Category Archives: রূপচর্চা

Happy Women’s Day: Women’s Day: ক্লাব থার্টিতে প্রবেশ! এই ১০ ইচ্ছার মধ্যে আপনি কতগুলো পূরণ করেছেন? – every woman should do these 10 things before age of 30

‘দেহের বয়স বাড়ছে বাড়ুক, মনের বয়স বাড়তে দিয়ো না’- গুনে গুনে ২৯ খানা বসন্ত পেরিয়ে এবার ৩০-এ পা। স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, ক্যাম্পাসিং পেরিয়ে কর্ম জীবনের সেই প্রথম কয়েক মাস- কীভাবে যেন বদলে গেল সবকিছু। যে মেয়েটা একদিন বন্ধুদের সঙ্গে হইহই করতে করতে দরাদরি করে কেনাকাটা করত ফুটপাথ থেকে, সেই এখন অনেক বেশি কম্ফর্টেবল অনলাইন শপিংয়ে। যে মেয়েটা আগে আধঘন্টার পথ হেঁটে যেত ১০টাকা অটোভাড়া বাঁচাতে, সেই মেয়েটার ভরসা এখন অ্যাপ ক্যাব। বছর কুড়ি আগে পুল পার্টি, সোলো ট্রিপ, পছন্দের রেস্তোরাঁয় বার্থ ডে সেলিব্রেশন—এসব শুধুই ছিল স্বপ্ন। আর এখন ২৯ এর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে প্ল্যান হয় ৩০-এর জার্নি কীভাবে সেলিব্রেট করা হবে, তাই নিয়ে। শারীরিক, মানসিক, সামাজিক এই নানা পরিবর্তন আসে ৩০ বছর বয়সে। ঠিক, ভুল নিয়েই তো আমাদের জীবন। সেখানে ভালো-খারাপ নানা রকম অভিজ্ঞতা হয়। এই লড়াই- ঠোক্করের দ্বন্দ্ব থেকে জিতে আসার নামই হল জীবন। তা ৩০-এর ক্লাবে ঢোকার আগে এই ইচ্ছেপূরণ হয়েছে তো? না হলে আরও একবার চেকলিস্টে নজর বুলিয়ে নিন। আরামদায়ক স্নিকার্সকলেজ, ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন যে সব স্নিকার্স পছন্দ হলেও নিতে পারেননি, এবার কিন্তু তা কিনে ফেলতেই পারেন। কারণ নিজের জন্য পছন্দের জুতো কেনার ক্ষমতা বা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দুটোই আপনার হাতে রয়েছে। আর তাই এবার সাত-পাঁচ না ভেবে কিনেই ফেলুন। পছন্দের সুগন্ধীকে কেমন পারফিউম পছন্দ করেন, তা দিয়ে কিন্তু মানুষ চেনা যায়। জানা যায় ব্যক্তিত্ব। হাতখরচা বাঁচিয়ে আগে একটা পারফিউম কিনতেন, কিন্তু এখন পছন্দের সুগন্ধী কিনতে অত শত ভাবতে হয় না। এক একজনের গন্ধবিচার এক একরকম। সুগন্ধীতে এবার ট্রেডমার্ক বসানোর পালা আপনারও। চা-কফি প্রেমভালো চা কিংবা ফিল্টার কফির প্রতি ঝোঁক বহুদিনের। চায়ের স্বাদ ঠিক করার পালা এবার আপনার। আর্ল গ্রে নাকি দার্জিলিং টি- আপনার ‘cup of tea’-কে হবে তা বাছাই করুন নিজেই। বেডরুম জুড়ে থাকুক আয়নাকে বলেছে ‘মেয়েরা ৩০-এ বুড়ি’? ওসব ভুলে যান, বরং দিন দিন যে আপনার গ্ল্যামার বাড়ছে আর বয়স কমছে তা নিজেই চাক্ষুষ করুন। আর তাই দেওয়াল জুড়ে থাকুক আয়না। নিজের প্রতি মুহূর্তের সাজ, নিজেকে দেখুন আয়নায়।ভয় দূর করুন৩০-এ পৌঁছে গিয়েছেন, কাজেই জীবনে আর নয় কোনও ভয়। লোকে কী বলবে, কে কী ভাববে এসব তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিন। বরং বাঁচুন নিজের শর্তে। নিজেকে ভালোবাসুন। আর সাহসের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারাটাও কিন্তু খুব জরুরি। গাড়ির চাবি থাক হাতেরাস্তা দিয়ে যখন পছন্দের লাল গাড়িটা ছুটে যেতে দেখতেন তখন আপনারও মনে মনে সাধ হত সেই গাড়ির সওয়ারি হওয়ার। কিন্তু কেমন হয়, যদি স্টিয়ারিংটাই থাকে আপনার হাতে? তাই ৩০ এর ক্লাবে ঢোকার আগেই শুরু করুন ড্রাইভিং শেখা। ফাঁকা হাইওয়েতে দ্রুতগতিতে ছুটবে আপনার স্বপ্নের গাড়ি।অবশ্যই একটা প্রেম করুনকাজের চাপ, জীবনে উন্নতি, প্রত্যাশা এসব তো থাকবে চিরদিনই। তাই বলে মনের মানুষ খুঁজবেন না? ‘পাশে আছি’- বলার মতো একটা মানুষ জীবনে খুব জরুরি। যিনি আপনার হাত শক্ত করে ধরে রাখবেন। আপনাকে সুপরামর্শ দেবেন। জীবনের নানা ওঠা পড়ার সাক্ষী থাকবেন সেই মানুষটি। সুতরাং, প্রেমে পড়াটাও কিন্তু জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। থাকুক অ্যাডভেঞ্চারবাড়িতে সমস্যা, বন্ধুর সঙ্গে ঝামেলা, অফিসে কাজের চাপ- এসব থাকবে সারাজীবন। তাই বলে অ্যাডভেঞ্চার যেন মিস না হয়। এই নিয়ম ভাঙার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অদ্ভুত একটা আনন্দ। জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়া তখনই সহজ হয়, যখন এরকম বেশ কিছু অ্যাডভেঞ্চারের সাক্ষী থাকবেন আপনি। ‘নিষিদ্ধ’ শব্দটির মধ্যে দারুণ একটা মজা লুকিয়ে থাকে। আর তাই চুটিয়ে উপভোগ করুন অ্যাডভেঞ্চার পর্ব। বদলে ফেলুন হেয়ারস্টাইলচুল ছোট করে কাটার কিংবা রং করার শখ ছিল বহুদিনের। এবার আর বিষয়টা ভাবনার স্তরে না রেখে করেই ফেলুন। বড় চুল থাকছে একবার ছোট করে কেটেই দেখুন, কেমন লাগে। স্ট্রেটনিং, স্মুথনিং যেরকম ইচ্ছে তাই করুন। আর রং? তাও করেই ফেলুন। ফিডব্যাক নিয়ে অতশত মাথা ঘামাবেন না। বরং চুটিয়ে উপভোগ করুন ৩০। নতুন কিছু শিখুনশেখার কোনও শেষ নেই। আর তাই ৩০ এ পা দেওয়ার আগে লিস্টে যা যা বাকি রয়েছে সবকটায় এবার টিক মার্ক দিন। গিটার শিখতে চান? সাঁতারের স্কুলে ভর্তি হতে চান? নতুন কোনও ভাষা শিখতে চান? মেকআপ কোর্স কিংবা বেকিং ক্লাস? প্রশ্নচিহ্ন মুছে ফেলে যা মন চায় তাই করুন। যা ইচ্ছে তাই শিখুন। শুধুমাত্র নিজের জন্য।

