Category Archives: Health

DIY Natural Body Wash : উজ্জ্বল ও কোমল ত্বকের জন্য বাড়িতেই তৈরি করুন বডিওয়াশ, দেখুন বানানোর পদ্ধতি


লেমনগ্রাস বডিওয়াশ লেমনগ্রাস আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। এটি আমাদের ত্বককে সতেজ রাখে। আর, চিনি ত্বকে জমে থাকা ধূলিকণা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। বডি ওয়াশ বানাতে প্রথমে আধ কাপ কাস্টাইল সাবান নিন, তাতে ২-৩ কাপ জল ঢালুন। তারপরে ২ চামচ বাদাম তেল, ১ চামচ গ্লিসারিন এবং ১০-১২ ফোঁটা লেমনগ্রাস তেল দিন। এর পরে বোতলটি বন্ধ করে মিশ্রণটি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে করে আপনি ন্যাচারাল বডিওয়াশ পাবেন। শিয়া বাটার বডি ওয়াশ শুষ্ক ত্বকের জন্য শিয়া বাটার বডি ওয়াশ উপযুক্ত। এই বডি ওয়াশ ত্বককে নরম করে তোলে। এটি তৈরি করতে প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ জল গরম করুন। এতে পরিমাণমতো শিয়া বাটার, দুই চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং দুই চামচ জোজোবা বা অলিভ অয়েল দিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে এটি একটি বোতলে ভরে রাখুন। ল্যাভেন্ডার বডি ওয়াশ ল্যাভেন্ডার ত্বককে ঠান্ডা করতে খুব উপকারি, পাশাপাশি এটি ত্বকের দাগ দূর করতেও সহায়তা করে। এই বডি ওয়াশটি তৈরি করতে, প্রথমে গরম জলে বার্লি ময়দা দিন। এর পরে তা ছেঁকে নিন। তারপরে এই জলে এক চামচ ভিটামিন ই তেল, ২ চামচ অ্যাভোকাডো তেল, আধ চামচ কাস্টাইল সাবান এবং কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল দিন। এবার এই মিশ্রণটি ভাল করে মিশিয়ে নিন।

Source link

Bhagyashree Glowing Skin Secrets : অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করেন এই ফেস প্যাক


Beauty oi-Purabi Jana |

Updated: Saturday, September 12, 2020, 9:45 [IST]
হিন্দি সিনেমা ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া খ্যাত অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ থাকেন। অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই তাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ফিটনেস ও বিউটি নিয়ে নানান ভিডিয়ো শেয়ার করে থাকেন, ঠিক তেমনই অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রীও ইনস্টাগ্রামে তার ভক্তদের সঙ্গে এরকম নানান ভিডিয়ো শেয়ার করে নেন। সম্প্রতি তিনি একটি ভিডিয়ো ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি তাঁর স্কিন কেয়ার সিক্রেট শেয়ার করেছেন। এখানে তিনি দাগহীন এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য একটি ফেস প্যাকের রেসিপি বলেছেন। তিনিও এই প্যাকটি ব্যবহার করেন। ৫১ বছর বয়সী ভাগ্যশ্রীকে দেখে তাঁর বয়স অনুমান করা কঠিন! এটা দেখে বোঝাই যাচ্ছে যে, তিনি তার ফিটনেসের পাশাপাশি ত্বকের যত্নও রাখেন। ভাগ্যশ্রী এই ভিডিয়োটিতে জানিয়েছেন যে, ত্বকের যত্নের জন্য তিনি এই ফেস প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহার করেন। এর জন্য ওটস গুঁড়ো করে নিন এবং একটি বোতলে রেখে এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। পেস্ট তৈরির জন্য ওটস পাউডারে দুধ এবং মধু মিশিয়ে দিন। এটি আপনার মুখে লাগিয়ে শুকোতে দিন। তারপর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই ভিডিয়োতে ভাগ্যশ্রী জানিয়েছেন যে, ক্লিনজিং বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় এতে, যা মৃত ত্বক অপসারণে সহায়তা করে। এছাড়াও, এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সহায়তা করে। আর, মধুতে অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বককে হাইড্রেট করে। ওটস ফেস প্যাক তৈরির পদ্ধতি ২ চামচ ওটসের পাউডার নিন, এক চামচ মধু এবং দুধ নিন। একটি বাটিতে এই সমস্ত উপকরণ নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পেস্ট প্রস্তুত করার পরে এটি মুখে লাগান। এটি শুকিয়ে যাওয়ার পরে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধুয়ে নেওয়ার পর মুখে ময়েশ্চারাইজার বা সিরাম লাগান। হিনা খানের নতুন হেয়ার স্টাইলে মুগ্ধ নেটিজেনরা

GET THE BEST BOLDSKY STORIES!

