Category Archives: Health

weight loss drink: জাদু আছে জুসে, ওজন কমাবে বিট! জানুন কীভাবে… – beetroot juice – a potent weight loss drink that can help lower blood pressure, boost immunity

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একটু ওজন ঝরানোর (weight loss) জন্য কত কসরতই না করতে হয়। সকালে উঠে হাঁটা, তারপর সুযোগ হলে জিম, জীবন থেকে ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট একেবারে বাদ দেওয়া আরও কত কিছু। অনেকেই আবার এই রুটিন একমায় মেনে চললেই হাঁপিয়ে যান। তখন মনে হয়, ফাইবার, মিনারেলস আর ভিটামিন আর কতদিন! এই ঠান্ডার নানা রঙের কত সবজি বাজারে। কিন্তু সুগার হতে পারে এই ভয়ে মাটির নীচের সবজি বাদ দিয়েছেন তালিকা থেকে। অযথা ভয় না পেয়ে নির্ভয়ে খান। বিট-গাজরের জুস বা বিটের সঙ্গে আপেল বেদানার জুস বানিয়ে খান। শরীরের ডিটক্সিফিকেশন হবে। তাতে কমবে ওজন, ত্বকে আসবে ঔজ্বল্য। এছাড়াও এখন বাজারে বিটের জ্যাম পাওয়া যায়। তারমধ্যেও কিন্তু ভিটামিন থাকে। বিট এমন একটা খাবার যা সহজে কেউ পছন্দ করে না। আর ওজন কমানোর বিষয়ে যে এভাবে বিট কাজে আসতে পারে, তা অনেকেরই অজানা।তবে শুধু ওজন কমানোই নয়। নিয়মিত বিট খেলে আরও উপকার পেতে পারেন। বিট খেলে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই রোজ গরম গরম এক বাটি বিটের স্যুপ খেলেই সুস্থ থাকতে পারবেন। এছাড়াও বেশ কিছু রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে এই সবজি। শরীরকে তরতাজা ও শক্তিশালী রাখতে এই খাবারের জুড়ি মেলা ভার। হজমে সাহায্য করতেও সক্ষম বিট। শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয় বিট। ফলে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর ক্যালরি কম থাকায় পেট ভরানোর জন্য খেতেই পারেন বিটের তরকারি। বিটের জুসচটজলদি ওজন কমাতে কেন বিটের জুস খাবেন তা একবার দেখে নিনবিটের জুসে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল আর ভিটামিন থাকে। এছাড়াও ফাইবার থাকে। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও ১০০ এম এল বিটের জুসে ক্যালোরির পরিমাণ ৩৫। বিটের সঙ্গে গাজর, আপেল, টমেটো এবং বেদানার জুস মিশিয়ে নিন। তাহলে তার পুষ্টিগুণ হবে অনেক বেশি এবং ওজনও ঝরবে তাড়াতাড়ি।যেভাবে বানাবেনবিট-গাজরের জুস বিট ওগাজর ভালো করে কুচিয়ে নিয়ে একবার মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। এবার ওর সঙ্গে আধ কাপ জল, ৫ চামচ লেবুর রস, একচিমটে নুন ও পুদিনা পাতা যোগ করে একগ্লাস খান।বিট-আপেল জুসএকটি আপেলের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে টুকরো করে নিন। এবার মিক্সিতে আপেল, বিট, গোলমরিচ, নুন দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। উপর থেকে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খান।বিট-বেদানা জুসবিট কুচনো ২ কাপ এবং বেদানা এককাপ নিয়ে ওর সঙ্গে লেবুর রস ও গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার খালি পেটে দুগ্লাস খান।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: ফিট থাকতে সঙ্গী হোক ফিটনেস ট্র্যাকার! জেনে নিন ব্যবহার – how fitness trackers can improve your health