Source link

menstrual diet: সুস্থ থাকতে পিরিয়ডের সময় কী খাওয়া উচিত আর কী নয়, পড়ুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ… – menstrual diet: expert tips, dos and don’ts for healthy and comfortable periods

হাইলাইটসপ্রতিটা মেয়ের মধ্যেই থাকে অপরিসীম সহনশীলতা, আর লড়াকু মানসিকতা, কোনো ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পায় আবার কখনো ছাই চাপা আগুন হয়ে থাকে। কিন্তু মেন্সট্রুয়াল সাইকেলের ওই চারটে দিন যেন সব মেয়েকেই কাবু করে দেয়। পেটে ব্যথা, মুড সুইং, বমিভাব-সহ বিভিন্ন উপসর্গ লেগেই থাকে এই চারদিনে। শুয়ে বসে থাকার ও যে উপায় নেই।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিটা মেয়ের মধ্যেই থাকে অপরিসীম সহনশীলতা, আর লড়াকু মানসিকতা, কোনো ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পায় আবার কখনো ছাই চাপা আগুন হয়ে থাকে। কিন্তু মেন্সট্রুয়াল সাইকেলের ওই চারটে দিন যেন সব মেয়েকেই কাবু করে দেয়। পেটে ব্যথা, মুড সুইং, বমিভাব-সহ বিভিন্ন উপসর্গ লেগেই থাকে এই চারদিনে। শুয়ে বসে থাকার ও যে উপায় নেই। তাই আজকের আলোচনার বিষয় কিভাবে সঠিক ডায়েট দ্বারা আমরা এই কয়েকদিনের কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারি। প্রথমে দেখি এই সাইকেলের তিনটি ভাগ-১) মেন্সট্রুআল বা ফলিকুলার ফেজ ২) ওভিউলাসন ফেজ৩) লিউটিয়াল ফেজপ্রথম ধাপ ফলিকুলার ফেজ এর সময় হলো পিরিয়ডের প্রথম তিন থেকে ছয় দিন।। এই সময় ক্লান্তিভাব, পেটে ব্যথা, মাসল ক্র্যাম্পিং ইত্যাদি দেখা যায় যার প্রধান কারণ হলো হরমোনের তারতম্য যেমন এই ফেজে প্রজেস্টেরন ও ইস্ট্রোজেনের মাত্রা দেহে সবচেয়ে কমে যায় যা ক্লান্তিভাবের প্রধান কারণ। ডায়েটের মাধ্যমে আমরা এই উপসর্গ গুলিকে সম্পূর্ণ নিরাময় করতে না পারলেও কিছুটা কমাতেই পারি।১. আয়রন: আয়রনের অন্যতম কাজ হলো দেহে লোহিত কণিকা তৈরি ও রক্তবাহের মধ্যদিয়ে সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করা। এই সময় রক্তক্ষরণের জন্য দেহে আয়রনের মাত্রা কিছুটা হ্রাস পায়, আর ভারতীয় মহিলারা এমনিতেই বেশিরভাগ সময়ে আয়রনের ঘাটতি জনিত রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগতে থাকে। তাই এই সময় আয়রন যুক্ত খাবার যেমন মাছ, মাংস, ডিম, বিভিন্ন বিনস, লেনটিল , সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি প্রচুর পরিমানে ডায়েটে রাখতেই হবে। আর লোহার কড়াইতে রান্নার কথা তো আমি সবসময়তেই বলি, বাকি দিন গুলো সম্ভব না হলেও এই কয়েকটা দিন লোহার কড়াইতে রান্নার চেষ্টা করুন, তফাৎ টা বুঝতে পারবেন নিজেরাই।২. ভিটামিন সি: আয়রনের শোষণে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে ভিটামিন সি, এছাড়াও এটি আন্টি অক্সিড্যান্ট যা শরীর থেকে ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যাল নিষ্কাশনেও সাহায্য করে। তাই ডায়েটে থাকুক প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যুক্ত খাদ্য যেমন সবুজ শাকসবজি, লেবু জাতীয় ফল, দিনে একটা করে আমলকি বা পেয়ারা, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি।৩.ক্যাফিন : এই কয়েকটা দিন একদম দূরে থাক ক্যাফিন বা ট্যানিন যেমন চা ও কফি। এগুলোতে উপস্থিত পলিফেনল দেহে আয়রনের মাত্রা কিছুটা হলেও কমিয়ে দেয়। এছাড়াও ক্যাফিন হল একপ্রকার ভ্যাসোকোনস্ট্রিক্টর যা পেটে মাসল ক্র্যাম্পিংয়ের অন্যতম কারণ।৪. শাকসবজি ও ফল: ডায়েটে থাকুক প্রচুর শাকসবজি ও ফল যা শুধু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করবে তাই নয়, প্রচুর ফাইবারের উপস্থিতির জন্য কনস্টিপেসন ও দূর করবে।৫. হালকা ব্যায়াম: শুনতে অবাক লাগলেও এই সময় হালকা ব্যায়াম বা হাঁটা কিন্তু আপনার মুডকে নিমেষে ঠিক করে দিতে পারে, বিভিন্ন স্ট্রেচিং, সূর্য নমস্কার, প্রাণায়াম সহ অল্প হাঁটা এন্ডডরফিন হরমোন নিঃস্বরণ করে যা মুড ভালো রাখতে বিশেষ উপযোগী৬. ড্রাই ফ্রুটস: বিভিন্ন ড্রাই ফ্রুটস যেমন খেঁজুর, কিসমিস ইত্যাদি যেমন আয়রন সরবরাহ করবে তেমনি দেহে এক্সট্রা ক্যালোরির চাহিদাও মেটাবে।তাই নির্ভাবনায় থাকুক ডায়েটে এই ড্রাই ফ্রুটস।এরপর বলব দ্বিতীয় ধাপ অর্থ্যাৎ অভিউলাসন ফেজের কথা, যা পিরিয়ডের ১৪-১৭দিন চলে। এই সময় একদম রোজের ব্যালান্সড ডায়েটে থাকুন, সঙ্গে চলুক নিয়মিত শরীরচর্চা। তৃতীয় ধাপ চলে ১৭ থেকে ২৮ দিন, এই সময় দেহে পরিণত ডিম্বাণু নিঃসৃত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে আবার শুরু হয় প্রি মেন্সট্রুআল সিম্পটমস, যেমন- মুড সুইং, ব্রণের সমস্যা, তলপেটে টান ধরা ইত্যাদি।আরেকটি উপসর্গ ও দেখা যায় এই সময় তা হল কার্বোহাইড্রেট ক্রেভিং অর্থ্যাৎ দিনের বেশিরভাগ সময়ে কার্বোহাইড্রেট খাবার ইচ্ছে এর ফলে এই ফেজে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কিন্তু সবচেয়ে বেশি। তাই প্রচুর ফাইবার ও জল কিন্তু খেতেই হবে, এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সাথে শরীর আর্দ্র ও থাকবে। এই তিনটি ধাপেই উপরোক্ত খাবারগুলি ছাড়াও আরও যে কয়েকটি খাবার রাখতেই হবে সেগুলোও দেখে নিন-১: আদা: আদাতে রয়েছে এন্টি ইফেক্টিভ ধর্ম যা কিনা এই সময় দেহের প্রতিটা কোষ কে সজীব ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে২: হলুদ: হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন সাহায্য করে মাসল ক্র্যাম্পিং কমাতে, তাই উষ্ণ গরম দুধ বা হারবাল চা এর সাথে .রোজ ডায়েটে থাকুক হলুদ৩: ডার্ক চকলেট: এতে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রন। আয়রনের উপকারিতার সাথে সাথেই ম্যাগনিয়াম কিন্তু প্রি মেন্সট্রুআল উপসর্গ গুলি কমাতে সাহায্য করে।৪: হেলদি নাটস: বিভিন্ন হেলদি নাটস যেমন আলমন্ড, আখরোট ইত্যাদি তে রয়েছে গুড ফ্যাট, প্রোটিন, ও ম্যাগনেসিয়াম। তাই উপকারিতাও কিন্তু অপরিসীম।৫: রেড মিট ও ভাজাভুজি: রেড মিটে থাকে প্রচুর প্রোস্টাগ্ল্যানডিন হরমোন যা কিনা মাসল ক্র্যাম্পিং এর জন্য দায়ী। এছাড়াও অল্প ভাজাভুজিই কিন্তু এই কয়েক দিনে এসিডিটি তৈরি করতে পারে, যতটা সম্ভব বর্জন করুন তাই।বয়স বাড়লেই মেয়েদের এই ৬ রোগের ঝুঁকি বাড়ে! কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন? জানুন…৬: সিড সাইকেল: বর্তমানে মেন্সট্রুআল সাইকেল নিয়ে যতটা গবেষণা চলছে তার অন্যতম বিষয় হলো সিড সাইকেলের উপকারিতা এই সময়। সাইকেলের বিভিন্ন ফেজে বিভিন্ন সিড প্রয়োগ করা হয় হরমোনের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখতে।পিরিয়ডের প্রথম থেকে ওভিউলেশন পর্যন্ত প্রতিদিন : ১ টেবিল চামচ পাম্পকিন সিড + ১ টেবিল চামচ ফ্ল্যাক্স সিড-এই দুই সিডের মিশ্রণ দেহে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়ায় এবং ফ্ল্যাক্স সিডে উপস্থিত লিগন্যান ইস্ট্রোজেন বাইন্ডার হিসাবেও কাজ করে। ফলে সামঞ্জস্য থাকে হরমোনেরলিউটিয়াল ফেজ-প্রতিদিন এক টেবিল চামচ সান ফ্লাওয়ার ও এক টেবিল চামচ সিসেম সিড– এতে রয়েছে প্রচুর জিঙ্ক ও ভিটামিন ই, ও সেলেনিয়াম যা দেহে প্রোজেস্টেরণের মাত্রা বাড়িয়ে হরমোনের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখে, এবং মূলত সেলেনিয়াম লিভারকেও অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেনের থেকে ডিটক্স করে।উপরোক্ত কয়েকটি সাধারণ বিষয় মাথায় রাখলেই কিন্তু মেন্সট্রুআল সাইকেলের এই কয়েকটা দিনেও প্রাণবন্ত থাকতে পারব আমরা।তথ্য: রাখী চট্টোপাধ্যায়, ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও ডায়াবিটিস এডুকেটর।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

