Category Archives: Health

maggi ladoo recipe goes viral: ম্যাগি লাড্ডুর নাম কখনও শুনেছেন? উদ্ভট এক্সপেরিমেন্টে ক্ষুব্ধ নেটিজেন – bizarre maggi ladoo recipe goes viral, twitter

হাইলাইটসম্যাগি নুডলস। নামটা শুনলেই জিভে জল চলে আসে? সকালে হোক কিংবা বিকালে, ম্যাগি অল টাইম ফেভারিট খাবার। আর ম্যাগি খেতে ভালোবাসেন না, এমন লোক খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। কিছুদিন আগে ম্যাগি নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হলেও, পরে আবার তা সমাধানও হয়ে যায়।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ম্যাগি নুডলস। নামটা শুনলেই জিভে জল চলে আসে? সকালে হোক কিংবা বিকালে, ম্যাগি অল টাইম ফেভারিট খাবার। আর ম্যাগি খেতে ভালোবাসেন না, এমন লোক খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। কিছুদিন আগে ম্যাগি নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হলেও, পরে আবার তা সমাধানও হয়ে যায়। বাজারে এখন ২ মিনিটের জাদু চলে এসেছে। স্কুল-কলেজ-অফিস কিংবা ব্যাচেলর বা বৈবাহিক জীবন- সবেতেই ম্যাগির ভূমিকা অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। গরম জলে ম্যাগি আর মশলা দিয়ে ফুটলেই খুব সুন্দর গন্ধ বেরোয়। তাই চোখ বন্ধ করেই নির্ভর করতে পারেন ম্যাগিকে। ম্যাগি নিয়ে নানা রকমের রেসিপি তৈরি করা যায়। পকোড়া বলুন বা ওমলেট। কিন্তু ম্যাগি লাড্ডুর নাম কখনও শুনেছেন?সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে মিষ্টি আর ঝাল দুই স্বাদেই শেয়ার করা হয়েছে ম্যাগি লাড্ডুর রেসিপি। মিষ্টি লাড্ডু তৈরি হয়েছে গুড়, মাখন আর এলাচ দিয়ে। গুড়, মাখন আর এলাচ পাউডার একটি পাত্রে গরম করে তার মধ্যে শুকনো অর্থাৎ কাঁচা ম্যাগি গুঁড়ো করে দিয়ে মিশিয়ে দিতে হবে। একটা মিক্সচার তৈরি করে তার পর সেটা বলের আকারে গড়ে নিতে হবে। আর যেটি ঝাল লাড্ডু সেটি খেতে হয় সস বা চাটনি দিয়ে। ম্যাগি সেদ্ধ করে তার সঙ্গে ক্যাপসিকাম, চিজ, ব্রেড ক্রাম্ব, লাল লঙ্কার গুঁড়ো, চিলি ফ্লেক ও ওরিগানো দিয়ে মিশিয়ে একটা মণ্ড তৈরি করে ময়দায় মাখিয়ে পাকোড়ার মতো ভেজে নিতে হবে।তেল-মশলা নয়, চড় মেরেই হচ্ছে চিকেন রান্না! উদ্ভট কাণ্ডে হতবাক নেট দুনিয়া…এই রেসিপি দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো গর্জন শুরু করেছেন নেটিজেনরা। ম্যাগির মতো সুস্বাদু খাবার নিয়ে এই এক্সপেরিমেন্ট করা অপরাধের সামিল বলে মনে করছেন তাঁরা। এমনিতে ম্যাগি শুধু একটা খাবার নয়, অনেকের কাছে এটা একটা আবেগ। আর সেই আবেগ নিয়ে টানাটানি করলে তো মেনে নেওয়া যায় না!অনেকে লিখেছেন, যে তাঁরা নিজের চোখে বিশ্বাসই করতে পারছেন না যে এমন খাবারও এই দুনিয়ায় হতে পারে। একজন নেটিজেন তো বলেই বসলেন যে বর্তমানে এই পৃথিবীতে দুঃখের অভাব নেই, বাড়তি দুঃখের প্রয়োজন কীসের? কেউ বলেছেন ইশ্বর যেন তাঁকে তুলে নেন! আবার কেউ বলেছেন যে এইরকম রান্নার চিন্তা করাটাই ভয়ঙ্কর। করোনাকালে ঘরে বসে শেয়ার করা হচ্ছে সুপ্ত প্রতিভা। সবাই নানা রকমের রেসিপি শেয়ার করছেন। কিন্তু ম্যাগির সঙ্গে এই উদ্ভট এক্সপেরিমেন্ট? মেনে নিচ্ছেন না নেটিজেনরা।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

diabetic diet: সুগার আছে? খাদ্যতালিকা থেকে আজই বাদ দিন এই ফলগুলি, নইলে বাড়তে পারে ঝুঁকি! – these are worst fruits for diabetes patients and here know a healthy diet chart

হাইলাইটসযে কোনও রোগকে ডেকে আনতে ডায়বেটিসের জুড়ি নেই। অতিরিক্ত সুগার চুপি চুপি একের পর এক অঙ্গকে অকেজো করে দেয়—কিডনি থেকে লিভার থেকে চোখ। তাই প্রথম থেকেই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যে কোনও রোগকে ডেকে আনতে ডায়বেটিসের জুড়ি নেই। অতিরিক্ত সুগার চুপি চুপি একের পর এক অঙ্গকে অকেজো করে দেয়—কিডনি থেকে লিভার থেকে চোখ। তাই প্রথম থেকেই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার। চিকিৎসকদের মতে, খাদ্যাভাসে বড় রকম পরির্বতন হলে রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়তে পারে। আবার রাত জাগলে বা দিনের বেলা ঘুমোলেও রক্তে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে। মানসিক উদ্বেগ, অবসাদ, দুশ্চিন্তা তো আছেই। শহুরে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খেলাধুলো-ব্যায়াম, এক কথায় কায়িক পরিশ্রম না করলেও রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়ে। ডায়াবিটিস রোগীরা প্রায়ই বলেন, তাঁরা খাবারে মিষ্টি গ্রহণ করেন না, তা সত্ত্বেও রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, খাবারের পাশাপাশি আমাদের চারপাশে এমন কিছু ফল রয়েছে যা খেলে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে কিছু ফল ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে, তাই এগুলি এড়ানো উচিত। দেখে নিন সেই ফলগুলি কী কী-এই ফলগুলি এড়িয়ে চলুনতরমুজখেজুরআনারসপাকা কলাডালিমসবেদাআমআঙুরঅবশ্যই, এই ফলগুলি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে, ডায়াবিটিস রোগীরা এগুলি গ্রহণ করা উচিত। অথবা পরিমিতভাবে খেতে হবে এই ফলগুলি। কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর পিরিয়ডের সমস্যা? মহিলাদের কী কী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে, জানুন…ড্রাই ফ্রুটস ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারীসুগার রোগীরা তাঁদের ডায়েটে শুকনো ফল অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। ২০১৭ সালে এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে বাদাম বা শুকনো ফল ভালো বিকল্প হতে পারে। একই সঙ্গে আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে ড্রাই ফ্রুটসের কথা।ডায়াবিটিস রোগীরাও এই ফলগুলি খেতে পারেনআমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা শুকনো ফলের পাশাপাশি তাদের ডায়েটে কিছু ফল যুক্ত করতে পারেন যা তাঁদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করবে না। এর মধ্যে রয়েছে এপ্রিকট, কালো মটর, জাম, চেরি, কমলা, পেঁপে, পিচ, স্ট্রবেরি এবং ট্যানগারাইন।উচ্চ কার্বযুক্ত ফল ব্যবহার করবেন নাডায়াবিটিসে কেবল মিষ্টি ফল নয়, কার্বোহাইড্রেটও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যক্তি যে পরিমাণ কার্ব গ্রহণ করেন তা তাদের চিনির স্তরকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।একটি মাঝারি আপেলের মধ্যে ১৫-২০০ গ্রাম কার্ব থাকে তবে একটি বড় কলাতে ৩০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। একটি চকোলেট মাফিনে ৫৫ গ্রাম থাকে এবং একটি শুকনো ফলের অন্তত ২০ গ্রাম কার্ব থাকে।তথ্য সৌজন্য: নব ভারত টাইমসটাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Health Tips:দুধের সঙ্গে ঘি খাওয়া কি ভালো? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা, জানুন… – health benefits of drinking desi cow ghee with milk

