Category Archives: ফ্যাশন

having curd in winter: শীতকালে কি দই খাওয়া উচিত? আয়ুর্বেদ আর বিজ্ঞানের কী মত! – should you have curd in winter? here’s what ayurveda and science say

হাইলাইটসআয়ুর্বেদ অনুসারে শীতকালে দই না খাওয়াই ভালো। কারণ দই আমাদের গ্ল্যান্ড নিসঃরণ বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মিউকাস নিঃসরণও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের শীতকালে মোটেও দই খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছে আয়ুর্বেদ। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: এখনও সেভাবে জাঁকিয়ে না বসলেও বাতাসে শীতের আমেজ হালকা হালকা অনুভব করা যাচ্ছে। ভোরে এবং রাতের দিকে বাতাসের শিরশিরানি শুরু হয়ে গিয়েছে। আলমারিতে ভরে রাখা লেপ কম্বল এবার নামিয়ে রোদে দেওয়ার দিন উপস্থিত। গ্রীষ্মপ্রধান আমাদের দেশে শীত ক্ষণিকের অতিথি। সেই কারণেই শীত প্রায় সবারই পছন্দের ঋতু। শীতকাল পছন্দ করার একটা বড় কারণ এই সময়ে নানা মুখরোচক খাবার খাওয়ার দিন। কিন্তু মনে রাখবেন সব খাবার কিন্তু শীতকালে খাওয়া ঠিক নয়। যেমন গরমে দই খেতে আমরা সবাই ভালোবাসি। খাওয়ার পরে শেষপাতে একটু টকদই যেমন উপাদেয়, তেমনই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু শীতকালে অনেকেই দই এড়িয়ে চলেন। ঠান্ডার সময় দই খাওয়া ঠিক নয় বলেই মনে করা হয়। সাধারণ ভাবে মনে করা হয় যে শীতকালে দই খেলে ঠান্ডা লাগা এবং গলা ব্যাথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু এই ধারণা কি সত্যি?বাড়িতেই কোভিড রোগী? কী ভাবে নিজে নিরাপদ থাকবেন জেনে নিন আয়ুর্বেদ কী বলছে?আয়ুর্বেদ অনুসারে শীতকালে দই না খাওয়াই ভালো। কারণ দই আমাদের গ্ল্যান্ড নিসঃরণ বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মিউকাস নিঃসরণও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের শীতকালে মোটেও দই খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছে আয়ুর্বেদ। অ্যাসথমা, সাইনাস এবং সর্দি-কাশির সমস্যা যাঁদের আছে তাঁরা শীতকালে দই এড়িয়ে চলুন। আয়ুর্বেদের পরামর্শ অনুসারে বিশেষ করে শীতের রাতে কখনোই দই নয়।বিজ্ঞান কী বলছেদইয়ে প্রচুর পরিমাণে ভলো ব্যাকটিরিয়া আছে, যা আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। দই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়ক। এর মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি১২ এবং ফসফরাস। বিজ্ঞানের মতে শীতকালে দই খেলে আমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তবে শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা থাকলে বিকেল ৫টার পর দই খেতে বারণ করছেন বিজ্ঞানীরাও। কারণ এর ফলে মিউকাস বৃদ্ধি পেয়ে অ্যালার্জি ও অ্যাসথমা যাঁদের রয়েছে, তাঁদের সমস্যা হতে পারে। রোজের মেনু থেকে জাস্ট একটা খাবার বাদ দিয়েই ৫ মাসে ২০ কেজি ওজন কম! অনেকে আবার বলেন যে দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় সর্দি-কাশিতে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য এটি ভালো। কিন্তু সেক্ষেত্রে দই ঘরের তাপমাত্রায় থাকলে তবেই খান। ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা দই খাবেন না। তাহলে কী দাঁড়াল? গোটা শীতকাল আপনাকে আপনার প্রিয় দইয়ের বাটি দূরে সরিয়ে রাখতে হবে না। তবে একটু বুঝেসুঝে খাওয়াই ভালো। বিশেষ করে সর্দি এবং জ্বর থাকলে দই খাবন না। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

শীত পড়তেই গোড়ালি ফাটছে? এই ফুট মাস্ক ব্যবহারে গোড়ালি ফাটার সমস্যা সহজেই দূর হবে! | Homemade DIY Foot Mask For Cracked Heels In Winters


