Tag Archives: স্মার্টফোন

social media: সোশ্যাল মিডিয়ার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকেন? হতে পারে দাঁতে ব্যাথা! বলছে গবেষণা – excessive use of social media can make you grind teeth, struggle to sleep, says study

হাইলাইটসএখন সোশ্যাল মিডিয়া কে ব্যবহার করেন না। টিনএজ কিশোর কিশোরীরা থেকে বয়স্করা। প্রত্যেকেই নিজের নিজের ব্যস্ততা থেকে খানিকটা খোলা বাতাস পাওয়ার জন্য আর নিজের মনের ভাবনা গোটা পৃথিবীর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে ছবি হোক কিংবা মনের কথা, সব বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়া চাই-ই চাই।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এখন সোশ্যাল মিডিয়া কে ব্যবহার করেন না। টিনএজ কিশোর কিশোরীরা থেকে বয়স্করা। প্রত্যেকেই নিজের নিজের ব্যস্ততা থেকে খানিকটা খোলা বাতাস পাওয়ার জন্য আর নিজের মনের ভাবনা গোটা পৃথিবীর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে ছবি হোক কিংবা মনের কথা, সব বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়া চাই-ই চাই।তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশের মানসিক চাপের কারণ সোশ্যাল মিডিয়া। সেখানে অতিরিক্ত সময় কাটানোয় ৯০ শতাংশ ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। এর পাশাপাশি তাঁরা দাঁতের সমস্যাতেও ভুগছেন। ইজরায়েলের তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয় সাম্প্রতিক গবেষণায় কিছু তথ্য শেয়ার করা হয়েছে। এই গবেষণা করার জন্য সমীক্ষা চালানো হয়েছে দুই রকমের মানুষের উপরে। একদল যাঁরা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন আর এক দল যারা ব্যবহার করেন। স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন ইজরায়েলের অতিরিক্ত গোঁড়া সম্প্রদায়। যারা মনে করেন ফোনে বেশি অ্যাপ থাকলে তাঁরা ধর্মচ্যুত হবেন। কোশার ফোনে সেই কারণেই বেশিরভাগ অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় না। যাঁরা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাঁরা দিনের বেলায় দাঁতের সমস্যায় ভুগছেন।রক্তের গ্রুপের উপরই নির্ভর করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি, বলছে গবেষণাকোশার ফোন যাঁরা ব্যবহার করেন তাঁদের মধ্যে মাত্র ৬% এই সমস্যায় ভুগছেন। আর সেই কারণেই এই গবেষণা করেছেন তাঁরা পরামর্শ দিয়েছেন যে সবারই উচিৎ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কিছুটা হলেও রাশ টানতে। রাত জেগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহারের ফলে ঘুমে প্রভাব পড়ে। যার জেরে তৈরি হচ্ছে মানসিক চাপ। যার মধ্যে ৬০ শতাংশ সম্পর্ক হারানো বা সামাজিক সম্মান হারানোর মতো বিভিন্ন আশঙ্কায় ভুগছেন। আবার ১৪ শতাংশ সেই মানসিক চাপ কমাতে অতিরিক্ত তামাকজাত দ্রব্যে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। মোট ব্যবহারকারীর ৮৪ শতাংশ মনে করছেন, তাঁদের প্রতিদিনের জীবনে পারিবারিক সম্পর্কে কুপ্রভাব ফেলছে সোশ্যাল মিডিয়া।অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ফলে নানা সমস্যার উৎপত্তি হচ্ছে বলে মনে করছেন গবেষক পেসিয়া ফ্রিডম্যান রুবিন। তিনি বলেন, অনেকেই ক্রমাগত ফোন চেক করতে থাকেন যাতে কোনও কিছু মিস হয়ে না যায়। এঁরা Facebook, Whatsapp-সহ নানা অ্যাপ সবসময় খুলে রাখেন। আর এর থেকেই জন্ম নেয় মানসিক চাপ এবং অবসাদ। তবে, তিনি এটাও মনে করেন মানুষের জীবনে প্রযুক্তির প্রয়োজন অনস্বীকার্য। তাই এর কুপ্রভাব থেকে আমাদের সচেতন হতে হবে। সবাইকে বুঝতে হবে যে শরীর ও মনের উপরে কী রকম প্রভাব পড়ে সোশ্যাল মিডিয়া।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

toilet habits: টয়লেটেও কি আপনি ফোন নিয়ে যান? নিজের কী কী ক্ষতি করছেন জানুন… – toilet habits that are harmful to health and give you infections

