Category Archives: Health

Sex Doll Margo: সেক্স ডলের শরীরেই অভ্যস্ত! ডেটিং, প্রোপজ করে বিয়ে সারলেন বডিবিল্ডার – bodybuilder ‘ties the knot’ with his sex doll a year after proposing to her

হাইলাইটসআমাকে সবাই বলেছিল কীভাবে আমি মার্গোকে নিয়ে ভালো থাকব। কিন্তু ওর সিলিকন শরীরেই আমি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি। প্রয়োজনীয় কিছু প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছিএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ভরা অঘ্রাণেই বিয়ে সেরে ফেললেন সেক্স ডল মার্গো। সিলিকন সেক্স ডল মার্গোর সঙ্গে গত আটমাস ধরে ডেটিং করেছেন কাজাখস্তানের বডি বিল্ডার ইউরি টোলচকো। এই আটমাসে একেবারে মাখোমাখো প্রেম করেছেন ইউরি। বান্ধবীকে নিয়ে যেমন ঘুরতে গিয়েছেন তেমনই ঘনিষ্ঠ ছবিও শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এছাড়াও মার্গোকে নিয়ে গিয়েছেন একটি ক্লিনিকে। প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন। ইউরির মতে, মার্গো নিজের শরীর নিয়ে খুব সচেতন। আর সেকারণেই কিছু কিছু অংশে প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন। ২০১৯ সালেই মার্গোকে প্রেমের প্রস্তাব দেন ইউরি। গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই খুল্লামখুল্লা প্রেম তাঁদের। ঠিক ছিল মার্চেই চারহাত এক হবে। কিন্তু বাধ সাধল লকডাউন। তখন অবশ্য সকলেই ইউরিকে প্রশ্ন করেছিলেন, সিলিকন কন্যাকে বিয়ে করে আদৌ তিনি সুখী হবেন কিনা। লকডাউন উঠতে অক্টোবরেই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু তখন একটি ট্রান্সজেন্ডার র‌্যালিতে আহত হন তিনি। এরপরই তাঁদের বিয়ে পিছিয়ে যায়। কিন্তু নভেম্বরে আর থেমে থাকতে চাননি তাঁরা। আত্মীয় বন্ধুদের সামনেই মার্গোকে আংটি পরিয়ে বিয়ে সারলেন ইউরি। কর্তা-গিন্নি দুজনেই খুব খুশি। ইউরি বললেন, ‘আমাকে সবাই বলেছিল কীভাবে আমি মার্গোকে নিয়ে ভালো থাকব। কিন্তু ওর সিলিকন শরীরেই আমি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি। প্রয়োজনীয় কিছু প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছি। মার্গো নিজে এর এই নতুন রূপকে মেনে নিয়েছে’। বিয়ের পর প্রথামতো একে অপরের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুম্বনেও ভরিয়ে দিতে ছাড়েননি তাঁরা। তাঁদের বিয়ের একটি ভিডিয়ো এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইউরি আরও বলেন, আমি জানতাম যখন আমাদের বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পাবে তখন বিশ্বজুড়েই নানা প্রশ্ন উঠবে। আর তাতে মার্গোর মনের উপর চাপ বাড়বে। তাই আমি ওকে নিয়ে ক্লিনিকে যাই। চিকিৎসকরা ওকে দেখে পরামর্শ দেন। সেই মতো আমরা প্লাস্টিক সার্জারি করাই। মার্গো সবকিছু মেনে নিয়েছে গত বছর আমেরিকার এক মহিলা জম্বি ডলকে বিয়ে করেন। যদিও সেই ডল নিজেকে ৩৭ বছরের মহিলা বলে ডাবি করেছিলেন। জাঁকজমকপূর্ণ সেই বিয়ের খরচা ছিল ভারতীয় মুদ্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

7 Gifts You Should Never Give: উৎসবের মরশুমে ভুলেও এই ৭ উপহার কাউকে দেবেন না! জেনে নিন – 7 things you should never give anyone

হাইলাইটসইদানিং জিনিসপত্রের দামও বেড়েছে। তবে উপহার কেনার আগে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন যাকে উপহার দিচ্ছেন তিনি কেমন জিনিস পছন্দ করেন। এমন কিছু দেবেন না যাতে পয়সাও নষ্ট হয় আর যাকে দিচ্ছেন তিনিও ব্যবহার করতে পারবেন নাএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শুরু হয়েছে বিয়ের মরশুম। শীত মানেই পার্টি অনুষ্ঠান এসব লেগেই থাকে। থাকে জন্মদিন থেকে বিবাহবার্ষিকী। কোনও নিমন্ত্রণ আসলেই আমাদের প্রথম চিন্তা যা মাথায় আসে তা হল কী পোশাক পরে যাওয়া হবে আর কি উপহার দেওয়া হবে। উপহার দেওয়া, বাজেট ঠিক করা এসব যে বেশ ঝামেলার তা সবাই জানেন। উপহার কিনতে গেলে সবই তালগোল পাকিয়ে যায়। কী নেওয়া হবে আর কী নেওয়া হবে না। পছন্দ হলে বাজেট বেশি, আবার বাজেটের মধ্যে সেরকম কিছুই পছন্দ হচ্ছে না। ইদানিং জিনিসপত্রের দামও বেড়েছে। তবে উপহার কেনার আগে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন যাকে উপহার দিচ্ছেন তিনি কেমন জিনিস পছন্দ করেন। এমন কিছু দেবেন না যাতে পয়সাও নষ্ট হয় আর যাকে দিচ্ছেন তিনিও ব্যবহার করতে পারবেন না। কোন অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন সেই অনুষ্ঠানের মতো উপহার নিন। গৃহপ্রবেশে গেলে যেমন ঘর সাজানোর শৌখিন জিনিস কিনবেন তেমনই বিয়েতে ফটোফ্রেম উপহার দেওয়ার কথা ভাববেন না। জন্মদিনের উপহারের ঘড়ি, ফটোফ্রেম, পারফিউম, ফ্লাওয়ার ভাস এসব উপহার দিতেই পারেন। তবে কিছু জিনিস রয়েছে যা উপহারে না দেওয়াই ভালো। এমন কিছু কখনই করবেন না, যাতে যিনি আপনাকে নিমন্ত্রণ করেছেন তিনি মন ক্ষুন্ন হন। মেম্বারশিপ কার্ড নয়- বিয়ে, জন্মদিন বা যে কোনও অনুষ্ঠানে মেম্বারশিপ কার্ড গিফট করবেন না। বিশেষত জিমের কার্ড নয়য। কারণ আপনি যাকে দিচ্ছেন তিনি যদি ফিটনেস ফ্রিক না হন তাহলে ধরেই নেবেন আপনি তাঁকে মোটা বলে খোঁটা দিচ্ছেন। এমনকী যেঁচে কোনও ক্লাবেরও মেম্বারশিপ দেবেন না। সবাইকে মন থেকে খুশি রাখার চেষ্টা করুন। সাইকোলজিক্যাল বই নয়- উপহার হিসেবে বই খুবই ভালো। কিন্তু সাইকোলজির বই কখনই উপহার দেবেন না। এমনকী কীভাবে শারীরিক ক্ষমতা বাড়াবেন এসন বইও দেবেন না। প্রয়োজনে বুকস্টোর থেকে গিফট কার্ড উপহার দিন। উপহার বেছে দিন- বিয়েবাড়িতে এসে টেবিলের রানার কিংবা কাঠের খোদাই করা ডাস্টবিন উপহার দেবেন না। কিংবা সস্তার শাড়ি, পুরনো জিনিস প্যাক করে দেবেন না। এতে যেমন দেখতে বাজে লাগে তেমনই আপনার নীচ মানসিকতার পরিচয়ও পাওয়া যায়। মনে রাখবেন আপনার উপহারের জন্য কোনও নিমন্ত্রিত অপেক্ষা করেন না। ব্যক্তিগত জিনিস দেবেন না- হতেই পারেন খুব উদারমনা, কিন্তু কখনই ইনটিমেট ওয়াশ, অর্ন্তবাস এসব উপহারে দেবেন না। মজার ছলে হলেও দেবেন না। এতে অন্যরকম প্রভাব পড়তে পারে। ব্যবহার করা গিফট নয়- কোনও জিনিস আপনি উপহারে পেয়েছেন, অনেকেই তা হাতবদল করে অন্যকে দিয়ে দেন। এরকম কিন্তু করবেন না। এতে আপনার নীচ মনেরই পরিচয় পাবে। সেই সঙ্গে এমন নয় যে কোনও লিপস্টিক আপনি একবার ব্যবহার করে উপহার দিলে তা কেউ ধরতে পারবেন না। ব্যবহার অযোগ্য কিছু দেবেন না- যিনি মদ্যপান পছন্দ করেন না তাঁকে কখনই ওয়াইন গ্লাসের সেট উপহার দেবেন না। এতে তাঁর মনে অন্যরকম ভাবনা আসতে পারে। মনে রাখবেন আপনাকে যিনি উপহার দিয়েছিলেন তিনিও কিন্তু জানতে পারেন যে আপনি উপহার অন্যত্র চালাম করে দিয়েছেন। টিশার্ট দেবেন না- উপহারে টিশার্ট না দেওয়ার চেষ্টা করুন। প্রথমত রং, সাইজ এসব নিয়ে সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও সবার টিশার্টের কোর্ট পছন্দ হয় এমন নয়য়। তাই এদিকটা অবশ্যই খেয়াল রাখুন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

