Category Archives: কলকাতা

কর্মী ‘ছাঁটাই’ নিয়ে আইনি লড়াইয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল, রাজভবনের সচিবকে তলব হাই কোর্টের

শুভঙ্কর বসু: ফের নতুন করে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। এবার দুই কর্মীর ‘ছাঁটাই’ নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হল। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানতে রাজভবনের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবকে ডেকে পাঠিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta HC)। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি হাজিরা দেওয়ার কথা। এই ঘটনা নবান্ন-রাজভবনের দ্বন্দ্ব যে আরও বাড়িয়ে তুলল, তা স্পষ্ট। 
দ্বন্দ্বের সূত্রপাত গত নভেম্বর। রাজভবনে কর্মরত পার্থপ্রতিম ঘোষ, মৌমিত্রা সরকারকে আচমকাই রিলিজ অর্ডার দেওয়া হয়। সাধারণত রাজভবনের কর্মীদের নিয়োগ করে রাজ্য সরকার। তাই রিলিজ অর্ডার দেওয়ার পর তাঁদের রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলা হয়। তাঁরা দু’জনেই রিলিজের চিঠি নিয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। রাজ্যের তরফে তাঁদের বলা হয়, এই মুহূর্তে অন্য কোনও পদে নিয়োগের কোনও সুযোগ নেই। তাই তাঁরা যেন সরকারি নির্দেশে রাজভবনেই কাজ চালিয়ে যান। রাজ্য সরকারের এই নির্দেশ নিয়ে পার্থপ্রতিম ঘোষ ও মৌমিত্রা সরকার ফের রাজভবনে যান। কিন্তু সেখান থেকে তাঁদের আবার ফেরত পাঠানো হয়। এরপর আরও চারবার তাঁরা রাজভবনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। তবে কোনও সাড়া পাননি।রিলিজ অর্ডার হাতে পাওয়ার পর থেকে তাঁদের বেতনও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে প্রক্রিয়াটি কার্যত ছাঁটাইয়ের মতোই। 
[আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিতে ‘অস্বীকার’ নার্সিংহোমের, স্বাস্থ্য কমিশনের দ্বারস্থ রোগীর পরিবার]
এরপর উপায়ান্তর না দেখে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দু’জন কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি রাজশেখর মন্থার এজলাসে সোমবার মামলা ওঠে। তাতেই সোমবার বিচারপতি তলব করেন রাজভবনের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবকে। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় রাজ্যকে না জানিয়ে কেন রিলিজ লেটার দেওয়া হল? কেন ঠিকমতো কর্মীদের সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ করা হয়নি? কেন তাঁদের আবেদনের কোনও জবাব দেওয়া হয়নি? সেসব সবিস্তারে জানাতে হবে রাজভবনের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবকে। ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁর জবাব তলব করা হয়েছে। ওইদিনই মামলার পরবর্তী শুনানি। আপাতত আদালতের বিচার বিবেচনার দিকেই তাকিয়ে আচমকা কাজ হারানো দুই সরকারি কর্মী।
[আরও পড়ুন: ‘দলত্যাগীদের জন্য তৃণমূলের দরজা বন্ধ’, পুরশুড়া থেকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার]

Source link

Bengal Guv Jagdeep Dhankhar visits woodlands hospital to meet Arup Roy ।Sangbad Pratidin

