Category Archives: রূপচর্চা

how to deal with breakup: ব্রেকআপের পর যে যে সমস্যার সম্মুখীন হন ছেলেরা… – problems that men face after breakup

হাইলাইটসকোনও একজন মেয়ে তাঁকে রিজেক্ট করে দিয়েছেন এটা ছেলেরা কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না। ফলে ইগোর লড়াই মনের মধ্যে চলতেই থাকেএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: আর্যর সঙ্গে তিয়ার প্রথম আলাপ কলেজেই। তিয়া ছিল আর্যর দুবছরের জুনিয়র। কলেজ ফেস্টের পর ওদের বন্ধুত্ব আরও জমজমাট হল। কারণ দুজনেই ছিল অনুষ্ঠানের দায়িত্বে। এরপর ক্লাসের ফেঁকে দেখা, ছুটির দিনে ক্যাম্পাসে আড্ডা, ঘুরতে যাওয়া-প্রেম জমতে কিন্তু মোটেই বেশি সময় লাগছিল না। তারপর সব দিব্যি চলছিল। এরপর ক্যাম্পাসিং এর পর আর্য প্রথম চাকরি নিয়ে শহরের বাইরে চলে যায়। স্বাভাবিকউ দুজনের মন খারাপ। এদিকে নতুন শহর, কাজের চাপে আর্য সেভাবে কথা বলারও সময় পেত না। পড়া, কেরিয়ার নিয়ে চাপ বাড়ছিল তিয়ারও। আর্য চলে যাওয়ার পর ক্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্বটাও আরও গাঢ়় হয়।নানা ভাবে দুজনের মধ্যে সমস্যা লেগেই থাকত। তিয়া মাথা ঠান্ডা করে কিছু জিনিস মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ভুল বোঝাবুঝি কিছুতেই মিটল না। শেষপর্যন্ত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এল তিয়া। যদিও আর্য সম্পর্কটা টেনে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। এদিকে নিন্দুকেরা দোষারোপ করতে থাকল তিয়াকেই। কিন্তু সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর নিজের সঙ্গে সমস্যায় পড়ল আর্য। বেশ কিছু ব্যাপার যেন নিজেই মেনে নিতে পারছিল না। তবে শুধু আর্য নয় ব্রেকআপের পর অনেক ছেলেই এমন সমস্যায় পড়ে। আপনারও কি এমন সমস্যা হয়েছে ব্রেকআপের পর? দেখে নিন সেগুলি কী কীইগোর সমস্যা- একটি মেয়ে যখন একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে সরে আসে তখন ছেলেটির খুব মনে লাগে। বলা ভালো পৌরুষত্বে আঘাত লাগে। কোনও একজন মেয়ে তাঁকে রিজেক্ট করে দিয়েছেন এটা ছেলেরা কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না। ফলে ইগোর লড়াই মনের মধ্যে চলতেই থাকে। অদ্ভুত দ্বন্দ্ব কাজ করে মনের মধ্যে। সমাজ থেকে দূরে সরিয়ে নেন- সম্পর্ক ভেঙে গেলে অনেক ছেলে নিজেদের সমাজ এবং সামাজিকতা থেকে দূরে সরে যান। বলা ভালো দূরেই থাকতে চান। তাঁদের যে খারাপ লেগেছে সেটা তাঁরা দেখাতে চান না। সব কিছু ভুলে থাকতে অনেকেই মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়েন। সেই সঙ্গে সামাজিক মাধ্যম থেকেও নিজেকে দূরে রাখেন। ভুল বুঝতে পারেন- অনেক ছেলেই নিজের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর ভুল বুঝতে পারেন। তাঁর কোন কোন ব্যবহার খারাপ ছিল কোন কথা গুলো বলা ঠিক হয়নি সেগুলো তখন বুঝতে পারেন। আর এই ভুল বুঝতে পারার পর কোথাও যেন নিজেরাই অপরাধবোধে ভোগেন। কাউকে তাঁরা কষ্ট দিয়েছেন এটা মেনে নিতেই পারেন না। বিশ্বাসে আঘাত – সঙ্গী তাঁদের ছেড়ে যাওয়ার পর বিশ্বাস কোথাও যেন টলে যায়। অনেক ছেলে ধরে নেয় যে কেউ তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। সম্পর্কের উপর থেকে আস্থা চলে যায়। তাঁরা ভাবেন আর কোনও দিন বুঝি কাউকে ভালোবাসতে পারবেন না। আবার প্রেম?- একবার প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর আবারও প্রেম করতে তাঁরা একটু ভয়ই পান। অনেকে ভুল করেও সেই পথ মাড়াতে চান না। ভাবেন একা নিজের মতো জীবন কাটিয়ে দেব। যে কোনও মেয়ের উপরেই অদ্ভুত সন্দেহ তৈরি হয়। সেই সঙ্গে প্রতিশোধ স্পৃহাও জেগে ওঠে।

Source link

weather and romance: বৃষ্টিতেই মন রোম্যান্টিক? জানুন কেন… – how the weather can affect your dating life