work life News : WB Primary Teachers Recruitment 2020: প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত, নথি যাচাইয়ের জন্য অনলাইন আবেদন শুরু – west bengal teacher recruitment 2020: online application starts for document verification of tet qualifiers

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে প্রাথমিকে প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হবে বলে সম্প্রতি ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৪ সালে TET-এ উত্তীর্ণ হয়েছিলেন প্রায় ২০ হাজার প্রার্থী। এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টেট উত্তীর্ণদের থেকে শূন্য পদে নিয়োগ করা হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা অনুসারে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে দিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। শুরু হয়ে গিয়েছে টেট উত্তীর্ণদের নথি যাচাইয়ের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া।আরও পড়ুন: ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে রাজ্যে ১৬,৫০০ উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ; ফের হবে TETযোগ্য প্রার্থীরা শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbbpe.org-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। গত ২৫ নভেম্বর থেকে আবেদনপত্র পূরণ শুরু হয়ে গিয়েছে। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং সরাসরি আবেদনের লিংক নিম্নে উল্লেখ করা হয়েছে।WB Primary Teachers Recruitment 2020: গুরুত্বপূর্ণ তারিখভেরিফিকেশনের জন্য অনলাইন আবেদন শুরু: ২৫ নভেম্বর, ২০২০ভেরিফিকেশনের জন্য অনলাইন আবেদনের শেষ দিন: ১ ডিসেম্বর, ২০২০West Bengal Primary Teacher Recruitment 2020: আবেদনের পদ্ধতি> Step 1: পর্ষদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbbpe.org-এ যান> Step 2: ‘ Online Applications for the further process of Recruitment …’ – এই লিংকে ক্লিক করুন> Step 3: এর পরে ‘Submit Application Form’ লিংকে ক্লিক করুন> Step 4: Enter your Roll Number of WB TET 2014 পরীক্ষার রোল নম্বর এবং জন্মতারিখ পূরণ করুন> Step 5: আবেদনপত্র পূরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করুন> Step 6: কনফার্মেশন পেজ সেভ করুনঅনলাইন আবেদনপত্র পূরণের আগে প্রার্থীদের যোগ্যতা সংক্রান্ত শর্তাবলী ভালো করে পড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ প্রকাশিত নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন।সরাসরি অনলাইন আবেদনপত্র পূরণের জন্য ক্লিক করুন।এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Fashion Tips in bengali: ফ্যাশন টিপস: হাতব্যাগের জরুরি জিনিস, জানুন ডজন তথ্য! – 12 things you should always keep in your purse