Published by: Sayani Sen |    Posted: January 25, 2021 3:37 pm|    Updated: January 25, 2021 4:15 pm
অভিরূপ দাস: অসুস্থ সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় (Arup Roy)। ভরতি কলকাতার উডল্যান্ডস হাসপাতালে। তাঁকে দেখতে সোমবার দুপুরে হাসপাতালে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ভালই রয়েছেন সমবায় মন্ত্রী, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে জানালেন তিনি। কিছুক্ষণ পরই অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে যান রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Rajib Banerjee)।পরিবার সূত্রে খবর, ষাটোর্ধ্ব অরূপ রায়ের হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিস রয়েছে। তাই তাঁকে প্রতিনিয়তই সাবধানে থাকতে হয়। তবে সম্প্রতি প্রশাসনিক ও দলীয় কাজের বেশ চাপ রয়েছে তাঁর উপর। শনিবার সকাল থেকে অসুস্থ ছিলেন তিনি। তবে সেই সময় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ওইদিন বিকেলে হাওড়া তৃণমূল সদর কার্যালয়ে ছিলেন। সেই সময় হঠাৎই বুকে ব্যথা অনুভব করেন। বাড়ি চলে যান। রবিবার ভোর থেকে অসুস্থতা আরও বাড়ে। শ্বাসকষ্ট এবং বুকে ব্যথা শুরু হয়। এরপরই তাঁকে কলকাতার উডল্যান্ডস হাসপাতালে (Woodlands Hospital) ভরতি করা হয়।[আরও পড়ুন: কর্মী ‘ছাঁটাই’ নিয়ে আইনি লড়াইয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল, রাজভবনের সচিবকে তলব হাই কোর্টের]ভরতির পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাঁর। করা হয় অ্যাঞ্জিওগ্রাম এবং পরে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি। সেখানেই ধরা পড়ে ৭৫ শতাংশ হার্ট ব্লক রয়েছে তাঁর। এরপরই সমবায় মন্ত্রীর শরীরে স্টেন্ট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, স্টেন্ট বসানোর পর আপাতত স্থিতিশীল মন্ত্রী অরূপ রায়। তবে তাঁকে বেশ কয়েকদিন হাসপাতালেই চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। অসুস্থ মন্ত্রীকে দেখতে সোমবার উডল্যান্ডসে যান রাজ্যপাল। ভালই রয়েছেন বলে জানান জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে ঠিক একইরকম সমস্যা দেখা গিয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়েরও। তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। স্টেন্টও বসাতে হয়। বর্তমানে সুস্থ ‘মহারাজ’।[আরও পড়ুন: সাধারণতন্ত্র দিবসে চমক, ‘পূর্ব পাকিস্তানে’র পাক সেনাকর্তার অস্টিনের চাকা গড়াবে রেড রোডে] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

কেন্দ্রের মতো রাজ্যের কৃষি আইনও কৃষক বিরোধী, বাতিলের দাবি জানাল বাম-কংগ্রেস

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: কেন্দ্রের বিতর্কিত আইনের সঙ্গে রাজ্যের কৃষি আইনের মিল রয়েছে। তাই এবার রাজ্যের বর্তমান কৃষি আইন বাতিলের দাবি জানাল বাম-কংগ্রেস জোট। অধিবেশন শুরুর আগে সোমবার বিধানসভায় সর্বদলীয় বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই রাজ্যের কৃষি আইন বাতিলের দাবি জানায় তারা। তাদের আরও দাবি, দু’দিন নয়, টানা ১৪ দিন অধিবেশন চলুক।
২৭ জানুয়ারি থেকে দু’দিনের বিধানসভা অধিবেশন বসছে। সেই অধিবেশনে দু’টি বিল আনা হবে- কোর্ট ফি সংশোধনী বিল এবং কৃষি ইউনিভার্সিটি সংশোধনী বিল। এর পাশাপাশি রাজ্যের কৃষি আইন বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন বাম ও কংগ্রেস। এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান বলেন, “২৪ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা বলছি কিছু করা হয়নি, এখন লোক দেখানোর অধিবেশন হচ্ছে। কিন্তু রাজ্য সরকার ২০১৪ ও ২০১৭ সালে যে কৃষক বিরোধী আইন করেছে তা বাতিল করেছে না। বিজেপিকে এরা চটাতে চায় না।”
[আরও পড়ুন : গরু পাচার কাণ্ডে ফের CBI জেরা বিনয় মিশ্রর ভাইকে, তলব আরেক পুলিশ অফিসারকে]
বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “কৃষি আইন নিয়ে সরকারের প্রস্তাব ভুলে ভরা। তবু সরকার আমাদের প্রস্তাব মানতে রাজি নয়। কারণ, কেন্দ্র সরকারকে এই সরকার চটাতে চায় না, আবার কৃষক আন্দোলনের পক্ষে রয়েছি এমন দেখাতে সরকার তাদের প্রস্তাব এনেছে। আমাদের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।” কেন্দ্রীয় কৃষি আইন বিরোধী প্রস্তাবের বিরোধিতা করবে বলে জানিয়ে দিলেন বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগগা। 
যদিও বাম-কংগ্রেসের অভিযোগ মানতে চায়নি রাজ্যের শাসকদল। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “১৫ তারিখ কৃষি আইন  বিরোধী প্রস্তাবের বয়ান  বাম-কংগ্রেস নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল।তখন তারা কেউ আপত্তি তোলেননি। এখন স্রেফ বিরোধিতার জন্যই ওঁরা এই কাজ করছে।” 
[আরও পড়ুন : স্টেন্ট বসানোর পর আপাতত স্থিতিশীল অরূপ রায়, মন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রাজ্যপাল]

