Category Archives: রাজ্য

Former TMC MP Sunil Mondal shout slogan in favor of TMC from BJP’s stage

ধীমান রায়, কাটোয়া: দল ভাঙিয়ে সংগঠন বাড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। এবার সেই নেতাদের নিয়ে পদে পদে বেজায় বিড়ম্বনায় পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের ঘিরে কখনও দলের অন্দরে বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে। তো কখনও আবার বিজেপির মঞ্চ থেকে পুরনো দলের নামে স্লোগান দিয়েছেন তাঁরা। শনিবার পূর্ব বর্ধমানে তেমনই এক ঘটনা ঘটল।সদ্য দল বদলানো এক নেতা শনিবার বিজেপির সভামঞ্চ থেকে বলে বসলেন, “২০২১ তৃণমূলের সরকার গঠন হবে।” আর তাঁর সেই মন্তব্যের জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল পূর্ব বর্ধমানে। এই বিতর্কিত মন্তব্যের বক্তা আর কেউ নন, রাজ্যের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল (Sunil Mondal)। যাকে ঘিরে বিজেপির অন্দরে ক্ষোভ রয়েছে বলে খবর।[আরও পড়ুন : ভোট ঘোষণা হতেই ‘নজরবন্দি’ অনুব্রত, বক্তব্যের ভিডিও রেকর্ডিং কমিশনের]এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের কৈচরে বিজেপির জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেন সুনীল মণ্ডল। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে দলীয় কর্মীদের মধ্যেই শুরু হয় জল্পনা। অনেকেই ভেবে বসেন তাহলে কি সুনীল মণ্ডল ফের তৃণমূলে ফিরে যাচ্ছেন? তবে সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব। তাঁরা জানান, এটা নিছক মুখ ফসকে বেরিয়ে গিয়েছে।এখানেই শেষ নয়, এদিন বিজেপির সভা শেষ হতেই দলের কর্মীদের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ। অভিযোগ, কৈচর হাটতলার সভায় বিজেপির সাংসদ অর্জুন সিং আসার কথা ছিল। বিজেপি নেতৃত্ব তেমনই প্রচার করে এলাকায় মোটা টাকা চাঁদা তুলেছিলেন। কিন্তু অর্জুন সিং না এলে কৃষ্ণ ঘোষকে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি তাঁকে তাড়া করেন ক্ষিপ্ত কর্মীরা। শেষে পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়। এদিনের সারাদিনের ঘটনায় প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।[আরও পড়ুন : ‘বিরোধীদের ফোনে আড়ি পাতছে সিআইডি’, ডানকুনির সভা থেকে বিস্ফোরক শুভেন্দু]স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সভায় বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং আসছেন বলে প্রচার করা হয়েছিল। কিন্তু অর্জুন সিংয়ের বদলে সভায় ছিলেন সাংসদ সুনীল মণ্ডল, বিজেপির বর্ধমান পূর্ব(গ্রামীণ) সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ-সহ জেলা নেতৃত্ব। সভা শেষে কৃষ্ণ ঘোষ নিজের গাড়িতে উঠতে গেলেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভ। কৃষ্ণ ঘোষকে অকথ্য গালিগালাজ করে বিজেপি কর্মীরা। এ প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা (গ্রামীণ)-সহ সভাপতি অনিল দত্ত বলেন, “সাংসদ অর্জুন সিং আসার কথা ছিল। কিন্তু প্রার্থী নিয়ে জরুরি বৈঠকের কারনে তিনি আসতে পারবেন না বলে পরে জানিয়েছিলেন। তবে এই ঘটনা কাম্য নয়। দলে আলোচনা হবে।”ছবি: জয়ন্ত দাসদেখুন ভিডিও:  Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

ঝাড়গ্রামে ৪ আসনে প্রার্থী হতে নাম জমা করলেন বিজেপির ১০০ জন! মাথায় হাত কর্মকর্তাদের

