Tag Archives: সাইকেল

cycling is good for weight loss: সকালে উঠে হাঁটতে বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না? সাইকেল চালান, উপকার পাবেন! – benefits of cycling: why cycling is good for weight loss, fitness, legs and mind

হাইলাইটসঅনেকেই আছন যাদের সকালে উঠে হাঁটতে ভালো লাগে না বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না, এ রকম তো হতেই পারে। কিন্তু সাইকেল চালানোর কথা ভেবে দেখেছেন কখনও? গতে বাঁধা এক্সারসাইজের মধ্যে না পড়লেও সাইক্লিং করলে অনেক লাভ। সাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, তেমনি হার্টও ভালো থাকে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অনেকেই আছন যাদের সকালে উঠে হাঁটতে ভালো লাগে না বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না, এ রকম তো হতেই পারে। কিন্তু সাইকেল চালানোর কথা ভেবে দেখেছেন কখনও? গতে বাঁধা এক্সারসাইজের মধ্যে না পড়লেও সাইক্লিং করলে অনেক লাভ। সাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, তেমনি হার্টও ভালো থাকে। সাইকেল যারা চালাতে জানেন, তাদের জন্য তো খুবই ভাল। যারা সাইকেল চালাতে জানেন না তারা অভ্যাস শুরু করুন। যদিও সাইকেল চালানোর জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হয় ব্যালেন্সের। নিজের ও সাইকেলের ব্যালেন্স ঠিক ঠাক রাখতে পারলেই সাইকেল চালানো আরও সহজ হয়ে যাবে। ইদানীং বহু মানুষই অবসাদের শিকার। তাই অবসাদ কাটাতেও সাইকেল চালাতে পারেন। তবে কর্মক্ষেত্র থেকে ফিরেই সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়বেন না। বাড়ি ফিরে অন্তত আধ ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে বেরোতে পারেন। সাইক্লিং করলে কী কী উপকার পাওয়া যায় দেখে নিন….অবসাদ থেকে রেহাই পেতে পারেনবহু মানুষই অবসাদের শিকার হচ্ছেন এখন। তাই অবসাদ কাটাতেও সাইকেল চালাতে পারেন। এন্ডোরফিনস ও অ্য়াড্রিনালিন হরমোন নিঃসৃত হলে আপনার আত্মবিশ্বাস আরও বেশি বেড়ে যায়। সাইকেলিং একটা আউটডোর এক্সারসাইজ। নিয়মিত যারা সাইকেল চালান, তাদের কাছে সাইকেল চালানো মেডিটেশনের মতো কাজ করে। মনসংযোগও বাড়ে।ঘুম ভালো হয়একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা নিয়মিত সাইকেল চালান তাদের ফিজিকাল অ্যাংজাইটি অনেকাংশেই কম হয়ে গিয়েছে। ফলে ভালো ঘুম হয়। ভরপেট খেয়ে সাইকেল চালাবেন না। সকালে উঠে সাইকেল চালাতে চাইলে হালকা কিছু খেয়েই সাইকেলে চড়ুন।টয়লেটেও কি আপনি ফোন নিয়ে যান? নিজের কী কী ক্ষতি করছেন জানুন…ওজন কমেঅনেকেই ছোট মাঠে বা ছাদে গোল গোল করে সাইকেল চালায়। এতে বেশি ওজন কমে না। খোলা রাস্তায় সাইকেল চালান। ভোরের দিকে চালালে বেশি গাড়ির ঝামেলা পোহাতে হবে না। তবে সাইকেল চালানোর সময়ে হেডফোন কানে গুঁজবেন না। এক ঘণ্টা সাইকেল চালালে প্রায় ৫০০ ক্যালরি কমে।হার্ট ভালো থাকেসাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, একই ভাবে হার্টও ভালো থাকে।ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়েদৌড়ানোর মতোই সাইকেল চালানোর জন্য আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। তার জন্য আপনার শরীরে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া দ্রুত চলে। সেই জন্য নিয়মিত সাইকেল চালালে আপনার ফুসফুস ভালো থাকে ও কার্যক্ষমতা বাড়ে।পায়ের পেশি ভালো থাকেআপনি যদি প্রতিদিন সাইকেল চালান তবে আপনার পায়ের পেশিতে সবথেকে বেশি চাপ পড়ে। কারণ, সাইকেল চালালে মূল ব্যায়াম হয় পায়ের। তাই আপনি যদি নিয়মিত সাইকেল চালাতে পারেন পায়ের পেশি সচল থাকবে। পায়ের জোর বাড়বে। তাড়াতাড়ি সাইকেল না চালিয়ে মধ্যম গতিতে একটানা অনেকক্ষণ চালানোর অভ্যেস করুন।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

bicycle: কোভিড আতঙ্কে পৃথিবী আবার পা রাখে সেই প্যাডেলে – due to covid situation, bicycle is the new mode of transport

হাইলাইটসপ্যাডেলে চাপ দিতেই চাকায় ঘূর্ণিপাক, দু’চাকার পক্ষীরাজ ছুটে চলে গন্তব্যের দিকে। লকডাউনের পর বিশ্বের ছোট-বড় অনেক শহরেই এটা এখন ‘নিউ নর্ম্যাল’। কোভিড পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে সাইকেল লেন। ভারতের অনেক শহরে দেখা যাচ্ছে সাইকেলের রমরমা। লিখলেন সৌমী দত্ত’দুরন্ত ঘূর্ণির ওই লেগেছে পাক। এই দুনিয়া ঘোরে বনবন বনবন, ছন্দে ছন্দে কত রং বদলায়, রং বদলায়…’প্যাডেলে চাপ দিতেই চাকায় ঘূর্ণিপাক, দু’চাকার পক্ষীরাজ ছুটে চলে গন্তব্যের দিকে। লকডাউনের পর বিশ্বের ছোট-বড় অনেক শহরেই এটা এখন ‘নিউ নর্ম্যাল’। কোভিড পরিস্থিতিতে মেট্রো, বাসের ভিড় এড়াতে দু’চাকার সাইকেলকেই বেছে নিয়েছেন নিত্যযাত্রীদের একটা বড় অংশ। আর তার ফলে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সাইকেলের চাহিদা। চাহিদা মতো জোগান দিতে নাভিশ্বাস উঠছে সাইকেল কোম্পানিগুলোর। কলকাতাতেও এক ছবি। সোদপুর থেকে বেহালা, সোনারপুর থেকে কলেজ স্ট্রিট- সাইকেলে রোজ যাতায়াত করছেন অনেকে। কিন্তু লকডাউন পুরোপুরি উঠে যাওয়ার পর গাড়ি, বাস যখন পথে নামবে, তখন সাইকেল নিয়ে যাতায়াত কতটা নিরাপদ থাকবে? সব দেশের সাইকেলের জন্য আলাদা Bay (বে) আছে কি? আর থাকলেও সেটা কি পর্যাপ্ত? ইউরোপের সোলো ট্যুর করা সাইক্লিস্ট লিপিকা বিশ্বাসের কথায়, ‘স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ছ’টা দেশের অধিকাংশই জায়গাতেই আলাদা সাইকেল লেন রয়েছে। ডেনমার্ক, সুইডেন, জার্মানিতে শুধু শহরের মধ্যে নয়, শহরের বাইরেও আলাদা সাইকেল লেন রয়েছে। ফলে সেখানে সাইকেলের সংখ্যা বাড়লে খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।’যেখানে আলাদা সাইকেল লেন নেই, লকডাউন পরবর্তী সময়ে সেখানেও কিন্তু সাইকেল বে তৈরির ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে। বার্লিন, ম্যানিলা, বোগোটা, এমনকি রোমেও এই লকডাউনের মধ্যে পৃথক সাইকেল লেন তৈরি হয়েছে, যাতে সাইক্লিস্টদের কোনও ভাবেই বিপদের মুখে পড়তে না হয়। ইতালিতে লকডাউনের পর সাইকেল বিক্রি প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। করোনা সংক্রমণ এড়ানোর