হাইলাইটসসিনেমার পর্দায় যে কোনও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য কিংবা চুম্বনের দৃশ্য নির্মাণ করা হয় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে। নায়ক নায়িকার প্রেম তখনই তুঙ্গে যখন তাঁরা একসঙ্গে বৃষ্টিতে ভিজছেনএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: আবহাওয়ার সঙ্গে মনের একটা দারুণ যোগ রয়েছে। রোদ ঝলমল দিনে মনও খুশি থাকে। ভেতর থেকে হাসতে থাকে। তেমনই আচমকা নিম্নচাপ, মেঘ, বৃষ্টি আমাদের মনও খারাপ করে দেয়। তেমনই তীব্র গরম, ঘামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মেজাজও চড়ে যায়। শীতের পর যখন বসন্ত আসতে শুরু করে তখন ওই লম্বা দুপুরগুলোর মধ্যে লুকিয়ে থাকে প্রেমের গল্প। তেমনই ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর বৃষ্টির পর ঠান্ডা আবহাওয়া আমাদের মন দারুণ ভালো করে দেয়। তবে একটা শর্ত রয়েছে। সারারাত প্রচুর বৃষ্টির পর যদি জল জমে আর সেই জল ঠেঙিয়ে বাড়ির বাইরে বেরোতে হয় তাহলে কিন্তু মোটেই মেজাজ ভালো থাকে না। সব রোম্যান্স তখন চৌপাট হয়ে যায়। আকাশে মেঘ দেখলেই পেখম মেলে ময়ূর। তেমনই প্রেমিক-প্রেমিকার মনেও রোম্যান্স জাগে এই সময়ে। সারাদিন সকলেরই নানারকম কর্মব্যস্ততায় কাটে। সেই সঙ্গে অফিসের চাপ তো রয়েইছে। নিজের মতো করে সময় কাটানোর কোনও ফুসরত পাওয়া যায় না। কিন্তু বৃষ্টি এলেই ভাবনাগুলো এলোমেলো হয়ে যায়। হঠাৎ করে মন চলে যায় অনেক দূরে। কখনও মনে পড়ে ছোটবেলার কথা। আবার কখনও প্রথম প্রেমের কথা। যখন পাশাপাশি সাইকেল চালাতে চালাতে বৃষ্টিতে ভিজে প্রেম করেছেন। কিংবা এক ছাতার তলায় কোনওরকমে মাথা বাঁচিয়ে জল ছেটাতে ছেটাতে পথ চলেছেন। আসলে অনেক ছোট থেকেই আমাদের মনে গেঁথে যায় বৃষ্টি মানেই রোম্যান্স।সিনেমার পর্দায় যে কোনও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য কিংবা চুম্বনের দৃশ্য নির্মাণ করা হয় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে। নায়ক নায়িকার প্রেম তখনই তুঙ্গে যখন তাঁরা একসঙ্গে বৃষ্টিতে ভিজছেন। সাহিত্যেও প্রেম প্রসঙ্গে বহুবার এসেছে বৃষ্টি। এসেছে প্রেম বৃষ্টির দিনেই একে অন্যের কথা মনে পড়া , অমোঘ টানে মনের মানুষের কাছে ছুটে যাওয়া এসব প্লট গল্পে আকছার আসে। সেখান থেকেও বৃষ্টি দিনের প্রেম আমাদের মধ্যে জাঁকিয়ে বসে। শীতকাল বরাবরই আমাদের কাছে ধূসর, বৃদ্ধ। আর গরম তেমনই রুক্ষ্ম। ফলে এই সময়গুলি আবহাওয়া মানুষকে প্রচুর রকম চ্যালেঞ্জের মুখো ফেলে দেয়। অনেক কিছু প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে আমাদের বাঁচতে হয়। মন তখন প্রেমের কথা ভাবতে পারে না। যদিও ডেটিং এখন অনলাইনেই। কিন্তু সেখানে অনুভূতিগুলো বুঝি এতটাও প্রকট নয়। কারণ কাজের ফাঁকে একটু রিল্যাক্স করতেই আজকাল বেশিরভাগ মানুষ ঢুঁ মেরে আসেন নেটপাড়া থেকে। ফলে কতটা মন খুলে সেখানে সকলে কথা বলেন তা যথেষ্ঠ সন্দেহের। এছাড়াও সেখানে একে এপরকে দেখার কোনও সুযোগ থাকে না। এসব প্রসঙ্গ বরং থাক। জেনে নেওয়া যাক কেন বৃষ্টি পড়লেই রোম্যান্টিক হয়ে ওঠেন সব কাপলরা। এমনকী যে প্রেমিক ভুল করেও হাসেন না তাঁর মুখেও কিন্তু এমন দিনে দেখা যায় হাসির ছোঁয়া। মন ভালো থাকে- বৃষ্টির ফোঁটা মনকে শান্ত করে। সেই সঙ্গে দীর্ঘদিনের দাবদাহের হর একমুঠো টাটকা বাতাস বয়ে নিয়ে আসে। তবে বৃষ্টির পর প্যাচপ্যাচে কাদা কিংবা নিম্নচাপের বৃষ্টি কিন্তু এক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আমাদের বৃষ্টি দেখতে ভালোলাগে, বৃষ্টির দিনে নিজের পছন্দের বইতে ডুব দিতে ভালো লাগে। পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করতে ভালো লাগে। আর এসব কারণেই মন ভালো থাকে। আশ্রয়ের খোঁজ- বৃষ্টিতে সবাই নিজের মতো করে আশ্রয় খোঁজে। নিজের মতো করে উষ্ণতা খোঁজে। আর এখান থেকেই মানুষ তাঁর প্রিয়জনকে আঁকড়ে থাকতে চান। তাঁর সান্নিধ্য পেতে চান। নিজেদের মতো করে কাটাতে চান সেই কয়েকটা মুহূর্ত। বৃষ্টি মনকে ইতিবাচক রাখে- নতুন কিছুর বার্তা বয়ে আনে বৃষ্টি। বৃষ্টির জলে গাছ গুলো যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। চারিদিকে শুধুই সবুজের সমারোহ। আর পরিবেশ যখন ভালো থাকে, সুস্থ থাকে তখন তার ইতিবাচকতাও কিন্তু মনের উপর প্রভাব ফেলে। মন নতুন কোনও কাজের উৎসাহ পায়। নতুন উদ্যোমে শুরু হয় পথ চলা। ভালোবাসার মানুষকে আরও কাছে এনে দেয়- বৃষ্টি ভালোবাসার মানুষদের আরও বেশি করে কাছে এনে দেয়। নিজেদের মতো করে কিছু মুহূর্ত তৈরি করতে চাইলে আগে কাছে আসা প্রয়োজন। একসঙ্গে রান্না করলে, কিছু সময় কাটালে, আড্ডা দিলে কিংবা বর্ষার দিনের লং ড্রাইভ যে কোনও সম্পর্ককে আরও বেশি দৃঢ় করে। সেই সঙ্গে পছন্দের গান সঙ্গে থাকলে তো কথাই নেই। এমন দিনে প্রিয়বন্ধুর সঙ্গে কাটান। মন খুলে কথা বলুন। আরও দৃঢ় হয়ে উঠবে সম্পর্ক।

Source link

bengali summer recipes: ভ্যাপসা গরমে রইল ৬ রকম হালকা খাবারের হদিশ – summer special: six classic bengali recipes