কথায় বলে, মেয়েরা বাড়ির বাইরে কোথাও গেলেই সঙ্গে করে আস্ত সংসার নিয়ে যায়। বাড়ির বাইরে বেরোলে মোবাইল, পার্স ছাড়াও মেয়েদের সঙ্গে থাকে অনেক কিছু। অফিস থেকে শপিং পোশাকের সঙ্গে মেয়েদের ফ্যাশন সঙ্গী হল ব্যাগ। শাড়ি, জিন্স যাই পরা হোক না কেন সঙ্গে যদি থাকে একটা ব্যাগ তাহলেই অর্ধেক সাজ সম্পূর্ণ। আর এই ব্যাগে ছাজ, জলের বোতল, সেপটিফিন থেকে কী না থাকে। বর্তমানে বাড়ির বাইরে একপা রাখা মানেই সঙ্গী মাস্ক, স্যানিটাইজার, স্প্রে। এসব ছাড়া বাড়ি বাইরে বেরনোর কথা ভাবাও যায় না। সেই সঙ্গে অবশ্যই একটি জলের বোতল, ছাতা। মেয়েদের ব্যাগে অবশ্য খুঁজলে সেপটিফিন থেকে আলপিন সবই পাওয়া যায়। এসব ছাড়াও চটজলদি মেকআপের জিনিস পত্রও থাকে। দেখে নিন বাইরে বেরোলে আপনার ব্যাগে কী কী রাখবেন। ছোটখাটো সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা কিংবা নিজের প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস অবশ্যই রাখবেন আপনার ব্যাগে। হতেই পারে অফিস থেকে বেরিয়ে আপনাকে কোনও অনুষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। তখন আর বাড়ি গিয়ে তৈরি হওয়ার মত সময় থাকে না। আর তাই লিপস্টিক, চিরুনি, আইলাইনার, টিস্যু পেপার এসব অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন। টিস্যু পেপারআজকের দিনে খুবই প্রয়োজনীয় একটি জিনিস হল টিস্যু পেপার। ওয়েট টিস্যু হোক কিংবা ড্রাই অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন। চটজলদি মুখ মুছে নিতে এই টিস্যুপেপারই ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও স্যানিটাইজার স্প্রে করলে তারপর টিস্যু দিয়ে মুছতেই হয়। টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে নিতে পারলে ফ্রেশও দেখায়। লিপ বামআজকাল সুন্দর রঙের লিপ বাম পাওয়া যায়। ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রেহাই দেয় লিপ বাম। অনেকেই লিপস্টিক পছন্দ করেন না। তাঁরা লিপ বাম ব্যবহার করতেই পারেন। এছাড়াও লিপ বামে বজায় থাকে ঠোঁটের আর্দ্রতা। হ্যান্ড ক্রিমশীত পড়ছে। এমনিই বাইরে বেশিক্ষণ থাকলে হাত শুকিয়ে যাচ্ছে। ঘরে থাকলেও মাঝে মধ্যেই হাতে ক্রিম লাগাতে হয়। আর তাই ব্যাগে অবশ্যই রাখুন হ্যান্ড ক্রিম। অনেক হ্যান্ড ক্রিমে পারফিউম লাগানো থাকে। ফলে সুন্দর গন্ধ থাকে। সেই সঙ্গে ফ্রেশনেসও বজায় থাকে। ফেস পাউডার ও ফাউন্ডেশনফেস পাউডার ও ফাইন্ডেশন সব সময় ভালো ব্র্যান্ডের ব্যবহার করবেন। নইলে স্কিনের ক্ষতি হতে পারে। কোথাও যাওয়ার আগে মুখ ধুয়ে ফেস পাউডার লাগিয়ে নিলেও বেশ একটা ফ্রেশনেস থাকে। ফাউন্ডেশন সঙ্গে থাকলে ভালো করে মেকআপও হয়ে যাবে। কনসিলারঅনেক সময় এটা হয় যে মুখের অযথা দাগ, চোখের নিচের কালো ছোপ, বা ব্রণর দাগ লুকানোর দরকার পড়ে। ফাউন্ডেশনে সেই দাগ পুরোপুরি ঢাকা সম্ভব হয়না। সেক্ষেত্রে একটু কনসিলার লাগিয়ে নিন আর পরিবর্তন চোখে পড়ার মতো। জায়গা বেশি না নেওয়ার জন্যে আপনার হাতব্যাগে বেশি জায়গাও নেয় না।লিপস্টিক লিপস্টিক ভালোবাসেনা এমন কেউ নেই। আর তাই মেয়েদের ব্যাগে লিপস্টিক সবসময় থাকবেই। রঙের ছোঁয়া কার না ভালো লাগে। কোথাও যাওয়ার আগে সুন্দর করে ঠোঁট রাঙিয়ে নিলে দেখতে ভালোই লাগে। চিরুনি ও আয়নাসবসময় নিজের জন্য আলাদা একটা চিরুনি রাখবেন। অপরের চিরুনি মাথায় দেবেন না। এছাড়াও সব জায়গায় আয়না থাকবে এমন নয়। আর তাই ব্যাগে অবশ্যই একটি ছোট চিরুনি রাখুন। কাজলঅনেকে কাজল পছন্দ করেন অনেকে লাইনার। তাই পছন্দমত যে কোনও একটি রাখুন আপনার ব্যাগে। সারাদিনের ক্লান্তি উদাও হয়ে যায় সুন্দর করে কাজল কিংবা লাইনার পরলেই। এখন নানা রঙের কাজল-লাইনার পাওয়া যায়। পছন্দমত কোনও একটি রাখুন আপনার ব্যাগে। পারফিউমনিজের হাতব্যাগে প্রয়োজনীয় সব প্রসাধন রাখলেন অথচ পারফিউম রাখলেন না, তো আপনার ব্যাগটা গুছানো অসম্পূর্ণ রয়ে গেলো। বাড়ি থেকে পারফিউম দিয়ে বেরোলেও অ্যালকোহল থাকার কারণে তা আস্তে আস্তে হালকা হতে থাকে। ঘামের গন্ধ যাতে আপনাকে বা আপনার সহযাত্রী বা সহকর্মীকে বিব্রত না করে, তার জন্যে ছোট একটা পারফিউম অবশ্যই ব্যাগে রেখে দিন।হেডফোন ও পাওয়ার ব্যাঙ্কগান শোনার অভ্যেস রয়েছে? তাহলে এর ওর টানাটানি না করে নিজের হেডফোন ব্যাগে রাখুন। অপরের হেডফোন কানে দেওয়ার অভ্যেস ঠিক নয়। এছাড়াও পাওয়ার ব্যাঙ্ক, চার্জার অবশ্যই সঙ্গে রাখুন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ফোন। মাস্কমুখে মাস্ক তো পরবেনই সেই সঙ্গে অতিরিক্ত একটা মাস্ক অবশ্যই সঙ্গে রাখুন। এখন মাস্ক ছাড়া কোথাও যাবেন না। কোন কারণে মাস্ক ছিঁড়ে গেলে সঙ্গে একটা অতিরিক্ত মাস্ক রেখে দিন। স্যানিটাইজারব্যাগে বা পকেটে সবসময় ছোট স্যানিটাইজার ও স্প্রে সঙ্গে রাখুন। কোথাও বসার আগে যেমন স্প্রে করবেন তেমনই কিছু ধরার আগেও স্যানিটাইজার হাতে লাগাবেন। কারোর সঙ্গে হাত মেলালেও স্যানিটাইজার স্প্রে করবেন। এছাড়াও কোনও কিছু কিনলে সেই প্যাকেট হাতে ধরার পরও স্যানিটাইজার লাগিয়ে নেবেন।

Source link

Cold weather: শীতে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়? কেমন করে গরম রাখবেন, জানুন… – cold feet and hands? how to keep them warm

