Category Archives: রূপচর্চা

diet for dry skin: ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ হয়ে পড়েছে? জৌলুস ফেরাতে নিয়মিত খান এইসব খাবার… – diet for dry skin: try include these foods in your diet for healthy skin

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকাল এলেই সর্দি-কাশির সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় ময়শ্চারাইজার ব্যবহার না করলে ত্বক ফাটতে পারে। ত্বকের সমস্যা কম-বেশি প্রায় সকলেরই রয়েছে। আমাদের একেক জনের ত্বকের প্রকৃতি একেক রকমের। কারও ত্বক তৈলাক্ত, তো কারও শুষ্ক। কারও ত্বক আবার অত্যন্ত সংবেদনশীল। শীত পড়তে শুরু করেছে। তাই যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁদের সমস্যা আরও বাড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স আর পরিবেশ ছাড়াও এমন আরও অনেক কারণ আছে যার জন্যে ত্বকে ক্ষতি হতে পারে। অনেক সময় জেনিটিক কারণে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। এ ছাড়া ডায়াবিটিস, কিডনি, লিভার, সোরিয়াসিসের মতো রোগের চিকিৎসার কারণে আমাদের ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে যায়। হাই ব্লাড প্রেসার, কোলেস্টেরল ও এলার্জির ওষুধ ত্বকের জেল্লা নষ্ট হয়ে যায়। যাদের ত্বক শুষ্ক তাদের জন্য এই শীত বেশ সমস্যার। পায়ের গোড়ালি থেকে ঠোঁট ফেটে অস্বস্তিতে পড়েন অনেকেই। এই সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্তি দিতে বেশকিছু খাবার। জেনে নিন এমন কয়েকটি।বাদাম জাতীয় খাবারবাদামের মধ্যের ভিটামিন ই ত্বককে অক্সিডেটিভ কোষের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। বাদাম যে কেবল তৈলাক্ত ত্বকের যত্নেই কাজ দেয় তা কিন্তু নয়। শুষ্ক ত্বকের যত্নেও এটি খুব ভালো ।শুষ্ক ত্বকে চট করে রুক্ষতা দেখা দেয় অত্যন্ত বেশি। এক্ষেত্রে ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে ব্যবহার শুরু করুন বাদামের। এ ছাড়া একটি পাত্রে আগে থেকে গুঁড়ো করে রাখা কিছু কাঠ বাদাম ও দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে প্রথমে তৈরি করে নিতে হবে একটি পেস্ট। এরপরে ফেসপ্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেললেই দেখবেন ত্বকের আর্দ্রতা ফিরে এসেছে অনেকটা । সপ্তাহে মাত্র ৩-৪ দিন ব্যবহার করুন এটি। দেখবেন ত্বক পরিবর্তিত হয়ে গেছে পুরোপুরিভাবে। তবে শুধু ফেসপ্যাক ব্যবহারের বদলে নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার ফলেও কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পায় অনেকটা ।চর্বিযুক্ত মাছমাছ জিওল হতে হবে। জিওল না হলেও জ্যান্ত তো অবশ্যই হতে হবে। মাছে একটুও চর্বি থাকা চলবে না। এমনটাই ধারণা কিছু সংখ্যক মানুষের। বহু মানুষই এমন আছেন, যাঁরা চর্বিযুক্ত মাছকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করেন। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। যাঁরা মনে করেন, চর্বিযুক্ত মাছ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, চর্বিযুক্ত মাছের কোনও উপকারিতা নেই, তাঁরা জেনে নিন কী কী উপকারী গুণাগুণ রয়েছে চর্বিযুক্ত মাছে। চর্বিযুক্ত মাছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা থ্রি পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। যা আর্থারাইটিস , হৃদরোগ , ক্যানসার প্রতিরোধ করে। রোগগুলির ঝুঁকিও কম করে। মুখ এবং ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধ করে মাছ।নারকেল তেলনারকেলে তেলে রয়েছে লাউরিক অ্যাসিড, যা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে৷ কারণ এই ফ্যাটি অ্যাসিড এবং আদ্রতা মিশে যা তৈরি হয়, তা মুখের শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী৷ তাই এটি বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে৷ তবে, নারকেল তেল খাওয়া স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে কারণ এটি একটি স্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা আমরা জানি যে অন্যান্য স্বাস্থ্যের সমস্যার কারণ হতে পারে। অনেকক্ষণ রোদে থাকার পর ত্বক যদি খানিকটা চুলকায় বা টান-টান লাগে, তখন নারকেল তেল মুখে এবং গায়ে মাখলে আরাম হয় এবং ত্বকও ভালো থাকে৷ তবে সুপার মার্কেট থেকে কেনা যে কোনো নারকেল তেল নয়, অরগ্যানিকভাবে তৈরি নারকেল তেলই এক্ষেত্রে ভালো।ডিমশীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা— সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ডিমের নানা পদের উপর ভরসা রাখেন বেশির ভাগ মানুষ। ডিম প্রায় প্রতিদিনই সব বাড়িতে কম-বেশি আনাও হয়। আট থেকে আশি— ডিম প্রায় সকলেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে। ডিমের স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে জানেন কি ত্বক ও চুলের যথাযথ যত্ন নিতেও ডিম অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান! ডিম খাওয়া পাশাপাশি ব্যবহারও করতে পারেন। শীত কালে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যায়। এই সমস্যা দূর করতে ১টা ডিমের সঙ্গে আধা চামচ মধু মিশিয়ে এই মিশ্রণ মুখ ও গলায় লাগিয়ে রাখুন (হাত বা পায়েও মাখতে হলে অন্তত ৪-৫টা ডিম আর ৩ চামচ মধু লাগবে)। এর পর হালকা গরম জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের শুষ্ক ভাব কমে যাবে।টমেটোটমেটো ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধরে রাখে। ফলে আর্দ্রতা বজায় থাকে। আর ফুটে ওঠে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলভাব। টমেটোতে আছে ভিটামিন সি, ই এবং বিটা ক্যারোটিন যা ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করে ও ত্বক সুন্দর রাখে। ত্বক ভালো রাখার উপাদান ভিটামিন বি যেমন- বি ওয়ান ,বি থ্রি, বি পাইভ, বি সিক্স এবং বি নাইন ইত্যাদি টমেটোতে পাওয়া যায়। এই ভিটামিনগুলো ত্বকের বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও বলিরেখা, ভাঁজ, বয়সের দাগ, চোখের চারপাশের দাগ, পিগমেন্টেইশন ইত্যাদি থেকে টমেটো ব্যবহারের মাধ্যমে রক্ষা পাওয়া যায়। রূপচর্চায় উপকারি টমেটো স্পা। এই টমেটো স্পা দিয়েই আপনি ত্বকের ট্যান বা সানবার্ন অনায়াসেই তুলে ফেলতে পারবেন। আবার একই সঙ্গে মুক্তি পাবেন ব্রন এবং ত্বকের কালো দাগ ছোপের হাত থেকেও।

Source link

colour psychology: আপনার পছন্দের রঙেই জানা যাবে ব্যক্তিত্ব! জানুন… – colour psychology: choose your favourite colour and know your personality

