Category Archives: Lifestyle

From festivals in Florida to touring Dracula’s digs in Romania, we round up the best destinations to visit this October. As summer abandons Europe again this October, eke out the last of the rays and raves in Ibiza, where nightclubs will be going out with a bang for the winter break. When the party finally stops head to the island’s north.

weight loss tips in bengali: ‘রোজ সকালে এক কাপ গরম জলে আমলা জুস আর জিরে’, এক বছরেই কমল ২৭ কেজি ওজন! – weight loss story: “i have a hot cup of amla jeera water every morning”

হাইলাইটসছোট থেকেই আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে মজা করত। কিন্তু আমি ওসবে পাত্তা দিতাম না। এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ৩০ বছরের কৃতিকা মোটেই তার লুক নিয়ে চিন্তিত ছিল না। কিন্তু এটুকু জানত ভবিষ্যতেও তাকে সুস্থ থাকতে হবে। আর সুস্থ থাকতে হলে তাকে ওজন কমাতেই হবে। তবে জিমে যেতে আর পিৎজা বাদ দিয়ে স্যালাড খেতে মোটেই তার ভাল লাগত না। আর তাই বাড়িতে যোগা শুরু করেছিল। সেই সঙ্গে প্রতিদিন সকালে উঠে আমলা-জিরা জল খেতে শুরু করে। যখন শুরু করে তখন তার ওজন ছিল ৮০ কেজি। মাত্র অকবছরের মধ্যে ২৭ কেজি ঝরিয়ে ফেলেছে কৃতিকা। দেখে নিন কৃতিকা কী বলছেন। ছোট থেকেই আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে মজা করত। কিন্তু আমি ওসবে পাত্তা দিতাম না। আমি কিন্তু কত্থক শিল্পী। যদিও নিয়মিত নাচ করার পরও আমার ওজন একটুও কমেনি। আমি ভাবতাম আমার পক্ষে ওজন কমানো অসম্ভব। আমি এই নিয়েই খুশি থাকতাম। কিন্তু ২৫ বছর বয়সে এসে মনে হল আমি হাঁপিয়ে পড়ছি। ওজন বেশি হয়েছে বলে কোনও কাজ মন দিয়ে করতে পারছি না। এরপর ডায়েট শুরু করলাম। কিন্তু খেতে ভালোবাসি, তাই ওসব স্যালাড, স্যুপ খেয়ে থাকতে পারতাম না। ২০১৯- এ আমি ঠিক করলাম আমাকে যেভাবেই হোক রোগা হতেই হবে। এরপর আমি একবছরের চেষ্টায় ২৫ কেজি ওজন কমিয়ে ফেললাম। মনে রাখবেন আমি কিন্তু জিমে এক পয়সাও দিইনি। দিন শুরু করতাম এককাপ গরম জলে দুচামচ আমলা জুস আর জিরে পাউডার দিয়ে।ব্রেকফাস্টভেজিটেবল পোহা/ ডালিয়া / উপমা/ স্যান্ডউইচ/ পনির ভেজিটেবল স্যালাড/ ওটস / মুগ ডাল চিল্লা। বেলা ১১ টায় খেতাম- এককাপ গ্রিন টি। সঙ্গে একটা আমন্ড, একটা কিসমিস আর একটা আখরোট। লাঞ্চে খেতাম-দুটো রুটি, একবাটি সবজি, একবাটি টকদই আর স্যালাড। রাতে- স্যুপ বা ডালিয়ার খিচুড়ি। কোনও কোনওদিন মিক্সড স্যালাড। আগে যা ছিলেন পরে যা হয়েছে ওয়ার্ক আউট শুরু করতাম এককাপ ব্ল্যাক কফি দিয়ে। শেষ করে খেতাম কোনও একটা ফল। ফিটনেসের জন্য যা যা করতামভোর পাঁচটায় ঘুম থেরে ওঠা অভ্যেস করেছিলাম। এরপর যোগা করতাম। তারপর কার্ডিয়ো করতাম। এরপর প্রতিদিন পাঁচ কিলোমিটার হাঁটতাম। সেই সঙ্গে প্রচুর জল খেতাম। জল খেলে আমাদের দেহের ক্ষতিকর টক্সিন বাইরে বেরিয়ে আসে। এইভাবে একটা রুটিনে চলার পর আমি ভেতর থেকে এনার্জি পেতাম। আগের থেকে অনেক মনযোগ দিয়ে কাজ করতে পারতাম। আমি কিন্তু দ্রুত ওজন কমানোর কোনও ট্যাবলেট খাইনি। প্রতিদিনের এই আমলা-জিরা জলই আমায় এত সাহায্য করেছে। এতেই একবছরে ২৭ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলি। কৃতিকা কুনগেরের মতো ওজন কমাতে চান আপনিও? তাহলে দেখে নিন এই ডায়েট টিপস। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে

Source link

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও সপ্তাহে ক্লাস হবে ৩-৪ দিন: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, করো’না ভাই’রাসের দাপট কিছুটা কমলে খুলে দেয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে আগের মতো প্রতিদিন ক্লাস নেয়া হবে না। বুধবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি সংক্রান্ত ভা’র্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ছুটি আরও বাড়ানো হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। তবে আগের মতো শিক্ষার্থীদের পাঠদান দেয়া হবে না।সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস না নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সপ্তাহে ৩-৪ দিন ক্লাসে আসতে হবে শিক্ষার্থীদের। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী বছরের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস করানো হবেতিনি বলেন, আম’রা আগামী বছরের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নিতে চাই।যেহেতু করো’না পরিস্থিতির কারণে গত এক বছর তারা পিছিয়ে গেছে, এ জন্য ৩ মাসের একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে এ সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করে পরীক্ষা হবে। তবে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা হচ্ছে না। দুই-এক মাস হয়তো পেছাবে। এরমধ্যে ৩ মাসে যতটুকু পড়ানো হবে ততটুকু নিয়েই পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে সপ্তাহে ৬ দিন তাদের ক্লাস করানো হবে বলেও জানান তিনি।এ বছর স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তি করানো হবে। জনসমাগম যেন না হয় এজন্য অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি আবেদন করা হবে। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি ফি বাড়ানোর কোনও চিন্তাভাবনা নেই।আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তুলে ধ’রা হবে। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা হবে। পহেলা জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে বলে জানান দীপু মনি।।

তিন মাস ক্লাস করিয়ে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

তিনমাস ক্লাস করিয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, আম’রা আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা নিতে চাই। তিন মাসের ক্লাস নিয়ে পরীক্ষা হবে। তবে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা হচ্ছে না। দুই/এক মাস হয়তো পেছাবে।এরমধ্যে তিন মাসে যতটুকু পড়ানো হবে ততটুকু নিয়েই পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে সপ্তাহে ৬দিন তাদের ক্লাস করানো হবে বলেও জানান তিনি। আজ বুধবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে আয়োজিত ভা’র্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করো’নাভাই’রাসের প্রকোপ না কমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে করো’নাভাই’রাসের প্রকোপ বাড়ছে বলেই মনে হচ্ছে। এ অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাটা ঠিক হবে না। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানা যাবে না। এজন্য করো’নার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না বলেও জানান তিনি।এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে বলেন, বিশেষজ্ঞরা তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। এসএসসি ও জেএসসির রেজাল্ট নিয়েই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। তবে এসএসসির ফল ৭৫ শতাংশ এবং জেএসসি ২৫ শতাংশ গুরুত্ব পেতে পারে। এছাড়া সব বিষয়ে তো ক্লাস্টার করা যাবে না।তবে বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন। তার আলোকেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এসময় ডিসেম্বরের মধ্যেই এইচএসসির ফলাফ প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি। মাধ্যমিকে ভর্তির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে বিস্তারিত জানিয়ে দেয়া হবে।ইতিমধ্যে ভর্তির সময় চলে এসেছে। তবে চলতি বছর আগের নিয়মে ভর্তি সম্ভব নয়। এ বিষয়ে আম’রা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে তিনটি বিকল্প থেকে একটি বেছে নেয়া হয়েছেতিনি বলেন, আম’রা স্কুলে ভর্তির জন্য তিন বিকল্প নিয়ে কাজ করছি। এরমধ্যে প্রথমটি সরাসরি স্কুলে এনে ভর্তি করা। তবে এ ঝুঁ’কি নিতে চাচ্ছি না। এতে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব হবে। এমসিকিউ পদ্ধতির কথাও চিন্তা করেছি। দ্বিতীয় বিকল্প অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া, এটি করা গেলে নিরাপদ হবে। তবে সবার ডিভাইস নেই। আবার সংযোগের সমস্যা আছে।এজন্য আম’রা এটি শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তৃতীয়টি বিকল্পটি হলো লটারির মাধ্যমে ভর্তি। এবার লটারির মাধ্যমেই ভর্তি করা হবে। এবার ভাগ্যের উপর নির্ভর করতে হবে। যোগ্যতাভিত্তিক হবে না। এতে বড় ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হবে। নীতিমালায় ঢাকায় ক্যাচ’মেন্ট এরিয়া ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হবে।

Bridal makeup: ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট বুক করবেন? রইল ৬টি টিপস… – 6 things you must know before booking your bridal makeup artist