Source link

NIA claims Lashkar terrorists planned big explosion in India

Published by: Sulaya Singha |    Posted: January 25, 2021 9:47 pm|    Updated: January 25, 2021 9:47 pm

ছবি: প্রতীকী শুভঙ্কর বসু: মুম্বই, দিল্লি ও রাজস্থানের একাধিক জায়গায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ছক কষেছিল জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (lashkar e taiba)। নগর দায়রা আদালতের বিশেষ এনআইএ আদালতে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করল এনআইএ (NIA)।লস্কর জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে ধৃত তানিয়া পারভিন ও ইদ্রিশের হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে চেয়ে আবেদন করেছিল এনআইএ। কিন্তু আবারও তাদের কেন হেফাজতে রাখতে চাইছে এনআইএ, বিচারকের এই প্রশ্নের উত্তরে এনআইএ-র তরফে আইনজীবীর চাঞ্চল্যকর দাবি, তানিয়া ও ইদ্রিশকে জেরা করে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে। দক্ষিণ ভারতের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে একাধিক ধর্মীয় স্থানের ম্যাপ উদ্ধার করা গিয়েছে। হার্ড ডিস্ক ও ওয়াইফাই রাউটারও পাওয়া গিয়েছে। যেখানে একাধিক মানুষ জড়ো হয় সেসব জায়গা চিহ্নিতকরণের কাজ করছিল এই জঙ্গি সংগঠন।[আরও পড়ুন: রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক বৈশালীর, বালির আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কথা]এছাড়াও এনআইএ-র আইনজীবী জানিয়েছেন, একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেরও হদিশ মিলেছে। যেটি মারফত জঙ্গিরা দীর্ঘদিন ধরে গোপন বার্তা পাঠাত। তানিয়া ও ইদ্রিশকে জেরা করেই বেঙ্গালুরু ও তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জায়গা থেকে হার্ডডিস্ক ও ম্যাপগুলি উদ্ধার হয়েছে বলে আদালতে জানিয়েছেন এনআইএ-র আইনজীবী। সে কারণেই তাদের আরও বেশি সময় হেফাজতে রেখে জেরার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালতে দাবি করেছে এনআইএ।এদিকে, সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে ফের রাজ্যে জেএমবি জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ নিয়ে সতর্কবার্তা। মুর্শিদাবাদের লালগোলা সীমান্ত দিয়েই অনুপ্রবেশ করেছে নব্য জেএমবির (Neo JMB) ৬ জন সদস্য! কিন্তু তারা কোথায় গা-ঢাকা দিয়েছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন গোয়েন্দারা। ফলে ২৬ জানুয়ারির আগে ফের রাজ্যের নিরাপত্তা বেড়েছে কয়েকগুণ।[আরও পড়ুন: নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালনের পর ‘অপরিষ্কার’ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, টুইট ক্ষুব্ধ মিমির] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

Youth theft jewellery from his Father-In-Law’s house in Kolkata ।Sangbad Pratidin