ব্যক্তি বিশেষে একএকজনের একএক রকম রং পছন্দ। কেউ লাল, কেউ সাদা আবার কারোর পছন্দ নিয়ন রং। মনস্তাত্ত্বিকদের মতে, পছন্দের রং মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কার কী রং পছন্দ? তা থেকে ধারণা করা যায়- কে কেমন প্রকৃতির মানুষ। যে কোনও মানুষের মনের উপরই রং এর প্রভাব একএক রকম। আর তাই হাসপাতালে কখনও কোনও গাঢ় রং ব্যবহার করা হয় না। তেমনই শোনা যায়, অপরাধীদের মুখ থেকে সত্যি কথা বলানোর জন্য লাল আলো তাঁদের চোখে ফেলা হয়। কারণ এই রঙটি মানুষের মনে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পছন্দের রঙে বাড়ি থেকে ওয়ার্ড্রোব রাঙাতে কে না ভালোবাসে! আর সেখান থেকেই কিন্তু মানুষের মন অনেকটা পড়ে ফেলা যায়। পছন্দের রঙের হিসেবে পড়ে ফেলতে চান নিজের মন? জানতে চান মানসিকতা? তাহলে ঝটপট চোখ বুলিয়ে নিন নীচের এই তথ্যতে…পছন্দের রং কালোপছন্দের রং কালো মানেই কিন্তু আপনি জটিল মনের মানুষ। খুব সহজেই অন্য কেউ ধরে ফেলবে আপনার মানসিকতা? সেটি হচ্ছে না। বরং আপনি মনে কী ভাবছেন আর কী করবেন, কিচ্ছুটি কেউ আঁচ পাবে না। স্বভাবে লাজুক হলেও পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের চাহিদার কথা ঠিকই জানিয়ে দিতে পারেন। সেই সঙ্গে আপনার মধ্যে বেশ একটা লিডার সুলভ হাব ভাবও রয়েছে। নিজের জীবনের গোপনীয়তা খুব কঠোর ভাবে আপনি রক্ষা করতে সক্ষম। আর আপনার মনে কী চলছে তা একমাত্র খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছাড়া আর কেউই টের পায় না। তবে আপনার জীবনে কোনও রকম নাটকীয়তা নেই। ভালোবাসার রং লালপ্রেম-বিচ্ছেদ থেকে বিপদ, প্রকাশের রং কিন্তু লাল। যাঁদের পছন্দের রং লাল তাঁদের মধ্যে উৎসাহের কোনও খামতি নেই। সেই সঙ্গে এঁদের মধ্যে লিডার সুলভ হাবভাব থাকায় লোকেরা তাঁদের কথা শুনতেও চান। অপরিচিত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে সহজেই বন্ধুত্ব করে নিতে পারেন এঁরা। লাল সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তেমনই লাল রং উত্তেজনাও বাড়িয়ে তোলে। যাঁরা লাল ভালোবাসেন তাঁরা সকলকে নিয়ে চলতেই পছন্দ করেন। গোলাপী পছন্দ হলেযাঁদের পছন্দের রং গোলাপি তাঁরা কিন্তু বেশ নরম মনের মানুষ। তবে অনেকেই ভাবেন গোলাপী কেবলমাত্র বাচ্চা মেয়েদের পছন্দের রং। তবে যাঁদের গোলাপী পছন্দ তাঁরা কিন্তু মনের দিক থেকে অনেকটাই শিশুসুলভ। সেই সঙ্গে আপনার ব্যক্তিত্ব, উপস্থিতি বাকিরা উপভোগ করেন। সেই সঙ্গে এঁরা বেশ সংবেদনশীল মনের মানুষ হন। ভালো, মন্দের দ্বন্দ্বে বেশি ভোগেন। তবে পেশাগত জীবন আর ব্যক্তিগত জীবনকে সর্বদা আলাদা করে রাখতে পারেন। নীল রং ছিল ভীষণ প্রিয়যাঁদের নীল রং পছন্দ, তাঁরা কিন্তু খুবই বাস্তববোধ সম্পন্ন মানুষ। ভালো এবং খারাপ উভয়ি তাঁদের মধ্যে দেখা যায়। মানুষের সঙ্গে এঁরা নরম ভাবে কথা বলেন, ফলে অনেকেই বুঝতে পারেন না যে ভেতরে এঁরা ঠিক কতটা কঠোর। সেই সঙ্গে কাছের মানুষদের প্রতি এঁদের দৃষ্টি সদা জাগ্রত। প্রেম এবং সত্যিকথা বলা নিয়ে এঁদের মধ্যে কোনও রকম নাটকীয়তা নেই। জীবনে এঁরা খুবই সফল হন। পছন্দের রং সবুজযাঁরা সবুজ রং পছন্দ করেন তাঁরা যেমন প্রকৃতি প্রেমী হন তেমনই নিজের অর্থ, নিরাপত্তা বিষয়েও খুবই সচেতন হন। এছাড়াও এঁরা যেমন মন দিয়ে নিজেদের কাজ করেন, তেমনই অপরকেও উৎসাহ দিতে ভোলেন না। সেই সঙ্গে এঁরা কিন্তু বেশ অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়। সেই সঙ্গে এঁরা ক্ষুরধার ব্যক্তিসম্পন্ন। তাই এঁরা ব্যবসাটাও বেশ ভালো বুঝতে পারেন। সমাজে এঁদের বেশ প্রতিপত্তি থাকে। সকলেই তাঁদের খুব মান্য করেন। পছন্দের রং সাদাসাদা রং সর্বদাই শান্ত, নির্জন এবং মঙ্গলের প্রতীক। আর যাঁদের সাদা পছন্দের রং তাঁরা কিন্তু বিশৃঙ্খলা একদমই পছন্দ করেন না। বরং কীভাবে শান্তি বজায় রাখা যায়, সেই চেষ্টা করেন। এছাড়াও এঁরা খুবই পরিশ্রমী হন। সকলকে সাধ্যমতো সাহায্যও করেন। এঁদের জীবনও খুব পরিশীলিত। হলুদ পছন্দের রং হলেআদর্শবাদী ও আশাবাদী মানুষদের প্রিয় রংয়ের তালিকায় হলুদ থাকে। নিজেদের নিয়ে সবসময় খুশি থাকতে ভালোবাসেন তারা। তবে অনেকের মাঝে নিজেদের গুরুত্ব তেমন পান না তারা। আদর্শবাদী, আশাবাদী স্বভাবের জন্য এরা মানুষের কাছে অদ্ভুত হিসেবে পরিচিত হন। তবে পৃথিবীতে খুব কম মানুষই আছেন, যাদের প্রিয় রংয়ের তালিকায় হলুদ ঠাঁই পায়।