hair care routine for women: চুলের যত্নে ভরসা এই ৫ ভিটামিনেই! জানুন – turn to these 5 vitamins as they will give you your best hair ever

হাইলাইটসত্বকের জন্য ভিটামিন A খুবই ভালো, একথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ভিটামিন a-এর মধ্যে থাকা রেটিনল চুলকেও ভালো রাখেএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: একঢাল কালো চুল পাওয়া কি মুখের কথা? ইদানিং চুল নিয়েই মাথার চুল ছেঁড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সবার অভিযোগ সারাবছরই এত চুল পড়ছে যে নতুন চুল গজানোর সুযোগ পাচ্ছে না। শ্যাম্পু, সিরাম, তেল, পেঁয়াজের রস লাগিয়েও কোনও উপকার পাওয়া যাচ্ছে না। সেই সঙ্গে কখনও খুসকি, কখনও ডগাফাটা রুক্ষ চুল, একের পর এক সমস্যা লেগেই থাকে! এ সব সমস্যা সামলানোর একাধিক উপায় রয়েছে ঠিকই, কিন্তু আজকের ব্যস্ত দিনে অত কিছু করার সময় কোথায়! কিন্তু জানেন কি এই কয়েকটি ভিটামিনের গুণেই দারুণ সুন্দর চুলের অধিকারী হতে পারেন আপনি!ভিটামিন Aত্বকের জন্য ভিটামিন A খুবই ভালো, একথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ভিটামিন a-এর মধ্যে থাকা রেটিনল চুলকেও ভালো রাখে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকে সেবাম। যা চুলকে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। বায়োটিনবায়োটিন চুলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন। এটি ভিটামিন বি৭ নামে পরিচিত। বায়োটিনের জন্য চুলের ঘনত্ব বাড়ে। সেই সঙ্গে চুলের গ্রোথও বজায় থাকে। আরও পড়ুন: খুশকি থেকে চুল ঝরা, সমাধান এবার এক ক্লিকেই! বাড়িতেই বানিয়ে নিন হার্বাল শ্যাম্পুভিটামিন Cশরীরের জন্য ভিটামিন সি খুবই ভালো। তেমনই চুলের জন্যেও খুব ভালো। ভিটামিন সি চুলের উজ্জ্বলতা বজায় রাখে। সেই সঙ্গে চুলের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন আসে ভিটামিন সি থেকে। এতে চুল পড়া কমে। তৈরি হয় নতুন কোলাজেন। ভিটামিন Eভিটামিন ই প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের কাজ করে। সেই সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের কাজও ঠিক রাখে ভিটামিন ই। ভিটামিন ই চুল বাড়তে সাহায্য করে, চুলের স্ক্ল্যাপও ভালো রাখে। ভিটামিন Dভিটামিন ডি হাড়ের গঠনের জন্য খুবই জরুরি। তেমনই চুলের গঠন, নতুন চুল গজানো এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

extra marital affairs: ৪৮% ভারতীয় মহিলা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত! – shocking survey says, married indian women are finding love outside of their marriage