১) নারকেল ও কলার ফুট মাস্ক তৈরির পদ্ধতি টুকরো করে কাটা কলা এবং লম্বা করে কাটা চার টুকরো নারকেল। কলার টুকরোর সঙ্গে নারকেল টুকরো একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। নারকেল ও কলার ফুট মাস্ক ব্যবহার করার পদ্ধতি স্টেপ ১ – নারকেল ও কলার মিশ্রণটি পায়ের ফাটা জায়গায় ভাল করে লাগিয়ে নিন। স্টেপ ২ – শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নারকেল ও কলার ফুট মাস্কের উপকারিতা পা ফাটার সমস্যার সমাধান করতে এই ফুট মাস্কটি ব্যবহার করুন। সমস্যার সমাধান হবে খুব দ্রুত! কলা চটকে নিয়ে তাতে তিন চামচ নারকেল তেল মিশিয়েও লাগাতে পারেন। উপকার পাবেন। ২) দই-কলা ফুট মাস্ক তৈরির পদ্ধতি ১টি পাকা কলা, ১ কাপ দই, ১ চামচ চিনি, কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল, কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল এবং একটি বড় পাত্র নিন। দই গরম করুন এবং কলা ম্যাশ করুন। দই এবং কলা ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর পরে তাতে চিনি মেশান। পেস্ট তৈরি হয়ে এলে তেল মিশিয়ে ভাল করে মেখে নিন। ১০ মিনিট পেস্টটি রেখে দিন। এরপরে পায়ে ম্যাসাজ করার জন্য এই পেস্টটি ব্যবহার করুন। কলা এবং দই ফুট মাস্ক ব্যবহার করার পদ্ধতি স্টেপ ১ – পা ম্যাসাজ করতে, একটা গামলায় হালকা গরম জল নিয়ে তাতে লেবু এবং মধু মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। স্টেপ ২ – এরপরে, জল থেকে পা বার করে নিন। তোয়ালে দিয়ে ভাল করে পা পরিষ্কার করে নিন। স্টেপ ৩ – দই এবং কলার তৈরি ফুট মাস্ক পায়ে ভালভাবে লাগান। স্টেপ ৪ – মাস্ক শুকানোর পরে ধীরে ধীরে পায়ে ম্যাসাজ করুন। তারপরে মাস্ক তুলে দিন। স্টেপ ৫ – মাস্ক অপসারণ করার পরে, হালকা গরম জল দিয়ে পা ধুয়ে নিন। তারপরে পায়ে কোল্ড ক্রিম লাগান। স্টেপ ৬ – কলা এবং দইয়ের ফুট মাস্ক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করুন, এতে আপনার ফাটা গোড়ালি সহজেই ঠিক হয়ে যাবে! কলা এবং দই ফুট মাস্কের উপকারিতা পায়ের সৌন্দর্য বাড়াতে কলা এবং দই খুবই কার্যকর। দইতে ল্যাকটিক অ্যাসিড, আলফা হাইড্রোক্সি অ্যাসিড রয়েছে, যা মৃত ত্বকের নিরাময়ে সহায়তা করে। কলা ত্বককে ময়েশ্চরাইজ করতে সহায়তা করে। কলা ব্যবহার করে ফাটা গোড়ালি ঠিক করা যায়। ৩) গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের ফুট মাস্ক তৈরির পদ্ধতি ১ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ গ্লিসারিন, ১ চামচ গোলাপ জল নিন। সমস্ত উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের ফুট মাস্ক ব্যবহারের পদ্ধতি স্টেপ ১ – একটি গামলায় হালকা গরম জল নিন। স্টেপ ২ – এরপর তাতে ১ চামচ নুন, ১টি লেবুর রস, ১ কাপ গোলাপ জল মেশান। স্টেপ ৩ – এর মধ্যে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। স্টেপ ৪ – তারপর খসখসে কিছু একটা দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভাল করে ঘষে মৃত ত্বক তুলে ফেলুন এবং পা ধুয়ে নিন। স্টেপ ৫ – এরপর তৈরি করা মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। স্টেপ ৬ – সকালে হালকা গরম জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের ফুট মাস্কের উপকারিতা সবেমাত্র পা ফাটা শুরু হলে এই ফুট মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন, দ্রুত উপকার পেতে পারেন। সপ্তাহে ২-৩ বার করলেই পা ফাটা একেবারে সেরে যাবে!

Source link

health benefits of asafoetida: ফোড়ন থেকে সুস্বাস্থ্য, হিং হামেশাই চমক দেয়! জেনে নিন – 7 amazing health benefits of asafoetida we should all know about

হাইলাইটসআর্য়ুবেদ মতে হিং স্নিগ্ধ, খাবার হজম করায়। কাশি, কফ বের করে দেয়। অনেকের তড়কা বা খিঁচুনির মতো সমস্যা থাকে। তাদের ক্ষেত্রেও খুব ভালো কাজ করে হিং। যৌনউত্তেজনা বৃদ্ধিতে হিং-এর ভূমিকা কিন্তু বেশ ঈর্ষাজনকএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: আদ্যিকাল থেকেই রান্নায় ব্যবহার করা হয় হিং। তখন তো আর মাছ মাংসের এত বেশি চল ছিল না। ঘিয়ে ভাজা কচুরির সঙ্গে একটু হিং বা কুমড়োর ছক্কার সঙ্গে সামান্য হিং মেশালে তার স্বাদ আর গন্ধ দুই মাতোয়ারা করে দিত। পরবর্তীতে মাছ-মাংসের গন্ধ কাটাতেও কিন্তু হিং দেওয়া হতো। জলখাবারে খুবই জনপ্রিয় হিং-এর কচুরি। তবে আমাদের দেশে হিং কিন্তু ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। পেটের নানা অসুখ, মুখের অরুচি সবই কেটে যায় হিংয়ের গন্ধে। আর্য়ুবেদ মতে হিং স্নিগ্ধ, খাবার হজম করায়। কাশি, কফ বের করে দেয়। অনেকের তড়কা বা খিঁচুনির মতো সমস্যা থাকে। তাদের ক্ষেত্রেও খুব ভালো কাজ করে হিং। যৌনউত্তেজনা বৃদ্ধিতে হিং-এর ভূমিকা কিন্তু বেশ ঈর্ষাজনক। যৌনরোগের অনেক ওষুধেই উপাদান হিসেবে হিং-এর ব্যবহার রয়েছে। হিং দিয়ে আগেকার দিনে বাড়িতেই তৈরি করা হত নিরামিষ মশলা। সামান্য ঘিয়ে হিং, শুকনো আদা, গোলমরিচ, জোয়ান, জিরে, সাজিরা, সামরিচ, জোয়ান ভালো করে ভেজে শুকনো করে মিহি গুঁড়ো করে নিতে হবে। এবার যে কোনও রান্নায় এই মশলা ব্যবহার করলেই তার স্বাদ হবে খোলতাই। বাড়িতে ঘোল বানালেও এই মশলা ব্যবহার করা যায়। এতে হজম ভালো হয়। এছাড়াও হিং এর রয়েছে আরও উপকারিতা। গ্যাস-অম্বলে- হিং হজমের জন্য খুবই ভালো। পাকস্থলীর অম্লত্ব-ক্ষারত্ব রক্ষা করে হিং হজমের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এর ফলে পেটে গ্যাস, জমতে পারে না। পেট ফেঁপে যাওয়ার মতো সমস্যাও থাকে না। গ্যাসের আর্য়ুবেদিক যে কোনও ওষুধে হিং ব্যবহার করা হয়। স্মৃতিশক্তি বাড়ায়- হিং খুব ভালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আর তাই অ্যাসিটিলকোলিনের ভাঙন আটকায় হিং। এই অ্যাসিটিলকোলিন মস্তিষ্কে সংকেত আদান প্রদানে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি ও চেতনা বজায় রাখে। ওজন কমায়- হিং এর প্রভাবে যেহেতু ঙালো হজম হয় তাই ওজনও দ্রুত কমে। হিং, আদা, জিরের ভাজা মশলা দিয়ে ঘোল খেতে পারলে ওজন কমে। রক্তচাপ কমায়- যাঁদের হাই ব্লাড প্রেসার রয়েছে তাঁদের রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হিং এর ভ্যাসোরিলাক্সান্ট উপাদানের জন্য রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাধে না। ফলে হার্ট অ্যার্টাকের সম্ভাবনা কমে। কিডনি কাজ করে- চিকিৎসায় দেখা গিয়েছে হিং মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। হিং এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকায় বৃক্কের ক্ষয় আটকায় এবং বৃক্কের কার্যকারিতা উন্নীত করে। ব্যাকটেরিয়া জীবানু আটকায়- হিং এর মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। যে কারণে হিং সর্দি, ঠান্ডালাগা এসবের হাত থেকে রক্ষা করে। হিং প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়া আর ছত্রাকের বৃদ্ধি আটকায়। যে কারণে আচার, সস তৈরিতে হিং ব্যবহার করা হয়। অ্যাজমার সমস্যায়- শুকনো কাশি, গলা খুসখুস, শ্বাস নিতে অসুবিধা, নাক বন্ধ থাকা এসব লেগেই রয়েছে? দুচামচ গরম জলে এক চামচ হিং পাউডার মিশিয়ে বুকে মালিশ করুন। উপশম পাবেন। এছাড়াও হিং পাউডার, আদা গুঁড়ো, মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতেও উপকার হবে। ফুসফুসের যে কোনও সমস্যায় এই মিশ্রণ খাওয়া যেতেই পারে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: ফেসিয়াল শুরুর সঠিক বয়স কী? যা জানা জরুরি… – the age to start getting facials