হাইলাইটসপ্রাচীন আর্য়ুবেদ শাস্ত্রে ঘি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পুজোপার্বণ থেকে ওষুধ সবক্ষেত্রেই ঘিয়ের বহুল ব্যবহার। এখন ক্যালরির খাতিরে অনেকেই ঘি খেতে চান না। ঘি খেলে নাকি মোটা হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। এছাড়াও যাদের হাই ব্লাডপ্রেসার বা কোলেস্টেরল রয়েছে তারা ঘি খায় না। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাচীন আর্য়ুবেদ শাস্ত্রে ঘি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পুজোপার্বণ থেকে ওষুধ সবক্ষেত্রেই ঘিয়ের বহুল ব্যবহার। এখন ক্যালরির খাতিরে অনেকেই ঘি খেতে চান না। ঘি খেলে নাকি মোটা হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। এছাড়াও যাদের হাই ব্লাডপ্রেসার বা কোলেস্টেরল রয়েছে তারা ঘি খায় না। অনেকক্ষেত্রে বলা হয় ঘি যেহেতু গুরুপাক তাই দুধের সঙ্গে খেতে নিষেধ করেন। আবার অনেকেই বলেন একটু ঘি খেলে কোনওরকম ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নেই। এ নিয়ে নানা মত বাজারে প্রচলিত। কিন্তু ঘি আর দুধ যদি একসঙ্গে খাওয়া যায়? চিকিৎসকদের মতে, দুধের সঙ্গে ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে বিভিন্ন উপায়ে উপকারী। এটি কেবল বিপাকের উন্নতিই করে না, বাড়তি স্ট্যামিনার পাশাপাশি জয়েন্টে ব্যথাতেও উপশম করে। দুধ এবং ঘি মিশ্রনকে অমৃত হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি এমন একটি ডায়েট যা সকলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ঘি আর দুধের কিন্তু চরম শত্রুতা নেই। কাজেই ঘি আর দুধ মিশিয়ে খেতেই পারেন। আর খেলে কি কি উপকার পাবেন সেই তালিকায় একবার চোখ বুলিয়ে নিন।স্ট্যামিনা বাড়িয়ে দেয়আপনি কি আজকাল ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন? প্রতিদিন রাতে ঘুমোনোর আগে এক কাপ দুধ খান। অথবা গরম ভাতে ঘি খান। ডালিয়া বা ওটস বানালে তাতে অল্প ঘি দিন। ক্লান্তি দূর হবেই। আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন যে যারা কুস্তি করেন তাঁরা খুব শক্তিশালী হন, এর জন্য এরা একসঙ্গে ঘি এবং দুধ পান করে।জয়েন্টে ব্যথা উপশম করেআপনার খাদ্য তালিকায় দুধ ঘি রাখুন। যাদের দুধে সমস্যা তারা ল্যাকটোজ ফ্রি দুধ খান। জয়েন্ট পেইন কমতে বাধ্য। আপনি যদি জয়েন্টের ব্যথাতে ভোগেন তবে তা থেকে তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে দুধ এবং ঘি খাওয়া উচিত। ঘি জয়েন্টগুলি লুব্রিকেট করে এবং প্রদাহ দূর করে, দুধ হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে। জয়েন্টে ব্যথার ক্ষেত্রে এক গ্লাস দুধে এক চামচ গরুর ঘি মিশিয়ে কয়েক দিন পান করুন।বার বার হাই ওঠে? এই সব রোগের লক্ষণ হতে পারে!হজমশক্তি বাড়েহজমের নানারকম সমস্যা সময় বিশেষ সকলেই ভুগে থাকেন। দুধ আর ঘি একসঙ্গে খেলে সেই কঠিন এনজাইমকে ভেঙে সহজপাচ্য এনজাইমে পরিণত করে। এমন নয় যে দুধে ঘি মিশিয়ে খাবেন। খাদ্য তালিকায় এই দুই রাখুন। দুধে ঘি মিশিয়ে পান করলে শরীরের অভ্যন্তরে হজম এনজাইমগুলির নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে। ফলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। এই এনজাইমগুলি জটিল খাদ্য উপাদানগুলি ভেঙে দেয় এবং সহজে হজম করতে সহায়তা করে। আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য হয় বা হজম শক্তি দুর্বল হলে প্রতিদিন দুধে ঘি মিশিয়ে খেলে হজম শক্তি মজবুত হয়।মেটাবলিজম ঠিক থাকেঘি এবং দুধ মেনবদেহে মেটাবলিজম ঠিক রাখে এবং শরীরে এনার্জি দেয়। ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। ঘি এবং দুধের সংমিশ্রণ শরীরে শক্তি সরবরাহ করে এবং বিপাক উন্নত করে। এছাড়াও এটি শরীরকে ডিটক্সাইফাই করে এবং সমস্ত টক্সিন বের করে দেয়।COVID ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কতদিন থাকবে টিকার প্রভাব? যা যা জানা জরুরি…ঘিয়ে রয়েছে পুষ্টিকর উপাদানদেশি ঘিয়ে রয়েছে পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। এতে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি এবং ফ্যাটি অ্যাসিডও রয়েছে। তাই ঘি একটি সুপারফুড হিসাবে বিবেচিত হয়। প্রাচীন কালে দেহের শক্তি ও শক্তি বাড়ানোর জন্য ঘি খাওয়া হত।যৌনজীবনে খুশি থাকেযৌনতা এবং যৌনজীবনে খুশি থাকতে ডায়েটে দুগ্ধ প্রোডাক্ট রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এর ফলে উত্তেজনা বজায় থাকে। আর আপনার যদি পরিবার পরিকল্পনা থাকে তাহলে অবশ্যই নিয়ম করে দুধ খান।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Indian Army recruitment: ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদে চলছে নিয়োগ, আজই আবেদন করুন – indian army releases recruitment notification for various posts

