Tag Archives: করোনাভাইরাস

new home furniture: বাড়িতে কী কী নতুন আসবাব নিয়ে এল ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’? – wfh brings new home furniture and design trends

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে বাড়ি থেকেই কাজ করছেন অজস্র মানুষ। বাড়িতে অফিস চলে আসার কারণেই ঘরের ভিতরেও এসেছে পরিবর্তন। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস অতিমারি ও লকডাউনের কারণে প্রায় সব কোম্পানি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলেই বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’। ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে বাড়ি থেকেই কাজ করছেন বহু মানুষ। অফিস বাড়িতে চলে আসার কারণেই ঘরের ভিতর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। অনেকেই নিজের ঘরের এক কোনাকে সাজিয়ে সুন্দর অফিস বানিয়ে তুলেছেন। একটানা অনেকক্ষণ বসে কাজ করার জন্যই বাড়িতে পরিবর্তন করেছেন অনেকে। আর এই জন্যই বিগত বছর জনপ্রিয় হয়েছে একগুচ্ছ নতুন আসবাব। এক নজরে ২০২০ সালের ট্রেন্ডিং আসবাবগুলি দেখে নিন।ভারতের আসবাব বাজারের মূল্য প্রায় ২৫-৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতের সংগঠিত শ্রমিকরা মোট আসবাবের ১৫ শতাংশ তৈরি করেন। অতিমারির কারণে অনেকেই প্রথম অনলাইনে আসবাব কেনা শুরু করেছে। এক নজরে বিগত বছরের ট্রেন্ডিং আসবাবগুলি দেখে নিন।১. বাড়ির মধ্যেই চাই প্রাইভেসি‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর কারণেই অনেকের ব্যক্তিগত জীবনে পরিবর্তন করতে হয়েছে। ভিডিয়ো কনফারেন্সে নিজেকে সুন্দর দেখানোর জন্য ঘরে একটি কোনা সাজিয়েছেন অনেকেই। এছাড়াও ভিডিও কলের সময় বাড়ির অন্য সদস্যরা যেন সেখানে চলে না আসেন সেদিকেও নজর দিতে হয়েছে।২. আর্গোনমিক, আরামদায়ক ও কুল ডিজাইন‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর কারণে একটানা বাড়ির চেয়ারে বসে কাজ করে যেতে হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ কাজ করে যেন শরীরের কোন ক্ষতি না হয় সেই জন্য বিভিন্ন কর্পোরেট কোম্পানি আসবাব কেনার জন্য কর্মীদের অতিরিক্ত সাহায্য করেছে। শরীরের খেয়াল রাখার জন্যই ঘরে পৌঁছেছে নতুন আসবাব। একই সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্টাইলকেও প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই জন্য হোম ডেস্ক, কনভার্টিবল ডেস্ক ও বিভিন্ন চেয়ারের বিক্রি এই লাফে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে।৩. দ্রুত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখাআরাম ছাড়াও কোভিড পরিস্থিতিতে যে কোনও জিনিসকে পরিস্কার রাখার প্রবণতা দেখা গিয়েছে। অনেকেই কাজের সময় ডেস্কে বসেই খাওয়া দাওয়া করছেন। এই কারণে কেনার সময় সহজে পরিষ্কার করা যায় এমন আসবাবকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।৪. ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ আসবাবের জনপ্রিয়তাসম্প্রতি ভারতে তৈরি জিনিস ব্যবহারে দেশবাসীকে উৎসাহিত করা শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এর পরেই দেশীয় আসবাব কেনার প্রবণতা দেখা গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতে আসবাবের আমদানি প্রায় তিন ভাগ কমে গিয়েছে। এই জন্যও মানুষ দেশীয় ব্র্যান্ডের প্রতি ঝুঁকতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা গিয়েছে।৫. আনুসাঙ্গিক আসবাবযে সব আসবাব দিয়ে একাধিক কাজ করা যাবে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের কারণে সেই ধরনের আসবাবের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। একই আসবাবে বাড়ি ও অফিস দুই ধরনের কাজ মিটবে এমন জিনিস খুঁজছেন অনেকেই। যেমন ধরুন এমন একটি চেয়ার যেখানে বসে সারাদিন কাজ করা যাবে, আবার কাজের শেষে চেয়ার হেলিয়ে আরামও করা যাবে। অথবা একটি কাজের ডেস্ক যেখানে কাজের শেষে ডিনার করা যাবে, এই ধরনের আসবাবের জনপ্রিয়তা এক লাফে অনেকটা বেড়েছে।আসবাব ছাড়াও বাড়ি থেকে কাজের জন্য বিভিন্ন গ্যাজেট ও অন্যান্য সামগ্রী কিনতে শুরু করেছেন অনেকেই। এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন হোম অ্যাপলায়েন্স ছাড়াও রয়েছে ব্লুটুথ ইয়ারফোন, নয়েস ক্যান্সেলিং ইয়ারফোন, নতুন মনিটর ইত্যাদি। এই সব প্রোডাক্ট ব্যবহার করেই বাড়ি থেকে কাজকে আরও সাবলীল করে তোলার চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যেই নতুন স্ট্রেনের করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আবার লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সেকেন্ড ওয়েভের অপেক্ষায় ত্রাহি ত্রাহি রব গোটা বিশ্বে। এই পরিস্থিতিতে নতুন এই প্রোডাক্ট বাড়ি থেকে আপনার কাজ করার অভিজ্ঞতাকে আরও সুন্দর ও আরামদায়ক করে তুলতে পারে। তাই এই সব আসবাব ট্রেন্ড এখনই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

cleaning and hygiene tips: বাইরে থেকে ফিরে শীতের পোশাকও কি ধোয়া জরুরি? করোনাকালে ভাইরাস-মুক্ত রাখার উপায় কী? জানুন… – cleaning and hygiene tips to help keep the covid-19 virus out of your home

