ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিলেন ভারতের নারী ক্রিকেটাররা। দুর্দান্ত দাপট দেখিয়ে চলে গিয়েছিলেন ফাইনালে। শিরোপা জয়ের অন্তিম লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারলেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেত মিথিলা রাজের দল। সে লক্ষ্যে বেশ খানিকটা এগিয়েও গিয়েছিল ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ৯ রানে হারের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ভারতকে। চতুর্থবারের মতো শিরোপা জিতে নিয়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড।

লর্ডসে শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে স্কোরবোর্ডে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেননি ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। সারা টেলরের ৪৫, নাটালি স্কিভারের ৫১ ও শেষপর্যায়ে ক্যাথরিন ব্রান্টের ৩৪ রানের ইনিংসে ভর করে ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছিল ২২৮ রান।

ভারত এই রান সহজেই তাড়া করে জয় পাবে, এমনটাই হয়তো ধরে নিয়েছিলেন অনেকে। ৮৬ রানের ইনিংস খেলে ভারতের শুরুটাও ভালোভাবেই করেছিলেন ওপেনার পুনম রাউত। সেমিফাইনালে ১৭১ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলা হারমানপ্রিত কাউর করেছিলেন ৫১ রান। বেদা কৃষ্ণমূর্তিও ৩৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে অনেকখানি এগিয়ে দিয়েছিলেন জয়ের পথে। কিন্তু শেষ পর্যায়ের ব্যাটিং ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হয়েছে ভারতকে। ৪৩ থেকে ৪৯—এই সাত ওভারের মধ্যেই ভারত হারিয়েছে সাতটি উইকেট।

শেষ পর্যন্ত ব্যাটিংও করতে পারেননি ভারতের ব্যাটাররা। ৪৮.৪ ওভার ব্যাটিং করেই ২১৯ রানে গুটিয়ে গেছে ভারতের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করতে পারলেও হয়তো প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়ে যেতেন ভারতের নারী ক্রিকেটাররা।

প্রায় হেরে যাওয়া ম্যাচটিতে দারুণ বোলিং করে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে গেছেন ইংল্যান্ডের ডানহাতি পেসার অ্যানা সুরবসোল। ৯.৪ ওভার বোলিং করে ৪৬ রানের বিনিময়ে তিনি নিয়েছেন ছয়টি উইকেট। বলা বাহুল্য, ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তাঁর হাতে।

Comments

comments