Tag Archives: Birbhum

Trinamool Leader From Nanoor Threats Cpim Candidate Ahead Of West Bengal Assembly Election 2021 : ‘CPM-কে ভোট দিলে হাত কেটে নেব’, হুমকি তৃণমূল নেতার

হাইলাইটসপ্রকাশ্যে বীরভূম জেলার নানুরের সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী শ্যামলী প্রধানকে ‘হাত কেটে নেওয়ার’ হুমকি দিলেন স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা। অভিযোগ, তিনি বলেছেন, ‘CPM-তে ভোট দিলে হাত কেটে দেব।’এই নিয়ে হইচই শুরু হয় এলাকায়।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকাশ্যে বীরভূম জেলার নানুরের সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী শ্যামলী প্রধানকে ‘হাত কেটে নেওয়ার’ হুমকি দিলেন স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা। অভিযোগ, তিনি বলেছেন, ‘CPM-তে ভোট দিলে হাত কেটে দেব।’বুধবার বিকেলে প্রচারে নানুর বিধানসভার আগরতর গ্রামে প্রচারে যান সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত বাম প্রার্থী শ্যামলী প্রধান। অভিযোগ, সেই সময় নানুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা জুলি বিবির স্বামী নুরমান শেখ শ্যামলী প্রধানের পথ আটকান। কেন তিনি প্রচার করতে এসেছেন তা জানতে চাওয়া হয় প্রার্থীর থেকে। এখান থেকেই বচসার সূত্রপাত। নিজের সপক্ষে যুক্তি দিতে চাইলেও তোয়াক্কা করেননি নুরমান। বচসা চলাকালীননুরমান শেখ হাত কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়ে বসেন। পরে এই নিয়ে হইচই শুরু হয় এলাকায়। অবস্থা বেগতিক দেখে এলাকা ছাড়েন নুরমান শেখ।পোস্টাল ব্যালট জমা দিন, তৃণমূল নেতার ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপে বিতর্কএদিন বচসার সময় নুরমান বলেন, ‘আপনি পাঁচ বছর ধরে এলাকার বিধায়ক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে আপনি গ্রামে ঢুকেছেন সেটি করেছে তৃণমূল সরকার। তাহলে আপনি কী করছেন।’ পালটা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেন শ্যামলীও। কিন্তু সেই জবাব শোনার পরোয়া করেননি নুরমান। এরপরেই তিনি বলেন, ‘এখানে CPM-এ কেউ একটা ভোটও দেবে না। যে ভোট দিতে আসছে তার হাত কেটে দেব।”আগেও খুন হয়েছে, এবারেও হবে’, ফের বিতর্কিত মন্তব্য অনুব্রতরএই মন্তব্যে উঠেছে বিতর্কের ঝড়। তৃণমূল নেতার এই মন্তব্য প্রসঙ্গে শ্যামলী প্রধান বলেন, ‘ওদের সঙ্গে মানুষ নেই। তাই এখন সন্ত্রাস করে জিততে চাইছে। এই সমস্ত লোকজন পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে দেয়নি। এবার বিধানসভা নির্বাচনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে।’ এদিকে পুরো ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের নানুরের ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, ‘যে এই কথা বলেছেন সে আমাদের লোক নয়। আমাদের লোক ওই সব কথা বলে না। CPM পাঁচ বছর এলাকার মানুষের সঙ্গে কোন সম্পর্ক রাখেনি। তাই এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ। এলাকার মানুষ কী বলবেন তার দায় আমাদের নয়। CPM -এর লোকজন এলাকায় ঘোরাঘুরি করুক মানুষ চাইছে না। আমরা কোনরকমে ঘুরতে দিচ্ছি।’ ভোটমুখী বাংলায় এই হুমকির ঘটনায় কার্যত বিতর্ক তুঙ্গে।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।ফাইল ফটো

Source link

viral audio of trinamool leader: পোস্টাল ব্যালট জমা দিন, তৃণমূল নেতার ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপে বিতর্ক – controversy on viral audio clip of tmc leader of rampurhat giving instruction regarding postal ballot