Published by: Sayani Sen |    Posted: January 25, 2021 10:37 pm|    Updated: January 25, 2021 10:37 pm
অর্ণব আইচ: আলমারির ভিতর থেকে নবদম্পতির বিয়ের যাবতীয় গয়না চুরি। বাড়ির লোকের মাথায় হাত।কিন্তু চুরির তদন্তের কিনারা করতে গিয়ে আঁতকে উঠল যে পুলিশও। চোর যে বাড়ির জামাই। পার্থসারথী ঘোষ নামে ওই জামাইকে পূর্ব কলকাতার বেলেঘাটা (Beleghata) থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।বেহালার (Behala) রায়বাহাদুর রায় রোডে অভিযোগকারীর মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে হানা দিয়ে পুলিশ পুরো আট লাখ টাকার গয়না উদ্ধার করে। পেশায় উদ্যানতত্ত্ববিদ পার্থসারথী একটি নার্সারির মালিক। কিন্তু লকডাউনের পর থেকে তাঁর ব্যবসা ভাল যাচ্ছিল না। তার উপর একসঙ্গে শ্যালকের এত গয়না দেখে লোভ সামলাতে পারেননি জামাই। পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৭ জানুয়ারি ওই দম্পতির বিয়ে হয়। বিয়ের যাবতীয় গয়না বেলেঘাটার সুরেন সরকার রোডে দম্পতির ফ্ল্যাটের শোওয়ার ঘরে আলমারিতে রাখা হয়। কিন্তু ১৯ জানুয়ারি নবদম্পতি দেখেন, আলমারি থেকে উধাও পুরো গয়না। বাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়।[আরও পড়ুন: রিকশা চালককে জেরা করেই মিলল তথ্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কালীঘাটে পোড়া নোট কাণ্ডের রহস্যভেদ]এই ব্যাপারে পাত্রের বাবা বেলেঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশের সন্দেহ হয়, বাড়ির কেউ চুরি করেছেন। সেইমতো প্রত্যেককে জেরা শুরু হয়। কারা ওই ঘরে গিয়েছিলেন, সেই সূত্র ধরেই পুলিশ তদন্ত করতে শুরু করে। সন্দেহের তির গিয়ে পড়ে বাড়ির বড় জামাই পার্থসারথীর উপর। টানা জেরার মুখে ভেঙে পড়েন তিনি। পুলিশ (Police) জানতে পারে যে, বাড়ির জামাই সুযোগ বুঝে শ্যালকের ঘরে ঢুকে আলমারির চাবি চুরি করেন। এরপর পুরো গয়না হাতিয়ে নিয়ে বেহালায় নিজের বাড়িতে গিয়ে লুকিয়ে রাখেন। ধৃত ব্যক্তিকে জেরা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।[আরও পড়ুন: মুম্বই, দিল্লি, রাজস্থানে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ছক কষেছিল লস্কর জঙ্গিরা, আদালতে দাবি NIA’র] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