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া শীতকালে একটি সাধারণ সমস্যা। গ্লাভস বা মোজায় মোড়া না থাকলে ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রায় জমে যায় হাত পা। কিন্তু জানেন কি, গ্লাভস না পরেও শীতকালে গরম রাখা যায় হাত?কেউ কেউ আবার একটু বেশিই সেন্সিটিভ হন৷ তাদের সারাবছরই হাত ঠান্ডা থাকে। এদের ত্বক, পেশী, টিস্যু তাড়াতাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ রায়ানড’স সিন্ড্রোম হলে আমাদের শরীরের বেশি কিছু অংশ, বিশেষ করে হাত, আঙুল ঠান্ডা ও অবশ হয়ে থাকে৷ রায়ানড অ্যাটাক হলে আর্টারি সরু হয়ে আসে ও শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিক মতো হয় না৷ ফলে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়৷ ক্রনিক অটোইমিউন ডিজিজকে বলা হয় লুপাস৷ যা বলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম বিভিন্ন অঙ্গকে অ্যাটাক করে৷ শরীরে প্রদাহ হয়৷ হাত ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে৷ ভিটামিন বি ১২ -এর অভাব হলে হাত ঠান্ডা, অবশ হয়ে যাওয়া, শিরশিরানির মতো সমস্যা হয়৷ এই সমস্যা হলে ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার খান৷ ধূমপান সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটায়৷ যার ফলে হাত ঠান্ডা হয়ে যায়৷শীতে কেন ঠান্ডা হয় হাতের তালু১) রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকলে অ্যানিমিয়া হয়। আর এই রোগ হলে স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা হয়ে যায় হাতের তালু। বছরভর এই সমস্যা ভোগ করতে হয় রোগীকে। এক্ষেত্রে রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে এমন কোনও খাবার খান যাতে লোহা বেশি।২) ঠান্ডা আবহাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা হয় হাতের তালু। যাদের রক্ত সঞ্চালন কম হয়, তাদেরই শীতকালে চট করে হাত তালু ও পায়ের চেটো ঠান্ডা হয়ে যায়।৩) শরীরে ভিটামিন বি-১২-এর মাত্রা কম থাকলে ঠান্ডা লাগে বেশি। এক্ষেত্রেও সারা বছর হাতের তালু ঠান্ডা থাকে। দুধ, মাছ, মাংস, ডিমের মতো খাবার খান।৪) ধূমপান করলে তার প্রভাব পড়ে শরীরে। এর ফলে রক্ত সঞ্চালন প্রভাবিত হয়। তাই ঠান্ডাও লাগে বেশি।কীভাবে হাত গরম রাখবেন জানুন…১) সময় পেলে শরীরচর্চা করুন। সম্ভব হলে সকাল সকাল শরীরচর্চা সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। এতে হৃদযন্ত্র ভাল থাকবে। সেই সঙ্গে দ্রুত হবে রক্ত সঞ্চালন। ফলে ঠান্ডাও লাগবে কম।২) হাতে বেশি ঠান্ডা লাগলে আঙুলগুলো ফাঁক না করে জোড়া রাখার চেষ্টা করুন। এতে অনেকটা আরাম পাবেন।৩) সুযোগ পেলে গরম জলে হাত ডুবিয়ে রাখুন। তারপর পুরো শুকিয়ে নিন।৪) শীতকালে এমনিতেই চা খাওয়া বেড়ে যায়। সেটাই করুন। পারলে চায়ের ভাঁড় হাতে ধরে থাকুন। গরম অনুভূত হয়।৫) জ্যাকেটের পকেট বা শালের তলায় দু’হাত ঢুকিয়ে রাখুন।৬) সবচেয়ে ভালো উপায়- গ্লাভস পরুন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Use of BB cream and CC cream: বিবি ক্রিম নাকি সিসি ক্রিম! চটজলদি মেকআপ করতে কোনটা বাছবেন জানুন… – bb cream vs. cc cream: which is better for your skin type

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: কয়েকবছর ধরেই বিজ্ঞাপনের হাত ধরে বিবি ক্রিম আর সিসি ক্রিম ঢুকে পড়েছে মধ্যবিত্তর ড্রইংরুমে। কোমল মসৃণ ত্বক পাওয়ার আশায় হুড়মুড়িয়ে মেয়েরা হয় দোকানে ছুটছেন কিংবা ফোন ঘেঁটে অর্ডার দিচ্ছেন অনলাইনে। সিংহভাগের ধারণা বিবি ক্রিম বা সিসি ক্রিম লাগালেই মুখ মুহূর্তে ফর্সা হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে তরতাজা দেখাবে। কিন্তু কাকে বলে বিবি ক্রিম আর কাকে সিসি তা জানেন কি? কেন এই রকম নাম বা এই দুই ক্রিমের মধ্যেকার ফারাক জানা আছে? ত্বক অনুযায়ী যদি বিবি বা সিসি ক্রিম না বাছেন তাহলে আপনার মুখ কালো দেখাতে পারে। এছাড়াও এই ক্রিম বেছে নেওয়ার বেশ কিছু পদ্ধতিও রয়েছে। এমনকী কীভাবে মাখবেন এই ক্রিম তাতেও রয়েছে ফারাক। চারিদিকেই এখন প্রসাধনী সামগ্রে চলছে প্রচুর অফার। এছাড়াও শীত মানে বিয়েবাড়ি, পার্টি, অনুষ্ঠান এসব লেগেই থাকে। দেখে নিন আপনি কোন ক্রিম কিনবেনবিবি ক্রিমবিবি কথার অর্থ হল বিউটি বাম। টিন্টেড ময়শ্চারাইজ়ারের থেকে ভালো কভারেজ পেতে চাইলে অথচ ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে ইচ্ছে না হলে বেছে নিন বিবি ক্রিম। এই ক্রিম লাগালে ত্বক মসৃণ, উজ্জ্বল আর তরতাজা দেখায়। সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও ত্বককে রক্ষা করে বিবি ক্রিম। ফাউন্ডেশন যেমন দুপুরে খুব একটা ব্যবহার করা যায় না, সেখানে কিন্তু ব্যবহার করা যেতে পারে বিবি ক্রিম। কারা মাখবেন বিবি ক্রিমযাঁদের ত্বক প্রাকৃতিক ভাবেই মোলায়েম, ত্বকে কোনও দাগ ছোপ নেই এবং রংও ফর্সার দিকে তাঁরা অবশ্যই বিবি ক্রিম ব্যবহার করুন। ফাউন্ডেশন লাগালে মুখ শুকনো লাগে। কিন্তু এক্ষেত্রে তা হবে না। যাঁদের বয়স ৩০ বছরের মধ্যে তাঁরা ব্যবহার করতে পারেন বিবি ক্রিম। তবে মুখে ব্রণ থাকলে এই ক্রিমে কাজ হবে না। নিয়মিত ফেসিয়াল যাঁরা করেন তাঁদের মুখেও ভালো কাজ করে না এই ক্রিম। সিসি ক্রিমসিসি ক্রিম হল কালার কারেক্টিং ক্রিম। এতে ত্বক উজ্জ্বল করে তোলার জন্য প্রাইমার, ময়শ্চারাইজ়ার, সানস্ক্রিন, অ্যান্টি-এজিং, এমনকী, কোলাজেন বুস্টারের মতো উপাদানও থাকে। আর তাই সিসি ক্রিম একটু বেশি বয়সীদের জন্য আদর্শ। ত্বকে দাগছোপ থাকলে, ত্বক অমসৃণ হলে বেছে নিন সিসি ক্রিম। বিবি ক্রিমের চেয়ে সিসি ক্রিম অনেক বেশি হালকাও। ৩০ বছরের ঊর্ধ্বে হলে ব্যবহার করতে পারেন এই ক্রিম। কারা মাখবেন সিসি ক্রিমত্বকে পোড়া ভাব থাকলে, ব্রণর জন্য ত্বক লালচে হলে দাগছোপ থাকলে ব্যবহার করুন সিসি ক্রিম। সিসি ক্রিম মুখের খুঁত ঢেকে দেয়। সেই সঙ্গে সামান্য কনসিলার ব্যববার করলে সহজেই ঢেকে ফেলতে পারবেন সমস্ত ত্রুটি। চটজলদি মেকআপে কোনটা ব্যবহার করবেনদুপুরের কোনও অনুষ্ঠান থাকলে বিবি ক্রিম লাগান। কারণ এতে সানস্ক্রিন ক্রিমের কিছু উপাদান মেশানো থাকে। মুখে ঘাম হয় না। উপরন্তু মুখ ফর্সা লাগে। তবে বিবি ক্রিমের সঙ্গে হালকা করে পাউডার লাগিয়ে নিতেও কিন্তু ভুলবেন না। পার্টি বা সন্ধ্যের কোনও অনুষ্ঠান থাকলে ব্যবহার করুন সিসি ক্রিম। তবে সিসি ক্রিম ব্যবহার করলেও কমপ্যাক্ট এবং হাইলাইটার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। সঙ্গে পছন্দনসই লিপস্টিকও লাগাবেন।