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Nutritional Benefits Of Sweet Potato For Baby – শীতকালে শিশুর চাই বাড়তি যত্ন, আজ থেকে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন রাঙা আলু! | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সব মা-বাবাই চান শিশুর সঠিক যত্ন। এই মরসুমের মিশ্র আবহাওয়ায় বড়দের খাপ খাওয়াতে সমস্যায় পড়তে হয়। সেখানে ছোটদের আরও বেশি সমস্যা। একটু যত্নের খামতি পেলে হয় জ্বর, ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশির মতো অসুখ। বিশেষত শীতের শুরুতে তাপমাত্রা যখন কমতে থাকে, তখনই এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এটা মূলত শ্বাসতন্ত্রের ওপরের অংশের রোগ। চিকিৎসা করলেও ৭ দিন লাগে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাশি কয়েক সপ্তাহ থাকতে। আর শীতে শিশুরা একটু বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে দুশ্চিন্তা না করে এ সময়টাতে শিশুদের বিশেষ পরিচর্যা নিলে শীতেও আপনার সোনামণি থাকবে সুস্থ।শীতে আবহাওয়া শুষ্ক ও ধুলোবালি থাকার কারণে শিশুরা এসব রোগে আক্রান্ত হয়। এ সময়টা অভিভাবকদের কিছুটা সচেতন থাকতে হবে। শিশুদের ঠান্ডা বাতাস এবং ধুলাবালু থেকে দূরে রাখতে হবে। পাশাপাশি যত্ন নিতে হবে খাওয়া-দাওয়ার উপরে। এই শীতে মিষ্টি আলু খাওয়াবেন শিশুদের। এটি স্বাদে মিষ্টি এবং পুষ্টিতে পরিপূর্ণ। এটি শর্করা এবং বিটা ক্যারোটিনের একটি ভালো উত্স। বাচ্চাদের শক্ত খাবার দেওয়া শুরু করা অন্যতম সেরা বিকল্প। এছাড়াও এটি পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, সি এবং বি-কমপ্লেক্সের মতো পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। জেনে নিন রাঙা আলুর গুণাগুণ….কখন মিষ্টি আলু দেবেন আপনার বাচ্চাকেছয় মাস বয়সি বাচ্চাকে শক্ত খাবার হিসাবে মিষ্টি আলু দেওয়া যেতে পারে। তবে, আপনাকে দেখতে হবে যে সহজেই মিষ্টি আলু খাচ্ছে কিনা। খেতে না হলে জোর করবেন না। একবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। যদি তা না হয় তবে কয়েক দিন পরে আবার চেষ্টা করুন। বাচ্চাকে জোর করে খাওয়ানো ঠিক নয়। বাচ্চাদের জন্য মিষ্টি আলুর উপকারিতামিষ্টি আলু ভিটামিন A সমৃদ্ধ। যা খুবই স্বাস্থ্যকর, এটি শিশুর বৃদ্ধি এবং শিশুদের চোখের জন্য ভালো। এটিতে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে যা একটি উপাদান যা দেহে ভিটামিন এ তৈরি করে। রাঙা আলুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। যা পাকস্থলীতে জেল জাতীয় আঠালো পদার্থ তৈরি করে। এতে পেট ভরে তাড়াতাড়ি, আজেবাজে খাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে আসে। ফলে ওজন কমানোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ পায়। রাঙা আলু মেটাবলিজম বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম, সহজপাচ্য হওয়ায় হজমের সমস্যাতেও পড়তে হয় না।মিষ্টি আলু খেলে কী হয়অনেক ধরনের খনিজ শরীরে বিপাক বজায় রাখতে দরকার হয়। এক্ষেত্রে মিষ্টি আলু খুবই ভালো। এটির মধ্যে সমস্ত রকমের খনিজ রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম এমনকি জিংক রয়েছে। এই সমস্ত উপাদানগুলি শিশুর শরীরের জন্য বেশ কার্যকর। এতে ভিটামিন C, E, K এবং ভিটামিন B1 থেকে B6 এবং B 9 এর মতো আরও অনেক ভিটামিন রয়েছে। এতে থাকা সমস্ত ভিটামিন শিশুর শারীরিক বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মিষ্টি আলু খেলে শিশুর শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিনের সরবরাহ থাকে, যার কারণে শিশুর অঙ্গগুলি ভালোভাবে বিকশিত হয়।উপকারী কার্বসকার্বোহাইড্রেট মানেই যে তা অপকারী, তা কিন্তু নয়। বরং এনার্জি বাড়াতে এই সবজি কাজে আসে। শরীর গঠনের প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেটের অন্যতম উৎস এই রাঙা আলু। প্রতি ৩০০ গ্রাম রাঙা আলু সেদ্ধ থেকে ৫৮ গ্রাম মতো কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। নো কার্বস ডায়েটে অভ্যস্তরাও একে সহজেই পাতে নিতে পারেন। কারণ, এর কার্বোহাইড্রেট দ্রুত রক্তে মিশে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করতে সাহায্য করেরাঙা আলুতে জিঙ্ক সুপারঅক্সাইড, স্পোরামিন, ক্যাটালেস ধরনের অ্যান্টিঅক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকে বলে এগুলি শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। মেটাবলিজম বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের জলকে শোষণ করে নিতে এই সব্জি ওস্তাদ। জলের সঙ্গেই শরীরের টক্সিনকে দূর করতেও বিশেষ কার্যকরী। তাই জমে থাকা জলের প্রভাবে শরীর ফুলে গেলে তার হাত থেকে অনেকটাই নিষ্কৃতি দেয় এই সবজি। শরীরের পিএইচ ফ্যাক্টরে ভারসাম্য রাখতেও সাহায্য করে এটি।