Indian Army Recruitment: আপনি কি সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে দেশের সেবা করতে ইচ্ছুক? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে সুবর্ণ সুযোগ। সম্প্রতি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিভিন্ন পদে করা হবে নিয়োগ। রিক্রুটমেন্ট র‍্যালির মাধ্যমে করা হবে এই নিয়োগ। অষ্টম, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণী উত্তীর্ণ প্রার্থী যাঁরা সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে ইচ্ছুক, এই রিক্রুটমেন্ট র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এই রিক্রুটমেন্ট র‍্যালির মাধ্যমে সেনাবাহিনীর বেশ কিছু বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ করা হবে। যার মধ্যে অন্যতম Soldier on Duty, Soldier Clerk, Soldier Nursing Assistant, Soldier Tradesman and Soldier Technical-এর মতো পদ।কীভাবে করবেন আবেদন?যে সমস্ত প্রার্থীরা এই শূন্য পদগুলোর জন্য আবেদন করতে চান, তাঁরা ভারতীয় সেনা বাহিনীর সকারি ওয়েবসাইট http://joinindianarmy.nic.in/Authentication.aspx. -এ গিয়ে আবেদন পত্র জমা দিতে পারেন। আগামী ২২ মে ২০২১ পর্যন্ত করা যাবে এই আবেদন। ন্যূনতম যোগ্যতাএই পদগুলিতে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের ন্যূনতম কিছু শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই প্রয়োজন। প্রার্থীদের অষ্টম, দশম অথবা দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ অবশ্যই হতে হবে। তবেই তাঁরা এই রিক্রুটমেন্ট র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। পরীক্ষার তারিখ ও স্থান আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এই রিক্রুটমেন্ট র‍্যালি। এই র‍্যালিটি উত্তরপ্রদেশের ফতেগড় অবস্থিত রাজপুত রেজিমেন্ট সেন্টারে আয়োজিত হবে। বাছাই প্রক্রিয়াযোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করতে শারীরিক পরীক্ষা (Physical Efficiency Test) ও লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তর দেওয়ার জন্য থাকবে নেগেটিভ নম্বর। তাই পরীক্ষায় উত্তর দেওয়ার সময় অবশ্যই সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে প্রার্থীদের। গুরুত্বপূর্ণ নথি পরীক্ষার সময় সকল প্রার্থীদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই বিজ্ঞপ্তিতে। যার মধ্যে রয়েছে ২০ কপি ছবি, জাতির আসল প্রমাণপত্র ও শিক্ষাগত যোগ্যতার আসল প্রমাণপত্র। এছাড়াও এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারি সমস্ত প্রার্থীদের নেগেটিভ Covid-19 রিপোর্ট আনা আবশ্যিক। আর সেই রিপোর্ট অবশ্যই পরীক্ষার ৪৮ ঘণ্টার আগে পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য হবে। অ্যাডমিট কার্ড২২ মে আবেদন জমা করার শেষ তারিখ। এরপর ২৩ মে প্রার্থীদের ই-মেল আইডিতে অ্যাডমিট কার্ড পাঠানো হবে। কারা আবেদন করতে পারবেন?এই রিক্রুটমেন্ট র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই উত্তরপ্রদেশের এই ১২টি জেলার মধ্যে কোন একটির বাসিন্দা হতে হবে। জেলাগুলি হল বাদাউন, লখিমপুর, পিলিভিট, ফারুখাবাদ, বাহরাইচ, বলরামপুর, বারেলি, হরদই, সমভাল, শাহজাহানপুর, শ্রবস্তী ও সীতাপুর।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

child bad habit: কিছু বললেই কি সন্তান মুখ মুখে জবাব দেয়? কী করবেন জেনে নিন – how to deal with child’s habt of talking back

হাইলাইটসআপনার সন্তান যখন বড় হয়ে উঠছে, তখনই ওকে ভালো অভ্যেস কী কী আর খারাপ অভ্যেস কী কী সেগুলি বুঝিয়ে বলুন। বড়দের মুখে মুখে কথা বলা যে খারাপ অভ্যেস সেটা যেন এই স্বভাব ওর তৈরি হওয়ার আগে থেকেই ও জেনে যায়।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: আমাদের সন্তান যখন ধীরে ধীরে ছোট থেকে বড় হওয়ার পথে এগোয়, তখন তার আচার আচরণে কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়। এই পরিবর্তনের সবটাই যে ভালো তা নয়। তাদের মধ্যে এই বয়সে অনেক খারাপ অভ্যেসও মাথা চাড়া দেয়। এই অভ্যেসগুলি তাদের জন্যই কতটা ক্ষতিকর, বাবা মা হিসেবে সেটা তাদের বোঝানো আপনাদেই দায়িত্ব। বাড়ন্ত বাচ্চাদের মধ্যে যে সব খারাপ অভ্যেস দেখা দেয়, তার মধ্যে অন্যতম হল মুখে মুখে কথা বলার অভ্যেস। অনেক বাচ্চাকেই দেখা যায়, কোনও বিষয়ে বাবা মা বকাঝকা করতে এলেই বা কোনও কিছু বারণ করলে তারাও গলা উঁচিয়ে জবাব দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে বাড়ন্ত বাচ্চাদের মধ্যে এই অভ্যেস অস্বাভাবিক কিছু নয়। আপনাকে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে এর মোকাবিলা করতে হবে। দেখে নিন বাচ্চার মুখে মুখে জবাব দেওয়ার অভ্যেস বন্ধ করতে কী কী করবেন…* আপনার সন্তান যখন বড় হয়ে উঠছে, তখনই ওকে ভালো অভ্যেস কী কী আর খারাপ অভ্যেস কী কী সেগুলি বুঝিয়ে বলুন। বড়দের মুখে মুখে কথা বলা যে খারাপ অভ্যেস সেটা যেন এই স্বভাব ওর তৈরি হওয়ার আগে থেকেই ও জেনে যায়। * ভালো ও খারাপ অভ্যেসের মধ্যে পার্থক্য কোথায় সেটা ওকে বুঝিয়ে বলুন। ভালো অভ্যেস থাকলে ওর কী কী সুবিধে হবে এবং খারাপ অভ্যেস থাকলে তখন ওর কী কী অসুবিধে হবে, তা ওকে ভালো করে বোঝান।একগুঁয়ে বাচ্চাকে ম্যানেজ করবেন কী ভাবে? রইল জরুরি parenting tips* সন্তান মুখে মুখে জবাব দিলে সেই সময় রাগারাগি করবেন না। শান্ত থেকে ওর যা বলার আছে, সবটা বলার সুযোগ দিন। * রাগারাগি করে বা শাসন করে সন্তানের খারাপ অভ্যেস ছাড়ানোর চেষ্টা করবেন না। এতে ওর আরও জেদ বেড়ে যেতে পারে। এই বিষয়ে ওকে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করুন। * সন্তান অন্য কারোর মুখে মুখে জবাব দিলে তা অদেখা করবেন না। এটা যে ভুল কাজ এবং ওর করা উচিত হয়নি, তা ওকে বুঝিতে বলুন।কেন ছোট বয়স থেকে বাবা-মাকে মিথ্যে বলে অনেক সন্তান? জানুন কারণ…* বোঝানোর পরেও যদি মুখে মুখে জবাব দেওয়া বন্ধ না হয়, তখন একটু কড়া হতেই হবে। * সন্তান অনেক সময় অনেক কথা বলে ফেলে যা ওরা ভেবে বলে না। তাই সব কথার মানে বের করতে যাবেন না। কিছু কিছু সময় ওদের অন্য কাজে ব্য়স্ত রাখার চেষ্টা করুন।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