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: আসন মাত্র চার। অথচ প্রার্থী হতে চান অন্তত ১০০ জন! এমনই নাকি অবস্থা ঝাড়গ্রাম বিজেপির অন্দরে। বিজেপির ড্রপ বক্সে শতাধিক নাম জমা পড়েছে বলে খবর। এ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। যদিও বিজেপির সাফাই, গণতান্ত্রিক দলে সকলেই প্রার্থী হওয়ার জন্য নাম দিতে পারেন।
নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এখন দলগুলির প্রার্থী ঘোষণার পালা। সেই প্রার্থী বাছাই করতে গিয়ে বেজায় বিড়ম্বনায় পড়ছে গেরুয়া শিবির। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রামে বিজেপির জেলার বিভিন্ন সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে যুবমোর্চা, মহিলামোর্চা-সহ আরও অন্যান্য শাখা সংগঠনের বিভিন্ন নেতা-নেত্রীরা প্রার্থী হতে চেয়েছেন। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
[আরও পড়ুন : উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে ফের রাজ্য-রাজভবন সংঘাত! এবার ‘রণক্ষেত্র’ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়]
এ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়নি ঝাড়গ্রাম তৃণমূলের নেতৃত্ব। রাজ্য তৃণমূলের অন্যতম সম্পাদক ছত্রধর মাহাতো বলেন, “বিজেপিতে সার্কাস চলে। কোনও শৃঙ্খলা নেই। টাকা হাতানোর কৌশল। ভাবছে প্রার্থী হয়ে গেলে টাকা পাব। এদের অগাধ টাকা। দলের সদস্যরা ভাবছে কীভাবে টাকা হাতাব।” এই বিষয়ে ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপির সভাপতি সুখময় শতপথি জানিয়েছেন, “গণতান্ত্রিক দলে যে কেউ প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করতে পারেন। অসুবিধা কোথায়? আর আমাদের দলে কোনও গোষ্ঠী নেই। ফলে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব হওয়ার কোন বিষয় নেই।”
বিজেপির দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম জেলার চারটে বিধানসভার জন্য মহিলা মোর্চার জেলা সভাপতি, জেলা পর্যবেক্ষক, এসটি মোর্চার জেলা সভাপতি, যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক, জেলার যুব মোর্চার এক রাজ্য নেতা, বিজেপির মুখপাত্র, শিক্ষক সংগঠনের একাধিক জেলা নেতা, বিজেপির জেলা সম্পাদক-সহ জেলার বিভিন্ন মন্ডলের সভাপতিদের নামও গিয়েছে প্রার্থী হওয়ার জন্য। প্রার্থী হওয়ার লম্বা তালিকা দেখে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর ব্যপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হতে পারে বিজেপিতে।
[আরও পড়ুন : ভোট ঘোষণা হতেই ‘নজরবন্দি’ অনুব্রত, বক্তব্যের ভিডিও রেকর্ডিং কমিশনের]

Source link

University of Gour Banga new Vice Chancellor recruitement again created clash with State and Raj Bhavan!

Published by: Suparna Majumder |    Posted: February 27, 2021 8:51 pm|    Updated: February 27, 2021 8:51 pm
বাবুল হক, মালদহ: উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে ফের রাজ‍্যের সঙ্গে সংঘাতে রাজভবন। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এবার মালদহের গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় (University of Gour Banga)। আচার্য তথা রাজ‍্যপালের অনুমোদন ছাড়াই গৌড়বঙ্গে ড. শান্তি ছেত্রীকে উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করল রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর। এনিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। জলপাইগুড়ির পি ডি উইমেন্স কলেজের অধ্যক্ষা শান্তি ছেত্রী। সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে তাঁকে ৩ মার্চ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে। বর্তমান উপাচার্য ড. চঞ্চল চৌধুরীকে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই আচার্য তথা রাজ‍্যপাল জগদীপ ধনকড়ের (Jagdeep Dhankhar) অনুমোদন ছাড়াই বারাসতের রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (West Bengal State University) উপাচার্য হিসাবে মহুয়া দাসকে নিয়োগ করে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। মহুয়া দাস উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি এবং বাগবাজার উইমেন্স কলেজের অধক্ষ্যা। সেই নামেও সম্মতি দেয়নি রাজভবন। তারপর বিজ্ঞপ্তি জারি করে মহুয়া দাসকে নিয়োগ করা হয়। তার ঠিক পাঁচ দিনের মাথায় একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও।[আরও পড়ুন: ‘একুশে বাংলায় সরকার গড়বে তৃণমূলই!’, বিজেপির মঞ্চ থেকে বেফাঁস শাসকদলের প্রাক্তন সাংসদ]বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষক ও অফিসারের অভাবে এখনও ধুঁকছে মালদহের বিশ্ববিদ্যালয়টি। চালু হওয়ার ১২ বছর পরও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত পদের ৪০ শতাংশ ফাঁকা। বেশ কিছু শূন্যপদ পূরণের চেষ্টা করে রাজ‍্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে শিক্ষক-আধিকারিক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। পরে সেই প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়। তার আগেই স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। পদ্ধতি মেনে যাবতীয় ইন্টারভিউ সেরে উপাচার্য নিয়োগের প‍্যানেল চূড়ান্ত করা হয়।সূত্রের খবর, সেই প‍্যানেলে তিনজনের নাম ছিল। যার মধ্যে এক নম্বরে ছিল শান্তি ছেত্রীর নাম। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপাচার্য নিয়োগের সেই প‍্যানেলটির অনুমোদন চেয়ে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি এবং চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের ১৮ তারিখ আচার্য তথা রাজ‍্যপালের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আচার্যের তরফে অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ২ মার্চ বিকেলে উপাচার্য চঞ্চল চৌধুরীর চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়-সহ পড়ুয়া এবং কর্মীদের স্বার্থে এই পদ ফাঁকা রাখা যাবে না। অবশেষে চলতি মাসের ২৫ তারিখ উচ্চ শিক্ষা দপ্তর রাজভবনের অনুমোদন ছাড়াই গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে।[আরও পড়ুন: ভোট ঘোষণা হতেই ‘নজরবন্দি’ অনুব্রত, বক্তব্যের ভিডিও রেকর্ডিং কমিশনের] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