প্রতিদিন ঘড়ে ধরে এক্সারসাইজ করছেন। হাঁটছেন, মেপে খাবারও খাচ্ছেন। কিন্তু দিনের শেষে কতটা ক্যালরি ঝরালেন? প্রশ্ন করলে এই উত্তর অনেকেই দিতে পারেন না। এমনকী অনেকেই ওয়ার্কআউট শুরু করেন ওজন না দেখেই। পছন্দের জামা টাইট ফিটিং নাকি ঢিলেঢালা সেই দিয়ে বিচার করেন ফ্যাট কতটা কমল! কিন্তু কতটা ফিট? সেই উত্তর পাওয়া যায় না। আপনার ফিটনেস রেজিম আপনাকে কতটা ফিট থাকতে সাহায্য করছে, তার জন্যই প্রয়োজন ফিটনেস ট্র্যাকারের। এই ট্র্যাকারের সাহায্যে জানা যায় আপনি কতটা পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন করলেন। শুধু তাই নয়, কত কিমি হাঁটলেন এবং আরও কতটা হাঁটলে আপনার শরীরের পক্ষে ভালো তাও কিন্তু জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কটা স্টেপ হাঁটলেন, কতা সিঁড়ি ভাঙলেন আর এতে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান দেব। ফিট থাকতে এই তথ্যই কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে যেমন ডায়েট চার্ট তৈরি করা যাবে তেমনই মোটিভেশনও আসবে। প্রয়োজনে আপনি লাইফস্টাইলে বদলও আনতে পারবেন। ট্র্যাকার কীভাবে কাজ করেস্মার্ট ওয়াচের মধ্যেই থাকে ফিটনেস ট্র্যাকার। ব্যান্ড আকারেও পাওয়া যায়। এছাড়াও সকলেই এখন স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। আর তাই সহজে ফোনেও ইনস্টল করে নিতে পারেন। তবে ফিটনেস স্মার্টব্র্যান্ড কিন্তু খুব ভালো কাজ করে। যাঁদের অনেকক্ষণ বসে বসে কাজ করা অভ্যেস, এই ব্যান্ড তাঁদের জানাবে চেয়ার ছেড়ে উঠে পাঁচ মিনিট পায়চারি করে আসার জন্য। রাতের ঘুমে আপনার গভীর ঘুম কতটা, মোট কত ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন, প্রায় নির্ভুল হিসেব দেবে আপনাকে। যাঁরা বিভিন্ন এক্সারসাইজ নিয়মিত করেন— সাঁতার, দৌড় বা সাইক্লিং, কত দূরত্বে গিয়েছেন, গড় গতিবেগ, প্রতিটা মুহূর্তে আপনার হার্টবিট কত ছিল, সব কিছু দেখা যাবে ফোনে।ওয়ার্কআউট সম্পর্কে তথ্য দেয়এই ফিটনেস ট্র্যাকার কিন্তু ঘুমের প্রয়োজনীয়তা থেকে হার্ট রেট সবই জানান দেয়। প্রতিদিন কত পা হাঁটলেন, জগিং করতে কতটা ক্যালোরি বার্ন হল কিংবা শরীরের চাহিদা অনুযায়ী আরও কতটা পরিশ্রম করার প্রয়োজন এই সবকিছুই জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কালকের তুলনায় আজকে যদি বেশি ক্যালরি বার্ন হয় তাও জানান দেবে। সারা সপ্তাহে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান যায় এই ট্র্যাকার থেকে। কীভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে এই ট্র্যাকারওজন কমানোর জন্য আমরা পরিশ্রম করি, ডায়েট করি। কিন্তু তারপরও দেখা গেল ঠিক ফল পাওয়া যাচ্ছে না। মিষ্টি, বিরিয়ানি থেকে দূরে থেকেও ওজন বাড়ছে। অনেকেই ভাবেন এতক্ষম শরীরচর্চা করে বিকেলে ভালো করে মুড়ি দিয়ে তেলেভাজা মেখে খেলে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু এভাবেই অজান্তে শরীরের ক্ষতি হয়য়। যদি ফিটনেস ট্র্যাকার অন করে প্রতিদিন ওয়ার্কআউট করেন তাহলে জানতে পারবেন কতটৈ হাঁটা হল আর কতটা ক্যালরি ঝরল। সেই মত খাবারও খেতে পারবেন। এতে শরীর থাকবে সুস্থ। আর প্রতিদিন ক্যালরির পরিমাণ হিসেব করলে নিজেই উৎসাহ পাবেন। পরদিন আরও একটু সকালে ঘুম ভাঙবে আর ওয়ার্ক আউট বেশি হবে। অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়াএই ফিটনেস অ্যাপগুলি আরও একটি সুবিধা দেয়। সবসময় একা ওয়ার্ক আউট করার চেয়ে যদি একজন সঙ্গী পাওয়া যায় তাহলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। এমনকী মন দিয়েও ওয়ার্কআউট করা যায়। আর এই অ্যাপগুলিতে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি যেমন চিকিৎসকের পরামর্শ পাবেন, তেমনই আরনার অভিজ্ঞতা অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। আপনি কতটা ক্য়ালরি খরচ করলেন বা আপনার ফিটনেস রেজিম যেমন অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন তেমনই বাকিদের কথাও শুনতে পাবেন। পাবেন ডায়াটেশিয়ানের টিপস। বিশেষজ্ঞরা কী বলছেনগত পাঁচ বছরে বেশ কয়েকটি জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে এই ফিটনেস ট্র্যাকার নিয়ে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সবাইকেই এি ট্র্যাকার মেনে চলার কথা বলছেন। এছাড়াও এই ট্র্যাকারগুলির ফিচার্স আপডেট করে নেওয়ার সুযোগ নিয়েছে। তবে ট্র্যাকার দেখেই যে পা ফেলবেন এমন নয়। প্রতিদিন প্রয়োজন মতওয়ার্ক আউট করুন। সেই সঙ্গে ডায়েটও আবশ্যক।

Source link

face washing tips: ত্বক অনুযায়ী পালটে যায় মুখ ধোওয়ার ধরণ! জেনে নিন আপনি কী ভাবে মুখ ধোবেন – you must remember these tips while washing your face based on your skin type

হাইলাইটসআপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়, তাহলে ফোম-বেসড ফেস ওয়াশ বেছে নিন। ফোম বেসড ফেস ওয়াশ আপনার ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার করবে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: প্রতিদিন ভালো করে মুখ পরিষ্কার করা খুবই জরুরি। কিন্তু ঠিক কী ভাবে মুখ ধুতে হয়, সেটা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। মনে রাখবেন সঠিক পদ্ধতি মেনে মুখ না ধুলে ত্বকের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। সব ধরনের ত্বকে এক ভাবে মুখ ধোওয়া যায় না। যার যেমন ত্বকের ধরন, তিনি সেভাবেই মুখ ধোবেন। জেনে নিন বিভিন্ন ত্বকে কী ভাবে মুখ ধোওয়া জরুরি। তৈলাক্ত ত্বকের জন্যআপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়, তাহলে ফোম-বেসড ফেস ওয়াশ বেছে নিন। বা ক্লিনজিং জেল দিয়েও মুখ ধুতে পারেন। ফোম বেসড ফেস ওয়াশ আপনার ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার করবে। আর ত্বকে যদি অ্যাকনের সমস্যা থাকে তাহলে জেল ক্লিনজার দিয়ে মুখে ধুয়ে নিন। ত্বক হালকা হাতে মুছে নিয়ে অবশ্যই টোনার লাগাবেন। রুক্ষ শীতেও ঝলমলে ত্বক চাই? কয়েক ফোঁটা দুধেই হবে ম্যাজিক! শুষ্ক ত্বকের জন্যশুষ্ক ত্বক পরিষ্কার করার সময় একটু বেশি খেয়াল রাখা জরুরি। কারণ ভুল পদ্ধতিতে মুখ ধুলে শুষ্ক ত্বক আরও শুকনো হয়ে যেতে পারে। যার ফলে ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। মুখ ধোওয়ার জন্য অ্যালকোহল ফ্রি প্রোডাক্ট বেছে নিন। জেল ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে অনেকটা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। একটু ফেস অয়েল তুলোয় ভিজিয়ে মুখে লাগিয়ে অ্যালকোহল ফ্রি ওয়াইপ দিয়ে মুখ মুছে নিতে পারেন। ত্বক শুষ্ক হলে ক্লিনজারে কখনোই প্যারাবেনস বা সুগন্ধী থাকবেন না। প্রোডাক্ট কেনার সময় প্যাকেট ভালো করে দেখে নেবেন। ত্বকের যত্নে ক্লিনজিং-এর পর টোনিং মাস্ট, কিন্তু টোনার সম্পর্কে এই কয়েক কথা জানেন তো?মিশ্র ত্বকের জন্যআপনার ত্বক যদি মিশ্র প্রকৃতির হয়, তাহলে খুব কড়া কোনও প্রোডাক্ট মুখ ধোওয়ার জন্য ব্যবহর করা চলবে না। এর ফলে আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক তৈলাক্ত ভাব শুকিয়ে যেতে পারে। শুষ্ক ত্বক যাঁদের, তাঁদের মুখের টি-জোন তৈলাক্ত হয়, বাকি অংশ শুষ্ক। হালকা, জেল বেসড ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু-বার মুখ ধোওয়ার পর মুখে স্ক্রাবিং করে নেবেন। স্ক্রাবার গোটা মুখে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে হালকা হাতে মুখ ঘসে তারপর ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোওয়ার পর তুলো অ্যালকোহল ফ্রি টোনারে ভিজিয়ে সারা মুখে বুলিয়ে নিন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Hot Or Cold Water Bath In Winter: শীতকালে স্নানের সঙ্গে আড়ি নয়! জানুন কীভাবে কনকনে ঠান্ডাতেও থাকবেন ফ্রেশ – tips to take shower the right way in winters!

নভেম্বরের শেষ থেকেই এবার জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। জেলার সব বাড়িতেই লেপ-কম্বল নেমেছে আলমারি থেকে। দুপুর গড়াতেই নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। প্রচুর মানুষ আছেন যাঁরা শীত পড়লেই স্নান করা বন্ধ করে দেন। বাথরুমে ঢুকতে হবে শুনলেই যেন গায়ে জ্বর আসে। স্নান না করেই সপ্তাহে দিন তিনেক অনায়াসে কাটিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন তাঁরা। গায়ের দুর্গন্ধ ঢাকতে প্রচুর পরিমাণে পারফিউম স্প্রে করলেও যত সমস্যা কিন্তু তেল-সাবানে। আবার উল্টোটাও অনেকে করেন। সারা বছরের মতো শীতেও গায়ে ঠান্ডা জল ঢেলে স্নান করেন। তবে শীতে গরম জলে স্নান করার অভ্যেস থাকে সিংহভাগের। বিশেষত যাঁদের শরীরে কোনও ব্যথা থাকে। তাঁদের প্রতিদিন হালকা গরম জলে স্নান করাই ভালো। কিন্তু প্রতিদিন গরম জলে স্নান করলে শরীর গরম হয়ে যায়। এছাড়াও চুল, ত্বকের ক্ষতি হয়। তবে শীতেও প্রতিদিন সাবান মেখে স্নান করতেই হবে। প্রয়োজন মত তেল বা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। পছন্দমতো ঠান্ডা বা গরমজল বেছে নিন। কিন্তু প্রতিদিন আবার গরম জলে স্নান করা চলবে না। দেখে নিন কীভাবে শীতেও থাকবেন ফ্রেশ। প্রতিদিন স্নান করতে হবেশীত মানেই স্নানকে ভয় নয়। স্নান নিয়মিত না করলে শীতে ঠান্ডা লাগা, ত্বকের সমস্যা এসব থাকবেই। তাই সুস্থ থাকতেই পরিষ্কার থাকতে হবে। এছাড়াও শীতে একটু বেশিই খাওয়া দাওয়া হয়। খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে নিয়মিত স্নান না করলেই পেট গরম হবে। আর শীতকালে আমাদের শরীরে বেশি জামাকাপড় থাকে। ফলে শরীরও গরম থাকে। আর তাই স্নান না করে গরম জামা পরে ঘুমোলে হৃদরোগের সম্ভাবনাও থেকে যায়। জলের তাপমাত্রাখুব ঠান্ডাও নয় আবার খুব গরমও নয়। যে তাপমাত্রায় গায়ে জল ঢাললে আরাম হবে সেই রকম জল নিন। যদি প্রতিদিন ঠান্ডা জলেই স্নান করার অভ্যেস থাকে তাহলে তাই করুন। একদম গরম জল গায়ে ঢালবেন না। হট ওয়াটার আর ওয়ার্ম ওয়াটারের মধ্যে কিন্তু ফারাক রয়েছে। প্রতিদিন গায়ে গরম জল ঢাললে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের জল ধরে রাখার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। বডি ওয়াশসাবান আমাদের শরীরকে বেশি শুষ্ক করে দেয়, কিন্তু বডি ওয়াশ শরীরকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি আর্দ্রতাও বজায় রাখে। তবে লোভাতে বডিওয়াশ নিয়ে গা-হাত-পা পরিষ্কার করুন। অ্যালকোহল যুক্ত কোনও বডি ওয়াশ ব্যবহার করবেন না। শীতের উপযোগী প্রচুর বডিওয়াশ পাওয়া যায়য়। সেগুলোই দেখে কিনুন। তবে বডি ওয়াশ লাগানোর আগে কিন্তু স্ক্রাবিং করে নিতে ভুলবেন না। টাওয়াল দিয়ে গা মুছতে হবেভেজা গায়েই বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসবেন না। নরম টাওয়াল দিয়ে ভালো করে গা মুছতে হবে। ফ্যানের হাওয়ায় গা শুকনো যেমন ক্ষতিকারক, তেমনই ত্বকের জন্যও খারাপ। কারণ স্নান করলে গা ঠান্ডা থাকে। বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে তা খাপ খায় না। তাই শুকনো করে মুছে তবেই ঘরে আসুন। তেল মাখুনআগেকার দিনে শীতকাল মানেই উঠোনে বসে সরষের তেল অথবা নারকেল তেল মাখার রেওয়াজ ছিল। ভালো করে রোদে বসে তেল মেখে তবেই সবাই স্নান করতেন। কিন্তু এখন তা কেউই করেন না। আর এভাবে বসে তেল মাখার সুযোগ নেই। তাই লাস্ট দুমগ জল ঢালা যখন বাকি থাকবে তখন দু ফোঁটা তেল মিশিয়ে নিন। অথবা যদি সাবান মাখার পর তেল মাখেন তখন দু মিনিট ম্যাসেজ করে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। ময়েশ্চারাইজার লাগানশুকনো করে গা মুছে তবেই ময়েশ্চারাইজার লাগান। পিঠে, হাতে, পায়ে ভালো করে লাগাবেন। কোনও ভাবেই যাতে খসখসে ভাব না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ময়েশ্চারাইজার মেখে ভালো করে শীতের জামা পরে নিন। এতে ত্বক পরিষ্কার থাকবে আর ভালোও থাকবে। সেই সঙ্গে বজায় থাকবে আর্দ্রতা।