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ক’দিন খুব বৃষ্টি হয়ে গেল। মেঘ কেটে ধীরে ধীরে রোদ টুকি দিচ্ছে। এবার ফের ভ্যাপসা গরমের পালা। মনে রাখবেন এই হঠাৎ গরম হঠাৎ ঠান্ডা আবহাওয়া কিন্তু রোগের ডিপো। স্বাস্থ্যের দিক থেকে একটু নজর ঢিলে করেছেন কী অসুখ শরীরে বাসা বেঁধে ফেলবে। সঙ্গে উপরি পাওনা করোনা তো সবসময়ই হাজির। তাই মাঝে মধ্যে স্পাইসি ফুড খেয়ে জিভকে শান্তি দিলেও প্রতিদিন হালকা খাবার খান। এমন সব খাবার, ফল, সবজি খান যাতে জলের পরিমাণ বেশি থাকে। এতে শরীর আর্দ্র থাকবে।শুক্তোপ্রতিদিন এক বাটি শুক্তো আপনার শরীরের যাবতীয় রোগ দূর করতে সক্ষম। করলা, আলু, বেগুন, সজনে ডাঁটা, কাঁচকলা, পেঁপে এবং বড়ি দিয়ে শপক্ত বানাতে হয়। প্রত্যেকটা সবজি এবং বড়ি আলাদা আলাদা করে ভেজে নিন। কড়ািয়ে অল্প তেল গরম করে তাতে পাঁচফোঁড়ন, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা ফোঁড়ন দিন। এতে সবজিগুলি দিয়ে সামান্য হলুদ এবং নুন দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। স্পেশাল টাচ দিতে চাইলে তাতে নারকেলের দুধ এবং সামান্য সর্ষে-পোস্ত বাটা দিতে পারেন। গরম ভাতে অসাধারণ লাগে।টক ডালগরমে স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভালো এই টক ডাল। গরমের তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচাতে প্রতিদিন টক ডাল খান। অনেকে সাধারণ ডালের মতোই টক ডাল ভাত দিয়ে মেখে খান। আবার অনেকে শেষ পাতে টক ডাল খান। সেটা যাঁর যাঁর পছন্দ। টক ডাল সাধারণত কাঁচা আম দিয়ে তৈরি করতে হয়। মুসুরডাল ভালো করে ধুযে প্রেশার কুকারের নুন হলুদ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ হওয়ার পর ডাল ভালো করে ঘেঁটে নেবেন। কাঁচা আমের খোসা ছাড়িয়ে লম্বা লম্বা করে কেটে নিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে গোটা সর্ষে, শুকনো এবং কাঁচালঙ্কা ফোঁড়ন দিন। তাতে আমগুলি দিয়ে দিন অল্প করে নেড়ে চেড়ে সিদ্ধ ডাল দিয়ে দিন। প্রয়োজন মতো হলুন, নুন এবং চিনি মিশিয়ে নিন। যাঁরা চাটনি পছন্দ করেন না তাঁরা নিয়মিত এই ডাল খান।তেতোর ডালগরমে তেতোর ডাল যেন অমৃত। প্রেশার কুকারে মুগ ডাল নুন হলুদ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ ডাল ভালো করে ঘেঁটে নিন। উচ্ছে গোল গোল পাতলা করে কেটে নিন। কড়াইযে তেল দিয়ে তাতে পাঁচফোঁড়ন, তেজপাতা এবং শুকনো লঙ্কা ফোঁড়ন দিন। তাতে উচ্ছেগুলো ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে তাতে সিদ্ধ ডাল ঢেলে দিন। প্রয়োজন মতো কাঁচালঙ্কা এবং নুন হলুন দেবেন।লাউয়ের ডালনালাউয়ের ডালনা রান্না করা যেমন সহজ তেমনই সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। খোসা ছাড়িয়ে ডুমো করে লাউ কেটে নিন। একই রকমভাবে কেটে নিন আলু। বড়ি ভেজে আলাদা করে তুলে রাখুন। এবার নুন হলুদ দিয়ে আলুগুলি ভালো করে বেজে নিয়ে আলাদা করে রাখুন। কড়াইয়ে তেল গরম করে পাঁচফোঁড়ন, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা ফোঁড়ন দিন। এতে ডুমো করে কাটা লাউ দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। ধীরে ধীরে লাউ থেকে জল বেরোতে থাকবে এবং তা নরম হয়ে যাবে। এবার এতে ভেজে রাখা আলু দিয়ে অল্প নুন, হলুজ, জিরে, ধনে এবং শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। অল্প জল মিশিয়ে নিন। এতে ভাজা বড়িগুলি দিয়ে কড়াই ঢাকা দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ ফোটার পর তাতে সামান্য গরম মশলা গুঁড়ো এবং ঘি দিয়ে দিন। অনেকে লাউয়ের ডালনায় সামান্য দুধ দিয়ে থাকেন। খেতে মন্দ লাগে না।ঘোললস্যি আর ঘোল কিন্তু একদমই আলাদা। লস্যি খানিকটা ঘন হয়। আর লস্যি অনেকটাই পাতলা হয়ে থাকে। একটি পাত্রে টক দই নিয়ে তাতে জল মেশান ঘুঁটনি দিয়ে ভালো করে ঘুলে নিন। মিক্সিতেও ঘুলে নিতে পারেন। এতে স্বাদমতো চিনি, নুন মেশান। আর মেশান অল্প গন্ধরাজ লেবুর রস। পানীয়টি বেশ পাতলা হবে। প্রতিদিন নিয়ম করে ঘোল খেলে শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় থাকে।গন্ধরাজ লেবুর শরবতঠান্ডা জলে গন্ধরাজ লেবুর রস মেশান। তাতে চিনি এবং সামান্য নুন দিয়ে মিশিয়ে নিন। চাইলে সামান্য পুদিনা পাতাও দিতে পারেন এতে। অতিথি আপ্যায়ন করুন এই খাঁটি বাঙালি পানীয় দিয়ে। সকলে খুশি হয়ে যাবে।

Source link

early schooling: বাচ্চাকে খুব তাড়াতাড়ি স্কুলে দেবেন না, ক্ষতি হতে পারে! – starting your kids schooling early can be bad for them: study