হাইলাইটসফেসিয়াল করলে মুখের যে সব মরা কোশ থাকে তা উঠে যায়। কিন্তু কোনওভাবেই ফর্সা হওয়া যায় না। ত্বকের যে ম্যাসেজ হয় তার ফলে রক্তসঞ্চালন ভালো হয়এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ফেসিয়াল করলে ত্বক ভালো থাকে। গ্ল্যামার বাড়ে। আর এই গ্ল্যামারের লোভেই মাত্র ১৬ বছরের কন্যাও যখন ফেসিয়াল করে আসে তখন তাকে শুনতে হয় খুব বড় বয়ে গিয়েছিস! আমাদের সকলেরই ধারনা ১৬ বছর বয়সে ফেসিয়াল করা অপরাধের সমান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন তা জানেন কি? ঠিক কোন বয়স থেকে ফেসিয়াল শুরু করা উচিত এই উত্তর অনেকের কাছেই নেই। তবে তার আগে মনে রাখুন ফেসিয়াল করা মানেই কিন্তু ফর্সা হওয়া নয়। ফেসিয়াল করলে মুখের যে সব মরা কোশ থাকে তা উঠে যায়। কিন্তু কোনওভাবেই ফর্সা হওয়া যায় না। ত্বকের যে ম্যাসেজ হয় তার ফলে রক্তসঞ্চালন ভালো হয়। ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকে। ইনস্ট্যান্ট একটা গ্লো আসে। কোন বয়স থেকে শুরু করা উচিতফেসিয়াল মানে যেহেতু মূলত ত্বককে পরিষ্কার করা,তাই ত্বককে পরিষ্কার রাখার জন্য,কেউ চাইলে ১৫ বা ১৬ বছর বয়স থেকে ফেসিয়াল শুরু করতে পারে।আবার এই সময় ব্রণর প্রবণতা দেখা যায়।তাই খুব ব্রণ হলে,তা থেকে মুক্ত থাকার জন্য করতে পারে ফেসিয়াল। তবে ৩০ এর কোঠায় পা রাখার আগে ফেসিয়াল না করাই ভালো। ক্লিনজিং-টেনিং-ময়েশ্চারাইজিং কিন্তু বাড়িতেও করা যায়। এছাড়াও হার্বাল প্রোডাক্ট কিনে এনে চলতে পারে হোম ফেসিয়াল। সেগুলি হবে স্পেশাল ট্রিটমেন্ট ফেসিয়াল।কিন্তু ফেসিয়াল করার আদর্শ সময় ৩০ বছর বয়সের পর,কারণ তার আগে অবধি ত্বক খুব কোমল, নরম থাকে। বাজার চলতি সব প্রোডাক্টেই কেমিক্যালের আধিক্য থাকে। এতে যেমন ত্বকের ক্ষতি হয় সেই সঙ্গে ত্বকের বয়সও বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও দ্রুত চামড়া কুঁচকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে মুখের স্বাভাবিক গ্লো নষ্ট হয়ে যায়। আর ওই গ্লো পরবর্তীকালে ফিরেও আসে না। বরং মুখ অনেক বেশি শুকনো লাগে। কেমন ফেসিয়াল করা যেতে পারেযদি ১৬ বছর বয়সেই কারোর ফেসিয়াল করার ইচ্ছে হয় তাহলে ফ্রুট ফেসিয়াল দিয়েই শুরু করা ভালো। কারণ এই সময় বাইরেই কাটে দিনের বেশিটা অংশ। ফলে মুখে ট্যান পড়ে। আর দূষণ তো রয়েইছে। আপেল সেদ্ধ করে চটকে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা কমলালেবুর রস, কাঁচা দুধ, এক চামচ কফি গুঁড়ো আর মূলতানি মাটির প্যাক বানিয়ে নেওয়াই ভালো। বাজার চলতি ফেসিয়াল প্যাকের থেকে বানানো প্যাক অনেক ভালো হয়। এছাড়াও চকোলেট ফেসিয়াল, চারকোল ফেসিয়াল করা যেতেই পারে। মেশিনের বদলে হাত দিয়েই ম্যাসাজ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়াও স্ক্রাবিংও হাত দিয়ে ভালো করে ঘষে করা দরকার। ৩০ বছরের পর যাঁরা ফেসিয়াল করবেন তাঁরা মূলতানি মাটি, চন্দন গুঁড়ো, গোলাপ জল আর কফি পাউডার গিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। সবসময় নামী ব্র্যান্ডের ম্যাসাজ ক্রিম ব্যবহার করবেন। আরও পড়ুন:বিবি ক্রিম নাকি সিসি ক্রিম! চটজলদি মেকআপ করতে কোনটা বাছবেন জানুন…যা যা মাথায় রাখবেন১৬ বছর বয়স থেকে ফেসিয়াল শুরু না করাই ভালো। প্রয়োজনে বাড়িতে ঘরোয়া উপায়েই রূপচর্চা করতে হবে। এতে দীর্ঘমেয়াদি ফল পাওয়া যাবে। যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করে হাত দিয়েই স্ক্রাবিং করতে হবে। ম্যাসাজ ক্রিম লাগাতে হবে। কোনও রকম কেমিক্যাল নয়, প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি এমন প্রোডাক্ট দিয়েই ফেসিয়াল করতে হবে। ট্যান রিমুভ ফেসিয়াল করবেন না। পার্ল ফেসিয়াল, গোল্ড ফেসিয়াল এসবও এড়িয়ে চলুন।৩০ বছরের পর মাসে একবার ফেসিয়াল করুন। ভুলেও দুবার করবেন না। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