হাইলাইটসবর্তমানে মহিলাদের মধ্যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এসেছে। ফলে আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। স্বামীর পরকীয়া বুঝতে পেরেও মুখ বুঝে সহ্য করার মানসিকতা আর নেইএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক এক সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম পড়ে চমকে উঠেছিল রাধিকা। পরকীয়ার প্রতি নাকি ভারতীয় মহিলাদের আগ্রহ বাড়ছে দ্রুত হারে! সর্বনাশ। এসব খবর কি তাহলে এবার নিউজ পোর্টালেও বের হতে শুরু করেছে।পরকীয়ার মতো পরকীয়া সংক্রান্ত খবর পড়তেও দারুণ লাগে রাধিকার। ৩৭ বছরের রাধিকা ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে সম্পর্কে লিপ্ত। প্রথমে ভার্চুয়াল সম্পর্ক হলেও পরে তা বাস্তবে পরিণত হয়। সঙ্গীটি রাধিকার থেকে ১০ বছরের ছোটো। প্রায় ২ বছর ধরে চলছে তাদের সম্পর্ক। ব্যবসা আর টাকা নিয়ে ব্যস্ত রাধিকার স্বামী বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকেন। রাধিকাকে সময় দেওয়ার মতো ‘সময়’ তাঁর হাতে নেই। অগত্যা ডেটিং অ্যাপের সাহায্যে বন্ধু বানাতে থাকে। অবশেষে বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তার সঙ্গে মানসিক এবং যৌনতৃপ্তি রাধিকার একাকীত্ব ঘুচিয়েছে। সঙ্গীও বয়সে বড় বান্ধবীকে নিয়ে সুখী।প্রতিবেদন পড়তে পড়তে রাধিকার মনে হচ্ছিল নিজের জীবনের কথাই পড়ছে সে। আসলে ফ্রান্সের এক বিখ্যাত ডেটিং অ্যাপ সংস্থার সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে ৩০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত প্রায় ৪৮ শতাংশ ভারতীয় মহিলাই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত। আর এক্ষেত্রেও পুরুষের মতো ঘরে-বাইরে সমান তালেই সামলাচ্ছেন তাঁরা।মাত্র দুবছরে প্রায় ১৩ লক্ষ ভারতীয় মহিলা পরকীয়ায় মজেছেন সমীক্ষা বলছে গত মাত্র দুই বছরে অন্তত ১৩ লাখ ভারতীয় মহিলা ডেটিং অ্যাপ-এর সাহায্যে নতুন সম্পর্ক তৈরি করেছেন।মনোবিদদের মতে, বর্তমানে মহিলাদের মধ্যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এসেছে। ফলে আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। স্বামীর পরকীয়া বুঝতে পেরেও মুখ বুঝে সহ্য করার মানসিকতা আর নেই। সমাজ কিংবা পরিবারের কারণে বিয়ে টিকিয়ে রাখার বাধ্যতা থাকলেও, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক চুটিয়ে উপভোগ করছেন তাঁরা। পুরুষের মতো তাঁদের শরীরও যে যৌনতা চায়, তা প্রকাশ করতে কেউ মেকি অপরাধবোধে ভোগেন না। আইনি সঙ্গী যদি শারীরিক এবং মানসিক সুখ দিতে না পারেন তাহলে তথাকথিত বেআইনি সঙ্গী বেছে নেওয়া দোষের নয় বলেই বিশ্বাস তাঁদের। মেয়ে বলেই কি পরকীয়া অপরাধ পুরুষও তো শারীরিক চাহিদার লোভে এবং যৌনসুখ মেটাতে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হন। তখন তো সমাজের কোনও সমস্যা হয় না। ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে এই মানসিকতাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আসলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সমাজের চাপিয়ে দেওয়া নিয়মে পরিবর্তন চাইছেন মহিলারা।সমাজবিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি, বিবাহিতাদের পরকীয়া নিয়ে এত আলোচনা নেহাতই ডেটিং অ্যাপের বাণিজ্যিক কারসাজি। বেশিরভাগ ভারতীয় পুরুষই পরকীয়া করেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই বিবাহিত। ডেটিং অ্যপের মাধ্যমে প্রকাশিত সমীক্ষা নেহাতই সংখ্যামাত্র। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আগেও ছিল ভবিষ্যতেও থাকবে। এ নিয়ে মহিলাদের দিকে আঙুল তোলা অপ্রযোজনীয়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ নিজেকে শোধরালেই পরকীয়া শব্দটি সমাজ থেকে বিলুপ্ত হবে।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

cycling is good for weight loss: সকালে উঠে হাঁটতে বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না? সাইকেল চালান, উপকার পাবেন! – benefits of cycling: why cycling is good for weight loss, fitness, legs and mind

