Tag Archives: পিরিয়ড

menstrual diet: সুস্থ থাকতে পিরিয়ডের সময় কী খাওয়া উচিত আর কী নয়, পড়ুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ… – menstrual diet: expert tips, dos and don’ts for healthy and comfortable periods

হাইলাইটসপ্রতিটা মেয়ের মধ্যেই থাকে অপরিসীম সহনশীলতা, আর লড়াকু মানসিকতা, কোনো ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পায় আবার কখনো ছাই চাপা আগুন হয়ে থাকে। কিন্তু মেন্সট্রুয়াল সাইকেলের ওই চারটে দিন যেন সব মেয়েকেই কাবু করে দেয়। পেটে ব্যথা, মুড সুইং, বমিভাব-সহ বিভিন্ন উপসর্গ লেগেই থাকে এই চারদিনে। শুয়ে বসে থাকার ও যে উপায় নেই।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিটা মেয়ের মধ্যেই থাকে অপরিসীম সহনশীলতা, আর লড়াকু মানসিকতা, কোনো ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পায় আবার কখনো ছাই চাপা আগুন হয়ে থাকে। কিন্তু মেন্সট্রুয়াল সাইকেলের ওই চারটে দিন যেন সব মেয়েকেই কাবু করে দেয়। পেটে ব্যথা, মুড সুইং, বমিভাব-সহ বিভিন্ন উপসর্গ লেগেই থাকে এই চারদিনে। শুয়ে বসে থাকার ও যে উপায় নেই। তাই আজকের আলোচনার বিষয় কিভাবে সঠিক ডায়েট দ্বারা আমরা এই কয়েকদিনের কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারি। প্রথমে দেখি এই সাইকেলের তিনটি ভাগ-১) মেন্সট্রুআল বা ফলিকুলার ফেজ ২) ওভিউলাসন ফেজ৩) লিউটিয়াল ফেজপ্রথম ধাপ ফলিকুলার ফেজ এর সময় হলো পিরিয়ডের প্রথম তিন থেকে ছয় দিন।। এই সময় ক্লান্তিভাব, পেটে ব্যথা, মাসল ক্র্যাম্পিং ইত্যাদি দেখা যায় যার প্রধান কারণ হলো হরমোনের তারতম্য যেমন এই ফেজে প্রজেস্টেরন ও ইস্ট্রোজেনের মাত্রা দেহে সবচেয়ে কমে যায় যা ক্লান্তিভাবের প্রধান কারণ। ডায়েটের মাধ্যমে আমরা এই উপসর্গ গুলিকে সম্পূর্ণ নিরাময় করতে না পারলেও কিছুটা কমাতেই পারি।১. আয়রন: আয়রনের অন্যতম কাজ হলো দেহে লোহিত কণিকা তৈরি ও রক্তবাহের মধ্যদিয়ে সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করা। এই সময় রক্তক্ষরণের জন্য দেহে আয়রনের মাত্রা কিছুটা হ্রাস পায়, আর ভারতীয় মহিলারা এমনিতেই বেশিরভাগ সময়ে আয়রনের ঘাটতি জনিত রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগতে থাকে। তাই এই সময় আয়রন যুক্ত খাবার যেমন মাছ, মাংস, ডিম, বিভিন্ন বিনস, লেনটিল , সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি প্রচুর পরিমানে ডায়েটে রাখতেই হবে। আর লোহার কড়াইতে রান্নার কথা তো আমি সবসময়তেই বলি, বাকি দিন গুলো সম্ভব না হলেও এই কয়েকটা দিন লোহার কড়াইতে রান্নার চেষ্টা করুন, তফাৎ টা বুঝতে পারবেন নিজেরাই।২. ভিটামিন সি: আয়রনের শোষণে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে ভিটামিন সি, এছাড়াও এটি আন্টি অক্সিড্যান্ট যা শরীর থেকে ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যাল নিষ্কাশনেও সাহায্য করে। তাই ডায়েটে থাকুক প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যুক্ত খাদ্য যেমন সবুজ শাকসবজি, লেবু জাতীয় ফল, দিনে একটা করে আমলকি বা পেয়ারা, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি।৩.ক্যাফিন : এই কয়েকটা দিন একদম দূরে থাক ক্যাফিন বা ট্যানিন যেমন চা ও কফি। এগুলোতে উপস্থিত পলিফেনল দেহে আয়রনের মাত্রা কিছুটা হলেও কমিয়ে দেয়। এছাড়াও ক্যাফিন হল একপ্রকার ভ্যাসোকোনস্ট্রিক্টর যা পেটে মাসল ক্র্যাম্পিংয়ের অন্যতম কারণ।৪. শাকসবজি ও ফল: ডায়েটে থাকুক প্রচুর শাকসবজি ও ফল যা শুধু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করবে তাই নয়, প্রচুর ফাইবারের উপস্থিতির জন্য কনস্টিপেসন ও দূর করবে।৫. হালকা ব্যায়াম: শুনতে অবাক লাগলেও এই সময় হালকা ব্যায়াম বা হাঁটা কিন্তু আপনার মুডকে নিমেষে ঠিক করে দিতে পারে, বিভিন্ন স্ট্রেচিং, সূর্য নমস্কার, প্রাণায়াম সহ অল্প হাঁটা এন্ডডরফিন হরমোন নিঃস্বরণ করে যা মুড ভালো রাখতে বিশেষ উপযোগী৬. ড্রাই ফ্রুটস: বিভিন্ন ড্রাই ফ্রুটস যেমন খেঁজুর, কিসমিস ইত্যাদি যেমন আয়রন সরবরাহ করবে তেমনি দেহে এক্সট্রা ক্যালোরির চাহিদাও মেটাবে।