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সময়টা শীতকাল বলে সোয়েটার, জ্যাকেট, মোজা, টুপি পরতে হয়। এখন বাইরে থেকে ফিরে রোজই চলছে দীর্ঘ স্যানিটাইজেশন প্রক্রিয়া, প্রথমে নিজের পরে জামা-কাপড়ের।অতিমারিতে আমাদের মনে যে কোনও মুহূর্তে করোনা সংক্রমিত হওয়ার ভয় কাজ করে। আর সেই ভয় থেকেই করতে হয় বাড়তি কাজগুলি। জীবিকার প্রয়োজনে নিয়ম করে বাড়ি থেকে বেরতে হচ্ছে প্রায় সবাইকেই। বাড়ি থেকে কাজের পাট চুকিয়ে উঠতে হচ্ছে বাস-ট্রাম-ট্রেনে। স্পর্শ বাঁচাতে চাওয়া আর শত চেষ্টাতেও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাড়ি ফিরে রোজই জমছে কাজের পাহাড়। মাস্ক পরে স্যানিটাইজার নিয়ে বেরনোর মতোই বাড়ি ফিরে আগাপাশতলা সাফসুতরো করার কাজ। এ ছাড়া আর উপায় কী? ঝুঁকি নিয়ে বাইরের জামা কাপড় না ধুয়ে ফেলে রাখবেন তার ভরসা কীসে! শীতের পোশাকে ভাইরাসমুক্ত রাখবেন কেমন করে জেনে নিন সেসব তথ্য।১. বেশি নিশ্চিত হতে চাইলে শীতকালে দু’সেট গরম জামাই যথেষ্ট। একটা পরার ২৪ ঘণ্টা পর সেটা আবার পরা যেতে পারে ভাইরাসের ভয় ছাড়াই।২. যদি কারও বেশি জামা-কাপড়েও সমস্যা থাকে তবে তিনি ওই জামাটিই ইস্ত্রি করে নিতে পারেন। গরম কিছুর সংস্পর্শে এলে শুকিয়ে যাবে ড্রপলেট। নষ্ট হবে ভাইরাস। অথবা রোদে ঘণ্টাখানেক রাখলেও চলবে। তাতেও ড্রপলেট শুকিয়ে শেষ হবে ভাইরাস।২০২০-তে অবসাদ ও একাকীত্বে পুরুষদের তুলনায় বেশি ভুগেছেন মহিলারা!৩. শীতের পোশাক ১২-১৩ ঘণ্টা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া রুখতে বা়ড়িতেই একটা আলাদা জায়গা বানান। যেখানে বাইরের জামা কাপড় আলাদা করে কারও স্পর্শ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়। ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা পর সরিয়ে নিতে পারেন সেখান থেকে।৪. যেকোনও অতিছিদ্রসম্পন্ন তলে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারে না এই ভাইরাস। মসৃণ তলেই এর স্বাচ্ছন্দ বেশি। কারণ, ভাইরাস কাশি বা হাঁচি থেকে নিসৃত ড্রপলেটের সাহায্যেই আটকে থাকে যে কোনও তলে। আর এই ড্রপলেট বা মিউকাস অতিছিদ্রসম্পন্ন তলে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। কারণ, ড্রপলেট বা মিউকাস থেকে অতিছিদ্রসম্পন্ন তল টেনে নেয় সমস্ত জলীয় পদার্থ। আর ড্রপলেটের পানি ছাড়া এই ভাইরাস বেশিক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে না।৫. যেকোনও ধরনের কাপড় তা শীতের পোশাক হোক বা সাধারণ কাপড়ের রয়েছে অতিচ্ছিদ্র সম্পন্ন তল। তাই যেকোনও কাপড়েই বেশিক্ষণ থাকতে পারে না ভাইরাস।৬. প্লাস্টিক বা ধাতব জিনিস সম্পর্কে সতর্ক হতে হবে। আমাদের জামা-কাপড়ে অনেক সময়ই এধরনের জিনিসও ব্যবহার করা হয়। সেক্ষেত্রে আলাদা করে নির্দিষ্ট জায়গাটি স্যানিটাইজ করে নিলে সুরক্ষা নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। কারণ প্লাস্টিক বা ধাতব তলে অন্তত পাঁচদিন পর্যন্ত থাকতে পারে এই ভাইরাস।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Kolkata coronavirus: রাত বাড়তেই নিয়ম ভেঙে বেলাগাম শহর, দেদার বাজির দূষণ আর ডিজে-র হুল্লোড় – Massive Fireworks At Twelve O’clock At Night In Kolkata | Eisamay