Police clear the mystry of charred currency of Kalighat ।Sangbad Pratidin

অর্ণব আইচ: ঈশ্বরকে নিবেদন করা টাকা ফিরে গেল ‘ঈশ্বরের’ কাছেই। বিলীন হয়ে গেল প্রকৃতির পঞ্চভূতে।জৈন মন্দিরের প্রণামীর নষ্ট হয়ে যাওয়া কয়েক হাজার টাকার নোট বস্তাবন্দি করে রিজার্ভ ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল। ভুল করে ফুলের সঙ্গে সেই নষ্ট হয়ে যাওয়া টাকার বস্তাও মন্দিরের এক কর্মী তুলে দেন বাঁধাধরা রিকশাচালকের হাতে। রাজেন্দ্র সাউ নামে ওই বিশ্বস্ত রিকশাচালক আদিগঙ্গার ঘাটে ফুলের সঙ্গে হেলায় বিসর্জন দেন সেই খাজানা। এবং খরখরে শুকনো নোটে কেউ জ্বলন্ত ধূপ অথবা সিগারেট ফেলতেই আগুন। বেশিরভাগ নোট আধপোড়া হয়ে যায়।রবিবার বিকেলে কালীঘাটের  মুখার্জী ঘাটে পোড়া নোটের (Currency) রহস্যের অবশেষে যবনিকাপতন। ১০, ২০, ৫০, ১০০, এমনকী ৫০০ টাকার গুচ্ছের আধপোড়া নোট থেকে অক্ষত নোট খোঁজার জন্য মানুষের ঢল নেমেছিল। হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ঘটনাস্থলে কালীঘাট থানার পুলিশ গিয়ে নোটগুলি উদ্ধার করে। রহস্য উন্মোচন হয় পুলিশ রিকশাচালকের সন্ধান পাওয়ার পর। মুখার্জি ঘাটের গায়েই রাধাকৃষ্ণের মন্দির। সেখানকার পূজারি গোপাল মিশ্র জানান, ভবানীপুরের হেশ্যাম রোডের একটি জৈন মন্দিরের রিকশাচালক গত ২০ বছর ধরেই দিনে দু’বার করে এই ঘাটে এসে বাসি ফুল ও জল গঙ্গায় বিসর্জন দেন। সূত্রের খবর, সিসিটিভির ফুটেজে ওই রিকশা চালককে দেখে তাঁর সন্ধান পায় পুলিশ। রবিবার রাতে তাঁকে নিয়ে পুলিশ মুখার্জি ঘাটে যায়। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের দেখান, কীভাবে ঈশ্বরকে নিবেদন করা ফুল ও টাকা তিনি গঙ্গার ঘাটে ফেলেছেন।রবিবার বিকেলে হেশ্যাম রোডের ‘শ্রী ভবানীপুর মূর্তিপূজক জৈন শ্বেতাম্বর সংঘ’র অফিসের আধিকারিক পঙ্কজ দোশির কাছে কালীঘাট (Kalighat) থানা থেকে ফোন আসে। তাঁর কাছ থেকে টাকা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। সোমবার পঙ্কজবাবু জানান, এই জৈন মন্দিরে পার্শ্বনাথ ও অন্য তীর্থঙ্করদের মূর্তি প্রচুর ফুল দিয়ে পুজো করা হয়। পুজোর সময় মূর্তি স্নান করানো হয়। স্নানের জল ও পুজোর ফুল ফেলা হয় আদিগঙ্গায়। মন্দিরের একতলা ও দোতলায় রয়েছে আলাদা প্রণামীর বাক্স। ভক্তরা এসে টাকা ফেলেন প্রণামীর বাক্সে। দু’টি বাক্সেই জমছিল টাকা। [আরও পড়ুন: স্বচ্ছ ভারতের দফারফা, হাওড়া স্টেশনে ট্রেনের গায়ে প্রস্রাব খোদ গার্ডের]করোনা আবহে লকডাউনে গত মার্চ মাস থেকে বন্ধ হয়ে যায় মন্দির। ওই সময় মাত্র তিনজন কর্মী ছিলেন মন্দিরে। গত মে মাসে আসে আমফান। প্রচণ্ড ঝড় ও জলের ঝাপটায় নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েন সবাই। প্রণামীর বাক্সর দিকে নজর ছিল না কারও। তার মধ্যেই রাস্তার জমা জল ঢুকতে শুরু করে মন্দিরের ভিতরে। ভিজে চুপচুপে প্রণামীর বাক্স। ক্রমে তা শুকিয়েও যায়। আরও টাকা জমতে শুরু করে বাক্স দু’টিতে। কিছুদিন আগে ট্রাস্টির সদস্যরা বাক্স দু’টি খোলার পরই তাঁদের চক্ষু চড়কগাছে। বাক্সগুলির উপরের দিকের টাকাগুলি ভাল অবস্থায় থাকলেও নষ্ট হয়ে গিয়েছে নিচের দিকে রাখা প্রণামীর টাকা। বাছাই করে ‘নষ্ট’ হয়ে যাওয়া নোটগুলি আলাদা করে ফেলে একটি বস্তায় রাখা হয়। সেগুলি রিজার্ভ ব্যাংকে নিয়ে গিয়ে পালটানোর পরিকল্পনা ছিল ট্রাস্টিদের। কিন্তু সময় পাচ্ছিলেন না। তাই বস্তাটি একটি জায়গায় রেখে দেওয়া হয়েছিল।রবিবার দুপুরে দ্বিতীয় পর্যায়ে পুজোর বাসি ফুল প্যাকেট বোঝাই করে রেখে দেন এক কর্মী। সেই প্যাকেটের পাশেই ছিল ‘নষ্ট’ হওয়া টাকার বস্তা। প্রৌঢ় রিকশাচালক রাজেন্দ্র ফুল মনে করে টাকার বস্তাটিও রিকশায় রাখেন। তার সঙ্গে স্নানের জল। হেশ্যাম রোড থেকে মুখার্জি ঘাটে গিয়ে বস্তা থেকে ফুল ও টাকা বের করে ফেলে দেন। পুলিশের ধারণা, আশপাশের বাড়ি থেকে ওই টাকায় কেউ জ্বলন্ত ধূপ অথবা সিগারেট ফেলেছিলেন। তা থেকেই ধরে যায় আগুন। পুড়ে যায় কয়েক হাজার টাকার নোট। এত কাণ্ডের পর রাজেন্দ্র অবশ্য নির্বিকার। সোমবার সকালেও যথারীতি ঘাটে এসে ফুল-মালা ফেলে গিয়েছেন। তবে বিকেলে একটু সতর্ক হয়ে পুরসভার ডাস্টবিনেই ফেলেন।[আরও পড়ুন: রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক বৈশালীর, বালির আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কথা] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