unbelievable beauty benefits: কেবল খাদ্য নয়, রূপচর্চায় দারুণ কার্যকরী কলাপাতা! গুণ জানলে অবাক হবেন… – unbelievable beauty benefits of banana leaves for your hair and skin

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: গাছ নানাভাবে মানুষের উপকার করে। ফল, ফুল, কাঠ, অক্সিজেন ওছায়া- এ সবকিছুই আমরা গাছ থেকে পাই। গাছের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। তাছাড়া এটাও জানি যে, এমন অনেক গাছ রয়েছে যেগুলো আমাদের শারীরিক সুস্থতা ও সৌন্দর্যের জন্য উপকারী। কলাপাতা আমরা খাবার খাওয়ার সময় ব্যবহার করি, পাত্র হিসেবেই কলাপাতার বেশি ব্যবহার, অনেকে আবার রান্নার মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করেন। তবে এই কলাপাতাই আপনার ত্বক ও চুলের ক্ষেত্রে দারুণ উপকারী। সেটা জানেন কি? ত্বকে ব্যবহারের জন্য বাজারে যেসব ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায়, তার অনেকগুলোই বিভিন্ন গাছগাছালির সঙ্গে রাসায়নিক উপাদান যোগ করে তৈরি করা হয়। রাসায়নিক মিশ্রিত ত্বকের উপাদান ব্যবহারের চেয়ে সরাসরি প্রাকৃতিক উপাদান করাটাই স্বাস্থ্যসম্মত। অথচ আমাদের আশেপাশে নানা প্রাকৃতিক উপাদান থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে যাই। কলাপাতায় কী কী গুণ আছে দেখে নিন…UV রশ্মি থেকে বাঁচায়-সবুজ কলাপাতার আস্তরণ আপনার শরীরকে ক্ষতিকারক UV রশ্মি থেকে বাঁচায়। এর স্নিগ্ধতা আপনার শরীরের প্রতিটি কোষকে আরাম দেয়।বলিরেখা আটকাতে- কলাপাতার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা স্কিন ড্যামেজকে আটকে দেয়। বর্তমান জীবনের ইঁদুরদৌড়ে যৌবনের বয়স কমে আসছে। অকালেই ত্বকে ভাঁজ পড়ছে। তা আটকাতে সাহায্য করে কলাপাতার ফেসপ্যাক।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়-অ্যালানটয়েন (Allantoin) নামে এক যৌগ থাকে কলাপাতার মধ্যে। এর ফলে প্রাণী শরীরে নাইট্রোজেন মেটাবলিজম তৈরি হয়। তা ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।ট্যান কমাতে সক্ষম-ত্বকের ট্যান কমাতে সক্ষম কলাপাতার ফেসপ্যাক। এতে ক্ষত সারানোর ক্ষমতাও রয়েছে। এগজিমার মতো চর্মরোগও সারায় এই পাতা।চুলের খুশকি সমস্যা- চুলের খুশকি সমস্যার সমাধানেও কলা পাতার জুড়ি মেলা ভার। এতে চুলের গোড়ার চুলকানি ভাবও কমে যায়। কলাপাতা শীতল। সেই কারণে তা মাথায় ব্যবহার করলে আরাম পাওয়া যায়। পাশাপাশি মাথাও ঠান্ডা করে। এতে চিন্তা শক্তি বাড়ে। নতুন উদ্যমে কাজ করার অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়। যাঁদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে, তাঁরাও কলাপাতা ব্যবহার করে উপকার পাবেন।কলাপাতা ওষুধ হিসেবে কাজ করে-ত্বকের জন্য কলাপাতা ওষুধ হিসেবে কাজ করে। বিষাক্ত মৌমাছির হুল, পোকামাকড়ের কামড়, ফুসকুড়ি, মাকড়সার কামড়, সাধারণ ত্বকের জ্বালা উপশম করে। এজন্য কচি কলাপাতা ব্লেন্ড করে রস ক্ষত স্থানে সামান্য সময় রেখে ধুয়ে ফেলুন। যদি এই রস ব্যবহারের পর ত্বক জ্বালাপোড়া করে তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন।উজ্জ্বল ও সতেজ ত্বক- কলা পাতার ওপর কয়েকটি বরফের কিউব ঘষে নিয়ে ত্বকের ওপর প্রয়োগ করলে ত্বক আরো উজ্জ্বল ও সতেজ দেখায়।টক্সিক বের করতে যেতে সাহায্য করে- তাছাড়া কলাপাতায় নিয়মিত খাবার খেলেও ত্বককে ভিতর থেকে সুস্থ রাখে। কারণ এই পাতার মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিককে বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে আরো বেশি উজ্জ্বল এবং সতেজ।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

