Tag Archives: Corona

Corona: সুস্থতার পরও ১ মাস উপসর্গের আশঙ্কা! বলছে COVID রোগীদের নিয়ে সমীক্ষা – most hospitalised covid patients have at least one symptom months after illness

হাইলাইটসকরোনা ভাইরাস মানুষের শরীরে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। বিভিন্ন রকমের উপসর্গের অভিজ্ঞতা হচ্ছে মানুষের। করোনা সেরে যাওয়ার এক মাস পরেও কোনও কোনও সংক্রমণ থেকে যায়। সম্প্রতি এমনই গবেষণায় দেখা গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে সামান্য উপসর্গ দেখা গেলেও, তা পরে বড় আকার নিচ্ছে। কোভিড সেরে গেলেও তার প্রভাব থেকে যাচ্ছে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাস মানুষের শরীরে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। বিভিন্ন রকমের উপসর্গের অভিজ্ঞতা হচ্ছে মানুষের। করোনা সেরে যাওয়ার এক মাস পরেও কোনও কোনও সংক্রমণ থেকে যায়। সম্প্রতি এমনই গবেষণায় দেখা গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে সামান্য উপসর্গ দেখা গেলেও, তা পরে বড় আকার নিচ্ছে। কোভিড সেরে গেলেও তার প্রভাব থেকে যাচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা ভাইরাসের জেরে প্রভাব পড়ছে। কখনও কখনও তা নিউমোনিয়ার আকার নিচ্ছে। কয়েকটি বিশেষ উপসর্গ দেখেই বোঝা যায়, কোভিড ফুসফুসের উপর দীর্ঘমেয়াদি নাকি স্বল্পমেয়াদি প্রভাব ফেলেছে। শ্বাসযন্ত্রে করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। যার ফলে জোরে ও অনবরত কাশি হয়। শুধু শুকনো কাশি নয়। এক্ষেত্রে সাধারণ কাশিও দেখা যায় চানা ২-৩ সপ্তাহ ধরে। অর্থাৎ বোঝা যায় করোনা ফুসফুসের উপরে বড় প্রভাব ফেলছে।দ্বিতীয়ত শ্বাসকষ্ট হলে বা অল্প পরিশ্রমেই হাঁপ ধরা থেকে বোঝা যায় যে ফুসফুসের উপরে প্রভাব ফেলেছে কোভিড। শ্বাসকষ্টের মাত্রা এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ফুসফুসে অক্সিজেন পৌঁছয় না। করোনা থাকাকালীন যাদের অক্সিজেনের সাহায্য লাগছে এবং সেরে যাওয়ার পরেও কিছু সমস্যা থেকে যাচ্ছে তাঁদের ফুসফুসের উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এছাড়াও কোভিড সেরে গেলেও কিছু ক্ষেত্রে রোগীর বুকে ব্যথার থাকছে। COVID চিকিৎসায় নজর কাড়ছে নবজাতকের নাড়ি! যা জানা জরুরি…গবেষণায় দেখা গেছে, জানুয়ারী থেকে মে মাসের মধ্যে চিনের উহানে প্রথম শনাক্ত করা হয় ১,৭৩৩ রোগীদের। গবেষণায় উপস্থিত ছিলেন চিনের হাসপাতালের চিকিত্সকরাও। সেখানে রোগীদের ধৈর্য্যের মাত্রা, শারীরিক পরীক্ষা, হাঁটার পরীক্ষাও করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৪০০ রোগীদের পেশী দুর্বলতা দেখা গিয়েছে। এর মধ্যে তিন শতাংশের রাতে ঘুমের সময় অসুবিধা দেখা যায়। এদের মধ্যে ২৩ শতাংশ রোগীর মধ্যে উদ্বেগ বা হতাশা দেখা দিয়েছে।প্রসঙ্গত, আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকেই দেশে শুরু হচ্ছে করোনার টিকাকারণ। জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এরপরই রাজ্যবাসীকে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দিতে চায় সরকার, বিভিন্ন জেলার পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্তাদের লেখা চিঠিতে এমনটাই জানিয়েছেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। শনিবারের থেকে এই সংখ্যাটা সামান্য বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২০১ জনের। রবিবার সকালে প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮,৬৪৫ জনের শরীরে মিলেছে করোনাভাইরাস।