Category Archives: Health

Christmas Cake Recipe: Homemade Fruit Cake – বাড়িতেই বাজিমাত ক্রিসমাস ফ্রুটকেকের, দেখুন রেসিপি…

বড়দিন মানেই শুধুই কেকের উৎসব। বাজারে চলে এসেছে কমলালেবু, নতুন গুড়ও। ক্রিসমাস ট্রি, বেলুন, রাংতা কাগজ, সান্তাক্লজে সেজে উঠবে চারিদিক। এমন সময় যদি হেঁশেল থেকে কেকের গন্ধই না বেরয়, তা হলে কি উৎসব আর সে ভাবে জমে?
আপনার বাড়ির খুদেটিও নিশ্চয়ই মেতে উঠেছে আনন্দে। কিন্তু ঘনঘন কেক পেস্ট্রি আপনার সন্তানের স্বাস্থ্যে পক্ষে ভালো তো? কিন্তু উৎসবের মরশুমে স্বাস্থ্যও থাকবে, আবার মনও ভরবে, এমন উপায় নিয়ে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ফ্রুট কেক।
শুকনো ফল
উপকরণ
চিনি-১০০ গ্রাম, মাখন-১০০ গ্রাম,ডিম- ১টি, ময়দা-১০০ গ্রাম, বেকিং পাউডার- ১/২ চামচ, ভ্যানিলা এসেন্স- ১/২ চামচ,
কাজুবাদাম, কিশমিশ, শুকনো ফল, খেজুর কুঁচি, কমলালেবুর খোসা কোরানো, শুকনো চেরি, পেঠা পরিমাণমতো,দুধ- ১/২ কাপ,খাবার সোডা- ১/২ চামচ।
পদ্ধতি
প্রথমে একটি পাত্রে মাখন আর চিনি ভালো করে মেশান। যতক্ষণ না ফুলে উঠছে ততক্ষণ মিশিয়ে নিন। ডিম ফেটিয়ে নিন ভালো করে। ফোঁটা ফোঁটা করে ডিমের গোলা ওই মাখনের মিশ্রণে মেশান। যতক্ষণ না মিশ্রনটা ফুলে ওঠে ফেটাতে থাকুন। ময়দার সঙ্গে খাবার সোডা ও বেকিং পাউডার মেশান। ময়দাটা ওই মিশ্রণে দিয়ে আবার ফেটাতে থাকুন। মিশ্রণটা ভাঁজ ভাঁজ হয়ে উঠবে। ওই মিশ্রণে এবার কিশমিশ, চেরি-সহ শুকনো ফল আর পেঠার কুঁচি মিশিয়ে দিন।
আবার ভালো করে ফেটিয়ে নিন। কেকের পাত্রে মাখন লাগিয়ে রাখুন। ওতে মিশ্রণটা সমানভাবে উঁচু করে কেকের শেপে ছড়িয়ে দিন। আভেন ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় প্রি-হিট করে রাখুন। ১০ মিনিট বেক করুন। অথবা কুকারের মধ্যে দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করে দেবেন। নিজে থেকে ঠান্ডা হলে তারপর কেটে পরিবেশন করুন।
আরও পড়ুন:
বড়দিনের প্রস্তুতি, কেকের গন্ধে ম-ম শহরে!