তাই নির্ভাবনায় থাকুক ডায়েটে এই ড্রাই ফ্রুটস।এরপর বলব দ্বিতীয় ধাপ অর্থ্যাৎ অভিউলাসন ফেজের কথা, যা পিরিয়ডের ১৪-১৭দিন চলে। এই সময় একদম রোজের ব্যালান্সড ডায়েটে থাকুন, সঙ্গে চলুক নিয়মিত শরীরচর্চা। তৃতীয় ধাপ চলে ১৭ থেকে ২৮ দিন, এই সময় দেহে পরিণত ডিম্বাণু নিঃসৃত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে আবার শুরু হয় প্রি মেন্সট্রুআল সিম্পটমস, যেমন- মুড সুইং, ব্রণের সমস্যা, তলপেটে টান ধরা ইত্যাদি।আরেকটি উপসর্গ ও দেখা যায় এই সময় তা হল কার্বোহাইড্রেট ক্রেভিং অর্থ্যাৎ দিনের বেশিরভাগ সময়ে কার্বোহাইড্রেট খাবার ইচ্ছে এর ফলে এই ফেজে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কিন্তু সবচেয়ে বেশি। তাই প্রচুর ফাইবার ও জল কিন্তু খেতেই হবে, এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সাথে শরীর আর্দ্র ও থাকবে। এই তিনটি ধাপেই উপরোক্ত খাবারগুলি ছাড়াও আরও যে কয়েকটি খাবার রাখতেই হবে সেগুলোও দেখে নিন-১: আদা: আদাতে রয়েছে এন্টি ইফেক্টিভ ধর্ম যা কিনা এই সময় দেহের প্রতিটা কোষ কে সজীব ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে২: হলুদ: হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন সাহায্য করে মাসল ক্র্যাম্পিং কমাতে, তাই উষ্ণ গরম দুধ বা হারবাল চা এর সাথে .রোজ ডায়েটে থাকুক হলুদ৩: ডার্ক চকলেট: এতে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রন। আয়রনের উপকারিতার সাথে সাথেই ম্যাগনিয়াম কিন্তু প্রি মেন্সট্রুআল উপসর্গ গুলি কমাতে সাহায্য করে।৪: হেলদি নাটস: বিভিন্ন হেলদি নাটস যেমন আলমন্ড, আখরোট ইত্যাদি তে রয়েছে গুড ফ্যাট, প্রোটিন, ও ম্যাগনেসিয়াম। তাই উপকারিতাও কিন্তু অপরিসীম।৫: রেড মিট ও ভাজাভুজি: রেড মিটে থাকে প্রচুর প্রোস্টাগ্ল্যানডিন হরমোন যা কিনা মাসল ক্র্যাম্পিং এর জন্য দায়ী। এছাড়াও অল্প ভাজাভুজিই কিন্তু এই কয়েক দিনে এসিডিটি তৈরি করতে পারে, যতটা সম্ভব বর্জন করুন তাই।বয়স বাড়লেই মেয়েদের এই ৬ রোগের ঝুঁকি বাড়ে! কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন? জানুন…৬: সিড সাইকেল: বর্তমানে মেন্সট্রুআল সাইকেল নিয়ে যতটা গবেষণা চলছে তার অন্যতম বিষয় হলো সিড সাইকেলের উপকারিতা এই সময়। সাইকেলের বিভিন্ন ফেজে বিভিন্ন সিড প্রয়োগ করা হয় হরমোনের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখতে।পিরিয়ডের প্রথম থেকে ওভিউলেশন পর্যন্ত প্রতিদিন : ১ টেবিল চামচ পাম্পকিন সিড + ১ টেবিল চামচ ফ্ল্যাক্স সিড-এই দুই সিডের মিশ্রণ দেহে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়ায় এবং ফ্ল্যাক্স সিডে উপস্থিত লিগন্যান ইস্ট্রোজেন বাইন্ডার হিসাবেও কাজ করে। ফলে সামঞ্জস্য থাকে হরমোনেরলিউটিয়াল ফেজ-প্রতিদিন এক টেবিল চামচ সান ফ্লাওয়ার ও এক টেবিল চামচ সিসেম সিড– এতে রয়েছে প্রচুর জিঙ্ক ও ভিটামিন ই, ও সেলেনিয়াম যা দেহে প্রোজেস্টেরণের মাত্রা বাড়িয়ে হরমোনের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখে, এবং মূলত সেলেনিয়াম লিভারকেও অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেনের থেকে ডিটক্স করে।উপরোক্ত কয়েকটি সাধারণ বিষয় মাথায় রাখলেই কিন্তু মেন্সট্রুআল সাইকেলের এই কয়েকটা দিনেও প্রাণবন্ত থাকতে পারব আমরা।তথ্য: রাখী চট্টোপাধ্যায়, ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও ডায়াবিটিস এডুকেটর।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Sanitary pads: স্যানিটারি প্যাড কি সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ? পিরিয়ড চলাকালীন কীভাবে নিজেকে সুস্থ রাখবেন? জানুন… – do you know the dangers of using sanitary pads

