Tag Archives: থাইরয়েড

থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন? কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন, জানুন…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আজকের যুগে রোগ খুব সাধারণ এক রোগ বলা হয়। যা গলায় উপস্থিত থাইরয়েড গ্রন্থিতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে হয়। হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা ওজন হ্রাস হওয়া, গলায় ফোলাভাব, চুল পড়া, কণ্ঠের পার্থক্য ইত্যাদি অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। থাইরয়েড, হাইপারথাইরয়েড এবং হাইপোথাইরয়েড দুই ধরণের রয়েছে। অতএব, থাইরয়েড এড়াতে, ডায়েটে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। আপনি যদি এই রোগ থেকে দূরে থাকতে চান, তবে অবশ্যই আপনার ডায়েটে সেই জিনিসগুলি অন্তর্ভুক্ত করুন-

আয়োডিনযুক্ত খাবার খান
আপনার ডায়েটে এ জাতীয় জিনিসগুলি অন্তর্ভুক্ত করা দরকার যার মধ্যে আয়োডিনের পরিমাণ বেশি থাকে। কারণ আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ করে, এবং এই রোগ থেকে রক্ষা করে কাজ করে। আয়োডিনের জন্য আপনি শুকনো আঙুর, আলু, দুধ, দই, বাদামি চাল এবং রসুন জাতীয় খাবার খেতে পারেন।

ফল এবং রস
আপনি যদি থাইরয়েড থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চান তবে আপনার ডায়েটে ডালিম, আপেল, কলা, কমলা, আঙুর, তরমুজ এর মতো ফল এবং এর রস অন্তর্ভুক্ত করুন। ফলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়। কেবল থাইরয়েডই নয়, এটি অন্য যে কোনও ধরণের রোগ থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।

দুগ্ধজাত খাবার
দুগ্ধজাত খাবার আপনার ডায়েটে রাখতে হবে। এগুলিতে ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম জাতীয় প্রচুর পুষ্টি থাকে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। আপনাকে থাইরয়েড থেকে রক্ষা করবে। এর জন্য দুধ (ফুল ক্রিম, টোনড, স্কিমড, লো ফ্যাট), দই, মাখন, পনির, পনির, ক্রিম এবং কাস্টার্ড জাতীয় জিনিস খাওয়া যেতে পারে।

সি ফুড
থাইরয়েড প্রতিরোধের জন্য আপনাকে আপনার ডায়েটে সামুদ্রিক খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর জন্য, আপনি চিংড়ি এবং সামুদ্রিক মাছের মতো খাবার খেতে পারেন। এগুলিতে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাইরয়েড প্রতিরোধের জন্য উপকারী হতে পারে।

আয়রন এবং কপারযুক্ত খাবার ডায়েটে রাখুন
থাইরয়েডজনিত রোগ এড়াতে আপনার তামা জাতীয় উপাদান ব্যবহার করা উচিত। এর জন্য, আপনি পালং শাক, ফলমূল, ব্রকলি, শেলফিশ, লাল মাংস, কুমড়োর বীজ, তোফু, বাদাম, কাজু, সূর্যমুখী বীজ খেতে পারেন।

(উল্লেখ্য: এই নিবন্ধে একটি সাধারণ তথ্য দেওয়া হয়েছে। এগুলি বাস্তবায়নের আগে আপনার চিকিৎসকরে সঙ্গে পরামর্শ করে নিন)