এই সময়: ভালো লাগছে না রে তোপসে! ঘটনা ১: মাস্কটা থুতনিতে ঝুলিয়ে পার্ক স্ট্রিটের রাস্তায় বন্ধুদের সঙ্গে হাঁটছিলেন তরুণী। পুলিশকে সামনে দেখে মাস্কে নাক ঢাকল ঠিকই, তবে ‘পুলিশকাকু’ অন্য দিকে যেতেই তরুণী আবার মাস্ক খুলে আলো ঝলমলে পার্ক স্ট্রিটে মেতে উঠলেন সেলফিতে! ঘটনা ২: রাত বারোটা বাজতেই করোনা-বিষাক্ত ২০২০-কে বিদায় জানাতে ফাটতে শুরু করল দেদার শব্দবাজি। কান ঝালাপালা শহর-শহরতলির বাসিন্দাদের, বাজির দূষণেও হাঁফ ধরল অনেকের। শব্দদানবের তাণ্ডব শুনে হতভম্ব পুলিশকর্তারাও বলছিলেন, এত বাজি তো এ বার কালীপুজোতেও ফাটেনি! আসলে এগুলো সব কালীপুজো-দিওয়ালিরই জমিয়ে রাখা মাল! বড়দিনে নাগরিকদের একাংশের করোনাবিধিকে ডোন্ট-কেয়ার মনোভাব চিন্তা বাড়িয়েছিল পুলিশ-প্রশাসন থেকে চিকিৎসকদের। ভিড় দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আদালতও। বর্ষশেষে উৎসবের জেরে যাতে করোনার গ্রাফ কোনও ভাবেই ঊর্ধ্বমুখী না-হয়, সে জন্য দেশের সব রাজ্যকে প্রয়োজনে নাইট কার্ফু জারির প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গ সরকার অবশ্য নাইট কার্ফু না-করে ভরসা রেখেছিল নাগরিকদের সচেতনতা এবং প্রশাসনের বাড়তি তৎপরতার উপর। তাতে বর্ষশেষের দিনের বেলায় কাজও হয়েছিল অনেকটা। পার্ক স্ট্রিট থেকে চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল থেকে নিকো পার্ক- বড়দিনের বাঁধনহারা ভিড়ে লাগাম পড়েছিল অনেকটাই। যাঁরা রাস্তায় বেরিয়েছেন, তাঁরাও যাতে মাস্ক-স্যানিটাইজার-শারীরিক দূরত্ববিধির সতর্কতা মেনে চলেন, তার জন্য লাগাতার প্রচার চালিয়েছে পুলিশ, মাস্ক বিলিও করেছেন পুলিশকর্মীরা। কিন্তু তাঁদেরও সেই চেষ্টায় জল ঢেলে দিল কিছু মানুষের বিন্দুমাত্র সতর্কতা না-মেনে হুল্লোড়-মোচ্ছবে মেতে ওঠার মানসিকতা। শুধু কী তাই! রাত বাড়তেই সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়াল শব্দবাজি। সঙ্গে ডিজে মাইক বাজিয়ে উদ্দাম নাচের দাপট, যেখানে শিকেয় উঠল শারীরিক দূরত্ব, মাস্কও গেল খসে। যে ভাবে কলকাতা ও শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বাজির তাণ্ডব চলল শীতের শহরে, তাতে রীতিমতো আশঙ্কিত ডাক্তাররা। বাজির দূষণে কষ্ট বাড়বে কোভিড রোগীদের, এমনকী সুস্থ মানুষরাও অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন, এই আশঙ্কা থেকেই এ বার কালীপুজো-দিওয়ালিতে নিষেধাজ্ঞা ছিল সব ধরনের বাজিতে। সেই সংযম ভেঙে গেল বৃহস্পতিবার রাতে, বাড়ল উদ্বেগও। পুলিশ-প্রশাসন সম্ভবত ভিড়ের বিষয়টি মাথায় রাখলেও এই বিষয়টি ততটা ধর্তব্যের মধ্যে রাখেনি। ফলে আলাদা করে পুলিশ-পর্ষদের নজরদারিও ছিল না বাজি রুখতে। অবস্থা যা দাঁড়াল, তাতে অনেকেই বলছেন, কেন্দ্রের পরামর্শ মেনে দিল্লি-মুম্বই-চেন্নাই-বেঙ্গালুরুর মতো কলকাতাতেও নাইট কার্ফু করলেই ভালো হতো। ভিড় নিয়ন্ত্রণে দেশের রাজধানীতে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কার্ফু ছিল। আজ, শুক্রবার ১ জানুয়ারি রাত ১১টা থেকে আগামিকাল সকাল ৬টা পর্যন্তও কার্ফু থাকবে। বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে বুধবারই রাজ্যে লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত করেছে উদ্ধব ঠাকরের সরকার। তা বাদে, সমস্ত মিউনিসিপ্যাল এলাকাতে আগে থেকেই ‘নাইট কার্ফু’ জারি করা রয়েছে। বেঙ্গালুরুতে যে ৩১ ডিসেম্বর সন্ধে ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে, সে কথা সোমবারই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই। চেন্নাইয়ে ৩১ ডিসেম্বর এবং ১ জানুয়ারি, দু’দিনই প্রকাশ্যে জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে তামিলনাড়ু সরকার। বর্ষবরণের সমস্ত উৎসব যেন রাত দশটার মধ্যে শেষ হয়ে যায়, নয়া নির্দেশিকায় জানিয়েছিল কেরালা সরকারও। বাংলা অবশ্য এত কড়াকড়ির পথে হাঁটেনি। রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁরা সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে আবেদন করছেন, যাতে তাঁরা শৃঙ্খলাপরায়ণ হয়েই উৎসবে সামিল হন। দিনের বেলায় ছবিটা মোটের উপর ঠিকই ছিল। এদিন ইকো পার্কে পা রেখেছিলেন প্রায় ২২ হাজার নাগরিক, যা বড়দিনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। তবে এদিনও সেখানে ঢোকার সময় অনেকের মুখে মাস্ক দেখা গেলেও, ভিতরে ঢুকতেই সেই মাস্ক চলে গিয়েছে থুতনিতে বা মুখে। পার্ক স্ট্রিটেও বড়দিনের তুলনায় বর্ষশেষের রাতে আট থেকে আশির ভিড় ছিল কিছুটা কম। তবে এর মধ্যেও মাস্ক খুলে এবং দূরত্ববিধি ভুলে সেলফি তোলার হিড়িকে সামিল হওয়ার ছবি ধরা পড়েছে। যা আরও বাড়ল রাত বাড়তেই। এ জন্যই বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এ রকম কয়েকজনের মুহূর্তের ভুলই না নতুন বছরে আরও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অরুণাভ চক্রবর্তীর বিস্ময়, ‘নাগরিকদের একাংশের এই আচরণ সত্যিই আমাকে অবাক করছে।’ চিকিৎসক অংশুমান মুখোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, ‘পুলিশ যতই চেষ্টা করুক, নাগরিকরা সচেতন না-হলে সামনে সমূহ বিপদ।’ কলকাতার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলছেন, ‘উৎসবে সামিল হোন, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু, সর্বদা মাস্ক পরুন, মেনে চলুন দূরত্ববিধি। নিয়ম না-মানলে আপনি একা নন, অনেকেই বিপদে পড়বেন।’মধ্যরাতে পার্ক স্ট্রিটে কত ভিড় হতে পারে, তার কোনও আন্দাজ না-থাকলেও পুলিশি বন্দোবস্তে কমতি ছিল না। ডিসি ডিডি (স্পেশ্যাল)-সহ ৯ জন ডিসির আওতায় পার্ক স্ট্রিটকে পাঁচটা সেক্টরে ভাগ করে ভিড় ও যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রাখা হয়েছিল কুইক রেসপন্স টিম। আজ, শুক্রবার বছরের প্রথম দিনেও থাকবে এই নজরদারি। পাশাপাশি উচ্ছৃঙ্খলতা ও অপরাধ রুখতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে ভোর তিনটে পর্যন্ত বিভাগীয় ডিসিদের নেতৃত্বে চালানো হয় ‘ব্লক রেইড’ও। তাতে কাজ হল কতটা, তা পুলিশের তথ্য বলবে। আপাতত দেখা গেল, করোনা শিয়রে থাকলেও সতর্কতা অনেকটাই শিকেয়!এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন-

Source link

Kalighat temple: মাস্ক পরে এলে তবেই প্রবেশাধিকার কালীঘাটে – face mask is mandetory in kalighat temple