হাইলাইটসতৃণমূল নেতার ভাইরাল অডিয়ো টেপকে (এই অডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল) কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। অডিয়োতে পোস্টাল ব্যালট এক নেতার হাতে তুলে দিতে বলছেন তিনি।এই অডিয়ো নিয়ে চলছে তোলপাড়।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একুশের ভোটে কাটছেই না ‘ভাইরাল’ বিতর্কের ঢেউ। এবার বীরভূম জেলার রামপুরহাট শহরের তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি সৌমেন ভকতের ‘ভাইরাল অডিয়ো’ (এই অডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল)-র জেরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই অডিয়ো (এই অডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল)-তে তাঁকে বলতে শোনা গেছে, রামপুরহাট পুরসভার স্থায়ী কর্মীদের পোস্টাল ব্যালট নির্দিষ্ট এক কর্মী হাতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে। এই অডিয়ো নিয়ে চলছে তোলপাড়।সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল এই অডিয়ো ক্লিপ। সেখানে সৌমেন ভকতকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘পুরসভার স্থায়ী কর্মীরা নিজের নিজের ব্যালট অবোধ কিশোর রামের হাতে জমা দেবেন। কারও দিতে অসুবিধা থাকলে জানিয়ে দেন। কিন্তু মিটিং হয়ে যাওয়ার পর কারও কথা শোনা হবে না। সমস্ত পোস্টাল ব্যালট অবোধ কিশোর রামের হাতে জমা দিতে হবে।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই বক্তব্য।‘বিদ্যাসাগর আমাদের পাড়ার ছেলে’, চায়ে চুমুক দিতে দিতে বললেন দিলীপঅডিয়োতে দলের হয়ে পুরকর্মীদের কাজ করার নির্দেশ দিচ্ছেন সৌমেন ভকত, শোনা যাচ্ছে এমনটাই। এই অডিয়ো বার্তা (এই অডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল) প্রকাশ্যে আসার পরেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বাম এবং BJP। ইমেল মারফত অভিযোগ করার পাশাপাশি অডিয়ো ক্লিপটিও পাঠানো হয়েছে কমিশনের দফতরে। এদিকে এই ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপ প্রসঙ্গে সৌমেন ভকত জানান, ‘আমি ওরকম কথা বলিনি। কেউ হয়তো আমার গলা নকল করেছে।’ এদিকে অবোধ কিশোর রাম, যাঁর নাম ভেসে উঠছিল, তিনি বলেন, ‘বৈঠকে আমি ছিলাম না। তবে কেউ পোস্টাল ব্যালট দিতে এলেও আমি নেব না। আর কেউ একথা বলে থাকলে আমার অনুমতি ছাড়াই বলেছেন।’ এদিকে এই বিতর্কিত অডিয়ো প্রসঙ্গে রামপুরহাট বিধানসভা কেন্দ্রের BJP প্রার্থী শুভাশিস চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের উপর ওদের আর ভরসা নেই। তাই পোস্টাল ব্যালট হাতিয়ে নিয়ে নিজেরাই ছাপ্পা মারবে। সুযোগ পেলে এরা বুথ দখল করে ছাপ্পা দিতেও প্রস্তুত। মানুষের উপর ভরসা, আস্থা, বিশ্বাস হারিয়ে ফেললে এভাবেই গায়ের জোরে জিততে হবে। আমরা কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছি। দেখা যাক কমিশন কি ব্যবস্থা নেয়।’ এদিকে এই প্রসঙ্গে সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী সঞ্জীব বর্মণ বলেন,’তৃণমূলে যে যত দুর্নীতি করবে সে তত বড় পদে যাবে। ওই তৃণমূল নেতা পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি করেছিলেন। মোবাইলের কথোপকথনে তা ফাঁস হয়ে যায়। আমরা প্রশাসনের সর্বস্তরে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসন তদন্তটুকুও করেনি। এবার পোস্টাল ব্যালট নিয়ে দুর্নীতিতে জড়ালেন। তিনি দলে আরও বড় পদ পাবেন।’ পুরসভা কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি ত্রিদিব ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানি না। তবে কেউ বলে থাকলে ঠিক বলেননি।’টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Birbhum: বোলপুরের অতীত থেকে বর্তমান – famous tourist destinations in birbhum

