Category Archives: কলকাতা

Fear increases of rising corona infection at Dumdum Airport as many people return at festive season| Sangbad Pratidin

কলহার মুখোপাধ্যায়, বিধাননগর: উৎসবের মরশুমে বাড়িতে ফেরার ঢল। দমদম বিমানবন্দরে (Dumdum Airport) বিমানযাত্রী সংখ্যা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। বিমানবন্দর সূত্রে খবর, অষ্টমীর দিন মোট ৩০ হাজার যাত্রী ওঠানামা করেছেন দমদম থেকে। বিমানের সংখ্যা ছিল ২৫৭টি। নবমীতে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমান দমদমে নেমেছে দোহা, দুবাই এবং লন্ডন থেকে। তিন দেশ থেকে কলকাতায় এসেছেন ৩৭৪ জন যাত্রী। বিভিন্ন রাজ্য ও ভিনদেশ থেকে কলকাতায় ফেরা বিমানযাত্রীদের থেকে করোনা সংক্রমণ (Coronavirus)  যাতে কোনওভাবে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।চলতি সপ্তাহে অর্থাৎ পুজোর সময়ে রাজ্য সরকারের তরফে বিমানযাত্রীদের জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি হয়েছিল। তাতে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম, ঘরোয়া উড়ানে যাঁরা যাতায়াত করবেন, তাঁদের জন্য বেশ কয়েকটি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে পালন করার নির্দেশ ছিল। যার মধ্যে অন্যতম, প্রতি যাত্রীকে নিজের শারীরিক অবস্থার খতিয়ান জানাতে হবে সরকার এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে। তার জন্য রাজ্য সরকার একটি ‘সেল্ফ ডিক্লারেশন ফর্ম’ ইস্যু করেছে। যাত্রীদেরকেই তা পূরণ করতে বলা হচ্ছে।[আরও পডুন: অতিমারীর হাত থেকে রক্ষা করুক আনন্দের উৎসব, ‘বিজয়া’র শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট রাজ্যপালের ]এর সঙ্গে দমদমে নামার পর প্রতি যাত্রীকে কয়েকটি শারীরিক পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যে যাত্রী সম্পূর্ণ করোনা উপসর্গহীন, একমাত্র তাঁদেরই সহজে শহরে প্রবেশের ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের অল্প কিংবা বেশি উপসর্গ রয়েছে তাঁদেরকে তৎক্ষণাৎ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। যাত্রীর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁকে হাসপাতাল কিংবা ইনস্টিটিউশন্যাল কোয়ারান্টিনে পাঠানো হচ্ছে। যাঁদের শরীরে করোনার লক্ষণ মৃদু, তাঁদের হোম কোয়ারেন্টাইনে যাওয়া নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এরপর পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে স্বাস্থ্যদপ্তর।অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিমান যাত্রীদের ক্ষেত্রে বিমানে ওঠার ৯৬ ঘণ্টা আগে আরটিপিসিআর (RT-PCR) টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে লন্ডন থেকে সরাসরি কলকাতায় নামা যাত্রীদের এই পরীক্ষার ক্ষেত্রে ছাড় আছে। লন্ডন ফেরত যেসব যাত্রী পরীক্ষা না করিয়ে ওই দেশ থেকে দমদমে এসে নামবেন, তাঁদের জন্য দমদম বিমানবন্দরেই নমুনা সংগ্রহ করার কাজ শুরু হয়েছে। যাত্রীরা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করবেন। তার মধ্যে তাঁদের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এসে যাবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এতে খরচ পড়বে প্রায় ১৫০০ টাকা।[আরও পডুন: সাবধান! এবার রান্নার গ্যাসের KYC আপডেটের নামে প্রতারণা, শহরে সক্রিয় নতুন গ্যাং]দমদম বিমানবন্দরে লন্ডন ছাড়া অন্য দেশ থেকে আসা যাত্রীদের RT-PCR টেস্ট রিপোর্ট সঙ্গে থাকা বাধ্যতামূলক। সেই রিপোর্ট বিমানে ওঠার আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া পোর্টালে আপলোড করতে হবে যাত্রীদের। এর পাশাপাশি সেই রিপোর্টের অরিজিনাল কপি বিমানবন্দরে নেমে রাজ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে দেখাতে হবে। লন্ডন-সহ অন্যান্য দেশ থেকে আসা আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রীদের ১৪ দিনের জন্য বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইনে যেতে হবে।

Source link

‘If we lose the election for any reason, we have to leave Bengal’: says Anupam hazra