Source link

coronavirus: ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে গেলে চিন্তা নয়, বরং ঝুঁকি কম করোনা রোগীদের – how loss of smell can be a good sign of recovery for many covid patients

হাইলাইটসখাবারের স্বাদ না পাওয়া এবং কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া নিয়ে অতটা চিন্তার কিছু নেই বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছনে যে এই উপসর্গ যাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, তাঁদের করোনার সংক্রমণ আসলে বেশ হালকা স্তরের মধ্যে থাকছে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া যে করোনাভাইরাইসারে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ, সে তো আমরা জানিই। প্রথম দিকে এই উপসর্গ সামান্য কয়েকজনের শরীরেই দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু পরে তা বহু করোনা রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা যায়। কারোর কারোর ক্ষেত্রে ঘ্রাণশক্তি এবার জিভে খাবার স্বাদ বোঝার অনুভূতি করোনার কারণে চলে যাওয়ার পর কয়েক মাস লেগে যাচ্ছে তা স্বাভাবিক হতে। তবে ঘ্রাণশক্তি করোনার কারণে চলে গেলে তা নিয়ে চিন্তা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। খাবারের স্বাদ না পাওয়া এবং কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া নিয়ে অতটা চিন্তার কিছু নেই বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছনে যে এই উপসর্গ যাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, তাঁদের করোনার সংক্রমণ আসলে বেশ হালকা স্তরের মধ্যে থাকছে। তাই অনেকের মতে খাবারের স্বাদ না পাওয়া এবং কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া করোনা সংক্রমণের ভালো লক্ষণ। অবশ্যই একেবারেই কারোর করোনা না হওয়াই সবথেকে ভালো। কিন্তু করোনা হলে ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে গেলে বরং একটু নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। কারণ যে সব করোনা রোগীদের এই উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাঁদের বেশিরভাগেরই করোনা সংক্রমণ গুরুতর আকার নিচ্ছে না। রোজের মেনু থেকে জাস্ট একটা খাবার বাদ দিয়েই ৫ মাসে ২০ কেজি ওজন কম! করোনা সংক্রমণে যেটা সবচেয়ে চিন্তার বিষয়, তা হল শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়ে করোনা প্রাণঘাতী আকার নিতে পারে। কিন্তু যে সব করোনা রোগীদের কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়ার উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাঁদের বেশিরভাগেরই শ্বাসপ্রশ্বাসের কষ্ট দেখা দিচ্ছে না। অর্থাত্‍ বিশেষজ্ঞদের মত অনুসারে বলা যেতে পারে যে ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে যাওয়া আসলে আপনাকে নিশ্বাসের কষ্টের মতো গুরুতর সমস্যা থেকে রক্ষা করছে। দেশের ডাক্তাররা জানিয়েছেন যাঁদের শরীরে করোনা সংক্রমণ গুরুতর আকার নিয়েছে এবং যাঁদের করোনার জন্য আইসিইউ-তে রাখতে হয়েছে, তাঁদের বেশিরভাগই হঠাত্‍ করে কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়ার কথা জানাননি। বাতাসের দূষণ থেকে রক্ষা করবে আমলা! জানুন কখন, কী ভাবে খাবেন সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে প্রায় ৪০ শতাংশ করোনা রোগী ঘ্রাণশক্তি আচমকা হারিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। আবার অনেকের যে বস্তুর যেমন গন্ধ পাওয়ার কথা তার থেকে অন্যরকম গন্ধ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। ঘ্রাণশক্তির পাশাপাশি কোনও খাবারে স্বাদ না পাওয়ার উপসর্গ দেখা দিয়েছে অনেকের ক্ষেত্রে। খাবারে স্বাদ না পাওয়ার জন্য খাওয়া দাওয়া কমিয়ে দিচ্ছেন অনেকে। এটা কিন্তু ঠিক নয়। কারণ করোনায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি অত্যন্ত জরুরি। তাই খাওয়া কমিয়ে শরীরে পুষ্টির অভাব ঘটানো যাবে না। ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে যাওয়া করোনা সেরে যাওয়ার পরেও দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে অনেকের ক্ষেত্রে। এর প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরেও। করোনা সেরে গেলেও তার জের থেকে যাচ্ছে বলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন রোগীরা। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

benefits of waxing: রেজার নাকি ওয়াক্সিং! হাতের লোম থেকে আন্ডারআর্মস পরিষ্কারের সঠিক পদ্ধতি জানুন… – 8 benefits of waxing you don’t know in bengali