হাইলাইটসযদি সহপাঠীদের বয়স আপনার সন্তানের থেকে বেশি হয়, তাহলে মানসিক চাপের মধ্যে থাকতে পারে আপনার সন্তান। লেখাপড়া ও খেলাধুলোয় অন্যদের থেকে সে পিছিয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে, বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করার দিন এগিয়ে আসছে। আমাদের ছোটবেলায় আমরা যে বয়সে স্কুলে ভর্তি হয়েছি, তার থেকে এখনকার শিশুরা আরও তাড়াতাড়ি স্কুলে যাওয়া শুরু করছে। স্কুলের আগে প্রিস্কুল বা প্লেস্কুলে সব বাবা-মাই তাঁদের সন্তানদের ভর্তি করাচ্ছেন। মুখে আধো আধো বুলি ফোটার আগেই টলমল পায়ে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে স্কুলে পোঁছে যাচ্ছে খুদের দল। তবে সাবধান! এই প্রবণতা শিশুদের পক্ষে ক্ষতিকর বলে সাবধান করছেন বিশেষজ্ঞরা। একদম ছোট বয়স থেকেই স্কুল তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। তাই বিশেষজ্ঞদের মত, খুব বেশি তাড়াতাড়ি সন্তানকে স্কুলে না পাঠিয়ে, স্কুলে ভর্তি করার সঠিক বয়সের জন্য অপেক্ষা করুন। কেন শিশুদের তাড়াতাড়ি স্কুলে পাঠানো ক্ষতিকর?আজকালকার দিনে বেশিরভাগ পরিবারেই বাবা মা উভয়েই কর্মরত। ফলে সন্তানকে নিশ্চিন্ত আশ্রয়ে রাখার জন্য অনেকেই খুব ছোট বয়স থেকেই বাচ্চার জন্য ডে স্কুল বেছে নেন। কিন্তু তার আগে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে কিন্ডারগার্টেনে সন্তানকে ভর্তি করাচ্ছেন, সেখানে তার সহপাঠীদের বয়স কত? যদি সহপাঠীদের বয়স আপনার সন্তানের থেকে বেশি হয়, তাহলে মানসিক চাপের মধ্যে থাকতে পারে আপনার সন্তান। লেখাপড়া ও খেলাধুলোয় অন্যদের থেকে সে পিছিয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।বাবা নয়, মায়ের কারণেই বুদ্ধি বাড়ে সন্তানের! সমীক্ষায় প্রমাণিতপাঁচ থেকে নয় বছর বয়সী ২০৭৫টি শিশুর উপর এই বিষয়ে সমীক্ষা চালানো হয়। সেখানে দেখা গিয়েছে ছোট বয়সে স্কুলে যাওয়ার ফলে এবং বাড়ির চেনা পরিবেশ ছেড়ে যাওয়ার কারণে শিশুদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা কাজ করে। এর ফলে শিশুদের মধ্যে ব্যবহারগত সমস্যা দেখা দেয় অনেক সময়।করোনা কমলে বাইরে খেলতে পাঠান বাচ্চাদের, তবে মাথায় থাক কয়েকটি বিষয়বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে প্রিস্কুল হোক বা প্লেস্কুল, বাচ্চার বয়স অন্তত তিন বছর না হওয়া পর্যন্ত তাকে ভর্তি করাবেন না। তার আগে স্কুলে গেলে তাদের মধ্যে নানা ধরনের মানসিক সমস্যা দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্কুলে পাঠানোর আগে দেখে নিন আপনার সন্তান যেন কিছুক্ষণ সময় পর্যন্ত টানা বসে থাকতে পারে, বাবা-মাকে ছাড়া কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পারে এবং অন্যের কথা শুনে বুঝতে পারে ও নিজের কথা অন্যকে বোঝাতে পারে।

Source link

how to identify hilsa fish: Fresh Hilsa Fish: বাজারে গিয়ে সুস্বাদু ইলিশ চিনবেন কী ভাবে? রইল সহজ টিপস… – how to identify good hilsa fish

হাইলাইটসইলিশের (Hilsa) সঙ্গে বাঙালির প্রেমটা বেশ পুরনো। এই যেমন বর্ষার ইলিশ ভাজা, সর্ষে ইলিশ, ইলিশের মালাইকারি, ভাপা ইলিশ, ইলিশ পাতুরি ইত্যাদি। ইলিশের (Hilsa) জনপ্রিয়তা যে কেবল খাবার পাতে তা নয়, সাহিত্য এমনটি কূটনীতিতেও এটি উঠে এসেছে বহুবার।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ইলিশের (Hilsa) সঙ্গে বাঙালির প্রেমটা বেশ পুরনো। এই যেমন বর্ষার ইলিশ ভাজা, সর্ষে ইলিশ, ইলিশের মালাইকারি, ভাপা ইলিশ, ইলিশ পাতুরি ইত্যাদি। ইলিশের (Hilsa) জনপ্রিয়তা যে কেবল খাবার পাতে তা নয়, সাহিত্য এমনটি কূটনীতিতেও এটি উঠে এসেছে বহুবার।বাঙালির ইলিশ (Hilsa) প্রীতির স্বীকৃতি মিলেছে আন্তর্জাতিকভাবেও। যদিও অন্যান্য দেশে এ মাছের অতিরিক্ত কাঁটা ও গন্ধের জন্য তেমন সমাদর মেলিনি। তবে, ইলিশের প্রতি বাঙালির অকৃত্রিম ভালোবাসা থাকলেও বাজারে গিয়ে ইলিশের ভালো-মন্দ নিয়ে ধন্দে পড়ে যান অনেকেই। কোন ইলিশের স্বাদ বেশি, কোনটারই বা ডিম আছে? কোনটাই বা নদীর ইলিশ (Hilsa)— সবকিছু মিলিয়ে কিছুটা চিন্তায় পড়তে হয়। দেখে নিন টিপস-কোন ইলিশের (Hilsa)স্বাদ বেশি?ভোজন রসিকদের মতে, নদীর ইলিশ ও সাগরের ইলিশের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তবে ইলিশ যত বড় হবে, তার স্বাদ তত বেশি হবে। আকারে বড় ইলিশই স্বাদে ভালো বলে মনে করা হয়।পোস্তর ভক্ত? চিনের ষড়যন্ত্রে এই পদ খেতে বাধ্য হয়েছিল বাঙালি!অন্যদিকে, বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় বর্ষার ইলিশের স্বাদ বেশি হয়। সবচেয়ে বেশি স্বাদ পাওয়া যায় বর্ষার মাঝামাঝি সময়ে। লোনা জল ও মিঠা জলে উপরও নির্ভর করেও ইলিশের স্বাদে পার্থক্য হয়। এক্ষেত্রে, নদীর ইলিশের স্বাদই বেশি হয়।তবে, ইলিশের স্বাদ ডিম ছাড়ার আগে ভালো হয়। অর্থাৎ, ডিম ছাড়ার আগে পর্যন্ত ইলিশের স্বাদ বেশি হয়। ডিমওয়ালা ইলিশের মাছের পেটি পাতলা হয়ে যায় এবং এর চর্বি কমে যায়, তাই স্বাদও কমে যায়।ডিমছাড়া ইলিশ আর ডিমওয়ালা ইলিশ চিনবেন কী করে?বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্ষেত্রে ক্রেতা কিছুটা অভিজ্ঞ না হলে মুশকিল। সাধারণত, অগস্ট মাসের পর থেকে ইলিশের ডিম ছাড়ার মরসুম শুরু হয়। সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর পর্যন্ত এই মরশুম চলে। ডিমওয়ালা ইলিশ কিছুটা চ্যাপ্টা হয়। এছাড়াও ডিমওয়ালা ইলিশের পেট টিপলেই মাছের পায়ুপথের ছিদ্র দিয়ে ডিম বেরিয়ে আসে। অন্যদিকে, ডিম ছাড়া ইলিশের পেট থাকে আলগা ও ঢিলে হয়।কোন ইলিশ কেনা উচিত নয়?ইলিশের খ্যাতির মূলে রয়েছে এর স্বাদ। আর এই স্বাদ পরিপূর্ণভাবে পেতে বড় ইলিশের বিকল্প নেই। তাই, ছোট ইলিশ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এগুলোর স্বাদ হয় না। এছাড়াও যেসব ইলিশ দীর্ঘদিন কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষণ করা হয়, তাদের স্বাদও কমে যায়। এসব চেনার জন্য খেয়াল রাখতে হবে এই মাছের ঔজ্জ্বল্য কম থাকে।তথ্য সূত্র: BBC