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: October 25, 2020 2:50 pm|    Updated: October 25, 2020 2:53 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: নবমীর সকালে ফেসবুক পোস্টে দলীয় কর্মীদের সংযত হওয়ার বার্তা দিলেন অনুপম হাজরা (Anupam Hazra)। গোষ্টীদ্বন্দ্বে না জড়িয়ে একুশে সবকটি আসন শাসকদলের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে দলবেঁধে লড়ার আহ্বান জানালেন তিনি। কোনওভাবে আগামী নির্বাচনে বিজেপি পরাজিত হলে দলের নেতা-কর্মীদের জটিল পরিস্থিতিতে পড়তে হবে বলে আশঙ্কাও প্রকাশ করলেন অনুপম।বিজেপির (BJP) গোষ্ঠীকোন্দল নতুন কিছু নয়। একাধিকবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে তাঁদের অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের ছবি। সম্প্রতি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর (Saumitra Khan) দলত্যাগের নেপথ্যেও অন্তর্কলহই কারণ ছিল বলে মনে করেছেন অধিকাংশ মানুষ। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যে সিদ্ধান্ত বদল করে তিনি ফিরেও এসেছেন দলে। এসবের মাঝেই নবমীর সকালে একটি ফেসবুক পোস্ট করলেন অনুপম হাজরা। সেখানেই দলের নেতা-কর্মীদের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে লড়ার পরামর্শ দিলেন। ‘আমরা জিতবই’, এই বিশ্বাসে নিজেদের মধ্যে অশান্তি করতে বারণ করে, উলটে শাসকদলকে হারানোর জন্য সবাইকে এক সঙ্গে ময়দানে নামার কথা বললেন। কোনও কারণে হেরে গেলে কী হতে পারে এদিন নেতা-কর্মীদের তা-ও বললেন অনুপম।[আরও পড়ুন: সাবধান! এবার রান্নার গ্যাসের KYC আপডেটের নামে প্রতারণা, শহরে সক্রিয় নতুন গ্যাং]এদিন তিনি লেখেন, “আমরা যদি বাই চান্স হেরে যাই তাহলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে বাংলার বাইরে, অন্য কোনও রাজ্যে বাসস্থান খুঁজতে হবে। সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়বেন বুথ স্তরের কর্মীরা।” তাই নিজেদের স্বার্থেই সকলকে সংযত হতে বলেন তিনি। বিজেপি নেতার এই পোস্টেই স্পষ্ট যে দলের অন্তর্কলহে সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছেন তিনি। সেই কারণেই নিজের মতো করে নেতা-কর্মীদের এক সুতোয় বাঁধতে উদ্যোগী হয়েছেন। 

Source link

CPIM leaders attacks governor jagdeep Dhankhar

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: October 25, 2020 1:47 pm|    Updated: October 25, 2020 1:51 pm
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর ছবি সোশ‍্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে রাজ‍্যপাল অন‍্যায় করেছেন”, এমনটাই মনে করছে সিপিএম নেতৃত্ব। রাজ‍্যের সাংবিধানিক প্রধান এমন কাজ করতে পারেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিপিএম পলিটব‍্যুরোর সদস‍্য মহম্মদ সেলিম (Md. Salim)। জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar) ঠিক কাজ করেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সিপিএম (CPM) নেতা-কর্মীরা দীর্ঘদিন তাঁর ছবি দেখেননি। বুদ্ধবাবু নিজেও চাননি তাঁর অসুস্থ অবস্থার ছবি প্রচার হোক। এরই মাঝে অষ্টমীর রাতে বুদ্ধবাবুর বাড়ির বেশ কিছু ছবি টুইট করেন রাজ্যপাল। যেখানে দেখা গিয়েছে সস্ত্রীক ধনকড় বসে রয়েছেন আর বিছানায় শুয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সেই ছবি। সেখানে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অসুস্থ অবস্থায় শুয়ে থাকার ছবি দেখে কষ্ট পেয়েছেন সিপিএম নেতা-কর্মীরা। প্রিয় নেতার ছবি দেখে চোখ ভিজেছে অনেকের।[আরও পড়ুন: শারদীয়ার শুভেচ্ছা জানাতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর বাড়িতে ধনকড়, চলল রাজনৈতিক আলোচনা]এতেই আলিমুদ্দিন প্রশ্ন তুলছে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে দেখতে গিয়ে তাঁর অশক্ত চেহারার ছবি কেন প্রকাশ করলেন রাজ্যপাল? যে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নিজেকে নিয়ে কোনও প্রচার চান না, তাঁর এই ছবি প্রকাশ্যে এনে কোন রুচিবোধের পরিচয় দিলেন রাজ্যপাল? আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতাদের শত-অনুরোধেও হাসপাতালে যেতে চাননি বুদ্ধবাবু। শুধু লোক জানাজানি এড়িয়ে যেতে চান বলে। তাঁর এই ছবি প্রচার করে কি সৌজন্যের পরিচয় দিলেন রাজ্যপাল? প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে সিপিএমের নেতা-কর্মীরা। উল্লেখ্য, এই প্রথম নয়। এ রাজ্যের সাংবিধানিক দায়িত্ব নিয়ে পদে বসার পর জগদীপ ধনকড় একবার গিয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর (Buddhadeb Bhattacharya) বাড়িতে। সেসময় তিনি বেশ অসুস্থ ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থায় খোঁজখবর নিতেই রাজ্যপাল গিয়েছিলেন। তারপর অষ্টমীর সন্ধ্যায় ফের তিনি গেলেন দ্বিতীয়বারের জন্য।[আরও পড়ুন: হাই কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সুরুচিতে অঞ্জলি, নুসরত-সৃজিত-মহুয়াদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস]

