Tag Archives: beauty tips

why not to use body lotion on face : বডি লোশন ভুলেও ফেস ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করবেন না! মুখের ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে


দেহ এবং মুখের ত্বকের পার্থক্য আমাদের মুখ ও দেহের ত্বক আলাদা হয়। শরীরের বাকি অংশের ত্বক মোটা এবং মুখের ত্বক পাতলা হয়। শরীরের বাকী অংশের তুলনায় মুখের ত্বক বেশি কোমল হয়। মুখে প্রচুর সিবাম উৎপন্ন হয়, তবে শরীরের বাকি অংশে সিবাম খুব বেশি উৎপন্ন হয় না। তাই, আরও বেশি করে মুখের ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। অ্যালার্জি বডি লোশন ব্যবহারের ফলে মুখে অ্যালার্জি হতে পারে। বডি লোশনে এমন কেমিকেল ব্যবহার করা হয় যা মুখের ত্বকের জন্য খুবই খারাপ। যাদের ত্বক সেনসিটিভ তাদের বডি লোশন মুখে ব্যবহার করা উচিত নয়। ত্বকের ছিদ্র আটকে যেতে পারে যদি আপনি মুখে বডি লোশন প্রয়োগ করেন, তবে ত্বকের ছিদ্র আটকে যেতে পারে এবং মুখে ধুলো-ময়লা জমতে পারে। যা ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই মুখের ত্বকে ফেস ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। বডি লোশনে বেশি কেমিকেল থাকে বডি লোশনে ফেস ক্রিমের চেয়ে অনেক বেশি কেমিকেল থাকে, যা ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কখনও কখনও বডি লোশন প্রয়োগ করার ফলে ত্বকে জ্বালা এবং লালচে ভাবও দেখা দিতে পারে।

Source link

ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন চারকোল ফেস মাস্ক, দেখুন তৈরির পদ্ধতি | DIY Charcoal Face Mask for Pimple Free Face


কীভাবে চারকোল ফেস প্যাক তৈরি করবেন? ২টো চারকোল ক্যাপসুল, ১ চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং অল্প হলুদ নিন। চারকোল পাউডারের সঙ্গে হলুদ এবং অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। ভালো করে পেস্ট তৈরি করে তা মুখে লাগান। ২০ মিনিট পরে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখার জন্য চারকোল ফেস প্যাক বয়সের সাথে সাথে ত্বকের তারুণ্য ভাব হ্রাস পেতে শুরু করে। এক্ষেত্রে ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে আপনি চারকোল মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এই ফেস প্যাক তৈরি করতে প্রথমে ডিমের সাদা অংশটি নিন। তারপর ২টো চারকোল ক্যাপসুল ও লেবুর রস নিন। ডিমের সাথে চারকোল পাউডার এবং লেবুর রস মেশান। পেস্ট প্রস্তুত হওয়ার পরে এটি মুখে ভালভাবে লাগান। ২০ মিনিটের পরে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য চারকোল ফেস প্যাক গ্রীষ্মে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই কঠিন একটি কাজ। তৈলাক্ত ত্বকে খুব সহজেই পিম্পল দেখা দেয়। তাই, পিম্পল থেকে মুক্তি পেতে আপনি চারকোল প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। প্যাকটি তৈরি করতে ২ চামচ ক্লে, দুটি চারকোল ক্যাপসুল, ২ চামচ আপেল ভিনেগার ও এসেনশিয়াল অয়েল নিন। তারপর সমস্ত উপকরণ একসাথে ভাল করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে তা মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে ব্যবহার করুন লাউয়ের খোসা, দেখুন পদ্ধতি

Source link

Bhagyashree Glowing Skin Secrets : অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করেন এই ফেস প্যাক