Source link

pineapple diet: Weight Loss Tips: লকডাউনে বাড়িতে বসে মেদ বাড়ছে? পাঁচ দিনে ৫ কিলো ওজন কমাবে এই ডায়েট! – weight loss diet plan: lose weight without exercise with this pineapple

হাইলাইটসশরীর সুস্থ রাখার জন্য ফল খাওয়া দরকার। কিন্তু গরমের ফল মানেই আম, কাঁঠাল, লিচুর মতো রসালো ফল। মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই ডাব বা শশা ছাড়া ফল খেতে ভয় পান। অথচ গরমের এইসব মরসুমি ফল শরীরের জন্য যেমন ভালো তেমনই সাহায্য করে ওজন কমাতেও (Weight Loss)। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শরীর সুস্থ রাখার জন্য ফল খাওয়া দরকার। কিন্তু গরমের ফল মানেই আম, কাঁঠাল, লিচুর মতো রসালো ফল। মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই ডাব বা শশা ছাড়া ফল খেতে ভয় পান। অথচ গরমের এইসব মরসুমি ফল শরীরের জন্য যেমন ভালো তেমনই সাহায্য করে ওজন কমাতেও (Weight Loss)। তবে এই ফল খেতে পারেন একেবারে নির্ভয়ে। তবে, এই ধরনের ডায়েট মেনে চলার আগে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়াটাই ভালো।কারণ, এই ফল প্রদাহ কমাতে ও হজমে সাহায্য করে। মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে মেদ ঝরানো (Weight Loss) যায় সহজ হয়। ঠিকই ভাবছেন, আনারসের কথা বলা হচ্ছে। পুষ্টির কথা বলতে গেলে অনেকেই আনারসের (Pineapple) কথা ভুলে যান। ওজন হ্রাস (Weight Loss) করতে বলে আমারস অন্যতম সহজ উপায়। এই ডায়েটটি তৈরি করেছিলেন ১৯৭০ সালে ডেনিশ মনোবিজ্ঞানী স্ট্যান হিগলার। এর জন্য, আপনাকে অন্যান্য স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে আনারস খেতে হবে। এটি কেবল আপনাকে জলের ওজন দ্রুত হ্রাস (Weight Loss) করতে সাহায্য করবে না, তবে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতেও সহায়তা করবে। মাত্র ৫ দিনের মধ্যেই আপনি ৫ কেজি ওজন কমাতে পারবেন। কিন্তু কী ভাবে ডায়েটে আনারাস রাখবেন? জেনে নিনকিভাবে আনারস ওজন কমাতে (Weight Loss) পারে?যারা ওজন হ্রাস করতে চান তাঁদের জন্য আনারসের ডায়েটটি করতে হবো। এতে আনারস থেকে হজমজনিত সমস্যা দূর হয়। পাবমিড সেন্ট্রাল-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, আনারসে উপস্থিত এনজাইম এবং ফাইটোনুট্রিয়েন্টগুলি সঠিক হজমের জন্য পরিচিত। এর ফলে ওজন কমাতে এবং প্রদাহ নিরাময়ে সহায়তা করে।পাঁচ দিনে দুই কেজি আনারস খেলে খিদে কমে যায়। আনারসে জল, ডায়েটরি ফাইবার এবং ব্রোমেলিন থাকে। এটি কেবলমাত্র সমস্ত পুষ্টিই শোষণে সহায়তা করে না তবে অন্ত্রের গতি কমিয়ে দেওয়ার জন্যও এটি ভালো।Weight loss: বয়স যতই হোক না কেন, এই ৪ উপায়ে মেথি খাবেন; ফ্যাট গলে যাবে মাখনের মতো!আনারসে ক্যালোরি কম থাকে তবে এটি বেশ পুষ্টিকর। এক কাপ আনারসে ৮২ ক্যালোরি থাকে। আনারস খাওয়ার পরে টক্সিন শরীর থেকে বেরিয়ে যায় এবং বিপাক সক্রিয় হয়। বিনিময়ে, আপনার ওজন দ্রুত হ্রাস শুরু হবে।৫ দিনের আনারস ডায়েট প্ল্যানআপনি যদি স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমাতে চান তবে, এই ডায়েট পরিকল্পনাটি আপনার জন্য। ডায়েটটি শুরু করার আগে মনে রাখবেন আপনি প্রতিদিন নিয়মিত ব্রেকফাস্ট করতে হবে। ব্রেকফাস্টের জন্য আনারস খান, প্রচুর জল পান করুন এবং রাতের খাবারের ৩ ঘন্টা আগে খাবেন না।প্রাতঃরাশ- রুটি, এক বাটি ফ্যাটবিহীন দই এবং আনারস ১০০ গ্রাম খান।মধ্যাহ্নভোজন- ১০০ গ্রাম আনারস, ১০০ গ্রাম গ্রিলড চিকেন এবং ভেজিটেবল স্যুপ।বিকেলের স্ন্যাক্স – এক কাপ ফ্রেশ আনারসের জুসরাতের খাবার- আনারস সালাদ, চিকেন, ভাত ১০০ গ্রাম।

Source link

ব্লিচ করার পর মুখে জ্বালা, চুলকানির সমস্যায় ভোগেন? এই ঘরোয়া উপায়ে নিমেষেই মিলবে স্বস্তি! | Home Remedies To Avoid Irritation And Itching After Bleach On Face In Bengali