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শরীরের যে কোনও জায়গাতেই অবাঞ্ছিত লোম থাকলে তা মোটেই দেখতে ভালো লাগে না। আর হাত, পা যদি লোমে ভর্তি থাকে তাহলে খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলেও তা বোঝা দায়। বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে। প্রতি মাসে নিয়ম করে মেয়েদের সেই অবাঞ্ছিত লোম তুলে ফেলতেই হয়। তবে এই লোম তুলে ফ্লারও কিন্তু অনেক পদ্ধতি রয়েছে। রেজার, ওয়াক্সিং, হেয়ার রিমুভাল ক্রিম ইত্যাদি। এছাড়াও বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকাতেও লোমের গ্রোথ কমানো যায়। সেই সঙ্গে পরিষ্কার রাখা জরুরি আন্ডারআর্মসও। নইলে এখানে ঘামের মাধ্যমে জন্মায় নানা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। আন্ডারআর্মসের ত্বক যেমন নরম হয়, তেমনই এখানে কিন্তু লোমও থাকে অনেক বেশি। ফলে প্রতিমাসে যত্ন নিয়ে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে এই আন্ডারআর্মস। হাত ও পা পরিষ্কার থাকলে দেখতে ভালো লাগে, তেমনই ত্বকও ভালো থাকে। এছাড়াও হাত-পায়ের ট্যান অনেকটাই উঠে আসে এই ওয়াক্সের মাধ্যমে। যাঁরা নিয়মিত ওয়াক্স করেন তাঁদের চামড়া অনেকদিন পর্যন্ত কুঁটকে যায় না। ওয়াক্স করলে যেহেতু রোমকূপের মুখগুলি খুলে যায়, তাই চর্মরোগ, ফুসকুড়ি এসব হয় না। এছাড়াও ওয়াক্সের বিভিন্ন উপকারিতা রয়েছে। ওয়াক্সিং এর সুবিধাসেভিং, রেজার বা হেয়ার রিমুভাল ক্রিমের বদলে সবসময় ওয়াক্সিং ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা সবসময় বলেন রেজার ব্যবহার না করতে। ওয়াক্সিং নিয়মিত করলে ত্বকে কোনও দাগছোপ থাকে না। এছাড়াও আন্ডারআর্মসে কোনও কালো দাগছোপ পড়ে না। ওয়াক্সিং করলে একসাথে অনেকটা চুল উঠে আসে। এছাড়াও গোড়া থেকে সবটা উঠে আসে। ফলে নিয়মিত করলে অবাঞ্ছিত হেয়ার গ্রোথ কমে যায়। অনেকেই হরমোনের তারতম্যের সমস্যায় ভোগেন। ফলে শরীরে অত্যধিক লোমেরও আধিক্য থেকে যায়। ওয়াক্সিং করলে সেই সমস্যা থাকে না। ত্বকের সুরক্ষায়ওয়াক্সিং মূলত মোম, মধু ও চিনি দিয়ে তারি হয়। আর এই সবকটি উপকরণ ত্বকের পক্ষে খুবই ভালো। ওয়াক্সিং যেমন তাড়াতাড়ি হয় তেমনই কেটে যাওয়ার কোনও ভয় থাকে না। রেজার ব্যবহার করলে চামড়া কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও তা ভালোভাবে না ধুলে সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যায়। কোথাও যাওয়ার আগে সব মেয়েই ওয়াক্সিং করান। তখন রেজার ব্যবহার করলে সবাই তাড়াহুড়ো করেন, এতে বিপদের সম্ভাবনা থাকে। দক্ষ হাত হওয়া জরুরিওয়াক্সিং বাড়িতেও করা যায়। কিন্তু সাঁলো বা পার্লারে গিয়ে করানোই ভালো। কারণ সবার বাড়িতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকে না। এছাড়াও স্ট্রিপস টানার একটা কায়দা আছে। ঠিক করে না তুলতে পারলে লোমও ওঠে না। এমবকী রক্ত চলাচল ব্যহত হতে পারে। এছাড়াও সবসময় ঠান্ডা ওয়েদারে ওয়াক্সিং ভালো হয়। অনেকের বাড়িতেই এসি থাকে না। সেক্ষেত্রে পার্লারই ভালো। ত্বক নরম থাকেআমরা মুখের যেভাবে যত্ন নিই, সেই ভাবে হাত পায়ের যত্ন নেওয়া হয় না। আর হাতে নিয়মিত তেল, সাবান, ক্রিম লাগানোর ফলে রোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। নোংরা বসে। বাইরে বেরনোর সময় মুখে সানস্ক্রিন মাখলেও হাতে লাগানো হয় না। ত্বকে কালো ছোপ থেকে, পোড়া দাগ সবই থাকে। ওয়াক্সিং করলে এসব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর ত্বক নরমও থাকে।মৃত কোশ দূর করেশীত পড়লেই চামড়া সাদা আর খসখসে হয়ে যায়। অনেকেরই মাছের আঁশের মতো চামড়া ওঠে। এই সময় ময়েশ্চারাইজার লাগালে কিছুটা ফল পাওয়া যায়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কিছুই হয় না। ভালো করে ধুয়ে, মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর চেয়ে শীতকালে দুবার ওয়াক্সিং করিয়ে নেওয়া ভালো। এতে চামড়া ভালো থাকবে। টানটান থাকবে। সেই সঙ্গে বজায় থাকবে আর্দ্রতা। ত্বক ভেতর থেকে চকচকে থাকে। মানসিক শান্তিসুন্দর স্টাইলিশ জামা পড়তে এখন অভ্যস্ত ৪ থেকে ৭০। সুন্দর কাটিং এর ব্লাউজ, প্যান্ট, জামা এসব সবাই পরেন। আর তাই স্লিভলেস ব্লাউড পড়লে যদি আন্ডারআর্মস না করা থাকে তাহলে তা দেখতে যেমন বাজে লাগে, তেমনই পা পরিষ্কার না থাকলে হাঁটুঝুলের কোনও কিছু পরা যায় না। পরলেও মনে দ্বিধা থাকে। মনে হয় সবাই ঠিক আপনার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে। এসব ছাড়াও ত্বক যদি নরম, মোলায়েম হয় তাহলে নিজেরও ভালো থাকে। নিজেকে সুন্দর দেখাক এ কে না চায়! তাই যেমন নিয়ম করে ফেসিয়াল করেন তেমনই ওয়াক্সিংও করুন। কেমন ওয়াক্স ব্যবহার করবেনকোল্ড ওয়াক্স ব্যবহার করতে পারেন যদি আপনার ত্বক শুষ্ক প্রকৃতির হয়। কিন্তু সবচেয়ে ভালো হল ব্রাজিলিয়ান ওয়াক্স কিংবা চকোলেট ওয়াক্স। ত্বক যদি সংবেদনশীল হয় তাহলে এই ওয়াক্স খুব ভালো। এই ওয়াক্স যাবতীয় ময়লা, ট্যান সবই তুলে দেয়। এই জাতীয় ওয়াক্সে যে তেল থাকে সেটা ওয়াক্সিংয়ের পরে আপনার ত্বককে কোমল রাখে। চকলেট অয়াক্স সব রকমের ত্বকের জন্য উপযোগী। এমনকি সেনসিটিভ বা স্পর্শকাতর ত্বকেও এই ওয়াক্স খুব কার্যকরী।তবে রেগুলার ওয়াক্সের চেয়ে চকলেট ওয়াক্স একটু দামী। ওয়াক্সিং এর পরওয়াক্সিং এর পর গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে ভালো করে পা মুছে নিন। আন্ডারআর্মস আর হাত মুছে নিন। প্রথমে অ্যালোভেরা জেল মালিশ করুন। এর পর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ম্যাসাজ ক্রিম লাগিয়ে নিন। এরপর ৬ ঘন্টা কোনও জল লাগাবেন না।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Full Set Of Teeth And Blocked Nose Could Speed Up The Covid-19 Super-Spreading. Here’s How – এই শীতে সাবধান! বন্ধ নাক ও দাঁত থেকেও দ্রুত ছড়ায় করোনা, জানুন নয়া সমীক্ষা…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বন্ধ নাক আর দাঁত থেকে দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে করোনা ভাইরাস, নয়া সমীক্ষায় এমনই দাবি। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, সুপার স্প্রেডারদের মধ্যে দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে – একটি দাঁত এবং অন্যটি ব্লক-আপ নাক বা বন্ধ নাক। দাঁত ও নাক বন্ধ থাকলে দ্রুত গতিতে ও অনেকটা দূরত্বে ছড়িয়ে পড়ে হাঁচির ড্রপলেট। এর জেরে করোনা বেশি মাত্রায় সংক্রমিত হতে পারেন মানুষজন।সুপার স্প্রেডারদের হাঁচির ধরণ, হাঁচির ড্রপলেটের দূরত্ব, গতিবেগ-সহ একাধিক বিষয়কে খতিয়ে দেখা হয়েছে ওই গবেষণায়। এই বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মাইকেল কিনজেল জানিয়েছেন, এই সমীক্ষা থেকে সংগৃহীত নানা তথ্যের মাধ্যমে সুপার স্প্রেডারদের চিহ্নিত করা যেতে পারে। এর জেরে সুপার স্প্রেডিংয়ের গতিবিধিও নির্ণয় করা যাবে। এ ছাড়া প্রথমবার এই সমীক্ষার মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, হাঁচির ড্রপলেটগুলি ঠিক কী কারণে ও কতটা দূর পর্যন্ত ছড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে হাঁচির ড্রপলেট ছড়ানোর দূরত্বকেও নির্ণয় করার চেষ্টা করা হয়েছে। বাতাসে কতক্ষণ ভাসমান থাকতে পারে এই ড্রপলেট বা কী কী বিষয়গুলি হাঁচির এই ড্রপলেটকে প্রভাবিত করে সেই বিষয়টিও দেখা হয়েছে এই গবেষণায়।আরও পড়ুন: চায়ের দোকানে কাগজের কাপে চুমুক? শরীরের ক্ষতি করছেন! আজই জানুনএকটি এলাকার মধ্যে একজনের মাধ্যমে করোনা যখন একটা বড় অংশ সংক্রমিত হয়ে পড়ে, তখন তাকে সুপারস্প্রেডিং বলা হয়। এ ক্ষেত্রে সুপার স্প্রেডার বা অতিসংক্রামক মানুষজনের ক্ষেত্রে অন্যতম আশঙ্কাজনক দু’টি বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। সমীক্ষা জানাচ্ছে, দাঁত ও নাক বন্ধ থাকলে দ্রুত গতিতে ও অনেকটা দূরত্বে ছড়িয়ে পড়ে হাঁচির ড্রপলেট। এর জেরেই বেশি সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত হতে পারে। দাঁতও হাঁচির গতিবেগের উপরে প্রভাব ফেলতে পারে। যদি দাঁতের দুই পাটি বন্ধ থাকে বা মুখ খোলা না হয়, তা হলে হাঁচি বেরোনোর পথ প্রায় বন্ধ থাকে। অর্থাৎ যদি হাঁচি বেরোনোর জায়গা কম হয়, তা হলে প্রবল গতিতে বের হয় হাঁচি। এবং ড্রপলেটগুলি অনেকটা দূর পর্যন্ত যেতে পারে। তাই দাঁতের পাটির মাঝে যদি বেশি ফাঁক বা জায়গা থাকে, তা হলে হাঁচির গতি কমে যায়। ড্রপলেটের মাধ্যমে সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমে। তাই গবেষকদের পরামর্শ, নাক পরিষ্কার রাখতে হবে। সর্দি-কাশির জন্য নাক যাতে বন্ধ না থাকে, সেই বিষয়টিতে নজর দিতে হবে। নাক ও মুখ ব্লক রাখা বা অসুস্থতার জেরে কোনও কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে, সেই বিষয়েও নজর রাখতে হবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Drinking Tea Of Coffee In Paper Cups May Be Eco-Friendly But It May Harm Your Health – চায়ের দোকানে কাগজের কাপে চুমুক? শরীরের ক্ষতি করছেন! আজই জানুন