এই সময়: পুজো দিতে এতদিন সঙ্গে ফুল, বেল-পাতা থাকলেই চলত। করোনার জন্য মাস্কও চাই। না-থাকলে কী হয়, তা টের পেলেন মঙ্গলবার কালীঘাটে যাওয়া পুণ্যর্থীরা।দীর্ঘ কয়েক মাস পর মন্দিরের গর্ভগৃহ খুলে দেওয়া হয় মঙ্গলবার। কিন্তু মাস্ক পরে না আসায় ফিরিয়ে দেওয়া হয় অনেক পুণ্যার্থীকে। সকালের দিকে তেমন ভিড় ছিল না। দুপুরের পর থেকে মন্দিরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে অনেকে এসেছেন, কিন্তু অনেকের মুখেই মাস্ক ছিল না। তাদের মূল ফটক থেকে ফিরিয়ে দেন পুলিশকর্মী এবং মন্দিরের কর্মীরা। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোভিড প্রোটোকল না-মানলে কাউকেই মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। দর্শনার্থীরা পরে মাস্ক লাগিয়ে এলে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয় তাদের। তবে এ দিন ভিড়ে দূরত্ববিধি মানার ব্যবস্থা সঠিক ভাবে মানা হয়নি বলে মেনে নিয়েছেন অনেক সেবায়ত।কিছু দিন আগেই খুলেছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির। সেখানেও একই ছবি দেখা গিয়েছিল। পুণ্যার্থীদের বেশিরভাগ মাস্ক পরলেও দূরত্ববিধি রক্ষায় তেমন আগ্রহ ছিল না। যদিও মন্দিরের কাছাকাছি নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড় করানো হয়েছিল দর্শনার্থীদের।কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষ তরফে বলা হয়েছে, কোভিড প্রোটোকল মানতে তারা সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছেন। সেই বিধি সঠিক ভাবে মানা হচ্ছে কি না তা দেখার জন্য পুলিশও ছিল। মাস্ক পরা, স্যানিটাইজার টানেলের মধ্যে দিয়ে আসা ছিল বাধ্যতামূলক। দূরত্ববিধি বজায় রাখতে দাঁড়ানোর জায়গা এঁকে দেওয়া রয়েছে। তবে বহু পুণ্যার্থীকে সেই ছাপের বাইরে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে অবশ্য মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সতর্ক করা হয়েছে বারবার। দূরত্ববিধি বজায় রাখতে, গর্ভগৃহে একসঙ্গে দশ জনের বেশি প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ভিড় এড়াতে পুণ্যার্থীদের জন্য মাত্র দু’টি প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হয়। একটি আলাদা দ্বার ছিল সেবায়ত এবং মন্দিরকর্মীদের প্রবেশের জন্য।মাস্ক না-পরে ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন খড়্গপুর থেকে আসা সুকোমল বসু। পরিবারের অন্যদের মুখে মাস্ক থাকলেও তাঁর মুখে মাস্ক ছিল না। তাঁকে আটকে দেন মন্দিরের কর্মীরা। পরে তিনি মাস্ক পরে এলে ঢুকতে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আসার সময় রাস্তায় মাস্ক পড়ে যায়। আর নতুন কেনা হয়নি। আমার উচিত ছিল মাস্ক পরে মন্দিরে আসা।’ মন্দিরের এক পুরোহিত জহর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘মাস্ক না পরে এলে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তবে দূরত্ব বিধি মানাতে একটু সমস্যা হয়েছে।’ মন্দির কমিটির কোষাধ্যক্ষ কল্যাণ হালদার বলেন, ‘কোভিড প্রোটোকল মানায় কড়াকড়ি ছিল আমাদের। আমরা সবরকম ব্যবস্থা নিয়ে দর্শনার্থীদের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে দিচ্ছি। যারা নিয়মবিধি মানছেন না, তাদের প্রবেশ একেবারেই নিষেধ।’

Source link

coronavirus: করোনা হলে অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন যে সব খাবার… – coronavirus: foods you should avoid if you have covid

এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: অসুস্থ হলে খাওয়া দাওয়ায় কিছু বিধি নিষেধ এসে যায়। সব ধরনের খাবার সব সময় খাওয়া যায় না। তবে এটাও ঠিক অসুস্থতার সময় আমাদের মধ্যে খাওয়া নিয়ে নানা ধরনের বায়নাক্কা দেখা যায়। আমরা তখন খাওয়া উচিত নয় জেনেও মুখরোচক খাবারের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ি। পছন্দসই খাবার আমাদের মানসিক তৃপ্তি দেয় ঠিকই, কিন্তু অনেক সময় শরীরে নানা সমস্যা তৈরি করে। করোনা হলে শরীর যেহেতু খুব দুর্বল হয়ে যায় তাই এই সময় পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এই সময় যা খাবেন তার মধ্যে নানা ধরনের ভিটামিন এবং মিনারেল থাকা জরুরি। বিশেষ করে করোনা হলে ভিটামিন ডি, ভিটামিন সি এবং জিংক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই দরকার। তবে যতই খেতে ইচ্ছে করুক, কোনও কোনও খাবার এই সময় এড়িয়ে যাওয়া প্রয়োজন। দেখে নিন করোনা হলে কোন কোন খাবার থেকে দূরে থাকবেন। প্রসেসড ফুডপ্রক্রিয়াজাত প্যাকেট করা খাবার এই সময় মোটেও খাওয়া উচিত নয়। এই ধরনের খাবারে প্রচুর সোডিয়াম, চিনি ও প্রিজারভেটিভস থাকে যেগুলি করোনা আক্রান্তের শরীরে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরনের খাবার খেলে আপনার সেরে ওঠার প্রক্রিয়াও বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। রেড মিটকরোনা হোক বা না হোক রেড মিট থেকে যতটা সম্ভব দূরেই থাকুন। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট। মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এই ধরনের খাবার বেছে নিন। অ্যাভোকাডো, অলিভ অয়েল এবং মাছ বেশি করে খাওয়া উচিত করোনা আক্রান্তদের। ভাজা খাবারডিপ ফ্রাই করা খাবার এই সময় একেবারেও খাওয়া উচিত নয়। এই ধরনের খাবার বেশি মাত্রায় খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এই ধরনের খাবার শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা বাড়ায়, যার ফলে হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সফট ড্রিংকসচিনি মেশানো পানীয় কখনোই খাবেন না করোনা আক্রান্তরা। কার্বোনেটেড ড্রিংকস এই সময় খাওয়া কঠোর ভাবে বারণ। এর ফলে শরীর সহজে সেরে উঠবে না। মশলাদার খাবারসর্দি, কাশি, জ্বর হলে মশলাদার খাবার যতটা সম্ভব কম খান। কারণ মশলাদার খাবার গলায় সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর ফলে আপনার কাশি আরও বেড়ে যেতে পারে। গলায় ব্যাথা হলে গরম স্যুপ খেতে পারেন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

coronavirus: করোনা হয়েছে? ঘরে বসেই কফির গন্ধ শুঁকে বুঝে যান সহজে! – sniffing coffee could predict covid-19, claim researchers; here’s how it works