নারকেল তেল ব্লিচ করার পরে জ্বালা, চুলকানি কমাতে নারকেল তেল খুবই কার্যকর। এছাড়া, নারকেল তেল ত্বকের বিভিন্ন রোগ থেকেও মুক্তি দিতে সক্ষম। তাই, ব্লিচ করার পর জ্বালা, চুলকানি কমাতে নারকেল তেল লাগাতে পারেন। এই তেলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ বর্তমান। এটি খুব দ্রুত ত্বককে স্বস্তি দিতে পারে। বরফ ব্লিচ করার পরে প্রায়ই মুখ জ্বালা করে। জ্বালা কমাতে আপনি বরফ ব্যবহার করতে পারেন। এক টুকরো সুতির কাপড়ে দুই-তিনটে বরফ নিয়ে, এটি দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। এতে মুখের জ্বালাভাব, চুলকানি এবং লালচেভাব অনেকটা কমবে। ডাবের জল ডাবের জলে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, যা ত্বকের নানান সমস্যা দূর করতে খুবই সহায়ক। ত্বককে ঠান্ডা করার পাশাপাশি ডাবের জল মুখের জ্বালাভাব, চুলকানি এবং লালচেভাব কমাতে সহায়তা করে। তুলোর সাহায্যে ডাবের জল মুখে লাগান, কিংবা সরাসরিও লাগাতে পারেন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে তারপরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। অ্যালোভেরা জেল অ্যালোভেরা আমাদের ত্বকের জন্য কতটা উপকারি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ব্লিচ করার পর চুলকানি, জ্বালা কমাতে এটি খুবই কার্যকরি। হাতের তালুতে অ্যালোভেরা জেল নিয়ে পাঁচ মিনিট বৃত্তাকার গতিতে মুখে ম্যাসাজ করুন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। গাছ থেকে ফ্রেশ অ্যালোভেরা জেল নিয়ে লাগাতে পারেন কিংবা দোকানেও কিনতে পাবেন। আরও পড়ুন :সুন্দর, উজ্জ্বল ত্বক পেতে আজ থেকেই শুরু করুন এই যোগাসনগুলি চন্দন পাউডার ব্লিচ করার পরে মুখের জ্বালাভাব কমাতে চন্দনের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। চন্দন গুঁড়োর ফেস প্যাক প্রয়োগ করলে মুখের ত্বক ঠান্ডা হয়। ফেস প্যাকের জন্য, একটি বাটিতে এক চামচ চন্দন গুঁড়ো এবং গোলাপ জল মিশিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি ১৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা ফেস প্যাকটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। আরাম পাবেন। ঠান্ডা দুধ ব্লিচ করার পরে ঠান্ডা দুধের ব্যবহার মুখের জ্বলন, চুলকানি, লালচে ভাব শান্ত করতে পারে। ঠান্ডা দুধে তুলো ডুবিয়ে মুখে ভাল করে লাগান। ১৫ মিনিট পরে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

Source link

poppy seeds benefits for skin: Poppy Seeds:আলু পোস্ত তো খান, এটি রোগ সারাতেও মোক্ষম দাওয়াই! জানতেন? – poppy seeds: nutrition and health benefits

হাইলাইটসআলু-পোস্ত কিংবা পটল-ঝিঙে-পোস্ত (Aloo Posto), এই লোভনীয় পদগুলো বাঙালির নিত্যদিনের সঙ্গী। পোস্ত (Poppy Seeds) ছাড়া ভোজনরসিক বাঙালির স্বাদ যেন পুরণই হয় না। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আলু-পোস্ত কিংবা পটল-ঝিঙে-পোস্ত (Aloo Posto), এই লোভনীয় পদগুলো বাঙালির নিত্যদিনের সঙ্গী। পোস্ত (Poppy Seeds) ছাড়া ভোজনরসিক বাঙালির স্বাদ যেন পুরণই হয় না। পোস্ত দানার কামাল শুধু জিভের স্বাদ মেটানোতেই নয়! পোস্তর রয়েছে বহু গুণ। যা শরীরের বিভিন্ন রোগের উপশম করতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, এবং আয়রনে ভরপুর এই পোস্ত (Poppy Seeds) । এ ছাড়াও এতে প্রচুর ফাইবার আর ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। দেখে নিন পোস্ত (Poppy Seeds) কোন কোন রোগ সারাতে সাহায্য করে-মুখের আলসার রোধ করে: শরীরে খুব গরম বেড়ে যায় তখন মুখে আলসার বা ঘা হয়। পোস্ত দানা (Poppy Seeds) শরীরকে ঠান্ডা রাখে আর ফলে মুখের আলসার হতে দেয় না। পোস্ত বাটার সঙ্গে চিনি মিশিয়ে খেলে মুখের আলসার থেকে হওয়া ব্যথায় তৎক্ষণাৎ আরাম পাওয়া যায়।কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে: পোস্ততে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, তাই কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে। কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করতে শুকনো ভাতের সঙ্গে পোস্ত বাটা খান।ঘুমোতে সাহায্য করে: যাঁদের ইনসমনিয়া আছে তাঁরা পোস্ত বাটা আর চিনি মিশিয়ে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খান দেখবেন তাড়াতাড়ি ঘুম আসবে।হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে: ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়, ফলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে। পোস্ততে ফ্যাটি এসিড হার্ট ডিজিজ বা হার্ট অ্যাটাক রোধ করতে রোজকার খাবারের তালিকায় অল্প হলেও পোস্ত রাখুন।হাড় ক্ষয় রোধ করে: ক্যালসিয়াম আর ফসফরাস থাকায় হাড়কে আরও শক্তিশালী করে তোলে। জয়েন্ট পেইন বা হাড় ফুলে গেলে তৎক্ষণাৎ আরাম পাওয়ার জন্য পোস্ত বাটা লাগান।চর্ম রোগ হতে দেয় না: বিভিন্ন রকমের চর্মরোগ, যেমন চুলকানি বা র‌্যাশের সমস্যায় স্বাভাবিক ওষুধের কাজ করে পোস্ত। ঘন করে পোস্ত বেটে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মেশান। এ বার ভালো করে মিশিয়ে ক্ষতস্থানে লাগান। বিভিন্ন রকমের চুলকানি বা র‌্যাশে পোস্ত খুব দ্রুত আরাম দেয়।মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার উন্নতি ঘটায়: ক্যালসিয়াম,আয়রন আর কপার থাকায় ব্রেনের কর্মক্ষমতায় উন্নতি ঘটে। রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে: পোস্ততে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকায় শরীরে প্রতিরোধ শক্তি অনেকাংশেই বেড়ে যায়। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায় পোস্ত। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে জিংক থাকায় দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