বিয়ের দিন সব মেয়েই চান তাঁকে সবচেয়ে সুন্দর দেখাক। আর তাই বেছে বুছে নিজের জন্য সেরা শাড়ি বা লেহঙ্গা, গয়না, ব্যাগ, জুতো এবং ডিজাইন করে মনের মতো ব্লাউজ বানান মেয়েরা। বিয়ের দিন কেমন সাজাবেন বা কেমন দেখতে লাগবে তাঁকে এই নিয়ে একবছরেরও বেশি সময় ধরে প্ল্যানিং করেন অনেকেই। বিয়ের সাজে যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে তাই চান সকলে। মুকুট ঠিকমতো পরা হল না, কিংবা লিপস্টিক লিপলাইন থেকে বেরিয়ে গেছে, শাড়ি অগছালো এমনটা কাম্য নয়। বিয়ে সকলের জীবনেই খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। হবু কনেরা তাই আগে থেকে শহরের সেরা মেকআপ আর্টিস্টদের বুক করে রাখেন তাঁর D-Day এর জন্য। সঠিক মেকআপ আর্টিস্ট নির্বাচন থেকে অন্যান্য মেকআপ টিপস, এমনকী কী কী প্রশ্ন আগেভাগেই করে নেবেন মেকআপ আর্টিস্টকে তাই রইল এই প্রতিবেদনে। বিয়ের দিন আপনি কীরকম লুক চাইছেন, আপনার অনুষ্ঠান কখন হচ্ছে, আপনার বাজেট, কেমন হেয়ার স্টাইল করবেন এইসবই কিন্তু মেকআপের মধ্যে। তাই জরুরি এই ৬টি টিপস মাথায় রাখুন। নিজে মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে কথা বলুনবাড়ির অন্য কেউ ন, যাঁর বিয়ে তাঁকে নিজেকেই মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে দেখা করতে হবে। এমনকী সেদিন তিনি কেমন সাজতে চান, কী রঙের শাড়ি পরবেন, কী ফুল মাথায় লাগাবেন, গয়না কেমন থাকবে সবই আগে থেকে কথা বলে নিন। নিজে মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে দেখা করলে স্কিনটোন এবং আপনি কি চাইছেন তা স্পষ্ট করে বলে দিন। আপনার লুক কেমন হবে তার কোনও স্যাম্পেল ছবি থাকলে নিয়ে যান। তবে মেকআপ আর্টিস্ট দক্ষ হলে তিনি নিজেই আপনাকে সবটা করে দেবেন। সবাইকেই যে একরকম দেখতে লাগবে তা কখনই নয়। প্রয়োজনে একবার ট্রায়াল দিতে পারেন। একবার ট্রায়াল দিয়ে নিনবিয়ের দিন কেমন শাড়ি, গয়না পরতে চান, কেমন মেকআপ চান এটা একবার ট্রায়াল দিয়ে নিতে পারলে খুব ভালো। তাহলে আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন, সেইমতো কেনাকাটা করতে পারবেন। এ বিষয়ে মেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে বুকিং এর আগেই কথা বলে নেবেন। মেকআপ আর্টিস্টের সোশ্যাল হ্যান্ডেলমেকআপ আর্টিস্টের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ট্যইটার যাবতীয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম খুব ভালো করে দেখে নেবেন। সম্প্রতি তিনি কেমন কাজ করেছেন, তার ছবি, ফিডব্যাক এসব। এখান থেকেই আপনি প্রাথমিক ধারণা পেয়ে যাবেন। সাজানোর ধরন, হেয়ার স্টাইল, গয়না, আই মেকআপ একটা সম্যক ধারণা হবে। কত বছর ধরে মেকআপ আর্টিস্ট কাজ করছেন তাও জানতে পারবেন। সঙ্গে কে কে থাকবেনমেকআপ আর্টিস্টের সঙ্গে কতজন থাকবেন তাও কথা বলে নিন। সাধারণতলএকজন হেয়ারের জন্য থাকেন। একজন থাকে শাড়ি ড্রেপ করার জন্য। এছাড়াও মেকআপ আর্টিস্টের কোনও অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকতে পারেন। মহামারীর সময়ে এই বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখুন। মেকআপ আর্টিস্ট যাতে মাস্ক পরেই মেকআপ করেন তাও খেয়াল রাখুন। মেকআপ আর্টিস্টের স্টুডিয়োতে মেকআপ করবেন নাকি তিনি আসবেন, এই বিষয়ও মাথায় রাখুন। সময় নিয়ে কথা বলা জরুরিএমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই যে ওই দিন শুধু আপনারই বিয়ে। এক একটি বিয়ের দিনে মেকআপ আর্টিস্টদের কাছে মিনিমাম পাঁচটি বুকিং থাকে। তাই কোন সময়ে আপনি যাবেন তা কথা বলে রাখুন। ব্রাইডাল মেকআপে তিন ঘন্টা অন্তত হাতে রাখবেন। আপনাকে সময়ে রেডি করে দেওয়ার দায়িত্ব মেকআপ আর্টিস্টের। তাই অযথা বিয়ের দিন তাঁকে ফোন করে বিরক্ত করবেন না। বাজেট নিয়ে প্রথমেই কথা বলুনআপনার বাজেট অনুযায়ী মেকআপ আর্টিস্ট বুক করুন। এমনকী তিনি কতটা অ্যাডভ্যান্স নেবেন, কীভাবে বাকি টাকা দেবেন এসব কথা বলে রাখুন। আপনার সঙ্গে অতিরিক্ত কেউ সাজতে চাইলে কত নেবেন তাও কথা বলে রাখুন। টাকাপয়সা নিয়ে যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। মনে রাখবেন মানুষের সঙ্গে সম্পর্কটাই আসল। তাই মেকআপ আর্টিস্টের প্রাপ্য টাকা অবশ্যই মিটিয়ে দেবেন।