হাইলাইটসঅনেকেই আছন যাদের সকালে উঠে হাঁটতে ভালো লাগে না বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না, এ রকম তো হতেই পারে। কিন্তু সাইকেল চালানোর কথা ভেবে দেখেছেন কখনও? গতে বাঁধা এক্সারসাইজের মধ্যে না পড়লেও সাইক্লিং করলে অনেক লাভ। সাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, তেমনি হার্টও ভালো থাকে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অনেকেই আছন যাদের সকালে উঠে হাঁটতে ভালো লাগে না বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না, এ রকম তো হতেই পারে। কিন্তু সাইকেল চালানোর কথা ভেবে দেখেছেন কখনও? গতে বাঁধা এক্সারসাইজের মধ্যে না পড়লেও সাইক্লিং করলে অনেক লাভ। সাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, তেমনি হার্টও ভালো থাকে। সাইকেল যারা চালাতে জানেন, তাদের জন্য তো খুবই ভাল। যারা সাইকেল চালাতে জানেন না তারা অভ্যাস শুরু করুন। যদিও সাইকেল চালানোর জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হয় ব্যালেন্সের। নিজের ও সাইকেলের ব্যালেন্স ঠিক ঠাক রাখতে পারলেই সাইকেল চালানো আরও সহজ হয়ে যাবে। ইদানীং বহু মানুষই অবসাদের শিকার। তাই অবসাদ কাটাতেও সাইকেল চালাতে পারেন। তবে কর্মক্ষেত্র থেকে ফিরেই সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়বেন না। বাড়ি ফিরে অন্তত আধ ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে বেরোতে পারেন। সাইক্লিং করলে কী কী উপকার পাওয়া যায় দেখে নিন….অবসাদ থেকে রেহাই পেতে পারেনবহু মানুষই অবসাদের শিকার হচ্ছেন এখন। তাই অবসাদ কাটাতেও সাইকেল চালাতে পারেন। এন্ডোরফিনস ও অ্য়াড্রিনালিন হরমোন নিঃসৃত হলে আপনার আত্মবিশ্বাস আরও বেশি বেড়ে যায়। সাইকেলিং একটা আউটডোর এক্সারসাইজ। নিয়মিত যারা সাইকেল চালান, তাদের কাছে সাইকেল চালানো মেডিটেশনের মতো কাজ করে। মনসংযোগও বাড়ে।ঘুম ভালো হয়একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা নিয়মিত সাইকেল চালান তাদের ফিজিকাল অ্যাংজাইটি অনেকাংশেই কম হয়ে গিয়েছে। ফলে ভালো ঘুম হয়। ভরপেট খেয়ে সাইকেল চালাবেন না। সকালে উঠে সাইকেল চালাতে চাইলে হালকা কিছু খেয়েই সাইকেলে চড়ুন।টয়লেটেও কি আপনি ফোন নিয়ে যান? নিজের কী কী ক্ষতি করছেন জানুন…ওজন কমেঅনেকেই ছোট মাঠে বা ছাদে গোল গোল করে সাইকেল চালায়। এতে বেশি ওজন কমে না। খোলা রাস্তায় সাইকেল চালান। ভোরের দিকে চালালে বেশি গাড়ির ঝামেলা পোহাতে হবে না। তবে সাইকেল চালানোর সময়ে হেডফোন কানে গুঁজবেন না। এক ঘণ্টা সাইকেল চালালে প্রায় ৫০০ ক্যালরি কমে।হার্ট ভালো থাকেসাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, একই ভাবে হার্টও ভালো থাকে।ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়েদৌড়ানোর মতোই সাইকেল চালানোর জন্য আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। তার জন্য আপনার শরীরে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া দ্রুত চলে। সেই জন্য নিয়মিত সাইকেল চালালে আপনার ফুসফুস ভালো থাকে ও কার্যক্ষমতা বাড়ে।পায়ের পেশি ভালো থাকেআপনি যদি প্রতিদিন সাইকেল চালান তবে আপনার পায়ের পেশিতে সবথেকে বেশি চাপ পড়ে। কারণ, সাইকেল চালালে মূল ব্যায়াম হয় পায়ের। তাই আপনি যদি নিয়মিত সাইকেল চালাতে পারেন পায়ের পেশি সচল থাকবে। পায়ের জোর বাড়বে। তাড়াতাড়ি সাইকেল না চালিয়ে মধ্যম গতিতে একটানা অনেকক্ষণ চালানোর অভ্যেস করুন।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

health tips: ড্রাই ফ্রুট ভালো, তবে বেশি খেলে দাঁত এবং পেটের বিপদ ডাকে! জানতেন? – here are 5 problems that can caused after eating too many dried fruits

হাইলাইটসপ্রত্যেকের ড্রাই ফ্রুট খাওয়া উচিত। ডায়েট চার্টে পুষ্টিবিদরা অনেক সময়েই সযত্নে রাখেন এই খাবার। এগুলির অন্যতম কাজ খারাপ কোলেস্টেরলকে ভালো কোলেস্টেরলে পরিবর্তিত করা। এ ছাড়া শরীরের মেটাবলিজমের রেট বাড়িয়ে তা খিদে বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে। এতে উপস্থিত ফাইবার শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রত্যেকের ড্রাই ফ্রুট খাওয়া উচিত। ডায়েট চার্টে পুষ্টিবিদরা অনেক সময়েই সযত্নে রাখেন এই খাবার। এগুলির অন্যতম কাজ খারাপ কোলেস্টেরলকে ভালো কোলেস্টেরলে পরিবর্তিত করা। এ ছাড়া শরীরের মেটাবলিজমের রেট বাড়িয়ে তা খিদে বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে। এতে উপস্থিত ফাইবার শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি চিকিত্সকরা নিজেরাই সুস্থ থাকার জন্য শুকনো ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে, বেশি পরিমাণে ফাইবার সেবন করলে আপনার হজম ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যায়।সকলেই ড্রাই ফ্রুটসের উপকারিতা সম্পর্কে জানেন। তবে, আপনার এর অসুবিধাগুলিও জেনে রাখা উচিত। ড্রাই ফ্রুটস গরম, তাই কাঁচা খাওয়ার পরিবর্তে সেগুলি ভেজানো উচিত। এ ছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে কিডনি, উচ্চ বিপি এবং উচ্চ কোলেস্টেরল আক্রান্ত রোগীদের চিকিত্সকের পরামর্শের পরেই খাওয়া উচিত। আপনার স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে, আজ আমরা আপনাকে ৫টি অসুবিধাগুলি সম্পর্কে বলব।পেটের সমস্যাফাইবার মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ এবং পেট ভালো রাখতে সহায়তা করে। শরীরে পুষ্টির অভাব ড্রাই ফ্রুটের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়, তবে সেগুলি খাওয়ার ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এটি আপনার পেটের পেটে বাধা, ফোলাভাব, পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। তাই সীমিত পরিমাণে শুকনো ফল খান। এটি আপনার স্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনও আপস না করে আপনার ফাইবার গ্রহণ বাড়িয়ে তুলবে।ওজন বাড়তে পারেশুকনো ফলের অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে আপনার ওজন বাড়িয়ে তুলতে পারে। আসলে, এগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে যা ওজন বাড়ানোর জন্য দায়ী। আপনি যদি প্রতিদিন শুকনো ফল খান তবে আপনি অল্প সময়ে স্থূল হয়ে উঠবেন।কেবল উপকারিতা নয়, পেয়ারার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও আপনার অবশ্যই জানা উচিত!দাঁতের ক্ষয়শুকনো ফলের মধ্যে ফ্রুক্টোজ আপনাকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে। তবে খুব বেশি শুকনো ফল খেলে আপনার দাঁতে সমস্যা হতে পারে। আসলে শুকনো ফলগুলিতে অতিরিক্ত চিনি থাকে, যা দাঁতে আটকে থাকে। এর ফলে দাঁতের ক্ষয় হয়। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে শুকনো ফলগুলি সবসময় খাওয়ার পরে ব্রাশ করা উচিত। এ ছাড়া এই সমস্যাটি এড়াতে শুকনো ফল খাওয়ার পরে সবসময় জল পান করা উচিত।চিনি খাওয়ার আসক্ত হতে পারেনউল্লিখিত হিসাবে, অনেক শুকনো ফলে উচ্চ পরিমাণে চিনির পরিমাণ থাকে। এর মধ্যে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব বেশি। যা রক্তে শর্করার স্তরের ওঠানামার কারণ হয়ে থাকে। এই ড্রপ ডাউন এর কারণে, কোনও ব্যক্তি হঠাৎ করে চিনি খাওয়ার আসক্ত হয়ে যায় এবং চিনি বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করে।হাঁপানির সমস্যাঅতিরিক্ত শুকনো ফল খাওয়ার ফলে হাঁপানির কারণ হতে পারে। অনেকেই জানেন না যে শুকনো ফল সংরক্ষণে সালফার ডাই অক্সাইড ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সত্যই বিপজ্জনক উপাদান। এটি বৃহত স্তরে ব্লিচিং এজেন্ট এবং জীবাণুনাশক হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। একটি প্রতিবেদন অনুসারে, অল্প পরিমাণে খাওয়া গেলে সালফার ডাই অক্সাইড কোনও ক্ষতি করে না। তবে, আপনি যখন এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া শুরু করেন তখন অ্যালার্জির সঙ্গে হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁপানির রোগীদের সবসময় শুকনো ফলের অতিরিক্ত ব্যবহার এড়ানো উচিত।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন? কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন, জানুন…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আজকের যুগে রোগ খুব সাধারণ এক রোগ বলা হয়। যা গলায় উপস্থিত থাইরয়েড গ্রন্থিতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে হয়। হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা ওজন হ্রাস হওয়া, গলায় ফোলাভাব, চুল পড়া, কণ্ঠের পার্থক্য ইত্যাদি অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। থাইরয়েড, হাইপারথাইরয়েড এবং হাইপোথাইরয়েড দুই ধরণের রয়েছে। অতএব, থাইরয়েড এড়াতে, ডায়েটে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। আপনি যদি এই রোগ থেকে দূরে থাকতে চান, তবে অবশ্যই আপনার ডায়েটে সেই জিনিসগুলি অন্তর্ভুক্ত করুন-