হাইলাইটসপিরিয়ড মহিলাদের শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার জরুরি অংশ। তাই পিরিয়ড চলাকালীন পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অবশ্য কর্তব্য। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে গেলে প্রথমেই আসে প্যাড বদলের প্রসঙ্গ। ঋতুস্রাবের সময়, মহিলারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্যানিটারি প্যাডের উপর নির্ভর করে। কিন্তু এই স্যানিটারি প্যাড কি সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ?এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পিরিয়ড মহিলাদের শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার জরুরি অংশ। তাই পিরিয়ড চলাকালীন পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অবশ্য কর্তব্য। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে গেলে প্রথমেই আসে প্যাড বদলের প্রসঙ্গ। ঋতুস্রাবের সময়, মহিলারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্যানিটারি প্যাডের উপর নির্ভর করে। কিন্তু এই স্যানিটারি প্যাড কি সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ? এই প্রশ্নগুলি অনেক মহিলার মনে প্রশ্ন উঠতে পারে। স্যানিটারি প্যাডের ব্যবহার স্বাস্থ্যের উপর কীভাবে প্রভাব ফেলে এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় জানুন… স্যানিটারি প্যাডগুলি কি ক্ষতিকারক?পিরিয়ড মহিলাদের শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার জরুরি অংশ। তাই পিরিয়ড চলাকালীন পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অবশ্য কর্তব্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্যানিটারি প্যাডের ব্যবহার নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়েছে, তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে স্যানিটারি প্যাড ব্যবহারের ফলে যৌনাঙ্গে ক্যানসারও হতে পারে। যে প্যাডগুলি দীর্ঘস্থায়ী শোষণযুক্ত। জরায়ু ক্যানসার বা ডিম্বাশয়ের ক্যানসার শরীরে ডাইঅক্সিন প্রকৃতির কারণে ঘটতে পারে। স্যানিটারি প্যাড প্রতি ৩-৪ ঘন্টা ব্যাবহার করা উচিত। সাধারণত রক্ত প্রবাহের উপরে নির্ভর করে প্যাড বদলের সময়সীমা। এই প্রবাহ এক একজনের ক্ষেত্রে এক এক রকম। প্রবাহমাত্রা বেশি থাকলে অস্বস্তি এড়াতে আগেভাগেই প্যাড বদলে নিন। তবে প্রবাহমাত্রা কম থাকলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই প্যাড ব্যবহার করবেন না। এতে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।এই ক্ষতিকারক রাসায়নিকগুলি স্যানিটারি প্যাডগুলিতে পাওয়া যায়ডাইঅক্সিন: ডাইঅক্সিন একটি রাসায়নিক যা স্যানিটারি প্যাডগুলি ব্লিচ করতে ব্যবহৃত হয়। ডাইঅক্সিন শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকারক এবং অনেক বিপদ হতে পারে।কৃত্রিম সুগন্ধি: কৃত্রিম সুগন্ধি প্যাডগুলি সুগন্ধযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এগুলি এমন রাসায়নিক পদার্থ যা নিরাপদ বলে বিবেচিত হয় না। এ কারণে, গর্ভধারণ না করার মতো একটি গুরুতর সমস্যা সামনে আসে।