Source link

‘May this festival of joy and happiness protect us from evil effects of the ongoing pandemic’, Governor Jagdeep Dhankhar tweeted on Sunday

সারাবাংলা ডেস্ক: নবমীর সকালেই তিথি মেনে সকলকে বিজয়ার (Vijayadashami) শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। সেই সঙ্গে আশাপ্রকাশ করলেন এই আনন্দের উৎসব অতিমারীর খারাপ প্রভাবের হাত থেকে সকলকে রক্ষা করতে পারবে। এদিন সকালে করা তাঁর টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, ‘‘সকলকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা। এই মহাপর্ব মন্দের উপরে ভালোর জয় এবং অসত্যের উপরে সত্যের জয়কে চিহ্নিত করে। এই আনন্দ উৎসব অতিমারীর খারাপ প্রভাবের হাত থেকে সকলকে রক্ষা করুক। আমাদের সকলের জন্য নিয়ে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি, এবং সুখ।’’রবিবারের সকালেই তিথি অনুযায়ী বিজয়া দশমী পড়ে গিয়েছে। তারপরই তাঁর টুইটটি করেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, এর আগে মহাসপ্তমীর সকালেও টুইট করে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিল‌েন রাজ্যপাল। ওইদিন দু’টি টুইট করেন তিনি। প্রথম টুইটে তিনি লেখেন, “মা দুর্গা সমস্ত দুঃখ, যন্ত্রণা দূর করবেন। মা দুর্গা সবসময় তাঁর ভক্তদের সাহস জোগান। ভয়কে দূরে সরিয়ে চলতে সাহায্য করেন। মায়ের কাছে প্রার্থনা সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন।” সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে পরের টুইটটি করেন তিনি। সকলকে সচেতন থাকতে বলেন, সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। করোনার সঙ্গে লড়াই করতে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলেন।Best wishes and Greetings to all on Vijayadashami.Mahaparava signals victory of good over evil and truth over untruth.May this festival of joy and happiness protect us from evil effects of the ongoing pandemic and bring peace, prosperity, happiness and affluence to us all.— Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) October 25, 2020[আরও পড়ুন: করোনা কালে ঐতিহ্যের ছোঁয়াটুকু রেখেই ইছামতীতে বিসর্জন, দর্শক প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ]প্রসঙ্গত, চতুর্থীতেই ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছিল ৪ হাজারের গণ্ডি। তারপর থেকে তা ঊর্ধ্বমুখীই। উৎসবের মরশুমে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি যে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে এমন আশঙ্কা আগেই প্রকাশ করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। সতর্কতার কথা মাথায় রেখে চলতি বছর মণ্ডপে দর্শনার্থী প্রবেশের ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। বাইরে বেরলেই মাস্ক ব্যবহারের উপর দেওয়া হচ্ছে জোর। মেনে চলতে বলা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব। সেই সঙ্গে কাছে স্যানিটাইজার রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।[আরও পড়ুন: ‘তোমাদের ছেড়ে থাকতে পারব না’, যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত বদলের পর দাবি সৌমিত্রর]

Source link

Kolkata news: New Gang is operative in Kolkata to fraud over LPG cylinder KYC update

