Category Archives: Health

weight loss tips in bengali: তেষ্টা মেটাতে নয়, রোগা হতেই এবার দুধ-চা খান! জানুন কীভাবে… – weight loss tips: how you should drink milk tea for weight loss, know the process

যখনই ওজন কমানোর প্রসঙ্গ আসে তখনই চিনি ছাড়া গ্রিন টি এবং লিকার চা খাওয়ার কথা বলা হয়। এছাড়াও নানা হার্বাল টি তো আছেই। তুলসী চা, পুদিনা চা, আদা দেওয়া চা, বেদানার চা…লিখতে বসলে ফুরোবার নয়। কিন্তু সবসময়ই এড়িয়ে চলার কথা বলা হয় দুধ চা। গ্যাস, অম্বল, পেটের সমস্যার উৎস হিসেবে ধরা হয় দুধ চাকে। তবে সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে ঠিক ভাবে দুধ চা খেলেও কিন্তু ওজন কমে। কারণ দুধের মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে কীভাবে বানাবেন এই দুধ চা, যেভাবে বানালে ওজনও কমবে আর গ্যাস অম্বল হবে না। দেখে নিন পদ্ধতি। যেভাবে বানাবেনএক কাপ জল১ টিস্পুন কোকো পাউডার১/২ টিস্পুন চা পাতা১/২ ইঞ্চির আদার টুকরো১/২ ইঞ্চি দারচিনি টুকরো১/২ টিস্পুন গুড়২-৩ চামচ দুধসসপ্যানে জল বসান। এবার ওর মধ্যে থেঁতো করা আদা আর দারচিনি ফেলে দিন। দু মিনিট ফুটিয়ে চা পাতা দুধ দিন। সামান্য ফুটলে গুড় আর কোকো পাউডার দিন। এবার মিনিট তিনেক চাপা রেখে ছেঁকে নিয়ে খেয়ে ফেলুন। কেন অন্য চায়ের তুলনায় এই চা ভালোবাড়ির তৈরি চায়ে জলের পরিবর্তে দুধের পরিমাণ থাকে বেশি। আর তাই যখন ওজন কমানো টার্গেটতখন কিছু নিয়ম মানতেই হবে। আর দুধের পরিমাণ কম দিতে হবে। সেই সঙ্গে চিনিও বাদ দিতে হবে। কারণ চিনিতে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক বেশি। যে কারণে চিনির পরিবর্তে গুড় ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে কোকো পাউডার, গুড়ের অন্যান্য উপকারিতাও রয়েছে। এই চায়ের উপকারিতাদিনের মধ্যে দুবার অন্তত এই চা খেতেই পারেন। তবে খালি পেটে না খাওয়াই ভালো। আর আদা ও দারচিনির প্রচুর রকম স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছে। এছাড়াও কোকো পাউডারে থাকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস। সেই সঙ্গে ফ্যাট নেই। আর মেটাবলিজম বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।কেন দুধ চাদুধের মধ্যে থাকে ভিটামিন, মিনারেলস। যা শরীরের উপকারী। আর চা বানানোর জন্য খাঁটি দুধ নয়, তৈরি করুন পাতলা দুধে। জল বেশি দিন। এতে দুধ যেমন সহজে হজম হবে তেমনই গ্যাস, অম্বল হবে না। সেই সঙ্গে ওজনও কমবে। সেই সঙ্গে খিদে কমাতেও সাহায্য করে এই চা। গুড়ের ব্যবহারওজন কমাতে চাইলে প্রথমেই চিনি একেবারে বাদ দিন। চিনির ওজন বাড়ানো ছাড়া আর কোনও গুণ নেই। সেই তুলনায় গুড় অনেক ভালো। গুড়ে যেমন খনিজ থাকে তেমনই শরীরে শক্তির যোগানও দেয় এই গুড়। আর পেটের মেদ খুব দ্রুত কমাতে সাহায্য করে গুড়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে আর আপনি যদি চা প্রেমী হন তাহলে এই চা দিনে দুবার খান।

Source link

new haircut trends 2021: COVID-পরবর্তী দুনিয়ায় নজর কাড়বে যে যে হেয়ারস্টাইল…আপডেটেড থাকুন! – hottest hair trends to rock in 2021

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ২০২০ -এর শুরু থেকেই করোনা আতঙ্ক গ্রাস করেছিল বিশ্বকে। প্রথম করোনাভাইরাস ধরা পড়ে ২০১৯ এর ৩১ ডিসেম্বর। এরপর চিনে হু হু করে ছড়িয়ে পড়ে করোনার প্রকোপ। মার্চ মাসের শেষ থেকে করোনা থাবা বসায় আমাদের দেশেও। শুরু হয় লকডাউন। স্কুল, কলেজ, ব্যবসা একে একে সবই বন্ধ হয়ে যায়। থমকে যায় জীবনযাত্রা। করোনার সংক্রমণের প্রকোপ আগের থেকে কিছুটা কমলেও এখনও পুরোপুরি কাটেনি। তবে ফের সেই পুরনো ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে বিশ্ব। মানুষ আবার বাইরে বেরোচ্ছেন। সব রকম সতর্কতা নিয়েই। শপিং, সাঁলো, সিনেমা হল সবই খুলেছে আস্তে আস্তে। মন ভালো রাখার ভালো উপায় হল হেয়ার কাট। আর তাই নতুন বছরে নতুন ভাবে ফিরে এসেছে বেশ কিছু হেয়ার কাট। বিচ কার্ল, ক্রিম্পিং, মেসি বব এসবই হল কোভিড পরবর্তী হেয়ার স্টাইলের নয়া ট্রেন্ড। Beach Curlsআবারও হেয়ার স্টাইলে ফিরে আসছে কার্ল। তবে পুরোপুরি কার্ল নয়। বরং বলা ভালো ওয়েভি হেয়ারও আবারও ট্রেন্ডিং-এ। অনেকেই স্মুথনিং কিংবা পুরোপুরি স্ট্রেটনিং পছন্দ করছেন না। প্রাকৃতিক কার্লই বেশি পছন্দ এই জেনরেশনের। খুব কম ক্ষেত্রেই স্ট্রেটনার ব্যবহার হচ্ছে। সমুদ্রের নোনা হাওয়া ঠিক যেমন ভাবে চুল উড়িয়ে দেয়, এই হেয়ার স্টাইলও কিন্তু তেমনই। Crimpingস্ট্রেট চুলে ক্রিম্প করে বিয়েবাড়ি যাওয়া আজকের দিনের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। ১৯৭০ সালে এক পপ গায়িকা প্রথম ক্রিম্পিং করেন। তারপর ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই হেয়ার স্টাইলের চল ছিল। এই বছর আবার ফিরছে ক্রিম্পিং। বিশেষত গ্রীষ্মে এই হেয়ার স্টাইল হতে চলেছে হিট। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। Messy Bobযে কোনও সময় হিট এই হেয়ার স্টাইল। মেসি লুক সকলকেই মানায়। ২০২১-এ এই হেয়ার স্টাইল আবারও ফিরে এসেছে। যে কোনও ফেসের সঙ্গেই বেশ ভালো লাগে এই স্টাইল। Volume Blow-dryলেহঙ্গা কিংবা ওয়েস্টার্নের সঙ্গে বেশ ভালো লাগে এই লুক। মূলত হেয়ার ব্রাশ আর ড্রায়ার দিয়েই এই হেয়ার সেট করা হয়। আশির দশকেও এই হেয়ার স্টাইল বেশ হিট ছিল। ব্লো ড্রায়ার লুক আবারও ফিরে এসেছে। Soft Curlsমূলত ওভাল, রাউন্ড, চৌকো মুখের সঙ্গে খুবভালো মানায় এই কার্ল। কার্ল আয়রন কিংবা ব্রাশ দিয়েই আনা যায় এই কার্ল। তবে স্মুথনিং করা চুলে বেশ ভালো বসে এই স্টাইল। রোম্যান্টিক ডেটের জন্য এক্কেবারে পারফেক্ট। Ponytailআশির দশকে নায়িকাদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় ছিল পনিটেল। আবারও ফিরে এসেছে এই হেয়ার স্টাইল। হলিউডেও বেশ জনপ্রিয় পনিটেল। যদিও খেলোয়াড়দের মধ্যে এই পনিটেলের চাহিদা বেশি। শাড়ির সঙ্গে পনিটেলও ইদানিং জনপ্রিয়।