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Health Tips in Bengali: 6 Foods To Avoid If You Have Hypothyroidism – ওষুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে রাখুন থাইরয়েডের সমস্যা! জেনে নিন অব্যর্থ ঘরোয়া উপায়… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আমাদের গলায় শ্বাসনালির সামনের দিকে অবস্থিত থাইরয়েড গ্রন্থি। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন মানুষের শরীরের বিভিন্ন কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। বিপাক ক্রিয়া, বাচ্চাদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা, বুদ্ধির বিকাশ, বয়ঃসন্ধির লক্ষণ, মহিলাদের ক্ষেত্রে ঋতুচক্র, গর্ভধারণ—এগুলি নির্ভর করে থাইরয়েড গ্রন্থির থেকে নিঃসৃত হরমোনের উপরে। থাইরয়েড হরমোন দু’প্রকার টি-থ্রি ও টি-ফোর। আমাদের শরীরের রক্তে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় এই হরমোন থাকে। কোনও কারণে এই হরমোনগুলি বেড়ে বা কমে গেলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। থাইরয়েডের সমস্যা প্রধানত দুই ধরনের— ১) হাইপারথাইরয়েডিজ়ম (Hyperthyroidism)— এ ক্ষেত্রে রক্তে থাইরয়েড নিঃসৃত হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ২) হাইপোথাইরয়েডিজ়ম (Hypothyroidsm)— এ ক্ষেত্রে রক্তে থাইরয়েড নিঃসৃত হরমোনের পরিমাণ কমে যায়। বিভিন্ন কারণে থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে। যেমন, হাইপোথাইরয়েডিজম মূলত দেখা যায়— ১) খাদ্যে আয়োডিনের অভাব, ২) কিছু অটো ইমিউনি ডিসঅর্ডার ৩) থাইরয়েডের অপারেশন হলে, ৪) রেডিয়েশন থেরাপি নিলে, ৫) কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন লিথিয়াম, অ্যামিওডারোন, ৬) জন্মের সময়ে থাইরয়েড গ্রন্থি তৈরি না হওয়া, কিছু উৎসেচক ঠিকঠাক কাজ না করা, ৭) কিছু খাদ্য উপাদান বেশি পরিমাণে খেলে, যেমন, বাঁধাকপি, ব্রকলি, পুঁইশাক, মিষ্টি আলু, মটরশুটি, কাসাভা, পিচফল, স্ট্রবেরি ইত্যাদি।হাইপারথাইরয়েডিজম এর মূল কারণগুলি হল-১) অটো ইমিউননি ডিসঅর্ডার যেমন গ্রেভস ডিজিজ, ২) থাইরয়েড হরমোন বেশি পরিমান হলে, ৩) থাইরয়েড গ্রন্থির সংক্রমণ হলে, ৪) কিছু ধরনের থাইরয়েড টিউমার হলে।বিভিন্ন কারণে থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে। যেমন, হাইপোথাইরয়েডিজম মূলত দেখা যায়— ১) খাদ্যে আয়োডিনের অভাব, ২) কিছু অটো ইমিউনি ডিসঅর্ডার ৩) থাইরয়েডের অপারেশন হলে, ৪) রেডিয়েশন থেরাপি নিলে, ৫) কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন লিথিয়াম, অ্যামিওডারোন, ৬) জন্মের সময়ে থাইরয়েড গ্রন্থি তৈরি না হওয়া, কিছু উৎসেচক ঠিকঠাক কাজ না করা, ৭) কিছু খাদ্য উপাদান বেশি পরিমাণে খেলে, যেমন, বাঁধাকপি, ব্রকলি, পুঁইশাক, মিষ্টি আলু, মটরশুটি, কাসাভা, পিচফল, স্ট্রবেরি ইত্যাদি।হাইপারথাইরয়েডিজম এর মূল কারণগুলি হল-১) অটো ইমিউননি ডিসঅর্ডার যেমন গ্রেভস ডিজিজ, ২) থাইরয়েড হরমোন বেশি পরিমান হলে, ৩) থাইরয়েড গ্রন্থির সংক্রমণ হলে, ৪) কিছু ধরনের থাইরয়েড টিউমার হলে।ওষুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে রাখুন থাইরয়েডের সমস্যা। জেনে নিন ঘরোয়া কিছু উপায়অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যুক্ত ফল ও শাক-সবজি-যদি ডায়েট করে থাকেন তাহলে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যুক্ত ফল ও শাক-সবজি খান। কারণ, এইগুলি থাইরয়েডের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়াও ভিটামিন-বি ১২ যুক্ত খাবার থাইরয়েড গ্রন্থিকে সঠিক ভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।চিনি খাবেন না-আপনার থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কোনও ভাবেই চিনি খাবেন না। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে T3 ও T4— এই দুটি হরমোন উত্পন্ন হয়ে। যা স্বাস্থ্য়ের পক্ষে খারাপ।আয়োডিন যুক্ত খাবার-যখন আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়োডিন থাকে না তখন থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। যা হাইপোথাইরয়েডিজম-এর দিকে পরিচালিত হয়ে। তাই আয়োডিন যুক্ত খাবার খান।শরীরচর্চা- মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। থাইরয়েডের সমস্যা কম থাকে। প্রতিদিনের খাবারে আয়রন কম পরিমাণে থাকলেও থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।যোগ ব্যয়াম করুন- যোগ ব্যয়াম ও ধ্যান থাইরয়েড গ্রন্থিতে রক্ত প্রবাহকে সঠিক রাখে।এমনিতে যাঁদের থাইরয়েড আছে, তাঁদের সবজি খেতে কোনও বাধা নেই। কিন্তু ব্রোকোলি, বাঁধাকপি (Cabbage) এগুলোর মধ্যে গোইট্রোজেন আছে। এই উপাদান থাইরয়েড উৎপাদন কমিয়ে দেয়। তবে এই নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে মতবিরোধ আছে। অনেক চিকিৎসক বলেন যে ভালো করে রান্না করে খেলে এই সবজি খাওয়া যেতে পারে। হাইপোথাইরয়ডিজমের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে আইসোফ্ল্যাভোনস, যা থাকে সোয়া, সোয়া মিল্ক ও তোফুতে। যদিও থাইরয়েড গ্রন্থির উপর সোয়াজাত খাবারের প্রভাব কতটা, সেটা নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে সুরক্ষিত থাকার জন্য এই জাতীয় খাবার কম খাওয়াই ভালো!এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Thyroid Symptoms in bengali: চুল পড়ছে, ওজনও বেড়ে চলেছে? যে লক্ষণগুলি দেখে বুঝবেন থাইরয়েড কিনা… – Thyroid Symptoms: 6 Warning Signs And Symptoms Of Hypothyroidism