Allow Notifications

You have already subscribed

Source link

durga visarjan 2020: সিঁদুর খেলা মানেই চিরাচরিত লালপাড়-সাদা শাড়ি, কেন জানেন? – durga visarjan dress code

হাইলাইটসপুজোর অন্যতম অংশ হল এই সিঁদুর খেলা। একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনা করেন। আর সেই সিঁদুরই বাড়িতে থেকে যায় বছরভরএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: দেখতে দেখতেই কেটে গেল পুজোর পাঁচটা দিন। রাত পোহালেই বাপের বাড়ি ফিরে যাবে উমা। আবার এক বছরের প্রতীক্ষা। তবে এবারের পুজো অন্য বছরগুলোর তুলনায় একটু ভিন্ন। সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে গৃহবন্দি মানুষ। সেই সঙ্গে বেড়েছে করোনার আতঙ্ক। এবছর পুজো হলেও সবার মুখের হাসিটা আগের মতো নেই। পুজো প্যান্ডেলেও ছিল বহু রকম বিধিনিষেধ। অঞ্জলি থেকে প্যান্ডেল হপিং সবই এবার বাতিলের তালিকায়। এমনকী ভোগ খাওয়া, সিঁদুর খেলা, দলবেঁধে বিসর্জনে যাওয়া সেসবও এবার নেই। দশমীর ঘট বিসর্জনের পর উমার শ্বশুরবাড়ি ফিরে যাওয়ার পালা। তার আগে চলে বরণ। সিঁদুর-আলতা-পান-সুপুরিতে বাড়ির মেয়েরা বরণ করে নেয় উমাকে। আর তার পর বিবাহিত মেয়েরা মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। পুজোর অন্যতম অংশ হল এই সিঁদুর খেলা। একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনা করেন। আর সেই সিঁদুরই বাড়িতে থেকে যায় বছরভর। মাকে মিষ্টিমুখ করিয়ে তবেই বাকিরা মিষ্টি খান। আর প্রতিমা বরণের ক্ষেত্রে সেই আদ্যিকাল থেকেই লালপাড় সাদা শাড়িতে সেজে আসছেন মহিলারা। সঙ্গে মানানসই সোনার গয়না। একেবারে সাবেকি সাজ। অন্য সব দিন পুজোর সাজে আধুনিকতার ছোঁওয়া থাকলেও দশমী কিন্তু একেবারেই ট্র্যাডিশন্যাল। ছেলেরা সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি অথবা কুর্তা-পায়জামা। আর মেয়েরা শাড়ি। লালপাড় সাদা শাড়ি, লাল ব্লাউজ, সিঁথি ভরতি সিঁদুর আর গয়নায় এদিন প্রত্যেকেই হয়ে ওঠেন দশভুজা। পৃথিবীর যে প্রান্তেই পুজো হোক না কেন দশমীর এই সাজে কোনও অদল-বদল নেই। আর বরণের সময় অবশ্যই মাথায় থাকে ঘোমটা। বিজয়া মানেই লালপাড় সাদা শাড়ি আর সিঁদুর খেলা এখন একেবারেই সামাজিক পরবে পরিণত হয়েছে। সিঁদুর পরিয়ে দেবীর কাছে প্রার্থনা করে মেয়েরা বলেন, সর্বলোকের রঞ্জন পরমসৌন্দর্যযুক্ত সিন্দুর তিলক তোমার কপালকে মণ্ডিত করুক। মাকে বরণের পর রাজ-শুভশ্রীভবিষ্য পুরাণে বলা হয়েছে, সিঁদুর স্বয়ং ব্রহ্মার প্রতীক। বিবাহিত নারী সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে পরম ব্রহ্মকেই আহ্বান করে। গীতাতেও কাত্যায়নী ব্রত উপলক্ষ্যে গোপিনীদের সিঁদুর খেলার বিবরণ পাওয়া যায়। কিন্তু তা অবশ্যই কৃষ্ণের মঙ্গল কামনায়। মনে করা হয় পরমব্রহ্ম সংসারের সকল দুঃখ কষ্ট দূর করেন। দেবী রূপে মা পুজো পেলেও যখন তিনি বিদায় নেন, তখন ঘরের মেয়ে। আর এই বরণের সময় নতুন বস্ত্র পরতে পারলে সবচেয়ে ভালো। নইলে অবশ্যই শুদ্ধ বস্ত্র পরতে হয়। বরণ শেষে নুসরত এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