basic dating tips: প্ল্যান তো করেছেন, তবে ডেটিং নিয়ে জরুরি এই ৫ তথ্য জানেন কি? – these 5 things every man should know about dating

হাইলাইটসডেটিং এর আনন্দে মশগুল থেকে কিন্তু মাস্ক পরতে ভুলবেন না। সেই সঙ্গে নিয়মিত স্যানিটাইজারও সঙ্গে রাখুন। বার বার হাত ধোওয়া, স্প্রে করা এসব কিন্তু একেবারেই ভুলবেন নাএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ডেটিংয়ে যাওয়ার প্ল্যান তো করেছেন। কিন্তু জানেন কি ডেটিং মানেই বেশ কিছু ঝক্কিও পোহাতে হয়। যেমন কোথায় যাবেন, কী পোশাক পরবেন, কী খাবেন অনেক কিছুই মাথায় রাখতে হয়। আবার প্রথম ডেটিং-এ যদি সঙ্গীর পছন্দ না হয় তাহলে আবার বাতিল হয়ে যাওয়ারও কিন্তু ভয় থাকে। একবার বাতিল হলে মনোবল যেমন ভেঙে যায়, তেমনই সব আবার নতুন করে শুরু করতে হয়। আর তাই ডেটিং সংক্রান্ত কিছু জরুরি টিপস থাকল ছেলেদের জন্য। ডেটিং এর আনন্দে মশগুল থেকে কিন্তু মাস্ক পরতে ভুলবেন না। সেই সঙ্গে নিয়মিত স্যানিটাইজারও সঙ্গে রাখুন। বার বার হাত ধোওয়া, স্প্রে করা এসব কিন্তু একেবারেই ভুলবেন না। যাওয়ার আগে ক্যাফে, রেস্তোরাঁর কোভিড গাইডলাইন ও নিরাপত্তার বিষয়টিও খতিয়ে দেখে নিন। এছাড়াও সম্ভব হলে প্রথম ডেট কিছুদিনের জন্য মুলতুবি রাখুন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বেরোবেন। নিজেকে অতিরিক্ত কিছু দেখাবেন নানিজে যা তাই থাকুন। অতিরঞ্জিত করতে যাবেন না। খুব বেশি সাজগোজ, খুব বেশি পরিপাটি পোশাক যেমন দরকার নেই তেমনই আড্ডা মারতে যাওয়ার মুডেও যাবেন না। অতিরিক্ত কোনও কথা যেমন বলবেন না তেমনই চুপ থাকবেন না। মোটকথা নিজে যা তাই থাকুন। ফ্যান্সি ডেট নয়, বরং ফান ডেট হোকপ্রথম ডেট মানেই ক্যান্ডেল লাইট ডিনার নয়। কিংবা খুব দামি জায়গায় যেতে হবে এমনও নয়। বরং এমন কোথাও যান যেখানে দুজনে বসে চুটিয়ে গল্প, মজা সব করতে পারবেন। আর এমন ডেটই কিন্তু মনে থাকবে আজীবন। মেয়েদের সামনে কোনও অভিনয় নয়মেয়েদের কিন্তু একেবারেই বোকা ভাববেন না। আপনার যাবতীয় চালাকি ধরে ফেলার মতো ক্ষমতা রয়েছে মেয়েদের। কোন ছেলে বাড়িয়ে কথা বলছেন, কী বিষয়ে মিথ্যে বলছেন সবই বুঝতে পারেন মেয়েরা। কাজেই তাঁদের সামনে নিজেকে বিশাল কেউকেটা প্রমাণের কোনও দরকার নেই। এতে নিজেরই সম্মানহানি। ফুল নিয়ে যেতে পারেনপ্রথম ডেট? ভাবছেন কী উপহার নিয়ে যাবেন? ফুল নিয়ে যেতে পারেন। কিংবা চকোলেটও নিতে পারেন। তবে খুব বড়েো ফুলের তোড়া নিয়ে হাজির হবেন না। বরং পছন্দের যে কোনও দুটো ফুল নিতে পারেন। সঙ্গে চকোলেট নিতে পারেন। কুল থাকুনডেট মানেই বোর্ডের ফাইনাল পরীক্ষা নয়। ফলে দু রাত জেগে নোটস মুখস্থ করার টেনশন নেবেন না। কী দেখব, কেমন দেখব, কেমন প্রশ্ন করবে এসব ভেবে নিজের পালস রেট বাড়িয়ে তুলবেন না। বরং নিজের মতো শান্ত থাকুন। গান শুনুন। প্রয়োজনীয় কাজ মিটিয়ে ডেটে যান। আড্ডা দিন। কফি খান। একটা সুন্দর সন্ধ্যে কাটিয়ে বাড়ি ফিরে আসুন।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

itching in pregnancy: গর্ভাবস্থায় চুলকুনিতে অস্থির হয়ে যাচ্ছেন? অবহেলা করলে বিপদ হতে পারে! – facing a nagging itch during pregnancy? you should consult a doctor