How to Turn a Girl Friend Into a Girlfriend: বড্ড বেশিই প্রেম! আপনার সম্পর্ক যখন বন্ধুদের কাছে বিরক্তিকর… – things about couple which irritates their friends

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: বন্ধুদের গ্রুপে প্রেম হতেই পারে। একজনের অন্যজনের প্রতি ভালোবাসা থাকা অন্যায় নয়। কিন্তু এমন অনেকেই থাকেন যাঁরা বন্ধুদের সঙ্গে নিজেদের প্রেমজীবনকে গুলিয়ে ফেলেন। অর্থাৎ একসঙ্গে সবার সঙ্গে আড্ডা মারতে বেরিয়েও তাঁরা নিজেদের প্রেমের কথা বলেন। একে অপরের প্রেমে সবসময় গদগদ। যেখানে দুজনের প্রয়োজন নেই সেখানেও জোড়ে হাজির হয়ে যান। সবসময় এমন কিছু কথা প্রসঙ্গ আনেন যা অন্যরা পছন্দ করেন না। কিন্তু ভদ্রতার খাতিরে কিছু বলতে পারেন না। এখানেই তাঁরা থেমে থাকেন না। বাকিদের সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের বদলে ‘আমাদের’ কথা বলতে ভালোবাসেন। কেন বাকিরাও তাঁদের মত প্রেমের ক্লাউড নাইনে ভাসছেন না সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন। আবার বন্ধুরা মিলে কোথাও যাওয়ার কথা থাকলেও প্রেমিকের কাছে অনুমতি নেন। এই বিষয়গুলিতে বাকি বন্ধুরা যেমন অস্বস্তিতে পড়েন তেমনই বিরক্তও হন। তাই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা বলার সময় যেসব বিষয়গুলি মাথায় রাখবেনসব কিছুতেই আমরা/ আমাদের বলবেন নাপ্রেম করার আগে আপনারা নিজেদের মতই বাড়িতে থাকতেন। যে যার মত কাজ করতেন। কিন্তু প্রেমের পর সম্পর্কে বদল এসেছে। তবে এখনও একসঙ্গে থাকা শুরু করেননি। তাই সব কাজই যে একসঙ্গে করছেন এমন নয়। সুতরাং এই আমরা, আমাদের এমন শব্দবন্ধ অযথা ব্যবহার করবেন না। সবার সামনে প্রেমিক/ প্রেমিকার অনুমতি নেবেন নালোক দেখাতে সবার সামনে প্রেমিক/প্রেমিকার অনুমতি নেবেন না। ধরা যাক, বন্ধুরা একসঙ্গে আড্ডা দিতে বসেছেন। সেই সময় প্রস্তাব হল পরের উইক ছেলেরা রোড ট্রিপে যাবেন। তখন প্রেমিকার কাছে সবার সামনে অনুমতি নেবেন না যে আপনি আদৌ যাবেন কিনা। বন্ধুদের সামনে চুম্বন নয়সবাই জানেন আপনারা একে অপরকে ভালোবাসেন। কিন্তু কথায় কথায় বন্ধুদের সামনে একে অপরকে জড়িয়ে ধরবেন না। হাতে হাত রাখবেন না। এমনকী গায়ের উপরও উঠে আসবেন না। আর চুমু তো একদম নয়। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টবন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলেছেন। সেখানে আমরা যুগলেই আছেন। কিন্তু বাকিদের ক্রপ করে নিজেদের ছবি দেবেন না। কিংবা এমন কিছু মন্তব্য করবেন না যাতে বাকিদের খারাপ নিয়ে। নিজেদের প্রেম দেখানোর জায়গা সোশ্যাল মিডিয়া নয়। মেয়েদের পার্টিতে নয়যদি দেখেন আপনার মেয়েবন্ধুদের পার্টি আর সেখানে আপনার প্রেমিকাও নিমন্ত্রিত, সেই পার্টিতে কিন্তু আপনি যাবেন না। এটা নিজের বোধ। বাকি বন্ধুরা হয়তো কিছু বলবে না। কিন্তু পনার উপস্থিতি তাঁদের মজা নষ্ট করবে। সবার সঙ্গে কথা বলুনপ্রেম করছেন বলেই বন্ধুদের সঙ্গে দূরত্ব নয়। সবার সঙ্গেই কথা বলুন। এমনকী কাউকে পছন্দ নয় বলে দূরে সরিয়েও দেবেন না। মিলে মিশে চলতে শিখুন। সবার সামনে প্রেমিক কিংবা প্রেমিকাকে আলাদা করে গুরুত্ব দেবেন না।

Source link

work life News : AAI Recruitment 2020: লিখিত পরীক্ষা হবে না! এয়ারপোর্ট অথরিটিতে ৩৬৮ আসনে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি – aai recruitment 2020: apply online for 368 vacancy in aai