home remedies for dark circles: নিমেষেই দূর হবে ডার্ক সার্কেল! এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি প্রয়োগ করুন


শসা শসার টুকরো দিয়ে ঠাণ্ডা সেঁক দিন। শসাতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট চোখের ফোলাভাব হ্রাস করতে পারে। তাই, দুই চোখের উপর বেশ কিছুক্ষণ কাটা শসার টুকরো রাখুন। এর পরে চোখ ধুয়ে ফেলুন। কোল্ড টি ব্যাগও ব্যবহার করতে পারেন। আলু ডার্ক সার্কেল কমাতে আলু খুবই সহায়ক। আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে যা কোলাজেন বাড়াতে কাজ করে। তাই চোখের তলার কালি তুলতে আলুর রস প্রয়োজন। আলুর রসে কটন প্যাড ভিজিয়ে চোখের নীচে প্রায় ১০ মিনিট রাখুন। দেখবেন স্পট অনেকটাই কমে আসবে। চোখের ম্যাসাজ চোখের ম্যাসাজ করলে ডার্ক সার্কল কমে। ম্যাসাজের ফলে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ে, যার কারণে ত্বক উজ্জ্বল এবং ফ্রেশ হয়। গোলাপ জল ত্বক সতেজ রাখার পাশাপাশি গোলাপজল ডার্ক সার্কেল কমাতেও খুব সহায়ক। গোলাপজলে তুলো ভিজিয়ে আপনার চোখে ১৫ মিনিট রেখে তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত করুন এক মাস ধরে, দেখবেন ডার্ক সার্কল অনেকটা কমেছে। ঠান্ডা দুধ ঠান্ডা দুধের ব্যবহার ডার্ক সার্কল দূর করে। ঠান্ডা দুধে তুলো ভিজিয়ে চোখের নীচে কালিতে গান। ১০ মিনিট পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। টমেটো এবং লেবু টমেটো ত্বককে নরম করার পাশাপাশি এবং চোখের তলার কালি কমাতে খুবই কার্যকর। টমেটোর রস নিন এবং তাতে এক চামচ লেবুর রস মেশান। এই মিশ্রণটি আপনার চোখে লাগান। ১০ মিনিট রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। কেন রাতে মুখ পরিষ্কার করে ঘুমোতে যাওয়া উচিত? দেখে নিন এর কারণগুলি

Source link

অভিনেত্রীদের মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন কিউই ফেস মাস্ক, দেখুন তৈরির পদ্ধতি | Use These Diy Kiwi Face Mask For Glowing Skin