হাইলাইটসরবি ঠাকুর ও তার গান, ব্রাহ্মসমাজ, বোলপুরের অতীত থেকে বর্তমান সব কিছু বিষয় নিয়েই আড্ডা চলছিল। এই সময় উঠল ডাঙ্গালী কালি মন্দিরের কথা। আমিতো শুনতে শুনতে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না। পার্থময় চ্যাটার্জীবলিপুর থেকে বোলপুর, শান্তিনিকেতন কিভাবে হল সেই গল্পটা আগেই করা উচিত ছিল আমার। সন্ধ্যার আড্ডা বেশ জমে উঠেছিলো রতন পল্লীর অজিতের চপ মুরির দোকানে। শান্তিনিকেতন আসব আর রতন পল্লীর চপ বা কালো দার চা খাবনা সেটা ভাবতেই পারিনা। শীতের সন্ধ্যা আড্ডা। প্রকৃতির উষ্ণতা তখন ৭ কি ৮ ডিগ্রী হবে। মাঝে মাঝে গঙ্গোত্রী কবিতায় শুভ্রা ও চন্দ্রা গানে, আড্ডায় একটা আলাদা মহল তৈরি করেছিল। রবি ঠাকুর ও তার গান, ব্রাহ্মসমাজ, বোলপুরের অতীত থেকে বর্তমান সব কিছু বিষয় নিয়েই আড্ডা চলছিল। এই সময় উঠল ডাঙ্গালী কালি মন্দিরের কথা। আমিতো শুনতে শুনতে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলাম না। সত্যি, এতদিন ধরে বোলপুর এর সঙ্গে মিশছি আর এই প্রসিদ্ধ স্থানটিকে দেখা হয়নি! কাউকে কিছু না জানিয়ে, একটা টোটো ভাড়া করে রওনা দিলাম ডাঙ্গালী কালি বাড়ির উদ্দেশ্যে। বোলপুর স্টেশন এর ৩ নম্বর প্লাটফর্ম লাগোয়া এই কালি থান। রেল ব্রিজ টপকে ডান হাতি রাস্তা। যখন পৌঁছালাম তখন সব কিছু শুনশান, নিস্তব্ধ মন্দিরে একজন পুরোহিত ধ্যান করছিলেন। আমি মন্দির সম্পর্কে জানার ইচ্ছা প্রকাশ করাতে উনি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহাশয় চান্দ্রকুমার মিশ্রকে ডেকে আনলেন। ৫৫ কি ৫৬ বছরের যুবক এই চন্দ্রবাবু,১৯৬৬ সাল মানে ৪ বছর বয়স থেকে মন্দিরের পুজো করছেন। অতি সজ্জন ব্যক্তি। অসম্ভব জ্ঞান আধ্যাত্মিক জগতের উপর। এই মন্দিরের নাম ডাঙ্গালী কালি মন্দির কিন্তু এখানে মা নিরাকার। মন্দিরের বয়স কেউই সঠিক জানেন না। বহু বছর আগে এখানে একটা বিশাল বটগাছ ছিল আর এই বটগাছের গুড়িটার আকৃতি ছিল মা কালির মতো, একটা টিনের চলা ছিল আর ছিল অসংখ্য বিষধর সাপ, যার বেশির ভাগই খরিশ সাপ। বটগাছের গুড়িটার একটা অংশ এখনো দেখা যায় । লোহার রেলিং এ ঘেরা। একটা গা ছম ছম পরিবেশ।সুরজ রাজার সময় থেকেই এই বলি শুরু হয় প্রাণী বলি দিয়ে। কথিত আছে, এই সুরোজ রাজা এক লাখ প্রাণী বলি দিয়েছিলেন একই দিনে আর বোলপুরের মাটি রং লাল হয়ে গেছিলো এই বলির রক্তে। বোলপুরের পূর্বের নাম ছিল বলিপুর। ব্রিটিশ, ফরাসি এরা এখানে নীলচাষ করতে এসেছিল। এই মাটি বিপ্লবের জন্ম ভূমি, অসহযোগ আন্দোলন থেকে শুরু করে ভারত ছাড়ো আন্দোলন, সবেতেই বোলপুর এক বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন। মহাত্মা গান্ধী,নেতাজি সুভষচন্দ্র বোস, এনাদের মত বিপ্লবীরা এই বোলপুরে পা রেখেছিলেন।কালী মন্দিরআবার ফিরে যাচ্ছি ডাঙ্গালী কালি মন্দির প্রসঙ্গে। ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর নিভৃতে ঈশ্বরচিন্তা ও ধর্মালোচনার উদ্দেশ্যে বোলপুরে একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯১ সালে মহর্ষিদেব এই আশ্রমের উপাসক হিসেবে অচ্যুতানন্দ পণ্ডিত কে নিয়োগ করেন আর এই আর্য্যসমজের পণ্ডিত পরবর্তী কালে এই ডাঙ্গালী কালি মন্দিরের পুরোহিত হন। বোলপুরের কাছারি পট্টির স্মৃতিকণ্ঠ চট্টোপাধ্যায় এর পরিবার এই মন্দিরের দায়িত্বে আছেন। পন্ডিত অচ্যুতানন্দ মিশ্র বিহার এর বেদৌড়ি গ্রাম থেকে এসেছিলেন। চাঁদ কুমার মিশ্র ওনারই নাতি, যিনি এখন এই মন্দিরের প্রধান পুরোহিত।বোলপুরের কারো ঘরে বিয়ে হলে এই মন্দিরে পুজো দিয়ে তবেই বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হয়। এমন কি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র শিল্পী শ্রীমতী সুচিত্রা সেন ও বিয়ের পরে এই মন্দিরে পুজো দিতে এসেছিলেন। মন্দির ভোর ৪ টে থেকে রাত্রি ১০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। দুপুরে সাময়িক বন্ধ থাকে। রোজ পরমান্ন ভোগ দেওয়া হয়। সমাজের সব ক্ষেত্রের মানুষজন এই মন্দিরে সমান ভাবেই আমন্ত্রিত হয়। ডোম সমাজেও এই ডাঙ্গালী মা অবস্থান করেন। যদি সত্যি সত্যি নিরাকার এর মধ্যেও মনের শক্তি পেতে চান আর ভক্তি দেখতে চান তবে এই মন্দিরে একবার উঁকি মেরে যেতে পারেন।চলবে…টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