হাইলাইটস গরম কফি এই কাজে বিশেষ উপযোগী বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কফির গন্ধ বেশ কড়া হয় বলে এই কাজে কফিকেই বেছে নিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: দিন কয়েক ধরেই সর্দি, কাশি, জ্বর? করোনা পরীক্ষা করাবেন কিনা ভাবছেন? এতদিন নিশ্চয় জেনে গিয়েছেন যে করোনায় আক্রান্ত হলে গন্ধ ও স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতা চলে যায়। তবে কেন করোনা হলে কোনও কিছুর গন্ধ পাওয়া যায় না, সেটা এখনও একটা বড় রহস্য। করোনার অন্য উপসর্গের চিকিত্‍সা হলেও গন্ধহীনতার জন্য কোনও চিকিত্‍সা এখনও পর্যন্ত করা হয় না। অনেকের করোনা সেরে গেলেও দীর্ঘদিন পর্যন্ত স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি ফিরছে না। সেই কারণে আপনার করোনা হয়েছে কিনা, তা ঘরে বসেই বুঝতে এই গন্ধহীনতার পরীক্ষা করে দেখুন। গরম কফি এই কাজে বিশেষ উপযোগী বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কফির গন্ধ বেশ কড়া হয় বলে এই কাজে কফিকেই বেছে নিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ভাবে করোনাভাইরাস আপনার শরীরে প্রবেশ করেছে কিনা, তা বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই ঘরে বসে বুঝে ফেলতে পারবেন আপনি। আপনার পুরনো মাস্ক ফেলে দেওয়ার সময় এসেছে, বুঝবেন যে ভাবে…হঠাত্‍ করে গন্ধ চলে যাওয়া করোনার উপসর্গ বলে জানা গিয়েছে। তাই প্রতিদিন সকালে উঠে গরম কফির গন্ধ শুঁকতে পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে করোনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন আপনি। অনেকের মতে কারোর করোনা হয়েছে কিনা তা বুঝতে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করার থেকেও উপযোগী গন্ধ শোঁকার ক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখা। এর ফলে উপসর্গহীন কোরও করোনা আক্রান্তের থেকে অজান্তে অন্যের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া আটকাবে বলে মনে করা হচ্ছে। করোনা-কালে বিমান সফরে সবচেয়ে নিরাপদ আসন কোনটি?করোনা গন্ধ বিচারের পরীক্ষায় গরম কফির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কারণ কফির গন্ধের বিশেষত্ব। কফির একটি বিশেষ ধরনের স্বাদ ও গন্ধ আছে। কফির গন্ধ খুব সহজেই নাকে পৌঁছয়। সেই কারণে কোনও ব্যক্তির গন্ধ শোঁকার অনুভূতি ঠিক আছে কিনা তা বুঝতে গরম কফির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। হঠাত্‍ করে কফির গন্ধ পাওয়া বন্ধ হলে বুঝবেন আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার সময় হয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে কফি ছাড়াও করোনা রোগীরা নারকেল তেল, চকোলেট এবং পেপারমেন্টের গন্ধও বুঝতে পারেন না। কারোর কারোর ক্ষেত্রে করোনায় গন্ধহীনতা এক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। কারোর কারোর ক্ষেত্রে আরও বেশি। তবে শুধু গন্ধ পরীক্ষা নয়, করোনার অন্য উপসর্গগুলির দিকেও সমান নজর থাকা জরুরি। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

coronavirus: সেরেও সারছে না করোনা, সুরক্ষিত নয় কোনও অঙ্গই! অতিষ্ঠ ডাক্তাররা – no organ is protected due to corona!

