Tag Archives: করোনা ভাইরাস

mouth infection: জিভে ইনফেকশনও করোনার নতুন উপসর্গ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা – infection in mouth can be an early sign of covid 19

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খাবারের স্বাদ না পাওয়া বা গন্ধ না পাওয়ার লক্ষণ তো এখন সকলেই জেনে গেছেন, তবে বিজ্ঞানীরা আবার মারণ করোনার নতুন লক্ষণ খুঁজে পেলেন, থাকুন সাবধান, হন সতর্ক৷ এই বিরল উপসর্গের জন্য মুখের ভিতরে ইনফেকশন হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।হাজারো বিতর্কের মধ্যেই ভ্যাকসিন বাজারে আসতে যখন সবে কিছুটা আশার আলো ছড়িয়েছিল, তখনই করোনা নিয়ে নতুন এই উপসর্গের কথা জানালেন বিশেষজ্ঞরা। কিংস কলেজ লন্ডন-এর অধ্যাপক টিম স্পেকটর এক হেলথ ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, করোনার প্রাথমিক উপসর্গ দেখা যেতে পারে মুখের ভিতর। বেশ কয়েকজন কোভিডের রোগীদের মধ্যেই এই উপসর্গ তিনি লক্ষ্য করেছেন। মুখের ভিতরে ইনফেকশন, জিভে অস্বস্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতি পাঁচজন করোনা রোগীর মধ্যে একজনের এই উপসর্গের অভিজ্ঞতা রয়েছে।তাই এই উপসর্গের সঙ্গে অন্য উপসর্গ দেখা গেলে তখনই সতর্ক হতে বলছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু উপসর্গ তেমন ক্ষতিকর পর্যায়ে পৌঁছায় না বলে জানা যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে নিজে থেকেই এই সমস্যা কমতে থাকে। তবে এই উপসর্গের সঙ্গে জ্বর, খুসখুসে কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা গেলে আইসোলেশনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বঙ্গে দ্বিতীয় দফার করোনা ভ্যাকসিনের চালান আসতে চলেছে আগামী সপ্তাহেই। এমনটাই স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহেই আসবে করোনার ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় চালান। পুনের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে আসবে ভ্যাকসিন। তবে কত ভ্যাকসিন আসবে তা এখনো জানায়নি কেন্দ্র। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

coronavirus: শেষের পথে ২০২০, এবছর কী কী নতুন জিনিসের সঙ্গে পরিচয় হল আপনার? জানুন… – 5 never seen before things in 2020 -here’s a glimpse of yearender 2020

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দেখতে দেখতে নানান চড়াই–উৎরাইয়ের মাধ্যমে ২০২০ সালও শেষ হতে চলল। ২০১৯ থেকে ২০২০ সালে আসার পর পরই বিশ্বের সকলের জীবনে থাবা বসায় করোনা ভাইরাস। যার জেরে বেশ কয়েক দশক পর গোটা বিশ্ব মহামারির রূপ ধারণ করে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চিন থেকে এই মারণ রোগটি ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বে। যা কোনও দিন দেখেনি কেউ, তারও সম্মুখীন হতে হয়েছে। যা হতে পারে বলে ভাবেনি কেউ, তাও হয়েছে। সাধারণ জীবনযাপনে পরিবর্তন এসেছে। হঠাৎ করে চাইলেই ঘর থেকে বেরোনো, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি বা প্রিয়জনের কাছে যাওয়া- সবেতেই এসেছে নানা পরিবর্তন।