হাইলাইটসগর্ভাবস্থায় মাত্রাতিরিক্ত চুলকানি আসলে একটা অসুখ বলে জানাচ্ছেন ডাক্তাররা। ডাক্তারি পরিভাষায় এর নাম ইনট্রাহেপাটিক কোলেস্টাসিস অফ প্রেগন্যান্সি বা আইসিপি। লিভারের সমস্যা থেকেই আইসিপি হতে পারে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: গর্ভাবস্থায় শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। পেট স্ফীত হয়ে যাওয়ার কারণেই চামড়ায় টান পড়ে চুলকানি হয়। পেট, বুক, হাত, পা শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি হতে পারে। গর্ভবতী মহিলারে হালকা চুলকানি হলে তা স্বাভাবিক বিষয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা কিন্তু যদি তা মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যায় তবে চিন্তার কারণ বৈকি। আপনি যখন মা হতে চলেছেন, সেই সময় অসহ্য চুলকানি হলে মোটেও তা অবহেলা করবেন না।গর্ভাবস্থায় মাত্রাতিরিক্ত চুলকানি আসলে একটা অসুখ বলে জানাচ্ছেন ডাক্তাররা। ডাক্তারি পরিভাষায় এর নাম ইনট্রাহেপাটিক কোলেস্টাসিস অফ প্রেগন্যান্সি বা আইসিপি। লিভারের সমস্যা থেকেই আইসিপি হতে পারে। আইসিপি-র কারণে গর্ভবতী মহিলার বিশেষ কোনও শারীরিক ক্ষতি না হলেও তাঁর গর্ভের সন্তানের জন্য বড় বিপদ অপেক্ষা করে থাকতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত চুলকানি হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখান।PUPPP হল এমন এক ধরনের চুলকানিযুক্ত র‍্যাশ যেটি আপনার গর্ভাবস্থার শেষ দিকের মাসগুলিতে আপনার পেটের উপর দেখা যায়। ডাক্তাররা বিশ্বাস করেন যে প্রসারিত ত্বক এই র‍্যাশটিকে আরও বাড়িয়ে তোলে কিন্তু এর আসল কারণটি অজানাই। PUPPP র‍্যাশগুলি খুব সম্ভবত প্রথম গর্ভাবস্থায় এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে হয়ে থাকে। PUPPP র‍্যাশগুলি মারাত্মক চুলকানির সৃষ্টি করে যা অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠে।এগুলি আপনার উরু এবং এমনকি স্তনেও ছড়িয়ে যেতে পারে।আইসিপি-র চিকিত্‍সা না হলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সন্তানের জন্ম হয়ে যেতে পারে। গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ট্রিমেস্টারে আইসিপি হতে পারে। বিশেষ করে রাতের বেলা এর প্রকোপ বাড়ে। চুলকানির সঙ্গে খিদে কমে যাওয়া, ক্লান্তি, ত্বক হলদেটে হয়ে যাওয়াও আইসিপির চিহ্ন।২০, ৩০ এবং ৪০-এর কোঠায় গর্ভবতী হওয়ায় তফাত্‍ কী? আরও যা জানা জরুরিগর্ভাবস্থার চুলকানি নিরাময়ের জন্য ওটমিলের স্নান করা হল চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়ার একটি বিশ্বাসযোগ্য অনুশীলন। কেবল এক বাটি ওটমিল নিয়ে সেটিকে হালকা গরম জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে সেই মিশ্রণটিকে দেহের যে কোনও চুলকানি অংশের অস্বস্তি ও জ্বলন প্রশমিত করতে ব্যবহার করুন।গর্ভাবস্থাতেই ফের গর্ভধারণ ব্রিটিশ মহিলার! সম্ভব? জানুনএছাড়া অ্যালোভেরা জেল একটি বহুমুখী প্রাকৃতিক পণ্য। এটি ত্বকের বিভিন্ন অবস্থার চিকিৎসার জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কেবল জেলটিকে প্রভাবিত এলাকায় এবং চুলকানিপ্রবণ অঞ্চলগুলির উপর প্রয়োগ করুন। জেলটি প্রাকৃতিক ভাবেই জ্বলন, ঘা,ব্যথা এবং আঁচড়ানোর তাগিদ হ্রাস করবে। তাছাড়াও জেলটি আবার এমন একটি স্তরও গঠন করে যা আঁচড়ে চুলকানোর সময় কোনও ক্ষতি হওয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করে।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

tali app details: অনলাইন ক্লাসে শিশুরা কীভাবে পরিণত মনোযোগ ক্ষমতা পেতে পারে, তা আগে বুঝে উঠুন – improved attention skills can help children get through their online classes, understand how fea ture