Source link

শি’খে নিন নিজেকে স্মার্ট করে তোলার ৭টি সহজ কৌ’শল

আপনি দে’খতে-শুনতে যথেষ্ট ভালো, পোশাক-আশাকও ফ্যাশনের পরেন, তবুও কি আপনাকে সবাই আনস্মা’র্ট বলে? আপনার সামনে কেউ কিছু না বললেও আপনার আড়ালে কি আপনাকে নিয়ে সবাই হাসাহাসি করে? অথবা ‘খ্যা’ত’ বলে ডাকে?সবকটি প্রশ্নের জবাব যদি হ্যা হয়, তাহলে বুঝতে হবে, আপনার নিজেকে উপস্থাপনে কমতি রয়েছে। স্মা’র্টনেস মানেই দে’খতে ভালো লা’গা বা ট্রে’ন্ডি পোশাক পরা নয়। স্মা’র্টনেস হলো অভ্যন্তরীণ মা’নসিক ব্যাপার। আপনি যা, নিজেকে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করা হলো স্মা’র্টনেস। ঠিক কী’ভাবে নিজেকে সবার কাছে উপস্থাপন করবেন তা যদি বুঝে উঠতে না পারেন, তাহলে নিজে’র মধ্যে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তন নিয়ে আসুন।কিছু ক্ষেত্রে হয়ে উঠুন কৌ’শলী। খুব সাধারণ কিছু কৌ’শল অবলম্বন করে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন স্মা’র্টনেসের অধিকারী। ১) কথা বলুন বুঝেশুনে: আপনার কি অনেক কথা বলার অভ্যাস? তাহলে বাড়তি কথা বলা একটু কমিয়ে দিন। যতটুকু প্রয়োজন কথা ঠিক ততটুকু বলার অভ্যাস করুন। কখন, কোথায়, কী’ বলতে হবে তা বোঝার চেষ্টা করুন। কথা বলুন বুঝেশুনে এবং গু’ছিয়ে।আপনি কী’ বলতে চাইছেন তা যেন আপনার বক্তব্যে পরি’ষ্কার বোঝা যায়। ২) খাবার খান নিঃশ’ব্দে আস্তে আস্তে: যাঁরা শব্দ করে খাবার খান তাঁদের কেউ পছন্দ করে না। সকলেই তাঁদের দিকে বির’ক্তির চোখে তাকায়। নিঃশ’ব্দে খাবার অভ্যাস করুন। খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান, এতে শব্দ কম হবে। খাবার সময় যতটা সম্ভব কম কথা বলুন।৩) পোশাক পরুন রু’চিশীল: হালফ্যা’শনের বা ট্রে’ন্ডি পোশাক পরা মানেই স্মা’র্ট (smart) হওয়া নয়। আপনাকে পোশাকটা আদতে মানাচ্ছে কি না, সেটাই হলো আ’সল কথা। পোশাক-আশাক যদি ঠিকমতো নির্বাচন না ক’রতে পারেন তাহলে আপনার স্মা’র্টনেস অনেকাংশেই মা’র খেয়ে যাবে। তাই পোশাক পরুন নিজে’র ব্য’ক্তিত্ব অনুযায়ী।৪) হা’লফ্যাশনের পোশাক নিয়ে দ্বি’ধা-দ্ব’ন্দ্ব থাকলে বেছে নিন ট্র্যা’ডিশনাল বা সব সময়েই যেসব পোশাকের চল থাকে, সেই পোশাকগুলো। যেমন শাড়ি, সাধারণ ছাঁ’টের সালোয়ার-কা’মিজ, স্কার্ট, ফ’র্মাল শা’র্ট, প্যা’ন্ট, স্ট্রে’ইট কা’টের জিন্স, পোলো টিশার্ট ইত্যাদি। কী’ রঙের পোশাক বেছে নেবেন তা বুঝতে না পারলে পরুন হালকা যেকোনো রঙের পোশাক। হালকা রং সবাইকেই মানিয়ে যায়।৫) খাবার খাওয়ার রীতিনীতি: খাবার খাওয়ারও কিছু নিয়ম-কানুন আছে সেগুলো শিখে নিন। যেমন চামচ, কাঁ’টা চা’মচ, ছু’রি ব্যবহারের নিয়ম, ন্যা’পকিন ব্যবহারের নিয়ম, কোনটার পরে কী’ খেতে হয় ইত্যাদি। আপনার খাবার ধ’রণ আপনার স্মা’র্টনেস বাড়িয়ে তুলবে বহু গু’ণ।৬) নূন্যতম সৌ’জন্যতাবোধ: সব জায়গাতেই কিছু ন্যূনতম সৌজন্যতা মেনে চলা উচিত। এতে যেমন বু’দ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তেমনি স্মা’র্টনেসেরও পরিচয় পাওয়া যায়। যেমন খুব জো’রে জো’রে কথা বলবেন না। বিশেষ করে ক’র্মক্ষেত্রে। ধুপধাপ পা ফে’লে না হেঁ’টে নিঃ’শব্দে হাঁটার চেষ্টা করুন। কারো সাহায্য নেবার পর ধন্যবাদ জা’নানোও কিন্তু সৌজন্যতাবোধের মধ্যে প’ড়ে। কাউকে বির’ক্ত করলে ‘দুঃখিত’ বলুন। এগুলো খুবই ফর্মাল আচরণ মনে হলেও সৌজন্যতাবোধের বহিঃপ্র’কাশও বটে!৭) হেসে হেসে সুন্দর করে কথা বলুন: হেসে, সুন্দর করে কথা বলাও স্মা’র্টনেসের পরিচায়ক। তাই বলে কথায় কথায় হো হো করে হাসবেন না যেন! এটাও শোভন নয়। স্মিতহাস্যে কথা বলুন সবার সাথে। মানুষটি যদি বির’ক্তিকরও হয়, আপনার কথা শুনে সে যেন আপনার বির’ক্তিটুকু ধ’রতে না পারে। মোট কথা, আপনার সাথে কথা বলে যেন কারো মনে না হয় আপনি রূঢ় আচরণ করছেন।৮) ভালো ব্যবহার করুন: যেকোনো পরিবেশে মানিয়ে চলাটাই স্মা’র্টনেসের (smartness) অন্যতম পরিচায়ক। আপনার মনের অবস্থা যদি খা’রাপও হয়, ভালো ব্যবহার করুন সবার সাথে। অল্পতেই বির’ক্ত হবেন না বা রে’গে যাবেন না। ধৈ’র্য ধ’রে ধীরস্থির ভাবে সবার সাথে ভালো ব্যবহার করে যান। প্রতিটা সময় ভালো আচরণ আপনাকে গড়ে তুলবে একজন স্মা’র্ট মানুষ হিসেবে।