স্যানিটারি প্যাডগুলিতে ব্লিচ থাকে: স্যানিটারি প্যাডগুলিতে তুলো ব্যবহৃত হয়। তুলো বাস্তবের রং ময়লা এবং হলুদ। তবে এটি কোনও প্যাডে ব্যবহার করা হলে এটি প্রথমে ব্লিচ দিয়ে উজ্জ্বল এবং সাদা করা হয়। সাদা স্বাস্থ্যকরণের সঙ্গে জড়িত, আমাদের বেশিরভাগ বিশ্বাস করে যে কোনও কিছু যদি সাদা হয় তবে এটি পরিষ্কার। একই চিন্তা প্যাডেতেও, এই রাসায়নিকটি ব্যবহারে লিভারের ক্ষতি হতে পারে এবং ত্বক কালো হতে পারে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ডাইঅক্সিন, ইমিউন সমস্যা, পেলভিক প্রদাহ, হরমোনজনিত কর্মহীনতা, ডায়াবেটিস এবং ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কিত।ঘুমনোর সময় আলো জ্বেলে শোন নাকি বন্ধ করে, স্বাস্থ্যের জন্য কোনটা ভালো? জানুন…ক্যানসার হতে পারে: প্যাড ব্যবহারের ফলে যৌনাঙ্গে ক্যানসার হতে পারে। এর অর্থ এই নয় যে প্যাডগুলি একসঙ্গে ব্যবহার করলে আপনাকে ক্যানসারের ঝুঁকিতে ফেলবে, তবে যারা প্রতি মাসে এগুলি ব্যবহার করছেন তাদের সতর্ক হওয়া দরকার। এটি মূলত প্যাডগুলির সাথে ঘটে যা রাসায়নিক থাকে। এটি সহজেই শরীরে প্রবেশ করে ক্ষতি করতে পারে।কীটনাশক বিপত্তি: যেমনটি আমরা সবাই জানি যে স্যানিটারি প্যাডগুলিতে তুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কৃষকরা তুলা চাষ করেন। ফসলের পোকামাকড় থেকে দূরে রাখতে কীটনাশক স্প্রে করা হয়। তুলোতেও তার প্রভাব পড়ে। এবং এটি রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে আপনার শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এ ছাড়া সুতির মধ্যে ফুরান নামক একটি রাসায়নিক থাকে যা দেহে প্রবেশ করতে পারে। এই রাসায়নিকের ফলে ক্যানসার, বন্ধ্যাত্ব, থাইরয়েডের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি করতে পারে: রক্তের গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে বেশিরভাগ প্যাডে ডিওডোরেন্ট বা নিউট্রালাইজার যুক্ত করা হয়। সুগন্ধি প্যাডগুলির সাথে ঝুঁকি হ’ল তারা আপনার উর্বরতাটিকে ভুল উপায়ে প্রভাবিত করে। কৃত্রিম পারফিউমের ব্যবহার জন্মগত ত্রুটিগুলি এবং ভ্রূণের বিকাশে নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। ত্বকে জ্বালা করা ছাড়াও এটি যোনি খামিরের সংক্রমণ এবং অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে।স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করার সময় এই জিনিসগুলি মনে রাখবেনপিরিয়ড চলাকালীন ব্যক্তিগত অংশ শুকনো রাখুন। আপনি প্রতি ৫-৬ ঘন্টা অন্তর আপনার প্যাড পরিবর্তন করা ভালো। মূত্রনালীর সংক্রমণ রোধ করতে আপনার পিরিয়ডের সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করা উচিত। আপনার আন্ডারওয়্যারটি নিয়মিত পরিষ্কার করুন এবং সূক্ষ্ম রোদের নিচে শুকিয়ে নিন যাতে কোনও আর্দ্রতা না থাকে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