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনার কি সব সময় শরীর অবসন্ন লাগে? সারা রাত পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও ক্লান্ত ভাব কিছুতেই কাটছে না? অতিরিক্ত চুল পড়ছে, গলা ফুলে উঠেছে? থাইরয়েডের সমস্যা নয় তো? কী ভাবে বুঝবেন আপনার থাইরয়েড হয়েছে কিনা? আমাদের স্বরযন্ত্রের দুই পাশে থাকা একটি বিশেষ গ্রন্থি হল থাইরয়েড। থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ হলো আমাদের শরীরের কিছু অত্যাবশ্যকীয় হরমোন (থাইরয়েড হরমোন) উৎপাদন করা। থাইরয়েড গ্রন্থি বা থাইরয়েড হল অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যার অবস্থান গলায়। পুরুষের এডাম’স এপলের ঠিক নিচে এর অবস্থান। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসৃত হয়।শরীরের জন্য এই থাইরয়েড হরমোনের একটি নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। নির্দিষ্ট মাত্রার থেকে কম বা বেশি হরমোন উৎপাদিত হলেই শরীরের উপর বিভিন্ন রকমের বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করে। থাইরয়েড হরমোন কম উৎপন্ন হলে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিসম এবং বেশি উৎপন্ন হলে বলা হয় হাইপারথাইরয়েডিসম। এ বার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক থাইরয়েড হরমোনের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যার লক্ষণগুলি কী কী…ওজন পরিবর্তন: হঠাৎ করেই কোনও কারণ ছাড়া ওজন বেড়ে যাওয়াটা হাইপোথাইরয়েডিসমের কারণে হতে পারে। যদি খাওয়ার পরিমাণ না বাড়ানো সত্ত্বেও হঠাৎ করে ওজন পরিবর্তিত হয় তাহলে থাইরয়েড হরমোনের পরীক্ষা করানো উচিত। একই ভাবে যাঁদের হঠাৎ করেই বেশ খানিকটা ওজন কমে যায়, তাঁদেরও হাইপারথাইরয়েডিসম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।অবসন্নতা: নিয়মিত শরীর অবসন্ন লাগার একটি অন্যতম কারণ হতে পারে হাইপোথাইরয়েডিসম। হাইপো থাইরয়েডিসম হল শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় কম থাইরয়েড হরমোন তৈরি হওয়া। সারা রাত পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও যদি সকালে অবসন্ন লাগে অথবা সারা দিন ধরে ঝিমুনি আসে তাহলে থাইরয়েড হরমোন ঠিক মতো কাজ করতে কিনা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।চুলের সমস্যা: হাইপোথাইরয়েডিসম হলে অতিরিক্ত চুল পড়া, চুলের বৃদ্ধি কমে যাওয়ার মতো একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। থাইরয়েড হরমোনের স্বল্পতা বা আধিক্য, দুটিই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তবে সময় মতো সনাক্ত করতে পারলে নির্দিষ্ট মাত্রার অসুধ খেয়ে পুরোপুরি সুস্থ থাকা সম্ভব। তাই থাইরয়েড হরমোন সমস্যার কোনও লক্ষণ দেখা গেলে তা অবহেলা করে ফেলে না রেখে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।ত্বকের উপর প্রভাব: হাইপোথাইরয়েডিসমের কারণে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। হাইপোথাইরয়েডিসমের কারণে ঘাম কম হয় এবং ত্বক তার প্রয়োজনীয় আদ্রর্তা পায় না। ফলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। হাইপোথাইরয়েডিসমের রোগীদের মধ্যে নখ ভাঙ্গার বা নখে ফাটল ধরার প্রবণতাও বেশি।গলার স্ফীতি: থাইরয়েড হরমোনের অভাবে অর্থাৎ হাইপোথাইরয়েডিসমের কারণে গলা ফুলে উঠতে পারে। গলায় হাত দিয়ে কোনও অস্বাভাবিক ফোলা কিছু পেলে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এ ছাড়াও থাইরয়েড হরমোনের অভাবে গলার স্বর কিছুটা কর্কশ বা গম্ভির হয়ে যেতে পারে।অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা: সারাক্ষণ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা হাইপারথাইরয়েডিসম-এর লক্ষণ হতে পারে। হাইপারথাইরয়েডিসম হল শরীরে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি থাইরয়েড হরমোন তৈরী হওয়া। সারাক্ষণ শরীরে অস্থির ভাব এবং বিশ্রামহীন বোধ হলে হাইপারথাইরয়েডিসমের সমস্যা আছে কিনা তা পরীক্ষা করানো দরকার।থাইরয়েড রোগীদের নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়। খেয়াল রাখতে হবে, ওষুধ খাওয়ার আগে ও পরে এক ঘণ্টা বিরতি দিতে হবে। সেই নিয়ম মেনে ফুলকপি, বাঁধাকপি, সয়াবিন খেলে ক্ষতি নেই। তবে এ ক্ষেত্রে আনাজগুলো ভাপিয়ে নিয়ে জলটা ফেলে রান্না করলে ভাল। কচু না খেলেই ভাল। অবশ্য টম্যাটো খাওয়া যেতে পারে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link