Source link

শারীরিক স’ম্পর্কের ইচ্ছা কমিয়ে দেয় যে ৫ খাবার

কর্মব্যস্ততার কারণে আম’রা অনেক সময় নিয়মিত খাবারের বিপরীতে নানা ধরনের খাবার খেয়ে থাকি। যেসব খাবার আসলে আমাদের তাৎক্ষণিক ক্ষুধা মেটালেও যৌ’ন জীবনে বেশ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে শারীরিক মিলনের প্রতি আকাঙ্ক্ষাও কমিয়ে দিতে পারে। একারণে অনেকেই না বুঝে বিভিন্ন ওষুধ সেবন করে থাকেন। যা আসলে শরীরে সাময়িক এনার্জি এনে দিলেও নানা রোগের ঝুঁ’কি বাড়িয়ে থাকে। তাই যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে আনতে পারে এমন খাবারগুলো এখন থেকেই এড়িয়ে চলা শ্রেয়।যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা বা যৌ’ন ক্ষমতার ওপর কুপ্রভাব ফেলতে পারে যেসব খাবার-১. অ’তিরিক্ত চিজ খেলে যৌ’নজীবনে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আসলে গরুর দুধে প্রচুর পরিমাণ সিনথেটিক হরমোন রয়েছে যা প্রচুর পরিমাণে খাওয়ার ফলে শরীরে স্বাভাবিক হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়।২. অ’তিরিক্ত ম’দ্যপান যৌ’ন জীবনে মা’রাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ইরেক্টাইল সমস্যাসহ, মিলনের শুরুতেই দ্রুত বীর্যপাতের কারণ হতে পারে অ’তিরিক্ত ম’দ্যপান। তাছাড়া অ্যালকোহল শরীরে একটা অবসন্ন ভাব এনে দেয়। ফলে যৌ’ন মিলনের সময় উপযুক্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার ঘাটতি দেখা দেয়।৩. মাইক্রোওয়েভে তৈরি করা পপকর্ন খেলেও যৌ’ন মিলনে মা’রাত্মক প্রভাব ফেলে। এই সব পপকর্নে থাকে অ্যাসিডের মতো কেমিক্যাল যা আস্তে আস্তে যৌ’ন মিলনে ক্ষমতা হ্রাস করে।৪. ইউরোপিয়ান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সয়া মিল্ক বা সয়া সস ব্যাপকভাবে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা কমে যায়।গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা দিনে ১২০ গ্রাম সয়া খান তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরন কমে যায়। এতে সয়া কমিয়ে দেয় শুক্রাণুর পরিমাণও।৫. যেকোনো ধরনের রিফাইন কার্বোহাইড্রেট (চিপস, পাউরুটি, ডোনাট) বা শর্করা যৌ’ন মিলনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। রিফাইন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা শরীরে এস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, কমিয়ে দেয় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা। ফলে যৌ’ন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বাংলাদেশে তরুণদের কেন হৃদরোগ হয়, জানালেন ডা. দেবী শেঠি

বিশ্বের এক নম্বর মা’রণব্যাধি হৃদরোগ। কোনোরকম পূর্বাভাস ছাড়াই যেকোনো সময় এটি কেড়ে নিতে পারে মানুষের জীবন। বিশ্বের মোট মৃ’ত্যুর অর্ধেকই হয় হার্টের রোগ ও স্ট্রোকে। প্রতিবছর লাখ লাখ লোকের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে। এদের মধ্যে ২৫ ভাগের মৃ’ত্যু হয় হাসপাতা’লে পৌঁছার আগেই। হার্ট অ্যাটাক হলেও অনেক সময় বেঁচে থাকতে হয় নানা অক্ষমতা আর হঠাৎ মৃ’ত্যুর ভ’য় নিয়ে।বাংলাদেশ এবং ভা’রতের মানুষের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার হার দিনদিন বাড়ছেই। স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন জ’রিপ এমনটাই জানাচ্ছে। এ বিষয়ে অ’ভিজ্ঞতার আলোকে নিজের মত জানালেন, ভা’রতের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী প্রসাদ শেঠি।তিনি জানালেন, ঠিক কি কারণে এই উপমহাদেশে বিশেষ করে বাংলাদেশে মানুষের তরুণ বয়সে হৃদরোগ হয়। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এবং ভা’রতের মানুষের মধ্যে হৃদরোগ হওয়ার প্রধান কারণ জিনগত।গত ১৫ জুন চট্টগ্রামে ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল উদ্বোধনে অংশ নেন দেবী শেঠি। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অ’তিথি হিসাবে বক্তব্য দেন। সেই বক্তব্য দেয়ার সময়ই এ তথ্য দেন দেবী শেঠি।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, ‘ইউরোপে মানুষের বয়স ষাট পেরিয়ে গেলে অর্থাৎ অবসরকালীন সময়ে হৃদরোগ হয়। এ সময় তারা কাজ করেন না আর ভোজনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কিন্তু ভা’রত ও বাংলাদেশে মানুষদের তরুণ বয়সেই হৃদরোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ জিনগত। এখানকার মানুষের জীবনধারা, খাদ্যাভাস, ধূমপান, ডায়াবেটিস হৃদরোগের জন্য দায়ী।’ভা’রত ও বাংলাদেশে হৃদরোগীর পরিমান বৃদ্ধির বিষয়ে দেবী শেঠি বলেন, ‘এ অঞ্চলের মানুষ রোগ হওয়ার পর চিকিৎসকের কাছে যায়। এর আগে যায় না।শরীরের চেকআপ করায় না।তাদের মতে, সুস্থ থাকার সময় কেন ডাক্তারের কাছে যাবেন!কিন্তু এমন ধারণা একেবারেই ঠিক নয় জানিয়ে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘সুস্থ থাকার সময়ও চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সবকিছু পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখতে হবে কতটা সুস্থ রয়েছি আমি।’ব্যাঙ্গালুরুর নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সের এই প্রতিষ্ঠাতা জানান, ভা’রত ও বাংলাদেশে হৃদরোগের চিকিৎসা ধরণ অনেকটা একইরকম।দুই দেশের সংস্কৃতি, পরিবেশ ও খাদ্যাভ্যাস একই রকম বলেই চিকিৎসা পদ্ধতি একইরকম বলে মনে করেন তিনি।চিকিৎসা ব্যবস্থা এক হলেও বাংলাদেশ থেকে কিছু হৃদরোগী ভা’রতে কেন যান সে প্রসঙ্গে দেবী শেঠি মনে করেন, ‘হৃদরোগের চিকিৎসায় ভা’রতে অনেকগুলো একই মানের হাসপাতাল রয়েছে। তাই মানুষ বিকল্প বেছে নিতে পারছে। বাংলাদেশে হয়তো এখনও সেভাবে বেশি বিকল্প তৈরি হয়নি।’সেই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ইম্পেরিয়াল হসপিটাল সঠিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবার নতুন সংযোজন বলে মন্তব্য করেন ডা. দেবী শেঠি।

আজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২ খাবার

যৌবন ধরে রাখতে আম’রা কত কিছুই না করে থাকি। সকলেই চায় আজীবন যৌবন ধরে রাখতে। সুস্থ থাকতে এবং তারুণ্য ও যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। নিজেকে সুস্থ-সবল রাখতে পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দেয়া দরকার। এমন কিছু খাবার আছে যা নিয়ম করে খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।জেনে নিন আজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২ টি খাবার স’ম্পর্কে-দই: দই আমাদের অনেকের কাছে খুব প্রিয় একটি খাবার। দই মেদ ও কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। যারা যৌবন ধরে রাখতে চান তাদের জন্য আশার কথা হচ্ছে নিয়মিত দই খান। দইয়ে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম আছে যা শরীরের গঠন ভালো রাখে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে। দই বয়সজনিত কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধ করে। এছাড়াও দই ত্বককে রাখে বলিরেখা মুক্ত। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন দই খান।সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক মাছ যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক। দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত খাবার তালিকায় লাল মাংস বাদ দিয়ে সামুদ্রিক মাছ রাখু’ন। তাতে শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে এবং যৌবন ধরে রাখা যাবে বহুদিন।মিষ্টিকুমড়ার বিচি: এতে আছ প্রচুর সাইটোস্টেরোল। এটি পুরুষের দেহে টেসটোস্টেরন হরমোনের ভা’রসাম্য রক্ষা করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফ্যাটি এসিড পুরুষের শক্তি বাড়ায়। পুরুষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে ত্বক রুক্ষ হয়, কলা সেই পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে দেয়। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌ’নরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সহায়ক এবং যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক।আমলা: আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় একে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা মন্ত্র বলে গণ্য করা হয়। পুরুষের শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতেও দারুণ সহায়ক।ফলমূল: ফলে আছে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত ফল খান।রঙিন শাক-সবজি: রঙিন শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা শরীরের চাহিদা মেটায় এবং শরীরকে সুস্থ্ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত রঙিন শাকসবজি খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।কমলালেবু: কমলালেবু খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। কারণ এতে অনেক ভিটামিন-সি থাকে। ত্বক টানটান রাখতে কমলালেবু সাহায্য করে।অলিভ অয়েল: অলিভ তেল আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায় এবং সহ’জে মেদ জমে না। এছাড়াও প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে ঘুমালে ত্বকে বলিরেখা পরে না সহ’জে। ফলে দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখা যায়।ডার্ক চকলেট: যারা চকলেট ভালোবাসেন তাদের জন্য ভালো খবর হলো ডার্ক চকলেট বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। ডার্ক চকলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই যারা নিয়মিত প্রতিদিন ছোট এক টুকরা ডার্ক চকলেট খান তারা দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে পারেন।স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরি হোক কিংবা ব্ল্যাকবেরি, সবকটিই আপনার শরীরের জন্য খুবই ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। আপনার ত্বককে করে রাখবে সতেজ।রসুন: রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে র’ক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।নিজের যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি জো’র দেয়া দরকার। উপরিউক্ত খাবার গু’লি আপনার জীবন ও যৌবনকে ধরে রাখবে আজীবন। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান আর সর্বদা নিজেকে হাসি-খুশি রাখু’ন, বিষণ্ণতা কোনোভাবেই ধারে-কাছে ভিড়তে দেবেন না।লেখক: ইস’রাত জাহান; পুষ্টিবিদ, বিআরবি হসপিটাল লিমিটেড