কৃষ্ণকুমার দাস: এটিএম কার্ড বা ব্যাঙ্কের বদলে এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় সাংসারিক আবশ্যিক সামগ্রী ও পরিষেবার নাম ভাঙিয়ে গৃহস্থকে প্রতারণা চক্র সক্রিয় হল শহরে। গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং, বিদ্যুতের বিল, রেশন কার্ড, গাড়ির লাইসেন্স এবং জীবন বিমার তরফে ‘ফোন করছি’ বলে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার নয়া ছক চালু করেছে বড় মাপের গ্যাং।কলকাতা ও শহরতলিতে একাধিক গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটারের নাম ভাঙিয়ে ফোন করে কয়েকজন গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে পুলিশের কাছে খবর। ‘কেওয়াইসি অনলাইন আপডেট’ না করলে গ্যাস বুকিং ও ভরতুকির টাকা বন্ধ হয়ে যাবে বলে ফোন করে কার্যত হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও দুই প্রধান গ্যাস কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল ও হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম স্পষ্ট জানিয়েছে, গ্রাহকদের কোনওরকম অনলাইন আপডেট করার কোনও সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ নেওয়া হয়নি। পুরোটাই প্রতারণা চক্রের কাজ।[আরও পড়ুন : হাই কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সুরুচিতে অঞ্জলি, নুসরত-সৃজিত-মহুয়াদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস]পুজোর মুখে গ্যাস বুকিং ও ডেলিভারি নিয়ে এমনিতেই উদ্বেগে রয়েছেন গ্রাহকরা। দিন কয়েক হল কিছু গ্রাহক ডিস্ট্রিবিউটারের নাম করে পুরুষ কণ্ঠের ফোন পাচ্ছেন। ‘কেওয়াইসি অনলাইন আপডেট’ করার জন্য প্রথমে কনজিউমার নম্বর বলে গ্রাহকের বিশ্বাস অর্জন করছে। জানতে চাইছে, গ্যাস কোম্পানি থেকে আলাদা করে নতুন নিয়মে এটিএম কার্ডের মত কিছু দিয়েছে কি না? এরপর বলছে, গত মাসে ৬৩৪ টাকা দিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়েছেন তো? জেনে নিচ্ছে কোন ব্যাঙ্কে আপনার ভরতুকির টাকা জমা পড়ে। যে অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে তার ডেবিট কার্ড আছে কি না? এরপরই ফোনে বলা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার বুকিংয়ের বই এবং ব্যাঙ্কের এটিএম কার্ড দু’টি নিয়ে আসুন। যদি গ্রাহক বলেন, হাতের কাছে তো গ্যাস বুকিং বই নেই, তখন বলছে শুধু এটিএম কার্ড হাতে থাকলেই হবে।পুলিশের হাতে জমা পড়া একটি ভয়েস রেকর্ডিংয়ে তথ্য এসেছে, একজন গ্রাহক বলছেন, “আমি অফিসে আছি কার্ড বা বই কিছুই সঙ্গে নেই। শনিবার বা রবিবার গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটারের কাছে গিয়ে সমস্ত কিছু জমা দিয়ে আসব। তখন ফোনে কার্যত ধমকের সুরে বলা হচ্ছে, তা হল এখন অনলাইনে গ্যাস বুকিং কেটে দেওয়া হবে। বলছে, “ঠিক আছে, আমি এখন ফোন করে গ্যাস বুকিং সিস্টেম কেটে দিচ্ছি। পরে পাঁচ হাজার টাকা জমা দিয়ে ফের নতুন করে গ্যাস কানেকশন নিয়ে নেবেন।” এতেই ভয় পেয়ে যাচ্ছেন অনেক গ্রাহক।[আরও পড়ুন : শারদীয়ার শুভেচ্ছা জানাতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর বাড়িতে ধনকড়, চলল রাজনৈতিক আলোচনা]গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটারের নাম ভাঙিয়ে ফোন করা প্রতারকদের কার্যত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। চাপের মধ্যে পড়ে গ্রাহক এটিএম নম্বর ও পিন বলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রশ্ন উঠেছে, কনজিউমার নম্বর ও গ্রাহকের ফোন নম্বর কিভাবে জোগাড় করছে ওই চক্রটি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, এক শ্রেনির গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি বয়দের হাত করে বিলের নম্বর জোগাড় করছে চক্রের সদস্যরা। স্বভাবতই কনজিউমার নম্বর ও বিলের ডেট বলে গ্রাহকের অনেকটাই বিশ্বাস অর্জন করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ডেবিট কার্ড মারফত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা। পুলিশের কাছে জমা পড়া ভয়েস রেকর্ডের গ্রাহক অবশ্য চাপের মুখে ভেঙে পড়েননি, তবে ধমক খেয়েছেন। একইভাবে বিদ্যুতের বিল ও রেশন কার্ড ডিজিটাল করার নাম ভাঙিয়েও গ্রাহকদের ভুল বুঝিয়ে প্রতারক চক্রটি টাকা আত্মসাত শুরু করেছে।

Source link

Legal steps can be taken against Nusrat Jahan, Mohua Moitra and Srijit Mukherjee for theie entry to Suruchi Sangha puja pandal| Sangbad Pratidin