Source link

benefits of drinking tea in the morning: Health Tips: বর্ষার শুরুতেই সর্দি-কফে কাবু? সুস্থ থাকুন এই পাঁচ ভেষজ চায়ের গুণে – these five types tea can help you live longer reduce the risk of deadly disease study finds health and diet tips

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সকালে ঘুম থেকে উঠে খবরের কাগজের সঙ্গে এক কাপ চা না হলে যেন দিনই শুরু হয় না ৷ শুধু সকাল কেন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা হোক বা অফিসের মিটিং এক কাপ চা হলে যেন আমেজটাই বদলে দেয়। চা সকলের অত্যন্ত পছন্দের একটি পানীয় ৷ দিনে একাধিকবার আমরা চা খেয়ে থাকি৷ সে বাড়িতেই হোক বা অফিসে ৷ কেউ বা লিকার চা খেতে ভালোবাসেন, কেউ আধার দুধ দিয়ে তো কেউ আবার বিভিন্ন ফ্লেবারের চা খেতে ভালোবাসেন৷তবে, গবেষণায় জানা গিয়েছে, যারা প্রতিদিন চা পান করেন তাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে সুস্থ থাকেন। চা কেবল একটি সতেজ পানীয় নয় এটি বিভিন্ন উপায়ে স্বাস্থ্যের পক্ষেও উপকারী। চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। এটিতে কফির চেয়ে কম ক্যাফিন রয়েছে যা ওজন হ্রাসেও আপনাকে সহায়তা করে। এই প্রতিবেদনে আমরা আপনাকে ৫ রকমের চায়ের সম্পর্কে বলা হয়ছে, যার মাধ্যমে আপনি সর্বদা সুস্থ থাকতে পারবেন।আদা চা (Ginger Tea)নিয়মিত আদা দিয়ে যদি চা পান করা যায়, তাহলে আমাদের হার্ট ভালো থাকতে পারে। এছাড়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এই চা। এই চা রক্ত জমাট বাঁধা নিয়ন্ত্রণ করে কোলেস্টেরল কম করে এবং রক্ত সঞ্চালন আগের থেকে বৃদ্ধি করে। আদা অর্থাৎ জিনজার, যার অল্প একটু গুনে বেড়ে যায় রান্না র স্বাদ। সর্দি কাশির সময় সামান্য আদা র গুনে উপশম পাওয়া যায়। স্বাদে গন্ধে এবং গুণের দিক থেকে আদা খানিকটা সমসাময়িক হলুদ এবং এলাচের। আদা কেটে , অথবা গুড়ো করে রস বার করে খাওয়া যায়। তবে স্বাদ বাড়ানো ছাড়া অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে আদার। গরম চায়ের সঙ্গে আদা মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। আদাতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়া উন্নত করে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি আদার রস ধমনিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে প্রতিদিন আদা-চা পান করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।গ্রিন টি (Green Tea)গ্রিন টি বিভিন্ন উপায়ে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ওয়েটলস ড্রিঙ্কের কথা বলতে গেলে গ্রিন টির নামটি এর শীর্ষে আসে। ওজন হ্রাস থেকে রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ এবং এটি হজমে উন্নতি করে। গ্রিন টি পান করলে কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। এর উপকারের তালিকা খুবই দীর্ঘ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে দিনে এক কাপ থেকে দু কাপ গ্রিন টি পান করা স্বাস্থ্যকর। তবে, কিছু লোক গ্রিন টি এত পছন্দ করে যে তারা দিন শুরু করেন এই গ্রিন টি দিয়ে। গ্রিন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, নিয়মিত খেতে পারলে ত্বক, চুল সবই ভালো থাকে।ক্যামোমাইল টি (Chamomile tea)ভেষজ চা-এর মধ্যে অন্যতম হল এই ক্যামোমাইল টি। তবে একরকম ফুল থেকে তৈরি হয় এই চা। যার ফলে এই চায়ের মধ্যে ক্ষতিকর ক্যাফেন থাকে না। আর তাই এই চা খেলে স্নায়ুর উত্তেজনা কম থাকে। ঘুম ভালো হয়। মূলত দুরকমের ক্যামোমাইল চা ব্যবহার করা হয়- রোমান ও জার্মান। প্রাচীন আ৪য়ুবেদ শাস্ত্রেও উল্লেখ রয়েছে এই চায়ের। তবে যাঁরা গর্ভবতী, তাঁদের এই চা এড়িয়ে চলারই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ক্যামোমাইল যেহেতু ফুল থেকে তৈরি তাই এই চা খুব ভালো করে সংরক্ষণ করতে হবে। কাঁচের জারে রাখতে হবে এই চা। সেই সঙ্গে দেখা প্রয়োজন যেন সূর্যালোক না লাগে। ঠান্ডা পরিবেশে রাখতে হবে এই চা।পুদিনা চা (Peppermint Tea)পুদিনা পাতা আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। এই পাতার মূল, পাতা, কান্ড-সহ সমগ্র গাছই ওষুধীগুনে পরিপূর্ণ। এর পাতা সুগন্ধি হিসাবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। কাবাব, চাটনি, মশলায় ব্যবহার করা হয় পুদিনা পাতা। বিভিন্ন দেশে পুদিনার বেশি ব্যবহার হচ্ছে তেল তৈরিতে। পুদিনার মধ্যে থাকা মেন্থল কুবই উপকারী। তাই লিকার চায়ের মধ্যে পুদিনা পাতা মিশিয়ে খানিকক্ষণ ঢেকে রেখে খান। ভালো উপকার পাবেন। তার আগে অবশ্য আদা দিয়ে ফুটিয়ে নেবেন।জবা ফুলের চা (Hibiscus Tea)জবা ফুলের চা কিন্তু একটি অসাধারণ পুষ্টিকর পানীয়। এটি উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা কমায়। একই সঙ্গে হজমের সমস্যাও দূর করে। লিভারের রোগ সারাতেও জবা ফুলের গুণ অনস্বীকার্য। এমনকী ক্যানসারের প্রবণতা কমাতেও দারুণ উপকারী জবা ফুলের চা। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C, মিনারেল, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। উদ্বেগ ও উদ্দীপনা কমাতেও প্রভাব রয়েছে জবা ফুলের চায়ের। এর রং চুনির মতো লাল, খেতে খানিক টক। এ কারণে অনেকেই একে টক চাও বলে থাকে। এটির স্বাদ অনেকটা ক্র্যানবেরি জুসের মতো। এটি ঠান্ডা বা গরম– যেমন খুশি তেমন ভাবেই খাওয়া যায়। একে কোনও রকম ক্যাফিন থাকে না। ফলে শরীরের পক্ষে এটি খুবই উপকারী হয়। আপনি একাধিক বার খেলেও এর কোনও খারাপ প্রভাব শরীরে পড়ে না।