খালি পেটে এক কোয়া রসুনে ঠাণ্ডা গায়েব

সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে রোগবালাই দূরে থাকে। অনেকটা সময় পেট খালি থাকার পর এটি খেলে এর রস সহ’জে শরীরকে ডিট’ক্সিফাই করতে পারে বেশি পরিমাণে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেটাবলিক রেটও একটু বেশি থাকে। তাই খালি পেটে রসুন খেলে উপকার মেলে অনেক।আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস রসুন ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যানসারের চিকিৎসায়। লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের কথা জানান। আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিন–এর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন এক কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়া উচিত। কাঁচা রসুন খেলে হার্ট সুস্থ থাকে৷অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ রসুন র’ক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শরীরকে ডিট’ক্সিফাই করতে সহায়তা করে রসুন। সকালে খালি পেটে রসুনের কোয়া খেলে সারারাত ধরে চলা বিপাকক্রিয়ার কাজ যেমন উন্নত হয়, তেমনই শরীরের দূষিত ট’ক্সিনও মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যেতে পারে।যাদের ঠাণ্ডা-সর্দি বেশি লাগে, তারা খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেয়ে দেখু’ন কতটা কার্যকরী। একটানা দু’সপ্তাহ সকালে রসুন খেলে ঠাণ্ডা-সর্দি লাগার প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে। হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে রসুন খুবই কার্যকর। হৃদস্পন্দনের হার নিয়ন্ত্রণ করতে ও হৃদপেশির চাপ কমাতে কাজ করে এটি। উচ্চ র’ক্তচাপের অ’সুখে ভুগছেন এমন রোগীদের ডায়েটে বেশ কার্যকর এই রসুন।যকৃত ও মূত্রাশয়কে নিজের কাজ করতে সাহায্য করে রসুন। এ ছাড়া পেটে হ’জম থেকে শুরু করে নানা রকমের সমস্যায় রসুন বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কিছু ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অ’সুখ- যেমন ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধে এটি ভূমিকা রাখে। স্নায়বিক চাপ কমিয়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সক্ষম।জার্নাল অফ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রসুন সকালে খালি পেটে খেতে হবে এমন নয়; বিকেল, দুপুর বা রাতে রসুন যেকোনো সময় খেতে পারেন৷ তবে খেতে হবে কাঁচা৷ হাইপ্রেসার বা কোলেস্টেরল থাকলে রসুনের ৩–৪টি কোয়া করে খান৷ এক্ষেত্রে প্রেসার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷

প্রায় অর্ধশতাধিক রো’গের ঔষধ ফুলকপি

ফুলকপি ব্রাসিকেসি পরিবারভুক্ত ব্রাসিকা অলেরাসিয়া প্রজাতির সবজিগুলোর একটি। এটি বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। ফুলকপির ফুল অর্থাৎ সাদা অংশটুকুই খাওয়া হয় আর সাদা অংশের চারপাশে ঘিরে থাকা ডাঁট এবং পুরু, সবুজ পাতা দিয়ে স্যুপ রান্না করা হয় অথবা ফেলে দেয়া হয়। ফুলকপি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি। ফুলকপি রান্না বা কাঁচা যে কোনো ভাবে খাওয়া যায়। পাতা দিয়ে ঘিরে থাকা সাদা অংশটুকু দেখতে ফুলের মতো বলেই এর নাম ফুলকপি।এর পাতার উপরিভাগে ক্যানসার নিরোধক উপাদান পেয়েছেন বলে একদল বিজ্ঞানী জানিয়েছেন। গবেষণায় দেখেছেন, কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁ’কি অর্ধেক কমাতে হলে সপ্তাহে প্রায় এক কেজি ফুলকপি এবং সমজাতীয় শাকসবজি খেতে হবে। ফুলকপির কচি পাতা সপ্তাহে প্রায় ৩০ গ্রাম পরিমাণে খেলে ওই ক্যা’নসারের ঝুঁ’কি অর্ধেক কমতে পারে। আরেক গবেষণায় দেখা যায়, ফুলকপির কচি পাতা থেকে সংগৃহীত আইসো থায়োসায়ানেটস নির্যাস প্রয়োগে বুকের টিউমা’রের আকার ও সংখ্যা কমে। এসব টি’উমা’র ক্যা’নসারে রূপ নেওয়ার আশ’ঙ্কা ছিল।ফুলকপি বিভিন্ন রং খাওয়ার উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপির পাতায় ক্যালসিয়াম ৬২৬ মিলিগ্রাম ও আয়রন ৪০ মিলিগ্রাম থাকে। ফুলকপির পাতায় প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ক্যালসিয়াম, আয়রন আছে। এতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কালো কচুশাকের চেয়ে প্রায় দেড় গুণ, সবুজ কচুশাকের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ, লালশাকের চেয়ে দ্বিগুণ, কলমিশাকের চেয়ে ৬ গুণ, পুঁই ও পাটশাকের চেয়ে ৭ গুণ, পালং ও ডাঁটাশাকের চেয়ে ৮ গুণ, মুলা’শাকের চেয়ে ২৫ গুণ বেশি। ফুলকপির কচি পাতায় প্রায় সব খাবারের চেয়ে অনেক বেশি আয়রন আছে।যেমন: সবুজ কচুশাকের চেয়ে ৪ গুণ, ডাঁটা শাকের চেয়ে দেড় গুণ, কলমিশাকের চেয়ে ১০ গুণ, মুলা’শাকের চেয়ে ১২ গুণ ও পালংশাকের ৫ গুণ বেশি। ফুলকপির আরো কিছু গুণ সবজির আধিক্যে ফুলকপির নিজস্ব অবস্থান ভিন্ন। নানা গুণে গুণান্বিত এই সবজি রোগ প্রতিরোধক হিসেবে দারুণ উপকারী। তাই খাওয়ার আগে জেনে নিন ফুলকপির পুষ্টিগুণ।ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’। যা ঠাণ্ডাজনিত সর্দি, হাঁচি, কাশি, জ্ব’র জ্ব’র ভাব, সারা শরীরে ব্য’থা ভাব, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া ও ঠান্ডায় কান বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা দূর করে। অকালে দাঁত লালচে হয়ে যাওয়া ও দাঁতের মাড়ি দুর্বল হওয়া থেকে বাঁ’চায়। কারণ ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত-মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লুরাইড।এতে দাঁতের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি ও বাড়ন্ত শি’শুদের দাঁতের পূর্ণ বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফুলকপির ডাঁটা ও সবুজ পাতায়ও রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম।ফুলকপিতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় আয়রন। যা র’ক্ত তৈরি, গর্ভ’বতী মায়ের স্বাস্থ্য, বাড়ন্ত শি’শু ও অ’তিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমী মানুষের জন্য অ’ত্যান্ত জরুরি। দেহ গঠনের জন্য রয়েছে প্রয়োজনী আমিষ। ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’। যা জিহ্বায় ঘা হওয়া, তালুর চামড়া ওঠা বা ছিলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।ফুলকপি ক্যা’ন্সারের জীবাণুর বি’রুদ্ধে যু’দ্ধ করতে স’ক্ষম। স্ত’ন ক্যান’সার, কোলন ও মূ’ত্রথলির ক্যা’ন্সারের জী’বাণুকে ধ্বং’স করে এই সবজি। ক্যা’ন্সারের জী’বাণুকে দে’হ থেকে বের করে দেয়ার জন্য ফুলকপি যথেষ্ট কার্যকরী। তবে কি’ডনির জটিলতায় ভোগা ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরাম’র্শে ফুলকপি খাবেন। এতে আমিষ ও পটাশিয়াম রয়েছে প্রচুর পরিমানে। যা কিড’নির জন্য উপযোগী নয়।

commute : অফিস পৌঁছতে যত বেশি দেরি হবে, ততই কাজের প্রতি অনীহা বাড়বে: সমীক্ষা – longer commute to office results in lower job satisfaction: study

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: আপনার কি অফিস পৌঁছতে অনেক বেশি সময় লাগে? তা নিয়ে আপনি নিশ্চয়ই অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে থাকেন। ভাববেন না, আপনার মতো এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছে যাঁদের অফিস পৌঁছনোর সময় এতটাই বেশি যে পৌঁছনোর পর অফিসের কাজ হয়ে ওঠে অসহ্য।
আমরা সকলেই জানি, দিনে দিনে যানজটের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তার জ্যাম টপকে অফিস পৌঁছনো এবং বাড়ি ফেরা অসম্ভভ ক্লান্তিকর। তার উপর দেশের মেট্রো শহরে এর পরিমাণ আরও বেশি। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় বিশেষজ্ঞরা দেখতে পেয়েছেন, যতটা সময় ধরে কেউ অফিস পৌঁছন, তাঁর জব স্যাটিসফেকশন ততটাই কম। অফিসের কাছে যাঁর বাড়ি তার থেকে অনেকাংশেই কম অন্তত।
সম্প্রতি পশ্চিম ইংল্যান্ডের এক দল গবেষক অফিস পৌঁছনোর জন্য অতিবাহিত সময় এবং কাজের প্রতি ভালোবাসার মধ্যে একটি যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন। তাঁদের দাবি, ‘প্রতি বাড়তি এক মিনিটে কর্মীর মানসিক স্ট্রেস বাড়তে থাকে এবং কাজের প্রতি অনীহা বাড়ে।’ বলা হচ্ছে, ২০ মিনিট বাড়তি সময় কাটিয়ে ফেললে তা কর্মীর মনে ১৯ শতাংশ মাইনে কেটে নেওয়ার মতো প্রভাব ফেলে। এর ফলে কাজের কোনও আনন্দ উপভোগ করেন না কর্মচারী।
হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপের ৬টি শহরের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষের মত, পৌঁছতে দেরির কারণে কর্মক্ষেত্রে যে মানসিক হয়রানি তৈরি হয় তার পরিমাণ অনেক বেশি নতুন বাড়িতে শিফট করা বা ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়ার চাইতে।
.
আসলে, অফিস থেকে বাড়ি এবং বাড়ি থেকে অফিসে আসার সময় একজন মানুষকে তাঁর ‘চরিত্র’ পরিবর্তন করতে হয়। তবে অনেক বেশি সময় ট্রাভেল করলে সমস্ত শক্তি ও এনার্জি নষ্ট হয়ে যায়। মানুষ অনেক বেশি বিরক্ত হয়ে পড়েন। সে কারণে ধীরে ধীরে জীবন উপভোগ করার ইচ্ছেটাই মরে যায়।