শুভঙ্কর বসু: পুজো মণ্ডপে ‘নো এন্ট্রি’-র নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে যে সব সেলিব্রিটিরা ক্লাব সদস্য না হয়েও অষ্টমীর সকালে মণ্ডপে প্রবেশ করে অঞ্জলি দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে এবার আইনি ব্যবস্থা নিতে চলেছেন মামলাকারী অজয় কুমার দে’র আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়।তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mohua Moitra) থেকে নুসরত জাহান (Nusrat Jahan) কিংবা চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। শনিবার অষ্টমীর সকালে অনেককেই মণ্ডপে প্রবেশ করে অঞ্জলি দিতে দেখা গিয়েছে। আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ সকলের মেনে চলা উচিত। তাছাড়া কেউ যদি জনপ্রতিনিধি হন, নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে তাঁর দায়িত্বটা আরও বেড়ে যায়। আমরা সবটাই নজরে রাখছি। যাঁরাই নির্দেশ অমান্য করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।”[আরও পড়ুন: করোনা কেড়েছে মেয়ের প্রাণ, দেহ আগলে রাতভর বসে রইলেন সন্তানহারা বৃদ্ধ বাবা]এদিন সকালে সুরুচি সংঘের পূজামণ্ডপে অঞ্জলি দিতে দেখা যায় অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরত জাহান ও তাঁর স্বামী নিখিল জৈনকে। এছাড়াও মণ্ডপে অঞ্জলি দেন চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী মিথিলা। মণ্ডপে তাঁদের ঢাকের তালে নাচতেও দেখা যায়। এছাড়াও মণ্ডপে প্রবেশ করে অঞ্জলি দিয়েছেন আরেক সাংসদ মহুয়া মৈত্রও। সব্যসাচী বাবুর মতে, ”নুসরত জাহান বা মহুয়া মৈত্র – যে কেউ অঞ্জলি দিতেই পারেন যদি তিনি পুজো উদ্যোক্তা হন বা সদস্য হন। কিন্তু আমরা যতদূর জানতে পেরেছি নুসরত জাহান ওই এলাকার বাসিন্দা নন। বিষয়টি আমরা পুলিশকে জানাব এবং আইনি নোটিস পাঠাব। তাছাড়া মহুয়া মৈত্রর কাছ থেকে এটা আশা করা যায় না। তিনি একাধিক সাংবিধানিক মামলায় নিজে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি আইন মানবেন, মানুষ এটাই আশা করে।”[আরও পড়ুন: শারদীয়ার শুভেচ্ছা জানাতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর বাড়িতে ধনকড়, চলল রাজনৈতিক আলোচনা]যদিও নুসরাতের তরফে তাঁর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন যে নুসরত তিন বছর আগে থেকেই সুরুচি সংঘের সদস্য। সেক্ষেত্রে তিনি সেখানে অঞ্জলি দিতে গিয়ে কিছু ভুল করেননি। এক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘিত হয়নি। নুসরতের মতোই চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় (Srijit Mukherjee) ও সুরুচি সংঘের (Suruchi Sangha) সদস্য বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে নুসরতের স্বামী নিখিল জৈন ও সৃজিতের স্ত্রী মিথিলাকে নিয়ে। মিথিলা বাংলাদেশের নাগরিক। নিখিল জৈন সুরুচি সংঘের সদস্য কি না, সে ব্যাপারে অবশ্য কিছু জানাননি নুসরতের মুখপাত্র। সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় আরও জানিয়েছেন, আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল তা কার্যকরী করতে কলকাতা পুলিশ যথেষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কিন্তু রাজ্য পুলিশের তরফে সেভাবে ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। একাধিক অভিযোগ জমা পড়ছে। তিনি বলেন, “আমরা সবটা নজরে রাখছি। আদালত পুলিশকে নির্দেশ কার্যকরী করতে বলেছিল। আমরা পুলিশকে বিষয়টা জানাচ্ছি।”তবে কৃষ্ণনগরে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর তরফে এ ব্যাপারে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অরিজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে স্পষ্ট জানিয়েছিল, মণ্ডপ বা নো এন্ট্রি জোনে পুজো উদ্যোক্তা, পুরোহিত ও ঢাকিরা ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। পুজো উদ্যোক্তাদের প্রবেশের ক্ষেত্রে সংখ্যা নির্ধারিত করে দিয়েছিল আদালত। বড় পুজোর ক্ষেত্রে একসঙ্গে ৪৫ এবং ছোট পুজোর ক্ষেত্রে একসঙ্গে ১৫ জনের প্রবেশের অনুমতি ছিল। এবং কারা, কতদিন প্রবেশ করবেন সেই সংক্রান্ত তালিকা সকাল আটটার মধ্যে মণ্ডপে ঝোলানোর নির্দেশও দিয়েছিল আদালত। আদালতের নির্দেশ মানা হয়েছে কিনা লক্ষ্মীপুজোর পর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে রিপোর্ট দিয়ে তা জানাতে হবে।

Source link

Governor Jagdeep Dhankhar meets Ex-CM Buddhadeb Bhattacharya and discusses important political issues| Sangbad Pratidin