birbhum tapoban ashram: বীরভূমের তপোবন – tapoban ashram in birbhum is one of the top ashrams in birbhum

হাইলাইটসআমার কাছে বোলপুর মানে কাশফুলের ডাক, পলাশের প্রেম, আমলতাসের ভালোবাসা, আকাশমনি হাতছানি, কুর্চির মিষ্টি হাসি, বোগেনভিলার নানা রঙের আকর্ষণ আর মহুয়ার দুষ্টুমি। আমাদের রবীন্দ্র প্রেমিক মানুষের কাছে শান্তির মন্দির। যেখানে প্রতিটা ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে রবিঠাকুর।পার্থময় চ্যাটার্জীআমার কাছে বোলপুর মানে কাশফুলের ডাক, পলাশের প্রেম, আমলতাসের ভালোবাসা, আকাশমনি হাতছানি, কুর্চির মিষ্টি হাসি, বোগেনভিলার নানা রঙের আকর্ষণ আর মহুয়ার দুষ্টুমি। হ্যাঁ, এই লালমাটির এত গুন, এই রুক্ষ লালমাটির গর্ভে জন্মায় পলাশ,কুর্চি ,আমলতাস, আকাশমনি, বোগেনভিলা আর পিয়াল নামের মিষ্টি ফুলেরা। হয়ত রুক্ষ দেহের গর্ভ থেকে এদের জন্ম বলে এরা এত রূপসী আর এরা দীর্ঘ প্রাণ নিয়ে টিকে থাকে। তাই রবিঠাকুর ভালোবেসে ও আদর করে এদের নাম রেখেছেন কুর্চি , সোনাঝুরি ,অমলতাস। শান্তিনিকেতন বলতে আমার কাছে শুধুই গুরুদেব। আমাদের রবীন্দ্র প্রেমিক মানুষের কাছে শান্তির মন্দির। যেখানে প্রতিটা ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে রবিঠাকুর। সর্ব ধর্ম সকল জাতের মিলন ক্ষেত্র এই শান্তিনিকেতন। রিক্সাওয়ালা থেকে শুরু করে পানওয়ালা, হিন্দু, মুসলিম, বাঙালি অবাঙালি সবার কাছে একটাই নাম ‘ঠাকুর’ অর্থাৎ রবিঠাকুর। এখানে আকাশ তাঁর লেখা, বাতাসে তাঁর সুর, পাখিদের কণ্ঠে তাঁর গান, প্রজাপতির পাখায় আছে খুশির ছোঁয়া , জোনাকির ডানায় আছে আনন্দ ধারা, কোপাইয়ের পারে কাশবন আর খোয়াইয়ের ধারে বসে শনিবারের মেলা। আর আছে আজয়ের পাশে আছে সবুজ বনের উজলা।এবার আসছি সেই সুন্দর জায়গাটার কথায়। যাকে দেখে মনে হয় স্বর্গের তপোবন থেকে এক টুকরো সৌন্দর্য্য নেমে এসেছে এই জায়গায়। মনটা ভীষণ একঘেঁয়ে হয়ে গিয়েছিল, সেই ডিসেম্বর মাসে শেষ সপ্তাহে বোলপুর গিয়েছিলাম মাত্র ঘন্টা দু’য়েকের জন্য। এরপর আর রাত কাটানো ভ্রমণ হয়নি আমার, গত দেড় মাস খানেক। তাই ‘উঠিয়ে ঝোলা চলরে ভোলা’ একটা পারিবারিক কাজ নিয়ে আবার বীরভূম।