মিমির যে ছবি দেখে নিজেকে সামলাতে পারলেন না এই তারকা

চলতি বছরে নিত্য নতু’ন রূপে ধ’রা দি’চ্ছেন টা’লিপাড়ার এই তা’রকা সাংসদ। একদি’কে যেমন অ’ভিনয় করছে সের’কমই আ’বার শুটিং’য়ের কাজও সাম’লা’চ্ছেন। তবে এই ব্য’স্ততার মা’ঝেই চু’ই’য়ে পড়ছে ‘তার ‘গ্ল্যামা’র।এখনও বুঝ’তে পা’রেননি এ’খানে কার কথা হচ্ছে? টালিপা’ড়ার তারকা সাংসদ আর কে’ইবা হতে পারে মি’মি চক্রব’র্তী ছাড়া।যত দিন যা’চ্ছে ত’তই যেন মিমি’র সৌ’ন্দর্য বে’ড়েই চ’লেছে। সো’শ্যাল মি’ডিয়া কাঁপা’তে মা’ঝেম’ধ্যেই হট অবতারে অ’ব’তীর্ণ হন মিমি। এবার হট মিমি’কে দেখে ঘা’ম ঝর’ছে কোন পু’রুষের নয় বরং এক না’রীর। জানেন সে কে?বর্তমা’নে মিমি ব্যস্ত ‘বা’জি’ ছবির শ্যু’টিং নিয়ে। কিছুদি’ন আগে’ই ছবির শু’টিং’য়ের জন্য লন্ডন পাড়ি’ দি’য়েছিলেন অ’ভি’নেত্রী। লন্ড’নে শুটিং ক’রতে গিয়ে সেখা’নের পরি’বে’শের সঙ্গে মিশে ছবি তুল’বেন না এটা কি হয়। কা’রণ তা’রকা সাং’সদ মিমি পা’র্টির ‘কাজ অ’ভি’নয়ের পা’শা’পাশি সো’শ্যাল মি’ডি’য়াতেও বেশ অ্যা’ক্টিভ।মা’ঝেম’ধ্যেই নি’ত্যন’তুন ছ’বি ভিডিও পোস্ট করে ‘নুরা’গীদে’র এ’ন্টারটেইন করেন অ’ভি’নেত্রী। আর তাই ল’ন্ডনে গিয়ে’ও সেখান’কার মু’হূ’র্ত ধরে রাখ’লেন মিমি। লন্ডনে থা’কা’কালীন একা’ধিক ভিডিও ছবি শেয়ার করে’ছিলনে অ’ভিনেত্রী। তারই মধ্যে মি’মির একটি ছবি দেখে ফিদা টালি’পাড়া’রই এক তারকা। সেই তা’রকা ছে’লে নয় বরং মে’য়ে।সো’শ্যাল মিডি’য়ায় একটি ছবি ভাই’রাল হ’য়েছে সেখানে মি’মিকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে শ্যুটিং সেটে চে’য়ারে বসে রোদ পো’য়াচ্ছেন। কা’লার্স চু’লে হাত বো’লাতে বো’লাতে দীর্ঘ ভাব’নায় ম’গ্ন তা’রকা সাংসদ।ছবি পোস্ট করে ক্যাপশ’নে লিখেছি’লেন, ‘শী’তের সকাল থেকে ফি’রে’দেখা’। ‘শ্যুটিংয়ে’র ফাঁ’কে অ’ভিনে’ত্রীর এই ক্যা’নডিড ছবি দেখে পাগল হয়েছেন টলিপাড়ার অ’ভি’নেত্রী সৌ’রসে’নী মৈত্র। অ’ভি’নেত্রীর ছবি দেখে সৌর’সেনী ক’মেন্ট ক’রেছেন ‘স’কাল তো ঠা’ন্ডা, কিন্তু তুমি তো ফুল অন হট’। এটা বলতেই হয় শুধু পু’রুষ নয় মিমির রু’পে পা’গল হয় নারী’রাও।কিছু’দিন আগেই’জলপাই’গু’ড়িতে গিয়ে’ছিলেন মি’মি৷ নিজের বাড়ি, নিজের শহরে, নিজের মানু’ষদের সঙ্গে সময় কা’টানোর জন্য৷ নিজের মতো করে সময় কা’টা’নোর মাঝে’ই ছো’টবে’লার স্মৃ’তিতে পা ভেজা’তে দেখা গি’য়েছিল মিমি চক্রবর্তী’কে।

dry lips care: ঠোঁটটা কি সারাক্ষণ শুষ্ক লাগছে? সমাধান এই ঘরোয়া টোটকাতেই! – home remedies to get rid of chapped lips naturally