হাইলাইটসমনোসংযোগের বিষয়ে রয়েছে একাধিক স্তর। আর সেগুলি বুঝে ওঠার জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা বা অভিভাবকদের কাছে একাধিক টুলস রয়েছে। এই সব টুলসের সাহায্যে নিয়ে তাঁরা বিভিন্ন বাচ্চাদের মনোযোগের বিষয়টি বুঝতে পারবেন।পড়াশোনাকে আমরা কোন চোখে দেখি আর বাচ্চারাই বা সেখান থেকে সত্যিই কী ভাবে উপকৃত হতে পারে, গত বছর সেই বিষয়টাই ভালো করে লক্ষ্য করেছি আমরা। একদিকে ট্র্যাডিশনাল ক্লাসরুম সেট-আপে তাদের বসতে মানা, ই-লার্নিং প্রযুক্তির মধ্য দিয়ে স্কুল এবং বিভিন্ন অর্গনাইনজেশনের সঙ্গেই বাচ্চাদের একটু ধাতস্থ করে তোলা। তবে, একটা বিষয় নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় যা, অনলাইন ক্লাস বাচ্চাদের পড়াশোনার দিক থেকে আরও সুরক্ষিত করে তুলেছে এবং সেই সঙ্গেই নতুন জিনিস শেখা এবং ভবিষ্যতে শিক্ষাব্যবস্থা ও ভারতে স্কুলিংয়ের বিষয়টিও স্পষ্ট করে দিয়েছে। আর সেই দিক থেকেই যদি বিশেষজ্ঞ এবং ইন্ডাস্ট্রির গুঞ্জনের কথা ধরা হয়, তাহলে আরও ফ্লুইড হাইব্রিড লার্নিং সিস্টেমের দিকে যাচ্ছি, সে কথাটা বলতেই হয়। নতুন এই সিস্টেমের ভিত্তিই হতে চলেছে ই-লার্নিং। আর সেই কারণেই বাচ্চাদের এই ব্যবস্থায় আরও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে হবে এবং বিষয়টি সহজ থেকে সহজতর করে নিতে হবে। বাচ্চার মা-বাবারা যেখানে তাঁদের সন্তানের পড়াশোনার বিষয়টি নিয়ে খুবই ভাবিত, সেখানে সবার প্রথমেই তাঁদের নজর দেওয়া উচিত সেই বাচ্চার মনোসংযোগের বিষয়টি নিয়ে।মনোযোগ এবং শেখার মধ্যে লিঙ্কটি বুঝতে হবেদীর্ঘদিন ধরেই আমরা একটা বিষয় দেখে এসেছি যে, কোনও বিষয়ে ফোকাস করার জন্য সবার প্রথমেই তাতে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন। বিষয়টির মধ্যে অন্তর্নিহিত ব্যখ্যা থাকলেও এর ব্যপ্তি বিরাট। মনোযোগই হল শিশুর পঠনপাঠনে উন্নতি করার প্রথম ধাপ। খুব মনোযোগ সহকারে পড়া, তার পর তা মনে রাখা এবং সবথেকে জরুরি কোন বিষয়টা মগজে ঢুকিয়ে নিতে হবে, তার ফিল্টার করা। অনলাইন লার্নিংয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি সবথেকে মুশকিল। কারণ, ইন্টারনেটে পড়াশোনা করতে বসলে, মনোসংযোগে ব্যঘ্যাত ঘটে বৈকি!শিক্ষক এবং অভিভাবকেরা নতুন টুলস ডেভেলপ করে, ভার্চুয়ালি কচিকাচাদের মনোযোগ বাড়ানোর লাগাতার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তবে, অনলাইনে যাতে বাচ্চারা আরও ভালো ভাবে মন দিয়ে কোনও জিনিস শিখতে পারে, তার জন্য তাদের কোনও বিষয়ে বোঝার ক্ষমতা আগে অনুধাবন করতে হবে। আর সেই মোতাবেক কাজ করলেই তবে সেরার সেরা লার্নার হওয়া সম্ভব। সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হল, বাচ্চারা দীর্ঘ সময়ের ক্লাসে একটা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে-থাকতেই কঠিন কসরত করতে হয়। অনলাইন লার্নিং ক্লাসে খুব উজ্জ্বল স্ক্রিনের দীর্ঘ স্ক্রিনটাইমেও বাচ্চাদের মনোসংযোগের ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটতে পারে।বাচ্চার মনোসংযোগের বিষয়ে আপনাকে ঠিক কী কী খেয়াল রাখতে হবেমনোসংযোগের বিষয়ে রয়েছে একাধিক স্তর। আর সেগুলি বুঝে ওঠার জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা বা অভিভাবকদের কাছে একাধিক টুলস রয়েছে। এই সব টুলসের সাহায্যে নিয়ে তাঁরা বিভিন্ন বাচ্চাদের মনোযোগের বিষয়টি বুঝতে পারবেন। এই দুনিয়ার প্রতিটা বাচ্চাই আলাদা এবং ততটাই আলাদা তাদের আগ্রহ এবং মনোসংযোগের মতো গুরুতর বিষয়। আর সেই কারণেই খুব গভীরে গিয়ে তাদের মনোসংযোগের বিষয়টি বুঝে ওঠা জরুরি। TALi-র মতো অর্গানাইজেশন সেই পদ্ধতি খুবই সহজ এবং বিশ্বস্ত করে তুলেছে।দশকেরও বেশি সময় ধরে বাচ্চাদের মনোসংযোগ এবং স্কিল ডেভেলপমেন্টের বিষয় নিয়ে গবেষণা চালানো পরেই, TALi খুব সম্প্রতি ভারতে এসেছে অভিভাবকদের কাছে তাঁদের বাচ্চাকে সেরার সেরা করে তুলতে। আপনার সন্তানের অ্যাটেনশন স্কিল নিয়ে ডিটেইল অ্যাসেসমেন্ট করার পাশাপাশিই TALi অ্যাপে রয়েছে একাধিক টুলস, যার সাহায্যে বাচ্চাদের স্কিল উন্নত করা যাবে। সেখানে রয়েছে 5 সপ্তাহের TARIN প্রোগ্রাম, যার দ্বারা বাচ্চাদের স্কিলস আরও পরিণত হবে।এই TALi অ্যাসেসমেন্ট এবং TRAIN বাচ্চাদের ডিটেইলড এবং ইজ়ি টু ট্র্যাক প্রোগ্রাম অফার করে, যা শিশুর অ্যাটেনশন স্কিল উন্নত করতে সাহায্য করে। তা সে রোজকার টাস্ক হোক আর হোক সে যে কোনও ধরনের অ্যাসাইনমেন্ট, বাচ্চাদের মনোযোগের শক্তি এবং দুর্বলতা খুবই খুঁটিয়ে লক্ষ্য করা উচিত। এই টুল যেমন অভিভাবকেরা ব্যবহার করতে পারেন তেমনই আবার শিক্ষক-শিক্ষিকারাও এই টুলের সাহায্যে শিশুদের কগনিটিভ এবিলিটি পরখ করে দেখতে পারেন।TRAIN – আপনার বাচ্চার জন্য একটি গেম-বেসড ট্রেনিংTRAIN হল একটি ট্রেনিং প্রোগ্রাম, যা 25 বছরেরও বেশি সময় ধরে কগনিটিভ নিউরোসায়েন্স এবং ডেভেলপমেন্টাল সাইকোলজির উপরে রিসার্চ করে তৈরি করা হয়েছে। এমনকি ক্লিনিকাল ট্রায়ালে এ-ও প্রমাণিত হয়েছে যে, এর দ্বারা সত্যিই শিশুদের মনোসংযোগ বাড়ে। পাশাপাশিই আবার TRAIN শিশুদের মধ্যে যে লুক্কায়িত মনোসংযোগের প্রতিভা থাকে, তা-ও খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। কোনও নির্দিষ্ট টাস্ক বা স্কুলে শেখানোর প্রক্রিয়ায় বাচ্চাদের অংশ নিতে এবং সর্বোপরি মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে। ফলে, স্কুলের শেখানো কোনও বিষয় শিশুরা স্কুলেই শিখে আসতে পারে। এছাড়াও কোনও নতুন বিষয় শেখার ক্ষেত্রেও তারা অন্যমনস্ক না হয়েই সেখানে মনোনিবেশ করতে পারে।শিশুর মনোযোগ বৃদ্ধিতে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।TALi একটি মজাদার এবং চিত্তাকর্ষক অ্যাটেনশন ট্রেনিং সলিউশন নিয়ে এসেছে 3 থেকে 8 বছরের বাচ্চাদের জন্য, যার সাহায্যে বাচ্চাদের অ্যাটেনশন স্কিল পরখ করে দেখতে সক্ষম হন মা-বাবারা। তবে, খুব সাধারণ কিছু দৈনিক প্র্যাকটিসের দ্বারাই আপনার বাচ্চার মনোযোগ আপনি বাড়িয়ে তুলতে পারেন। তার মধ্যে অন্যতম কার্যকরী একটি প্র্যাকটিস হল, বাচ্চাকে তার শখের বিষয়গুলি খুঁজতে সাহায্য করা। এর ফলে শিশুরা নিজেদের সৃজনশীলতা যেমন মেলে ধরতে পারে, তেমনই আবার তাদের ফোকাস করতেও সাহায্য করে।এছাড়াও বাচ্চাদের এমনই কিছু গেম খেলতে দেওয়া উচিত, যেগুলির সাহায্যে তারা নিজেদের যেমন এনগেজ করে রাখতে পারে তেমনই আবার শক্তি ক্ষয়ও করতে পারে। পাশাপাশিই আবার বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইনে কথাবার্তা বলার ফলেও শিশুরা তাদের সোশ্যাল স্কিল ছোট্ট ছোট্ট ধাপের মধ্যে দিয়ে শিখতে পারে। এর ফলে আপনি যেমন বাচ্চাকে এনগেজ করে রাখতে পারছেন, তেমনই আবার তার মনোযোগ বৃদ্ধিও করতে পারছেন।2003 SARS আউটব্রেক ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল। এই প্যানডেমিকের সময়েও শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলিং ফাংশানেও প্রভূত পরিবর্তন নজরে এসেছে। আর এই পরিবর্তনেই শিশুদের জন্য ব্যাপক ভাবে উপকারী হতে পারে TALi অ্যাপ। অসাধারণ এই অ্যাপ আপনার বাচ্চাকে বুঝতে সাহায্য করে এবং তার মনোযোগের বিষয়টি খুঁটিয়ে দেখার পর তার একাধিক চিত্তাকর্ষক স্কিলসের মধ্যে দিয়ে সঠিক সমাধানসূত্রে বের করে দিয়ে, তার গ্রোথ এবং ডেভেলপমেন্টেও সাহায্য করে। এখন আপনি যদি সত্যিই আপনার সন্তানের মনোযোগের বিষয়টি আরও পরিণত করতে চান, তাহলে এখানে ক্লিক করুন এবং TALi-র ডিটেইলড অ্যাসেসমেন্টে অংশগ্রহণ করুন।ডিসক্লেইমার: এটি আর্টিকল প্রোডিউস করা হয়েছে TALi-র তরফে টাইমস ইন্টারনেটের স্পটলাইট টিমের দ্বারা।