কি ভাবে যাবেনগাড়ি নিয়ে NH2 ধরে বর্ধমান, সেখান থেকে NH2B ধরে গুসকরা, ভেদিয়া টপকে, অজয় নদীর ব্রিজ পেরিয়ে ডান হাতি রাস্তা ধরে আরও ৮ কিমি যেতে হবে। এর পর ১ কিমি কাঁচা মাটির রাস্তা পেরিয়ে পৌঁছলাম ‘সবুজ বন’। কলকাতা থেকে ১৫৮ কিমি আর বোলপুর থেকে ১৪ কিমি। জায়গার নাম রসুলপুর।এখানকার মালিক হচ্ছেন এক প্রকৃতি পাগল মানুষ, আবদুস সেলিম ভাই, ৫০ একর জমি নিয়ে ২০০৬ সালে এই রিসর্ট ও প্লান্টস মিউজিয়াম তৈরি করেছেন। সব থেকে পুরানো গাছটির বয়স ১১৪ বছর, গাছটির নাম আদিনামুম অবেসুম। এখানে মাথা পিছু খাওয়া খরচ ১২০০ টাকা, জনা ২০ লোক থাকতে পারে, বোলপুর স্টেশন থেকে এনাদের গাড়িতে ৩০০ টাকা। রিসর্টে নিয়ে আসা ও যাওয়ার ব্যবস্থা আছে।দারুন সুন্দর এই বাগান বাড়িটি, এখান থেকে আধ কিমি দূরত্বে অজয় নদের পার। মনোরম পরিবেশ, সবুজ এর মধ্যে দিয়ে লাল মাটির পথ আর বৃষ্টির জলে সেই লাল মাটি গলে অজয়ের বুকে সিঁদুর লেপ্টে দিয়েছে যেন। বৃষ্টি ভেজা সবুজ প্রকৃতি মাঝে অজয়ের লাল জল বাঁধের উপর থেকে মনে হয় এটা এক সিক্ত নবপরিণীতার সিঁথির সিঁদুর। এই সবুজ বনে কত যে গাছ আছে তাদের অসাধারণ রূপ আমাকে পাগল করে দেয়। সকালে এসে সারাদিন অজয়ের পার আর আব্দুস সাহেবের এই সুন্দর সাজানো বাগানে ঘুরে দুপুরের জম্পেশ খাবার খেয়ে আমরা ফিরে চললাম বোলপুর।(চলবে)(লেখক পরিচিতি: পেশা ভিন্ন হলেই ভ্রমণের টানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়িয়েছেন। বছরভর ভ্রমণেই কেটে যায় তাঁর। ভ্রমণ সংক্রান্ত লেখালেখি প্রায় ১০ বছর।)এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Shatabdi Roy: ফ্যানস ক্লাবের পেজে শতাব্দীর নামে পোষ্ট ঘিরে জোর জল্পনা – actor-turned-trinamool mp hints at saturday shock for mamata banerjee