আয়োডিনযুক্ত খাবার খান
আপনার ডায়েটে এ জাতীয় জিনিসগুলি অন্তর্ভুক্ত করা দরকার যার মধ্যে আয়োডিনের পরিমাণ বেশি থাকে। কারণ আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ করে, এবং এই রোগ থেকে রক্ষা করে কাজ করে। আয়োডিনের জন্য আপনি শুকনো আঙুর, আলু, দুধ, দই, বাদামি চাল এবং রসুন জাতীয় খাবার খেতে পারেন।

ফল এবং রস
আপনি যদি থাইরয়েড থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চান তবে আপনার ডায়েটে ডালিম, আপেল, কলা, কমলা, আঙুর, তরমুজ এর মতো ফল এবং এর রস অন্তর্ভুক্ত করুন। ফলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়। কেবল থাইরয়েডই নয়, এটি অন্য যে কোনও ধরণের রোগ থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।

দুগ্ধজাত খাবার
দুগ্ধজাত খাবার আপনার ডায়েটে রাখতে হবে। এগুলিতে ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম জাতীয় প্রচুর পুষ্টি থাকে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। আপনাকে থাইরয়েড থেকে রক্ষা করবে। এর জন্য দুধ (ফুল ক্রিম, টোনড, স্কিমড, লো ফ্যাট), দই, মাখন, পনির, পনির, ক্রিম এবং কাস্টার্ড জাতীয় জিনিস খাওয়া যেতে পারে।

সি ফুড
থাইরয়েড প্রতিরোধের জন্য আপনাকে আপনার ডায়েটে সামুদ্রিক খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর জন্য, আপনি চিংড়ি এবং সামুদ্রিক মাছের মতো খাবার খেতে পারেন। এগুলিতে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাইরয়েড প্রতিরোধের জন্য উপকারী হতে পারে।

আয়রন এবং কপারযুক্ত খাবার ডায়েটে রাখুন
থাইরয়েডজনিত রোগ এড়াতে আপনার তামা জাতীয় উপাদান ব্যবহার করা উচিত। এর জন্য, আপনি পালং শাক, ফলমূল, ব্রকলি, শেলফিশ, লাল মাংস, কুমড়োর বীজ, তোফু, বাদাম, কাজু, সূর্যমুখী বীজ খেতে পারেন।

(উল্লেখ্য: এই নিবন্ধে একটি সাধারণ তথ্য দেওয়া হয়েছে। এগুলি বাস্তবায়নের আগে আপনার চিকিৎসকরে সঙ্গে পরামর্শ করে নিন)

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Non-Veg Side Effects: সপ্তাহে ৩ দিন মাংস খান? ৯টি রোগের কারণ হতে পারে, বলছে গবেষণা! – eating meat thrice in week raises risk of nine disease

হাইলাইটসবাঙালির খাদ্যাভ্যাসে রবিবার নিয়ে বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে, তার মধ্যে মাংসের ঝোল অন্যতম। শরীর বাধ না সাধলে বাঙালি মাংস বলতে মটন-কেই বোঝে। কিন্তু শুধু মাংসের ঝোলেই এর কেরামতি, এমন নয়। বরং বাঙালি রান্নার চিনে বা কন্টিনেন্টাল রান্নার কদর বেড়েছে রান্না ঘরে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে রবিবার নিয়ে বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে, তার মধ্যে মাংসের ঝোল অন্যতম। শরীর বাধ না সাধলে বাঙালি মাংস বলতে মটন-কেই বোঝে। কিন্তু শুধু মাংসের ঝোলেই এর কেরামতি, এমন নয়। বরং বাঙালি রান্নার চিনে বা কন্টিনেন্টাল রান্নার কদর বেড়েছে রান্না ঘরে।ননভেজিটেরিয়ান অথচ মাংস খান না, কীভাবে সম্ভব? এমন অনেক লোক আছেন যারা প্রতিদিন মাংস খেতে চান। তবে একটি নতুন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, নিয়মিত মাংস খাওয়া নয় ধরণের রোগের ঝুঁকি বহন করে। যুক্তরাষ্ট্রে গবেষকরা কয়েকজন মানুষের মধ্যে সমীক্ষা করে দেখেছেন। এই গবেষণা অনুসারে, দেখা গিয়েছে, যারা প্রতিদিন বা নিয়মিত মাংস খান তাদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, নিউমোনিয়া এবং আরও অনেক গুরুতর রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কী বলছে?পূর্ববর্তী অনেক গবেষণা স্পষ্ট প্রকাশ পায়, যে লাল মাংস বা প্রক্রিয়াজাত মাংসের অত্যধিক গ্রহণের ফলে অন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এই গবেষণা করা হয়েছে।এখানকার গবেষকরা তাদের গবেষণা করে সন্ধান করেছেন যে, কোনও ব্যক্তি যদি সপ্তাহে তিন দিন হাঁস-মুরগির মাংস বা প্রক্রিয়াজাত মাংস খান তবে সে নয়টি ধরণের রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এই গবেষণার পরে,বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি যে অতিরিক্ত মাংস যারা খান তাদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি রয়েছে। যারা বেশি পরিমাণে লাল এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস খায় তাদের জন্য ক্ষতি রয়েছে।বিপুল সংখ্যক লোকের উপর গবেষণার ফলযুক্তরাজ্যের গবেষকরা ৮ বছর ধরে ৫ লাখ মানুষকে নিয়ে সমীক্ষা করেছিলেন। এর পরেই তাঁরা এই বিষয়টি সামনে রেখেছিলেন। হাসপাতাল থেকে ওই পাঁচ লাখ লোকের স্বাস্থ্য রেকর্ড নেওয়া হয়েছিল। এই গবেষণাটি তাদের ডায়েট এবং চিকিত্সার ইতিহাসের কথা মাথায় রেখেই করা হয়েছিল। এই বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে ব্যক্তিরা সপ্তাহে তিন বা ততোধিক বার মাংস খায় তাদের স্বাস্থ্যের উপর আরও বেশি প্রভাব পড়ে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা স্বাস্থ্য বিভাগের নফফিল্ড বিভাগের একজন চিকিৎসক ক্যারেন পেপিয়ারের মতে, যে ব্যক্তি প্রতিদিন ৭০০ গ্রাম অপরিশোধিত লাল মাংস বা প্রক্রিয়াজাত মাংস খায় তার মধ্যে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বেশি থাকে। এই লোকদের মধ্যে হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে ১৫ শতাংশ বেশি। একইভাবে, প্রতিদিন ৩০ গ্রাম হাঁস-মুরগির মাংস খায়, তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় ১৪ শতাংশ। গ্যাস্ট্রোফেজিয়াল রিফ্লেক্সের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ।কেবল উপকারিতা নয়, পেয়ারার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও আপনার অবশ্যই জানা উচিত!মাংস খেলে কেন বেশি ঝুঁকি থাকেচিকিৎসকদের মতে, লাল মাংস বা প্রক্রিয়াজাত মাংসে অধিক পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা দেহে কম ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিনের পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে। এইভাবে, খারাপ কোলেস্টেরলও বৃদ্ধি পায় এবং অনেক গুরুতর হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে।প্রতিদিন মাংস খেলে এই নয়টি রোগ হতে পারেহৃদরোগ, ডায়াবেটিস, নিউমোনিয়া, কোলন পলিপ, গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স, ডাইভার্টিকুলার ডিজিজ, গ্যাস্ট্রিক, পিত্তথলি রোগ এবং ডিউডেনাইটিস।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