Beauty oi-Purabi Jana |

Updated: Saturday, September 12, 2020, 9:45 [IST]
হিন্দি সিনেমা ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া খ্যাত অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ থাকেন। অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই তাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ফিটনেস ও বিউটি নিয়ে নানান ভিডিয়ো শেয়ার করে থাকেন, ঠিক তেমনই অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রীও ইনস্টাগ্রামে তার ভক্তদের সঙ্গে এরকম নানান ভিডিয়ো শেয়ার করে নেন। সম্প্রতি তিনি একটি ভিডিয়ো ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি তাঁর স্কিন কেয়ার সিক্রেট শেয়ার করেছেন। এখানে তিনি দাগহীন এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য একটি ফেস প্যাকের রেসিপি বলেছেন। তিনিও এই প্যাকটি ব্যবহার করেন। ৫১ বছর বয়সী ভাগ্যশ্রীকে দেখে তাঁর বয়স অনুমান করা কঠিন! এটা দেখে বোঝাই যাচ্ছে যে, তিনি তার ফিটনেসের পাশাপাশি ত্বকের যত্নও রাখেন। ভাগ্যশ্রী এই ভিডিয়োটিতে জানিয়েছেন যে, ত্বকের যত্নের জন্য তিনি এই ফেস প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহার করেন। এর জন্য ওটস গুঁড়ো করে নিন এবং একটি বোতলে রেখে এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। পেস্ট তৈরির জন্য ওটস পাউডারে দুধ এবং মধু মিশিয়ে দিন। এটি আপনার মুখে লাগিয়ে শুকোতে দিন। তারপর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই ভিডিয়োতে ভাগ্যশ্রী জানিয়েছেন যে, ক্লিনজিং বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় এতে, যা মৃত ত্বক অপসারণে সহায়তা করে। এছাড়াও, এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সহায়তা করে। আর, মধুতে অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বককে হাইড্রেট করে। ওটস ফেস প্যাক তৈরির পদ্ধতি ২ চামচ ওটসের পাউডার নিন, এক চামচ মধু এবং দুধ নিন। একটি বাটিতে এই সমস্ত উপকরণ নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পেস্ট প্রস্তুত করার পরে এটি মুখে লাগান। এটি শুকিয়ে যাওয়ার পরে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধুয়ে নেওয়ার পর মুখে ময়েশ্চারাইজার বা সিরাম লাগান। হিনা খানের নতুন হেয়ার স্টাইলে মুগ্ধ নেটিজেনরা

GET THE BEST BOLDSKY STORIES!

Allow Notifications

You have already subscribed

Source link

Dark Spots on Legs Remedies: এই চারটি ঘরোয়া পদ্ধতিতেই আপনার পা হয়ে উঠবে সুন্দর ও দাগহীন!


লেবুর রস লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে, যা ত্বকের জন্য উপকারি। লেবু ব্যবহার করে আপনি আপনার পা পরিষ্কার এবং সুন্দর করতে পারেন। একটি বাটিতে লেবুর রস বার করে নিন। এরপর তুলোর সাহায্যে পায়ের দাগগুলিতে লাগান। সপ্তাহে তিন দিন আপনি লেবু ব্যবহার করতে পারেন। শসা ত্বককে হাইড্রেট রাখার জন্য শসা সবচেয়ে দুর্দান্ত উপায় বলে মনে করা হয়। শসা ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ত্বকের দাগ দূর করে। তাই শসা ব্যবহার করতে চাইলে, প্রথমে শসা ছাড়িয়ে তার পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টে গোলাপ জল মেশান। তারপরে এটি আপনার পায়ে লাগান। পেস্টটি শুকোনোর পর জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন স্নানের আগে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারেন। এতে পায়ের সমস্ত দাগ কমবে। আপেল ভিনেগার আপেল ভিনেগার ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। এটি ব্যবহার করলে ত্বকের ট্যান দূর হয়। প্রথমে ছয় চামচ জল নিন। তারপর তাতে দুই চামচ আপেল ভিনেগার মেশান। এরপর এটি প্রয়োগ করুন। প্রতিদিন এটি করলে ত্বকের দাগ কমে যাবে। চিনির স্ক্রাব পায়ের জন্য চিনির স্ক্রাব খুবই উপকারি। এতে ডেড স্কিন এবং দাগ দূর হয়। দুই চামচ চিনি এবং চার চামচ অলিভ অয়েল নিন। এই দুটি উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর পরে পায়ে ভালভাবে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পরে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন চিনি স্ক্রাব করতে পারেন।