33 seats for CPM and 44 seats for Congress in Bengal assembly

Published by: Paramita Paul |    Posted: January 25, 2021 6:47 pm|    Updated: January 25, 2021 7:07 pm
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: বাম-কংগ্রেস (CPM-Congress) জোট নিয়ে অবশেষে মিলল রফাসূত্র। তবে আসনের নিরিখে এগিয়ে রইল কংগ্রেসই। গতবার জোটের ঝুলিতে আসা ৭৭টি আসনের ভাগাভাগি নিয়ে এদিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছল দু’দল। বাকি ২১৭টি আসন নিয়ে ফের ২৮ তারিখ আলোচনায় বসবে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস।আসনরফা নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসেছিল দুই দল। সেখানে ৭৭টি আসন নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে ৪৪টি আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করবে কংগ্রেস। ৩৩টি আসনে প্রার্থী দেবে বামেরা। এ প্রসঙ্গে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু জানান, “গতবার নির্বাচনে ৪৪টি আসনে বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী জয় পেয়েছিল। আর ৩৩ টি আসনে জিতেছিল বামেরা। জেতা আসনগুলিতে সংশ্লিষ্ট দলই প্রার্থী দেবে।” পরবর্তী বৈঠক ২৮ জানুয়ারি। সেখানে বাকি ২১৭টি আসন নিয়ে আলোচনা হবে। এদিনের বৈঠকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন না। তাই বাকি আসনগুলি নিয়ে এদিন আলোচনা হয়নি বলে সূত্রের খবর। বৈঠক শেষে কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য জানান, “সেদিন (২৮ জানুয়ারি) যদি কোনও আসন নিয়ে কোনও জটিলতা দেখা দেয় তাহলে মার্চ মাসের ১ তারিখ ফের বৈঠকে বসবে দুই দল।”[আরও পড়ুন : কেন্দ্রের মতো রাজ্যের কৃষি আইনও ‘কৃষক বিরোধী’, বাতিলের দাবি জানাল বাম-কংগ্রেস]এদিন কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগে নিজেদের মধ্যে বৈঠকে সারে বাম নেতৃত্ব। কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলার সময় যাতে নিজেদের মধ্যে কোন মতানৈক্য না হয় সেজন্যই এই বৈঠক। প্রতিটি বামদলের সুর যাতে একই থাকে সেই জন্যই এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। সেই বৈঠকে ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র, আরএসপি রাজ্য সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরী ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মনোজ ভট্টাচার্য, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রাক্তন মন্ত্রী হাফিজ আলম সাইরানী। সূত্রের খবর, জোটের বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পরে ফের রাতে বৈঠকে বসবে বামফ্রন্ট নেতৃত্ব। [আরও পড়ুন : শুভ্রা কুণ্ডুকে জেরায় মিলল সূত্র, রোজভ্যালি কাণ্ডে কলকাতায় সিবিআই হানা] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