এমন অনেক নতুন জিনিসের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে, যা আগে কখনও চোখে দেখেনি কেউ। ২০২০ শেষে রইল তেমনই পাঁচ জিনিসের কথা। দেখে নিন সেগুলি কী-ইনফ্রারেড থার্মোমিটার -করোনাকালে মোকাবিলায় প্রায় সব জায়গায় সুরক্ষাবিধি মেনে চলা হচ্ছে। শপিং মল থেকে মেট্রো, ট্রেন থেকে বাড়ির পাশের দোকান- সব জায়গায়ই তাপমাত্রা মাপা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার আবশ্যক করা হয়েছে। এই তাপমাত্রা মাপার জন্যই তৈরি হয়েছে ইনফ্রারেড থার্মোমিটার (Infrared Thermometers)। যা শারীরিক সংস্পর্শে না এসে দূর থেকে Infrared Ray-র মাধ্যমে শরীরে তাপমাত্রা নির্ণয় করতে সক্ষম হয়। এই থার্মোমিটারের ব্যবহার করোনাকালের আগে সে ভাবে কখনও দেখা যায়নি। স্পর্শ না করে পাঁচ সেন্টিমেটার দূর থেকেই তাঁর শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য ‘ইনফ্রারেড থার্মোমিটার’ বাধ্যতামূলক হয়ে গিয়েছে দোকান-হাট-শপিং মলে। অনেকটা হেয়ার ড্রায়ারের মতো দেখতে এই যন্ত্র করোনা-কালে মানুষকে ভরসা যোগাচ্ছে। স্বভাবতই মহামারির সময় ইনফ্রারেড থার্মোমিটারের কাটতি বেড়েছে কয়েক গুণ। ফেস শিল্ড ও মাস্ক – কোভিডের গ্রাফ ক্রমেই উর্ধমুখী। এর মধ্যেই যেতে হচ্ছে অফিসকাছারি। বাসে-ট্রামে-রাস্তায় সামাজিক দূরত্বের মাপকাঠি বজায় থাকছে না বললেই চলে। তার উপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে জানানো হল, করোনাভাইরাসের মারণক্ষমতা কমেনি একটুও। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় যে সকল সুরক্ষাবিধি মেনে চলা কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে ফেস মাস্ক ও ফেস শিল্ড পরা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীদের ফেস শিল্ডের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যাঁরা মাস্ক পরলে দমবন্ধ লাগে এই যুক্তিতে কষ্ট করে মাস্ক পরতে বাধ্য হন, ফেস শিল্ডে তাঁদেরও সুবিধা। তা ছাড়া এটি জীবাণুমুক্ত করা সহজ। সাবান-জলে ধুয়ে নিলে বা স্যানিটাইজার দিয়ে মুছে নিলে তা পরিষ্কার হয়ে যায়। ভাইরাস যাতে কম ছড়ায় এবং সংক্রমণ কম হয়, তার জন্যই ফেস শিল্ডের ব্যবহার। এই ফেস শিল্ডও আগে কখনও দেখা যায়নি। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায়ই উঠে এসেছে এটি। আর মাস্ক আগে দূষণের জন্য, ধুলোর জন্য ব্যবহার হলেও সারা দিন তা পরে থাকাও এ বছরের নতুন বিষয়! অনেকটা হেয়ার ড্রায়ারের মতো দেখতে এই যন্ত্র করোনা-কালে মানুষকে ভরসা যোগাচ্ছে। স্বভাবতই মহামারির সময় ইনফ্রারেড থার্মোমিটারের কাটতি বেড়েছে কয়েক গুণ। সারফেস ডিজইনফেক্ট – করোনা (Corona) কী না করিয়েছে আামাদের দিয়ে! রাস্তায় বসে আড্ডা দেওয়া, পার্কে বসে গল্প বা অফিসে যেখানে সেখানে এমনিই বসে যাওয়ার দিন শেষ করে দিয়েছে এই ভাইরাস। বাসে-ট্রামে বা মেট্রোয়- এখন প্রায় সব কিছুই ডিজইনফেক্ট করা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যবহার করা হচ্ছে Surface Disinfect। কোথাও বসার আগে বা হাত দেওয়ার আগে এখন প্রায় সবাই Surface Disinfectors ব্যবহার করেন। কী এই Surface Disinfectors, করোনা আসার আগে কারও তেমন জানা ছিল না। বা আগে কখনও এর ব্যবহার করেননি কেউ।পিপিই কিট – চিনে যে সময় করোনা সংক্রমণ শুরু হয়, তখন টিভিতে দেখে অনেকেরই মনে হত এটা কী, হয়তো কোনও নতুন ধরনের জামা! ধীরে ধীরে মিডিয়ার প্রচারের পর জানা যায় এটির নাম PPE Kit। যা পরলে আংশিক ভাবে হলেও সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ভারতে যখন করোনা প্রবেশ করে তখন এখানেও স্বাস্থ্য়কর্মীদের জন্য PPE Kit আনা শুরু হয়। এই জামাও আগে কখনও দেখেনি কেউ। ২০২০ ও প্যানডেমিক PPE Kit পরাও শিখিয়েছে মানুষকে। আর শুধু স্বাস্থ্যকর্মীরাই নয়, বর্তমানে সাধারণ মানুষও দূরে যাত্রা করলে PPE Kit পরছেন।