period: সুস্থ থাকতে পিরিয়ডের সময় যেসব খাবার ভুলেও খাবেন না… – what should you eat on your period?

এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: মহিলাদের মেনস্ট্র‌ুয়েশন বা পিরিয়ড, বাংলায় যা মাসিক ঋতুস্রাব নামে পরিচিত। মেয়েদের শরীরের এই বিশেষ অবস্থা ঘিরে প্রাচীন কাল থেকে নানা ভুল ধারণা ও কুসংস্কার জড়িয়ে। তার মধ্যে একটি হল পিরিয়ডের সময় খাবার খাওয়া। পিরিয়ডের সময় শারীরিক কষ্ট কমাতে ডায়েটের দিকেও নজর রাখা প্রয়োজন। এই সময় কী ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে, তার উপর শরীরের ভালো-মন্দ অনেকাংশেই নির্ভর করে। পিরিয়ডের সময় সঠিকভাবে খাওয়ার গ্রহণ করতে হবে এবং জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় উন্নতি করতে হবে। পিরিয়ড চলাকালীন আপনার কী খাওয়া উচিত নয় সে সম্পর্কে জেনে নিন-কার্বোহাইড্রেট খাবেন নাপিরিয়ড চলাকালীন কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার এড়ানো উচিত। কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার যদি না খান তাহলে পিরিয়ডের সময় ব্যথা থেকেও মুক্তি পাবেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, চাপাতি, মসুর ডাল, দুধ, দই, বাটার মিল্ক এগুলি প্রাথমিকভাবে পিরিয়ডের সময় খাওয়া উচিত নয়।আপনি যদি দুধ পান করতে চান তবে দুধের সঙ্গে হলুদ পান করুন। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় কম দুধ পান করুন। কারণ দুধ হজম করতে বেশি সময় লাগে। এছাড়া দুধের কারণে গ্যাসও হয়ে যায়। তাই এই দিনগুলিতে এ জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।মেদ ঝরাতে চাইলে প্রোটিনের এই লাড্ডু অবশ্যই খান, কীভাবে বানাবেন? শেখাচ্ছেন দীপিকা-ক্যাটরিনার ফিটনেস ট্রেনারকোল্ড ড্রিঙ্কপিরিয়ডের সময় কোল্ড ড্রিঙ্ক একেবারে খাবেন না। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় এই ধরনের পানীয় খেলে ইউটেরাইন ওয়ালে রক্ত থেকে যায়। এমনটা হতে থাকলে ৫-১০ বছর পরে গিয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়।শরীরচর্চাএই সময় অল্প বিস্তর শরীরচর্চা চলতে পারে। কিন্তু ইনটেন্স ওয়ার্কআউট করা একেবারেই চলবে না। আর যদি পেটে এবং পিঠে ব্যথা থাকে, তাহলে তো একেবারেই শরীরচর্চা করা যাবে না।রাত জাগলেএই সময় রাত জাগলে শরীরের কাজ করার ক্ষমতা একেবারে কমে যায়। সেইসঙ্গে আরও অসুস্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, ঘুম না হওয়ার কারণে ক্লান্তিভাব এতটাই বেড়ে যায় যে দৈনন্দিন কাজ কর্মেও বাঁধা আসতে শুরু করে। তাই পিরিয়ডের সময় রাত জাগা একেবারেই চলবে না।জাঙ্ক ফুডজাঙ্ক ফুড খাওয়া শরীরের পক্ষে ভাল নয়। আর এই সময় এমন খাবার খেলে তো আরও বিপদ! পিরিয়ডের সময় ফ্রায়েড খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়।এই সময় কী খাওয়া উচিত?পিরিয়ডের সময় হালকা এবং হজমযোগ্য খাবার খাওয়া উচিত। যেমন খিচুড়ি, সুজি, ইডলি-সম্বর, দোসা ইত্যাদি। পিরিয়ডের সময় আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। যাতে শরীর দুর্বলতা না অনুভব হয়। এর জন্য আপনি পালং শাক, মাখন, মিষ্টি আলু, চেস্টনাট, সবুজ মটরশুটি ইত্যাদি খেতে পারেন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