হাইলাইটসকাগজের কাপে নিয়মিত চা পান করেন নাকি! তা হলে আজই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই অভ্যেস আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, কাগজের কাপ তৈরিতে হাইড্রোফোবিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সেই কাপে চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রবল ক্ষতিকারক। আইআইটি খড়গপুরে হওয়া এই গবেষণায় জানা গিয়েছে, কাগজের কাপ তৈরিতে হাইড্রোফোবিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সেই কাপে চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রবল ক্ষতিকারক।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কাগজের কাপে নিয়মিত চা পান করেন নাকি! তা হলে আজই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই অভ্যেস আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, কাগজের কাপ তৈরিতে হাইড্রোফোবিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সেই কাপে চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রবল ক্ষতিকারক। আইআইটি খড়গপুরে হওয়া এই গবেষণায় জানা গিয়েছে, কাগজের কাপ তৈরিতে হাইড্রোফোবিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সেই কাপে চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রবল ক্ষতিকারক। দিন যত পালটাচ্ছে, সময় যত এগোচ্ছে, পরিবর্তন হচ্ছে প্রায় সব কিছুর। অত্যাধুনিক জিনিস আসছে বাজারে। যা প্রভাব ফেলছে আমাদের লাইফস্টাইলে। কিছু দিন আগেও চায়ের দোকানে কাচের গ্লাস, মাটির ভাঁড় বা চিনা মাটির কাপে চা খাওয়ার প্রচলন ছিল। আজকাল প্রায় সব জায়গাতেই কাগজের কাপ ব্যবহার হয়। বিশেষ করে, অনুষ্ঠান-বাড়ি, রাস্তার কোনও চায়ের দোকান বা অফিসে এর ব্যবহার আরও বেশি হয়। শুনলে অবাক হবেন, এই কাগজের কাপে চা আদতে আমাদের শরীরে একাধিক ক্ষতি করছে। এই কাপে চা বা জল খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে হাজার হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক ঢুকে যায়। গবেষণা সূত্রে জানা গিয়েছে, কাগজের কাপে গরম চা পড়ার পর সেই হাইড্রোফোবিক ফিল্ম গলতে শুরু করে। এর পরই প্লাস্টিকের কণা চায়ে মিশতে শুরু করে। কাগজের কাপে ১০ মিনিট গরম চা থাকলেই প্লাস্টিকের কণা মিশতে শুরু করে। গরম জল বা চা, কোনওটাই তাই কাগজের কাপে খাওয়া উচিত নয়। আরও পড়ুন: আপনার কি অ্যাংজাইটি অ্যাটাক হচ্ছে? কী ভাবে সামলাবেন? জানুন…সম্প্রতি একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, কাগজের এই কাপগুলিতে গরম পানীয় ঢাললে তাতে কয়েক মিনিটেই কাপের প্লাস্টিক পার্টিকলস মিশে যায়। যা অজান্তেই আমরা পান করি এবং তা শরীরে সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শুধু প্লাস্টিক পার্টিকলসই নয়, এই কাপগুলিকে ওয়াটারপ্রুফ বানাতে যে প্রলেপ দেওয়া হয় ভিতরের অংশে, গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে তা-ও শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এগুলিকে পরিবেশবান্ধব বলা হলেও এই ওয়াটারপ্রুফ প্রলেপের জন্য এগুলি রিসাইকেল হতেও সমস্যা হয় বলে দেখা গিয়েছে। আইআইটি খড়গপুরের ড. সুধা গোয়েল এ বিষয়ে জানাচ্ছেন যে, কেউ যদি প্রতি দিন অন্তত তিন কাপ চা বা কফি এমন কাগজের কাপে খান, তা হলে তিনি প্রতি দিন ৭৫ হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে ঢোকাচ্ছেন। যা খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম, প্যালাডিয়ামের মতো ক্ষতিকর ধাতু শরীরে প্রবেশ করে এই সব মাইক্রোপ্লাস্টিকের হাত ধরে। রোজ এই ধরনের ধাতু শরীরে গেলে তা শরীরে গুরুত্বর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে, খাবার প্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও প্রমাণ মেলেনি।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: দিদিমা থেকে আধুনিকা, রূপচর্চায় ভরসা বেসনেই! দেখে নিন ৫টি ফেসপ্যাক – 5 amazing face packs you can make with gram flour

আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে, তখন না ছিল ফেশওয়াশের ধুম, না সাবান কিংবা বডিওয়াশ। কিন্তু তাইবলে রূপচর্চায় কোনও খামতি ছিল না। ফেসিয়াল, ব্লিচ এসব না থাকলেও রূপচর্চা হত সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপকরণে। কাঁচা দুধ, দুধের সর, কাঁচা হলুগ, বেসন এসবই ছিল ভরসা। সারাবছর বাড়ির তৈরি দই আর বেসনের ফেসপ্যাক বানিয়েই মুখে মাখতেন তাঁরা। বিয়ের আগে হবু কনেদের মাখানো হত কাঁচা দুধ আর হলুদ। ঠাকুরবাড়ির বিভিন্ন গল্পেও উল্লেখ রয়েছে ঘরোয়া এই রূপচর্চার। দুধ, মধু, বেসন দিয়ে রূপচর্চার চল এখনও রয়েছে। বরং আগের থেকে তা অনেক বেশি। সবাই কেমিক্যাল ছেড়ে প্রাকৃতিক উপায়েই রূপচর্চা পছন্দ করছেন। দাগ ছোপ তুলে ত্বক উজ্জ্বল করতে বেসনের কোনও জুড়ি নেই। শুরু হয়েছে বিয়ের মরশুম। এছাড়াও শীত মানেই পার্টি অনুষ্ঠান। দেখে নিন বেসন দিয়ে তৈরি কয়েকটি ফেসপ্যাকের রেসিপি।বেসন, হলুদ ও দই এর তৈরি ফেসপ্যাকউপকরণ:বেসন ৩ চামচহলুদ ১ চামচদই ৩ চামচ পদ্ধতি:সব কটা উপাদান ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। যদি ট্যান থাকে সেখানেও লাগান।২০মিনিট মতো অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। স্নান করার আগে লাগাবেন।উপকারিতা:পোড়া দাগ, সান ট্যান উঠে যায়। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে দই এর মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড। এছাড়াও ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল থাকে।বেসন ও কেশর প্যাকউপকরণ:বেসন ২-৩ চামচকেশর ৩-৪টাকাঁচা দুধ-৩ চামচপদ্ধতি:কাঁচা দুধের সঙ্গে কেশর মিশিয়ে তাতে কয়েক চামচ বেসন দিন। এবার ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখ ভালো করে ধুয়ে লাগিয়ে নিন এই ফেসপ্যাক। শুকিয়ে আসলে গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুবার করুন। বেসন ও দুধের সরের ফেসপ্যাকউপকরণ:বেসন ২টেবিলচামচ১ টেবিলচামচ দুধের সর১ টেবিলচামচ হলুদপদ্ধতি:সমস্ত উপকরণ দিয়ে মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন।১০-১৫মিনিট মতো অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক ক্লিনজারের কাজ করে এই প্যাক।বেসন ও কমলার ফেসপ্যাকউপকরণ:বেসন- ৩চামচপরিমান মতো কমলালেবুর রস (৪-৫টেবিলচামচ)কাঁচা দুধ- ১ চামচপদ্ধতি:বেসনের সাথে কমলালেবুর রস অল্প অল্প করে যোগ করে মেশাতে থাকুন। এরপর দুধ মিশিয়ে একটু পাতলা করে নিন। মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। তারপর জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। কমলার রসের পরিবর্তে লেবুর খোসা শুকনো করে বেটেও লাগাতে পারেন। বেসন টমেটোর প্যাকবেসন- ২ চামচএকটা গোটা টমেটোর পিউরিলেবুর রস- ১ চামচপদ্ধতি- এই সব কিছু একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক বানান। এবার মুখে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ফেসিয়ালের ম্যাসাজ ক্রিমের বদলে এই প্যাক ব্যবহার করা যায়য। এরপর শুকিয়ে এলে গরম জল দিয়ে মুখ মুছে নিন। ব্যাস তাহলেই বাড়বে জেল্লা।

