Tag Archives: শুভ বিজয়া

red meat: দশমীর মেনুতে খাসির মাংস! আপনার জন্য কতটা নিরাপদ? জানুন – is red meat bad for you, or good? an objective look

হাইলাইটসকিন্তু যাঁদের শরীরে সেই অর্থে কোনও সমস্যা নেই, প্রতিদিন প্রচুর পরিশ্রমের কাজ করেন, তাঁদেরও কি খাসির মাংস এড়িয়ে চলা উচিত? রেড মিট মানেই বিষ? কী বলছে চিকিৎসা বিজ্ঞান!এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: বিজয়া মানেই জমিয়ে খাওয়াদাওয়া। বিসর্জনের পুজো শেষে দুপুরে বাড়িতে জমিয়ে পাঁঠার মাংস, ইলিশ, চিংড়ি। খাওয়া হবে আর আড্ডা হবে না তা কি আর হয়! তবে এখন কমবেশি সকলেই স্বাস্থ্য সচেতন। খুব বেশি তেল-মশলাযুক্ত খাবার খান না শরীরের খাতিরেই। এমনকী বাড়িতে খাসির মাংস প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। তবে বছরের বিশেষ কিছু দিনে পেটরোগা বাঙালিও থলি হাতে লাইনে দাঁড়ায় খাসির মাংস কিনতে। আর সেই ছবি দেখে একদল হা হুতাশ শুরু করেন। বয়স ৩০ এর কোঠা ছুঁলেই শুভান্যুধায়ীদের সাবধান বাণী- এবার রেড মিট এড়িয়ে চলার সময় এসেছে। অনেক হয়েছে আর নয়। খেলেই সুগার, প্রেসার, হার্টের সমস্যা অবধারিত। কিন্তু যাঁদের শরীরে সেই অর্থে কোনও সমস্যা নেই, প্রতিদিন প্রচুর পরিশ্রমের কাজ করেন, তাঁদেরও কি খাসির মাংস এড়িয়ে চলা উচিত? রেড মিট মানেই বিষ? কী বলছে চিকিৎসা বিজ্ঞান!পুষ্টিগত দিক দিয়ে বিচার করলে পাঁঠার মাংস কিন্তু পুষ্টিতে ভরপুর। এরমধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, খনিজ। যা শরীরের গঠনে সাহায্য করে। এমনকী হাড়ের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। তাহলে এই যে আমরা শুনি, রেড মিট খেলে হার্টে ব্লকেজ আসে, কিডনির সমস্যা-সহ একাধিক শারীরিক অসুস্থতা আসে তা কি নিছকই কল্পনা? মুরগির মাংস ছাড়া অন্য যে কোনও মাংসকেই এই তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। খাসি ছাড়াও ভেড়া, পর্ক, বিফ সবই রেড মিট। এখন ব্রয়লার চিকেন অনেকে খেলেও ভোট বেশি কিন্তু পাঁঠার মাংসের দিকেই। ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই তৃতীয়াংশই পাঁঠার মাংস খেতে ভালোবাসে। তাহলে কি মাংস মাত্রই বিপজ্জনক? হিসেব যদি সেরকম হয় তাহলে বিপদ কিন্তু বিশ্বজুড়েই। আমাদের দেশের তুলনায় অনেক বেশি রেড মিট চলে পাশ্চাত্যের দেশে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে একাধিক পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে রেড মিট। কারণ এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি৩, বি১২, আয়রন, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম প্রভৃতি। তাহলে রেড মিট নিয়ে মানুষের মনে এত ভয় কেন?