প্যাডেল অপারেটেড স্যানিটাইজার – করোনা শুরু হওয়ায় সবাই স্যানিটাইজার ব্যবহার শুরু করেন। তখন কারও মাথায় আসেনি বোতল থেকেও ছড়াতে পারে করোনা। পরে যখন সেই সম্ভাবনার কথা বিজ্ঞানীরা তুলে ধরেন, তখনই কনট্যাক্ট লেস স্যানিটাইজার ও Paddle operated sanitiser bottle আসে বাজারে। পা দিয়ে চাপলে উপরে বোতল থেকে স্যানিটাইজার বের হয়। এটিও আগে কখনও দেখেনি কেউ। সবই আবিষ্কার করতে হয়েছে এই ভাইরাসের দৌলতে এই ২০২০-তে!এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Coronavirus: Can Covid-19 Impact Your Teeth? Here Are Some Alarming Signs To Watch Out For – দাঁতে ব্যথাও কি COVID 19-এর উপসর্গ হতে পারে? কী বলছে নয়া গবেষণা, জানুন…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে ততই নিজের চরিত্র পালটাচ্ছে COVID-19। যার ফলে পরিবর্তন হচ্ছে উপসর্গেও। সম্প্রতি নতুন নতুন উপসর্গ যোগ হয়েছে উপসর্গ তালিকায়। দাঁতে ব্যথাও তেমনই একটি নতুন উপসর্গ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এমন অনেকেরই দাঁতের সমস্যা শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, দাঁত তুলতে হচ্ছে এমন সমস্যাও দেখা গিয়েছে।বর্তমানে অনেকেই আছেন যারা করোনা (Coronavirus) থেকে মুক্ত হওয়ার পরও একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। করোনামুক্ত হওয়ার পর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, ত্বক, চোখ, রেসপিরেটরি সিস্টেম-সহ শরীরের একাধিক ক্ষেত্রে এই ভাইরাস প্রভাব ফেলছে। একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করছে।সাম্প্রতিক কিছু সমীক্ষায় চিকিৎসকরা দেখেছেন, এই কয়েকটি উপসর্গ বা শারীরিক সমস্যাগুলির পাশাপাশি যাঁরা করোনা থেকে সুস্থ হচ্ছেন তাঁদের দাঁতের সমস্যাও হচ্ছে। শুধু তাই নয়, করোনা (Coronavirus) হওয়ার সময়েও দাঁতে ব্যথা, এনামেল নষ্ট হয়ে যাওয়া বা মাড়িতে ব্যথা হচ্ছে। যাকে করোনার নতুন উপসর্গ বলে মনে করা হচ্ছে। যা রীতিমতো ভাবাচ্ছে চিকিৎসকদের।তবে, দাঁতে ব্যথা কি কোভিড ১৯-এর (COVID 19) উপসর্গ হতে পারে? ওরাল হেলথের (Oral Health) উপরে করোনার প্রভাব রয়েছে? অনেক জায়গাতেই বলা হয়েছে ওরাল হেলথের (Oral Health) উপরে করোনার প্রভাব রয়েছে। কিন্তু করোনার জন্যই যে দাঁতে ব্যথা বা দাঁতের সমস্যা হচ্ছে, তা সে ভাবে এখনও প্রমাণিত হয়নি। তবে সমীক্ষা বলছে, কোভিড ১৯ (COVD-19) থেকে যাঁরা সেরে উঠছেন, তাঁদের পরবর্তী বিভিন্ন উপসর্গের উপরে নজর রাখতে হবে।দাঁতের উপর করোনার প্রভাব বলতে কী বোঝানো হচ্ছে?এখনও পরিষ্কার নয়, ওরাল হেলথের উপরে SARS-COV-2-এর প্রভাবটা কতটা। তবে, চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা ব্লাড ফ্লো বা শরীরে রক্ত সরবরাহে ক্ষতি করে। যার কারণে হার্ট (Heart), ব্রেন (Brain) বা শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সমস্যা হয়। এখন দাঁতের মাড়ি বা মুখের ভিতরে একাধিক জায়গায় ব্লাড ভেসেলের অ্যাক্টিভিটি বেশি, তাই যদি রক্ত সরবরাহে সমস্যা হয়, তা হলে দাঁতের সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যাঁদের মুখে বা ন্যাসাল এরিয়ায় ভাইরাস সব চেয়ে বেশি থাকছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ওরাল ক্যাভিটি হওয়ার সমস্যা থাকছে। এই সাইটোকাইন স্টর্মও করোনার সঙ্গে যুক্ত। শিশুদেরও দাঁতে ব্যথা হতে পারে করোনার তেমন ক্ষতিকর প্রভাব দেখা না গেলেও সমীক্ষা বলছে, তাদের মধ্যেও দাঁতে ব্যথা বা দাঁতের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ডায়াবিটিস , ক্যানসারের রোগীদের মধ্যেও উপসর্গ এমনিতেও সব চেয়ে বেশি থাকে। কিন্তু তাঁদের যদি এমন দাঁতে ব্যথার উপসর্গ থাকে, তা হলে তা নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া ভালো। দাঁত ভালো রাখতে কী কী করা যেতে পারে