Source link

adventure sports in india: ঝাঁপিয়ে ঘোরার সুলুক সন্ধান, দেশের ৫টি বাঞ্জি জাম্পিং-এর ঠিকানা – highest bungee jumping in india, check out top 5 spot

হাইলাইটসসিনেমাতে কেউ যখন অনেক উঁচু থেকে ঝাঁপ দেয় তখন আপনার পেটের ভিতরটা খালি খালি লাগে? মন চঞ্চল হয়ে ওঠে? শরীরে পুলক জাগে? তাহলে আপনি বাঞ্জি জাম্পিং-এর জন্য আদর্শ। পায়ের মধ্যে দড়ি বেঁধে উল্টো হয়ে পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেবেন আপনিঝাঁপের আমি ঝাঁপের তুমিপাহাড়ের চুড়ো থেকে কোনোদিন ঝাঁপ দিয়ে দেখেছেন? ঘাবড়াবেন না, আত্মহত্যায় প্ররোচনা কেউ আপনাকে দিচ্ছে না। কিন্তু মনে যদি সাহস থাকে তাহলে জীবনে অন্তত একবার পাহাড়ের উপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে দেখবেন। শরীর এবং মনের যাবতীয় হতাশা এক নিমেষে কেটে যাবে। তবে এর জন্য মনে প্রচুর সাহস দরকার। সিনেমাতে কেউ যখন অনেক উঁচু থেকে ঝাঁপ দেয় তখন আপনার পেটের ভিতরটা খালি খালি লাগে? মন চঞ্চল হয়ে ওঠে? শরীরে পুলক জাগে? তাহলে আপনি বাঞ্জি জাম্পিং-এর জন্য আদর্শ। পায়ের মধ্যে দড়ি বেঁধে উল্টো হয়ে পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেবেন আপনি। গোটা বিশ্বকে দেখবেন একদম উল্টোভাবে। আর রোমাঞ্চ! ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। সেই সঙ্গে উঁচু থেকে উল্টো হয়ে পড়ার সময় শরীরে যে শিহরণ জাগবে তার অভিজ্ঞতা অন্যরকম তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য সবই হবে নির্দিষ্ট সুরক্ষা মেনে।বিদেশে এই বাঞ্জি জাম্পিং ট্যুরিজমের অনেক সুযোগ আছে। কিছুদিন আগেও ভারত এর থেকে বঞ্ছিত ছিল। কিন্তু এখন এই বাঞ্জি জাম্পিং-ই ভারতীয় পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ। বিগত কয়েক বছর ধরে নতুন প্রজন্মের কাছে এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে হু হু করে।দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণ এই রমরমা এখন বাঞ্জি জাম্পিং-এর।হৃষিকেশের ঝাঁপ-ইভারতের সবচেয়ে উচ্চতম বাঞ্জি জাম্পিং হয় হিমালয়ের কোলে হৃষিকেশে। এর পোশাকী নাম জাম্পিং হাইটস। হৃষিকেশের মহান চটিতে গেলে এই জাম্পিং হাইটস-র সন্ধান মিলবে। আর এখানে বাঞ্জি জাম্পিং সারা জীবনের এক রোমহর্ষক অভিজ্ঞতা। মাটি থেকে প্রায় ৮৩ মিটার উপরে রয়েছে এটি। আর এই উচ্চতাই অ্যাডভেঞ্চাররপ্রেমীদের মনে যে রোমাঞ্চ জাগবে তা বলাই বাহুল্য। এখানেও কিন্তু আপনার নিরাপত্তার যাবতীয় খেয়াল রাখা হয়। এক একবার ঝাঁপ দেওয়ার জন্য খরচ পড়বে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি টাকা। জীবনে মনে রাখার মতো অভিজ্ঞতার কাছে এই টাকার অঙ্কটা কিন্তু একেবারে তুচ্ছ।দিল্লিতে দড়ির বাঁধনদিল্লি বলতে যাঁরা শুধু রাজনীতি, পলিউশন আর ভিড়ভাট্টা বোঝেন তাঁদের বলে রাখি এখানকার বাঞ্জি জাম্পিং-ও কিন্তু দারুণ জনপ্রিয়। দিল্লির ওয়ান্ডালাস্ট সংস্থা এই অ্যাডভেঞ্চারের দায়িত্বে রয়েছে। এখানকার প্রশিক্ষকরা সকলেই জার্মান থেকে প্রশিক্ষণপাপ্ত। তাই উন্নত জার্মান প্রযুক্তি এখানকার বাঞ্জি জাম্পিং-এ ব্যবহার করা হয়। মাটি থেকে এখানকার উচ্চতা প্রায় ৪০ মিটার।পশ্চিমী ঝাঁপএবার ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘোরা যাক। দিল্লি থেকে সোজা মহারাষ্ট্রের লোনাভালা। ভারতের সবচেয়ে সুরক্ষিত বাঞ্জি জাম্পিং হয় মহারাষ্ট্রের ‘দার্জিলিং’ লোনাভালাতে। দেশের সবচেয়ে বড় অ্যাডভেঞ্চার পার্কে রয়েছে এই ব্যবস্থা। এখানকার উচ্চতা ৪৫ মিটার, লাফ দেওয়ার ৪ থেকে ৫ মিনিট পর্যন্ত উল্টো হয়ে থাকার অনুমতি মেলে এখানে। বয়স ১০ বছরের বেশি হলেই ঝাঁপ দেওয়া যায়। এক একবার ঝাঁপের জন্য হাজার দেড়েক টাকা খরচ পড়ে।জাম্পিং গোয়াসি বিচ, বিকিনি গার্ল, হার্ড ড্রিঙ্ক আর জমকালো পার্টির বাইরেও একটা গোয়া আছে। যেখানে ডানপিটেরা ঝাঁপাঝাঁপি করে থাকে। তাই গোয়ার সি বিচ ঘোরা হযে গেলে সেখানকার বাঞ্জি জাম্পিং এরিয়া থেকেও বিন্দাস ঢুঁ দিয়ে আসুন। গোয়ার বিখ্যাত আনজুনা বিটের কাছেই রয়েছে এই গ্র্যাভিটি জোন বাঞ্জি জাম্পিং ক্যাম্প। এখানকার উচ্চতা ২৫ মিটার। খুব বেশি হলে ৫০০ টাকা খরচ হবে এখানে। জীবনে প্রথম বাঞ্জি জাম্পিং-এর অভিজ্ঞতা নিতে চাইলে গোয়া বেস্ট।দক্ষিণে ঝাঁপাঝাঁপিস্মার্ট সিটি বেঙ্গালুরু। সেখানকার লোকজনই বেশ স্মার্ট। তাহলে সেখানে স্মার্ট অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস বাঞ্জি জাম্পিং-এর ব্যবস্থা থাকবে না তা হয়? কিন্তু এই শহরের সমস্যা একটাই, বাঞ্জি জাম্পিং-এর জন্য এখানে কোনও ফিক্সড প্ল্যাটফর্ম নেই। এখানে ঝাঁপাতে গেলে ক্রেনই ভরসা। বেঙ্গালুরুর ওজোন অ্যাডভেঞ্চারের সঙ্গে যোগাযোগ করলেই প্রায় ৮০ মিটার উঁচু ক্রেনের উপর থেকে লাফানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়। ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সীরাই শুধু এই বাঞ্জি জাম্পিং-এর অনুমতি পান।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

home made coffee masks for hair: চুল ঝরছে? ব্যবহার করুন বাড়িতে বানানো এই কফি মাস্ক! – coffee for hair: how to make simple hair mask at home by using coffee