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনার ত্বক কি সেনসিটিভ? অথবা শুষ্ক। হয়তো তৈলাক্ত আপনার ত্বক। যে ধরনই হোক না কেন, ঠোঁট ফাটার সমস্যায় ভুগতে হয় প্রায় প্রত্যেককে। তার মধ্যে শীতকাল আসা মানেই শুষ্ক ত্বক, ঠোঁট ফাটা, খুশকি প্রভৃতির সমস্যা। শীতকাল আসলেই সারাক্ষণ ঠোঁটটা শুকনো হয়ে যাকে। বারবার লিপ-বাম জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে হয়। এগুলি আমাদের ঠোঁটকে সাময়িক স্বস্তি দেয় ঠিকই। কিন্তু স্থায়ী স্বস্তি দেয় না। অথচ শীতকালের এই শুষ্ক ঠোঁটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার বহু উপায় বাড়িতেই রয়েছে। কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে ফাটা ঠোঁট (Chapped Lips Home Remedies) সারিয়ে তুলতে পারেন জানুন…নারকেল তেলনারকেল তেলে প্রচুর পরিমানে ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তাই ঠোঁটকে শুষ্কতার হাত থেকে বাঁচাতে প্রত্যেকদিন ঠোঁটে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, ক্যারিয়ার অয়েল প্রাকৃতিক ভাবে ময়শ্চারাইজারের কাজ করে। এগুলির মধ্যে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। যা ত্বককে আর্দ্র করে। ঠোঁটকে নরম ও কোমন করতে সাহায়্য করে। এর মধ্যে টিট্রি অয়েল বা গ্রাপিসড অয়েল যোগ করে নেওয়া যায়। যা ফাটা ঠোঁটের উপকার করবে। ফাটা ঠোঁট থেকে অনেক সময় সংক্রমণের ভয় থাকে। এ সব প্রাকৃতিক তেল সেই সব সংক্রমণকেও রোধ করতে পারে।

উপকরণ: খাঁটি নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, আলামন্ড অয়েল অথবা জোজোবা অয়েল। চাইলে ব্যবহার করতে পারে টিট্রি অয়েল, গ্রাপিসড অয়েল অথবা নিমের তেল। প্রণালী: অন্তত তিন রকমের তেল কিনে রাখুন। একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে নিন। ফাটা (Chapped Lips) দূর হবে। দিনে অন্তত তিন বার করে ঠোঁটে লাগাতে পারেন এই তেলের মিশ্রণ। রাতে ঠোঁটে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে ভাল করে ধুয়ে নিন।মধুআমরা সকলেই জানি যে মধু খুবই ভালো অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াজাত পদার্থ। এবং ভ্যাসলিন বা পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বককে কোমল করতে সাহায্য করে, ত্বকের শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে রোধ করে। এই দুটো জিনিস যদি একসঙ্গে ঠোঁটে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা ঠোঁটের জন্য উপকারীও হবে আবার ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকেও রেহাই মিলবে। মধু প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। আর ভেসলিন অর্থাৎ পেট্রোলিয়াম জেলি ঠোঁট নরম রাখতে অনেকেই ব্যবহার করেন। আসলে এই দুটি উপাদানই প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজারের কাজ করে। কখনও দুটি একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করেছেন? ফাটা ঠোঁটের জন্য বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন এই চটজলদি সমাধান। প্রথমে ঠোঁটে মধু লাগিয়ে নিন। একটা পাতলা স্তর বা আস্তরণ তৈরি হবে। তার উপর দিয়ে ভেসলিনের একটা স্তর তৈরি করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট এই দুই উপাদান ফাটা ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে হবে। এবার টিস্যু বা পাতলা কাপড়ের সাহায্যে ঠোঁটের ওই আস্তরণ তুলে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে এই দুই উপাদান ঠোঁটে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনার ফাটা ঠোঁটের সমস্যার ম্যাজিকের মতো সমাধান হবে।শশাগরম কালে শশা রূপচর্চার ক্ষেত্রে আপনার প্রিয় বন্ধু হতে পারে। শুষ্ক এবং ফাটা ঠোঁটের সমস্যায় এর থেকে ভাল প্রাকৃতিক ওষুধ আর হয় না। ত্বককে নরম এবং কোমল করে তুলতেও এর জুরি মেলা ভার। উপকরণ: টুকরো করে কেটে নেওয়া ফ্রেশ শশা।

প্রণালী: দুই থেকে তিন মিনিট ধরে শশার টুকরো ঠোঁটের উপর ঘষতে থাকুন। কিছুক্ষণ পরে আগে থেকে তৈরি করে রাখা শশার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রেখে দিন অন্তত ১০ মিনিট। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। শশার রস না লাগিয়ে শশা চটকে নিয়ে প্যাক তৈরি করেও লাগাতে পারেন। প্রতিদিন অন্তত একবার করে এই টোটকা ব্যবহার করলেই দূর হবে ফাটা ঠোঁটের সমস্যা।অ্যালোভেরাঅ্যালোভেরার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের মরা কোষ দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকে ঠাণ্ডা ভাবও বজায় রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা। উপকরণ: অ্যালোভেরা পাতা জোগাড় করতে হবে। প্রণালী: অ্যালোভেরা পাতা কেটে নিয়ে তার ভিতরে থাকা জেল বের করে এতটি পাত্রে রাখতে হবে। ওই জেল রাতে ঘুমতো যাওয়ার আগে ঠোঁটে (Home Remedies) লাগিয়ে রাখুন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। একটি পাত্রে ওই জেল ফ্রিজে রাখতে পারেন। প্রতিদিন রাতেই এটা ব্যবহার করলে ফাটা ঠোঁটের সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি মিলবে। প্রচুর পরিমাণে জল খান। এতে করে ঠোঁটের ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকবে আর আপনি ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি পাবেন।গ্রিন টি ব্যাগগ্রিন টি-র মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। গবেষণায় দেখা গিয়েছে ফাটা ঠোঁটের সমস্যার সমাধানে এটি অত্যন্ত জরুরি উপাদান। ত্বকের শুষ্কতা দূর করতেও (Chapped Lips Remedy) গ্রিন টি ব্যাগ অত্যন্ত উপকারী। উপকরণ: একটি গ্রিন টি ব্যাগ, এক কাপ গরম জল। প্রণালী: গরম জলে গ্রিন টি ব্যাগটি কয়েক মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এরপর ওই টি ব্যাগটি সরাসরি ফাটা ঠোঁটে লাগিয়ে নিন। কয়েক মিনিট রেখে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে এটা করতে পারেন। ফাটা ঠোঁটের সমস্যা মিটবে। যাদের ঠোঁট ভীষণ শুকিয়ে যায় তাদের একটি বদ অভ্যাস তৈরি হয়। যা হল খানিকক্ষণ পর পর জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো। অনেকে ভাবেন এটি করলে ঠোঁট শুকোবে না। কিন্তু এতে ঠোঁট আরও বেশি শুকিয়ে যায় এবং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন।