রিঙ্কেল কমায় বিশেষত প্রত্যেক নারীই চায় যে তাকে যেন সর্বদা ইয়ং এবং সুন্দর দেখায়। এক্ষেত্রে কিউই ব্যবহার করে মুখের রিঙ্কেলস কমাতে পারেন। কিউইতে ভিটামিন সি রয়েছে যা আমাদের ত্বকের কোলাজেন তৈরি করতে সহায়তা করে। যার ফলে আমাদের ত্বক ইয়ং দেখায়। পিম্পল দূর করে কিউই যে ত্বকের জন্য খুবই উপকারি তা আমরা এতক্ষণে সবাই বুঝেই গিয়েছি। কিউই ব্যবহার করে আপনি পিম্পল থেকে মুক্তি পেতে পারেন। কিউইতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা মুখের পিম্পল এবং ব্রণ দূর করতে সহায়তা করে। তাই আপনি যদি পিম্পল বা ব্রণর সমস্যা ভুগছেন তবে কিউই ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক ভাল রাখে প্রখর রোদে বেরোলে ত্বকে নানান সমস্যা দেখা দেয়। কিউইতে ভিটামিন-ই রয়েছে, যা ত্বকের যত্ন নিতে পারে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কিউই ফেস প্যাক যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা লেবুর সঙ্গে কিউই মিশিয়ে ফেস প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের দাগ কমায় এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়। এক চামচ কিউই পাল্প এবং ১ চামচ লেবুর রস নিন। দুটো ভাল করে মিশিয়ে নিন পেস্ট তৈরি করে ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখে ব্রণ নিয়ে চিন্তিত? গাজরের জুসেই হবে সমস্যার সমাধান! শুষ্ক ত্বকের জন্য কিউই এবং কলার ফেস প্যাক কিউই, কলা এবং দই-এর ফেস প্যাক শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। কিউই পাল্প, কলার পেস্ট এবং এক চামচ দই একটি পাত্রে ভালভাবে মেশান। তারপর এটি মুখে লাগান। ফেস প্যাকটি শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কিউই ও বেসনের ফেস প্যাক ফ্রেশ এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কিউই এবং বেসনের ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ফেস প্যাক তৈরির জন্য একটি পাত্রে বাদামের পেস্ট, বেসন এবং কিউই পাল্প নিয়ে সেগুলি ভাল করে মেশান। এরপর মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

Source link

fennel seeds: রেস্তোরাঁতে খাবার শেষে বিলের সঙ্গে আসে মৌরি! কেন জানেন? – restaurants in india are probably serving you ‘saunf’ (fennel seeds) for a reason you never knew!