Source link

রুটিন মেনে ত্বকের যত্ন নিন প্রতিদিন, রইল পুরুষদের জন্য কিছু বিশেষ টিপস | Best Skin Care Tips For Men


টোনার টোনার ত্বকের যত্নের জন্য খুব কার্যকর। টোনার ব্যবহারের ফলে ত্বকের পোর্স টাইট হয়ে যায়, যার ফলে মুখে ব্রণ হয় না। তরুণ ত্বকের জন্য টোনার ব্যবহার করুন। দাড়ি কাটার ক্ষেত্রে আপনার যদি একদিন অন্তর অন্তর দাড়ি কাটার অভ্যাস থাকে তবে অবশ্যই নতুন ব্লেড বা রেজার ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, কারণ পুরোনো ব্লেড ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ময়েশ্চারাইজার ময়শ্চারাইজার ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের ফলে ত্বক খুব ভাল থাকে। কোমল হয়। ৩০ বছর বয়সের পরেও চেহারায় তারূণ্য ধরে রাখতে ছেলেদের জন্য রইল কিছু টিপস্ ক্লিনজার ঘরের বাইরে বেরোলে, দূষণ ও ধুলোবালির কারণে মুখে প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক ছেলের-ই ত্বকের যত্নের জন্য ক্লিনজার ব্যবহার করা উচিত। বাড়িতে আসার পরে, মুখ ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। তাহলে মুখে জমে থাকা ময়লা দূর হবে। দিনে দু’বার ক্লিনজার লাগান। ফেস রোলার উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য মুখে ম্যাসাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরো মুখে ফেস রোলার ব্যবহার করা উচিত। উজ্জ্বল ত্বক পেতে কয়েক মিনিটের জন্য মুখে ম্যাসাজ করা উচিত।

Source link

Tips for Single Parents: সিঙ্গল পেরেন্টস? সন্তানের সঙ্গে কেমন হবে আপনার সম্পর্ক! রইল টিপস – single parenting tips for moms

মাতৃত্ব আপনি স্বেচ্ছায় বেছে নিয়েছেন। আর তাই সবরকম ভাবে যে সমাজের বিপরীত স্রোতে আপনি লড়তে প্রস্তুত তা ধরে নেওয়াই যায়। বিয়ে, সন্তান, সংসার এই ধারণায় এসেছে বদল। বিয়ে মাত্রই যে মা হতেই হবে এই পথে হাঁটছেন না, আজকালকার ছেলেমেয়েরা। বরং অনেক মেয়েই নিজের ইচ্ছায় মাতৃত্ব বেছে নিচ্ছেন। কুমারী মা- দের বরাবরই খুব খারাপ চোখে দেখত সমাজ। সেই ধারণাই কিঞ্চিত বদল এলেও, এখনও অনেকে মেনে নিতে পারেন না সিঙ্গল মাদারদের। বরং তাঁদের লড়াই অনেক বেশি কঠিন। সন্তানকে স্কুলে ভর্তি থেকে রাস্তাঘাটে কটূ মন্তব্য অনেক কিছুই শুনতে হয় তাঁদের। এখনও অনেক স্কুলেই বাবার নাম ছাড়া ভর্তি নেওয়া হয় না। খুব কম স্কুলেই মায়ের পরিচয়ে সন্তানের পরিচয় মানা হয়। এমনকী মায়ের এমন সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। এছাড়াও বাকিরা যে প্রশ্ন করেন না এমন নয়। সন্তান ধারনের প্রথম দিন থেকেই মানসিক ভাবে অনেক যন্ত্রণা সহ্য করতে হয় একজন সিঙ্গল মমকে। যে কারণে অনেক সময়ই তাঁরা ডিপ্রেশনে চলে যান। কিন্তু লড়াই করে নিজেকে আর সন্তানকে নিয়ে তাঁকে এগিয়ে যেতেই হবে। একটা রুটিন তৈরি করে নিনখুব কম পরিবারই আছে, যাঁরা একা মায়ের সিদ্ধান্তকে প্রথম দিন থেকেই সমর্থন করেন। আর তাই সন্তানের জন্মের পর পরিবারকে পাশে পাবেন না, এরকম ধরে নিয়েই রুটিন তৈরি করুন। সেখানে নিজের কাজের সময় যেমন আলাদা করবেন তেমনই সন্তানের সঙ্গে যাতে অন্তত ডিনারটা সারতে পারেন, একসঙ্গে ঘুমোতে যেতে পারেন সেই বিষয়গুলি খেয়াল রাখুন। কাজের থেকে সময় বের করে একসঙ্গে সময় কাটান। আপনার সন্তানের আপনিই বাবা আপনিই মা এটা বুঝিয়ে দিতেই হবে। একসঙ্গে খেলুনছুটির দিনে একসঙ্গে সময় কাটান। সকালে অফিস যাওয়ার আগে সময় পেলে কিছুটা সময় সন্তানকে দিন। কোনও কোনও দিন বিকেলবেলা বল নিয়ে মাঠে চলে যেতে পারেন। কিংবা কোনও ছুটির দিনে যেতে পারেন কোনও গেমিং স্টেশনে। ফোন, টেলিভিশনের বাইরে দুজনে একসঙ্গে সময় কাটানোয় নজর দিন। এতেই বন্ধন ভালো হবে। সন্তানও আপনাকে বুঝতে শিখবে। বন্ধু আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখুনপড়শি এবং বন্ধু আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখুন। সেখানে সন্তানকেও নিয়ে যান। অন্য বাবা-মায়েদের তুলনায় সিঙ্গল পেরেন্টসদের জার্নি একটু আলাদা, কিন্তু সন্তানের মধ্যে সেই পার্থক্য না আনাই ভালো। বরং কীভাবে সন্তানের মধ্যে ভালো অভ্যেস গড়ে তুলবেন সেদিকেই নজর দিন। রাতে সমস্যায় পড়লে আপনার বন্ধুদেরই সাহায্য প্রয়োজন। আর তাই এমন কোনও আচরণ করবেন না যাতে আপনার সন্তানের কোনও ক্ষতি হয়।চাইল্ড কেয়ার ফোরামে নাম লেখানবিভিন্ন জায়গায় এরকম অনেক চাইল্ড কেয়ার ফোরাম রয়েছে। যেখানে সপ্তাহে মা-বাবারা বাচ্চাদের নিয়ে আসেন, বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটান, নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন, একে অপরের পাশে দাঁড়ান। শুধু তাই নয়, সমস্যায় পড়লে অন্য অভিভাবকেরা আপনার সন্তানকে তাঁদের নিজের কাছে যত্নে রাখেন। একই কাজ করতে পারেন আপনিও। এই ভাবে যেমন আপনার সন্তানও বন্ধু পাবে মানুষের সঙ্গে মিশতে শিখবে তেমনই আপনিও নিজের কিছু বন্ধু পাবেন। বাচ্চাকেও কাজ দিনবাচ্চার বয়স ৩ পেরোলেই তাকে নানারকম কাজ দিন। হয়তো কখনও মটরশুঁটি দিয়ে বসিয়ে দিলেন। নিজের জিনিস কীভাবে নিজে গুছিয়ে রাখবে তা শেখান। কোথায়, কোনটা রাখতে হয় তা শিখিয়ে দিন। সেই সঙ্গে নিজের হাতে খেতে শেখান। বাচ্চার বয়স ৫ হলে তাকে ডিনারের টুকিটাকিতেও সাহায্য করতে বলুন। এতে বাস্তবকে চিনতে শিখবে সন্তান। নিজেকে সময় দিনসপ্তাহে অন্তত দুদিন সন্তানকে তার দাদু-ঠাকুমার কাছে রেখে আসুন। আর সেই সময়টা নিজেকে দিন। ঘরের কাজ, প্রয়োজনীয় অফিসের কাজপত্র সারুন। পছন্দের সিনেমা দেখুন। কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে পার্টিও করতে পারেন। কিংবা দুদিনের জন্য কোথাও ঘুরে আসুন। সব মিলিয়ে নিজের জীবনকে উপভোগ করতে শিখুন। নিজের যা ইচ্ছে সেরকম করেই দিন কাটান। এতে মনও ভালো থাকবে। আর শরীর থাকবে সুস্থ।