Source link

Perfect couple match: আপনার জন্মমাসই বলে দেবে কে হতে চলেছে আপনার জীবনসঙ্গী! – your month of birth reveals whom you will or should marry

কথায় বলে, কার বিয়ে কোথায় হবে তা নাকি আগে থেকেই লেখা থাকে! বিয়ে জন্ম জন্মান্তরের বন্ধন। এসব আমরা সকলেই শুনে আসছি ঠাকুমা-দিদিমাদের মুখ থেকে। তবুও কি সমস্যা আসে না ? সম্পর্কে বিচ্ছেদ-অশান্তি এসব লেগেই থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মমাস দেখে বোঝা যায়, কারা হতে পারেন যোগ্য জীবনসঙ্গী। কিছুদিন আগেই এ বিষয়ে গবেষণা চালান একদল গবেষক। প্রায় ২,৫৪৯ লক্ষ মানুষের জীবনপঞ্জি নিয়ে তাঁরা গবেষণা চালান। আর সেই গবেষণা থেকেই উঠে আসে জন্মদিন এবং জন্মমাসের উপর নির্ভর করে কেমন হবেন জীবনসঙ্গী। এরপর তাঁরা আবারও গবেষণা করেন। ১৯৭৪ সালে যাঁদের জন্ম এরকম কিছু মানুষের মধ্যে ৩৫০০ জনকে বেছে নেন যাঁরা এখন বিবাহিত। অবিশ্বাস্য ভাবে তাঁদের গবেষণার সঙ্গে মিলে যায় বাস্তব। গবেষণায় তাঁরা যে মাসের সঙ্গে অন্য মাসের মিল দেখেছেন ঠিক সেইভাবেই একে অপরের সঙ্গে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ৩৫০০ যুগল। কিন্তু জন্মমাসের এই বিষয়টি তখনও তাঁরা জানতেন না। দেখে নিন কীভাবে আপনি জানবেন কে হতে পারেন আপনার যোগ্য জীবনসঙ্গী। যাঁরা বিবাহিত তাঁরাও একবার মিলিয়ে নিন আপনাদের নির্বাচন ঠিক মিলেছে কিনা। জন্মমাস জানুয়ারি হলেযেসব মেয়েরা জানুয়ারিতে জন্মেছেন তাঁরা পছন্দ করেন মার্চ মাসে জন্মদিন এমন ছেলেকে বিয়ে করতে। ঘটনাচক্রে এমন ছেলেদেরই মনে ধরে তাঁদের। তবে অক্টোবর, এপ্রিল, জুন, আগস্ট, নভেম্বরে জন্ম যে সব ছেলেজের তাঁদেরও পছন্দ করেন। আবার যে সব ছেলের জন্ম জানুয়ারিতে তাঁরা সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট হন অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জন্মানো মেয়েদের প্রতি। তবে তালিকায় জুলাই ও সেপ্টেম্বরে জন্মদিন এরকম মেয়েরাও থাকেন। জন্মমাস ফেব্রুয়ারি হলেফেব্রুয়ারিতে যেসব মেয়েদের জন্মদিন তাঁরা সাধারণত ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলে জন্ম এমন ছেলেদেরই পছন্দ করেন। তবে জুলাইতে জন্ম ছেলেদের তাঁরা একদম পছন্দ করেন না। দেখা গিয়েছে ফেব্রুয়ারিতে জন্ম মেয়েদের সঙ্গে জুলাই মাসে জন্ম ছেলেদের বিয়ে হলে তাদের মধ্যে ডিভোর্স রেট অনেক বোশি। অক্টোবর বা ডিসেম্বরে জন্ম ছেলেদেরও পছন্দ করে ফেব্রুয়ারি গার্লরা। ফেব্রুয়ারিতে যেসব ছেলেদের জন্ম তাঁরা ফেব্রুয়ারি বা অক্টোবরে জন্মদিন এমন মেয়েদেরই পছন্দ করেন। জন্মমাস মার্চ হলেযে সব মেয়েদের মার্চে জন্ম, তাঁরা মার্চে জন্ম এমন ছেলেদেরই বেশি পছন্দ করেন। তবে তালিকায় ফেব্রুয়ারি আর অগস্টে জন্মদিন, এমন ছেলেরাও থাকেন। যেসব ছেলেদের মার্চে জন্ম তাঁরা জানুয়ারিতে জন্মদিন এমন মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করেন। তবে জুলাই মাসে জন্মদিন এমন মেয়েদেরও তাঁরা পছন্দ করেন। যদিও তাঁদের মধ্যে ঝগড়া কিন্তু অনেক বেশি হয়। জন্মমাস এপ্রিল হলেযে সব মেয়েদের জন্ম এপ্রিলে তাঁরা জুন বা জুলাইতে জন্ম এমন ছেলেদের বেশি পছন্দ করেন। তবে সেপ্টেম্বর বা নভেম্বরে জন্ম ছেলেদের একদমই পছন্দ করেন না। এপ্রিল মাসে জন্ম ছেলেরা ফ্রেব্রুয়ারি মাসের মেয়েদের বেশি পছন্দ করেন। জন্মমাস মে হলেমে মাসে জন্ম যে সব মেয়েদের তাঁরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন ডিসেম্বরে জন্মদিন এমন ছেলেদের। জুন মাসে জন্ম এরকম ছেলেদের তাঁরা সহ্য করতে পারেন না। মে মাসে যে সব ছেলেদের জন্ম তাঁরা আবার জুন বা আগস্টে জন্ম এমন মেয়েদের বেশি পছন্দ করেন। ডিসেম্বরে জন্মদিন এমন মেয়েদের তাঁরা পছন্দই করেন না। জন্মমাস জুন হলেজুন মাসে জন্ম যে সব মেয়েদের তাঁরা নভেম্বরে জন্মদিন এরকম ছেলেদের খুবই পছন্দ করেন। তবে জুন বা অক্টোবরে জন্ম এরকম ছেলেদের বিয়ে করলে তাঁদের মধ্যে ডিভোর্স রেট থাকে সবচেয়ে বেশি। জুন মাসে যে সব ছেলেদের জন্ম তাঁরা আবার এপ্রিল মাসে জন্ম এমন মেয়েদের খুবই পছন্দ করেন। তবে অক্টোবরের মেয়েদের একদমই পছন্দ করেন না। এছাড়াও জানুয়ারি ও মে মাসে জন্ম এমন মেয়েদেরও তাঁরা পছন্দ করেন। জন্মমাস জুলাই হলেজুলাই মাসে যেসব মেয়েদের জন্ম তাঁরা জুন, অগস্ট ও অক্টোবরে জন্মদিন এমন ছেলেদের খুবই পছন্দ করেন। তবে মার্চ মাসে জন্মদিন এরকম ছেলেদের পছন্দ করেন না। অন্যদিকে যে সব ছেলেদের জুলাইতে জন্ম তাঁরা এপ্রিল ও ডিসেম্বরে জন্মদিন এরকম মেয়েদের খুবই পছন্দ করেন। জন্মমাস অগস্ট হলেযে সব মেয়েদের জন্ম অগস্টে তাঁরা অগস্টে জন্মদিন এমন ছেলেদেরই বেশি পছন্দ করেন। এছাড়াও সেপ্চেম্বরে জন্মদিন এমন ছেলেদেরও পছন্দ করেন। অগস্টে যেসব ছেলেদের জন্ম তাঁরা জুলাই মাসে জন্ম এমন মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করেন। তবে অগস্ট, অক্টোবর ও ডিসেম্বরে জন্মদিন এমন মেয়েদেরও পছন্দ করেন। জন্মমাস সেপ্টেম্বর হলেসেপ্টেম্বর মাসে যেসব মেয়েদের জন্ম তাঁরা সবথেকে বেশি পছন্দ করেন সেপ্টেম্বরে জন্ম এমন ছেলেদের। তবে জানুয়ারি বা এপ্রিলে জন্মদিন এমন ছেলেদের পছন্দই করেন না। সেপ্টেম্বর মাসে যেসব ছেলেদের জন্ম তাঁরা সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, ডিসেম্বরে জন্মদিন এমন মেয়েদের খুব পছন্দ করেন। এপ্রিল বা অগস্টে জন্মদিন এমন মেয়েদের তাঁরা পছন্দ করেন না। জন্মমাস অক্টোবর হলে অক্টোবর মাসে যেসব মেয়েদের জন্ম তাঁরা জানুয়ারি মাসে জন্ম এমন ছেলেদের খুব পছন্দ করেন। এছাড়াও ফেল্রুয়ারি, অগস্ট, সেপ্টেম্বরে জন্মদিন এমন ছেলেদেরও পছন্দ করেন। আবার এই মাসে যেসব ছেলেদের জন্ম তাঁরা জানুয়ারি মাসে জন্মদিন এমন মেয়েদের খুব পছন্দ করেন। জুনে জন্মদিন এরকম মেয়েদের তাঁরা পছন্দই করেন না। ফেব্রুয়ারি মাসে জন্মদিন এরকম মেয়েদেরও তাঁরা খুব একটা পছন্দ করেন না। জন্মমাস নভেম্বর হলেনভেম্বর মাসে যে সব মেয়েদের জন্ম তাঁরা অক্টোবর মাসে জন্মদিন এমন ছেলেদেরই বেশি পছন্দ করেন। তবে নভেম্বর Boys দেরও পছন্দ করেন। কিন্তু অগস্টে জন্ম এমন ছেলেদের পছন্দই করেন না। নভেম্বর মাসে যেসব ছেলেদের জন্ম তাঁরা এপ্রিল, নভেম্বর, ডিসেম্বরে জন্মদিন এমন মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করেন। ডিসেম্বর জন্মমাস হলেডিসেম্বরে যে সব মেয়েদের জন্মদিন তাঁরা অগস্টে জন্মদিন এমন ছেলেদের বেশ পছন্দ করেন। তবে জুলাই, সেপ্টেম্বর আর নভেম্বরে জন্মদিন এমন ছেলেদেরও খুব পছন্দ করেন। মে মাসে জন্মদিন এরকম ছেলেদের একদম পছন্দ করেন না। আর ডিসেম্বর মাসে যে সব ছেলেদের জন্ম তাঁরা মে মাসে জন্মদিন এমন মেয়েদের খুব পছন্দ করেন।