এই সময়, সিউড়ি: একটা পোস্ট। তা ঘিরেই একাধিক জল্পনা। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বীরভূমের অভিনেত্রী-সাংসদ শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাবের পেজে একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। একমাসও হয়নি, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বোলপুরের পদযাত্রায় হেঁটেছিলেন শতাব্দী। কিন্তু এদিনের বিতর্কিত পোস্টের পর থেকে তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। ফলে শাসক দলকে অস্বস্তিতে ফেলা পোস্টটি ফেক কি না তাও জানা সম্ভব হয়নি।কী লেখা হয়েছে পেজের ওয়ালে?শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাবের নামে খোলা পেজে সাংসদের বয়ানে করা পোস্টে বলা হয়েছে, ‘এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ। কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। তাঁদের বলছি যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়।’ আক্ষেপের সুরে লেখা হয়েছে, ‘নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ২০০৯ সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব।’ এখানেই শেষ নয়। শতাব্দী মনে করিয়ে দিয়েছেন, সাংসদ হওয়ার অনেক আগে থেকে বাংলার মানুষ তাঁকে অভিনেত্রী হিসেবে চেনেন৷ গত দশ বছরে নিজের বাড়ির থেকেও সাংসদীয় এলাকার মানুষের সঙ্গে বেশি সময় কাটিয়েছেন তিনি৷ শেষে সাংসদ লিখেছেন, কোনও সিদ্ধান্ত নিলে আগামী ১৬ জানুয়ারি বেলা দুটোয় তিনি জানাবেন৷ তাহলে জেলাতে কার সঙ্গে সমস্যা হচ্ছে তাঁর? এই প্রশ্ন নিয়ে বিস্তর জল্পনা শুরু হলে যোগাযোগ করা সত্ত্বেও সাংসদকে পাওয়া যায়নি। তিনি এসএমএস বা হোয়াটস অ্যাপের উত্তরও দেননি। কিন্তু এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যেতেই মুখ খোলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। জেলার রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই সাংসদের সঙ্গে সভাপতির ঠান্ডা লড়াইয়ের কথা শোনা যায়। শতাব্দী রায়কে দীর্ঘদিন অনুব্রতর ধারে কাছে সেভাবে দেখা যায়নি। বরং জেলার অন্য সাংসদ বোলপুরের অসিত মাল সভাপতির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। যা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন সময়। জেলা সভাপতি অনুব্রত এদিন বলেন, ‘যাকে জানাবে জানাক। দলের চেয়ারপার্সন তো আমি নই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে জানালে তিনি যা ভালো বুঝবেন করবেন। আমি চাষার ঘরের ছেলে। অত ভনিতা, ইঙ্গিত বুঝি না। সরাসরি কথা বলি।’ এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন-

Source link

kolkata news News : ৩০ বছর বাঁচলেন মেয়ে পরিচয়ে, ক্যানসারের পরীক্ষা করাতে গিয়ে জানলেন তিনি পুরুষ! – kolkata doctors find out 30 year old birbhum woman a man during cancer test