toilet habits: টয়লেটেও কি আপনি ফোন নিয়ে যান? নিজের কী কী ক্ষতি করছেন জানুন… – toilet habits that are harmful to health and give you infections

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি বাথরুমেও মোবাইল নিয়ে যান? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে আজ থেকে আপনার অভ্যাসটি পরিবর্তন করুন। কারণ আপনার এই বদ অভ্যাস অনেক সংক্রামক রোগের শিকার করতে পারে। শুধু এটিই নয়, আপনাকে গুরুতর রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।কয়েক বছর আগে মানুষ তাঁদের সময় বাঁচানোর জন্য বাথরুমে সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিন পড়ত। তবে আজকাল স্মার্টফোন দু’জনের জায়গা করে নিয়েছে। এখন সবাই মোবাইল ফোন নিয়ে বাথরুমে ঘন্টা খানেক সময় কাটায়। ফেসবুক চেক করা, ইনস্টাগ্রামের ফিডগুলি দেখা, হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করা, এমনকি সারা পৃথিবীর সংবাদ পড়ে ফলেন এই সময়ে। সত্যিই এই জিনিসটির প্রতি আসক্ত ব্যক্তিরা জানেন না যে, তাঁরা এটি করে নিজেরাই অসুখ-বিসুখকে আহ্বান করছেন। স্মার্টফোন কীভাবে টয়লেট থেকে রোগ বহন করে জেনে নিন…কীভাবে সংক্রামিত হতে পারে?বাড়ির সমস্ত জায়গার মধ্যে সর্বাধিক জীবাণু বাথরুমে পাওয়া যায়। এখানে ট্যাপ, হ্যান্ড ড্রায়ার, ডোর ল্যাচ হ’ল সর্বাধিক জীবাণু, যা আপনি কখনও দেখেননি। আপনি যখন আপনার সঙ্গে ফোন রাখেন, তখন আপনার ফোনটিতে ব্যাকটিরিয়ার সংস্পর্শে আসে। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, টয়লেটের ভিজে পরিবেশে ব্যাকটিরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। ঠিক ভাবে হাত না ধোওয়া বা টয়লেট ব্যবহারের সময় সেই জায়গায় মোবাইল রাখার ফলে তাতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সালমোনেল্লা, ই.কোলাই, সিগেল্লা এবং ক্যামফাইলোব্যাকটরের মতো ব্যাকটিরিয়া। ফোনের টাচস্ক্রিনে গ্যাসট্রো এবং স্ট্যাপের মত ক্ষতিকর ভাইরাস জন্মাতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। টয়লেটে ব্যবহারের পর সেই ফোন আমরা বিছানায় বা খাবার জায়গায় রাখি এবং সেখানেও ব্যবহার করি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মোবাইলে বাসা বাঁধা এই ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটিরিয়া খাবারের সঙ্গে লালায় মিশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শরীরে।টয়লেটের সিটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি জীবাণু থাকে ফোনে বাথরুমে ফোন নিয়ে যাওয়া কতটা বিপজ্জনক হতে পারে তা আপনি ভাবতে পারেন না। অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাওয়ারদের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, টয়লেট আসনের চেয়ে স্মার্টফোনে ১০ গুণ বেশি ব্যাকটিরিয়া থাকে। বাথরুম ব্যবহারের পর হাত ধুয়ে ফেলি, তবে স্মার্টফোনটি পরিষ্কার করতে ভুলে যাই। ফলস্বরূপ রোগজনিত জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়া তাদের সঙ্গে আটকে থাকে যা সহজেই সংক্রমণের কারণ হয়ে থাকে।বয়স বাড়লেই মেয়েদের এই ৬ রোগের ঝুঁকি বাড়ে! কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন? জানুন…মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারেপ্রযুক্তিটি আমাদের জীবনকে কতটা সহজ করে তুলেছে তা নয়, তবে সর্বদা এর ব্যবহার আপনাকে মানসিক চাপ দেওয়ার একটি বড় কারণও বটে। এমনকি যদি আপনি বাথরুমেও ফোনটি ব্যবহার করতে থাকেন তবে স্ট্রেস এবং হতাশা থাকা স্বাভাবিক। বাথরুমে ফোনটি নিয়ে, আপনি আপনার মন এবং স্বাস্থ্য উভয়ই নিয়ে খেলছেন।বিকল্প কি হতে পারে?বাথরুমে পাওয়া জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আপনি যদি বাথরুমে আপনার ফোন ব্যবহার করেন তবে আপনার নিরাপদ থাকা এবং স্বাস্থ্যকরতা বজায় রাখা আপনার পক্ষে খুব জরুরি। টয়লেটে যাওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো বিকল্পটি ফোনটি বাইরে রেখে দেওয়া। যদি প্রয়োজন হয়, তবে এটি পরে অ্যালকোহল-ভিত্তিক স্যানিটাইজার দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করুন। এছাড়াও টয়লেটে খুব বেশি সময় ব্যয় না করার চেষ্টা করুন। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Birbhum: বোলপুরের অতীত থেকে বর্তমান – famous tourist destinations in birbhum