Source link

weight loss tips in bengali: ‘রোজ সকালে এক কাপ গরম জলে আমলা জুস আর জিরে’, এক বছরেই কমল ২৭ কেজি ওজন! – weight loss story: “i have a hot cup of amla jeera water every morning”

হাইলাইটসছোট থেকেই আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে মজা করত। কিন্তু আমি ওসবে পাত্তা দিতাম না। এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ৩০ বছরের কৃতিকা মোটেই তার লুক নিয়ে চিন্তিত ছিল না। কিন্তু এটুকু জানত ভবিষ্যতেও তাকে সুস্থ থাকতে হবে। আর সুস্থ থাকতে হলে তাকে ওজন কমাতেই হবে। তবে জিমে যেতে আর পিৎজা বাদ দিয়ে স্যালাড খেতে মোটেই তার ভাল লাগত না। আর তাই বাড়িতে যোগা শুরু করেছিল। সেই সঙ্গে প্রতিদিন সকালে উঠে আমলা-জিরা জল খেতে শুরু করে। যখন শুরু করে তখন তার ওজন ছিল ৮০ কেজি। মাত্র অকবছরের মধ্যে ২৭ কেজি ঝরিয়ে ফেলেছে কৃতিকা। দেখে নিন কৃতিকা কী বলছেন। ছোট থেকেই আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে মজা করত। কিন্তু আমি ওসবে পাত্তা দিতাম না। আমি কিন্তু কত্থক শিল্পী। যদিও নিয়মিত নাচ করার পরও আমার ওজন একটুও কমেনি। আমি ভাবতাম আমার পক্ষে ওজন কমানো অসম্ভব। আমি এই নিয়েই খুশি থাকতাম। কিন্তু ২৫ বছর বয়সে এসে মনে হল আমি হাঁপিয়ে পড়ছি। ওজন বেশি হয়েছে বলে কোনও কাজ মন দিয়ে করতে পারছি না। এরপর ডায়েট শুরু করলাম। কিন্তু খেতে ভালোবাসি, তাই ওসব স্যালাড, স্যুপ খেয়ে থাকতে পারতাম না। ২০১৯- এ আমি ঠিক করলাম আমাকে যেভাবেই হোক রোগা হতেই হবে। এরপর আমি একবছরের চেষ্টায় ২৫ কেজি ওজন কমিয়ে ফেললাম। মনে রাখবেন আমি কিন্তু জিমে এক পয়সাও দিইনি। দিন শুরু করতাম এককাপ গরম জলে দুচামচ আমলা জুস আর জিরে পাউডার দিয়ে।ব্রেকফাস্টভেজিটেবল পোহা/ ডালিয়া / উপমা/ স্যান্ডউইচ/ পনির ভেজিটেবল স্যালাড/ ওটস / মুগ ডাল চিল্লা। বেলা ১১ টায় খেতাম- এককাপ গ্রিন টি। সঙ্গে একটা আমন্ড, একটা কিসমিস আর একটা আখরোট। লাঞ্চে খেতাম-দুটো রুটি, একবাটি সবজি, একবাটি টকদই আর স্যালাড। রাতে- স্যুপ বা ডালিয়ার খিচুড়ি। কোনও কোনওদিন মিক্সড স্যালাড। আগে যা ছিলেন পরে যা হয়েছে ওয়ার্ক আউট শুরু করতাম এককাপ ব্ল্যাক কফি দিয়ে। শেষ করে খেতাম কোনও একটা ফল। ফিটনেসের জন্য যা যা করতামভোর পাঁচটায় ঘুম থেরে ওঠা অভ্যেস করেছিলাম। এরপর যোগা করতাম। তারপর কার্ডিয়ো করতাম। এরপর প্রতিদিন পাঁচ কিলোমিটার হাঁটতাম। সেই সঙ্গে প্রচুর জল খেতাম। জল খেলে আমাদের দেহের ক্ষতিকর টক্সিন বাইরে বেরিয়ে আসে। এইভাবে একটা রুটিনে চলার পর আমি ভেতর থেকে এনার্জি পেতাম। আগের থেকে অনেক মনযোগ দিয়ে কাজ করতে পারতাম। আমি কিন্তু দ্রুত ওজন কমানোর কোনও ট্যাবলেট খাইনি। প্রতিদিনের এই আমলা-জিরা জলই আমায় এত সাহায্য করেছে। এতেই একবছরে ২৭ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলি। কৃতিকা কুনগেরের মতো ওজন কমাতে চান আপনিও? তাহলে দেখে নিন এই ডায়েট টিপস। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে

Source link

Bridal makeup: ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট বুক করবেন? রইল ৬টি টিপস… – 6 things you must know before booking your bridal makeup artist

বিয়ের দিন সব মেয়েই চান তাঁকে সবচেয়ে সুন্দর দেখাক। আর তাই বেছে বুছে নিজের জন্য সেরা শাড়ি বা লেহঙ্গা, গয়না, ব্যাগ, জুতো এবং ডিজাইন করে মনের মতো ব্লাউজ বানান মেয়েরা। বিয়ের দিন কেমন সাজাবেন বা কেমন দেখতে লাগবে তাঁকে এই নিয়ে একবছরেরও বেশি সময় ধরে প্ল্যানিং করেন অনেকেই। বিয়ের সাজে যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে তাই চান সকলে। মুকুট ঠিকমতো পরা হল না, কিংবা লিপস্টিক লিপলাইন থেকে বেরিয়ে গেছে, শাড়ি অগছালো এমনটা কাম্য নয়। বিয়ে সকলের জীবনেই খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। হবু কনেরা তাই আগে থেকে শহরের সেরা মেকআপ আর্টিস্টদের বুক করে রাখেন তাঁর D-Day এর জন্য। সঠিক মেকআপ আর্টিস্ট নির্বাচন থেকে অন্যান্য মেকআপ টিপস, এমনকী কী কী প্রশ্ন আগেভাগেই করে নেবেন মেকআপ আর্টিস্টকে তাই রইল এই প্রতিবেদনে। বিয়ের দিন আপনি কীরকম লুক চাইছেন, আপনার অনুষ্ঠান কখন হচ্ছে, আপনার বাজেট, কেমন হেয়ার স্টাইল করবেন এইসবই কিন্তু মেকআপের মধ্যে। তাই জরুরি এই ৬টি টিপস মাথায় রাখুন। নিজে মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে কথা বলুনবাড়ির অন্য কেউ ন, যাঁর বিয়ে তাঁকে নিজেকেই মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে দেখা করতে হবে। এমনকী সেদিন তিনি কেমন সাজতে চান, কী রঙের শাড়ি পরবেন, কী ফুল মাথায় লাগাবেন, গয়না কেমন থাকবে সবই আগে থেকে কথা বলে নিন। নিজে মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে দেখা করলে স্কিনটোন এবং আপনি কি চাইছেন তা স্পষ্ট করে বলে দিন। আপনার লুক কেমন হবে তার কোনও স্যাম্পেল ছবি থাকলে নিয়ে যান। তবে মেকআপ আর্টিস্ট দক্ষ হলে তিনি নিজেই আপনাকে সবটা করে দেবেন। সবাইকেই যে একরকম দেখতে লাগবে তা কখনই নয়। প্রয়োজনে একবার ট্রায়াল দিতে পারেন। একবার ট্রায়াল দিয়ে নিনবিয়ের দিন কেমন শাড়ি, গয়না পরতে চান, কেমন মেকআপ চান এটা একবার ট্রায়াল দিয়ে নিতে পারলে খুব ভালো। তাহলে আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন, সেইমতো কেনাকাটা করতে পারবেন। এ বিষয়ে মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে বুকিং এর আগেই কথা বলে নেবেন। মেকআপ আর্টিস্টের সোশ্যাল হ্যান্ডেলমেকআপ আর্টিস্টের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ট্যইটার যাবতীয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম খুব ভালো করে দেখে নেবেন। সম্প্রতি তিনি কেমন কাজ করেছেন, তার ছবি, ফিডব্যাক এসব। এখান থেকেই আপনি প্রাথমিক ধারণা পেয়ে যাবেন। সাজানোর ধরন, হেয়ার স্টাইল, গয়না, আই মেকআপ একটা সম্যক ধারণা হবে। কত বছর ধরে মেকআপ আর্টিস্ট কাজ করছেন তাও জানতে পারবেন। সঙ্গে কে কে থাকবেনমেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে কতজন থাকবেন তাও কথা বলে নিন। সাধারণতলএকজন হেয়ারের জন্য থাকেন। একজন থাকে শাড়ি ড্রেপ করার জন্য। এছাড়াও মেকআপ আর্টিস্টের কোনও অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকতে পারেন। মহামারীর সময়ে এই বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখুন। মেকআপ আর্টিস্ট যাতে মাস্ক পরেই মেকআপ করেন তাও খেয়াল রাখুন। মেকআপ আর্টিস্টের স্টুডিয়োতে মেকআপ করবেন নাকি তিনি আসবেন, এই বিষয়ও মাথায় রাখুন। সময় নিয়ে কথা বলা জরুরিএমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই যে ওই দিন শুধু আপনারই বিয়ে। এক একটি বিয়ের দিনে মেকআপ আর্টিস্টদের কাছে মিনিমাম পাঁচটি বুকিং থাকে। তাই কোন সময়ে আপনি যাবেন তা কথা বলে রাখুন। ব্রাইডাল মেকআপে তিন ঘন্টা অন্তত হাতে রাখবেন। আপনাকে সময়ে রেডি করে দেওয়ার দায়িত্ব মেকআপ আর্টিস্টের। তাই অযথা বিয়ের দিন তাঁকে ফোন করে বিরক্ত করবেন না। বাজেট নিয়ে প্রথমেই কথা বলুনআপনার বাজেট অনুযায়ী মেকআপ আর্টিস্ট বুক করুন। এমনকী তিনি কতটা অ্যাডভ্যান্স নেবেন, কীভাবে বাকি টাকা দেবেন এসব কথা বলে রাখুন। আপনার সঙ্গে অতিরিক্ত কেউ সাজতে চাইলে কত নেবেন তাও কথা বলে রাখুন। টাকাপয়সা নিয়ে যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। মনে রাখবেন মানুষের সঙ্গে সম্পর্কটাই আসল। তাই মেকআপ আর্টিস্টের প্রাপ্য টাকা অবশ্যই মিটিয়ে দেবেন।