Source link

Newly Married Couple Fights: বিনা কারণে ঝগড়ার স্বভাব! আপনিও কি করেন? অবশ্যই পড়ুন… – 5 silliest arguments you have with your partner

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: খুনসুটি, ঝগড়াঝাটি, আড্ডা এই সব থাকলে তবেই না সম্পর্কে মজা! সব সম্পর্কে সব যুগলদের মধ্যেই কম বেশি ঝগড়া, কথা কাটাকাটি, মান অভিমান হয়েই থাকে। আর এই সব হল সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ। একে অপরকে একটু খোঁচা না দিলে, পিছনে না লাগলে সম্পর্কটাই যেন পানসে হয়ে যায়। কাঁহাতক আর কত ভালোবাসা যায় বাপু! তাই বলে সব সময় গলার স্বর সপ্তমে উঁচিয়ে ঝগড়ার অভ্যেসও কিন্তু ঠিক নয়। তবে সদ্য বিবাহিত যুগলেরা বেশ কিছু ছোট ছোট বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা। করেন। জানেন সেগুলি কী কী?ডিনারের মেনুবিয়ের পর সংসারের দায়িত্ব দুজনে ভাগ করে নেওয়া, রান্নাঘরের দায়িত্ব ভাগাভাগি হলেও বেশিরভাগ ছেলেদেরই খাওয়া নিয়ে হাজারো বায়নাক্কা থাকে। একেবারে হালকা, সেদ্ধ বাড়ির খাবার কখনই তাদের মুখে রোচে না। ফলে রাতের খাবার নিয়ে ঝামেলা লেগেই থাকে।বাথরুম নিয়ে সমস্যাকেন বালতি এক জায়গায় আর মগ আরেক জায়গায় কিংবা শ্যাম্পু, শাওয়ার জেল কেন ঠিক করে রাখা নেই এসব নিয়ে তো সমস্যা লেগেই থাকে। কোমোডের সিট নামিয়ে রাখার মতো সুঅভ্যাস ছেলেদের মধ্যেই গড়েই উঠতে চায় না। এই সামান্যতম কাজেও বড়ই অনীহা তাঁদের। ফলে খিটিমিটি লেগেই থাকে। টিস্যুপেপার ছড়িয়ে রাখাহাতের সামনে টিস্যু চাই, কিন্তু ব্যবহারের পর সেই টিস্যু গোল্লা পাকিয়ে এদিক ওদিক ছুঁড়ে দেওয়া ছেলেদের অভ্যাস। কখনই তাঁরা পরিষ্কার ভাবে টিস্যুর ব্যবহার করেন না। এমনকী টয়লেট পেপার রোল বাজে ভাবে ছেঁড়া নিয়েও সমস্যা হয় তাঁদের মধ্যে। ফ্রিজে খাবার রাখা নিয়ে সমস্যা প্রতিদিনের খাবার ফ্রিজে গুছিয়ে রাখাও একটা আর্ট। ছেলেদের উপর এই কাজে একদমই ভরসা করা যায় না। খাবার কখনও ঢাকনা দিয়ে রাখতেই জানে না। শুধু তাই নয়, খাবার গুছিয়েও রাখতে পারে না। এসব নিয়ে ঝামেলা লেগেই থাকে। রান্নাঘর পরিষ্কারএকজন রান্না করলে আর অন্যজন পরিষ্কার করলে সব কাজই অনেক সহজ হয়। কিন্তু এই পরিষ্কারের কাজ ছেলেদের দিলে আর রক্ষে নেই। ভালো করে যেমন পরিষ্কার হয় না তেমনই সব এক জায়গায় এসে জড়ো হয়ে যায়। আর এসব নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝামেলা লেগেই থাকে। মেয়েরা যতই হোক রান্নাঘরের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিতে চায় না।বিছানায় ভেজা তোয়ালেএসব বোঝহয় ছেলেদের জন্মগত স্বভাব। মেয়েদের মধ্যে কিন্তু এমন অভ্যাস থাকে না। এই ভেজা তোয়ালে রাখার অভ্যেসের জন্য প্রথমে মায়ের কাছে বকুনি খায়। পরে বউ এর ঝাড়। কিন্তু এসবের পরেও ছেলেরা শুধরোয় না।

Source link

diaper rashes: ডায়পার র‌্যাশে বিরক্ত আপনার নবজাতক? জানুন কী করবেন – effective tips to deal with diaper rashes in children