Source link

weight loss drink: জাদু আছে জুসে, ওজন কমাবে বিট! জানুন কীভাবে… – beetroot juice – a potent weight loss drink that can help lower blood pressure, boost immunity

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একটু ওজন ঝরানোর (weight loss) জন্য কত কসরতই না করতে হয়। সকালে উঠে হাঁটা, তারপর সুযোগ হলে জিম, জীবন থেকে ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট একেবারে বাদ দেওয়া আরও কত কিছু। অনেকেই আবার এই রুটিন একমায় মেনে চললেই হাঁপিয়ে যান। তখন মনে হয়, ফাইবার, মিনারেলস আর ভিটামিন আর কতদিন! এই ঠান্ডার নানা রঙের কত সবজি বাজারে। কিন্তু সুগার হতে পারে এই ভয়ে মাটির নীচের সবজি বাদ দিয়েছেন তালিকা থেকে। অযথা ভয় না পেয়ে নির্ভয়ে খান। বিট-গাজরের জুস বা বিটের সঙ্গে আপেল বেদানার জুস বানিয়ে খান। শরীরের ডিটক্সিফিকেশন হবে। তাতে কমবে ওজন, ত্বকে আসবে ঔজ্বল্য। এছাড়াও এখন বাজারে বিটের জ্যাম পাওয়া যায়। তারমধ্যেও কিন্তু ভিটামিন থাকে। বিট এমন একটা খাবার যা সহজে কেউ পছন্দ করে না। আর ওজন কমানোর বিষয়ে যে এভাবে বিট কাজে আসতে পারে, তা অনেকেরই অজানা।তবে শুধু ওজন কমানোই নয়। নিয়মিত বিট খেলে আরও উপকার পেতে পারেন। বিট খেলে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই রোজ গরম গরম এক বাটি বিটের স্যুপ খেলেই সুস্থ থাকতে পারবেন। এছাড়াও বেশ কিছু রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে এই সবজি। শরীরকে তরতাজা ও শক্তিশালী রাখতে এই খাবারের জুড়ি মেলা ভার। হজমে সাহায্য করতেও সক্ষম বিট। শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয় বিট। ফলে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর ক্যালরি কম থাকায় পেট ভরানোর জন্য খেতেই পারেন বিটের তরকারি। বিটের জুসচটজলদি ওজন কমাতে কেন বিটের জুস খাবেন তা একবার দেখে নিনবিটের জুসে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল আর ভিটামিন থাকে। এছাড়াও ফাইবার থাকে। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও ১০০ এম এল বিটের জুসে ক্যালোরির পরিমাণ ৩৫। বিটের সঙ্গে গাজর, আপেল, টমেটো এবং বেদানার জুস মিশিয়ে নিন। তাহলে তার পুষ্টিগুণ হবে অনেক বেশি এবং ওজনও ঝরবে তাড়াতাড়ি।যেভাবে বানাবেনবিট-গাজরের জুস বিট ওগাজর ভালো করে কুচিয়ে নিয়ে একবার মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। এবার ওর সঙ্গে আধ কাপ জল, ৫ চামচ লেবুর রস, একচিমটে নুন ও পুদিনা পাতা যোগ করে একগ্লাস খান।বিট-আপেল জুসএকটি আপেলের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে টুকরো করে নিন। এবার মিক্সিতে আপেল, বিট, গোলমরিচ, নুন দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। উপর থেকে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খান।বিট-বেদানা জুসবিট কুচনো ২ কাপ এবং বেদানা এককাপ নিয়ে ওর সঙ্গে লেবুর রস ও গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার খালি পেটে দুগ্লাস খান।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

করো'না বিস্তারে দায়ী কে?

শীতের সঙ্গে করো’নার স’ম্পর্ক রয়েছে, এমন কোন বৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। কিন্তু ঠাণ্ডার সঙ্গে এই ভাই’রাসের অন্য গোত্রগুলোর (সর্দি ও কাশি) স’ম্পর্ক রয়েছে। তবে করো’নার বিস্তারে ঠাণ্ডা বেশি দায়ী নাকি মানুষের আচরণ- এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো দ্বিমত রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছে, একেক দেশে করো’নার একেক রকম আচরণ দেখা যাচ্ছে। তাই শুধু আবহাওয়া নয়, সেখানকার …
The post করো'না বিস্তারে দায়ী কে? appeared first on Daily Songbad.

জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীদের কার গ্রামের বাড়ি কোথায়?