Source link

common cold prevents covid: New Research:সর্দিতেই কি জব্দ হচ্ছে করোনা ভাইরাস? কী বলছে নয়া গবেষণা, জানুন… – exposure to common cold can help combat covid-19: study

হাইলাইটসইয়েল ইউনিভার্টিসির গবেষকরা এই কাজটি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের (Coronavirus) বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে মাঠে নামে রাইনোভাইরাস (Rhinovirus)। কোভিডের (Covid) সংক্রমণ আটকে দিতে পারে এই ভাইরাস।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন নয়, অন্য ভাইরাসের লড়াই! অবাক হচ্ছেন? গবেষণায় এমনই একটি তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণার এই প্রবন্ধটি ছাপা হয়েছে এক্সপেরিমেন্টাল মেডিসিন জার্নালে। ইয়েল ইউনিভার্টিসির গবেষকরা এই কাজটি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের (Coronavirus) বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে মাঠে নামে রাইনোভাইরাস (Rhinovirus)। কোভিডের (Covid) সংক্রমণ আটকে দিতে পারে এই ভাইরাস। কিন্তু এই রাইনোভাইরাস (Rhinovirus Infections) কী?গ্রিক ভাষায় রিস (rhis) মানে নাক, রাইনোস (rhinos) মানে নাক। খাড়ালো নাক-সিংয়ের কারণেই গণ্ডারকে রাইনো বলা হয়। আর নাকে এই ভাইরাস থাকে বলে রাইনোভাইরাস (rhinovirus) নাম। রাইনোভাইরাস সাধারণ সর্দি, ঠান্ডা লাগার কারণ। এর সংক্রমণ ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে হয়। এই ধরনের তাপমাত্রা থাকে নাকের ভিতরে।গবেষণায় কী দেখা দেখা গিয়েছে?সর্দির ভাইরাসে আক্রান্ত শ্বাসনালীর টিস্যুগুলিতে করোনাভাইরাস (Corona) আক্রমণ করলে ওই সব কোষের ইন্টারফেরন আটকে দেয় সার্স কোভ-টু-র (sars-cov-2) ছড়িয়ে পড়া । ইন্টারফেরনে এক ধরনের প্রোটিন অণু, যে কোনও কোষ ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়ায় সংক্রমিত হলে ওই কোষ থেকে ইন্টারফেরন বেরিয়ে আসে। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসের (CoronaVirus) সংক্রমণের নির্দিষ্ট সময় পর কোষ থেকে বিপুল পরিমাণে ইন্টারফেরন (সাইটোকাইন) বেরিয়ে আসতে থাকে, এতে হিতে বিপরীত হয়। দেহের কোষগুলির উপরেই তখন ইমিউন সিস্টেমের হামলা শুরু হয়।সাধারণ সর্দি জ্বরের ভাইরাস ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধ করে, এমন আগে থেকেই জানা ছিল। দেখা যায়, যে সময় বেশি সর্দি হচ্ছে বা ঠান্ডা লাগছে, সেই সময়টায় ইনফ্লুয়েনঞ্জা কম হচ্ছে। এর ফলে কোভিডের বিরুদ্ধে সর্দির ভাইরাসটি কাজ করে কি না, খতিয়ে দেখতে গবেষণা করেছেন বিজ্ঞানীরা। ইয়েল স্কুল অফ মেডিসিনের ল্যাবরেটরি মেডিসিন এবং ইমিউনোলজির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোফেসর ইলেন ফক্সম্যানের নেতৃত্বে গবেষণা শুরু হয়। তাঁরা ল্যাবরেটরিতে তৈরি শ্বাসনালীর টিস্যুতে কোভিড-নাইন্টিনের (Covid-19) ভাইরাস সংক্রমিত করে দেখলেন, টিস্যুতে ভাইরাল লোড দ্বিগুণ হতে দেখা যাচ্ছে প্রতি ৬ ঘণ্টায়। এবার কিছু টিস্যুতে রাইনোভাইরাসের সংক্রমণ ঘটিয়ে তার পর কোভিড-নাইন্টিন (Covid-19) ছেড়ে পরীক্ষা করে দেখা যায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সেই সব টিস্যুতে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর থেকে বোঝা গেল, রাইনোভাইরাস (Rhinovirus) সংক্রমিত কোষগুলির ইন্টারফেরন প্রথম পর্যায়েই লাগাম দিতে পারছে করোনায়। আসলে, সংক্রমণ শুরুর প্রথম ধাপে একটি নির্দিষ্ট সময়ে (ভাইরাল সুইটস্পট) ভাইরাসের প্রবল সংক্রমণ (এক্সপোনেনশিয়াল গ্রোথ) শুরু হয়ে যায়। তখনও শক্তসমর্থ প্রতিরোধ গড়েই ওঠেনি। রাইনোভাইরাসের (Rhinovirus) ফলে ইন্টারফেরন ওই সুইটস্পটের আগেই সার্স কোভ-টু-এর বিরুদ্ধে কাজ শুরু করে, তার বেড়ে ওঠায় লাগাম দেয়। সার্স কোভ-টু-র সংক্রমণে ওই ভাইরাস-বিরোধী প্রতিরোধ শক্তি (antiviral defenses) কম থাকে। করোনাভাইরাস বেশি থাকার ফলে করোনা ছড়ায়। যাঁদের রাইনোভাইরাস সংক্রমণ ঘটে আগে, মানে যদি সর্দি হয়ে থাকে, তবে করোনার ভাইরালের চেয়ে তাদের করোনা-প্রতিরোধ শক্তি বেশি হয়। তবে ফক্সম্যান জানাচ্ছেন, করোনাভাইরাস ও রাইনোভাইরাসের মধ্যে অন্তর্বর্তী সমীকরণের সবটা এখনও বোঝা যায়নি। এখনও রহস্য রয়েছে। তাই আরও গবেষণার প্রয়োজন।

Source link