Source link

Bird flu: বার্ড ফ্লুর ভয়ে ডিম বা চিকেন খাওয়া বন্ধ করছেন? FSSAI-র গাইডলাইন কী বলছে? দেখে নিন… – bird flu: fssai issues guidelines for safe consumption of meat and eggs

হাইলাইটসনভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমতে না কমতেই দেশ জুড়ে পাখির মড়ক নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি মারা পড়ার কারণ এইচ-৫ এন-১ ভাইরাসের সংক্রমণ, যার প্রচলিত নাম ‘বার্ড ফ্লু’। এই ফ্লু ভাইরাসের নানান স্ট্রেনের মধ্যে এ বছর আমাদের দেশে এইচ-৫ এন-১ ভাইরাসের অস্তিত্বের কথা জানা গেছে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমতে না কমতেই দেশ জুড়ে পাখির মড়ক নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি মারা পড়ার কারণ এইচ-৫ এন-১ ভাইরাসের সংক্রমণ, যার প্রচলিত নাম ‘বার্ড ফ্লু’। এই ফ্লু ভাইরাসের নানান স্ট্রেনের মধ্যে এ বছর আমাদের দেশে এইচ-৫ এন-১ ভাইরাসের অস্তিত্বের কথা জানা গেছে। অনেকেই ভয় পেয়ে ডিম, চিকেন খাওয়া ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন, অনেকে আবার পোষা বিদেশি পাখিদের খাঁচা খুলে উড়িয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে বার্ড ফ্লুর আতঙ্ক ৷ তাই এই বার্ড ফ্লু যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করল ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও মানদণ্ড কর্তৃপক্ষ (FSSAI) । বিশেষজ্ঞদের মতে, কাক, শালিখ, চড়াই বা ঘুঘুর মতো পড়শি পাখিদের থেকে বার্ড ফ্লু ছড়ানোর কোনও আশঙ্কাই নেই। বরং যাঁরা মুরগির খামারে কাজ করেন ও মাংস কাটেন তাঁদের ক্ষেত্রে একটা ভয় থেকেই যায়, যদি মুরগির অসুখ থাকে তবেই। তবে, নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে হাঁস-মুরগির ডিম এবং মাংস খেলে কোনও সমস্যার কারণ নেই বলে আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র। সেই কথাতেই আবারও জোড় দিল এফএসএসএআই। বেশ কিছু নির্দেশিকা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে FSSAI । বলা হয়েছে, এই নির্দেশিকাগুলি অনুসরণ করলেই বার্ড ফ্লু থেকে যে কোনও রকমের বিপদ এড়ানো সম্ভব হবে ৷ইউরিক অ্যাসিড নিয়ে দুশ্চিন্তা? নিয়ম মেনে ডায়েট রাখুন এই খাবার…যেখানে বলা হয়েছে, বার্ড ফ্লু চলাকালীন এই সময়ে অর্ধ সেদ্ধ ডিম এবং সঠিক ভাবে রান্না না করা মুরগির মাংস এড়িয়ে চলতে হবে। এ ছাড়া মুরগির মাংস খোলা জায়গায় না রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভারতের খাদ্য সুরক্ষা গুণমান নির্ধারণের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের তরফে একই সঙ্গে বলা হয়েছে, বার্ড ফ্লু নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।FSSAI- এর গাইডলাইন অনুযায়ী কী কী করবেন বা করবেন না১. অর্ধ-সিদ্ধ ডিম এবং স্বল্প রান্না করা মুরগি খাওয়া যাবে না৷ কাঁচা মাংস খোলা রাখার পাশাপাশি কাঁচা মাংসের সাথে সরাসরি স্পর্শ করা উচিৎ নয়।২. সংক্রামিত অঞ্চলে পাখি সরাসরি ছোঁয়া উচিত নয়৷ খালি হাতে মরা পাখিদের স্পর্শ করা এড়াতে হবে এবং কাঁচা মুরগি ধোয়ার সময় গ্লাভস্ পড়তে হবে।৩. বার্ড ফ্লু সংক্রামিত অঞ্চলগুলি থেকে ডিম / হাঁস-মুরগির মাংস ক্রয় করা যাবে না এবং সংক্রমিত অঞ্চলে পোলট্রি বিক্রি এড়াতে হবে।৪. কাঁচা মাংস নিয়ে কাজ করবেন এমন লোকেদের গ্লাভস, মাস্ক পরতে হবে এবং বিশেষত কাঁচা হাঁস-মুরগি এবং ডিমগুলি ধরার আগে এবং পরে জল এবং সাবান দিয়ে তাদের হাত সঠিকভাবে ধুতে হবে।শুধু উপকারিতা নয়, রসুনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও আপনার অবশ্যই জানা উচিত!৫. গাইডলাইন অনুসারে, কাঁচা মাংসের সংস্পর্শে থাকা সমস্ত বাসনগুলি ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।৬. দু’টি পাখি কাটার মধ্যে ছুরিগুলি এবং বোর্ডগুলি পরিষ্কার ও স্যানিটাইজ করতে হবে৷ এবং পাখিদের সমস্ত বর্জ্যপদার্থ সঠিকভাবে পরিষ্কার করতে হবে।৭. ভালো করে হাত ধুয়ে পরিস্কার রাখতে হবে।৮. রান্না করার পরেই চিকেন, ডিম খান।৯. খোলা জায়গায় কাঁচা মাংস রাখবেন না।১০. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লুএইচও) বলে দিয়েছে যে হাঁস-মুরগির মাংস এবং ডিম খাওয়া নিরাপদ এবং রান্না করা খাবারের মাধ্যমে এই রোগটি মানুষের মধ্যে সংক্রমণ হতে পারে এমন কোনও তথ্য প্রমাণিত হয়নি।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Himachal Pradesh tourism: হিমাচলের অজানা গ্রাম চাম্বা – chamba, the unexplored village in himachal pradesh