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিভিন্ন পদে কর্মী নিয়োগ করতে চলেছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (AAI Recruitment 2020)। ভারত সরকারের এই ‘মিনি রত্ন (ক্যাটেগরি ১)’ প্রতিষ্ঠানের মানব সম্পদ বিভাগের অধীনে নিয়োগ করা হবে। মোট শূন্য আসন ৩৬৮টি। গত ২৬ নভেম্বর AAI-এর ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীদের সরাসরি নিয়োগ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এই পর্যায়ে ম্যানেজার এবং জুনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (AAI) কর্মী নিয়োগ করতে চলেছে। ন্যূনতম স্নাতক শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে আবেদন করা যাবে। আগ্রহী প্রার্থীরা কেবলমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ১৫ ডিসেম্বর থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। আবেদনের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি, ২০২১। অর্থাৎ আবেদন করার জন্য এক মাস সময় পাবেন চাকরি প্রার্থীরা।AAI Recruitment 2020: গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও তথ্যনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান: AAIপদ: ম্যানেজার এবং জুনিয়র এক্সিকিউটিভঅনলাইন আবেদন শুরু: ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০অনলাইন আবেদনের শেষ দিন: ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকAAI Recruitment 2020: শূন্য পদের বিন্যাসম্যানেজার (ফায়ার সার্ভিস): ১১ম্যানেজার (টেকনিক্যাল): ০২জুনিয়র এক্সিকিউটিভ (এয়ার ট্রাফিক কনট্রোল): ২৬৪জুনিয়র এক্সিকিউটিভ (এয়ার অপারেশন): ৮৩জুনিয়র এক্সিকিউটিভ (টেকনিক্যাল): ০৮আরও পড়ুন: প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত, নথি যাচাইয়ের জন্য অনলাইন আবেদন শুরুAAI Recruitment 2020: শর্তাবলীবিভিন্ন পদে আবেদনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সসীমা বিভিন্ন। নিম্নে তা তুলে ধরা হল।শিক্ষাগত যোগ্যতা:শিক্ষাগত যোগ্যতাবয়সসীমা:ম্যানেজার: ৩০ নভেম্বর ২০২০ অনুসারে ম্যানেজার পদের ক্ষেত্রে আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ৩২ বছরের মধ্যে।জুনিয়র এক্সিকিউটিভ: ৩০ নভেম্বর ২০২০ অনুসারে জুনিয়র এক্সিকিউটিভ পদের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২৭ বছরের মধ্যে।উভয় পদেই সংরক্ষিত প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুসারে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন। AAI-এ কর্মরতদের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় ১০ বছর।AAI Recruitment 2020: আবেদনের পদ্ধতিআগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা নির্দিষ্ট বয়ানে ১৪ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। শূন্য পদে আবেদনের আগে প্রত্যেক প্রার্থীকে বিজ্ঞাপনে উল্লিখিত শর্তাবলী এবং অন্যান্য নিয়ম ভালো করে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞাপনটি দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুনএই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

How to be friends with your ex-boyfriend: ‘এক্স’ বিয়ে করছে আপনার ‘বেস্টফ্রেন্ডকে’? কীভাবে বজায় রাখবেন বন্ধুত্ব! জানুন টিপস – how does it feel if your best friend married your ex who you really loved before

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: আজ থেকে ২০ বছর আগে হলেও প্রাক্তনের সঙ্গে ভুল করেও কথা বলতেন না প্রেমিক অথবা প্রেমিকা। প্রাক্তন কখনও বন্ধু হতে পারে? এই ভাবনাও তখন ছিল অন্যায়। কিন্তু এখন বদলে গিয়েছে সম্পর্কের সমীকরণ। প্রাক্তনের সঙ্গে বিচ্ছেদ হলেও সম্পর্কের দ্য এন্ড নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে ছোট হয়ে গিয়েছে পৃথিবী। ফলে ঘুরেফিরে সবার সঙ্গেই একবার না একবার দেখা হয়। হতেই পারে আপনার প্রাক্তন পরবর্তীকালে আপনারই সহকর্মী হল। তখন কি আপনি তাই বলে চাকরি ছেড়ে দেবেন? আপনার প্রাক্তনের সঙ্গে আপনার কোনও এক বন্ধুর ভালো সম্পর্ক থাকতেই পারে। পরবর্তীকালে তাঁরা যদি বিয়ে করেন, তাহলে কি আপনি গোঁসা করে যাবেন না? এসব বিলাসিতা কিন্তু আজকের দিনে আর চলে না। তাই যে কারণে স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হলেও শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক রক্ষা করেন অনেকেই। এক্স বিয়ে করেছেন আপনার এককালের প্রিয় বন্ধবীকে, এরকম সমস্যার সম্মুখীন অনেকেই হয়। সেই সময় কীভাবে রক্ষা করবেন সম্পর্ক, কীভাবেই বা ম্যানেজ করবেন সবকিছু রইল তারই কিছু টিপস। প্রেম নাকি বিয়েএই প্রজন্ম প্রেমকে যেমন গুরুত্ব দ্য় তেমনই গুরুতিব দেয় বিয়েতেও। একটা প্রেমেই যেমন জীবন শেষ নয় তেমনই একটা বিয়েতেও সব শেষ হয়ে যায় না বলেই মত তাদের। সম্পর্কে বনিবনাটাই আসল। সত্যিকারের বন্ধু বা মন থেকে ভালো চায় এমন একজন ওয়েল উইশার এখন খুবই জরুরি। হতেই পারে কোথাও গিয়ে আপনাদের মনে হয়েছে এই সম্পর্কে আপনারা খুশি নন, তাই বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। কোনও এক কালের বিচ্ছেদে কিন্তু সম্পর্কের উতি হয় না।বন্ধুত্বই আসলবন্ধুত্বই হল সবচেয়ে দামি সম্পর্ক। ভালো স্বামী-স্ত্রী হওয়ার আগে ভালো বন্ধু হওয়া প্রয়োজন। এককালে স্কুলের কোনও এক বান্ধবীর সঙ্গে পাঁচবছর চুটিয়ে প্রেম করেছেন। কিন্তু তারপর সম্পর্কটা টেকেনি। এখন প্রেমের ক্ষেত্রে তাঁর কাছেই যাবতীয় পরামর্শ নেন এমন মানুষও কিন্তু অনেকেই আছেন। প্রত্যাশা রাখবেন নাকোনও সম্পর্কেই কখনও খুব বেশি প্রত্যাশা রাখবেন না। এই যুক্তি কিন্তু মা-বাবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কারণ প্রত্যাশা থাকলেই সমস্যা বাড়ে। মা-বাবাদের সঙ্গে সন্তানের মনোমালিন্যের কারণ কিন্তু এই প্রত্যাশা। প্রত্যাশা পূরণ না হলেই সমস্যা বাড়ে। তেমনই প্রেমিক/ প্রেমিকা কিম্বা স্বামী-স্ত্রীয়ের উপর কোনও প্রত্যাশা রাখবেন না। মনে রাখা দরকার কখনও কারোর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়লে মুশকিল। শত্রু বাড়াবেন নাআপনার সঙ্গে প্রেমিক/ প্রেমিকার সমস্যা হলে তা নিতান্তই ব্যক্তিগত। সেই সমস্যা পরবর্তীতে পাঁচকান করবেন না। এমনকী একে অপরের নামে নিন্দাও করবেন না। এতে আপনাদেরই শত্রু বাড়বে। কারোর উপর রাগ করে মাটিতে বসে ভাত খেতে তো কেউই চান না। তাই ঠান্ডা মাথায় সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করুন। বরং মনকে উদার করুন। রাগ পুষে রাখবেন না। যে যার মতো ভালো থাকাটাই কাম্য। কী বলছেন সমাজতত্ত্ববিদরাসমাজতত্ত্ববিদদের মতে এখন পারিবারিক বন্ধনগুলো অনেক আলাদা হয়ে গিয়েছে। আগেকার মতো সেই আবেগ নেই। সম্পর্কের সুতোগুলোও আলগা। যার ফলে খুব কম সম্পর্কই থাকে যেগুলো গভীর হয়। তাই মনের সামান্য অমিল হলেই সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া হচ্ছে এখন। এছাড়াও বিশেষজ্ঞদের মতে বেস্ট ফ্রেন্ড বলে কিছু হয় না। সেই বন্ধুত্বও যে দিনের পর দিন অক্ষত থাকবে এমনটা নয়। এখনকার সম্পর্কগুলো বেশির ভাগ সময় খুব গভীর হচ্ছে না বলেই হয়তো ব্রেক-আপের পরেও বিশেষ তিক্ততা থাকছে না। প্রাক্তন প্রেমিক বা স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নিতে অসুবিধে বা অস্বস্তি হচ্ছে না।