হাইলাইটসবহু বাড়িতেই ভাজা মৌরি কৌটবন্দী করে রাখা হয়। বাড়িতে কোনও অতিথি এলে খাওয়ার শেষে তাঁর হাতে মৌরি তুলে দেওয়া বাঙালিদের রীতি। বিয়েবাড়িতেও মৌরি দেওয়া হয় সবশেষে। যদিও এখন আধুনিকীকরণ হয়েছে, কিন্তু বহু বাড়িই এখনও মৌরি দেওয়াই পছন্দ করেএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: পছন্দের রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে, খাওয়ার শেষে যখন বিল আসে তখন তার সঙ্গে সুন্দর একটি প্লেটে মৌরি আর মিছরিও আসে। অনেকেই এই মৌরির জন্য হা পিত্যেশ করে বসে থাকেন। এমনও কিছু মানুষ আছেন যাঁরা ছোঁ মেরে পুরো মৌরি সাবাড় করে দেন। আর এই মৌরি খাওয়ার পর মন কিন্তু বেশ ফুরফুরে হয়ে যায়য়। কিন্তু কেন রেস্তোরাঁতে খাওয়ার শেষে এই মৌরি দেওয়া হয় তা জানেন কি? এছাড়াও বহু বাড়িতেই ভাজা মৌরি কৌটবন্দী করে রাখা হয়। বাড়িতে কোনও অতিথি এলে খাওয়ার শেষে তাঁর হাতে মৌরি তুলে দেওয়া বাঙালিদের রীতি। বিয়েবাড়িতেও মৌরি দেওয়া হয় সবশেষে। যদিও এখন আধুনিকীকরণ হয়েছে, কিন্তু বহু বাড়িই এখনও মৌরি দেওয়াই পছন্দ করে। এছাড়াও রান্নাতে ফোড়ন হিসেবে মৌরির ব্যবহার আছে। যে কোনও ভারতীয় রেস্তোরাঁতেই খাবারের শেষে মৌরি দেওয়ার এই রীতি পালন করা হয়। ভারতীয় আর্য়ুবেদ শাস্ত্রে মৌরির বেশ কিছু উপকারিতা বর্ণনা করা রয়েছে। বেশ কিছু ওষুধ তৈরি করতেও ব্যবহার করা হয় মৌরি। এছাড়াও মৌরি চিবিয়ে খাওয়ারও বেশ কিছু সুফল রয়েছে। যেমনমৌরি মাউথ ফ্রেশনার হিসেবে কাজ করে। খুব সহজেই মুখের যে কোনও গন্ধ দূর করে দেয়। এছাড়াও অন্য কোনও রকম খাবার থেকে সংক্রমণের আশঙ্কাও কমায়। খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে মৌরি। এছাড়াও দূর হয় কোষ্ঠকাঠিন্য। মৌরির মধ্যে থাকে খাদ্য হজমকারী বেশ কিছু ফাইবার। মৌরি চিবোলে যে লালা নির্গত হয় তা যে কোনও খাবারকে হজম করতে সাহায্য করে। অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে। আর রেস্তোরাঁতে গেলে ঝাল-মশলা দেওয়া খাবারই বেশি। তাতে যেমন হজমের সমস্যা বাড়ে তেমনই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আসে। এসব সমস্যা এড়াতেই শেষ পাতে মৌরি দেওয়ার প্রচলন ছিল। শুধু রেস্তোরাঁ নয়, আগেকার দিনে যে কোনও বিয়েবাড়িতেই মৌরি দেওয়া হত। আরও পড়ুনকীভাবে ও কেন খাবেন থানকুনি পাতা? উপকারিতা জেনে নিনপেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে মৌরি। ইসবগুলের মধ্যে অন্যতম উপাদান হিসেবে থাকে মৌরি। এমনকী ওষুধের মধ্যেও এর ব্যবহার রয়েছে। যে কারণে স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখেই রেস্তোরাঁতে খাবার শেষে মৌরি পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও মৌরির আরও যা যা উপকারিতা রয়েছেমৌরিতে থাকা একপ্রকার আঁশ কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। মৌরি কৃমিনাশক হিসেবেও কাজ করে। নিয়মিত মৌরি খেলে হার্টঅ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। এছাড়াও স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। খাওয়ার পর মিয়ম করে মৌরি খেলে হজমশক্তি বাড়ে। এছাড়াও দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়।ওজন কমাতে ও বাতের ব্যথার অর্ব্যর্থ ওষুধ হল মৌরি।রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে হাফ চামচ মৌরি গুঁড়ো এক গ্লাস জলে মিশিয়ে খেলে অনেক উপকারে আসে। যাঁদের অ্যাজমা রয়েছে তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু আর মৌরি চিবিয়ে খান তাহলে উপকার পাবেন। ধূমপান ছাড়তে চাইছেন ? তাহলে সামান্য ঘি দিয়ে মৌরি ভেজে কৌটতে ভরে রাখুন। সিগারেট খেতে ইচ্ছে করলেই এক চামচ করে মৌরি ভাজা খান। তাতে নেশা কমবেই। একচামচ মৌরি ভাজা, এক চামচ চিনি সারা রাত এক গ্লাস জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে খেয়ে নিন। আমাশয়, গ্যাস এসবের থেকে মুক্তি পাবেন। আর শরীরও ঝরঝরে থাকবে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health benefits of thankuni leaves: কীভাবে ও কেন খাবেন থানকুনি পাতা? উপকারিতা জেনে নিন – everything you need to know about gotu kola (thankuni leaves)