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: দুর্গাপুজো (Durga Puja) এবছর অন্যভাবেই কাটছে সকলের। আমজনতা থেকে সেলিব্রিটি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব – কেউই অন্য বছরের মতো চিরাচরিত পথে উৎসব উদযাপন করতে পারছেন না। এই আবহেই মহাষ্টমীর সন্ধেবেলা চমক দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়  (Jagdeep Dhankhar)। স্ত্রীকে নিয়ে রাজভবন থেকে তিনি সোজা চলে এলেন পাম অ্যাভিনিউতে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বাড়িতে। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান তাঁরা। তবে সূত্রের খবর, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে বিজেপি ও তৃণমূল সম্পর্কে বেশ কড়া কথাই শুনতে হল রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে।এবারই প্রথম নয়। এ রাজ্যের সাংবিধানিক দায়িত্ব নিয়ে পদে বসার পর জগদীপ ধনকড় একবার গিয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর (Buddhadeb Bhattacharya) বাড়িতে। সেসময় তিনি বেশ অসুস্থ ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থায় খোঁজখবর নিতেই ধনকড় গিয়েছিলেন। শনিবার তাঁর যাওয়া দ্বিতীয়বারের জন্য। ঘড়িতে তখন প্রায় সন্ধে ৬টা। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর পাম অ্যাভিনিউর বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায় রাজ্যপালের গাড়ি। তাঁদের স্বাগত জানাতে বাড়ির বাইরেই অপেক্ষা করছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য। তাঁর হাতে ফুল তুলে দেন ধনকড়ের পত্নী। এই মুহূর্তে বেশ অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। অক্সিজেন চলছে তাঁর। সেই অবস্থায় রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলেন। [আরও পড়ুন: করোনা কেড়েছে মেয়ের প্রাণ, দেহ আগলে রাতভর বসে রইলেন সন্তানহারা বৃদ্ধ বাবা]বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধনকড় জানান, ”উনি দেশের ঊল্লেখযোগ‍্য রাজনৈতিক ব‍্যক্তিত্ব। ওনার পরামর্শ ও উপদেশ পাওয়া ভাগ‍্যের। তাই শারদীয়ার শুভেচ্ছা জানাতে যাই। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক কথা হয়েছে।” তবে কী কথা, তা জানাতে চাননি তিনি। কিন্তু রাজ্যে নিরপেক্ষ ভোট করতে তিনি বদ্ধপরিকর। প্রশাসন যাতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করে, তার জন‍্য সবরকমের চেষ্টা করবেন বলে বুদ্ধবাবুকে জানান ধনকড়। তখনই তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রাক্তন মুখ‍্যমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন বলে আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর। রাজ‍্যপাল আরও বলেন, ”বুদ্ধবাবুর স্ত্রী মারফত তাঁর শারীরিক খোঁজ আমি রাখতাম। তখনই ওনাকে আজ আসার কথা বলি। বুদ্ধবাবুর সঙ্গে আমার অনেকক্ষণ রাজনৈতিক বিষয় আলোচনা হয়। ওনাকে আমি বর্তমান সময়ের কথা বলেছি, আমিও ওনার থেকে অনেক বিষয় জেনেছি। উনি একজন জীবন্ত কিংবদন্তি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আমি ওনার দীর্ঘায়ু কামনা করি।”[আরও পড়ুন: দেশের তুলনায় রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ, মমতাকে সতর্কতার পরামর্শ ‘উদ্বিগ্ন’ ধনকড়ের]সূত্রের খবর, দু’পক্ষের রাজনৈতিক আলোচনাতেই বিজেপি ও তৃণমূল সম্পর্কে ধনকড়কে বেশ কড়া কথা শুনিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ফলে বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতার কাছে পরামর্শ নিতে গিয়ে এবার যে অভিজ্ঞতা খুব মধুর হল ধনকড়ের, তা কিন্তু নয়।