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি বাথরুমেও মোবাইল নিয়ে যান? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে আজ থেকে আপনার অভ্যাসটি পরিবর্তন করুন। কারণ আপনার এই বদ অভ্যাস অনেক সংক্রামক রোগের শিকার করতে পারে। শুধু এটিই নয়, আপনাকে গুরুতর রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।কয়েক বছর আগে মানুষ তাঁদের সময় বাঁচানোর জন্য বাথরুমে সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিন পড়ত। তবে আজকাল স্মার্টফোন দু’জনের জায়গা করে নিয়েছে। এখন সবাই মোবাইল ফোন নিয়ে বাথরুমে ঘন্টা খানেক সময় কাটায়। ফেসবুক চেক করা, ইনস্টাগ্রামের ফিডগুলি দেখা, হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করা, এমনকি সারা পৃথিবীর সংবাদ পড়ে ফলেন এই সময়ে। সত্যিই এই জিনিসটির প্রতি আসক্ত ব্যক্তিরা জানেন না যে, তাঁরা এটি করে নিজেরাই অসুখ-বিসুখকে আহ্বান করছেন। স্মার্টফোন কীভাবে টয়লেট থেকে রোগ বহন করে জেনে নিন…কীভাবে সংক্রামিত হতে পারে?বাড়ির সমস্ত জায়গার মধ্যে সর্বাধিক জীবাণু বাথরুমে পাওয়া যায়। এখানে ট্যাপ, হ্যান্ড ড্রায়ার, ডোর ল্যাচ হ’ল সর্বাধিক জীবাণু, যা আপনি কখনও দেখেননি। আপনি যখন আপনার সঙ্গে ফোন রাখেন, তখন আপনার ফোনটিতে ব্যাকটিরিয়ার সংস্পর্শে আসে। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, টয়লেটের ভিজে পরিবেশে ব্যাকটিরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। ঠিক ভাবে হাত না ধোওয়া বা টয়লেট ব্যবহারের সময় সেই জায়গায় মোবাইল রাখার ফলে তাতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সালমোনেল্লা, ই.কোলাই, সিগেল্লা এবং ক্যামফাইলোব্যাকটরের মতো ব্যাকটিরিয়া। ফোনের টাচস্ক্রিনে গ্যাসট্রো এবং স্ট্যাপের মত ক্ষতিকর ভাইরাস জন্মাতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। টয়লেটে ব্যবহারের পর সেই ফোন আমরা বিছানায় বা খাবার জায়গায় রাখি এবং সেখানেও ব্যবহার করি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মোবাইলে বাসা বাঁধা এই ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটিরিয়া খাবারের সঙ্গে লালায় মিশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শরীরে।টয়লেটের সিটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি জীবাণু থাকে ফোনে বাথরুমে ফোন নিয়ে যাওয়া কতটা বিপজ্জনক হতে পারে তা আপনি ভাবতে পারেন না। অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাওয়ারদের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, টয়লেট আসনের চেয়ে স্মার্টফোনে ১০ গুণ বেশি ব্যাকটিরিয়া থাকে। বাথরুম ব্যবহারের পর হাত ধুয়ে ফেলি, তবে স্মার্টফোনটি পরিষ্কার করতে ভুলে যাই। ফলস্বরূপ রোগজনিত জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়া তাদের সঙ্গে আটকে থাকে যা সহজেই সংক্রমণের কারণ হয়ে থাকে।বয়স বাড়লেই মেয়েদের এই ৬ রোগের ঝুঁকি বাড়ে! কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন? জানুন…মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারেপ্রযুক্তিটি আমাদের জীবনকে কতটা সহজ করে তুলেছে তা নয়, তবে সর্বদা এর ব্যবহার আপনাকে মানসিক চাপ দেওয়ার একটি বড় কারণও বটে। এমনকি যদি আপনি বাথরুমেও ফোনটি ব্যবহার করতে থাকেন তবে স্ট্রেস এবং হতাশা থাকা স্বাভাবিক। বাথরুমে ফোনটি নিয়ে, আপনি আপনার মন এবং স্বাস্থ্য উভয়ই নিয়ে খেলছেন।বিকল্প কি হতে পারে?বাথরুমে পাওয়া জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আপনি যদি বাথরুমে আপনার ফোন ব্যবহার করেন তবে আপনার নিরাপদ থাকা এবং স্বাস্থ্যকরতা বজায় রাখা আপনার পক্ষে খুব জরুরি। টয়লেটে যাওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো বিকল্পটি ফোনটি বাইরে রেখে দেওয়া। যদি প্রয়োজন হয়, তবে এটি পরে অ্যালকোহল-ভিত্তিক স্যানিটাইজার দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করুন। এছাড়াও টয়লেটে খুব বেশি সময় ব্যয় না করার চেষ্টা করুন। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