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শীতকালে সবাই কফিটা একটু বেশিই খান। এছাড়াও খুব ঘুম পেলে কিংবা ক্লান্তি থাকলে এককাপ কফিই সেরা ওষুধ। মন ভালো করা থেকে ক্লান্তি দূর করা, সবই হয় এই ক্যাফাইন এর গুণে। কফি দিয়ে স্ক্রাব, রূপচর্চা আগেও করেছেন। কিন্তু চুলপড়াও আটকে যায় কফির গুণে তা কি জানতেন? সপ্তাহে মাত্র দুবার ২০ মিনিট এই মাস্ক লাগালেই অনেক উপকার পাবেন। সেই সঙ্গে খুশকির সমস্যা থেকেও মিলবে সমাধান। আর বানানোর ঝক্কিও একেবারেই নেই। ৭ মিনিটের মধ্যে বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারবেন এই হেয়ার মাস্ক। দেখে নিন কীভাবে বানাবেন। চুলের গ্রন্থিকোশের জন্য উপকারীআমাদের যে হেয়ার ফলিকলস অর্থাৎ মাথার ত্বকে যে ছিদ্র থাকে তার মাধ্যমেই চুল পুষ্টি পায়। কফি পাউডারের মধ্যে যে ক্যাফেইন থাকে তা মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে চুলেরও পুষ্টি যোগায়। এর ফলে চুলের গোড়া মজবুত হয়। সহজে ছিঁড়ে যায় না। সেই সঙ্গে মন ভালো রাখে। হ্যাপি হরমোন নিঃসৃত হয়। আর মন ভালো থাকলে কিন্তু চুল পড়া কম হয়। ক্যাফেইন মাস্ক যেভাবে কাজ করেআমরা সকলেই জানি যে স্ট্রেস বাড়লে চুল পড়া বাড়ে। আর কার্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন এই দুটি হরমোনই কিন্তু স্ট্রেস, খিটখিটে মেজাজের জন্য দায়ী। যখন শরীরে স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব বৃদ্ধি পায় তখন চুলের কোশেও তার প্রভাব পড়ে। যার ফলে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায় এবং চুল পড়া বাড়ে। আর তাই কফি পাউডার এই চুল ঝরে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। যে সব পুরুষদের টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ বেশি, তাঁদেরও কিন্তু এই কারণেই চুল বেশি পড়ে। যেভাবে বানাবেন কফি মাস্কএই হেয়ার মাস্ক তৈরি করতে মোটে দুটো জিনিসেরই প্রয়োজন। পাঁচ চামচ খাঁটি নারকেল তেলের সঙ্গে দু চামচ কফি পাউডার মিশিয়ে নিন। এই মাস্ক সপ্তাহে দুদিন ব্যবহার করুন। মাথায় ২০ মিনিট অন্তত রাখবেন। এছাড়াও আমলা পাউডার, অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল আর কফি একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে হেয়ার মাস্ক বানিয়ে নিন। এতে কিন্তু খুশকির সমস্যাও কমবে। লোহার পাত্রে এই মিশ্রণ বানানএকটি লোহার পাত্রে নারকেল তেল নিয়ে ধীরে ধীরে গরম করুন। এরপর তার মধ্যে কফি পাউডার মিশিয়ে নিন। লোহার পাত্রে তেল গরম করুন। এতে প্রাকৃতিক লোহা থাকে। যা চুলের পুষ্টিতেও কাজে আসে। এই মিশ্রণ কিন্তু গরম গরম লাগাতে হবে। মাথার ত্বক ভালো থাকেচুল পড়া রোঝ করার পাশাপাশি কফি স্ক্যাল্পকেও ভালো রাখে। সেই সঙ্গে মৃত কোশও সরিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে কোশ পরিষ্কার থাকায় অক্সিজেন সরবরাহ ঠিক থাকে। এর ফলে চুলও থাকে সতেজ। আর চুলের স্বাস্থ্যও বজায় থাকে। আর তাই কফি স্ক্রাব মাথায় ভালো করে ম্যাসাজ করুন। সেই সঙ্গে সপ্তাহে দু দিন থেকে তিনদিন অবশ্যই লাগান।

Source link

benefits of ghee: রোজ ঘি খাওয়া কি ভালো? কী বলছেন বিশেষজ্ঞ? জানুন পরামর্শ… – nutritional values and health benefits of ghee

হাইলাইটসপুরানকাল থেকেই ঘি কে অত্যন্ত পবিত্র সামগ্রী হিসাবে গন্য করা হয়।প্রচলিত আছে “tongue of the god” ” navel of immortality” নামে পরিচিত। কিন্তু বর্তমানে দৈনন্দিন জীবন যাত্রায় ঘি কে বাদ দেওয়া হয়। যারা ডায়েটিং করার নামে সারাদিনে খাওয়াই ছেড়ে দিয়েছেন তারাতো ঘি কে কোনোভাবেই খাদ্যতালিকায় রাখতে চান না ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে। কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল ধারণা এটি।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পুরানকাল থেকেই ঘি কে অত্যন্ত পবিত্র সামগ্রী হিসাবে গন্য করা হয়।প্রচলিত আছে “tongue of the god” ” navel of immortality” নামে পরিচিত। কিন্তু বর্তমানে দৈনন্দিন জীবন যাত্রায় ঘি কে বাদ দেওয়া হয়। যারা ডায়েটিং করার নামে সারাদিনে খাওয়াই ছেড়ে দিয়েছেন তারাতো ঘি কে কোনোভাবেই খাদ্যতালিকায় রাখতে চান না ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে। কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল ধারণা এটি।আমাদের রান্নাঘরে যে কয়েকটি সুপার ফুড আছে তার মধ্যে ঘি অন্যতম। বিভিন্ন মিষ্টি ও নোনতা খাবারে ঘি এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে তা সঠিক তাপমাত্রা ও সঠিক পরিমানে ব্যবহার করাই বাঞ্চনীয়।ঘি কে কেন আমরা সুপার ফুড বলি তাহলে দেখে নেওয়া যাক-১. ঘি তে ফ্যাট এর পরিমাণ বেশ বেশি, তাই যারা ওজন বৃদ্ধির চেষ্টা করছেন ঘি ভাত আলুসিদ্ধ তাদের জন্য স্টেপল ফুড হওয়া উচিৎ।২. ঘি তে কোলেস্টেরল এর পরিমাণ বেশি হলেও তা কিন্তু হার্টের পক্ষে ক্ষতিকর নয়, কারণ ঘি তে উপস্থিত ফ্যাট রক্তে উপকারী HDL কোলেস্টেরল এর পরিমাণ বাড়ায় এবং ক্ষতিকর LDL এর পরিমাণ কমায়।৩. ঘি একটি ল্যাকটোজ ফ্রি মিরাকল ফুড যা কিনা ফ্যাট সলেবল ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে সমৃদ্ধ ।বার্ড ফ্লুর ভয়ে ডিম বা চিকেন খাওয়া বন্ধ করছেন? FSSAI-র গাইডলাইন কী বলছে? দেখে নিন…৪. দেহে হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্যকরে।৫. ঘি তে ক্যালোরির পরিমান খুব বেশি হওয়ায় শীতকালে দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।৬. ঘি এর সাথে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে শীতকালে সর্দি কাশি থেকে রেহাই পাওয়া যায়, কারণ এতে রয়েছে অদ্ভুত মাইক্রোবিয়াল প্রপার্টি।৭. ঘি কিন্তু মিডিয়াম ও শর্ট চেন ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ তাই উপযুক্ত গ্রহণে হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।৮ . ঘি এর antiviral ও anti fungal ধর্মের জন্য দায়ী লাউরিক এসিড। ঘি এর সাথে হলুদ মিশিয়ে তৈরি মিশ্রণ বেডসোর এর নিরাময়ে ঘরোয়া উপায় হিসাবে গন্য করা হয়।গাড়িতে উঠলেই বমি পায়? জেনে নিন কী করবেন, কী করবেন না…৯. দেহে ওলেশান পদ্ধতির ( a process of ingesting oil over a period of time) জন্য ঘি সবচেয়ে উপকারী , এছাড়াও দেহে যে ফ্যাট সলেবল টক্সিন গুলি তৈরি হয় সেগুলি নিষ্কাশনেও ঘি সাহায্য করে।১০. ঘি তে আছে প্রচুর পরিমানে বিউটারিক এসিড যা ইন্টেস্টাইনর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।কোলন এর কোষগুলি বিউটারিক এসিড থেকেই প্রয়োজনীয় শক্তি সংগ্রহ করে।১১. যে কোনো কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের সাথে ঘি মিশ্রিত হলে তার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমিয়ে দেয় সামান্য হলেও, ডায়াবেটিক পেশেন্ট দের জন্য যা উপকারী।১২. প্রতিদিন এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চামচ ঘি নিরাময় করতে পারে কনস্টিপেশান ও।১৩. উপস্থিত উপকারী ফ্যাটি এসিড গুলি ত্বক কে নরম ও বলিরেখা মুক্ত করে।১৪. ঘি কিন্তু anti অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ তাই ইমিউনিটি রক্ষাতেও এর ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়।১৫. আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে বলা হয় ঘি এর সাথে অশ্বগন্ধা বা ব্রাহ্মীশাক মিশিয়ে খেলে মস্তিষ্কের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।তাহলে আজ এতগুলো উপকারিতা জানার পরও কি ঘি কে আমরা খাদ্যতালিকা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারবো?কখনোই নয়। কিন্তু এর গ্রহণের পরিমান যেন অনিয়ন্ত্রিত ও না হয়ে যায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

importance of pre honeymoon trip: ঠিক এই কারণগুলির জন্যই বিয়ের আগে প্রি-হানিমুন সেরে আসুন – 5 reasons to take a pre-honeymoon vacation with your would be