আমাদের দেশে এমন অনেক বিখ্যাত অ’ভিনেত্রী রয়েছেন যাদের এখন আর মিডিয়ায় দেখা যায় না। এরমধ্যে অনেকেরই আবার খুব কম সংখ্যক দেখা মেলে। অথচ একময় তারাই তাদের অ’ভিনয় ও রূপের জাদুতে মুগ্ধ করেছিল গোটা বাঙালি দর্শকদের।অনেকেই হয়তো জানেন না যাদের দক্ষ অ’ভিনয় আমাদের মুগ্ধ করেছে তাদের গ্রামের বাড়ি কোথায়। চলুন তবে আজ জেনে নেয়া যাক দর্শকদের হৃদয়কাড়া বিখ্যাত অ’ভিনেত্রীদের গ্রামের বাড়ি স’ম্পর্কে-শাবনাজ: সুন্দরী এই অ’ভিনেত্রী সর্বপ্রথম ‘চাঁদনী’ ছবিতে অ’ভিনয়ের মাধ্যমে রুপালি জগতে পা রাখেন। ের পর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক হিট ছবি ভক্তদের উপহার দিয়েছেন এই অ’ভিনেত্রী। যা তাকে খ্যাতির চূড়ায় নিয়ে যায়। শাবনাজের গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকা জে’লায়।মৌসুমি: ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের দর্শকদের মন জয় করে আসছেন মৌসুমি। বর্তমানে তিনি খুব বেশি ছবি না করলেও, বছরে ভালো কিছু গল্পের ছবিতে তাকে অ’ভিনয় করতে দেখা যায়। মৌসুমির গ্রামের বাড়ি খুলনা জে’লায়।রোজিনা: বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অ’ভিনেত্রী রোজিনা। ১৯৭৬ সালে ‘রাজমহল’ সিনেমা’র মাধ্যমে তিনি প্রথম অ’ভিনয় জগতে পা রাখেন। ছবিটিতে তিনি নায়িকার ভূমিকায় অ’ভিনয় করেন। যা দর্শকদের খুব সহ’জেই মন ছুঁয়ে যায়। এরপর তার আর তাকে ফিরে দেখতে হয়নি। রোজিনার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ি জে’লার গোয়ালন্দে।শাবনূর: এক সময়ের পর্দা কাঁপানো নায়িকা শাবনূর। যাকে এখন আর বড় পর্দায় দেখা যায় না। প্রায় পাঁচ বছর হলো অ’ভিনয় থেকে দূরে আছেন তিনি। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করছেন এই অ’ভিনেত্রী। শাবনূরের গ্রামের বাড়ি যশোর জে’লায়।সুচরিতা: ১৯৬৯ সালে শি’শুশিল্পী হিসেবে ‘বাবু’ ছবিতে অ’ভিনয় করেন সুচরিতা। তবে নায়িকা হিসেবে প্রথম অ’ভিনয় করেন ১৯৭২ সালে ‘স্বীকৃতি’ ছবিতে। প্রথম দিকে তিনি খুব একটা সফল না হলেও, পরবর্তীতে খুব ভালো জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সঙ্গে প্রথম শ্রেনির নায়িকা হিসেবে জায়গা করে নেন। সুচরিতার গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকা জে’লায়।চ’ম্পা: বাংলাদেশের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা চ’ম্পা। ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি মডেলিং ও টিভি নাট’কে অ’ভিনয় করতেন। তবে শি’বলি সাদিক পরিচালিত ‘তিন কন্যা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে আগমন ঘটে তার। ১২ বছরের ক্যারিয়ারে প্রায় ১০০ এর বেশি ছবিতে অ’ভিনয় করেছেন তিনি। চ’ম্পার গ্রামের বাড়ি যশোর জে’লার বিজয় নগরে।অঞ্জু ঘোষ: বাংলা চলচ্চিত্রের একজন বিখ্যাত অ’ভিনেত্রী অঞ্জু ঘোষ। তিনি ভা’রত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে ৬টি ভাষার ওপর মোট ৩০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অ’ভিনয় করেছেন। তবে ‘বেদের মে’য়ে জোছনা’ ছবির মাধ্যকে তিনি সবচেয়ে বেশি খ্যাতি অর্জন করেন। জনপ্রিয় এই অ’ভিনেত্রীর গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জে’লার ভাঙ্গা উপজে’লায়।দিতি: বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়কার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পারভিন সুলতানা দিতি। ১৯৮৪ সালে নতুন মুখের মাধ্যমে দেশ ও চলচ্চিত্রে তার সম্পৃক্ততা ঘটে। ৩১ বছরের অ’ভিনয় জীবনে প্রায় দুই শতাধিক ছবিতে কাজ করেছিলেন প্রয়াত এই অ’ভিনেত্রী। দিতির গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জে’লায়।ববিতা: বাংলা চলচ্চিত্র জগতের একজন আদর্শ মানুষের পুর্নাজ্ঞ প্রতিচ্ছবি ববতা। ১৯৬৯ সালের জহির রায়হানের ‘জলটা সুরাজ কে নিচে’ ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় অ’ভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে প্রথম অ’ভিষেক ঘটে তার। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী সিনেমা। ববিতার গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের বাগেরহাট জে’লায়।শাবানা: বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সোনালি দিনের প্রথম সারির নায়িকা সাবানা। যিনি তার সুনিপুণ অ’ভিনয়ের মাধ্যমে জয় করেছিলেন কোটি কোটি দর্শকদের মন। মাত্র আট বছর বয়সে ‘নতুন সুর’ নামক ছবিতে শি’শুশিল্পী হিসেবে অ’ভিনয় করেন। তবে ‘চকোরী’ নামক সিনেমা দিয়ে নায়িকা হিসেবে আবির্ভাব ঘটে তার। তিনি অ’ভিনয় করেছেন প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে। কিংবদন্তি এই অ’ভিনেত্রীর গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জে’লার রাউজান উপজে’লায়।