হাইলাইটসপ্রতি ২২ হাজার মানুষর মধ্যে ১ জনের এমনতর রোগ ধরা পড়ে। বিরল এই রোগের নাম ‘অ্যান্ড্রোজেন সেনসিটিভ সিন্ড্রোম’। আশ্চর্যজনক এক রোগ, যেখানে লিঙ্গের দিক থেকে পুরুষ হিসেবেই জন্ম হয়। অথচ চলন-বলন থেকে শারীরিক গঠন সবই হয় হুবহু মহিলাদের মতো।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: তিরিশটা বছর কেটে গেল। অথচ ঘূণাক্ষরেও টের পাননি কিছুই। পেটের অসম্ভব যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে যখন বীরভূম থেকে কলকাতা এসে পৌঁছলেন, তখন জানা গেল তিনি আদতে মহিলা নন, পুরুষ। সম্প্রতি তাঁর টেস্টিকুলার ক্যানসার ধরা পড়েছে। সেখানেই খোলসা হয়ে যায়, তাঁর আসল পরিচয়।ডাক্তারদের তরফে জানানো হয়েছে, এ এক বিরল রোগ। প্রতি ২২ হাজার মানুষর মধ্যে ১ জনের এমনতর রোগ ধরা পড়ে। বিরল এই রোগের নাম ‘অ্যান্ড্রোজেন সেনসিটিভ সিন্ড্রোম’ (Androgen Insensitivity Syndrome)। আশ্চর্যজনক এক রোগ, যেখানে লিঙ্গের দিক থেকে পুরুষ হিসেবেই জন্ম হয়। অথচ চলন-বলন থেকে শারীরিক গঠন সবই হয় হুবহু মহিলাদের মতো।বীরভূমের ৩০ বছরের ওই বাসিন্দার ৯ বছর আগে বিয়ে হয়েছে। টেস্টিকুলার ক্যানসার ধরা পড়ার পরই কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। সেখানে ক্লিনিক্যাল অঙ্কোলজিস্ট ডাক্তার অনুপম দত্ত এবং সার্জিক্যাল অঙ্কোলজিস্ট ডাক্তার সৌমেন দাস ক্যানসার আক্রান্ত ওই ব্যক্তির যাবতীয় সব টেস্ট করেন। তার পরই ধরা পড়ে তাঁর আসল আইডেন্টিটি। ডাক্তার অনুপম দত্তের কথায়, “সব দিক থেকেই তিনি একজন মহিলা। গলার স্বর থেকে শুরু করে বিকশিত স্তন, জননেন্দ্রিয়– মহিলাদের মতোই সব কিছু রয়েছে তাঁর শরীরে। কিন্তু সেই জন্মের সময় থেকেই জরায়ু এবং ডিম্বাশয় এগুলির কোনওটিই ছিল না তাঁর। জীবনে কখনও ঋতুস্রাবও হয়নি।”টেস্টের রিপোর্ট দেখা যায়, ওই ক্যানসার অক্রান্তের অন্ধ যোনি (Blind Vagina) রয়েছে। আর তারপরই ডাক্তাররা ক্যারিওটাইপিং টেস্ট করতে উদ্যত হন। সেখানেই ধরা পড়ে তাঁর ক্রোমোজোম উপাদান হচ্ছে ‘XY’। ‘XX’ নয়। যা সাধারণত মহিলাদের দেখা যায়। সেখান থেকেই বিষয়টা আরও স্পষ্ট হয়ে যায়। “ওঁর খুব পেটে যন্ত্রণা হওয়ার কারণে আমরা বেশ কিছু ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করে দেখি। কিন্তু তাতে দেখা যায়, তাঁর শরীরে অণ্ডকোষ রয়েছে। বায়োপসি করানো হয়। তারপরই ধরা পড়ে যে, তিনি আসলে টেস্টিকুলার ক্যানসারে আক্রান্ত”, বললেন ডাক্তার অনুপম দত্ত।পাশাপাশিই ডাক্তাররা আরও জানালেন যে, তাঁর শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে স্থিতিশীল এবং কেমোথেরাপি চলছে। ডাক্তার অনুপম দত্ত আরও যোগ করে বললেন, “তাঁর শরীরে অন্দরেই অণ্ডকোষ অবিকশিত অবস্থায় রয়েছে। টেস্টোস্টেরনের স্রাবও হয়নি কোনও দিন। অন্যদিকে তাঁর মহিলা হরমোনগুলিই তাঁকে আরও মেয়েলিসুলভ চেহারা দিয়েছে।”কিন্তু এমনতর খবর জানার পর কী প্রতিক্রিয়া ওই ক্যানসার আক্রান্তের? ডাক্তারদের কথায়, “একজন মহিলা হিসেবেই বড় হয়েছেন তিনি। প্রায় এক দশকেরও কাছাকাছি সময় ধরে বিবাহিত জীবন কাটাচ্ছেন। এই মুহূর্তে আমরা ওই ক্যানসার আক্রান্ত এবং তাঁর স্বামীর কাউন্সেলিং করছি। যে ভাবে এতগুলো বছর কাটিয়ে এসেছেন, ঠিক সেই ভাবেই তাঁদের বাকি জীবনটা কাটানোর পরামর্শ দিচ্ছি আমরা।” তবে ডাক্তাররা আরও জানালেন যে, বেশ কিছু বার সন্তানের চেষ্টা করেছেন বীরভূমের ওই যুগল। কিন্তু বার বারই ব্যর্থ হয়েছেন। কিন্তু কী ভাবে সম্ভব? এটা কি জিনগত রোগ? অঙ্কোলজিস্ট অর্থাৎ ডাক্তার অনুপম দত্তের কথায়, “মামারবাড়ির সম্পর্কে ওঁর দুই আত্মীয়ার এই একই ধরনের রোগ ছিল। অর্থাৎ তাঁরাও অ্যান্ড্রোজেন ইনসেন্সিটিভিটি রোগাক্রান্ত ছিলেন। সম্ভবত এই রোগটি জিনগতই। এর থেকে বেশি আমরা বিরল এই রোগটির ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কিছু জানতে পারিনি।”

Source link