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: বিয়ে যে একবার করে সেই বোঝে কত রকম ঝক্কি! বিয়ের কথাবার্তা, প্ল্যানিং, শপিং, অতিথি তালিকা সব মিলিয়ে একেবারে হইহই কান্ড। এমনও নয় যে, বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রী দুজনেই একই শহরে থাকেন। বিয়ের আগে দুজনের মধ্যেও বেশ কিছু বোঝাপড়া জরুরি। সব কিছুর আগে দরকার মানসিক বন্ধন। আর তাই এখন বিয়ের কয়েক মাস আগেই নিউ এজ কাপলরা ঘুরে আসছেন প্রি- হানিমুনে। অনেকে আবার একে মিনি-মুনও বলছেন। জীবনের এই ডি-Day এর আগে একসঙ্গে ঘুরে আসা খুবই জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষরজ্ঞরা। এতে পোক্ত হয় সম্পর্কের ভিত। আর তাই রইল ৬টি টিপস, জেনে নিন বিয়ের আগে কেন ঘুরে আসবেন পছন্দের প্রি- হানিমুন ডেস্টিনেশন থেকে।রোম্যান্স আরও একবার ঝালিয়ে নিনবিয়ের আগে নানা কারণে রোম্যান্সে ঘাটতি পড়ে। চাপের মুখে অনেক রকম সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে মনোমালিন্যও হয়। ইদানিং বিয়ের পাকা কথাবার্তা এক বছর আগেই হয়ে যায়। তারপর যে পাঝ-পাত্রীর বিশেষ দেখা সাক্ষাৎ হয় সেরকমও নয়। জীবনের এই বিশেষ দিনের আগে তাঁদেরও একটু রিল্যাক্সের প্রয়োজন হয়য়। সেই সঙ্গে ঘুরে আসলে মন যেমন ফ্রেশ হয় তেমনই অনেক কিছু নিয়ে সামনা সামনি কথা বলা যায়। ফলে ছোট খাটো সমস্যার সহজেই সমাধান হয়। চিল করুনকথায় কথায় হোয়্যাটসঅ্যাপে Chill লিখে পাঠালেই যে শান্তিতে থাকা যায় এমনটা নয়। আর তাই দুজনে Chill out করতেই ঘুরে আসুন। ব্যাচেলার্স পার্টি তো থাকবেই, কিন্তু দুজনের আলাদা করে ঘুরে আসাও খুব জরুরি। আর যাঁরা বিয়ের আগে দুজনে কোনওদিন কোথাও ঘুরতে যাননি বা রাত কাটাননি তাহলে অবশ্যই একবার ঘুরে আসুন। হানিমুনের ছোট প্র্যাকটিসহানিমুন নিয়ে অনেকেরই অনেক স্বপ্ন থাকে। প্ল্যান থাকে। আর তাই অফিসিয়ালি বর-বউ হওয়ার আগে একবার দুজনে ঘুরেই আসুন। এই ঘুরতে যাওয়ার মজাটাই আলাদা। একসঙ্গে পছন্দের কোনও একটা ডেস্টিনেশনে যান। মনের আনন্দে ঘোরা, খাওয়া, সাজুগুজু সবই থাকুক। সেই সঙ্গে ছবি তুলতেও ভুলবেন না যেন। আর প্রি-হানিমুনের ছবি কিন্তু দিব্য প্রি-ওয়েডিং শ্যুট হিসেবে চালিয়ে দিতে পারবেন। একে অপরকে আরও বেশি করে ভালোবাসুনদূরত্বের কারণে, সময়ের কারণে অনেক সময়ই ইচ্ছে থাকলে বয়ফ্রেন্ডকে কিছু বানিয়ে খাওয়াতে পারেন না। তেমনই আবার বেশ কিছু বয়ফ্রেন্ড এমনও থাকেন যাঁরা খুব সুন্দর করে ব্যাগ গুছিয়ে দিতে পারেন। আর একসঙ্গে ঘুরতে গেলে একে অপরের জন্য অনেকখানি সময় পাওয়া যায়। তেমনই ‘এটা আমি করি’ এমনটা বলারও সুযোগ থাকে। আর মনের মানুষটিকে আরও বেশি করে চেনা যায়। এই কারণেই দুজনে ঘুরে আসুন।লাস্ট-মিনিট আলোচনাবিয়ের আগে দুজনের মধ্যেকার এমন কিছু কথা থাকে যা বাড়ির লোকের সামনে বলা যায় না। কিংবা সব কিছু ফোনে বলাও যায় না। যে কারণে, যাবতীয় দ্বিধা, সংশয় এসব কাটাতেই একবার ঘুরে আসুন। নিজেদের যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তা নিয়ে একবার কথৈ বলে নিন। হবু শ্বশুরবাড়ির কোনও কথায় খারাপ লাগলে একে অপরকে বলুন। বিয়ের পরের জীবনটা কীভাবে দেখতে চান, তা নিয়েও অবশ্যই কথা বলুন।

Source link

prevent or ease motion sickness: গাড়িতে উঠলেই বমি পায়? জেনে নিন কী করবেন, কী করবেন না… – natural remedies to prevent or ease motion sickness