ক্ষেত্রে ২ গজ দূরত্বের স্বাস্থ্যবিধি ট্রেনে বা বাসে মেনে চলা মুশকিল। সেক্ষেত্রে ইতালি প্রশাসনও সাইকেলের ব্যবহারকে উৎসাহিত করছে। শহরের যে সব মানুষ সাইকেল কিনছেন, তাঁদের ৫০০ ইউরো পর্যন্ত সরকারি ভর্তুকির সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। একই পথে হাঁটছে ফ্রান্স প্রশাসনও। সেখানে যাঁদের সাইকেল রয়েছে, তাঁদের সাইকেল সারানোর জন্য মাসে ৫০ ইউরো করে অর্থসাহায্য দিচ্ছে প্রশাসন। প্যারিসের মেয়র অ্যানে হিদালগো জানিয়েছেন, আসন্ন গ্রীষ্মের মধ্যে ৫০ কিলোমিটার আরও সাইকেল লেন বাড়ানো হবে, আর সেটা হবে ব্যস্ত মেট্রো রুট ধরেই। যাতে ওই রুটের যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য ভিড় ট্রেন বা মেট্রোর উপর নির্ভর করতে না হয়। ফ্রান্সে অবশ্য ১,০০০ কিলোমিটার সাইকেল লেন ইতিমধ্যেই রয়েছে। রাশিয়ায় সেভাবে সাইকেল লেন সর্বত্র না থাকলেও সেখানে লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষ শরীরচর্চার অছিলায় বেরিয়ে পড়ছেন সাইকেল নিয়ে। সেখানে লকডাউন ওঠার পর রাস্তায় সাইকেলের সংখ্যা ভালোই বেড়েছে। লন্ডনেও সাইকেলের চাহিদা চড়চড়িয়ে বাড়ছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিজেই স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য সাইক্লিংয়ের উপর জোর দিচ্ছেন। সেখানে ১৬০ কিলোমিটার সাইকেল লেন আগে থেকেই ছিল। সেটা আরও ৩০ কিলোমিটার বাড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে। যেখানে স্থায়ী সাইকেল লেন তৈরি সম্ভব নয়, সেখানে রাস্তার এক অংশকে চিহ্নিত করে সাইকেল লেন বানানো হচ্ছে, কোথাও আবার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে গাড়ির গতি। বেলজিয়ামে তো সাইকেলের জন্যই তৈরি হচ্ছে ডেডিকেটেড হাইওয়ে। পরিবেশ বান্ধব এই যানের সপক্ষে দীর্ঘদিন ধরে সওয়াল করে চলেছেন পরিবেশপ্রেমীরা। পিছিয়ে নেই ভারতও। নয়াদিল্লি, পুনে এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু জায়গায় অতি সম্প্রতি সাইকেল বে তৈরির কাজ শুরু হয়েছে, আর সেটাও কোভিড পরিস্থিতি মাথায় রেখেই। ওডিশা এমনিতেই স্বচ্ছতার ব্যাপারে সচেতন। কটকে বছর তিন আগে হকি বিশ্বকাপের সময় থেকেই রাস্তায় সাইকেল তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন জায়গায় সাইকেল স্ট্যান্ডে সাইকেল ভাড়া দিত একটি সংস্থা। লকডাউন উঠতেই সাইকেল ভাড়া করার ধূম পড়েছে সেখানে। পিছিয়ে নেই কলকাতাও। নিউ টাউনে আগে থেকেই ১১ কিলোমিটার সাইকেল ট্র্যাক রয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতে দূষণমু্ক্ত এই যানকে গুরুত্ব দিতে আরও ২০ কিলোমিটার সাইকেল ট্র্যাক তৈরি হচ্ছে, আর সেটা রাস্তার পরিসর কমিয়েই। অর্থাৎ, কলকাতার রাস্তাতেও গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে সাইকেল। অর্থাৎ, ক্ষতির ঝুলি প্রায় শূন্য, লাভের তালিকা নেহাত ছোট নয়। তা হলে কী ভাবছেন? ছাত্রজীবনে ছেড়ে আসা প্যাডেলে ফের একবার পা রেখে দেখবেন নাকি?এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link