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: হিমাচলে গিয়ে সিমলা, ডালহৌসি, কসৌনি তো সবাই যায়. এবার এই চম্বা গ্রামটি থেকে ঘুরে এলে কিন্তু বেশ হয়. জুলাই থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে ঘোরার প্ল্যান থাকলে চাম্বাকে লিস্টে রাখতে পারেন. কারণ এই সময়টাতে এখানেকার আবহাওয়া থাকে অন্তন্ত মনোরম. ইতিহাস, শিল্প-সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির পারফেক্ট কম্বিনেশন এই জায়গাটি। এছাড়াও সংস্কৃতির দিক দিয়েও ভরপুর চাম্বা। এখন সেখানকার জনসংখ্যা ২২ হাজারের কাছাকাছি। …চাম্বা জানা জরুরনামটি বড় মিষ্টি. চাম্বা. না না, নিউমার্কেটের কোনও দোকানের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই. এটি হিমাচল প্রদেশের একটি ছোট্ট পর্যটনক্ষেত্রে। পর্বতের পিছনে চাম্বা গ্রাম, গ্রামে থাকেন খাসাস আর আদুমবারাস আদিবাসী। আদিই বটে। সেই দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে নাকি এই আদিবাসীরা এই গাঁয়ে বাস করে। সাধারণ লোকে ওদিকটা বিশেষ যাতায়াত করতেন না। কিন্তু আদিবাসীদের লোকগীতি এই ছোট্টো গ্রামটির সঙ্গে পর্যটকদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে. সিমলা নেহি বসনা, কসৌনি নেহি বসনা, চাম্বা যানা জরুর. আর সেখানে একবার গেলে গানের প্রতিটি পংক্তির সত্যতা উবলব্ধি করবেন। প্রকৃতির সমস্ত সৌন্দর্য ঢেলে দিয়ে বড় আদরে তৈরি করেছে এই চাম্বাকে। জলের পর জঙ্গলব্রিটিশ আমলে চাম্বার কালাতোপ জঙ্গল শিকারীদের প্রিয় জায়গা ছিল। এখন অবশ্য এটি অভয়ারণ্য. শিকারী বন্ধ হলেও জঙ্গলের সৌন্দর্য আর অ্যাডভেঞ্চারের হাতছানি একই রকম রয়ে গেছে. গাইডের সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জঙ্গলে হেঁটে বেড়ান, গল্প করুন, গল্প শুনুন কেউ কিচ্ছুটি বলবে না. ভাগ্যে থাকলে শেয়াল, লেপার্ড, লেঙ্গুর, হিমালয়ের বিখ্যাত ব্লাক মার্টেন দেখতে পাবেন. দেখতে পাবেন হাজার প্রকৃতির পাখি। ছবি- উইকিপিডিয়ানদীর ধারের গ্রামটিচাম্বার উত্তরে আছে চন্দ্রভাগা আর দক্ষিণে ইরাবতী নদী. তাই নদীর পাড়ে সময় কাটানো চাম্বার একটি ঐতিহ্য। নদীর স্রোতের ঝিরিঝিরি শব্দে মন আকুল হতে না হতেই এখানকার মণিমহেশ হ্রদ আপনাকে যেন নাম ধরে ডাকবে। বলবে আয়, একবার আমার রূপের ছটাটাও দেখে যায় এই হ্রদের উৎস পীর পিঞ্জলের মণিমহেশ কৈলাশ শৃঙ্গ. আর হিন্দুদের পবিত্র মণিমহেশ যাত্রা এই হ্রদকে ঘিরেই হয়. 4 হাজার 80 মিটার উঁচুতে অবস্থিত এই হ্রদ এবং তীর্থযাত্রার সঠিক সময় অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাস। বাঁধের বাধাচাম্বায় গেলে সেখানকার চামেরা বাঁধের আকর্ষণ কিছুক্ষণের জন্য তার রূপের আকর্ষণে আপনাকে বেধে ফেলবে. ইরাবতী নদীর এই চামেরা বাঁধ চত্বরে গিয়ে ঘণ্টা খানেক কাটাতে পারেন. ভালো লাগবে. শুধু সৌন্দর্যই নয়, এই বাঁধের গুরুত্বও এলাকায় যথেষ্ট রয়েছে. 540 মেগাওয়াটের থেকেও বেশি বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় এই বাঁধ থেকে। ছবি- উইকিপিডিয়া ভক্তিতেই শক্তিকোনও জায়গায় ঘুরতে গেলে সেখানকার মন্দিরগুলো একেবারেই মিস করবেন না. প্রতিটি মন্দিরের পিছনে লুকিয়ে আছে একটি করে ইতিহাস. এই যেমন চাম্বার বিখ্যাত চামুণ্ডা দেবী মন্দিরের কথাই ধরা যাক. 1762 সালে মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন রাজা উমেদ সিং. মন্দিরটি কাঠের তৈরি. মন্দিরের ভিতর পাশাপাশি অবস্থান করেন শিব এবং শক্তি. চামুণ্ডা মন্দির থেকে ধরমশালার দূরত্ব মাত্র 15 কিলোমিটার. তাই মন্দির দর্শনের পর ধরমশালা থেকে অনায়াসেই ঘুরে আশা যায়ভুরি সিং মিউজিয়ামচাম্বার রাজাররাজার রুমাল, অস্ত্র আর অ্যান্টিক কালেকশন দেখতে ভুরি সিং মিউজিয়াম যাওয়া দরকার. সেখানকার জাদু মিউজিয়ামেই মিলবে। ১৯০৮ সালে তৈরি হয় এই মিউজিয়াম। হিমাচল প্রদেশের অনেক খুঁটিনাটি ইতিহাস ধরা আছে এই মিউজিয়ামে।