210 people tested corona positive in last 24 hrs in West Bengal

Published by: Sulaya Singha |    Posted: February 27, 2021 8:11 pm|    Updated: February 27, 2021 8:27 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের করোনা পরিসংখ্যানে বিশেষ বদল ঘটল না। শুক্রবারের মতো এদিনও দু’শোর বেশি মানুষ করোনার কবলে পড়েছেন। এরই মধ্যে বোলপুরের এক শিক্ষাকর্মীর করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার পর মৃত্যুর ঘটনায় ছড়াল আতঙ্ক।শনিবার রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা (Corona virus) আক্রান্ত হয়েছেন ২১০ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৫ লক্ষ ৭৪ হাজার ৯২৬ জন। এদিনও সংক্রমণের তালিকার শীর্ষে কলকাতা। তিলোত্তমায় একদিনে আক্রান্ত ৬৯ জন। এরপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। ২৪ ঘণ্টায় ৪৯ জনের শরীরে মিলেছে মারণ ভাইরাসের হদিশ। তবে উত্তরবঙ্গে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে করোনার সংক্রমণ। প্রত্যাশা মতোই কমছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনায় চিকিৎসাধীন ৩,৩৩৩ জন।[আরও পড়ুন: ‘বিরোধীদের ফোনে আড়ি পাতছে সিআইডি’, ডানকুনির সভা থেকে বিস্ফোরক শুভেন্দু]এদিকে, রাজ্যে একদিনে করোনার বলি তিনজন। কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। বাংলায় এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ২৬৬ জনের। মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়লেও বেশিরভাগ মানুষই সুস্থ হয়ে উঠছেন। তাঁরাই ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জোগাচ্ছেন। বর্তমানে ৫ লক্ষ ৬১ হাজার ৩২৭ জনই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টাতেই সুস্থ হয়েছেন ২১৭ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৭.৬৩ শতাংশ। করোনা রোগী চিহ্নিতকরণের জন্য চলছে টেস্টিংও। একদিনে রাজ্যে ২০ হাজার ১৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এদিকে, বোলপুরের শিক্ষাকর্মী ৫৩ বছর বয়সি তারক চক্রবর্তী ভোটকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য চিঠি পেয়েছিলেবন। অন্যান্য ভোটকর্মীদের মতো তাঁকেও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। বোলপুর থানার অন্তর্গত রজতপুর গ্রামের ওই বাসিন্দা বৃহস্পতিবার করোনার টিকা নিয়েছিলেন। কিন্তু টিকা নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই শুক্রবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। যদিও তাঁর মৃত্যুর কারণ টিকা নেওয়া কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।[আরও পড়ুন: ‘আমার শিরদাঁড়া বিক্রি হবে না’, শুভেন্দুর গড় থেকে হুঙ্কার অভিষেকের] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