Source link

health tips : শীতেও কি দই খাওয়া ভালো? খাওয়ার আগে জেনে নিন – Is Having Curd In Winters Good For Your Health? Know The Fact

এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: গত সপ্তাহ ধরেই বেশ জাঁকিয়ে পড়েছে শীত। এই সময় সর্দি-কাশির মতো নানা সমস্যা লেগেই থাকে। নিজেকে গরম রাখতে শুধু গরম জামা কাপড় পরলেই হবে না, তার সঙ্গে খাওয়া দাওয়াও ঠিকমতো করতে হবে যাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হয়। শীতকালে আমরা একটু বেশি ভাজাভুজি বা মিষ্টি খেয়ে ফেলি। কড়াইশুটির কচুরি থেকে নলেনগুড়ের রসগোল্লা, কোনটাই বা শীতকালে ছাড়া যায়?
মাঝেমধ্যে মুখরোচক খাওয়া চললেও নিয়মিত ভাবে এমন খাবার খেতেই হবে যাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হয়। সেই কারণেই শীতকালেও রোজ টকদই খেতে ভুলবেন না। সুপারফুড টকদই শুধু পেট ঠান্ডা করে, তাই নয়। তার সঙ্গে শরীরে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম যোগ করে। প্রোবায়োটিক দই হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
দইয়ের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে। শীতে কি আপনার শক্ত হাড়ের প্রয়োজন নেই। তাহলে গরমে দই খেলেও শীতাকালে দই-এর বাটি দূরে সরিয়ে রাখেন কেন? শীতকালে আমাদের ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। দই ত্বকে আর্দ্রতা জোগায়। তাই খাওয়া ছাড়াও টকদই ফেসপ্যাক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।
যদিও আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে শীতে টকদই খেতে বারণ করে, তবু শীতের দুপুরে টকদই খেতেই পারেন। শীতকালে অনেকেই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগেন। নিয়মিত টকদই খেলে তাঁরাও উপকার পাবেন।

Source link

food News: ইউরোপিয়রাই কেক নিয়ে আসে আসানসোলে – asansol christmas cake sales began 1863