এই সময়: করোনা পজিটিভ হলেও সম্পূর্ণ উপসর্গহীনই ছিলেন যুবক। তার মাস দুয়েকের মাথায় কালীপুজোর সময়ে ঠান্ডা-গরম থেকে মামুলি সর্দি-কাশি হয় তাঁর। দিন চারেকের মাথায় তা থেকে একেবারে নিউমোনিয়া। চিকিৎসক বিলক্ষণ বুঝেছিলেন, আসল খলনায়ক করোনাভাইরাসই, যা দু’মাস আগে ফুসফুসকে নিঃশব্দে এতটা ঘায়েল করে দিয়েছে। দিন দশেক হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরেছিলেন প্রৌঢ়া। হাঁটাহাঁটি করতে একটু অসুবিধা হচ্ছিল শুধু। ডাক্তার বলেছিলেন, সপ্তাহখানেকের মধ্যে সেটাও সেরে যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। এক মাসেও হাঁটতে না-পারায় যখন ফের চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন তিনি, তখন জানা যায় যে, করোনা আর সুগার মিলে তাঁর স্নায়ুর এমন বারোটা বাজিয়েছে যে পায়ে শক্তি ফেরাতে লম্বা ফিজিয়োথেরাপি ছাড়া উপায় নেই। পেশায় চিকিৎসক তরুণী আবার কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর ত্বকে র‍্যাশের সমস্যায় জেরবার হন। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞ জানান, এটাও করোনারই দান। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এমন ‘কেস’ অজস্র। করোনা থেকে সেরে উঠেছেন, বর্তমানে এমন মানুষের সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ছুঁইছুঁই রাজ্যে। সংখ্যাটা রোজই বাড়ছে হাজার তিনেক করে। ফলে করোনামুক্তদের থেকে নিয়মিত নতুন সমস্যার খোঁজ পাচ্ছেন প্রায় সব শাখার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাই। তাঁদের অভিজ্ঞতা-হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি কিংবা সুগারের গণ্ডগোলের পাশাপাশি স্বাদ-গন্ধ না-ফেরার সমস্যা সিংহভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে। রোগটা নিয়ে যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি থাকছেন কিছু দিন এবং হাই-ফ্লো অক্সিজেন ও স্টেরয়েড পাচ্ছেন, তাঁদের আরও নানা অঙ্গের সমস্যা দেখা যাচ্ছে পরে। অনেক সুস্থ মানুষও কো-মর্বিডিটির শিকার হয়ে পড়ছেন।আইডি হাসপাতালের পোস্ট-কোভিড ক্লিনিকের প্রধান চিকিৎসক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, এত রকম সমস্যা নিয়ে আসছেন করোনাজয়ীরা যে জটিলতার এই তালিকা রোজই লম্বা হয়ে চলেছে। এসএসকেএমের মেডিসিন বিভাগের এক শিক্ষক-চিকিৎসকের কথায়, ‘স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের আমরা ডেঙ্গি নিয়ে পড়ানোর সময়ে বলতাম, খেয়াল রেখো, এ অসুখ থেকে গর্ভধারণ ছাড়া আর সব কিছুই হতে পারে। এখন দেখছি, করোনাও সেই একই রকম, বস্তুত কিছু ক্ষেত্রে আরও বেশিই খেল দেখাচ্ছে।’ ফুসফুস রোগ বিশেষজ্ঞ রাজা ধর জানান, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, পুরোপুরি সুস্থ তরতাজা যুবকের একবার করোনায় ভোগার জেরে হয়তো আজীবন শ্বাসের সমস্যা তৈরি হয়ে গেল। এতে জীবনযাত্রার মানও প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পিএমআর বিশেষজ্ঞ মৌলিমাধব ঘটক বলেন, ‘অসম্ভব দুর্বলতা ও ক্লান্তি কিংবা দু’পায়ে জোর না-পাওয়া অথবা কোমরে-হাঁটুতে মারাত্মক যন্ত্রণা নিয়ে নিয়মিত করোনাজয়ীরা আসছেন ক্লিনিকে। সমস্যাগুলো থেকে যাচ্ছে কোভিড থেকে সেরে ওঠার দু’-তিন মাস পর পর্যন্তও।’ তিনি জানান, ভাইরাসটা স্নায়ু ও পেশিতেও হামলা চালাচ্ছে। সে জন্যই করোনামুক্তির পরে এগুলোর জন্যও আলাদা চিকিৎসা জরুরি হয়ে পড়ছে। বাঁচার উপায় কী? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সে ব্যাপারে এখনই ঠিক দিশা দেখানোর মতো অবস্থায় তাঁরাও নেই। তবে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বিশ্বাস কিংবা এন্ডোক্রিনোলজি বিশেষজ্ঞ সতীনাথ মুখোপাধ্যায়রা বলছেন, ‘করোনা থেকে সেরে ওঠার পর প্রতি দু’ সপ্তাহ অন্তর ডাক্তারের কাছে চেক-আপ জরুরি। তাতে সমস্যাটা অন্তত গোড়ায় ধরা পড়ে। ফলে চিকিৎসায় সারার সম্ভাবনাও দ্রুত। দেরির অর্থ, শরীরকে লম্বা দৌড়ে কষ্ট দেওয়া, যা ভবিষ্যতে আরও বড় সমস্যা ডেকে আনতে পারে।’এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন-

Source link

coronavirus: আপনার পুরনো মাস্ক ফেলে দেওয়ার সময় এসেছে, বুঝবেন যে ভাবে… – when should you switch to a new mask?

হাইলাইটসমাস্ক যদি ঢিলে হয়ে যায়, ছিঁড়ে যায়, ড্যাম্প হয়ে যায় এবং মাস্ক পরলে যদি চশমার কাঁচ ঝাপসা হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে যে মাস্ক বদলানোর সময় এসে গিয়েছে। মাস্ক পরার কারণ হল আমরা যে শ্বাস গ্রহণ করছি, তা যেন সম্পূর্ণ ভাবে মাস্কের মধ্যে দিয়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: করোনা আবহে এখন ফেসমাস্ক আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বাইরে বেরোলেই মাস্ক পরা অবশ্যকর্তব্য। কিন্তু একটা মাস্ত কতদিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়, সেই বিষয়ে কোনও ধারণা আছে কি? চার ঘণ্টা, চার সপ্তাহ নাকি চার মাস — ফেস মাস্ক কতদিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়, সেই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ধারণা প্রয়োজন। আপনি সার্জিক্যাল ফেসমাস্ক ব্যবহার করুন, বা N95 মাস্ক, অথবা কাপড়ের মাস্ক, সব ধরনের মাস্কেরই ব্যবহার করার একটা সময়সীমা আছে। তারপর সেই মাস্ক আর ব্যবহার না করাই ভালো। বাজারে সাধারণ ভাবে যে তিন ধরনের মাস্ক পাওয়া যায়, সেই সার্জিক্যাল ফেসমাস্ক, N95 মাস্ক, অথবা কাপড়ের মাস্কের আলাদা আলাদা সময়সীমা আছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে কয়েকটি চিহ্ন দেখে বোঝা যায় কখন মাস্ক বদলানোর সময় এসে গিয়েছে। করোনা-কালে বিমান সফরে সবচেয়ে নিরাপদ আসন কোনটি? ডাক্তারদের মতে করোনা থেকে বাঁচতে N95 মাস্কই সবচেয়ে উপযোগী। আর যদি কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করেন তাহলে তা যেন অবশ্যই তিন লেয়ারের হয়। মাস্ক যদি ঢিলে হয়ে যায়, ছিঁড়ে যায়, ড্যাম্প হয়ে যায় এবং মাস্ক পরলে যদি চশমার কাঁচ ঝাপসা হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে যে মাস্ক বদলানোর সময় এসে গিয়েছে। মাস্ক পরার কারণ হল আমরা যে শ্বাস গ্রহণ করছি, তা যেন সম্পূর্ণ ভাবে মাস্কের মধ্যে দিয়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। কিন্তু মাস্ক যদি ঢিলে হয় বা ছিঁড়ে যায়, তাহলে সেই মাস্ক পরার কোনও উপযোগিতা নেই। নাক ও মুখ পুরোপুরি ঢাকা না দিলেও মাস্ক কোনও কাজে লাগে না। চলন্ত গাড়িতে বই পড়লেই মাথা ঘোরে! কারণ জানা আছে? মাস্ক পুরোপুরি নাক ও মুখ ঢাকা না দিলে যে শ্বাস আমরা গ্রহণ করছি, তার ৫০ শতাংশই ফিল্টার না হয়ে শরীরে প্রবেশ করছে। যদি মাস্ক পরলে চশমার কাঁচ ঝাপসা হয়ে যায়, তার অর্থ মাস্কের মধ্যে দিয়ে ছাড়াও আশপাশ দিয়ে আপনি শরীরে বাতাস টানছেন। তাহলে মাস্ক এখনই বদলে ফেলুন। N95 মাস্ক ছিঁড়ে গেলে বা ড্যাম্প ধরে গেলে সেটি সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টানো দরকার। আর সার্জিক্যাল মাস্ক চার থেকে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় পরে থাকাই উচিত নয়। মাস্ক কী ভাবে ব্যবহার করবেন, তার একটা নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে এইমস হাসপাতাল। সেখানে বলা হয়েছে মাসের শুরুতে পাঁচটি N95 মাস্কের সেট রাখুন। প্রতিটি আলাদা আলাদা ভাবে প্যাক করা। প্রতিটি মাস্ককে ১ থেকে ৫ অবধি মার্ক করুন। প্রথম দিন ১ নম্বর মাস্ক পরুন। দিনের শেষে বাড়ি ফিরে সেই মাস্কটি আবার প্যাকেটে ভরে রেখেন দিন এবং পরের দিন দ্বিতীয় মাস্কটি পরুন। এই ভাবে পঞ্চম দিন পর্যন্ত রোজ একটি করে নতুন মাস্ক পরুন। এরপর ষষ্ঠ দিনে ফের সেই এক নম্বর মাস্কটা প্যাকেট থেকে বের করে পরুন। এই ভাবে এক মাস পরে এই পাঁচটা মাস্ক ফেলে দিয়ে নতুন পাঁচটা N95 মাস্কের সেট রাখুন নিজের কাছে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