A Social media post of BJP MP and Minister Babul Supriyo creates controversy

Published by: Sulaya Singha |    Posted: February 27, 2021 6:36 pm|    Updated: February 27, 2021 6:53 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। এই স্লোগানকে হাতিয়ার করে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছে তৃণমূল। আর সেই প্রচারকে পালটা কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার তুমুল বিতর্কে জড়ালেন বাবুল সুপ্রিয়। যার জেরে শেষমেশ নিজের পোস্টটি মুছেও ফেলতে হয়েছে তাঁকে।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল (Babul Supriyo)। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ছবির পাশে হিন্দিতে লেখা ‘আমি বাংলার মেয়ে’। এর ঠিক নিচেই অমিত শাহর (Amit Shah) ছবি। যার পাশে লেখা, “মেয়েরা পরের ধন। এবার বিদায় করে দেওয়া হবে।” এই ছবিটি নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। অনেকেই মহিলাদের প্রতি বিজেপি সাংসদের মনোভাবের সমালোচনা করেছেন। এমনকী তাঁরই দলের দুই নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় ও রূপা গঙ্গোপাধ্যায় এমন মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। চাপের মুখে শেষমেশ পোস্টটি মুছে ফেলেন বাবুল। যদিও ততক্ষণে প্রিন্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।[আরও পড়ুন: ভোট ঘোষণার পরই অপসারিত জাভেদ শামিম, সরানো হল দমকল বিভাগে]অনেকেই বাবুলের সমালোচনায় লিখেছেন, “আপনার নারী বিদ্বেষী স্বরূপ তো প্রকাশ করে ফেললেন। এই কারণেই বিজেপিতে যোগ দিতে পেরেছেন। যাদবপুরে মারের কথা মনে পড়ে”? আবার নেটিজেনদের একাংশের দাবি, “এই নারীবিদ্বেষী মনোভাব আসলে উত্তর ভারতের। এটি একেবারেই বাংলার সংস্কৃতি নয়। কেন আপনাদের বাংলায় বহিরাগত বলা হয়, সেটা বারবার প্রমাণ করছেন।” আর এক নেটিজেন সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, “বাংলায় মেয়েদের এখন আর অন্যের ঘরের ধন ভাবা হয় না। আপনারা সেই প্রাচীন পিতৃতান্ত্রিক যুগেই পড়ে আছেন। এর চেয়ে ভাল কিছু আশা ছিল আপনাদের থেকে।”বাবুল সরাসরি বিতর্ক নিয়ে মুখ না খুললেও পোস্টটি ডিলিট করেই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, যে এমন মন্তব্য করা উচিত হয়নি।[আরও পড়ুন: ভোটের কাজ থেকে সরানো হোক পক্ষপাতদুষ্ট পুলিশ অফিসারদের, কমিশনে আবেদন বিজেপির] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