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এই বছর ঠিক সময়ে আগমন ঘটেছে শীতের। পৌষ মাসের প্রথম দিন থেকেই বইতে শুরু করেছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। সেই সঙ্গে দ্রুত গতিতে নেমেছে তাপমাত্রা। রাতের দিকে আসানসোল শহর ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে মানুষজনকে দেখা যাচ্ছে ঠাণ্ডা নিবারণের জন্য আগুন জ্বালিয়ে আঁচ নিতে। শীতের এই আমেজের মধ্যেই বড়দিন উপলক্ষে কয়েকটি শপিং মল সহ অনেক দোকান আলোক সজ্জায় সেজে উঠেছে।
ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই শহরের বিভিন্ন দোকানে দেখা যাচ্ছে বড়দিনের কেক। বড়দিনের কেক মুখে দেওয়া আজ যেন অনেকের কাছেই প্রচলিত রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রীতি শহরের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে আসানসোল মহকুমার প্রত্যন্ত গ্রামেও যা আজ থেকে তিন দশক আগে পর্যন্ত একেবারেই ছিল না বললেই চলে। আসানসোল শহরে কেক বিক্রি শুরু হয় ১৮৬৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ের আগমনের বেশ কয়েক বছর পরে। ইস্ট ইন্ডিয়া রেল আবাসনের ইউরোপিয় ও অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের চাহিদার জন্য সেই সময় আসানসোল শহরের হাতে গোণা কয়েকটি বিপণিতে কেক পাওয়া যেত । সেগুলির মধ্য উল্লেখযোগ্য হল শহরের দুটি আর্মেনীয় পরিবারের বিভাগীয় বিপণি যা সেই সময় ‘গ্রেগরি’ ও ‘ম্যাডাথ ব্রাদার্স’ নামে পরিচিত ছিল। এই দুটি বিপণির মধ্যে বর্তমানে কোনটিই আর চালু নেই। এছাড়া আবদুল ওয়াহিদের স্থাপিত একটি বিভাগীয় বিপণিতেও সেই সময় বিভিন্ন ইউরোপিয় খাদ্যসামগ্রীর সঙ্গে কেক বিক্রয় হত বলে জানা যায়।
আসানসোলে প্রথম দুটি বেকারিতে পাঁউরুটি ও কেক সহ বিভিন্ন ইউরোপিয় স্ন্যাক্স জাতীয় খাদ্য তৈরি শুরু হয় যেগুলি শহরের সব চাইতে পুরোনো বেকারি হিসেবে উল্লেখ্য। ওই বেকারিগুলির মালিকানা ছিল যথাক্রমে ভারতীয় ব্যক্তি আবদুল ওয়াহিদ ও আর্মেনীয় ব্যক্তি গ্রেগরির। পরবর্তী সময়ে আসানসোলের রেলপার এলাকায় অনেকগুলি বেকারি গড়ে ওঠে। গোড়ার দিকে শুধুমাত্র রেল আবাসনে বসবসাসকারী ইউরোপিয় ও ইউরেশিয়ানরাই ছিল বিভিন্ন স্ন্যাক্স জাতীয় খাদ্যসামগ্রীর ক্রেতা। আসানসোলের মাত্র কয়েকটি বিপণি ছাড়া অন্যত্র কোথাও এই জাতীয় খাদ্যসামগ্রী বিক্রয়ের কোন ব্যবস্থা ছিল না। অনেক পরে বিভিন্ন খুচরো বিক্রেতারা গ্রেগরি ও ওয়াহিদের তৈরি পাঁউরুটি, কেক সহ বিভিন্ন স্ন্যাক্স জাতীয় খাদ্য পাইকারী দরে ক্রয় করে তা সাইকেলে বাঁধা বড় টিনের বাক্স বা ট্রাঙ্কে ভরে নিয়ে যেত এবং আসানসোল শহরের পার্শ্ববর্তী নানান স্থানের দোকানে সরবরাহ করতে। সেই সঙ্গে তারা বিক্রি করত সাধারণ ক্রেতাদেরকেও। স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময়ের মতন এ রকম স্ন্যাক্স বিক্রেতাকে শহরে এখনও দেখতে পাওয়া যায়।
স্বাধীনতার আগের সময়ে ইস্কো কারখানার নিজস্ব পাঁউরুটির কারখানা ‘বার্নপুর বেকারি’ স্থাপন করা হয়েছিল ইস্কো কারখানার ইউরোপিয় আধিকারিকদের কথা চিন্তা করেই। অতি সুলভ মূল্যে ওই বেকারিতে পাওয়া যেত পাঁউরুটি ও কেক সহ বিভিন্ন স্ন্যাক্স জাতীয় খাদ্য। জানা যায় ইস্কোর কর্ণধার স্যার বীরেন কলকাতায় থাকার সময়েও প্রতি দিন তার বাড়িতে বার্নপুর বেকারির তৈরি স্ন্যাক্স জাতীয় খাবার পৌঁছানো হত। বড়দিনের দিনে অনেক ইস্কো কর্মীই এই বেকারি থেকে কেক ক্রয় করতেন। ইস্কোর নিজস্ব এই বেকারিটি এখনও চালু আছে।
বর্তমানে আসানসোলে কেক বিক্রি শুধুমাত্র বড়দিনের দিনেই সীমাবদ্ধ নয়। শহরে কেক পাওয়া যায় সারা বছর ধরেই। বছরের বিভিন্ন সময়ে নানান সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য চাহিদা বেড়েছে কেকের। যার ফলে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি কেকের দোকান যার মধ্যে কয়েকটি অভিজাত শ্রেণির দোকানও রয়েছে। কেক ও স্ন্যাক্স জাতীয় খাদ্যের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আসানসোল শহর সহ পার্শ্ববর্তী স্থানে বেশ কয়েকটি বেকারি গড়ে উঠেছে । তেমনি অনেক পুরোনো বেকারি বন্ধও হয়ে গিয়েছে। এক সময় রমরমিয়ে ব্যবসা করা আসানসোল রেলপারের বেশিরভাগ পুরোনো বেকারিই আজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। রেলপারের একটি বন্ধ হয়ে যাওয়া বেকারির শ্রমিক বাঁকুড়ার ছাতনা নিবাসী নির্মল খাঁ জানালেন, দীর্ঘ ছত্রিশ বছর ধরে কাজ করা তাদের বেকারি বর্তমানে বন্ধ। তাদের বেশ কয়েকজন শ্রমিক বন্ধ হয়ে যাওয়া বেকারিটিকে পাহারা দেওয়ার বিনিময়ে সেখানে তারা আশ্রয় হিসেবে থাকতে পেয়েছে। এখন ওই বন্ধ বেকারির শ্রমিকরা বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাঁউরুটি, কেক, বিস্কুট সহ স্ন্যাক্স জাতীয় নানান খাদ্য পাইকারী দরে ক্রয় করে আসানসোলের বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করে থাকে। এর জন্য সাইকেলে বাঁধা ট্রাঙ্ক ভর্তি স্ন্যাক্স জাতীয় খাদ্যসামগ্রী নিয়ে ভোর
সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত্রি দশটা পর্যন্ত তাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। কিন্তু এর ফলে তাদের উপার্জন হয় দিনে মাত্র দুশো টাকা যা বর্তমান বাজারের তুলনায় অতি স্বল্প বলে বন্ধ বেকারির ওই শ্রমিক জানালেন।
আরও পড়ুন:
বড়দিনের প্রস্তুতি, কেকের গন্ধে ম-ম শহরে!