Source link

Home Remedies for Forehead Darkness: কপালের কালোভাব দূর করতে এই ঘরোয়া পদ্ধতির প্রয়োগ করুন


বাদামের তেল বাদাম তেল দিয়ে কপালের কালোভাব দূর করা যেতে পারে। একটি পাত্রে বাদামের তেল নিয়ে তাতে মধু এবং দুধের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এরপর এটি কপালে লাগান। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে, ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কপালের কালোভাব দূর করতে এই মিশ্রণটি প্রতিদিন প্রয়োগ করুন। কাঁচা আলু কপালের কালোভাব দূর করতে কাঁচা আলু খুব কার্যকর। কাঁচা আলু কপালে ঘষলে কপালের কালোভাব কমে। পাশাপাশি মাথা ব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। আপনি যদি কপালের কালোভাব নিয়ে চিন্তিত থাকেন, তাহলে কপালে কাঁচা আলুর টুকরো ঘষতে পারেন। মসুর ডাল মসুর ডাল ব্যবহার করেও কপালের কালোভাব দূর করা যায়। এই পেস্টটি তৈরি করতে মসুর ডাল, অ্যালোভেরা জেল এবং টমেটো নিন। প্রথমে মসুরের ডাল জলে ভিজিয়ে পিষে নিন। তারপর এতে অ্যালোভেরা জেল এবং টমেটোর রস মেশান। পেস্ট প্রস্তুত হওয়ার পরে তা কপালে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। শসার রস শসার রস ত্বকের জন্য খুব উপকারি। শসার রস ব্যবহার করে ডার্ক সার্কল কমানো যায়। একইভাবে শসার রস কপালের কালোভাবও দূর করতে সহায়তা করে। নিয়মিত কপালে শসার রস প্রয়োগ করলে কপালের কালোভাব দূর হবে। অভিনেত্রীদের মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন কিউই ফেস মাস্ক, দেখুন তৈরির পদ্ধতি কাঁচা দুধ ও হলুদ কাঁচা দুধে হলুদ মিশিয়ে লাগালেও কপালের কালোভাব দূর হবে। দুধে হলুদ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি কপালে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এর পরে আলতোভাবে কপাল ম্যাসাজ করে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু’বার হলুদ ও দুধ ব্যবহারের ফলে কপালের কালোভাব দূর হবে। দুধ ও গোলাপ জল দুধ ও গোলাপ জলের ব্যবহার, কপালের কালোভাব দূর করে। দুধ এবং গোলাপজল একসাথে মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে কপালে ভালভাবে লাগান। সারারাত এটি কপালে লাগিয়ে রেখে দিন। এটি কপালে পুষ্টি সরবরাহ করবে এবং কপালের কালোভাব দূর হবে। চন্দন পাউডার কপালের কালোভাব দূর করতে চন্দন পাউডারও ব্যবহার করতে পারেন। আধা চামচ চন্দন পাউডার, এক চামচ ডাবের জল এবং সামান্য বাদাম তেল নিয়ে ভালভাবে মেশান। এরপর এই পেস্টটি কপালে লাগান। ২০ মিনিট পর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি প্রতিদিন প্রয়োগ করলে কপালের কালোভাব দূর হবে। চা ও কফি কম পান করুন মুখের সৌন্দর্য বাড়াতে চা এবং কফি পান কমিয়ে ফেলা উচিত। অতিরিক্ত চা-কফি পানের ফলে ক্ষুধা কমে যায়, যার কারণে শরীর পুষ্টি পায় না। যার কারণে ত্বক নিষ্প্রাণ ও শুষ্ক হয়ে যায়। তাই, ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে চা এবং কফি কম পান করুন।

Source link

mustard oil for skin lightening :উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন সরিষার তেলের ফেস প্যাক