TMC leader Abhishek Banerjee takes jibe at BJP over CBI

শ্রীকান্ত পাত্র, ঘাটাল: ফের ‘শিরদাঁড়া’ নিয়ে দলত্যাগী নেতাদের কটাক্ষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। শুভেন্দুর গড় থেকে যুব তৃণমূল সভাপতির হুঙ্কার, “সিবিআইয়ের ভয়ে অনেকে দল ছেড়েছে। কিন্তু সেই ভয়ে আমার শিরদাঁড়া বিক্রি হবে না।” শনিবার তাঁর রোড শো ছিল ঘাটালে। সেই ব়্যালি শেষে ঘাটালের বিবেকানন্দ মোড়ে বক্তব্য রাখেন অভিষেক। সেই ব়্যালি থেকে একদিকে যেমন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান তিনি, তেমনই আবার দলত্যাগী নেতাদের নাম করে সমালোচনা করেন অভিষেক।তিন কিলোমিটার লম্বা রোড শোয়ের শেষে উপস্থিত দলীয় কর্মী ও সাধারণের মানুষের উদ্দেশে বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “যাঁরা বাংলার কৃতী মানুষজনের নাম জানেন না, যাঁরা বাংলার সংস্কৃতি জানেন না, তাঁদের ভোট দেবে না বাংলা। পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫-০ হবে।” এর পরই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যাহ্নভোজের রাজনীতি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন তৃণমূলের যুব নেতা। বলেন, “সকাল বেলায় লোকের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে খাচ্ছেন ওঁরা। সকাল বেলায় কলাপাতার সঙ্গে দোস্তি করছেন, আর বিকেলবেলা পাঁচতারায় গিয়ে মস্তি করছেন।”[আরও পড়ুন : ‘আমার শেষ টুইটটি কিন্তু মনে রাখবেন’, ভোটের মুখে ফের পুরনো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন পিকে]এর পরই নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করেন অভিষেক। দলত্যাগীদের ‘মীরজাফর-বিশ্বাসঘাতক’ বলে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেতার দাবি, “বাংলার আবেগ-বিশ্বাস, মেদিনীপুরের মানুষের বিশ্বাস দিল্লির বুকে বিক্রি করে দিয়েছেন উনি। মানুষ ক্ষমা করবে না। এর জবাব দেবেন মেদিনীপুরের মানুষ।” অভিষেকের অভিযোগ, “ইডি-সিবিআই দেখিয়ে একজন-দুজনকে দলে টেনেছে বিজেপি। ওঁরাও মানুষ আমিও মানুষ, তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়।”রাজ্যে আট দফায় নির্বাচন করানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “কার অঙ্গুলিহেলনে রাজ্যে ৮ দফায় ভোট হচ্ছে আমার সব জানা আছে। মেদিনীপুরের ৩১ আসনে ৩১ দফায় ভোট হলেও বিজেপির জামানত জব্দ হবে। বিশ্বাসঘাতকদের হারাতেই হবে।” প্রসঙ্গত, এদিন তিন কিলোমিটার লম্বা ব়্যালি শেষ করতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে তৃণমূল নেতার। পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি অজিত মাইতির কথায়, ব়্যালিতে লক্ষাধিক মানুষ এসেছে। যদিও পুলিশ সূত্রে খবর, ৬০ হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল।ছবি: সুকান্ত চক্রবর্তী[আরও পড়ুন : আচমকা ফোন নম্বর ব্লক বিজেপি বিধায়কের! উঠছে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

‘বিরোধীদের ফোনে আড়ি পাতছে, করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর TMC’ – bjp leader suvendu adhikari called tmc is more dangerous than corona

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একুশের নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই আক্রমণের ঝাঁজ আরও বাড়ল ভোট ময়দানে। প্রাক্তন দলকে করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর বলে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর। একইসঙ্গে বিস্ফোরক অভিযোগ নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়কের। তিনি বলেন, বিরোধীদের ফোনে আড়ি পাতছে সরকার। এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দুর মতে, ‘আমলারা সব পক্ষপাতদুষ্ট। নবান্নে প্রশাসকের নামে নেতাদের বসিয়ে ভোট করাতে চাইছে শাসক দল।’ এদিনও শুভেন্দু অধিকারীর নিশানা থেকে রেহাই পেলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জোকার বলে কটাক্ষ মদন মিত্রকেও।বিস্তারিত….

Source link

Peoples Brigade: ব্রিগেডের মঞ্চ নিয়ে আপত্তি কং নেতার রক্ষীদের, বদল হচ্ছে পাটাতন – chattisgarh cm bhupesh baghel security guards raises concern over brigade meeting podium of 28 february