Source link

কলার মাধ্যমে বিস্তার ঘটছে এ’ইডসের!

কলার মাধ্যমে বিস্তার ঘটছে এইডসের। যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায় ওয়ালমা’র্টের একটি শপিং মল থেকে কিনে নেয়া কলা খেয়ে অন্তত ৮টি শি’শুর শরীরে এইচআইভি পজিটিভ ধ’রা পড়েছে।ওকলাহোমা’র টুলসা এলাকায় ১০ বছরের একটি ছেলে এ ভাইরাসে আক্রান্ত বলে প্রথম ধ’রা পরে। খবরে বলা হয়েছে, ওয়ালমা’র্ট থেকে শি’শুটির মা কলা কিনে নিলে তা খাওয়ার পর সে অ’সুস্থ্য হয়ে পড়ে। প্রচণ্ড জ্বর, শীত ও শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে তার।দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার শরীরে এইচআইভি ভাইরাস ধ’রা পড়ে। এতে হতবাক হয়ে যান চিকিৎসকরাও। এরপর জানা যায় এ ছেলেটিই কেবল নয় একই ধরনের অ’সুস্থতা নিয়ে ওই সময় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো অন্তত ৭টি শি’শু।যাদের বয়স ১৭ বছরের কম তাদের প্রত্যেকেরই পরীক্ষায় এইচআইভি পজিটিভ ধ’রা পড়েছে। আর এ শি’শুদের পরিবারের প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই একটি বিষয় সাধারণ ছিলো। তা হচ্ছে তারা ওকলাহোমা’র টুলসা ওয়ালমা’র্ট থেকে কলা কিনেছিলো।ওই সময়ে শি’শুরা সেসব খাবার গ্রহণ করে তার সবগুলোই পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া আগের কয়েক মাস ধরে তারা কোথায় কোথায় গেছে সেগুলো যাচাই করে দেখা গয়। আর পরে জানা যায় সবাই ওই একই সুপারস্টোর থেকে কেনা কলা খেয়েছে।এরপর পরীক্ষা করা হয় ওই স্টোরের কলা। আর তাতেই ধ’রা পরে এইচআইভি ভাইরাসের অস্তিত্ব। গবেষকরা এখন বোঝার চেষ্টা করছেন কি করে কলার ভেতরে এ ভাইরাস ঢুকে পড়লো, আর কেবল তাই নয়, সেখানে সক্রিয় থাকলো এবং সেগুলো খাওয়ার পর শি’শুরা আক্রান্ত হলো।এদিকে এ ঘটনার পর গোটা আমেরিকার সব স্থানে ওয়ালমা’র্টের সুপারস্টোর থেকে কলা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কোনো কোনো মিডিয়া এ খবরও দিচ্ছে গোটা আমেরিকাতেই কলা খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আর খেলেও শরীরে জ্বর, ঠাণ্ডা, শরীরে র‌্যাশ ওঠা, রাতে ঘাম, পেশিতে ব্যথা, গ*লা বসে যাওয়া, অবসন্নতা এগুলো অনুভূত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরাম’র্শ নিতে বলা হয়েছে।