হাইলাইটসপ্রাচীন আর্য়ুবেদ শাস্ত্রেও এই পাতার প্রচুর গুণাগুণ বর্ণিত রয়েছে। অনেক ওষুধও তৈরি হত এই পাতার রস থেকে। কিন্তু এখন এই পাতার দেখা আর প্রায় পাওয়াই যায় নাএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: আজ থেকে কয়েক বছর আগেও গ্রামের সব বাড়িতেই থাকত থানকুনি পাতার গাছ। পরবর্তীতে শহরতলির বেশ কিছু বাড়িতেও লাগানো হত এই গাছ। কারোর হাত কিংবা পা কেটে গেলে বা পেটের কোনও সমস্যা হলেই খোঁজ পড়ত থানকুনি পাতার। কোনও একটা ঘর থেকে নিশ্চিত পাওয়া যেতই। এমনকী প্রাচীন আর্য়ুবেদ শাস্ত্রেও এই পাতার প্রচুর গুণাগুণ বর্ণিত রয়েছে। অনেক ওষুধও তৈরি হত এই পাতার রস থেকে। কিন্তু এখন এই পাতার দেখা আর প্রায় পাওয়াই যায় না। এমনকী এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা থানকুনি পাতা চেনেও না। কিন্তু শরীরকে নানা দিক দিয়ে সুস্থ রাখতে এই পাতার জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিন এই পাতার রস খেতে পারলে অন্যরকম কোনও চিন্তা থাকবেই না। তবে শুধু আমাদের দেশেই নয়,খ্রিস্টপূর্ব ১৭ শতক থেকেই আফ্রিকা, জাভা, সুমাত্রাতেও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই পাতা। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই পাতা বাটা খুবই উপকারী। দেখে নিন (Gotu Kola) থানকুনি পাতার উপকারিতা। নিয়মিত থানকুনি পাতা খেতে পারলে তার উপকারিতা অনেক। কারণ প্রাকৃতুক এই সব উপাদানের কোনও বিকল্প হয় না। ক্ষত নিরাময়ে- খেলতে গিয়ে কোনও ভাবে চোট পেলে কিংবা যদি হাত কেটে যায়, দ্রুত রক্তপাত বন্ধ করতে থানকুনি পাতার কোনও জুড়ি নেই। থানকুনি পাতা বেটে কাটা জায়গায় লাগালে ব্যথা কম হবে আর রক্ত পড়াও বন্ধ হয়ে যাবে। এমনকী ক্ষত থেকে সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকে না। শরীরে রক্ত প্রবাহ ঠিক থাকে- অনেকের থ্রম্বোসিসের সমস্যা থাকে। এছাড়াও অনেকের দেহেই অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে রক্তপ্রবাহে সমস্যা হয়। থানকুনি পাতার রস খেলে রক্ত শুদ্ধ থাকে। ফলে শরীরের প্রতি কোশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যায়। ফলে অনেক সমস্যার উপশম হয়। হাত ফুলে যাওয়া, পা ফুলে যাওয়া এসব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। রক্ত জমাট বেঁধে যায় না- থানকুনি পাতার মধ্যে থাকে নানা রকম খনিজ উপাদান, যা তাড়াতাড়ি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। যে কারণে অনেক জটিল রোগ থেকে খুব দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে দেওয়া একদম উচিত নয়। কারণ এর ফলে হার্ট, কিডনি ও মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়। অন্য অঙ্গও কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। তাই এই বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল করে রাখবেন। আরও পড়ুনউৎসবের মরশুমে মশলাদার খাবার খেয়ে অস্বস্তি? দেখে নিন কী করবেনশরীরের ভেতরের জ্বালা কমায়- কোনও কারণে শরীরের ভেতরে কোনও ক্ষত হলে নানা রকম সমস্যা হয়। জ্বর, ক্লান্তি এসব আসতেই পারে। এর সঙ্গে শরীরের অন্যান্য অঙ্গেরও ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এমনকী খিদে কমে যাওয়া, পেশির ব্যথা এগুলোও থাকে। থানকুনি পাতার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান। যার ফলে খুব তাড়াতাড়ি জ্বালা, যন্ত্রণা কমে যায়। এছাড়াও ক্লান্তি ভাব দূর হয়। সেই সঙ্গে অনেক রকম ইনফেকশন থেকেও দূরে রাখে। অলসারের নিরাময়ে- পেটের যে কোনও রোগে থানকুনি পাতা খুব ভালো। আমাশয় থেকে আলসার সেরে যায় এই পাতার গুণেই। আর নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। ক্রনিক আমাশয়ের ক্ষেত্রে খুবই ভালো থানকুনি পাতা। মানসিক অবসাদ কমায়- যাঁরা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের জন্য খুব ভালো থানকুনি পাতার রস। থানকুনি স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে মানসিক চাপ আর অস্থিরতা দুই কমে। এর ফলে অ্যাংজাইটির আশঙ্কাও কমে যায়। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে- নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পেন্টাসাক্লিক ট্রিটারপেনস নামের একটি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যে কারণে ব্রেনসেল ভালোভাবে কাজ করতে পারে। স্মৃতিশক্তির উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধির ধারও বাড়ে চোখে পড়ার মতো। এই কারণেই তো ছোট বাচ্চাদের থানকুনি পাতার রস (Centella Asiatica) খাওয়ানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকী অ্যালঝাইমার্সের ওষুধও তৈরি হয় এই পাতার রস থেকেই। ঘুমের সমস্যা- ঘুম হয় না? রাতের পর রাত জেগে কাটান? তাহলে প্রতিদিন সকালে উঠে থানকুনি পাতা ভেজানো জল খান। স্নায়ু শিথিল হবে। ঘুম আসবেই। ডিটক্সিফিকেশন- গাজর কিংবা পাতিলেবুর রস শরীরের ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। কিন্তু থানকুনি পাতা যে খুব ভালো ডিটক্সিফিকেশন করে তা কি জানতেন? প্রতিদিন থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে এক চামচ মধু, মিশিয়ে খান। যাবতীয় টক্সিন বেরিয়ে যাবে। শরীর থাকবে ফুরফুরে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