Source link

work life News : Canara Bank SO Recruitment 2020: মোট শূন্য আসন ২২০, আবেদন করার আগে যা জানা প্রয়োজন… – canara bank so recruitment 2020: apply for 220 posts, all details here

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কানাড়া ব্যাংক স্পেশ্যালিস্ট অফিসার (SO) পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। মোট শূন্য আসন ২২০টি। আবেদনের শেষ দিন ১৫ ডিসেম্বর। আবেদনের জন্য যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীরা কানাড়া ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট canarabank.com-এ এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পেতে পারেন। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অন্য কোনও পদ্ধতি আবেদন গ্রাহ্য হবে না। নিম্নে আবেদনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, গুরুত্বপূর্ণ তারিখ এবং অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করা হল।Canara Bank SO Recruitment 2020: গুরুত্বপূর্ণ তারিখআবেদন প্রক্রিয়া শুরুর তারিখ: ২৫ নভেম্বর, ২০২০আবেদনের শেষ দিন: ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০অনলাইন পরীক্ষা: জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি, ২০২১Canara Bank SO Recruitment 2020: শূণ্যপদের বিন্যাস ও বয়সসীমাপ্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে মোট ২৫টি পদে ২২০ জন কর্মী নিয়োগ করা হবে। বিভিন্ন পদে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বিভিন্ন। এক ঝলকে তা দেখে নেওয়া যাক।Canara Bank SO Recruitment 2020: প্রার্থী বাছাই পদ্ধতিমোট ৩ স্তরে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া হতে পারে। এর মধ্যে আছে প্রাথমিক বাছাই/ লিখিত পরীক্ষা, গ্রুপ ডিসকাশন এবং সব শেষে ইন্টারভিউ। কোন পদে কতগুলি আবেদন জমা পড়বে তার উপরে ভিত্তি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কোনও পদে স্বল্প সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করলে আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে বাছাই করে ছোট তালিকা তৈরি, গ্রুপ ডিসকাশন এবং সব শেষে ইন্টারভিউর মাধ্যমেও প্রার্থী বাছাই হতে পারে। অবজেক্টিভ টেস্টে ভুল উত্তর দিলে পেনাল্টি মার্কিং হবে।Canara Bank SO Recruitment 2020: অ্যাপ্লিকেশন ফিসাধারণ ও অন্য সমস্ত ক্যাটেগরির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে অ্যাপ্লিকেশন ফি ৬০০ টাকা এবং GST। তবে SC, ST এবং PWBD প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ফি ১০০ টাকা। সঙ্গে GST দিতে হবে। ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়া যাবে। বিশদ তথ্যের জন্য ও বিজ্ঞাপন দেখার জন্য এখানে CLICK করুন।এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link