coronavirus: করোনার ঝুঁকি ৮ গুণ বেশি চিকিৎসাকর্মীদের, প্রকাশ সমীক্ষায় – the risk of corona is 6 times higher in medical professionals: study

অনির্বাণ ঘোষ কর্মক্ষেত্র বা পেশার নিরিখে করোনার কবলে পড়ার ঝুঁকি কেমন? সামগ্রিক ভাবে কোন কোন পেশা ঝুঁকিপূর্ণ, তা জানা থাকলেও এ যাবৎ পেশাগত ঝুঁকির অঙ্ক জানা ছিল না। সম্প্রতি বিলেতের একটি সমীক্ষায় সে সম্পর্কে ধারণা করতে পারছেন বিশেষজ্ঞরা। দেখা যাচ্ছে, অন্যদের চেয়ে চিকিৎসাকর্মীদের করোনার শিকার হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৮ গুণ বেশি। কলকাতার একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, হাসপাতাল করোনা চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত হোক বা না-হোক, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কোভিড পজিটিভ হওয়ার আশঙ্কা প্রায় একই। দু’ক্ষেত্রেই সংক্রমিত হওয়ার নজির শতকরা ১২ জনের। অন্য পেশার লোকজনের কোভিড সংক্রমণ নিয়ে অবশ্য কোনও স্পষ্ট ধারণা ছিল না এ যাবৎ। এখন জানা যাচ্ছে, ঝুঁকির এই হার অন্যদের চেয়ে পরিবহণকর্মীদের ২.৫ গুণ, পুলিশ ও সমাজকর্মীদের ২ গুণ, সেলস ও শিক্ষাকর্মীদের ১.৪ গুণ এবং অন্য জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ১.৬ গুণ বেশি। প্রায় এক লক্ষ ২০ হাজার মানুষের উপর চালানো বিশাল সমীক্ষার রিপোর্ট বুধবার প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে (বিএমজে), যাতে এ ভাবে পেশার নিরিখে ঝুঁকির অঙ্ক কষা হয়েছে ব্রিটেন ও আমেরিকায়।গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সমীক্ষার ফল দেখে কলকাতার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি ও সচেতনতা যেহেতু কম এ মুলুকে, তাই আপেক্ষিক ঝুঁকির এই হার পেশা নির্বিশেষে আরও বেশি এখানে। এর প্রমাণ একের পর এক চিকিৎসাকর্মীর মৃত্যুই। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, শুধু পশ্চিমবঙ্গেই অন্তত সাত হাজার চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গিয়েছেন ৮২ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেশা নির্বিশেষে উপসর্গহীন করোনা-বাহকের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি চিকিৎসকদেরই। সে জন্যই তাঁদের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার হারও সর্বাধিক। পুলিশ, পরিবহণকর্মী ও সমাজকর্মীদের মধ্যেও করোনার থাবা বেশ চওড়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ক্ষেত্রেই ঢিলেঢালা মনোভাবের কারণে করোনা হামলা চালায় পেশা নির্বিশেষে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অনির্বাণ দলুইয়ের বক্তব্য, করোনা রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে সারা দুনিয়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মোটামুটি একই প্রোটোকল মেনে চলেন। কিন্তু অ-করোনা রোগীর চিকিৎসায় প্রথম বিশ্বের দেশের সঙ্গে ভারতের মতো দেশের বিস্তর ফারাক। মূলত সেই ফাঁক গলেই সংক্রমিত হন চিকিৎসাকর্মীরা। তাঁর কথায়, ‘অ-করোনা রোগীদের চিকিৎসায় উন্নত দেশে অনেক আঁটোসাঁটো করোনা-সুরক্ষা মানা হয়। সেই বিচারে আমাদের দেশে ঝুঁকিটা বিলেতের মতো ৮ শতাংশ হবে না, হবে ঢের বেশি।’ চিকিৎসক সংগঠন ওয়েস্টবেঙ্গল ডক্টর্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাজীব পাণ্ডে কিংবা অ্যাসোসিয়েশন অফ হেলথ সার্ভিস ডক্টর্সের সাধারণ সম্পাদক মানস গুমটার বক্তব্য মোটের উপর অভিন্ন-চিকিৎসাকর্মীদের সুরক্ষায় সরকার, প্রশাসন ও নিয়োগকর্তাদের আরও জোর দিতে হবে। এসএসকেএমের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক শুভঙ্কর চৌধুরী বলেন, ‘কলকাতার তিনটি হাসপাতালে সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, চিকিৎসকদের মধ্যে বরং অন্য চিকিৎসাকর্মীদের চেয়ে সংক্রমিত হওয়ার নজির কম। ডাক্তারদের (৭.৯%) চেয়ে নার্সদের (১১.৯%) এবং নার্সদের চেয়ে অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের (১৬.১%) আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি।’ মাইক্রোবায়োলজি বিশেষজ্ঞ সৌগত ঘোষ জানাচ্ছেন, নির্দিষ্টি কিছু পেশার মানুষ বিস্তর মেলামেশা করতে বাধ্য হন। উপসর্গহীন করোনা-বাহকের সঙ্গে সংস্রব হচ্ছে কি না, তা আগাম বোঝার উপায় নেই। সে জন্যই চিকিৎসাকর্মীদের মতো না হলেও পুলিশ, পরিবহণকর্মী, সমাজকর্মী ও শিক্ষাকর্মীদের মধ্যেও ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি। তিনি মনে করেন, এর নেপথ্যে গা-ছাড়া মনোভাবও অনেকাংশে দায়ী। সৌগতর কথায়, ‘করোনা সংক্রমণের রাস্তাগুলো না-বুঝে, না-জেনে অথবা বেপরোয়া মনোভাব বন্ধ করা যাচ্ছে না বলেই ছড়াচ্ছে রোগটা।’ করোনায় নজর কর্মক্ষেত্রে * পরিচিত-অপরিচিত সবাইকেই করোনার বাহক বলে ভেবে চলা * মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক * মাস্কের সামনে হাত নয়, মাস্ক খোলাও নয় * যেখানে-সেখানে হাত দেওয়া নয় * হাত সাবান-জলে না-ধুয়ে বা স্যানিটাইজ না-করে নাক-মুখ-চোখে হাত নয়এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন-