Source link

dry lips care: ঠোঁটটা কি সারাক্ষণ শুষ্ক লাগছে? সমাধান এই ঘরোয়া টোটকাতেই! – home remedies to get rid of chapped lips naturally

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনার ত্বক কি সেনসিটিভ? অথবা শুষ্ক। হয়তো তৈলাক্ত আপনার ত্বক। যে ধরনই হোক না কেন, ঠোঁট ফাটার সমস্যায় ভুগতে হয় প্রায় প্রত্যেককে। তার মধ্যে শীতকাল আসা মানেই শুষ্ক ত্বক, ঠোঁট ফাটা, খুশকি প্রভৃতির সমস্যা। শীতকাল আসলেই সারাক্ষণ ঠোঁটটা শুকনো হয়ে যাকে। বারবার লিপ-বাম জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে হয়। এগুলি আমাদের ঠোঁটকে সাময়িক স্বস্তি দেয় ঠিকই। কিন্তু স্থায়ী স্বস্তি দেয় না। অথচ শীতকালের এই শুষ্ক ঠোঁটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার বহু উপায় বাড়িতেই রয়েছে। কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে ফাটা ঠোঁট (Chapped Lips Home Remedies) সারিয়ে তুলতে পারেন জানুন…নারকেল তেলনারকেল তেলে প্রচুর পরিমানে ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তাই ঠোঁটকে শুষ্কতার হাত থেকে বাঁচাতে প্রত্যেকদিন ঠোঁটে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, ক্যারিয়ার অয়েল প্রাকৃতিক ভাবে ময়শ্চারাইজারের কাজ করে। এগুলির মধ্যে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। যা ত্বককে আর্দ্র করে। ঠোঁটকে নরম ও কোমন করতে সাহায়্য করে। এর মধ্যে টিট্রি অয়েল বা গ্রাপিসড অয়েল যোগ করে নেওয়া যায়। যা ফাটা ঠোঁটের উপকার করবে। ফাটা ঠোঁট থেকে অনেক সময় সংক্রমণের ভয় থাকে। এ সব প্রাকৃতিক তেল সেই সব সংক্রমণকেও রোধ করতে পারে।

উপকরণ: খাঁটি নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, আলামন্ড অয়েল অথবা জোজোবা অয়েল। চাইলে ব্যবহার করতে পারে টিট্রি অয়েল, গ্রাপিসড অয়েল অথবা নিমের তেল। প্রণালী: অন্তত তিন রকমের তেল কিনে রাখুন। একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে নিন। ফাটা (Chapped Lips) দূর হবে। দিনে অন্তত তিন বার করে ঠোঁটে লাগাতে পারেন এই তেলের মিশ্রণ। রাতে ঠোঁটে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে ভাল করে ধুয়ে নিন।মধুআমরা সকলেই জানি যে মধু খুবই ভালো অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াজাত পদার্থ। এবং ভ্যাসলিন বা পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বককে কোমল করতে সাহায্য করে, ত্বকের শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে রোধ করে। এই দুটো জিনিস যদি একসঙ্গে ঠোঁটে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা ঠোঁটের জন্য উপকারীও হবে আবার ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকেও রেহাই মিলবে। মধু প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। আর ভেসলিন অর্থাৎ পেট্রোলিয়াম জেলি ঠোঁট নরম রাখতে অনেকেই ব্যবহার করেন। আসলে এই দুটি উপাদানই প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজারের কাজ করে। কখনও দুটি একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করেছেন? ফাটা ঠোঁটের জন্য বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন এই চটজলদি সমাধান। প্রথমে ঠোঁটে মধু লাগিয়ে নিন। একটা পাতলা স্তর বা আস্তরণ তৈরি হবে। তার উপর দিয়ে ভেসলিনের একটা স্তর তৈরি করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট এই দুই উপাদান ফাটা ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে হবে। এবার টিস্যু বা পাতলা কাপড়ের সাহায্যে ঠোঁটের ওই আস্তরণ তুলে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে এই দুই উপাদান ঠোঁটে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনার ফাটা ঠোঁটের সমস্যার ম্যাজিকের মতো সমাধান হবে।শশাগরম কালে শশা রূপচর্চার ক্ষেত্রে আপনার প্রিয় বন্ধু হতে পারে। শুষ্ক এবং ফাটা ঠোঁটের সমস্যায় এর থেকে ভাল প্রাকৃতিক ওষুধ আর হয় না। ত্বককে নরম এবং কোমল করে তুলতেও এর জুরি মেলা ভার। উপকরণ: টুকরো করে কেটে নেওয়া ফ্রেশ শশা।

প্রণালী: দুই থেকে তিন মিনিট ধরে শশার টুকরো ঠোঁটের উপর ঘষতে থাকুন। কিছুক্ষণ পরে আগে থেকে তৈরি করে রাখা শশার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রেখে দিন অন্তত ১০ মিনিট। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। শশার রস না লাগিয়ে শশা চটকে নিয়ে প্যাক তৈরি করেও লাগাতে পারেন। প্রতিদিন অন্তত একবার করে এই টোটকা ব্যবহার করলেই দূর হবে ফাটা ঠোঁটের সমস্যা।অ্যালোভেরাঅ্যালোভেরার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের মরা কোষ দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকে ঠাণ্ডা ভাবও বজায় রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা। উপকরণ: অ্যালোভেরা পাতা জোগাড় করতে হবে। প্রণালী: অ্যালোভেরা পাতা কেটে নিয়ে তার ভিতরে থাকা জেল বের করে এতটি পাত্রে রাখতে হবে। ওই জেল রাতে ঘুমতো যাওয়ার আগে ঠোঁটে (Home Remedies) লাগিয়ে রাখুন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। একটি পাত্রে ওই জেল ফ্রিজে রাখতে পারেন। প্রতিদিন রাতেই এটা ব্যবহার করলে ফাটা ঠোঁটের সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি মিলবে। প্রচুর পরিমাণে জল খান। এতে করে ঠোঁটের ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকবে আর আপনি ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি পাবেন।গ্রিন টি ব্যাগগ্রিন টি-র মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। গবেষণায় দেখা গিয়েছে ফাটা ঠোঁটের সমস্যার সমাধানে এটি অত্যন্ত জরুরি উপাদান। ত্বকের শুষ্কতা দূর করতেও (Chapped Lips Remedy) গ্রিন টি ব্যাগ অত্যন্ত উপকারী। উপকরণ: একটি গ্রিন টি ব্যাগ, এক কাপ গরম জল। প্রণালী: গরম জলে গ্রিন টি ব্যাগটি কয়েক মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এরপর ওই টি ব্যাগটি সরাসরি ফাটা ঠোঁটে লাগিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে এটা করতে পারেন। ফাটা ঠোঁটের সমস্যা মিটবে। যাদের ঠোঁট ভীষণ শুকিয়ে যায় তাদের একটি বদ অভ্যাস তৈরি হয়। যা হল খানিকক্ষণ পর পর জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো। অনেকে ভাবেন এটি করলে ঠোঁট শুকোবে না। কিন্তু এতে ঠোঁট আরও বেশি শুকিয়ে যায় এবং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন।

Source link