হাইলাইটসমঞ্চের পাটাতন নিয়ে সন্তুষ্ট নন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের নিরাপত্তারক্ষীরা।রবিবাসরীয় ব্রিগেড নিয়ে বাম-কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে চরমে রয়েছে উদ্দীপনা। বাম-কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের এই মহাজোটের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ইউনাইটেড অ্যালায়েন্স।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রিগেডের (Peoples Brigade) মঞ্চ নিয়ে আপত্তি। মঞ্চের পাটাতন নিয়ে সন্তুষ্ট নন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের নিরাপত্তারক্ষীরা। পাটাতন বদলে নতুন করে মঞ্চ বাঁধার আবেদন জানালেন তাঁরা। ফলে শনিবার দুপুরে তড়িঘড়ি পাটাতন বদলের কাজ শুরু হয়েছে।রবিবাসরীয় ব্রিগেড নিয়ে বাম-কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে চরমে রয়েছে উদ্দীপনা। কিন্তু, এদিন সকালে তালে কাটে। ব্রিগেড পরিদর্শনে আসেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের নিরাপত্তারক্ষীরা। মঞ্চের পাটাতন নিয়ে অসন্তোষপ্রকাশ করেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা। পাটাতনগুলি বদলের আবেদন জানান তারা। ভিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ফের মঞ্চের পাটাতন বদল করার কাজে হাত লাগিয়েছেন কর্মীরা। জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ফের মঞ্চ পরিদর্শন হবে। সেই সময়ের মধ্যে পাটাতন বদলে ফেলার জন্য জোরকদমে কাজ চলেছে। বুদ্ধবাবু কি ব্রিগেড আসছেন? উত্তর দিলেন সেলিমব্রিগেডের মাঠে বামেদের চেন ফ্ল্যাগ। সৌজন্যে- ফেসবুক। শুক্রবারই ব্রিগেডের মঞ্চ বাঁধার কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। শনিবার সকাল থেকে দফায় দফায় প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মাঠে এসেছেন ব্রিগেডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা। এদিন দুপুর ৩টে ১৫ নাগাদ শেষ মুহূর্তের পরিস্থিতি পরিদর্শনে যান ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সঙ্গে ছিলেন CPIM নেতা সুজন চক্রবর্তী। ইতিমধ্যেই গোটা ব্রিগেড চত্বরকে কাস্তে-হাতুড়ির চেন ফ্ল্যাগে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। যদিও এবারের ব্রিগেড শুধু লাল নয়, সঙ্গে থাকছে কংগ্রেস, RJD ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের পাতাকাও। ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে মাঠ। অজস্র বাঁশ পোতা হয়েছে। সামিয়ানা লাগানোর কাজও চলছে।টুম্পার পর ‘ফ্ল্যাশ মব’, বামেদের ব্রিগেড-প্রচারে টার্গেট অডিয়েন্স জেন ওয়াই!মঞ্চ পরিদর্শনে ভূপেশ বাঘেলের নিরাপত্তারক্ষীরা। এদিকে, বাম-কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের এই মহাজোটের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ইউনাইটেড অ্যালায়েন্স (United Alliance)। এই নামকে সামনে রেখেই চলছে ব্রিগেডের প্রচার। মনে করা হচ্ছে রবিবার কর্মী-সমর্থকদের হাতেও দেখা যেতে পারে ইউটাইটেড অ্যালায়েন্সের পতাকা। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

“Hold me to my last tweet”: Prashant Kishor on West Bengal assembly Polls

সারাবাংলা ডেস্ক: বেজে গিয়েছে বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2021) দামামা। শুক্রবারই আট দফা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে ভোট ঘোষণার পরদিনই ফের নিজের পুরনো টুইটের প্রসঙ্গ টেনে এনে বিজেপিকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prasant Kishore)। পিকের মতে, ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই (Mamata Banerjee) রাজ্যের মানুষ মসনদে দেখতে চান। সঠিক সময়েই বাংলার মানুষ জবাব দিয়ে দেবে। এর পাশাপাশি ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ লেখা একটি কার্ডও শেয়ার করেছেন তিনি। এরপরই নিজের পুরনো টুইটটির কথাও মনে করিয়ে দেন।গত বছর ২১ ডিসেম্বর অমিত শাহের (Amit Shah) বঙ্গ সফরের পরদিনই বিজেপিকে আক্রমণ করে টুইট করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। খোলা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, বিজেপি বঙ্গে দু’অঙ্কের আসনও পেরতে পারবে না। আর যদি তার চেয়ে ভাল ফল হয়, তাহলে তিনি কাজ ছেড়ে দেবেন। এমনকী তাঁর এই টুইট পরবর্তী সময়ে মেলানোর জন্য যেন রেখে দেওয়া হয়, তাও উল্লেখ করেন পিকে। আর এদিনের টুইটে তিনি লেখেন, “গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় লড়াই হতে চলেছে বাংলায়। সেই লড়াইয়ে সামিল হওয়ার জন্য প্রস্তুত রাজ্যের মানুষ। ঠিক সময়েই তাঁরা বার্তা দিয়ে দেবেন। ২ মে আমার আগের টুইটটি-র কথা মনে রাখবেন।” One of the key battles FOR DEMOCRACY in India will be fought in West Bengal, and the people of Bengal are ready with their MESSAGE and determined to show the RIGHT CARD – #BanglaNijerMeyekeiChay(Bengal Only Wants its Own Daughter)PS: On 2nd May, hold me to my last tweet. pic.twitter.com/vruk6jVP0X— Prashant Kishor (@PrashantKishor) February 27, 2021For all the hype AMPLIFIED by a section of supportive media, in reality BJP will struggle to CROSS DOUBLE DIGITS in #WestBengalPS: Please save this tweet and if BJP does any better I must quit this space!— Prashant Kishor (@PrashantKishor) December 21, 2020[আরও পড়ুন: আদি বনাম নব্য BJP’র লড়াই! সরানো হল বর্ধমানের সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে]শুক্রবারই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আট দফায় ভোট হচ্ছে বাংলায়। তা নিয়ে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে। এর মধ্যেই পিকে-র এই বক্তব্য প্রমাণ করে দিল, যত দফাই হোক না কেন, ভোটে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল শিবির।[আরও পড়ুন: ভোটগণনার দিনই জন্মশতবার্ষিকী সত্যজিৎ রায়ের, আদৌ উদযাপন হবে? শঙ্কায় ভক্তকুল] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