Source link

tourists spot: করোনাকালে পর্যটক টানতে সংস্কৃতি ও শিল্পের প্যাকেজ – culture and art packages to attract tourists during the corona period

সুগত বন্দ্যোপাধ্যায় করোনাকালে গৃহবন্দি দশায় মানুষ ক্লান্ত। দূর-দূরান্ত সফরের সময় অবশ্য এখনও আসেনি। তেমন সাহসও পাচ্ছেন না বেশির ভাগ ভ্রমণপিপাসু। তবে শীতের মরশুম শুরু হতেই বোহেমিয়ান মন এ বার কাছেপিঠে হলেও ঘুরে আসতে চাইছে। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এই বোহেমিয়ানদের জন্য পর্যটন বিকাশে সংস্কৃতিক পর্যটন নিয়ে প্রচার শুরু করেছে। রাজ্য সরকারও ট্যুরিস্ট লজগুলোয় নিয়ম করে ছৌ, বাউল, ভাটিয়ালি, রায়বেশের মতো স্থানীয় লোকসংস্কৃতির আসর বসাতে উদ্যোগী। বাংলার ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় হস্তশিল্পের কর্মশালাও থাকছে সেই তালিকায়। পর্যটন দপ্তরের লক্ষ্য, যাতে এতদিন পর মানুষ বেড়াতে গিয়ে যতটা সম্ভব নতুন, অতিরিক্ত কিছু পান। ইচ্ছে করলে ওই সব কর্মশালায় হস্তশিল্পীদের সঙ্গে অংশ নিতে পারবেন পর্যটকরা। হস্তশিল্প সামগ্রী কেনার সুযোগ তো থাকছেই। পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের বক্তব্য, এই সব উদ্যোগের মাধ্যমে কোনও ট্যুরিস্ট লজ ও তার আশপাশের পর্যটনকেন্দ্রকে ঘিরে পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়ছে। রাজ্যে ট্যুরিস্ট লজের সংখ্যা ৩০। এর মধ্যে প্রথম দফায় ১৩টি লজে পর্যটকদের মনোরঞ্জনে লোকসংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধীন লোকশিল্পী প্রসার প্রকল্পের শিল্পীরা তাতে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি, প্রথম দফায় পাঁচটি লজে স্থানীয় হস্তশিল্পের কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। বাকি লজগুলোতেও ধাপে ধাপে পর্যটকদের চাহিদা বুঝে আকর্ষণ বাড়িতে একই রকম লোকসংস্কৃতির আয়োজন করা হবে। পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কৌশিক ভট্টাচার্যর কথায়, ‘শীতের শুরুতেই পর্যটকদের সাড়া মিলতে শুরু করেছে। করোনা পরিস্থিতিতর জেরে পুজোর ছুটিতেও ট্যুরিস্ট লজগুলোয় পর্যটকদের তেমন ভিড় ছিল না। তবে এখন দিঘা, বকখালি, শান্তিনিকেতনের রাঙাবিতান বা ডুয়ার্সের লজগুলোয় নিয়ম করে বুকিং বাড়ছে।’ এমডি-র হিসেবে, ‘গড়ে ৬০ শতাংশ ঘর এই সব লজে বুকিং হচ্ছে। এটা ইতিবাচক ইঙ্গিত।! কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের আঞ্চলিক অধিকর্তা সাগ্নিক চৌধুরীর কথায়, ‘সাংস্কৃতিক পর্যটনের প্রচার চালাতে ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া ব্র্যান্ডিংয়ে ‘দেখো আপনা দেশ’ স্লোগান তোলা হয়েছে। এই পর্যটন মানচিত্রে বাংলার ১৯টি লোকসংস্কৃতিকে ঘিরে ১১টি জেলার বিভিন্ন অঞ্চলকে তুলে ধরা হয়েছে। যাকে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে ট্যুর সার্কিট। শামিল করা হয়েছে বেসরকারি ট্যুর অপারেটারদের।’ ওই কর্তার আশা, এই ব্যবস্থা গত প্রায় ৮ মাস ধরে বন্ধ থাকা ব্যবসাকে নতুন ভাবে চাঙ্গা করতে পারে। তা ছাড়া, iiwg.co.in ওয়েবসাইটে গিয়ে সাধারণ মানুষও রাজ্যের সংস্কৃতি-পর্যটনের সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করে নিজেরাই নিজেদের মতো করে ট্যুরর প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারবেন।পর্যটন মন্ত্রক সূত্রের খবর, তাদের তরফে কলকাতার হেরিটেজ, হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং বিভিন্ন সময়ে কলকাতার বিবর্তন নিয়ে ভিডিয়ো ক্লিপিং তৈরি করা হচ্ছে। শীঘ্রই ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে তা আপলোড করা হবে। কলকাতাকে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে আরও আকর্ষক মোড়কে তুলে ধরাই এ সবের লক্ষ্য।এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন-

Source link