Source link

honeymoon phase of relationship: হানিমুনের পরও কীভাবে বজায় রাখবেন সম্পর্কের স্পার্ক? রইল টিপস – ways to revive the spark in a relationship after the honeymoon

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: বিয়ে করব, বিয়ে হবে আর বিয়ের আয়োজন এই নিয়েই কেটে যায় এক বছরেরও বেশি সময়। এরপর দেখতে দেখতে বিয়ে আসে, নিয়ম-আচার, লোকজন, আইবুড়োভাত, ফটোগ্রাফি, মেহেন্দি সব মিলিয়ে একেবারে হইহই কান্ড। বিয়ে মিটতেই কপত-কপতী উড়ে যান স্বপ্নের হানিমুন। পাহাড় কিংবা সমুদ্রে বেশ কয়েকদিন নিরিবিলিতে কাটিয়ে আসার পর তার প্রভাব থাকে মাত্র কয়েকদিন। তারপর আবার সেই অফিস, পুরনো ছন্দ। বিয়ে নিয়ে সবার মনেই একটা স্বপ্ন থাকে। কাজেই বিয়ের পর আবার কাজের মধ্যে ফিরতে একটু সময়ই লাগে। তখন দুজনেরই নানা রকম দোষ চোখে পড়ে। ঘর নোংরা, জামাকাপড় অগছালো, সংসারের যাবতীয় কাজ সামলাচ্ছেন স্ত্রী, স্বামী ইলেকট্রিক বিল দেওয়া থেকে শুরু করে বাজার কিছুই করতে পারে না… এই নিয়ে ঝামেলা লেগেই থাকে। আর তাই রোম্যান্স তখন একেবারেই চলে যায়। কিন্তু কীভাবে হানিমুনের পরও বজায় রাখবেন রোম্যান্স? জানুন ঝামেলা করে কথা বন্ধ নয়বেশ অনেকদিন পর অফিসে ফেরা, কাজের চাপ, নতুন পরিবেশ আর নতুন রুটিনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সকলেরই সমস্যা হয়। আর এক্ষেত্রে ছেলে মেয়ে উভয়ের উপরই চাপ পড়ে। এছাড়াও নিজের সংরার, নিজের হাতে সব কিছু করার সেই শুরু। আর তাই সমস্যা আসবেই। সেক্ষেত্রে ঝগড়া করে কথা বন্ধ না করে একে অপরের পাশে থাকুন। মন খুলে কথা বলুন। রাগ চেপে রাখবেন না। কিংবা বাড়ির লোকের কাছে অভিযোগও জানাবেন না। দুজনেই দুজনের কথা শুনুনবিয়ের পর যে কোনও সিদ্ধান্তই নিতে হবে দুজনকে মিলে। আর তাই রাগারাগি কিংবা মাথাগরম করে নয়। যা করবেন দুজনে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিন। দুজন দুজনের কথা শুনুন, সাহায্য করুন, কীভাবে হয়ে উঠবেন একে অপরের পরিপূরক, সেই চেষ্টাই জারি থাকুক। সময় সুযোগ হলেই বন্ধু আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করুনসময় পেলেই আত্মীয়, বন্ধুদের বাড়িতে ঘুরতে যান। একসঙ্গে পার্টি করুন। বা কোনও একটা উইকেন্ডে গেটটুগেদার চলতে পারে। তবে তা কখনই মাত্রাতিরিক্ত করবেন না। যাতে একে অপরের উপর বিরক্তি আসে। এবং সেই সঙ্গে উভয়পক্ষের কোনও আত্মীয় বন্ধু যেন সঙ্গীকে অপমান না করে সেদিকেও নজর রাখুন। প্রয়োজনে কড়া ভাষায় কথা বলতে হবে। দুজনকেই দুজনকে আগলে চলতে হবে। নিজের আনন্দ নিজেরাই খুঁজে নিনহানিমুন হয়ে যাওয়া মানেই রোম্যান্সে খামতি নয়। বরং নতুন সংসার শুরু করলেন আর তাই সব কিছুই নতুন। জীবন শুরু করুন নতুন ভাবে। বাড়ি সাজান, ঘরের কাজ একসঙ্গে সাকুন। পছন্দের রান্না, বেকিং এসবে মন দিতে পারেন। আত্মীয় বন্ধুদের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতে পারেন, কিংবা নিজেরাই নিজের মতো করে বাড়িতে ডিনারের প্ল্যান করতেই পারেন। বাড়ির কাজ ভাগ করুনস্বামী-স্ত্রী উভয়কেই অফিসে যেতে হয়। দুজনের কাজের সমান গুরুত্ব। আর তাই কেউ একা সকাল থেকে নিজের কাজ, বাড়ি সামলে অফিসে যাবেন এবং অন্যজন শুধুই অর্ডার করবেন এমনটা যেন না হয়। বাড়ির সব কাজ, কাজের দায়িত্ব দুজনকেই ভাগ করে নিতে হবে। এভাবেই যেমন বাড়বে আত্মবিশ্বাস তেমনই দুজনের মধ্যেকার বন্ডিংও শক্তিশালী হবে। সেই সঙ্গে আপনারা আরও অনেক কাছাকাছি আসারও সুযোগ পাবেন। কোনও কিছুকেই অতিরঞ্জিত করবেন নারং চড়িয়ে নয়, ভালো মনেই স্বামী বা স্ত্রীয়ের প্রশংসা করুন আত্মীয়দের কাছে। কোনও কাজ পারে না এমন অভিযোগ আনবেন না, বরং যাতে আরও ভালো কাজ করতে পারেন সেই বিষয়ে উৎসাহ দিন। দুজন দুজনকেই উৎসাহ দিন। দুজনের যাতে ভালো হয় সেদিকেই খেয়াল রাখুন। আত্মীয় বন্ধুদের থেকে স্বামী বা স্ত্রী অনেক কাছের কাজেই সেই সম্পর্কের কথা মাথায় রাখুন।