হাইলাইটসরবি ঠাকুর ও তার গান, ব্রাহ্মসমাজ, বোলপুরের অতীত থেকে বর্তমান সব কিছু বিষয় নিয়েই আড্ডা চলছিল। এই সময় উঠল ডাঙ্গালী কালি মন্দিরের কথা। আমিতো শুনতে শুনতে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না। পার্থময় চ্যাটার্জীবলিপুর থেকে বোলপুর, শান্তিনিকেতন কিভাবে হল সেই গল্পটা আগেই করা উচিত ছিল আমার। সন্ধ্যার আড্ডা বেশ জমে উঠেছিলো রতন পল্লীর অজিতের চপ মুরির দোকানে। শান্তিনিকেতন আসব আর রতন পল্লীর চপ বা কালো দার চা খাবনা সেটা ভাবতেই পারিনা। শীতের সন্ধ্যা আড্ডা। প্রকৃতির উষ্ণতা তখন ৭ কি ৮ ডিগ্রী হবে। মাঝে মাঝে গঙ্গোত্রী কবিতায় শুভ্রা ও চন্দ্রা গানে, আড্ডায় একটা আলাদা মহল তৈরি করেছিল। রবি ঠাকুর ও তার গান, ব্রাহ্মসমাজ, বোলপুরের অতীত থেকে বর্তমান সব কিছু বিষয় নিয়েই আড্ডা চলছিল। এই সময় উঠল ডাঙ্গালী কালি মন্দিরের কথা। আমিতো শুনতে শুনতে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না। সত্যি, এতদিন ধরে বোলপুর এর সঙ্গে মিশছি আর এই প্রসিদ্ধ স্থানটিকে দেখা হয়নি! কাউকে কিছু না জানিয়ে, একটা টোটো ভাড়া করে রওনা দিলাম ডাঙ্গালী কালি বাড়ির উদ্দেশ্যে। বোলপুর স্টেশন এর ৩ নম্বর প্লাটফর্ম লাগোয়া এই কালি থান। রেল ব্রিজ টপকে ডান হাতি রাস্তা। যখন পৌঁছালাম তখন সব কিছু শুনশান, নিস্তব্ধ মন্দিরে একজন পুরোহিত ধ্যান করছিলেন। আমি মন্দির সম্পর্কে জানার ইচ্ছা প্রকাশ করাতে উনি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহাশয় চান্দ্রকুমার মিশ্রকে ডেকে আনলেন। ৫৫ কি ৫৬ বছরের যুবক এই চন্দ্রবাবু,১৯৬৬ সাল মানে ৪ বছর বয়স থেকে মন্দিরের পুজো করছেন। অতি সজ্জন ব্যক্তি। অসম্ভব জ্ঞান আধ্যাত্মিক জগতের উপর। এই মন্দিরের নাম ডাঙ্গালী কালি মন্দির কিন্তু এখানে মা নিরাকার। মন্দিরের বয়স কেউই সঠিক জানেন না। বহু বছর আগে এখানে একটা বিশাল বটগাছ ছিল আর এই বটগাছের গুড়িটার আকৃতি ছিল মা কালির মতো, একটা টিনের চলা ছিল আর ছিল অসংখ্য বিষধর সাপ, যার বেশির ভাগই খরিশ সাপ। বটগাছের গুড়িটার একটা অংশ এখনো দেখা যায় । লোহার রেলিং এ ঘেরা। একটা গা ছম ছম পরিবেশ।সুরজ রাজার সময় থেকেই এই বলি শুরু হয় প্রাণী বলি দিয়ে। কথিত আছে, এই সুরোজ রাজা এক লাখ প্রাণী বলি দিয়েছিলেন একই দিনে আর বোলপুরের মাটি রং লাল হয়ে গেছিলো এই বলির রক্তে। বোলপুরের পূর্বের নাম ছিল বলিপুর। ব্রিটিশ, ফরাসি এরা এখানে নীলচাষ করতে এসেছিল। এই মাটি বিপ্লবের জন্ম ভূমি, অসহযোগ আন্দোলন থেকে শুরু করে ভারত ছাড়ো আন্দোলন, সবেতেই বোলপুর এক বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন। মহাত্মা গান্ধী,নেতাজি সুভষচন্দ্র বোস, এনাদের মত বিপ্লবীরা এই বোলপুরে পা রেখেছিলেন।কালী মন্দিরআবার ফিরে যাচ্ছি ডাঙ্গালী কালি মন্দির প্রসঙ্গে। ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর নিভৃতে ঈশ্বরচিন্তা ও ধর্মালোচনার উদ্দেশ্যে বোলপুরে একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯১ সালে মহর্ষিদেব এই আশ্রমের উপাসক হিসেবে অচ্যুতানন্দ পণ্ডিত কে নিয়োগ করেন আর এই আর্য্যসমজের পণ্ডিত পরবর্তী কালে এই ডাঙ্গালী কালি মন্দিরের পুরোহিত হন। বোলপুরের কাছারি পট্টির স্মৃতিকণ্ঠ চট্টোপাধ্যায় এর পরিবার এই মন্দিরের দায়িত্বে আছেন। পন্ডিত অচ্যুতানন্দ মিশ্র বিহার এর বেদৌড়ি গ্রাম থেকে এসেছিলেন। চাঁদ কুমার মিশ্র ওনারই নাতি, যিনি এখন এই মন্দিরের প্রধান পুরোহিত।বোলপুরের কারো ঘরে বিয়ে হলে এই মন্দিরে পুজো দিয়ে তবেই বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হয়। এমন কি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র শিল্পী শ্রীমতী সুচিত্রা সেন ও বিয়ের পরে এই মন্দিরে পুজো দিতে এসেছিলেন। মন্দির ভোর ৪ টে থেকে রাত্রি ১০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। দুপুরে সাময়িক বন্ধ থাকে। রোজ পরমান্ন ভোগ দেওয়া হয়। সমাজের সব ক্ষেত্রের মানুষজন এই মন্দিরে সমান ভাবেই আমন্ত্রিত হয়। ডোম সমাজেও এই ডাঙ্গালী মা অবস্থান করেন। যদি সত্যি সত্যি নিরাকার এর মধ্যেও মনের শক্তি পেতে চান আর ভক্তি দেখতে চান তবে এই মন্দিরে একবার উঁকি মেরে যেতে পারেন।চলবে…টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link