সরিষার তেলের ফেস প্যাক বানানোর পদ্ধতি সরিষার তেলের ফেস প্যাক বানানোর জন্য ২ চামচ সরিষার তেল, ১ চামচ বেসন, ১ চামচ দই এবং আধা চামচ লেবুর রস নিন। একটি বাটিতে সরিষার তেল, দই, বেসন এবং লেবুর রস একসঙ্গে ভালভাবে মিশ্রিত করে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এরপর মুখে লাগিয়ে কুড়ি মিনিট রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এরপর অবশ্যই মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান। ট্যান দূর করতে সহায়তা করে সূর্যের প্রখর তাপ থেকে বাঁচতে আমরা প্রত্যেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করি। তবে, প্রতিদিন রোদ বেরোতে বেরোতে অনেক সময় ত্বকে ট্যান পড়ে যায়। তাই, এই ফেস প্যাক প্রয়োগ করলে ত্বকের ট্যান কমে যায়। এই ফেস প্যাকের একটি উপাদান হল লেবু। আর লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে যা ত্বকের ট্যান দূর করতে খুবই সহায়ক। রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করেন? দেখে নিন এর স্বাস্থ্যকর সুবিধাগুলি উজ্জ্বল ত্বকের জন্য সহায়ক সরিষার তেলের ফেস প্যাক সরিষার তেল লাগালে ত্বকের ডার্ক স্পট কমার পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল হয়। রাতে শোওয়ার সময় সরিষা এবং নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। ফাটা ঠোঁটের জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করুন শীত আসছে, এই মরসুমে ঠোঁট শুকোতে শুরু করে। লিপ বাম বা পেট্রোলিয়াম জেলি প্রয়োগ করলে ঠোঁট এক থেকে দুই ঘণ্টা নরম থাকে, কিন্তু তারপর আবার একই সমস্যা দেখা দেয়। রাতে ঘুমানোর সময় যদি আপনি আপনার নাভিতে সরিষা তেলের কয়েক ফোঁটা দেন, তাহলে ঠোঁট ফাটার সমস্যা দূর হবে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link

How to Take Care of Your Hands: শুধু মুখই নয় হাতকেও সুন্দর রাখুন, দূরে রাখুন বয়সের ছাপ! – keep your hands looking young: 6 do’s and don’ts