হাইলাইটসকিছু সময় অন্তর অন্তর ডায়পার চেঞ্জ করুন। ময়শ্চারের মধ্যে শিশুদের বেশিক্ষণ যাতে থাকতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করুন। ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য উপযুক্ত হাইজিন মেনে চলা জরুরি। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: দুই বছর ও তার চেয়ে কম বয়সি বাচ্চাদের মধ্যে ডায়পার র‌্যাশ সাধারণ একটি সমস্যা। কিন্তু এটি বাচ্চাদের অস্বস্তির কারণ। ডায়পারের ঘষা লেগে শিশুর কোমল ত্বক লাল হয়ে যায় এবং জ্বালা করতে শুরু করে। নয় মাস থেকে এক বছরের শিশুদের মধ্যে র‌্যাশের সমস্যা বেশি দেখা দেয়।ডায়পার র‌্যাশ কেন হয়অতিরিক্ত ময়শ্চার, দীর্ঘ সময় ধরে ইউরিনের সংস্পর্শে থাকার কারণে র‌্যাশ দেখা যায়। ফলে ডায়পার পরিহিত স্থানে জ্বালা শুরু হয়।ডায়পার র‌্যাশের ধরণ১. ইরিটেন্ট কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস সবচেয়ে সাধারণ ডায়পার র‌্যাশ। ডায়পারে কোনও উপাদান বা কোনও কোনও ক্ষেত্রে ডায়পারের কারণে ত্বক জ্বালা করে।২. ইস্ট ইনফেকশানের কারণেও ডায়পার র‌্যাশ দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে ত্বক ও ডায়পার পরিহিত স্থানে ফাঙ্গাসের উপস্থিতি থেকে এমনটি হয়। তবে এই ফাঙ্গির পরিমাণ অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে কষ্টকর ডায়পার র‌্যাশ দেখা দেয়, একে বলা হয় ক্যান্ডিডিয়াসিস অথবা ইস্ট ইনফেকশান।৩. আবার ব্যক্টিরিয়ার কারণেও ত্বকে ইনফেকশান হতে পারে। অত্যন্ত সংবেদনশীল শিশুর ত্বকের কারণে অথবা অধিক সময় ধরে প্রস্রাব বা মলের সংস্পর্শে থাকলে, সংশ্লিষ্ট স্থানে ঘা হয়ে যায় এবং লাল হয়ে যেতে পারে। নবজাতক বা শিশুদের ত্বকের অপরিপক্বতা এই ইনফেকশানের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়। নয় থেকে বারো মাস বয়সে এই ধরণের সংক্রমণের আশঙ্কা সর্বাধিক।৫০ শতাংশ শিশুদের মধ্যে ডায়পার ডার্মাটাইটিস দেখা দেয়। জন্মের প্রথম বছরে ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে র‌্যাশের কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে হয়। এই সমস্যার লক্ষণ হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে শিশু বার বার মল ত্যাগ করে, এমনকি স্টুলে পরিবর্তনও পরিলক্ষিত হয়। দুদিন পর থেকে ডায়পার পরে থাকা অংশের ত্বক লাল হয়ে উঠতে শুরু করে।কী ভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন?কিছু সময় অন্তর অন্তর ডায়পার চেঞ্জ করুন। ময়শ্চারের মধ্যে শিশুদের বেশিক্ষণ যাতে থাকতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করুন। ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য উপযুক্ত হাইজিন মেনে চলা জরুরি। প্রস্রাব বা অন্য কোনও কারণে সৃষ্ট র‌্যাশের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে বার বার ডায়পার পাল্টে ফেলা একটি ভালো উপায়। এমনকি প্রয়োজন না-পড়লে শিশুকে ডায়পার ছাড়াই রাখুন। এই ডায়পার ফ্রি সময় র‌্যাশের সম্ভাবনাকে অনেকাংশে কমিয়ে দেবে। জঙ্ঘার ভাঁজ, নিতম্ব নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত। তবে কখনওই ঘষে পরিষ্কার করবেন না। কারণ এর ফলে ত্বক আরও বেশি জ্বালা করবে। পরিষ্কারের পর ত্বককে খোলা হাওয়ায় থাকতে দিন। সম্ভব হলে বেশ কয়েক ঘণ্টা ডায়পার পরাবেন না।নন-ইরিটেন্ট ক্লিনজিং সাবান ও জল দিয়ে জঙ্ঘা, নিতম্ব ভালো করে ধুয়ে নিন। এ ক্ষেত্রে ওযেট ওয়াইপস ব্যবহার সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক কালে প্রাপ্ত নানা তথ্য প্রমাণ ইঙ্গিত করছে যে, ওয়েট ওয়াইপসের ব্যবহারের কারণে র‌্যাশের সমস্যা দেখা দেয় না। হালফিলের ওয়েট ওয়াইপসে পিএইচ বাফার থাকে। এটি ইউরিনের অ্যালকালাইন পিএইচের মধ্যে ভারসাম্য সৃষ্টি করে ত্বক ক্ষতি হওয়ার হাত থেকে বাঁচায়। শিশুদের ডায়পার র‌্যাশের সমস্যা দেখা গেলে প্রভাবিত অংশটিকে সুগন্ধী বিহীন সাবান ও জল দিয়ে ধোয়া উচিত। একটি ওয়াইপ বা তুলো দিয়ে এক স্ট্রোকে প্রভাবিত অংশ পরিষ্কার করুন। প্রতিবার পরিষ্কার করার জন্য নতুন ওয়াইপ বা তুলোর বল ব্যবহার করতে হবে।বয়স ১০ পেরনোর আগেই আপনার সন্তানের যে ১০টি বিষয় অবশ্যই শেখা উচিতআবার নতুন ডায়পার পরানোর সময় লক্ষ্য রাখবেন, এটি যাতে খুব বেশি টাইট বা ঢিলে না-থাকে। হাওয়া যাতায়াতের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে ভুলবেন না।র‌্যাশ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা করার জন্য প্রাসঙ্গিক মলম বা প্রলেপ ব্যবহার করুন। এটি ত্বক ও ডায়পারের মধ্যে এটি সুরক্ষাকবচ গড়ে তোলে। যার ফলে ত্বকের জ্বালা তো কমবেই, পাশাপাশি ত্বকের ওভার হাইড্রেশনের সমস্যার ক্ষেত্রেও প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। শিশুর ত্বক পরিষ্কার করার জন্য সর্বদা সুগন্ধী বিহীন সাবান ব্যবহার করুন। প্রতি বার ডায়পার পরানোর সময় পুরু করে মলম লাগাতে ভুলবেন না।ক্যানডিডা ডায়পার ডার্মাটাইটিসের চিকিৎসা করার জন্য অ্যান্টিফাঙ্গাল ব্যবহার করা উচিত। ডায়পার পাল্টানোর সময় অ্যান্টি ফাঙ্গাল ক্রিম লাগিয়ে দিন।র‌্যাশে ব্লিস্টার অথবা বয়েল, পাস বা ডিসচার্জ দেখা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।নারকেল তেল, ইপসম সল্ট বাথ, অ্যালোভেরার মতো ঘরোয়া উপায়েও র‌্যাশের চিকিৎসা করা যায়।রোদ থেকে বাঁচাতে বাচ্চাকে সানস্ক্রিন মাখাচ্ছেন? উলটে ক্ষতি করছেন না তো!ডায়পার র‌্যাশের চিকিৎসায় যে বিষয়গুলি লক্ষ্য রাখবেন১. বায়ুর যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতে কিছুক্ষণ ডায়পার ছাড়া রাখুন।২. ত্বকের সুরক্ষার জন্য মলম ব্যবহার করুন।৩. ত্বক পরিষ্কার রাখুন।৪. র‌্যাশ দেখা গেলে কাপড়ের ডায়পারের পরিবর্তে ডিসপোজেবল ডায়পার ব্যবহার করুন।৫. ডায়পার র‌্যাশ কী ভাবে আটকাবেন সে বিষয় জ্ঞান অর্জন করুন।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link