্ট বলে গিয়েছিলেন,’মতুয়ারা সবাই দেশের নাগরিক। বিজেপি মতুয়াদের মোয়া খাওয়াচ্ছে।’ সেই বিষয়ে বলতে গিয়ে শান্তনু ঠাকুর বলেন,’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হলেও সব আইন জানেন না। তা বাধ্যতামূলকও নয়। ওইদিন উনি অনেক বিষয় এড়িয়ে গিয়েছেন। ১৯৫০ সালের পরে কেউ যদি ভারতে জন্মগ্রহণ না করেন, তাহলে তাদের ছেলেমেয়েরা নাগরিকত্ব পাবে না, সেটা ২০০৩ সালের আইনে বের হয়। মুখ্যমন্ত্রী কেন সেই আইনকে এড়িয়ে যাচ্ছেন। উনি তো সারা জীবন এই মানুষদের দায়িত্ব নেবেন না। তাহলে উনি এই কথা বলেন কী করে? ক্ষনিকের রাজনৈতিক স্বার্থে? এই মানুষগুলো সংবিধানগত জায়গা থেকে যদি স্বীকৃতি না পান, তখন কী হবে?’[আরও পড়ুন: সৌগত রায়ের ফোনেই মানভঞ্জন, হাওড়ায় তৃণমূলের মিছিলে অরূপ রায়ের পাশে প্রসূন]প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) ঠাকুরনগরে এসে জনসভা করার কথা রয়েছে। ওই সভায় মতুয়াদের আরও বেশি পরিমাণে হাজির করার লক্ষ্যে মতুয়া জাগরণী সভার আয়োজন করা হয়েছিল শান্তিপুরে। এ বিষয়ে মতুয়া মহাসঙ্ঘের নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মুকুটমণি অধিকারী জানিয়েছেন,”ইতিমধ্যেই এই ধরনের ১৮টি সভা রাজ্যে করা হয়েছে। সিএএ নিয়ে আমরা যেমন রাজ্য সরকারকে চাপ দিচ্ছি, তেমনই কেন্দ্র সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছি। আমাদের দাবি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নাগরিকত্ব সংশোধিত আইন বলবৎ করতে হবে। ওই আইন বলবতের বিরুদ্ধে যে কোন অশুভ শক্তিকে রুখে দেওয়ার ক্ষমতা মতুয়া মহাসংঘ রাখে।

Source link

Corona Vaccine: ‘চাল-ত্রিপলের পর ভ্যাকসিন চোর তৃণমূল’, নতুন ‘অস্ত্র’ নিয়েই আসরে বিজেপি – kailash vijayvargiya and dilip ghosh attacked state government on tmc leaders vaccination

হাইলাইটসকরোনার টিকা প্রাপকদের মধ্যে রাজ্যে প্রথম দিনই ঢুকে পড়েছেন কিছু জনপ্রতিনিধি তথা রাজনৈতিক নেতা। সরকারি নীতি অনুযায়ী, করোনার টিকা এখন পাবেন কেবল চিকিৎসাকর্মীরা।দুই বিধায়ক-সহ কয়েক জন জনপ্রতিনিধি শনিবার, প্রথম দিন টিকা পেয়েছেন। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার টিকা প্রাপকদের মধ্যে রাজ্যে প্রথম দিনই ঢুকে পড়েছেন কিছু জনপ্রতিনিধি তথা রাজনৈতিক নেতা। যাঁদের এই পর্যায়ে টিকা পাওয়ার কথা নয় বলে সরকারি ভাবেই জানানো হচ্ছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে যে দুই বিধায়ককে নিয়ে বিতর্ক, তাঁদের এক জন, কাটোয়ার বিধায়ক সেই রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ‘আমার কাছে এসএমএস এসেছিল। তার পরেই শনিবার আমি হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন নিয়েছি।’ আর এক জন বিধায়ক, ভাতারের সুভাষ মণ্ডলের বক্তব্য, ‘আমাকে ভাতারের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ফোন করে জানিয়েছিলেন, আমার নাম টিকা প্রাপকদের তালিকায় রয়েছে। তাই, শনিবার সকালে আমি টিকা নিয়েছি।’ আর এরপরই আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘করোনা যোদ্ধাদের জন্য এখন ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। অথচ সেখানেও তৃণমূল চুরি করতে নেমে পড়েছে।’ আবার বিজেপির এ রাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘রাজ্য সরকার এখন চুরি করছে। ত্রিপল, চালের পর এবার ভ্যাকসিন। তৃণমূল দলটাই শুধু চোরে ভরতি। কেন্দ্র বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দিচ্ছে, অথচ রাজ্য সেটাও নিজের নামে চালাতে চাইছেন।’সরকারি নীতি অনুযায়ী, করোনার টিকা এখন পাবেন কেবল চিকিৎসাকর্মীরা। অর্থাৎ, ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী-সহ যাঁরা চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত। অথচ দুই বিধায়ক-সহ কয়েক জন জনপ্রতিনিধি শনিবার, প্রথম দিন টিকা পেয়েছেন। জনপ্রতিনিধিদের একাংশ অবশ্য পেশায় চিকিৎসক। কিন্তু এঁরা সেই তালিকাতেও পড়েন না।ফলে, বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং ঘটনাচক্রে এই টিকা প্রাপকরা সবাই শাসকদল তৃণমূলের হওয়ায় বিরোধী দল বিজেপি এই বিষয়টাকে হাতিয়ার করতে ছাড়েনি। প্রশ্ন উঠেছে, বাগদার বিডিও জ্যোতিপ্রকাশ হালদার কেন করোনা-টিকা পেলেন, তা নিয়েও। আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তীর নাম শনিবারের টিকা প্রাপকদের তালিকায় ছিল। তবে বিতর্ক এড়াতে শেষমেশ সৌরভ টিকা নিতে যাননি।রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা করোনা-ভ্যাকসিন ট্রায়ালে অংশ নেওয়া ফিরহাদ হাকিম অবশ্য বলেন, ‘আমি জানি না, নিয়েছে (বিধায়ক-সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা) কি না। নিয়ে থাকলে ভুল করেছে। টিকা নেওয়ার কথা ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের। আমি যতদূর জানি, তাঁরাই টিকা নিয়েছেন।’ তবে, বিজেপিকে পালটা নিশানা করেছেন ফিরহাদ। বলেন, ‘কৈলাস বিজয়বর্গীয় নিজের পিতৃভিটে থেকে এই টিকা নিয়ে আসেননি। এই টিকা মানুষের। এই টিকা দেশের।’ আরও পড়ুন: এই ভ্যাকসিন মোদীর নয়, বিজেপির নয়, এই ভ্যাকসিন দেশবাসীর: ফিরহাদ হাকিমস্বাস্থ্য দপ্তরের এক শীর্ষকর্তা অবশ্য বলছেন, ‘নথিভুক্তিকরণের গোটা প্রক্রিয়া অনলাইনে হয়নি। হলে প্রথম পর্যায়ে চিকিৎসাকর্মী নন, এমন কারও নাম তালিকাভুক্ত হওয়া মুশকিল ছিল। হয়তো অফলাইনে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ স্থানীয় স্তরে প্রভাব খাটিয়ে তালিকায় নাম ঢুকিয়ে ফেলতেও পারেন।’ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ‘তৃণমূল বিধায়করা লাইনে দাঁড়ালে ভ্যাকসিন তো কম পড়বেই।’এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link