হাইলাইটসযাই বলুন না কেন, আজকের পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে বেশি ঝড়-ঝাপটা সইতে হয় আমাদের দুটো হাতকেই। হাতের উপর দিয়ে সারা দিন এতরকম ধকল যায় যে, বয়সের ছাপ মুখের আগেও ধরা পড়ে হাতে। তাই মুখের মতো বেশি যত্ন নিতে হবে হাতের। অফিসের কাজের পাশাপাশি বাড়ির কাজও করতে হয় আমাদের।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যাই বলুন না কেন, আজকের পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে বেশি ঝড়-ঝাপটা সইতে হয় আমাদের দুটো হাতকেই। হাতের উপর দিয়ে সারা দিন এতরকম ধকল যায় যে, বয়সের ছাপ মুখের আগেও ধরা পড়ে হাতে। তাই মুখের মতো বেশি যত্ন নিতে হবে হাতের। অফিসের কাজের পাশাপাশি বাড়ির কাজও করতে হয় আমাদের। এর মধ্যে করোনাকালে বার বার হাত ধোয়ার ফলে রুক্ষ্ম হয়ে উঠছে হাত। সাবানের ক্ষার বা স্যানিটাইজারের অ্যালকোহল, দুটোই কেড়ে নেয় হাতের মখমলি কোমলতা। আর কে না জানে যে, রুক্ষ ত্বকেই তাড়াতাড়ি বয়সের ছাপ পড়ে? স্রেফ তাই নয়, ত্বক বেশি শুকিয়ে গেলে একজিমা বা অন্য কোনওরকম প্রদাহও দেখা দিতে পারে। তাই গোড়া থেকেই সাবধান হোন।বাড়িতে বাসন মাজা, কাপড় কাচার জন্য এমন সাবান ব্যবহার করুন যা হাতের রুক্ষতার কারণ হয়ে দাঁড়াবে না। যে হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করছেন, সেটিও কোমল হওয়াই বাঞ্ছনীয়। চেষ্টা করুন যাতে একবারে সব কাজ সেরে নেওয়া যায়। তারপর হাত ধুয়ে, মুছে ভালো কোনও ক্রিম লাগিয়ে নেবেন। কোনও অ্যান্টি-এজিং বা অতি সুগন্ধি ক্রিম লাগালেও চলবে না। হাত অল্প ভিজে থাকতে থাকতেই পেট্রোলিয়াম জেলি আর নারকেল তেলের মিশ্রণ লাগাতে পারেন। প্রতিবার হাত ধোওয়া বা স্যানিটাইজ করার পরই একবার ময়েশ্চরাইজার লাগিয়ে নিন। পাতলা বডি লোশন কিন্তু এখন চলবে না, ঘন ক্রিম ব্যবহার করুন। ময়শ্চারাইজারের অভাবে হাত হয়ে ওঠে শুষ্ক, খসখসে, প্রাণহীন। আবার হাতের ত্বকের চামড়াও ফেটে লাল হয়ে যায়। তা হলে কেমন যত্ন নিলে শীতেও হাত হয়ে উঠবে কোমল? দেখে নিন…১. হাত নরম রাখার একমাত্র উপায় হল ময়শ্চারাইজ় করা। ধোয়া হয়ে গেলেই ক’ফোঁটা ময়শ্চারাইজ়ার হাতে লাগিয়ে নিন। রাতে নারিশিং ক্রিম ব্যবহার করার সময়ে হাতের তালু, তালুর পিছন দিক, আঙুল, কব্জি থেকে শুরু করে কনুই পর্যন্ত ভাল করে মাসাজ করতে হবে।২. সমস্ত স্যানিটাইজারে অ্যালকোহল থাকে, তা এড়িয়ে চলাই ভাল। কারণ এতে হাত আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। ৩. হাত ধোয়ার জন্য গ্লিসারিন এবং ক্রিম বেসড ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। এতে রুক্ষতা কমবে। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ময়শ্চারাইজ়ার ছাড়া ক’ফোঁটা অলিভ অয়েল ভাল করে মাসাজ করে নিতে পারেন।আরও পড়ুন: সাতদিনের মধ্যেই চুল ঝরা বন্ধ করতে চান? পরখ করে দেখুন তেজপাতা!৪. স্নান করার আগে হাতে ভাল করে তেল মেখে নিন। যে বডি অয়েল আপনার ত্বকের সঙ্গে ভাল যায়, সেটিই ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া তিলের তেল, আমন্ড অয়েল কিংবা অলিভ অয়েলও লাগাতে পারেন। তবে সেগুলি মাত্র কয়েক ফোঁটাই যথেষ্ট।৫. হাত অতিরিক্ত শুকিয়ে গেলে, হট অয়েল মাসাজ করতে পারেন। দু’টেবিল চামচ বেসনের মধ্যে সামান্য দুধ অথবা টক দই এবং এক ফোঁটা হলুদ গুঁড়ো দিয়ে মিহি মিশ্রণ তৈরি করুন। স্নানের আগে দু’হাতে ভাল করে সেই মিশ্রণ মেখে নিন। শুকিয়ে গেলে ঈষদুষ্ণ জলে হাত ধুয়ে নিতে পারেন।৬. অতিরিক্ত শুষ্ক হাত থেকে রেহাই পেতে দু’চামচ সানফ্লাওয়ার অয়েল, দু’চামচ পাতিলেবুর রস ও তিন চামচ চিনি মিশিয়ে মাসাজ করুন। টিভি দেখার সময়ে বা অবসরে অল্প গ্লিসারিনের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে দু’হাতে ভাল করে মাসাজ করতে পারেন। হাত নরম হবে। দুধ, কমলালেবুর খোসা, চিনি… হাত নরম ও সতেজ রাখার জন্য অনেকেই নানা কিছু ব্যবহার করেন। তবে বেশি জরুরি ময়শ্চারাইজ়ার। শত ব্যস্ততাতেও ধরে থাকুন তাকে। তবেই হাতের স্পর্শ হবে কোমল।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link