যেভাবে বুঝবেন আপনি টনসিল ইনফেকশনে ভুগছেন

যে কোনও বয়সী মানুষেরই টনসিলে ইনফেকশন হতে পারে। ঘনঘন গলাব্যথা হওয়া, খাবার খেতে অনীহা, জ্বর ইত্যাদি হলো টনসিলে ইনফেকশনের অন্যতম প্রধান লক্ষণ।টনসিল মূলত আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অংশ। মানুষের মুখের ভেতর চারটি গ্রুপে এটি অবস্থান করে। লি’ঙ্গুয়াল, প্যালাটাইন, টিউবাল ও অ্যাডেনয়েড এই টনসিলগুলোর কোনো একটির প্রদাহ হলেই তাকে বলে টনসিলাইটিস।টনসিল ইনফেকশনের উপসর্গ: ১. ঘন ঘন গলাব্যথা ও সঙ্গে জ্বর। সাধারণত গলাব্যথার সঙ্গে জ্বর থাকে, যা অনেক সময় ১০৩ থেকে ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। ২. টনসিলে ইনফেকশন হলে এটি আকারে বড় হয়ে যায় এবং শ্বা’সের রাস্তা ও খাদ্যগ্রহণের পথ বাধাগ্রস্ত হয়।৩. এডেনয়েড গ্রন্থি বড় হলে ঘনঘন সর্দি-কাশি ও ঠাণ্ডায় ভোগে এবং ঠাণ্ডা সহ’জে সারতে চায় না। কোনও কোনও ক্ষেত্রে শ্বা’সক’ষ্ট এবং রাতের বেলায় কাশিতে ভোগে।৪. শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত কমতে থাকে এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই শরীর ঝুঁ’কিপূর্ণ অবস্থানে উপনীত হবে। এ সময়ে শরীরের ভেতরের জীবন বাঁ’চানোর প্রক্রিয়াগুলো (রিরিক্স মেকানিজম) সক্রিয় হয়ে ওঠে।৫. ঘুমানোর সঙ্গে সঙ্গে নাক ডাকতে শুরু করে। নাক ডা’কা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। শ্বা’সের রাস্তা ক্রমাগত ছোট হতে হতে যখন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়; তখন শ্বা’স নেয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাখে। এ পর্যায়ে শরীরের জন্য মা’রাত্মক হু’মকিস্বরূপ। ৬. কানের ভেতর ঘন ঘন ইনফেকশন বা কানের ভেতর লম্বা সময় পুঁজ পানি জমা থাকার ফলে কানের পর্দাগুলো ক্ষতিসাধিত হয় এবং একসময় পর্দা সম্পূর্ণরূপে ছিদ্র হয়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কান পাকা রোগ এবং শ্রবণের সমস্যা এভাবে শুরু হয়ে থাকে।৭. গলা বা নাকের প্রদাহ কানের ভেতর চলে যায়। ফলে কানের মধ্যে ঘন ঘন ব্যথা হয় এবং কানে কম শোনে। অনেক সময় ব্যথা ছাড়াও কানের মধ্যে পুঁজ বা পানি জমতে পারে।৮. টনসিলে ঘনঘন ইনফেকশন থেকে বাতজ্বর (রিউম্যাটিক ফিভা’র) হতে পরে। এ রোগের ফলে হার্টের এবং কিডনির মা’রাত্মক ক্ষতি-সাধিত হতে পারে। অল্প বয়সে হার্টের বাল্ব নষ্ট হয়ে যাওয়া বা কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার (কিডনি ফেইলিওরের) অন্যতম প্রধান কারণ বাতজ্বর, যা টনসিলে ইনফেকশন থেকেই হয়ে থাকে।টনসিলের এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই নিকটস্থ চিকিৎসকের পরাম’র্শ নিতে হবে।