west bengal election date 2021 schedule: বাড়ছে ভোটের উত্তাপ, বরানগরে BJP কার্যালয়ে হামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল – bjp alleges tmc for vandalising its office in west bengal baranagar area ahead of election 2021

হাইলাইটসউত্তর ২৪ পরগনার বরানগরে BJP-র কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধেদলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় এক দুষ্কৃতীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে BJP-র বিরুদ্ধেইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেছে BJPএই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়েছে সবে। মাস পোহালেই ভোটের লড়াই। একুশের নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। এদিকে, ভোটের মুখে বাংলায় ফের রাজনৈতিক অশান্তির ঘটনা সামনে এল। উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরে BJP-র কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এদিকে, দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় এক দুষ্কৃতীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে BJP-র বিরুদ্ধে। পরে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেছে BJP। উল্লেখ্য, বাংলায় এবারের বিধানসভা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে হিংসা ঠিকাতে বাড়তি তৎপর নির্বাচন কমিশন। বাংলায় আট দফা নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করেছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে ২৭ মার্চ। দ্বিতীয় দফায় ভোট ১ এপ্রিল, তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ ৬ এপ্রিল,চতুর্থ দফা ১০ এপ্রিল,পঞ্চম দফার ভোট ১৭ এপ্রিল, ষষ্ঠ দফার ভোট ২২ এপ্রিল, সপ্তম দফা ২৬ এপ্রিল এবং অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। ভোটের ফল জানা যাবে আগামী ২ মে। এবার নির্বাচনে বাংলায় দুই বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে ও এম কে দাসকে নিযুক্ত করেছে কমিশন। এদিকে, বাংলার ভোটে হিংসা রুখতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে কংগ্রেস।বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে যারা হিংসা ছড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে যাতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, সে ব্যাপারে কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন বহরমপুরের সাংসদ।এই প্রসঙ্গে অধীর বলেছেন, ‘যারা ভোটের সময় হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে যাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছি আমরা। আমরা চাই, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হোক।’আরও পড়ুন: শীঘ্রই প্রকাশিত হচ্ছে BJP-র প্রার্থীতালিকা, থাকছে চমকওএত দফায় ভোটগ্রহণ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মমতা বলেছেন, ‘কাকে সুবিধে করে দিতে এই সূচি! দক্ষিণ ২৪ পরগণায় আমাদের জোর বেশি তাই কি সেখানে তিন দফায় ভোট?’ একইসঙ্গে নেত্রীর প্রশ্ন,’অসমের মতো রাজ্যে তিন দফায় ভোট। তামিলনাড়ুতে ২৩৪ আসনে একদিনে বিধানসভা ভোট, সেখানে বাংলার ২৯৪ আসনে হঠাৎ আট দফায় ভোটের সিদ্ধান্ত কেন?’ নির্বাচন কমিশনের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি সরকারি দফতরের উপর BJP-এর প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল সু্প্রিমো। ‘এই ভোট সূচি কি নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহের কথায় হয়েছে?’ ভোটে সূচি দেখে এমন প্রশ্নও তুলেছেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সঙ্গে মমতার হুঁশিয়ারি, ‘খেলা হবে, হারিয়ে ভূত করে দেব।’এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link