অনিয়মিত পিরিয়ড নিয়মিত করার কিছু সহজ উপায়

প্রাপ্তবয়স্ক একজন কিশোরী কিংবা তরুণীর নিয়মিত ও সময়মতো পিরিয়ড বা মাসিক হওয়াটা স্বাভাবিক। তা না হয়ে মাসিক যদি অনিয়মিত হয়ে পড়ে, তখন বুঝতে হবে আপনার শারীরিক কোনো সমস্যা আছে।

এ ক্ষেত্রে কোনো অসুস্থতা শরীরে ভর করেছে কিনা বা জীবনচর্চায় কোনো ক্ষতিকর অভ্যাস যুক্ত হয়েছে কিনা, তার দিকে নজর দেয়া উচিত।

অতিরিক্ত কাজের চাপ, ওজন হ্রাস, থাইয়রেড সমস্যা, মানসিক চাপ, ওভারির সমস্যা, অতিরিক্ত ব্যায়াম, হরমোন ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি কারণে সাধারণত মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।

মাসিক অনিয়মিত হলে নারীরা দুশ্চিন্তা শুরু করেন। এটি আরও ক্ষতি করে থাকে।

হঠাৎ আপনার মাসিক অনিয়মিত হয়ে পড়লে সেটিকে নিয়মিত করার উপায়ও আছে। চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করে আপনি মাসিক নিয়মিত করতে পারে। আসুন উপায়গুলো জেনে নিই-

ব্যায়াম : যেসব নারী নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের মাসিকের সমস্যা থাকে না। নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম আছে, সেগুলো করলে অনেক সময় মাসিক হয়ে যায়।

ব্যায়ামের কারণে পেশি বাঁধা পেয়ে থাকে, যার কারণে পেশি সংকোচন শুরু করে, শরীরে রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দিয়ে থাকে। ঋতুস্রাব শেষ হওয়ার পর ব্যায়াম করলে পরবর্তী সময়ে সঠিক সময়ে মাসিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

টকজাতীয় ফল : টকজাতীয় ফল যেমন- তেঁতুল, মাল্টা, জলপাই মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে থাকে। চিনি মেশানো পানিতে তেঁতুল এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এর পর এর সঙ্গে লবণ, চিনি ও জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিনে দুবার পান করুন। এটি আপনার অনিয়মিত মাসিককে নিয়মিত করে দেবে।

আদা: মাসিকের চক্রকে নিয়মিত করতে আদা বেশ কার্যকর। ১ কাপ পানিতে ১/২ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ৫-৭ মিনিট সিদ্ধ করে পানিতে মিশিয়ে নিন। খাবার খাওয়ার পর তিনবেলা এটি পান করুন। নিয়মিত এক মাস এটি পান করুন।