pregnant woman: গর্ভবতীরা শুনছেন? স্মার্টফোন বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করলে ক্ষতি গর্ভস্থ সন্তানের! – pregnant women should limit their time spent on mobile phones, here are the reasons

হাইলাইটসগবেষণায় দেখা গিয়েছে যে মোবাইল ফোনের নীলচে আলো আমাদের চোখের পক্ষে ক্ষতিকর। এই নীলচে আলোর প্রভাব গর্ভস্থ সন্তানের জন্যও হানিকর হতে পারে।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: বর্তমানে মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ। স্মার্টফোন ছাড়া আমাদের জীবন এখন আমরা কল্পনাও করতে পারিনা। টিনএজার থেকে বয়স্ক মানুষ, সবার হাতেই এখন রয়েছে মুঠোফোন। দিনের একটা বড় সময় স্মার্টফোনে চোখ রেখেই কেটে যায় আমাদের। এমনকি কারোর কারোর মধ্যে এই স্মার্টফোন ঘাঁটাঘাঁটি রীতিমতো নেশার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। বেশিক্ষণ স্মার্টফোনে মুখ গুঁজে থাকার নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের বারবার সাবধান করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে গর্ভবতীদের স্মার্টফোন নিয়ে অতিরিক্ত ঘাঁটাঘাটি অত্যন্ত ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে মোবাইল ফোনের নীলচে আলো আমাদের চোখের পক্ষে ক্ষতিকর। এই নীলচে আলোর প্রভাব গর্ভস্থ সন্তানের জন্যও হানিকর হতে পারে। যদি গর্ভবতী মহিলারা খুব বেশি সময় মোবাইল দেখেন তাহলে সন্তান নানা ধরনের ব্য়বহারিক সমস্যা নিয়ে জন্মাতে পারে। ডেনামার্কের বিশেষজ্ঞরা গবেষণা করে দেখেছেন যে জন্মের আগে ও পরে শিশুর শরীরে মোবাইলের নীলচে আলোর প্রভাব যদি বেশি পড়ে, তাহলে তার মধ্যে ব্যবহারগত নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। হবু মায়েরা সাবধান! ভুলেও এই পানীয়গুলিতে চুমুক নয়সাত বছর বয়সী সন্তান রয়েছে এমন বেশ কয়েক জন মহিলার ওপরে এই গবেষণা চালানো হয়। গর্ভবতী অবস্থায় এরা কত সময় ধরে মোবাইল দেখতেন এবং বর্তমানে এদের সন্তানদের স্বাস্থ্য ও ব্যবহার নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন করা হয় এই মহিলাদের। সমীক্ষায় পর গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে আসেন, যে সব মহিলারা গর্ভবতী অবস্থায় বেশি সময় মোবাইল দেখতেন, তাঁদের সন্তানদের হাইপারঅ্যাক্টিভিটি এবং ব্যবহারগত সমস্যা রয়েছে। সময়ের আগেই জন্মাতে পারে সন্তান! এই লক্ষণে সতর্ক হন আগে থেকেইতবে এটা একটা সমীক্ষার ফল। এই বিষয়ে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে রাজি নন বিশেষজ্ঞরা। গর্ভাবস্থায় মোবাইলের ব্য়বহার এবং সন্তানের ক্ষতির কোনও সরাসরি সংযোগের প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। মোবাইল থেকে যে ধরনের কম তরঙ্গযুক্ত রেডিও ওয়েভ নির্গত হয়, তা মাইক্রোওয়েভ, টেলিভিশন এবং ল্যাপটপ থেকেও নির্গত হয়। এক্স রে এবং সিটি স্ক্যানের মেশিন থেকে এই ধরনের তরঙ্গ অনেক বেশি পরিমাণে নির্গত হয়। তাই মোবাইলের তরঙ্গ সত্যিই কতটা ক্ষতিকর তা এখনও প্রমাণিত হয়নি। তবু বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, গর্ভাবস্থায় এবং তার পরেও অতিরিক্ত মোবাইলের ব্যবহার নিয়ে সাবধান হওয়া জরুরি। তাই গর্ভাবস্থায় চেষ্টা করন কাউকে ফোন করতে হলে যত বেশি সম্ভব হ্যান্ডস ফ্রি ব্যবহার করতে। ঘরে থাকলে সম্ভব হলে ল্যান্ড লাইনে কথা বলুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব বেশি ঘাঁটাঘাঁটি না করাই ভালো। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Smart Phone: স্মার্টফোন আসক্তি মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় না, বলছেন বিশেষজ্ঞরা – spending long time on phone not bad for mental health: study