Dark Spots on Legs Remedies: এই চারটি ঘরোয়া পদ্ধতিতেই আপনার পা হয়ে উঠবে সুন্দর ও দাগহীন!


লেবুর রস লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে, যা ত্বকের জন্য উপকারি। লেবু ব্যবহার করে আপনি আপনার পা পরিষ্কার এবং সুন্দর করতে পারেন। একটি বাটিতে লেবুর রস বার করে নিন। এরপর তুলোর সাহায্যে পায়ের দাগগুলিতে লাগান। সপ্তাহে তিন দিন আপনি লেবু ব্যবহার করতে পারেন। শসা ত্বককে হাইড্রেট রাখার জন্য শসা সবচেয়ে দুর্দান্ত উপায় বলে মনে করা হয়। শসা ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ত্বকের দাগ দূর করে। তাই শসা ব্যবহার করতে চাইলে, প্রথমে শসা ছাড়িয়ে তার পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টে গোলাপ জল মেশান। তারপরে এটি আপনার পায়ে লাগান। পেস্টটি শুকোনোর পর জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন স্নানের আগে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারেন। এতে পায়ের সমস্ত দাগ কমবে। আপেল ভিনেগার আপেল ভিনেগার ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। এটি ব্যবহার করলে ত্বকের ট্যান দূর হয়। প্রথমে ছয় চামচ জল নিন। তারপর তাতে দুই চামচ আপেল ভিনেগার মেশান। এরপর এটি প্রয়োগ করুন। প্রতিদিন এটি করলে ত্বকের দাগ কমে যাবে। চিনির স্ক্রাব পায়ের জন্য চিনির স্ক্রাব খুবই উপকারি। এতে ডেড স্কিন এবং দাগ দূর হয়। দুই চামচ চিনি এবং চার চামচ অলিভ অয়েল নিন। এই দুটি উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর পরে পায়ে ভালভাবে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পরে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন চিনি স্ক্রাব করতে পারেন।

Source link

মাস্ক পরার কারণে মেকআপ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? এই টিপসগুলি ফলো করলেই মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী হবে! | How To Prevent Your Makeup From Melting While Wearing A Mask


মেকআপ করার আগে প্রাইমার লাগান মেকআপ প্রয়োগের আগে অবশ্যই প্রাইমার লাগান। অনেকেই মেকআপের আগে প্রাইমার ব্যবহার করেন না। প্রাইমার প্রয়োগ করলে মেকআপ দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থায়ী হয়। তাই, সুন্দর মেকআপের জন্য প্রাইমার প্রয়োগ করুন। ওয়াটারপ্রুফ ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন মাস্ক লাগালে মুখে অতিরিক্ত ঘাম হয়। তাই, এক্ষেত্রে ওয়াটারপ্রুফ ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা উচিত, তাহলে আপনার মুখ থেকে ফাউন্ডেশন উঠে যাবে না। আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী ওয়াটারপ্রুফ ফাউন্ডেশন কিনুন। এটি প্রয়োগের পরে আপনার বারবার টাচআপ করারও প্রয়োজন হবে না। দুর্গাপূজা স্পেশাল : এই পুজোয় নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর করে তুলুন, রইল কিছু মেকআপ টিপস মেকআপ সেট করুন মেকআপ করার পরে মেকআপ সেট করা খুব জরুরি। মেকআপ সেট করতে পাউডার বা স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী হবে। ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন। ম্যাট লিপস্টিক লাগালে লিপস্টিক দ্রুত উঠে বা ঘেঁটে যায় না। তাই, মাস্ক ব্যবহার করলে ম্যাট লিপস্টিক লাগাতে পারেন। যেকোনও ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন।

Source link