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Full Set Of Teeth And Blocked Nose Could Speed Up The Covid-19 Super-Spreading. Here’s How – এই শীতে সাবধান! বন্ধ নাক ও দাঁত থেকেও দ্রুত ছড়ায় করোনা, জানুন নয়া সমীক্ষা…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বন্ধ নাক আর দাঁত থেকে দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে করোনা ভাইরাস, নয়া সমীক্ষায় এমনই দাবি। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, সুপার স্প্রেডারদের মধ্যে দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে – একটি দাঁত এবং অন্যটি ব্লক-আপ নাক বা বন্ধ নাক। দাঁত ও নাক বন্ধ থাকলে দ্রুত গতিতে ও অনেকটা দূরত্বে ছড়িয়ে পড়ে হাঁচির ড্রপলেট। এর জেরে করোনা বেশি মাত্রায় সংক্রমিত হতে পারেন মানুষজন।সুপার স্প্রেডারদের হাঁচির ধরণ, হাঁচির ড্রপলেটের দূরত্ব, গতিবেগ-সহ একাধিক বিষয়কে খতিয়ে দেখা হয়েছে ওই গবেষণায়। এই বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের মাইকেল কিনজেল জানিয়েছেন, এই সমীক্ষা থেকে সংগৃহীত নানা তথ্যের মাধ্যমে সুপার স্প্রেডারদের চিহ্নিত করা যেতে পারে। এর জেরে সুপার স্প্রেডিংয়ের গতিবিধিও নির্ণয় করা যাবে। এ ছাড়া প্রথমবার এই সমীক্ষার মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে, হাঁচির ড্রপলেটগুলি ঠিক কী কারণে ও কতটা দূর পর্যন্ত ছড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে হাঁচির ড্রপলেট ছড়ানোর দূরত্বকেও নির্ণয় করার চেষ্টা করা হয়েছে। বাতাসে কতক্ষণ ভাসমান থাকতে পারে এই ড্রপলেট বা কী কী বিষয়গুলি হাঁচির এই ড্রপলেটকে প্রভাবিত করে সেই বিষয়টিও দেখা হয়েছে এই গবেষণায়।আরও পড়ুন: চায়ের দোকানে কাগজের কাপে চুমুক? শরীরের ক্ষতি করছেন! আজই জানুনএকটি এলাকার মধ্যে একজনের মাধ্যমে করোনা যখন একটা বড় অংশ সংক্রমিত হয়ে পড়ে, তখন তাকে সুপারস্প্রেডিং বলা হয়। এ ক্ষেত্রে সুপার স্প্রেডার বা অতিসংক্রামক মানুষজনের ক্ষেত্রে অন্যতম আশঙ্কাজনক দু’টি বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। সমীক্ষা জানাচ্ছে, দাঁত ও নাক বন্ধ থাকলে দ্রুত গতিতে ও অনেকটা দূরত্বে ছড়িয়ে পড়ে হাঁচির ড্রপলেট। এর জেরেই বেশি সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত হতে পারে। দাঁতও হাঁচির গতিবেগের উপরে প্রভাব ফেলতে পারে। যদি দাঁতের দুই পাটি বন্ধ থাকে বা মুখ খোলা না হয়, তা হলে হাঁচি বেরোনোর পথ প্রায় বন্ধ থাকে। অর্থাৎ যদি হাঁচি বেরোনোর জায়গা কম হয়, তা হলে প্রবল গতিতে বের হয় হাঁচি। এবং ড্রপলেটগুলি অনেকটা দূর পর্যন্ত যেতে পারে। তাই দাঁতের পাটির মাঝে যদি বেশি ফাঁক বা জায়গা থাকে, তা হলে হাঁচির গতি কমে যায়। ড্রপলেটের মাধ্যমে সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমে। তাই গবেষকদের পরামর্শ, নাক পরিষ্কার রাখতে হবে। সর্দি-কাশির জন্য নাক যাতে বন্ধ না থাকে, সেই বিষয়টিতে নজর দিতে হবে। নাক ও মুখ ব্লক রাখা বা অসুস্থতার জেরে কোনও কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে, সেই বিষয়েও নজর রাখতে হবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: মহিলাদের তুলনায় পুরুষ শরীরেই বেশি COVID-19 অ্যান্টিবডি! জানুন… – Men Produce More Covid Antibodies Than Women: Study

হাইলাইটসকরোনা (COVID-19) আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। এমনকী দিন দিন চরিত্র বদলাচ্ছে এই মারণ ভাইরাসও। প্রতিদিনই এর গবেষণায় বেরোচ্ছে নতুন নতুন তথ্য। গবেষণা বলছে এই ভাইরাসের বহনকারীরা ৮০ শতাংশই অ্যাসিমপ্টোম্যাটিক। অর্থাৎ এদের মধ্যে ভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার কোনও লক্ষণ নেই, থাকলেও তা খুবই মৃদু। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (COVID-19) আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। এমনকী দিন দিন চরিত্র বদলাচ্ছে এই মারণ ভাইরাসও। প্রতিদিনই এর গবেষণায় বেরোচ্ছে নতুন নতুন তথ্য। গবেষণা বলছে এই ভাইরাসের বহনকারীরা ৮০ শতাংশই অ্যাসিমপ্টোম্যাটিক। অর্থাৎ এদের মধ্যে ভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার কোনও লক্ষণ নেই, থাকলেও তা খুবই মৃদু। মহিলারাই কি বেশি করোনা ভাইরাসের শিকার, না এইক্ষেত্রে পুরুষদের হার বেশি? কাদের সংক্রমিত হওয়ার বেশি সম্ভাবনা? এসব নিয়ে বিস্তর গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়ে চলেছে। শরীরে একবার অ্যান্টিবডি (coronavirus antibodies) তৈরি গেলে, ভাইরাস আর থাকবে কোথা থেকে? হ্যাঁ, বিজ্ঞান সে কথাই বলে। ভাইরাস আর অ্যান্টিবডি শরীরে একসঙ্গে থাকতে পারে না। একবার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেলেই তাই নিশ্চিন্ত। ফিরে সংক্রমণের সম্ভাবনা ঠেকিয়ে দেবে অ্যান্টিবডি। এবার গবেষণায় উঠে এল এক নতুন তথ্য। গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে, মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের শরীরেই বেশি পরিমাণ COVID-19 অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হচ্ছে। পুরুষদের শরীরে ইমিউন সিস্টেমটি SARS-CoV-2 ক্ষতিকারক ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অ্যান্টিবডি বেশি। এই গবেষণার জন্য তিনশোরও বেশি কোভিড হাসপাতালের করোনা রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শরীরের অ্যান্টিবডির লেভেল টেস্ট করা হয়। টেস্ট হয় ২০০-রও বেশি করোনাজয়ীদেরও। অ্যান্টিজেন টেস্টে অনেকের শরীরেই অ্যান্টিবডি ধরা পড়ছে। এর মানে হল কোভিড ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু এই অ্যান্টিবডি থাকা মানেই ফের করোনা হবে না, এটা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। এই সংক্রান্ত বেশ কিছু গবেষণা হয়েছে কিন্তু এখনও নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। শরীরে অনেকটা নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডি থাকলে মোটের ওপর বোঝা যায় যে কোভিড আর হবে না। কিন্তু কতটা অ্যান্টিবডি থাকলে সেটা সুরক্ষাকবচ হবে বা সেটি প্লাজমা থেরাপির জন্য ব্যবহার করা যাবে, এই নিয়ে কোনও ঐক্যমত হয়নি এখনও। আরও পড়ুন: লাঞ্চের আগে কয়েকটা স্ন্যাক্সই কমাবে আপনার ডায়াবেটিস, মিলিয়ে নিন!দীর্ঘ ছ’মাস গবেষণার পর দেখা যায়, প্রথম তিন সপ্তাহ পর শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং অদ্ভুতভাবে যাঁদের শরীরে যত প্রবলভাবে করোনা থাবা বসিয়েছিল, তাঁদের শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ তত বেশি। এর সঙ্গে বয়সের কোনও সম্পর্ক নেই। একইসঙ্গে দেখা যায়, ৯০ শতাংশের শরীরেই সাত মাস পর্যন্ত অ্যান্টিবডির অস্তিত্ব রয়েছে। মার্ক জানান, জার্নালে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আছে। তাঁর কথাতেই স্পষ্ট, করোনার বিরুদ্ধে বেশি সময় পর্যন্ত কিন্তু লড়তে সক্ষম পুরুষরাই।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

How To Keep Yourself And Family Safe From Coronavirus During Festivals – উৎসবের আনন্দেও করোনা-সতর্কতা! কী করণীয়? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