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বেড়াতে যেতে কে না ভালবাসে! কিন্তু সবসময়ে শরীর তা সায় দেয় না। অনেকেই বেড়াতে ভালোবাসলেও গাড়িতে বা বাসে যাতায়াত করতে পারেন না। এদের বিশেষ করে সমস্যায় পড়তে হয় পাহাড়ে বেড়াতে গেলে। পাহাড়ে ঘুরে ঘুরে যখন গাড়ি চলে অনেকেরই বমি হয়। তার সঙ্গে শুরু হয়ে মোশন সিকনেস বা মাথা ঘোরা। যার কারণে যে কোনও জায়গায় বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়ে। মাটি হয়ে যায় ঘুরতে যাওয়ার আনন্দটা।কী কারণে হয় এই সমস্যা?সাধারণত বাসে বা প্রাইভেট কারে উঠলে মোশন সিকনেস হয়ে থাকে। এ ছাড়া এসিডিটির সমস্যা থাকলে হতে পারে বমি, বাজে গন্ধ থেকেও বমি হতে পারে। তবে পেট্রোল ডিজেলের গন্ধ আর গাড়ির ধোঁয়া বমির প্রবনতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে চলে মাথা ঘোরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, মোশন সিকনেস হয় সেনসোরি মিসম্যাচের কারণে। মানবদেহের ভেস্টিবিউলার সিস্টেম (যেটা আমাদের স্পেস-সংক্রান্ত সতর্কতা নিয়ন্ত্রণ করে) এবং ভিশন (দৃষ্টি) সিস্টেম মস্তিষ্কে যখন মিশ্র সংকেত পাঠায়, তখন সে অবস্থাকে বলা হয় সেনসোরি মিসম্যাচ। আমরা যখন পেছনের আসনে বসে থাকি, তখন মনে হয় গাড়িটার গতি বেড়ে গেছে। কিন্তু চোখ দেখে সামনের আসনটা অনড়, গতিহীন। গতির কারণে আমাদের গা গুলায় না, গন্ডগোলটা বাধে আমাদের ভিশন সিস্টেমে। মোটকথা, আমরা গতি অনুভব করি, কিন্তু চোখে দেখতে পাই না। ফলে মোশন সিকনেসে আক্রান্ত হই।কিন্তু এই সমস্যা থেকে কী করে রেহাই পাওয়া যাবে? জানুন…১) সব সময় জানালার পাসের সিটে বসার চেষ্টা করুন। বাইরের বাতাস ভিতরে আসতে দিন।২) যেদিকে গাড়ি চলছে সেই দিকে পেছন করে বসবেন না। ৩) যেদিন ঘুরতে যাবেন তার আগের দিন রাতে ভালোভাবে ঘুমোবেন।৪) চলন্ত গাড়িতে বই ও ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।বার্ড ফ্লুর ভয়ে ডিম বা চিকেন খাওয়া বন্ধ করছেন? FSSAI-র গাইডলাইন কী বলছে? দেখে নিন…৫) আদা খাবার হজমে সাহায্য করে। তাই গাড়িতে ওঠার আগে মুখে ছোট এক টুকরো আদা নিয়ে নিন। ৬) টক জাতিয় ফল বেশি করে খেলে বমির ভাব দূর হয়ে। এছাড়াও লেবু পাতার গন্ধ দূর করে বমির ভাব।৭) অ্যাসিডিটির সমস্যা থকলে পুদিনা পাতা খেতে পারেন।৮) বমি ভাব লাগলে এক টুকরো লবঙ্গ মুখে দিয়ে রাখুন।৯) বমি হলে দারুচিনি খেতে পারেন। ১০) চুইংগাম খেলে মুখ ও মন ব্যস্ত থাকে। তাই বমি ভাব আর আসে না। ১১) গাড়িতে সামনের দিকে বসার চেষ্টা করবেন।১২) গাড়িতে যাতায়াতের সময়ে অন্য বিষয় নিয়ে ভাবুন। চেষ্টা করুন যাঁদের সঙ্গে যাচ্ছেন তাঁদের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলার।১৩) গাড়িতে ওঠার আগে চিকিৎসকের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ খান। ১৪) ঘন ঘন ঘাড়ে, কানে জল দিন। সঙ্গে অবশ্যই একটি প্যাকেট রাখুন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

first vacation as a couple: সঙ্গীর সঙ্গে কেমন হবে Perfect Holiday? জেনে নিন কিছু জরুরি টিপস – tips for your first holiday together as a couple

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: বিয়ের পর কাজ আর ব্যস্ততার ফাঁকে নিজেদের মতো করে সময় কাটানোর সুযোগ পাননি। বিভিন্ন অনুষ্ঠান, আত্মীয়দের বাড়ি নিমন্ত্রণ এই নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। এরপর নতুন শহর, নতুন সংসার সব মিলিয়ে কাজের কোনও কমতি ছিল না। অনেকদিন পর দুজনে একটা ছুটির দিন পেয়েছেন। আর সেই দিনটা দুজনেই চান একদম নিজেদের মতো করে কাটাতে। কাজের ঝামেলা, সবকিছুর থেকে দূরে থাকতে চান। কিন্তু কীভাবে সারাদিন কাটাবেন তার ঠিকঠাক প্ল্যান করতে পারছেন না। আর তাই আমাদের তরফ থেকে কিছু টিপস রইল আপনাদেরই জন্য। তবে তার আগে মনে রাখতে হবে এদিন কিন্তু কোনও রকম ঝগড়া নয়। সেই সঙ্গে দুজনেই নিজের কাজ আর ঘর, ওয়ার্ড্রোব গোছাতে ব্যস্ত থাকবেন, এমনটা হলেও চলবে না। আগে থেকেই প্ল্যান করুনএকটা ছুটির দিন যখন একসঙ্গে পাওয়া গিয়েছে, তখন আগে থেকেই প্ল্যান করে রাখুন। এমন যেন না হয় যে, শেষ মুহূর্তে সব বাতিল করতে হল। সেই মতো মানসিক প্রস্তুতি রাখুন। এই দিনটায় শুধুই বাড়ির কাজ করে সময় নষ্ট করবেন না। বরং একসঙ্গে ওয়ার্ক আউট করুন, বাড়ি সুন্দর করে সাজিয়ে নিন, রান্না করুন, একসঙ্গে সিনেমা দেখুন। ইচ্ছে হলে লং ড্রাইভে যাবেন, নইলে বাড়িতে বসেই দুজনে পার্টি করুন। মোটকথা একসঙ্গে কোয়ালিটি সময় কাটান, গল্প করুন। সারপ্রাইজ বাতিল রাখুনমা-বাবাকে সারপ্রাইজ দিতে হবে বলে সঙ্গীর সঙ্গে পরিকল্পনা বাতিল নয়। কিংবা পরিবারের কোনও আত্মীয়, বন্ধুর বাড়ি যাওয়া নয়। সবার সঙ্গে কাটানোর মতো অনুষ্ঠান পরেও পাবেন। কিন্তু প্রথম হলিডে-টা দুজন একদম নিজেদের মতো করে কাটান। এতে সম্পর্ক ভালো থাকবে। প্রেম আর বিয়ের মধ্যে অনেক ফারাক রয়েছে। তাই জোর দিন বন্ডিংয়ে। কিছু বিধিনিষেধ অবশ্যই রাখুনযদি শ্বশুর, শাশুড়ি, স্বামী, ননদ নিয়ে আপনার যৌথ পরিবার হয়ে থাকে তাহলে কিছু বিষয় যেমন মাথায় রাখবেন তেমনই আপনাদের সম্পর্ক নিয়ে একটা গোলও সেট করবেন। এক্ষেত্রে স্বামী এবং স্ত্রী অবশ্যই একে অপরকে সার্পোট করবেন। বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার কিংবা শপিং করতে যাওয়ার জন্য আপনি অনেক সময় পাবেন। কিন্তু কিছু মুহূর্ত একেবারেই নিজেদের জন্য রাখুন। এই সময়টা নিজেদের মতো করে যে কাটাতে চান, তা আগেভাগেই শ্বশুর শাশুড়িকে জানিয়ে রাখুন। কী কী করবেন আগে থেকেই ঠিক করুনছুটির দিন মানেই নো ঝগড়া, শুধুই মজা আনন্দ এইসব। আর তাই কোনও গেমিং জোনে যদি যেতে চান কিংবা দুজনে মিলে কোথাও গিয়ে একটু ব্যাডমিন্টন খেলতে চান…এসব আগে থেকেই প্ল্যান করে রাখুন। আর হ্যাঁ, দুজন যদি দুজনকে সারপ্রাইজ কোনও উপহারও দিতে চান তার ব্যবস্থা আগেভাগে সেরে ফেলুন। সবরকম ভাবে নিজেদের ভালো রাখার চেষ্টা করুন। চলতে পারে গানবাজনাওকর্তা-গিন্নি দুজনেই বেশ গানবাজনায় পটু? অনেকদিন ধরে গিটারে ধূলো জমছে? তাহলে এই সুযোগে গিটারটা নামিয়ে ফেলুন। ছুটির দুপুরে হয়ে যাক জমজমাট একটা জ্যামিং সেশন। দুজনেই পছন্দমতো গান গাইতে পারেন। সেই সঙ্গে পছন্দের খাবারও অবশ্যই থাকুক। আর জ্যামিং বেশ ভালো রকম হলে ছোট্ট করে একটা ভিডিয়ো করে ফেলুন। পাঠিয়ে দিন কাছের লোকেদের। সবার কাছেই অনুপ্রেরণা হবে আপনাদের এই অভিনব আইডিয়া। সেই সঙ্গে সুন্দর সময়ও কাটবে।