মানুষ আজকাল নিজেকে নিয়ে বড় বেশি সচেতন। সত্যি মিথ্যের খোঁজ না রেখেই এক প্রকার ভয়েই পাঁঠার মাংসকে একঘরে করে দিয়েছেন অনেকেই। গত ১০ বছরে সেই ভীতি বেড়েছে অনেকখানিই। কারণ লোকেরা মনে করছেন, খেতে সুস্বাদু মানেই তা নিশ্চয় শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। তবে নিয়মিত পাঁঠার মাংস কিন্তু শরীরের পক্ষে সত্যিই ক্ষতিকর। এমনকী যাঁদের হাই কোলেস্টেরল, সুগার, প্রেসার, কিডনির সমস্যা ইত্যাদি রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে এড়িয়ে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো। মাত্রাতিরিক্ত রেড মিট খেলে বাড়ে রোগের প্রকোপ, সেই সঙ্গে বাড়ে মৃত্যুর আশঙ্কাও। ভারতীয়দের মধ্যে হার্ট অ্যার্টাকের সম্ভাবনাও অনেকটা বেশি। আর পাঁঠার মাংসের সঙ্গে যোগ রয়েছে ক্যান্সারের। আরও পড়ুনবিজয়ার মিষ্টিমুখ: ডায়াবিটিস ও হার্টের রোগীরা কি রসগোল্লা খেতে পারেন? জানুন কারণ২০১৫ সালে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে WHO দাবি করেছিল, বেশি মাত্রায় রেড মিট খেলে শরীরে কর্সিনোজেনিক এলিমেন্টের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। বিশেষত কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই বলে ভাববেন না সপ্তাহে ১-২ বার পাঁঠার মাংস খেলেই এমন অশঙ্কা বৃদ্ধি পাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুসারে প্রতিদিন ৫০ গ্রাম করে প্রসেসড রেড মিট খেলে তবেই কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, এই পরিমাণ রেড মিট যদি প্রতিদিন ফ্রাই করে খাওয়া হয়, তাহলে প্যানক্রিয়াটিক এবং প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেকখানি বেড়ে যায়। এছাড়াও বেশি রেড মিট খেলে শরীরে টক্সিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে ডায়াবিটিস ও হাই ব্লাড প্রেসারের সমস্যা বেড়ে যায়। টক্সিন বাড়লেই আসবে কিডনির সমস্যা। সব মিলিয়ে কিডনি ফেলিওরকে আটকানো খুব চাপের হয়ে যায়। আর রেড মিট কোলেস্টেরল বাড়ায়। এর ফলে হার্টের রোগের সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে বাড়ে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ। স্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তনালীতে জমে রক্তপ্রবাহে বাধা দেয়। সেখান থেকেই নানা সমস্যা আসে। আর স্ট্রোকের আশঙ্কা অনেককআনি বেড়ে যায়। সপ্তাহে ৩০০ গ্রাম রেড মিট চলতেই পারে। তার বেশি একেবারেই নয়। এতে শরীরের ঘাটতি পূরণ হবে। সেই সঙ্গে শরীর সুস্থও থাকবে। অন্য অসুখ সহজে কাবু করতে পারবে না। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Subho Bijoya: Can Diabetics And Heart Patients Have Rasgulla – বিজয়ার মিষ্টিমুখ: ডায়াবিটিস ও হার্টের রোগীরা কি রসগোল্লা খেতে পারেন? জানুন কারণ

হাইলাইটসরসগোল্লা তৈরি হল ফুল ক্রিমযুক্ত দুধ থেকে। যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ফ্যাট থাকবেই। কারণ নইলে ভালো ছানা কাটবে না। আর সেই স্বাদটাও আসবে না। সেই সঙ্গে মিশছে চিনিএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: বিজয়া মানেই মিষ্টিমুখ আর কোলাকুলি। সামাজিক দূরত্বের খাতিরে এবার কোলাকুলি বাদ। কিন্তু মিষ্টিমুখ তো আর থেমে থাকবে না! বাঙালির মিষ্টিমুখ রসগোল্লা ছাড়া কিছুতেই হয় না। এর আগে অবশ্য বিজয়া মানেই ছিল নারকেল নাড়ু আর নিমকি। কিন্তু সেই সব প্রথা অনেক বাড়ি থেকেই উঠে গিয়েছে। ভরসা এখন কেনা মিষ্টিতেই। আজ থেকে ২৫ বছর আগেও ঘরে ঘরে এত ডায়াবিটিসের রোগী ছিল না। বাড়িতে মিষ্টি ঢুকবেই না, এমনটা চালুও হয়নি। আর মিষ্টি এমন একটা খাবার, হাতের সামনে থাকলে লোভ এড়ানো দায়। আর তা যদি হয় নরম তুলতুলে রসগোল্লা। কিন্তু খেয়ে ফেললেই মনে মনে শুরু হয়ে যায় টেনশন। এবার দেখে নেওয়া যাক বিশ্বজুড়ে এতই কদর যে মিষ্টির সেই মিষ্টির মধ্যে ঠিক কতা পরিমাণ ক্যালোরি আছে। একটা রসগোল্লায় ক্যালোরির পরিমাণ ১২১। এর মধ্যে প্রোটিন ১১ ক্যালোরি, ফ্যাট ৩৭ ক্যালোরি, কার্বোহাইড্রেট ৬০ ক্যালোরি। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্যালোরির চাহিদার ৬ শতাংশ পূরণ হয় একটা রসগোল্লা থেকে। দুধ থেকে ছানা কাটিয়ে ভালো করে জল ঝরিয়ে চিনির সরেস পাকে ফেলার পর তবেই তৈরি হয় রসগোল্লা। এবার প্রশ্ন হল রসগোল্লা কি সত্যিই স্বাস্থ্যকর? উত্তর , না। কারণ…রসগোল্লা তৈরি হল ফুল ক্রিমযুক্ত দুধ থেকে। যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ফ্যাট থাকবেই। কারণ নইলে ভালো ছানা কাটবে না। আর সেই স্বাদটাও আসবে না। সেই সঙ্গে মিশছে চিনি। আর চিনিকে বলা হয় সাদা বিষ। কার্বোহাইড্রেটের কোনও রকম পুষ্টিমূল্য নেই। বরং শরীরের প্রদাহ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে সুগার লেভেল বেড়ে যায়। ফলে ফ্যাট বার্ন করার ক্ষমতা কমে যায় শরীরের। আর সুস্থ থাকতে জীবন থেকে চিনি বাদ দিন। কারণ শরীরে খুব ধীরে ধীরেই ডায়াবিটিস থাবা বসায়। আর যে কারণে ডায়াবিটিসকে বলা হয় নিঃশব্দ ঘাতক। তবে শুধু রসগোল্লাই নয়, প্রিয় চিপস, কোল্ডড্রিংকের মধ্যেও লুকিয়ে থাকে প্রচুর পরিমাণ চিনি। হিসেব করলে ১/২ কাপ চিনি থাকবেই। সুগার বা হার্টের সমস্যা যাঁদের রয়েছে তাঁরা কি রসগোল্লা খেতে পারেন? বাংলার সংস্কৃতির প্রতীক রসগোল্লা। বিশ্বজোড়া তার খ্যাতি। ঘন ফ্যাটযুক্ত দুধ থেকে ছানা তৈরি করে তবেই রসগোল্লা বানানো যায়। আর চিনি তো আছেই। ডায়াবিটিস ও হার্টের সমস্যা রয়েছে এমন মানুষদের চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন জোর করে অতিরিক্ত সুগার না খেতে। কারণ এতে যে শুধুই রক্তে সুগারের পরিমাণ বাড়ছে এমনটা নয়, বাড়ে ওজনও। যা আপনি নিজেও টের পাবেন না। অনেকেরই হয়তো মনে হয় দুধে ক্যালশিয়াম থাকে, শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ থাকে। প্রয়োজনে ফ্যাট ছাড়া দুধ এমনিই খান। ফ্যাটযুক্ত দুধ থেকে তৈরি রসগোল্লাতে কোনও প্রোটিনই থাকে না। আর তাই যাঁদের শারীরিক সমস্যা রয়েছে তাঁদের রসগোল্লা একেবারেই বাদ দিতে বলছেন চিকিৎসকরা। ডায়াবিটিস থাকলে আরই নয়। যাঁরা ওজন কমাতে ডায়েট করছেন, তাঁরাও চিট ডে তে মন ভরে রসগোল্লা খাবেন না, পরামর্শ চিকিৎসকদের। কারণ এতে হার্টের উপর চাপ পড়ে। তাহলে মিষ্টির চাহিদা মেটাতে কি খাওয়া যেতে পারেকম মিষ্টিযুক্ত গাজরের হালুয়া খেতে পারেন। ড্রাই ফ্রুটস, খেজুর খান। চিনির বদলে গুড় ব্যবহার করুন। ওটসের সঙ্গে গুড়, শুকনো ফল মিশিয়ে লাড্ডু বানিয়ে নিন। কিংবা ক্ষীর, শুকনো ফল দিয়ে বরফিও বানিয়ে নিতে পারেন। তবে তা ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য নয়। যাঁরা ডায়েট করছেন এই মিষ্টি বানিয়ে তাঁরা খেতে পারেন। ওটস, জোয়ার, বাজরা এসব দিয়ে মিষ্টি বানান। চলতে পারে মধুও। কিন্তু রসগোল্লা নয়। ডায়াবিটিসের জন্য একেবারেই বিষ হল রসগোল্লা। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