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অবসর সময়ে বা কাজের ফাঁকে হাতে ধরা স্মার্টফোন নাড়াচাড়া করার স্বভাব অধিকাংশ জনেরই রয়েছে। তবে এ বছর করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে তা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার এক নতুন সমীক্ষাতে দেখা গিয়েছে, লকডাউন চলাকালীন গত এপ্রিল থেকে ভারতীয়রা দিনে প্রায় সাত ঘণ্টা করে স্মার্টফোন চালিয়েছে, যার জেরে স্মার্টফোনে দৈনিক সময় দেওয়ার হার ২৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। লকডাউনের সময় পড়াশোনা বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম অথবা বিনোদনের ক্ষেত্রে মানুষ বেশি করে গ্যাজেট নির্ভর হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, এতে চিন্তার কোনও কারণ নেই। প্রায় ৭০ শতাংশ ভারতীয় মনে করছেন যে যদি তাঁদের স্মার্টফোনের ব্যবহার এভাবেই বৃদ্ধি পায়, তবে তা তাঁদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলবে। দীর্ঘক্ষণ স্মার্টফোন (smartphone) ঘাঁটলেও তা মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে না বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ‘টেকনোলজি, মাইন্ড অ্যান্ড বিহেভিয়র’ নামক জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে এই নয়া গবেষণার তথ্য। সেখানেই উল্লেখ করা হয়েছে, স্মার্টফোন ব্যবহারের উপর কোনও ব্যক্তির দুশ্চিন্তা, উত্তেজনা, হতাশা, অবসাদ কিংবা চাপ নির্ভর করে না। স্মার্টফোন আসক্তি স্মার্টফোন ব্যবহার মানসিক চাপ তৈরি করে, একথা তাহলে কেন বলা হয়? গবেষকদের মতে, আসলে অনেকেই দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করে থাকেন। এতক্ষণ ব্যবহার করা হচ্ছে- এই ভাবনা থেকেই আসে দুশ্চিন্তা। তাঁরা আরও জানান, একজন প্রাপ্তবয়স্ক যদি মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার সময় কমিয়ে দেন, তাহলে তিনি মানসিকভাবে বেশি খুশি বা চাপমুক্ত থাকবেন, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। এই সমীক্ষায় এও জানা গিয়েছে যে গত এক বছরে একদিনে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়েছে। ২০২০ সালের মার্চে দৈনিক গড় বৃদ্ধি পেয়েছে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টায় ১১ শতাংশ, যা ২০১৯ সালে ছিল ৪.‌৯ ঘণ্টা। এছাড়াও এপ্রিল থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.‌৯ ঘণ্টায় ২৫ শতাংশ।’স্মার্টফোন ও তাদের প্রভাব মানুষের সম্পর্কের ওপর ২০২০’‌ শীর্ষক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, লকডাউনের সময় ভারতীয়রা বেশিরভাগ সময়ই স্মার্টফোন ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে বাড়ি বসে কাজ (‌৭৫ শতাংশ)‌, ওটিটি (‌৫৯ শতাংশ)‌, সোশ্যাল মিডিয়া (‌৫৫ শতাংশ)‌ ও গেম (‌৪৫ শতাংশ)‌ অন্যতম। এছাড়াও ৭৯ শতাংশ স্বীকার করে নিয়েছেন যে স্মার্টফোন তাঁদের প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে সাহায্য করেছে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link