Source link

health benefits of pomegranate tea: রোগ সারাতে ম্যাজিকের মত কাজ করে বেদানা চা, গুনাগুণ জানলে চমকে যাবেন আপনিও… – pomegranate tea health benefits and how to make it

হাইলাইটসএই ফলের দানায় দানায় রয়েছে ম্যাজিক। খাদ্যগুণে ভরপুর বেদানার প্রতিটা দানা। এর গুণাবলীর কারণে সুপারফুডে গণনা করা হয়। রক্তাল্পতা থেকে শুরু করে ত্বক সমস্যা পর্যন্ত সবেতেই কার্যকর এই ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, জিঙ্ক, পটাসিয়াম, আয়রন এবং ওমেগা-৬ রয়েছে। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাতের ব্যথা কাবু করে ফেলেছে আপনাকে? বাড়ছে ব্লাড প্রেসার? আটকাতে চান ক্যানসার, বা হার্টের মারত্মক অসুখ? জানেন কি বেদানাই করতে পারে মুসকিল আসান। এই ফলের দানায় দানায় রয়েছে ম্যাজিক। খাদ্যগুণে ভরপুর বেদানার প্রতিটা দানা। এর গুণাবলীর কারণে সুপারফুডে গণনা করা হয়। রক্তাল্পতা থেকে শুরু করে ত্বক সমস্যা পর্যন্ত সবেতেই কার্যকর এই ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, জিঙ্ক, পটাসিয়াম, আয়রন এবং ওমেগা-৬ রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ডালিমের রস খেয়েছেন, তবে কি কখনও এর খোসার চা শুনেছেন? ডালিমের বীজের মতো এর খোসাও বেশ উপকারী।ডালিমের খোসা দিয়ে তৈরি চা কেবল ত্বকের অনেক সমস্যাই সরিয়ে দেয় না, এটি আপনার হৃদয়ের পুরো যত্নও রাখে। ডালিমের খোসা দিয়ে তৈরি চা ক্যানসারের মতো সমস্যা থেকে রক্ষা করতেও বেশ কার্যকর। ডালিমের খোসাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং খনিজ থাকে যা আপনাকে রোগ থেকে দূরে রাখে। ডালিমের খোসা দিয়ে তৈরি চা বানানোর পদ্ধতি শিখে নিন-কেমন করে তৈরি করবেন এই চা? দেখে নিন…ডালিমের খোসা চা বানানো একটি সহজ রেসিপি। এর জন্য প্রথমে ডালিমের খোসাগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। এর পরে সেগুলি শুকিয়ে নিন। শুকানোর পরে মিশ্রণ তৈরি করুন। এর পর গুঁড়ো করে নিন। একটি এয়ার টাইট কন্টেনারের মধ্যে রেখে দিন। এর পর, যখনই আপনি ডালিমের খোসার চা তৈরি করতে চান, একটি পাত্রে জল গরম করুন এবং ওই গুঁড়ো মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। আপনি এতে লেবুর রস এবং মধু ব্যবহার করতে পারেন। বেদনা বা ডালিমের উপকারিতা সম্পর্কে সকলেই জানেন কিন্তু এর খোসার উপকারিতা সম্পর্কে খুব কম লোকই জানেন। ডালিমের খোসা দিয়ে তৈরি চাও প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে যা বিভিন্ন কারণে হ্রাস পেয়েছে। এছাড়াও ডালিমে অনেকগুলি পলিফেনল থাকে যা শরীরকে অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে।এবার দেখে নিন বেদানা চা-এর উপকারিতা-হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতেআমাদের জীবনযাত্রায় অন্যতম আতঙ্ক রোগ হল হৃদরোগ। আর শরীর সুস্থ রাখতে হলে নিজেকে সচল রাখতে হবে। খাওয়া-দাওয়ায় সচেতন থাকতে হবে। আমাদের প্রতিনিয়ত ব্যস্ততার জন্য আমরা খুব বেশি জাঙ্ক ফুড কে খাবার হিসাবে বেছে নিয়েছি এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের হৃদয়।তাই হৃদরোগ আমাদের জীবনযাত্রার সঙ্গে যেন জড়িয়ে গিয়েছে। আর প্রতিদিন এই সকল তেল চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ করে থাকার ফলে আমাদের ধমনীর আবরণে চর্বি জাতীয় পদার্থ জমে যাচ্ছে। যার ফলে ধমনী আস্তে আস্তে শক্ত হয়ে সংকুচিত হতে থাকে। হাতের কাছেই আছে হৃদরোগ ভালো রাখার উপায়। মাংস পেশিতে দ্রুত অক্সিজেন পৌঁছে দেয় বেদানা চা।ম্যাজিকের মত কাজ করেত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতেত্বক সুস্থ রাখতে অনেক উপকার করে। বেদানা বা ডালিম পোমেগ্র্যানেট অয়েল ময়শ্চারাইজার হিসেবে ভালো কাজ করে ও ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণকে প্রতিরোধ তৈরি করে থাকে। ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, সাইট্রিক আসিড, ট্যানিন সমৃদ্ধ বেদানা ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে বিশেষ উপকারী।রক্তস্বল্পতা দূর করতেরক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য বেদানাতে রয়েছে প্রচুর আয়রন। রুচি বৃদ্ধি করে, কোষ্ট কাঠিন্য রোধ করে। জন্ডিস, বুক ধড়ফড়ানি, বুকের ব্যথা, কাশি, কণ্ঠস্বর পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। পুরনো পেটের অসুখ ও জ্বর সারাতে সাহায্য করে।ফুচকা খেয়েও কমানো যেতে পারে ওজন, কীভাবে? জেনে নিন…হাড় ভালো রাখতেহাড়ের সংযোগস্থলে কার্টিলেজ নামে অস্থি রস থাকে যা হাড়ের ক্ষতি করে। বেদানার রসে আছে পটাশিয়াম ও পলিফেনল যা কিনা কার্টিলেজ নামক রোগ রোধ করার জন্য খুবই উপকারী। আর হাড়ের নানাবিধ রোগ যেমন হাড়ের রোগ অস্টিওপোরেসিস থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এই ফলটি থেকে।রক্তচাপ কমাতেপ্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার কারণে বেদানা সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে স্ট্রেস, টেনশন কমে। হার্টের সমস্যা থাকলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে।ক্যানসার প্রতিরোধেশরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধিতে বেদানা সাহায্য করে। ফলে ক্যান্সার নিজে থেকেই মরে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলে অ্যাপপটোসিস। এর সাহায্যে ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বেদানা। প্রস্টেট ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসারে ভাল কাজ করে বেদানার অ্যান্টিক্যানসার এজেন্ট।ওমলেট, সিদ্ধ না পোচ? ডিমের পদই বলবে ব্যক্তি হিসেবে আপনি কেমনত্বক উজ্জ্বলবেদেনার খোসা শুকিয়ে তার পাউডার বানিয়ে চা বা জলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বক উজ্জ্বল হয়৷কাশি বা গলাব্যাথাকাশি বা গলাব্যাথা হলে বেদানার খোসা থেকে তৈরি পাউডার গরমজলে ফুটিয়ে গারগেল করলে আরাম পাওয়া যায়৷দাঁতের সমস্যা এবং মুখের দুর্গন্ধের সমস্যাবেদানার খোসা থেকে তৈরি পাউডার চায়ে মিশিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের সমস্যা এবং মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা দূর হয়৷এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Care Tips in Bengali: 6 Serious Side Effects Of Tomato – টমেটো খাওয়া ভালো, তবে বেশি খেলে বিপদও ডাকে! জানেন? | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মজাদার কোনো ফ্রাই খাচ্ছেন? সঙ্গে এক চামচ টমেটো সস বা টাটকা টমেটোর খানিকটা সালাদ? তোফা! স্বাদটা তখন বেড়ে যায় বহুগুণ। একই সঙ্গে শরীরে কিছু ভিটামিন আর পুষ্টিও যোগ হয়। সবজি বা ঝালঝোলেও মুখরোচক সবজি টমেটোর কদর কম নয়। টমেটো একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সবজি। টমেটো শীতকালীন সবজি হলেও এখন সারা বছর পাওয়া যায়। কাঁচা কিংবা পাকা দুভাবে টমেটো খাওয়া যায়। খাবারের স্বাদ বাড়াতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। অনেকে আবার সালাদে টমেটো খেয়ে থাকেন। শুধু খাবারে স্বাদই বাড়ায় না, টমেটো থেকে তৈরি হয় নানা রকমের কেচাপ, সস। কিন্তু টমেটো খেতে হবে পরিমাণমতো। এর অন্যথা হলেই শরীর-স্বাস্থ্য একটু গড়বড় হয়ে যাবে। বিশেষজ্ঞরা তা-ই বলছেন।অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর টমেটোর আছে নানা গুণ। টমেটো হচ্ছে একমাত্র সবজি, যাতে চার রকমের ক্যারোটিনয়েড বা ভিটামিন ‘এ’ আছে বিপুল পরিমাণে। এই ক্যারোটিনয়েড বা ভিটামিন ‘এ’ ত্বক ও চোখের সুস্থতা এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটিকে ফল হিসেবেও বিবেচনা করা যায়। বিশ্বজুড়ে টমেটোর নানা রকম ব্যবহার রয়েছে। এটি ত্বকের যত্নেও ব্যবহার হতে দেখা যায়। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে এটি মানুষকে রক্ষা করে বলে ধারণা করা হয়। খাবারে স্বাদ আনতেও অনেকে টমেটো ব্যবহার করেন। কিন্তু জানেন কি, টমেটোর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, যা এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।অতিরিক্ত টমেটো খেলে হজমে গন্ডগোল থেকে শুরু করে কিডনির সমস্যা, চুলকানির মতো শরীরে নানা সমস্যা হতে পারে। বেশি টমেটো খাওয়ার কয়েকটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিন-অম্লের প্রবাহটমেটোতে ম্যালিক অ্যাসিড ও সাইট্রিক অ্যাসিড আছে, যা পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড বা অম্লের প্রবাহ তৈরি করতে পারে। তাই বেশি টমেটো খেলে বুক জ্বালা করতে পারে। এমনকি পেটে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড বেশি হয়ে হজমে গন্ডগোল হয়। যাঁরা প্রায়ই পেটের সমস্যায় ভোগেন বা যাঁদের গ্যাস্ট্রোওফাজাল রিপ্লেক্স রোগ (জিইআরডি) আছে, তাঁদের অতিরিক্ত টমেটো খাওয়া থেকে দূরে থাকা উচিত। টমেটোতে ম্যালিক অ্যাসিড এবং সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা পাকস্থলীর উচ্চ অ্যাসিডিক করে তোলে। বেশি পরিমাণে টমেটো খেলে পেটে অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড তৈরি হয়, যা অম্বল বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণ হতে পারে। হজমের সমস্যা এড়াতে সীমিত পরিমাণে টমেটো খাওয়া উচিত।অ্যালার্জিটমেটোতে হিস্টামিন নামের একধরনের যৌগ আছে, যা থেকে ত্বকে ছোপ ছোপ দাগ বা র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া নানা রকম অ্যালার্জি হতে পারে। যাঁদের টমেটো খেলে অ্যালার্জি হয়, তাঁরা টমেটোর ধারেকাছেও যাবেন না। কারণ, টমেটো মুখে দিলেই মুখের ভেতর চুলকানি, জিব ও গাল ফুলে যাওয়া, সর্দি ও গলা চুলকানোর মতো মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। ত্বকে ফুসকুড়ি বা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। টমেটো অতিরিক্ত খেলে মুখ, জিহ্বা ও মুখের ফোলাভাব, হাঁচি, গলার জ্বালা ইত্যাদি মারাত্মক লক্ষণ দেখা দিতে পারে।কিডনিতে পাথরশুনতে আশ্চর্য লাগলেও অতিরিক্ত টমেটো খেলে কিডনিতে পাথর দেখা দিতে পারে। কারণ, টমেটোতে আছে ক্যালসিয়াম ও অক্সালেট। শরীরে এর মাত্রা বেড়ে গেলে তা শরীর থেকে সহজে দূর হয় না। এ উপাদান শরীরে জমে কিডনির পাথর তৈরি করতে শুরু করে। বেশি টমেটো খাওয়ার ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। এটি কারণ টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং অক্সালেট থাকে যা দেহে প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত থাকে। এগুলি সহজেই শরীর থেকে বিপাকযুক্ত বা নিষ্কাশিত হয় না। এই উপাদানগুলি শরীরে জমা হতে শুরু করে, যার কারণে কিডনিতে একটি পাথর তৈরি হয়। বেশি টমেটো খাওয়ার ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। এটি কারণ টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং অক্সালেট থাকে যা দেহে প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত থাকে। এগুলি সহজেই শরীর থেকে বিপাকযুক্ত বা নিষ্কাশিত হয় না। এই উপাদানগুলি শরীরে জমা হতে শুরু করে, যার কারণে কিডনিতে একটি পাথর তৈরি হয়।গিঁটে বাতঅতিরিক্ত টমেটো খেলে গিঁটে বাত দেখা দিতে পারে। এমনকি অস্থিসন্ধিগুলো ফুলে উঠতে পারে। কারণ, এতে সোলানিন নামে বিশেষ অ্যালকালয়েড থাকে। এ যৌগ বিভিন্ন কোষে ক্যালসিয়াম তৈরির জন্য দায়ী। এ যৌগের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা প্রদাহ তৈরি শুরু করে।লাইকোপিনোডার্মিয়াটমেটোতে লাইকোপেন আছে, এটা সবার জানা। টমেটোর লাইকোপেন প্রোস্টেট ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার রোধে সাহায্য করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৩১ শতাংশ কমাতে পারে। তবে অতিরিক্ত লাইকোপেন থেকে লাইকোপিনোডার্মিয়া নামের একধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রক্তে লাইকোপেন বেড়ে গেলে ত্বকের রং বদলাতে শুরু করে। চিকিৎসকেরা বলেন, শরীরের জন্য লাইকোপেন ভালো হলেও দৈনিক ৭৫ মিলিগ্রামের বেশি গ্রহণ করা হলে তা লাইকোপিনোডার্মিয়ার দিকে চলে যেতে পারে। এটি এমন একটি সমস্যা যার মধ্যে ব্যক্তির রক্তে লাইকোপিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যা ত্বকে বর্ণহীন করতে পারে। লাইকোপেন সাধারণত শরীরের জন্য ভাল তবে যখন প্রতিদিন ৭৫ মিলিগ্রামের বেশি পরিমাণে খাওয়া হয় তখন এটি লাইকোপেনোডার্মিয়া হতে পারে।ডায়রিয়াটমেটোতে সালমোনেলা নামের একধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। এটি ডায়রিয়ার জন্য দায়ী। তবে যাঁরা টমেটো সহ্য করতে পারেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে ছাড়া টমেটো খেলে ডায়রিয়া কম দেখা যায়। টমেটো শরীরে অতিমাত্রায় প্রবেশ করলে এটি ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে, সীমিত পরিমাণে টমেটো খাওয়া উচিত। সবাই পাকা টমেটো পছন্দ করে। তবে স্বাস্থ্যকর ও সুস্থ থাকার জন্য টমেটো সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