durga visarjan 2020: সিঁদুর খেলা মানেই চিরাচরিত লালপাড়-সাদা শাড়ি, কেন জানেন? – durga visarjan dress code

হাইলাইটসপুজোর অন্যতম অংশ হল এই সিঁদুর খেলা। একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনা করেন। আর সেই সিঁদুরই বাড়িতে থেকে যায় বছরভরএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: দেখতে দেখতেই কেটে গেল পুজোর পাঁচটা দিন। রাত পোহালেই বাপের বাড়ি ফিরে যাবে উমা। আবার এক বছরের প্রতীক্ষা। তবে এবারের পুজো অন্য বছরগুলোর তুলনায় একটু ভিন্ন। সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে গৃহবন্দি মানুষ। সেই সঙ্গে বেড়েছে করোনার আতঙ্ক। এবছর পুজো হলেও সবার মুখের হাসিটা আগের মতো নেই। পুজো প্যান্ডেলেও ছিল বহু রকম বিধিনিষেধ। অঞ্জলি থেকে প্যান্ডেল হপিং সবই এবার বাতিলের তালিকায়। এমনকী ভোগ খাওয়া, সিঁদুর খেলা, দলবেঁধে বিসর্জনে যাওয়া সেসবও এবার নেই। দশমীর ঘট বিসর্জনের পর উমার শ্বশুরবাড়ি ফিরে যাওয়ার পালা। তার আগে চলে বরণ। সিঁদুর-আলতা-পান-সুপুরিতে বাড়ির মেয়েরা বরণ করে নেয় উমাকে। আর তার পর বিবাহিত মেয়েরা মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। পুজোর অন্যতম অংশ হল এই সিঁদুর খেলা। একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনা করেন। আর সেই সিঁদুরই বাড়িতে থেকে যায় বছরভর। মাকে মিষ্টিমুখ করিয়ে তবেই বাকিরা মিষ্টি খান। আর প্রতিমা বরণের ক্ষেত্রে সেই আদ্যিকাল থেকেই লালপাড় সাদা শাড়িতে সেজে আসছেন মহিলারা। সঙ্গে মানানসই সোনার গয়না। একেবারে সাবেকি সাজ। অন্য সব দিন পুজোর সাজে আধুনিকতার ছোঁওয়া থাকলেও দশমী কিন্তু একেবারেই ট্র্যাডিশন্যাল। ছেলেরা সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি অথবা কুর্তা-পায়জামা। আর মেয়েরা শাড়ি। লালপাড় সাদা শাড়ি, লাল ব্লাউজ, সিঁথি ভরতি সিঁদুর আর গয়নায় এদিন প্রত্যেকেই হয়ে ওঠেন দশভুজা। পৃথিবীর যে প্রান্তেই পুজো হোক না কেন দশমীর এই সাজে কোনও অদল-বদল নেই। আর বরণের সময় অবশ্যই মাথায় থাকে ঘোমটা। বিজয়া মানেই লালপাড় সাদা শাড়ি আর সিঁদুর খেলা এখন একেবারেই সামাজিক পরবে পরিণত হয়েছে। সিঁদুর পরিয়ে দেবীর কাছে প্রার্থনা করে মেয়েরা বলেন, সর্বলোকের রঞ্জন পরমসৌন্দর্যযুক্ত সিন্দুর তিলক তোমার কপালকে মণ্ডিত করুক। মাকে বরণের পর রাজ-শুভশ্রীভবিষ্য পুরাণে বলা হয়েছে, সিঁদুর স্বয়ং ব্রহ্মার প্রতীক। বিবাহিত নারী সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে পরম ব্রহ্মকেই আহ্বান করে। গীতাতেও কাত্যায়নী ব্রত উপলক্ষ্যে গোপিনীদের সিঁদুর খেলার বিবরণ পাওয়া যায়। কিন্তু তা অবশ্যই কৃষ্ণের মঙ্গল কামনায়। মনে করা হয় পরমব্রহ্ম সংসারের সকল দুঃখ কষ্ট দূর করেন। দেবী রূপে মা পুজো পেলেও যখন তিনি বিদায় নেন, তখন ঘরের মেয়ে। আর এই বরণের সময় নতুন বস্ত্র পরতে পারলে সবচেয়ে ভালো। নইলে অবশ্যই শুদ্ধ বস্ত্র পরতে হয়। বরণ শেষে নুসরত এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link