MLA Baishali Dalmiya meets with WB Guv Jagdeep Dhankhar ।Sangbad Pratidin

Published by: Sayani Sen |    Posted: January 25, 2021 6:48 pm|    Updated: January 25, 2021 7:36 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: সদ্যই ঘাসফুল শিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বৈশালী ডালমিয়াকে (Baishali Dalmiya)। বর্তমানে তিনি শুধুমাত্র বালির বিধায়ক। দল থেকে বহিষ্কারের ঠিক তিনদিনের মাথায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে দেখা করলেন তিনি। বালির আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নালিশও জানালেন বৈশালী।উল্লেখ্য, দলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মুখ খুলেছিলেন বৈশালী। শুক্রবার এক বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী অরূপ রায়ের (Arup Roy) বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন তিনি। বেলা গড়াতেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয় বালির বিধায়ককে। দলের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মন্তব্য করেছেন বৈশালী ডালমিয়া। এমনকী, দলবিরোধী একাধিক মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। এ ধরনের কার্যকলাপ নিয়ে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল বৈশালীকে। তবু নিজের আচরণ বদলাননি। তাই দল তাঁকে বহিষ্কার করে।[আরও পড়ুন: নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালনের পর ‘অপরিষ্কার’ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, টুইট ক্ষুব্ধ মিমির]বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কারের পরেরদিনই তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বালি (Bally)। গুলি-বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। ব্যাপক ভাঙচুর চলে এলাকায়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বাইক-টায়ার। এই ঘটনার পর লিলুয়ায় জিটি রোড অবরোধ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামে বিশাল পুলিশবাহিনী। এই ঘটনাকে টেনে বালির আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে ক্ষোভপ্রকাশ করেন বৈশালী। ইচ্ছাকৃতভাবে এসব করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। [আরও পড়ুন: কেন্দ্রের মতো রাজ্যের কৃষি আইনও কৃষক বিরোধী, বাতিলের দাবি জানাল বাম-কংগ্রেস] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

Railway employee urinates on parked train at Howrah station

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: January 25, 2021 6:49 pm|    Updated: January 25, 2021 6:49 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: স্বচ্ছ ভারতের দফারফা। স্টেশনে দাঁড়ানো ট্রেনের গায়েই প্রস্রাব করলেন খোদ এক রেলকর্মী। ঘটনাস্থল ব্যস্ত হাওড়া স্টেশন। ওই রেলকর্মীর এহেন কাজে রীতিমতো ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। প্রশ্ন উঠছে রেল স্টেশনে নির্ধারিত আইন কি শুধুই যাত্রীদের জন্য? অপরাধ করেও পার পেয়ে যাবেন রেলকর্মীরা?[আরও পড়ুন: নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালনের পর ‘অপরিষ্কার’ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, টুইট ক্ষুব্ধ মিমির]জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর ১.৫০ মিনিট নাগাদ হাওড়া স্টেশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে একটি ডাউন লোকাল ঢোকার পর ওই ট্রেনের কর্তব্যরত গার্ড নেমে ট্রেনের ফাঁকে প্রস্রাব করা শুরু করেন। হইহই করে কর্তব্যরত আরপিএফ ছুটে এলেও তাঁকে পাত্তা দেননি। বরং ‘স্টাফ’ বলে দাবি করে অপরাধের ছাড় নিতে চান। এই সময়ে যাত্রীদের একাংশ গার্ডের এহেন অপরাধের জন্য প্রতিবাদ করলে তেড়ে আসেন গার্ড বলে অভিযোগ উঠেছে। অপরাধ কবুল দূরের থাক, পালটা হুমকি দেন, “আপনাদের সামনে আবার প্রস্রাব করব। কি করবেন? গার্ডদের ডিউটি জানেন?” তবে, যাত্রীদের ক্ষোভ চরমে উঠলে শেষমেশ রণে ভঙ্গ দেন তিনি। যাত্রীদের মোবাইল অন করতে দেখে হন্তদন্ত হয়ে প্ল্যাটফর্ম সরে পড়েন ওই গার্ড।ব্যস্ত হাওড়া স্টেশন চত্বরে এহেন ঘটনায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। শৌচলয়ের বাইরে স্টেশন চত্বরে প্রস্রাব করা অপরাধ। হাওড়ার সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশন ম্যানেজার রোশন কুমার এই ঘটনার নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, “এমন কাজ গার্ডের কাছ থেকে কাম্য নয়। হাওড়া স্টেশনে পর্যাপ্ত শৌচালয় রয়েছে। ফলে এই কাজ করতে পারেন না গার্ড।” যাত্রীদের অভিযোগ, গার্ডের এই আচরণ নতুন নয়। প্রায়ই এই অপরাধ করে থাকেন কতিপয় গার্ড। রেলকর্মী বলে অপরাধ করেও পার পেয়ে যান। অথচ সাধারণ যাত্রীদের এই অপরাধে ধরে আরপিএফ ও জিআরপি দুই এজেন্সির কর্মীরা। রেল পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় এই কাজ অপরাধ। জরিমানা ২০০ টাকা। আরপিএফ জানিয়েছে, তারাও এই ধরণের অপরাধীদের ধরেন। রেল আইনের ১৪৫ ধারায় অপরাধীর জরিমানা এক হাজার টাকা। তবে কোর্ট অনুযায়ী জরিমানা ভিন্নও হয়।[আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে ফের CBI জেরা বিনয় মিশ্রর ভাইকে, তলব আরেক পুলিশ অফিসারকে] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link