Source link

sweet corn for weight loss: এক সপ্তাহে পেটের মেদ যে ভাবে ঝরবে সুইট কর্নে! জানুন রেসিপি – sweetcorn for weight loss and know how to make healthy corn recipe

স্টার্টার হিসেবে সুইট কর্নের চার্চ কিংবা ক্রিসপি চিলি বেবি কর্ন সবার প্রিয়। এছাড়াও কর্নের স্যুপ থেকে শুরু করে স্যান্ডউইচ কার না খেতে ভালোলাগে! আর এই ছোট্ট মিষ্টি ভুট্টার দানা কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুব ভালো। হলুদ রঙের মিষ্টি এই ছোট দানা দেখলে লোভ সামলানো দায়। এছাড়াও কর্নে আছে লুটেন, জেক্সানথিন। যা চোখের জন্য খুবই উপকারী। আর ভুট্টাতে আছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন। যা শরীর ভালো রাখে, হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে। ভুট্টা প্রথম আবিষ্কৃত হয় মেক্সিকোতে। কিন্তু তখন ভুট্টা খাওয়ার খুব একটা প্রচলন ছিল না। তবে ওজন কমাতে ভুট্টা খুবই উপকারী। প্রতিদিন ভুট্টা খেলে এক সপ্তাহেই জমবে পেটের ফ্যাট। এছাড়াও জেনে নিন, ভুট্টার আরও কী কী উপকারিতা রয়েছে। সেই সঙ্গে রইল একটি ডায়েট রেসিপিও। রক্তাল্পতা থেকে রক্ষাকর্নের মধ্যে থাকে ভিটামিন বি১২, ফোলিক অ্যাসিড, আয়রন। যা রক্তে লোহিত রক্ত কনিকা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও জটিল কার্বোহাইড্রেট সহজে ভেঙে হজম করিয়ে দেয় কর্ন। আর পুষ্টি তো আছেই। এক কাপ কর্নে ক্যালোরি থাকে ১২৫ ক্যালোরি, কার্বোহাইড্রেট ২৭ গ্রাম, প্রোটিন ৪ গ্রাম, সুগার ৯ গ্রাম, ফ্যাট ২ গ্রাম আর আয়রন ৭৫ মিলিগ্রাম। এনার্জি বাড়ায়যে কোনও খেলোয়াড়দের বলা হয় ব্রেকফাস্টে অবশ্যই কর্ন রাখতে। এছাড়াও যাঁরা বেশি ঘামেন তাঁদেরও কর্ন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ কর্ন চটজলদি শক্তি দেয় শরীরকে। মস্তিষ্ক ও স্নায়ুকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে কর্ন। সেই সঙ্গে শরীরকে নানা ভাবে সুস্থ রাখে মিষ্টি ভুট্টার দানা। ওজন বাড়াতে চাইলেওজন কমাতে চাইলে যেমন ভুট্টা খুবই ভালো তেমনই ভুট্টায় থাকা স্টার্চ ওজন কমাতেও সাহায্য করে। তবে যাঁরা ওজন বাড়াতে চান তাঁদেরও নিয়মিত ভুট্টা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ফাইবার, ক্যালোরি বেশি পরিমাণে থাকে। আর তাই যাঁরা অপুষ্টিতে ভুগছেন, ওজন বাড়াতে চাইছেন তাঁদের দুবেলা কর্ন খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। রক্তচাপ কম থাকলেসুইট কর্নের মধ্যে থাকে ভিটামিন, খনিজ সহ আরও কিছু পুষ্টিকর উপাদান। এছাড়াও থাকে B1, B5 ইত্যাদি। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধকারী কোশ তৈরিতেও সাহায্য করে সুইট কর্ন। আর তাই যাঁরা ডায়াবিটিসে ভুগছেন, যাঁদের রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাঁদের সুইট কর্ন খেতে বলা হয়। সেই সঙ্গে ত্বক ভালো রাখা, ফ্যাট কমানো এসবেও সাহায্য করে কর্ন। যেভাবে বানাবেন ডায়েট কর্নসুইট কর্ন- ১০০ গ্রামপেঁয়াজ কুচিক্যাপসিকাম কুচিটমেটো কুচিগোলমরিচ গুঁড়োমাখননুনলেবুর রসকর্ন ভাপিয়ে নিন। এবার নুন, গোলমরিচের গুঁড়ো, মাখন, টমেটো, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ সব একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। বিকেলের স্ন্যাক্সের জন্য খুবই ভালো। পেটও ভরবে। আর ফ্যাটও নেই।

Source link