Source link

winter weekend destination: শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন কলকাতার কাছেপিঠে এই ডেস্টিনেশনগুলিতে, রইল হদিশ… – weekend destination near kolkata for winter

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সারা সপ্তাহ অফিসের চাপে হাঁসফাঁস করছেন? উইকএন্ড-এ (weekend) মনে হয় কোথাও একটু বেরিয়ে (holiday) আসি, কিন্তু ভিড়ভাট্টার জায়গায় যেতে মন চায় না, সত্যিই তো করোনাকালে ভিড়ভাট্টা সহ্য হয় না। বেড়াতে (holiday) গিয়েও একগাদা লোকের ভিড়ে সাধ করে প্রাণ ওষ্ঠাগত করতে চাইবেন। তবে, ছুটি পেলে মনে হয় যেন একটু শান্ত নিরিবিলিতে সময় কাটাই। তাই আপনাদের জন্য রইল কলকাতার আশেপাশে তিনটি জায়গা। ২ রাত তিন-দিনে, টুক করে বেরিয়ে আসতে পারেন। তিনটি প্রায় অজানা জায়গা। আর শীতকালে (winters) মনটা এমনিই বেড়াই-বেড়াই করে! কিন্তু কোথায় যাবেন (destination) কিছু ভেবেছেন কি? না ভাবলে, এই তিনটি weekend destination-এর মধ্যে থেকে কোনও একটি বাছতে পারেন!বড়ন্তিশীতকালে একটা উইকএন্ড প্রকৃতির কোলে কাটানোর জন্য পুরুলিয়া দারুণ জায়গা। যদি ‘লাল-পাহাড়ির দেশে’ যেতে চান তা হলে বড়ন্তিতে চলে যেতে পারেন। শাল-শিমূল, মহুয়া, পলাশ, পিয়াল, সেগুন – সব ধরনের গাছের বনের মধ্যিখানে ছোট্ট একটা জায়গা! নিরিবিলিতে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য আদর্শ।কীভাবে যাবেন – নিজের গাড়িতে না গেলে শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে আসানসোলগামী যে-কোনও ট্রেনে চেপে বসুন। আসানসোল থেকে আদ্রা এবং আদ্রা থেকে সামান্য পথ বড়ন্তি।কোথায় থাকবেন – পলাশবাড়ি ইকোলজিক্যাল রিসোর্ট থাকার জন্য বেশ ভালো। এখানে মোটামুটি ১,০০০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা মতো খরচ হতে পারে প্রতি রাতে ঘর ভাড়া হিসেবে। এছাড়া মানভূম হলিডে হোমও থাকার জন্য বেশ ভালো।গনগনিগনগনি ইদানীং বেশ একটি জনপ্রিয় উইকএন্ড ডেস্টিনেশন। কলকাতা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে শিলাবতী নদীর ধারে অবস্থিত এই জায়গাটিকে ‘বাংলার গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন’ও বলা হয়। জঙ্গল যদি আপনার পছন্দের হয়, তা হলে চলে যেতে পারেন গনগনিতে।কীভাবে যাবেন – ট্রেনে অথবা বাসে গড়বেতা এবং সেখান থেকে টোটো চেপে গনগনি।কোথায় থাকবেন – গনগনিতে থাকার কোনও জায়গা নেই, থাকতে হবে আপনাকে গড়বেতায়। এখানে নানা লজের মধ্যে সোনাঝুরি গেস্ট হাউজ এবং আপ্যায়ন লজ বেশ ভালোই। উইকএন্ড ডেস্টিনেশনবাঁকিপুটশহরের কোলাহল থেকে একটু অবসর খুঁজতে চাইলে চলে যেতে পারেন বাঁকিপুট। মন্দারমনি-তাজপুরের ভিড় নেই, অথচ রয়েছে অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য! শীতকালে (winters) একটা উইকেন্ড (weekend) কিন্তু সমুদ্রসৈকতে কাটানো যেতেই পারে। শুধু সমুদ্র নয়, এখানে দেখার মতো রয়েছে একটি শতাব্দীপ্রাচীন মন্দির, যার উল্লেখ রয়েছে কপালকুণ্ডলা উপন্যাসেও।কীভাবে যাবেন – যদি বাসে যান, তা হলে যে-কোনও দিঘাগামী বাসে চেপে পড়ুন এবং কাঁথিতে নেমে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিতে হবে বাঁকিপুটের জন্য। কাঁথি থেকে গাড়িতে প্রায় মিনিট ৪০ সময় লাগে এই উইকএন্ড ডেস্টিনেশনটিতে পৌঁছতে। রিজার্ভ করা গাড়িতে মোটামুটি ১,০০০ টাকা মতো খরচ পড়ে।কোথায় থাকবেন – বাঁকিপুটে খুব বেশি থাকার জায়গা নেই তবে ঝিনুক রেসিডেন্সিতে থাকতে পারেন। এখানে খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। মোটামুটি ১,৬০০ টাকা করে ভাড়া প্রতি রাতের জন্য। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

coronavirus: বাড়িতেই কোভিড রোগী? কী ভাবে নিজে নিরাপদ থাকবেন জেনে নিন – ways to stay safe when you have a covid-19 patient at home