Actress turns MP Mimi Chakraborty raises question over mess at Victoria Memorial ।Sangbad Pratidin

Published by: Sayani Sen |    Posted: January 25, 2021 6:16 pm|    Updated: January 25, 2021 6:16 pm
সারাবাংলা ডেস্ক: চলতি বছর নেতাজির (Netaji Subhas Chandra Bose) ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কেন্দ্র। সেই অনুষ্ঠানে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান নিয়ে ইতিমধ্যে তোলপাড় রাজনীতির আঙিনা। তার উপর আবার অনুষ্ঠানের পর প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কাটতে চললেও এখনও অপরিষ্কার হয়ে পড়ে রয়েছে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। এই অভিযোগেই টুইটে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন যাদবপুরের তারকা তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।নেতাজি জন্মজয়ন্তী ছিল গত শনিবার। আর পাঁচটা দিনের মতো রবিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণকারীরা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে (Victoria Memorial) যান। তাঁদের অভিযোগ, হাঁটাচলার প্রায় জায়গাই নেই। পরিবর্তে ওই রাস্তাঘাট খাবারের প্যাকেট, ময়লা ফেলার প্যাকেট, ফাঁকা জলের বোতলে ভরতি। রবিবারের পর সোমবারও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের ছবি বদলায়নি এতটুকু। আর সেই অভিযোগ কানে আসার পরেই টুইটে ক্ষোভপ্রকাশ করেন মিমি। তিনি লেখেন, “একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে হেরিটেজ ভবন পরিষ্কারের দায়িত্ব থাকে আপনাদেরই। এটা দায়িত্ববোধের পরিচয়। আমরা সকলেই জানি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের চত্বরে খাবার নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র আপনারা বলেই কি নিয়ম ভাঙা হল?”[আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে ফের CBI জেরা বিনয় মিশ্রর ভাইকে, তলব আরেক পুলিশ অফিসারকে]নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালনের দিনে সংঘাতের মাঝেও একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্য রাখতে মঞ্চে ওঠার সময়ই তাঁকে লক্ষ্য করে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া হয়। তাতেই খানিকটা ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। কাউকে এভাবে আমন্ত্রণ করে অপমান করা অনুচিত বলেই দাবি করে বক্তৃতা রাখতে অস্বীকার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই ইস্যুতেই আপাতত তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। সে প্রসঙ্গে এদিন টুইট করেন মিমি। তিনি লেখেন, “সবসময় ব্যাপারটা রাজনীতিকেন্দ্রিক নয়। কিছু নীতিবোধও থাকে। তা যদি সেদিন ভিক্টোরিয়ায় আসা অতিথিদের থাকত তবে দৃশ্যদূষণ আটকানো যেত।”Everytime it is not about party and politics it is also about ethics.This mess could hav been prevented.1/2— Mimssi (@mimichakraborty) January 25, 2021পরিবেশ দূষণ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান প্রসঙ্গে মিমির (Mimi Chakraborty) টুইটের যদিও পালটা কোনও প্রতিক্রিয়া বিজেপির তরফে এখনও পাওয়া যায়নি।[আরও পড়ুন: শুভ্রা কুণ্ডুকে জেরায় মিলল সূত্র, রোজভ্যালি কাণ্ডে কলকাতায় সিবিআই হানা] Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপনিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে Follow।সব খবরের আপডেট পান সংবাদ প্রতিদিন-এLikeDownload

Source link