Source link

Vidya Balan: ওজন কমাতে এই আজব কাজ করেছিলেন বিদ্যা বালন! চিকিৎসকের কাছে ছুটেছিল পরিবার… – vidya balan on fat-shaming and hormonal problems

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট থেকে বিদ্যা বালনের চেহারা রোগা নয়। বরং তাঁর শারীরিক গঠন মোটার দিকেই। তা নিয়ে কম সমালোচনা শুনতে হয়নি নায়িকাকে। এমনকি বলিউডে অভিনয় শুরু করার পরও তাঁকে চেহারা নিয়ে সমালোচনা শুনতে হয়েছে। একাধিকবার বডি শেমিংয়েরও শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। এর আগেও এ সব নিয়ে মুখ খুলেছেন নায়িকা। বিদ্যার কথায়, ‘যখন আমি কিশোরী ছিলাম, তখনই অনেকে আমায় বলতো এতো সুন্দর দেখতে, কিন্তু তুমি ওজন কেন কমাও না? এটা হয়তো বলা সহজ। রোগা হওয়ার জন্য আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন বহুবার আমি অনেক সময় উপোস করে থেকেছি, পাগলের মতো শরীরচর্চা করেছি। তবে কোনওকিছুতেই কিছু হতো না। এর প্রধান কারণ হল হরমোন। শরীরচর্চার কারণে হরণের সমস্যা হয়তো কিছুটা কমে তবে কিছুদিন পরেই আবার তা যে কে সেই’।বিদ্যার কথায়, ‘পরবর্তীকালে যখন কেউ আমায় শরীরচর্চার কথা বলো আমার ভীষণই রাগ হতো। লোকে কীভাবে বলতে পারে আমি শরীরচর্চা করি না। আমি যে রোগা হওয়ার জন্য কতটা পরিশ্রম করি, তা কি তাঁদের জানা আছে’? তবে, সেই সময় মানুষের কাছ থেকে প্রচুর ভালবাসা পেয়েছিলেন। তবে সে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকেরা তাকে বাধা দিতে শুরু করল কারণ আপনার চেহারাটি সুন্দর, তবে তিনি বেশি ওজনের। বিদ্যাও ভাবতে শুরু করেছিলেন যে তাঁর চলচ্চিত্রের ব্যর্থতার পিছনে একটি বড় কারণ তার স্থূলত্ব হতে পারে।বেশি জল খেলে অসুবিধা বেড়ে যেতবিদ্যার যখন ১৭ বছর বয়স ছিল একজন তাকে বলেছিল যে দিনে ১০ লিটার জল পান করে তবে তার ওজন হ্রাস পাবে। তারপর এটি যখন করতে শুরু করলেন তখন বমি বমি ভাব সমস্যা শুরু হল। পরিবারে সকলে উদ্বেগে পড়ে গিয়েছিলেন। আরও বাড়িয়ে তোলে এবং যখন বিদ্যা ওজন কমাতে তিনি কী করছেন বলেছিলেন, তখন তিনি তাকে একটি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। তারপরে, যখন তিনি এটি করা বন্ধ করলেন, তখন তার ওজন আবার বেড়ে যায়।হরমোন ভারসাম্যহীন সমস্যাবিদ্যার হরমোন ভারসাম্যহীনতার সমস্যা রয়েছে, যার কারণে তার ডায়েটিং বা ওয়ার্কআউট কোনও কারণই নয়, তার ওজন কমেনি। ২০১৯ সালে, বিদ্যা তার হরমোন পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি এখনও অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্নে বেঁচে আছেন, তখন তাঁর শরীরের প্রতি শ্রদ্ধা করতে শিখলেন। এর পর অনুশীলন বন্ধ করে দিয়ে চা খেতে শুরু করেন। বিদ্যার আরও একটি সমস্যা রয়েছেবিদ্যা অবসেসিভ কমপ্লেসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি) ছিল। যা মস্তিস্কে সেরোটোনিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের ঘাটতি, উত্তেজনা, কোনও কিছুর সংক্রমণ বা বংশগততা দ্বারা সৃষ্ট একটি মানসিক রোগ। বিদ্যা তাঁর অসুস্থতার কারণে সর্বদা চারপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করে এবং ধুলা এবং কাদা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। অ্যালার্জির সমস্যা হয়।বিদ্যা বালানের ডায়েটতাঁর সকাল শুরু হয় চা দিয়ে। মশলা চা খেতে তিনি বেশি পছন্দ করেন। এমনকি বাইরে শুটিং-এর সময় মশলা চা নিয়ে যেতে দেখা যায়। সবজি খেতে ভালোবাসেন। তৈলাক্ত এবং মশলাদার খাবার এড়িয়ে যান তিনি। ডায়েট সবুজ শাকসবজি দিয়ে পরিপূর্ণ করেন।সকালে: এক গ্লাস হালকা গরম জল, তারপরে এক কাপ মশলা চাব্রেকফাস্ট: ওটস, ইডলি, মুগ ডাল, একটি বাটি ফল (কলা, স্ট্রবেরি, বরই, পেঁপে এবং লিচি)মধ্যাহ্নভোজন এবং ডিনার: মসুর ডাল, রুটি এবং শাকসবজিসন্ধ্যা স্ন্যাক্স: ফলমূল, সাদায় তৈরি স্যান্ডউইচধ্যান করতে এবং হাসতে পছন্দ করেনবিদ্যার ব্যস্ততার নির্বিশেষে, তিনি সুস্থ ও ফিট থাকতে কমপক্ষে আট ঘন্টা ঘুমিয়ে নেন। এই অভিনেত্রী টান এবং চাপ থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। এই জন্য তিনি নিজেকে শান্ত রাখতে সর্বদা ধ্যান করতে ভালোবাসেন। হাসতেও তিনি খুব পছন্দ করেন। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত প্রশিক্ষকের কাছে সপ্তাহে ৪-৫ বার ওর্য়াকআউট করেন। যার মধ্যে ওজন, কার্ডিও এবং পেশী শক্তিশালী করার মতো অনুশীলন থাকে।

Source link