Tag Archives: টয়লেট

toilet habits: টয়লেটেও কি আপনি ফোন নিয়ে যান? নিজের কী কী ক্ষতি করছেন জানুন… – toilet habits that are harmful to health and give you infections

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি বাথরুমেও মোবাইল নিয়ে যান? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে আজ থেকে আপনার অভ্যাসটি পরিবর্তন করুন। কারণ আপনার এই বদ অভ্যাস অনেক সংক্রামক রোগের শিকার করতে পারে। শুধু এটিই নয়, আপনাকে গুরুতর রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।কয়েক বছর আগে মানুষ তাঁদের সময় বাঁচানোর জন্য বাথরুমে সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিন পড়ত। তবে আজকাল স্মার্টফোন দু’জনের জায়গা করে নিয়েছে। এখন সবাই মোবাইল ফোন নিয়ে বাথরুমে ঘন্টা খানেক সময় কাটায়। ফেসবুক চেক করা, ইনস্টাগ্রামের ফিডগুলি দেখা, হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করা, এমনকি সারা পৃথিবীর সংবাদ পড়ে ফলেন এই সময়ে। সত্যিই এই জিনিসটির প্রতি আসক্ত ব্যক্তিরা জানেন না যে, তাঁরা এটি করে নিজেরাই অসুখ-বিসুখকে আহ্বান করছেন। স্মার্টফোন কীভাবে টয়লেট থেকে রোগ বহন করে জেনে নিন…কীভাবে সংক্রামিত হতে পারে?বাড়ির সমস্ত জায়গার মধ্যে সর্বাধিক জীবাণু বাথরুমে পাওয়া যায়। এখানে ট্যাপ, হ্যান্ড ড্রায়ার, ডোর ল্যাচ হ’ল সর্বাধিক জীবাণু, যা আপনি কখনও দেখেননি। আপনি যখন আপনার সঙ্গে ফোন রাখেন, তখন আপনার ফোনটিতে ব্যাকটিরিয়ার সংস্পর্শে আসে। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, টয়লেটের ভিজে পরিবেশে ব্যাকটিরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। ঠিক ভাবে হাত না ধোওয়া বা টয়লেট ব্যবহারের সময় সেই জায়গায় মোবাইল রাখার ফলে তাতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সালমোনেল্লা, ই.কোলাই, সিগেল্লা এবং ক্যামফাইলোব্যাকটরের মতো ব্যাকটিরিয়া। ফোনের টাচস্ক্রিনে গ্যাসট্রো এবং স্ট্যাপের মত ক্ষতিকর ভাইরাস জন্মাতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। টয়লেটে ব্যবহারের পর সেই ফোন আমরা বিছানায় বা খাবার জায়গায় রাখি এবং সেখানেও ব্যবহার করি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মোবাইলে বাসা বাঁধা এই ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটিরিয়া খাবারের সঙ্গে লালায় মিশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শরীরে।টয়লেটের সিটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি জীবাণু থাকে ফোনে বাথরুমে ফোন নিয়ে যাওয়া কতটা বিপজ্জনক হতে পারে তা আপনি ভাবতে পারেন না। অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাওয়ারদের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, টয়লেট আসনের চেয়ে স্মার্টফোনে ১০ গুণ বেশি ব্যাকটিরিয়া থাকে। বাথরুম ব্যবহারের পর হাত ধুয়ে ফেলি, তবে স্মার্টফোনটি পরিষ্কার করতে ভুলে যাই। ফলস্বরূপ রোগজনিত জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়া তাদের সঙ্গে আটকে থাকে যা সহজেই সংক্রমণের কারণ হয়ে থাকে।বয়স বাড়লেই মেয়েদের এই ৬ রোগের ঝুঁকি বাড়ে! কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন? জানুন…মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারেপ্রযুক্তিটি আমাদের জীবনকে কতটা সহজ করে তুলেছে তা নয়, তবে সর্বদা এর ব্যবহার আপনাকে মানসিক চাপ দেওয়ার একটি বড় কারণও বটে। এমনকি যদি আপনি বাথরুমেও ফোনটি ব্যবহার করতে থাকেন তবে স্ট্রেস এবং হতাশা থাকা স্বাভাবিক। বাথরুমে ফোনটি নিয়ে, আপনি আপনার মন এবং স্বাস্থ্য উভয়ই নিয়ে খেলছেন।বিকল্প কি হতে পারে?বাথরুমে পাওয়া জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আপনি যদি বাথরুমে আপনার ফোন ব্যবহার করেন তবে আপনার নিরাপদ থাকা এবং স্বাস্থ্যকরতা বজায় রাখা আপনার পক্ষে খুব জরুরি। টয়লেটে যাওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো বিকল্পটি ফোনটি বাইরে রেখে দেওয়া। যদি প্রয়োজন হয়, তবে এটি পরে অ্যালকোহল-ভিত্তিক স্যানিটাইজার দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করুন। এছাড়াও টয়লেটে খুব বেশি সময় ব্যয় না করার চেষ্টা করুন। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

coronavirus: টয়লেট ফ্লাশ করলেও হাওয়ায় ছড়াতে পারে করোনা! বলছেন বিশেষজ্ঞরা – covid-19: flushing toilets can spread virus in the air, says report

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক:টয়লেট ব্যবহারের পর ফ্লাশ করার সময় এবার থেকে অবশ্যই কমোডের লিড বন্ধ করে নেবেন। কারণ ফ্লাশ করার সময় নাকি বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনাভাইরাস। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চিনের ইয়াংঝাউ ইউনিভার্সিটির কয়েকজন গবেষক এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে আমাদের পাচনতন্ত্রের মধ্যেও বেঁচে যেতে পারে করোনাভাইরাস এবং করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মলের ভেতর দিয়ে তা বেরিয়ে আসতে পারে। মানুষের মলে এমন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা ও ভাইরাস থাকে, যা খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। কিন্তু ফ্লাশ করলে অতি বেগে জল বেরিয়ে আসার ফলে করোনাভাইরাস জলকণার সঙ্গে মিশে বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে পরবর্তী যিনি ওই টয়লেট ব্যবহার করবেন, তিনি অজান্তেই করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। এই কারণে কমোডের লিড বন্ধ করে ফ্লাশ করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিত্‍সকরা। পাবলিক টয়লেট যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কারণ ওই টয়লেট আপনার আগে কে ব্যবহার করেছেন, তা সাধারণত জানার কোনও উপায় থাকে না। তবে একবার ফ্লাশ করে দেওয়ার পর ওই ভাইরাস কতটা ক্ষতিকর ও তার থেকে সংক্রমণের আশঙ্কা কতটা রয়েছে তা নিয়ে সন্দিহান বিশেষজ্ঞরা। এদিকে রাশিয়া জানিয়েছে যে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথে আরও এক ধাপ অগ্রসর হয়েছে তারা। মানব শরীরে করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করেছে রাশিয়া। এই পরীক্ষা সফল হল কিনা তা দেড় মাসের মধ্যে বোঝা যাবে। পরীক্ষা সফল হলে তিন থেকে চার মাসের মধ্যে জনগণের ওপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা শুরু হবে। অতিমাত্রায় সাবধান থাকতে হবে পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে। নিজের অজান্তেই ভাইরাস না ছড়াতে টয়লেট ব্যবহারের পর কমোডের লিড বন্ধ করে নিন। না হলে ভাইরাস হাওয়ায় ছড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Source link