Source link

A father sat down in front of his daughter’s body in Nagerbazar

Published by: Sayani Sen |    Posted: October 24, 2020 2:47 pm|    Updated: October 24, 2020 2:47 pm
কলহার মুখোপাধ্যায়, বিধাননগর: উমা এসেছেন বাপের বাড়িতে। চলছে তার আরাধনা। অথচ তারই মাঝে বাবাকে ছেড়ে চলে গেল মেয়ে। কেড়ে নিল করোনা। কিন্তু সন্তানকে চিরদিনের মতো বিদায় জানাতে কোন বাবারই বা মন সায় দেয়? তাই তো নিজের মেয়ের মরদেহ আগলে রাতভর বসে রইলেন বাবা। বহুক্ষণ পর যদিও স্থানীয়দের তৎপরতায় দেহ দাহের বন্দোবস্ত হয়েছে। মহাষ্টমীতে মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী নাগেরবাজারের (Nagerbazar) যুগিপাড়া।বাবা সরকারি চাকরি করতেন। বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। বাড়িতে মেয়ে আর বাবা ছাড়া কেউই নেই। নাগেরবাজারের যুগিপাড়ার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁদের বাড়ির পাশেই রয়েছে একটি ক্লাব। ওই ক্লাবে জড়ো হওয়া বেশ কয়েকজন যুবকের দাবি, শুক্রবার সন্ধেয় তাঁরা আচমকাই আর্তনাদ শুনতে পান। দৌড়ে যান বাড়িটিতে। কলিং বেল বাজান। বেরিয়ে আসেন বৃদ্ধ। কোনও সমস্যা হয়েছে কিনা তা জানতে চান ওই যুবকেরা। তবে কোনও সমস্যা হয়নি বলেই জানান তিনি। ওই যুবকেরাও ফের ক্লাবে ফিরে আসেন। তবে কিছুক্ষণ পর তাঁরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পান বাড়ির মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন বলেও জানতে পারেন তাঁরা।[আরও পড়ুন: বিজেপিকে বিপর্যয়ের তকমা, ‘নিরাপদ’ জানিয়ে রেজিস্টারের আবেদন তৃণমূলের]সকালে কাউন্সিলর কেয়া দাস এই খবর পান। তবে ওই ব্যক্তি কিছুতেই মেয়েকে দাহ করতে তিনি চাননি। পরে স্বাস্থ্যদপ্তরের লোকজনও বাড়িতে পৌঁছয়। বৃদ্ধকে বুঝিয়ে ঘরের ভিতর ঢোকেন তাঁরা। স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি, ওই তরুণী কমপক্ষে রাত্রি আটটা-নটা নাগাদ মারা গিয়েছেন। বৃদ্ধকে বুঝিয়ে দেহ উদ্ধার করে দাহর ব্যবস্থা করা হয়। যেহেতু তরুণী করোনা আক্রান্ত ছিলেন তাই তাঁর বাবাকে বাড়িতে থেকে বেরতে বারণ করা হয়েছে। শরীরে ন্যূনতম কোনও উপসর্গ দেখা দিলেন স্বাস্থ্যদপ্তরে খবর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এলাকা স্যানিটাইজ করার প্রস্তুতিও চলছে।[আরও পড়ুন: দেশের তুলনায় রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ, মমতাকে সতর্কতার পরামর্শ ‘উদ্বিগ্ন’ ধনকড়ের]

Source link

Jagdeep Dhankhar directs to Mamata Banerjee to enforce covid restrictions ।Sangbad Pratidin

Published by: Sayani Sen |    Posted: October 24, 2020 9:31 am|    Updated: October 24, 2020 9:46 am
সারাবাংলা ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পূর্বাভাস ছিলই। সেই আশঙ্কাকেই যেন সত্যি করে গত কয়েকদিনে হু হু করে বেড়েছে সংক্রমণ। তবে মহাসপ্তমীর দিন কিছুটা নিম্নমুখী ছিল করোনা (Coronavirus) গ্রাফ। কিন্তু আশঙ্কা কাটেনি। তাই আর পাঁচজনের মতো এ বিষয়ে চিন্তিত খোদ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। টুইটে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন তিনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও কড়া সতর্কতা জারির পরামর্শও দিলেন।মহাসপ্তমীর সকালেই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি ২২ অক্টোবর রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিনে পাওয়া করোনা আক্রান্ত এবং মৃতের খতিয়ান তুলে ধরেন ওই টুইটে। গোটা দেশে যেখানে করোনা গ্রাফ বেশ নিম্নমুখী সেখানে বাংলার চিত্র অন্যরকম হওয়ায় আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। ১০০ শতাংশ কোভিডবিধি মেনে চলার আরজি জানান। ওই টুইটেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ট্যাগ করে বেলাগাম করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে আরও কঠোরভাবে সতর্কতা জারি পরামর্শ দেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান।Appeal all to 100% enforce Pandemic Covid restrictions to contain and combat it.October 22Covid Deaths: 64 Total: 6,308Covid +ve: 4167 Total: 3,37,283Utmost vigilace @MamataOfficial called for as Bengal’s current Covid rise is at odds with slowdown seen in the Country.— Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) October 23, 2020[আরও পড়ুন: ‘মা দুর্গাই মুছে দেবে সব দুঃখ’, মহাসপ্তমীর সকালে টুইট রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের]দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বারবার রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। কখনও শিক্ষাক্ষেত্র আবার কখনও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ সরব হয়েছেন তিনি। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়েও বারবার প্রশ্ন করেছেন। করোনা সংক্রান্ত খরচ নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। তবে এবার আর কোনও বিরোধ নেই। সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। যা রাজভবন এবং নবান্নের দুঃসম্পর্কের মাঝে বেশ উল্লেখযোগ্য।[আরও পড়ুন: ফের বদল সময়সূচিতে, জেনে নিন সপ্তমী থেকে দশমী কখন মিলবে মেট্রো পরিষেবা]