আগে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) সঙ্গে দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখা বা না রাখার যোগ থাকত। বর্তমানে করোনা নিয়ে তেমন প্রমাণিত কিছু তথ্য না থাকলেও দাঁতের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। দাঁত পরিষ্কার রাখা, দাঁতের মাড়ি ভালো রাখা খুবই জরুরি। এর জন্য ডায়েটেও নজর দিতে হবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Full Set Of Teeth And Blocked Nose Could Speed Up The Covid-19 Super-Spreading. Here’s How – এই শীতে সাবধান! বন্ধ নাক ও দাঁত থেকেও দ্রুত ছড়ায় করোনা, জানুন নয়া সমীক্ষা…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বন্ধ নাক আর দাঁত থেকে দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে করোনা ভাইরাস, নয়া সমীক্ষায় এমনই দাবি। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, সুপার স্প্রেডারদের মধ্যে দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে – একটি দাঁত এবং অন্যটি ব্লক-আপ নাক বা বন্ধ নাক। দাঁত ও নাক বন্ধ থাকলে দ্রুত গতিতে ও অনেকটা দূরত্বে ছড়িয়ে পড়ে হাঁচির ড্রপলেট। এর জেরে করোনা বেশি মাত্রায় সংক্রমিত হতে পারেন মানুষজন।সুপার স্প্রেডারদের হাঁচির ধরণ, হাঁচির ড্রপলেটের দূরত্ব, গতিবেগ-সহ একাধিক বিষয়কে খতিয়ে দেখা হয়েছে ওই গবেষণায়। এই বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মাইকেল কিনজেল জানিয়েছেন, এই সমীক্ষা থেকে সংগৃহীত নানা তথ্যের মাধ্যমে সুপার স্প্রেডারদের চিহ্নিত করা যেতে পারে। এর জেরে সুপার স্প্রেডিংয়ের গতিবিধিও নির্ণয় করা যাবে। এ ছাড়া প্রথমবার এই সমীক্ষার মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, হাঁচির ড্রপলেটগুলি ঠিক কী কারণে ও কতটা দূর পর্যন্ত ছড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে হাঁচির ড্রপলেট ছড়ানোর দূরত্বকেও নির্ণয় করার চেষ্টা করা হয়েছে। বাতাসে কতক্ষণ ভাসমান থাকতে পারে এই ড্রপলেট বা কী কী বিষয়গুলি হাঁচির এই ড্রপলেটকে প্রভাবিত করে সেই বিষয়টিও দেখা হয়েছে এই গবেষণায়।আরও পড়ুন: চায়ের দোকানে কাগজের কাপে চুমুক? শরীরের ক্ষতি করছেন! আজই জানুনএকটি এলাকার মধ্যে একজনের মাধ্যমে করোনা যখন একটা বড় অংশ সংক্রমিত হয়ে পড়ে, তখন তাকে সুপারস্প্রেডিং বলা হয়। এ ক্ষেত্রে সুপার স্প্রেডার বা অতিসংক্রামক মানুষজনের ক্ষেত্রে অন্যতম আশঙ্কাজনক দু’টি বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। সমীক্ষা জানাচ্ছে, দাঁত ও নাক বন্ধ থাকলে দ্রুত গতিতে ও অনেকটা দূরত্বে ছড়িয়ে পড়ে হাঁচির ড্রপলেট। এর জেরেই বেশি সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত হতে পারে। দাঁতও হাঁচির গতিবেগের উপরে প্রভাব ফেলতে পারে। যদি দাঁতের দুই পাটি বন্ধ থাকে বা মুখ খোলা না হয়, তা হলে হাঁচি বেরোনোর পথ প্রায় বন্ধ থাকে। অর্থাৎ যদি হাঁচি বেরোনোর জায়গা কম হয়, তা হলে প্রবল গতিতে বের হয় হাঁচি। এবং ড্রপলেটগুলি অনেকটা দূর পর্যন্ত যেতে পারে। তাই দাঁতের পাটির মাঝে যদি বেশি ফাঁক বা জায়গা থাকে, তা হলে হাঁচির গতি কমে যায়। ড্রপলেটের মাধ্যমে সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমে। তাই গবেষকদের পরামর্শ, নাক পরিষ্কার রাখতে হবে। সর্দি-কাশির জন্য নাক যাতে বন্ধ না থাকে, সেই বিষয়টিতে নজর দিতে হবে। নাক ও মুখ ব্লক রাখা বা অসুস্থতার জেরে কোনও কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে, সেই বিষয়েও নজর রাখতে হবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link