তিল: তিল একটি উপকারী উপাদান। এটি আপনার অনিয়মিত মাসিককে নিয়মিত করতে সাহায্য করবে। তিলের উপাদান হরমোন উৎপাদন করে থাকে। অল্প পরিমাণের তিল ভেজে গুঁড়ো করে নিন। এর সঙ্গে এক চামচ গুড় মিশিয়ে নিন। এটি রোজ খালি পেটে এক চা চামচ করে খান। দেখবেন উপকার পাচ্ছেন।

আপেল সাইডার ভিনেগার: খাবার খাওয়ার আগে ২ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার পানিতে মিশিয়ে পান করুন। এটি রক্তের ইনসুলিন ও ব্লাড সুগার কমিয়ে দিয়ে থাকে, যা মাসিক নিয়মিত করে থাকে।

স্বাস্থ্যকর জীবন : যেসব নারীর মেনোপজের বয়স হয়ে এসেছে, তাদের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আরও বেশি জরুরি। কারণ মেনোপজের পর পরই অনেক রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে।

মনে রাখবেন একবার মাসিক দেরিতে হলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। তবে পিরিয়ডের দিকে খেয়াল রাখুন। তিন মাস টানা পিরিয়ড না হলে, বছরে ৯ বারের কম পিরিয়ড হলে বা প্রতিবার পিরিয়ড হওয়ার মাঝে ৩৫ দিনের বেশি বিরতি থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

মেয়েদের পিরিয়ড সম্পর্কে জরুরি তথ্য

মাসিক ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড মেয়েদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা মাসিক নিয়মিত ও সঠিকভাবে হওয়ার অর্থ হচ্ছে সে নারী সন্তান ধারণে সক্ষম। এক সময়ে মাসিককে অপবিত্র ও নোংরা বলে মনে করা হত। এই দৃষ্টিভঙ্গী অনেকটা পরিবর্তন হলেও এখনো এ নিয়ে মেয়েদের এবং মায়েদের মধ্যে অনেক ভুল ধারনা বিদ্যমান। এখনো বেশিরভাগ মায়েরা মনে করেন এটা হল শরীরের খারাপ রক্ত, যা যত বেশি বের হয় ততই ভালো।

মাসিকের সময়কাল:

মূলত মাসিক ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড হরমোনের প্রভাব জনিত একটি সাধারণ ঘটনা। সাধারনত ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে প্রত্যেক মেয়েরই মাসিক শুরু হয়ে যায়। সাধারণত এটা ৩-৫ দিন স্থায়ী হয় এবং প্রতিবার ৩০-৮০ মি.লি. রক্ত যায়। নারীদের জীবনে মাসিক ঋতুস্রাব ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত চলতে পারে। তবে ১৫ বছর বয়সের পরও যদি নিয়মিত পিরিয়ড শুরু না হয় তবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

পিরিয়ড সাধারণত ২৮ দিন থেকে শুরু করে ৩০ বা ৪০ দিন পরপর পর্যন্ত হতে পারে। তবে ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হওয়াটা স্বাভাবিক। পিরিয়ড যদি অনিয়মিত হয় অর্থাৎ কোনো মাস বাদ চলে যায় কিম্বা ১০ থেকে ২০ দিন পরপর হতে থাকে তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

পিরিয়ডের সময় করণীয়:

১. এ সময়ে মেয়েদের পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। যেমন: দুধ, ডিম, শাকসবজি ইত্যাদি খেতে হবে।

২. পরিষ্কার পরিছন্নতা বজায় রাখতে হবে।

৩. প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে।

৪. অনেক মেয়েরাই এ সময় সাধারণ টুকরা কাপড় ব্যবহার করে থাকেন, যা খুবই অস্বাস্থ্যকর। এ সময় স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করা উত্তম।

৫. ন্যাপকিন ৪-৬ ঘণ্টার বেশি রাখা উচিত নয়।

৬. মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখতে হবে, অস্বাস্থ্যকরভাবে ন্যাপকিন ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে জরায়ুর ক্যান্সারসহ অন্যান্য জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। আর এ সময় পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ না করলে দেখা দিতে পারে রক্তস্বল্পতাসহ নানা সমস্যা। তাই পরিবারের নারী সদস্যের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এখন থেকেই সতর্ক হন।

তথ্য সূত্র: susastho