হাইলাইটসকোভিড রোগী যে ঘরে থাকবেন, সেখানেই তাঁর প্রয়োজনের জিনিস যতটা সম্ভব রেখে দিন। যাতে আর কাউকে সেই ঘরে প্রবেশ করার খুব বেশি প্রয়োজন না পড়ে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: কোভিড পজিটিভ হয়েও যদি উপসর্গ কম থাকে, তাহলে বাড়িতে থেকেই চিকিত্‍সা করাচ্ছেন অনেকে। কিন্তু নিজের বাড়ির চেনা পরিবেশে থাকার সুযোগ সেই ব্যক্তি তাঁর পরিবারের অন্যান্যদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কিন্তু অনেকটাই বেড়ে যায়। বাড়িতেই কোভিড রোগী থাকলে পরিবারের অন্য সদস্যদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি থাকে। তাই বাড়ির মধ্যে কোভিড রোগী থাকলে রোগীর দেখভাল করার পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্যের প্রতিও অতিরিক্ত খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষজ্ঞদের গাইডলাইন অনুযায়ী এক বাড়িতে কোভিড রোগীর সঙ্গে বসবাস করলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ৫০ শতাংশ বেড়ে যায়। তাই সেক্ষেত্রে আপনাকে কিছু অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। প্রথমেই যেটা খেয়াল রাখতে হবে, তা হল আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশে যত কম সময় সম্ভব থাকুন। অসুস্থ ব্যক্তির জন্য একটা আলাদা ঘর নির্দিষ্ট করে দিন। রোগীর কোনও রকম জিনিসপত্র অন্য কেউ যেন ব্যবহার না করে। যদি সম্ভব হয় রোগীর জন্য একটা আলাদা বাথরুমের ব্যবস্থা করুন। রোগীর থেকে অন্তত ৬-৭ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। যন্ত্রণায় মাথা ফেটে যাচ্ছে? হতে পারে আপনার করোনা হয়েছে! কোভিড রোগী যে ঘরে থাকবেন, সেখানেই তাঁর প্রয়োজনের জিনিস যতটা সম্ভব রেখে দিন। যাতে আর কাউকে সেই ঘরে প্রবেশ করার খুব বেশি প্রয়োজন না পড়ে। রোগী খুব একটা অসুস্থ হয়ে না পড়লে নিজে থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মাপা, অক্সিমিটার দিয়ে শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ মাপার মতো কাজগুলো নিজেই করে নিন। ওষুধ কখন কী খেতে হবে তা রোগীকে দূর থেকে বা ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে পারেন। যাতে ওষুধ খাওয়াতেও আর কাউকে ঘরে ঢুকতে না হয়। মনে রাখবেন কোভিড রোগীর থেকে যত দূরে থাকবেন, তত আপনার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। কোভিড পরীক্ষার ফল পজিটিভ এলে অন্তত ১৪ দিনের জন্য নিজেকে সবার থেকে আলাদা রাখতে হবে। যাদের বাড়িতে কোভিড রোগী রয়েছেন, তাঁদেরও কোয়ারানটিনে থাকা জরুরি। ১৪ দিন বাইরে না বেরোলে আপনার শরীর ঠিক করে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পাবে। এই সময় বাইরে থেকে কেউ যাতে আপনার বাড়িতে না আসে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে গেলে চিন্তা নয়, বরং ঝুঁকি কম করোনা রোগীদের বাড়িতে কোভিড রোগী থাকলে ঘরেও সব সময় মাস্ক পরে থাকবেন। কারণ বন্ধ ঘরের মধ্য়ে বাতাসেও এই ছোঁয়াচে ভাইরাস ঘুরতে পারে। তবে সব সময় মাস্ক পরে থাকলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘরের দরজার হাতল, জানালা, ইলেকট্রিক সুইচ, বেসিনের কল বা অন্য যে সব জায়গায় সবার হাত পড়ে, সেগুলি বারবার স্যানিটাইজ করে নিন। বারবার সাবান ও জল দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। সাবান দিয়ে সম্ভব না হলে হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন। রোগীর খেয়াল রাখতে গিয়ে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাতে দুর্বল না হয়ে পড়ে, সেদিকে নজর দিতে হবে। বেশি করে শাকসবজি, ফল খান। ভিটামিট সি জাতীয় খাবার এবং ডিটক্স পানীয় অবশ্যই খেতে হবে। তার সঙ্গে সকালে প্রাণায়ম করবেন। নিজের ওষুধ খেতে ভুলবেন না। কোভিড রোগীর সংস্পর্শ এলেই নিজের পরীক্ষা করাতে পারেন। তবে সমীক্ষা বলছে কোভিড রোগীর সংস্পর্শে আসার ২-৫ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। কোনও রকম উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে তখনই করোনা পরীক্ষা করিয়ে নিন। শারীরিক ভাবে তো বটেই মানসিক ভাবেই বিপর্যস্ত করে দেয় করোনা। তাই নিজের মনোবল ধরে রাখবেন। নিজেকে কখনও একা ভাববেন না। কাছের লোকেদের সঙ্গে ফোনে কথা বলুন। গল্পের বই পড়ুন, পছন্দের সিনেমা দেখুন। কখনও মন খারাপ করে বসে থাকবেন না। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link