Source link

TMC launches ‘Mark Yourself Safe from BJP’ digital campaign for 2021 ।Sangbad Pratidin

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: বিজেপি অতিমারী, রাস্তায় নেমে স্লোগান তুলেছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সেই স্লোগানকে সামনে রেখে বিজেপিকে বিপর্যয়ের তকমা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ক্যাম্পেন শুরু করল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ঠিক যেভাবে কোনও বিপর্যয়ের মুখে ফেসবুক জানতে চায় কোথায় কতজন সুস্থ আছেন, নিরাপদে আছেন তা চিহ্নিত করে জানাতে। একেবারে সেই পদ্ধতি। আনুষ্ঠানিক স্লোগান “নিজেকে বিজেপির থেকে সুরক্ষিত চিহ্নিত করুন” (Mark Yourself Safe from BJP)। এই কর্মসূচিতে রেজিস্টার করিয়ে প্রাক ভোট জনমত তৈরির কাজটা এভাবেই শুরু করে দিচ্ছে তৃণমূল। দায়িত্বে সেই প্রশান্ত কিশোরের দল আইপ্যাক।ক্যাম্পেনে মূলত সামনে রাখা হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিক, দলিত নিগ্রহ, দাঙ্গার মত ইস্যুগুলোকে। এক শীর্ষ নেতার কথায়, “এতে দু’টো লাভ হবে। বিজেপি (BJP) বিরোধী মত জানা যাবে। দ্বিতীয়ত, কোথাও কেউ বিজেপির হাতে অত্যাচারিত কিনা, সেটাও সামনে আসবে। তাতে প্রশাসনকেও সতর্ক করা যাবে। আবার সেই ঘটনা মানুষও জানতে পারবে।”প্রকাশ্যে বিজেপি বিরোধিতা একপ্রকার। কিন্তু বিজেপি বিরোধী মতামত রয়েছে, আবার সেই মতপ্রকাশ করতে পারছেন না, এমন হলে চুপিসাড়ে সেই মত একেবারে রেজিস্টার করিয়ে নেওয়ার সুযোগ রেখেছে তৃণমূল। ‘বাংলার গর্ব মমতা’, ‘দিদিকে বলো’ এসব নানা পেজে এই ক্যাম্পেন চালাচ্ছে তৃণমূল। সেখানে পরপর প্রশ্নের জবাব দিয়ে নিজের মত জানিয়ে দেওয়া যাবে।বই পড়ার বয়সে বাচ্চাদের হাতে তরওয়াল ও বন্দুক তুলে দেওয়া হচ্ছে। ধর্ম ও বর্ণের ভিত্তিতে মানুষকে আক্রমণ করা হচ্ছে। আমাদের এই বিভেদের রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো উচিত। নিজেকে বিজেপির থেকে সুরক্ষিত চিহ্নিত করতে https://t.co/K5BdMDVN2d এ ক্লিক করুন।#BJPSeDeshBachao pic.twitter.com/j0YsSsrUyd— Banglar Gorbo Mamata (@BanglarGorboMB) October 23, 2020[আরও পড়ুন: দেশের তুলনায় রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ, মমতাকে সতর্কতার পরামর্শ ‘উদ্বিগ্ন’ ধনকড়ের]বস্তুত, পুজোর মরশুমে এই ধরনের ক্যাম্পেন বা রাজনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার নজির আগেও রয়েছে বিভিন্ন দলের। বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট। তার দামামা ইতিমধ্যে বেজে গিয়েছে। বিজেপি বা তৃণমূল উভয়েই নানা কর্মসূচি নিচ্ছে। করোনা (Coronavirus), দুর্গাপুজোর মত ইস্যুও বাদ যাচ্ছে না সেই পর্বে। বিরোধী দল থেকে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পালাও চলছে। তার মধ্যেই এই ধরনের নতুন সোশ্যাল মিডিয়া লড়াই শুরু করে দিল শাসক দল। তবে বিজেপিকে বিপর্যয় তকমা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মত জোগাড় করাটা কি লড়াইয়ের অঙ্গ? এক রাজ্য নেতা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন লড়াইয়ে সব পথিই পথ। তাঁর কথায়, “ভোটের লড়াই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হওয়া উচিত। সেই পথে না গিয়ে বিজেপি মানুষকে দাঙ্গা, অসাম্য, নিগ্রহের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটা বিপর্যয়েরই আরেক রূপ। সেই কারণেই মানুষের মত নেওয়া জরুরি। কারণ মানুষই আসল সত্য।”[আরও পড়ুন: ফের বদল সময়সূচিতে, জেনে নিন সপ্তমী থেকে দশমী কখন মিলবে মেট্রো পরিষেবা]

Source link