হাইলাইটসশপিং থেকে ঠাকুর দেখার হিড়িকে সংক্রমণ নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কোভিড হাসপাতালেও ভিড় উপচে পড়তে পারে। কোথায় এত লোকের ঠাঁই হবে? করোনাকালে বদলে গিয়েছে স্বাভাবিক জীবনের ছন্দ। বদলে গিয়েছে দৈনিক রোজনামচা। তবুও সংক্রমণের আশঙ্কা এতটুকুও কমছে না। ইতোমধ্যে পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। রাস্তায় ভিড় করছে মানুষ, অনেকেরই মাস্ক নেই। সবাই যেন কনফিডেন্ট, ‘আমার করোনা হবে না’। লকডাউন ওঠার পর থেকেই সবর্ত্রই যেন একটা গাছাড়া ভাব। অথচ করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। করোনার ভয় সঙ্গী করেও শহরবাসীকে নিউ নরমালে পুজো কেমন করে কাটানো উচিৎ তারই পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস। এই সময় ডিজিটালের তরফে সাক্ষাৎকার নিলেন শ্রাবণী অধিকারী।এই সময় ডিজিটাল: পুজো শুরু। করোনা ভুলে বেপরোয়া ভিড়ে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কীভাবে সাবধান থাকতে হবে আমাদের?ড. বিশ্বাস: করোনা আবহে পুজো। মন মানছে না। কিন্তু কিছু করার নেই। এত দিন গৃহবন্দি ছিল সকলে। এখন বন্ধনমুক্ত মনোভাব এসে গিয়েছে। আর এই বন্ধনমুক্ত মনোভাবের ফলে সেচতনহীনতা বেড়ে গিয়েছে। যার ফলে বিপদ বাড়ছে। সংক্রমণ ছড়াচ্ছে আরও বেশি করে। আমরা এখন সংক্রমণ সমুদ্রের পৃষ্ঠতলে আছি। এই মুহুর্তে সচেতন না হলে সমুদ্রের গভীরতলে পৌঁছে যাব। শপিং থেকে ঠাকুর দেখার হিড়িকে সংক্রমণ নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কোভিড হাসপাতালেও ভিড় উপচে পড়তে পারে। কোথায় এত লোকের ঠাঁই হবে? এ ক্ষেত্রে আদালতের রায়কে আমি স্বাগত জানাব। আমাদের রাজ্যে এখন সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। নমুনা পরীক্ষা বাড়াতে হবে। মানুষকে পরীক্ষার জন্য আগ্রহ বাড়াতে হবে। যেখানে বেশি লোকের সমাগম রয়েছে, সেখানে না যাওয়াই শ্রেয়। নিতান্ত যদি প্রয়োজন হয় মাস্ক পরে অবশ্যই বেরোন। সঙ্গে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া অবশ্যই যেন করা হয় বা ভালো অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিস্কার করুন। বাইরে বেরতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল নিয়ে বেরতেই হবে, কারণ বাইরের জল কোনও ভাবেই খাওয়া যাবে না। অজানা বা অচেনা জায়গায় খাবার খাওয়া কখোনই উচিত নয়। এই সময় ডিজিটাল: মাস্ক, গ্লাভস ও হেড-ক্যাপ পরে পুজোর শপিং করতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়েছেন অনেকেই। তাঁদের ধারণা সংক্রমণ ছুঁতে পারবেন না। এটা নিয়ে আপনি কী বলবেন?ড. বিশ্বাস: যদি সে সঠিকভাবে মাস্ক পড়ে বা ঘন ঘন নিজেকে সুদ্ধিকরণ করতে পারেন তাহলে কোনও ভয় নেই। কিন্তু, অনেকেই আছেন যারা ভিড়ের মধ্যে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে বলে মাস্কটা সঠিক জায়গায় না রেখে থুতনিতে নামিয়ে রাখেন। এটি করা হলে ভীষণ বিপদ। কারোর যদি টানা মাস্ক পরে থাকার ফলে কষ্ট হয়। ফাঁকা জায়াগায় এসে কিছুক্ষণ দম নিয়ে নিন। এর পর আবার মাস্কটি পরে নিন। তবে, জনবহুল জায়গায় না যাওয়াই শ্রেয়।ছবি: কৌশিক রায় এই সময় ডিজিটাল: এখন অনেকেই করোনা থেকে সেরে উঠেছেন। পুজোর সময় তাঁরা কী কী খেয়াল রাখবেন?ড. বিশ্বাস: যাঁরা সেরে উঠেছেন তাঁরা এখনই কারোর সঙ্গে মেলামেশা করবেন না। বিপদ থেকে দূরে থাকুন। শরীরে অ্যান্টিজেন রয়েছে বলে কিছু হবে না, এটি সম্পূর্ণ ভূল ধারণা। বরং অন্য সংক্রমণ হতে পারে। জনবহুল জায়গা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।এই সময় ডিজিটাল: ফেস শিল্ড না মাস্ক, কোনটা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত?ড. বিশ্বাস: দুটোই পরা যেতে পারে কোনও অসুবিধা নেই। যারা মাস্ক পরতে পারেন না তাঁরা ফেস শিল্ড ব্যবহার করেন। আবার অনেকে মাস্ক পরতে পছন্দ করেন। কেউ আবার ফেস শিল্ড ও মাস্ক দুটোই ব্যবহার করেন। এই সময় ডিজিটাল: ভাইরাসে বয়স্কদের মধ্যে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বেশি। তাই বয়স্কদের সতর্কতা নিয়ে পরিবারকে কতটা সচেতন থাকতে হবে? প্রতিরোধের উপায়ই বা কী? বাড়িতে কী কী নিয়ম মেনে চললে বাচ্চাদের সুস্থ রাখা যাবে?ড. বিশ্বাস: পুজোর সময় প্রবীণরা বাড়ির মধ্যেই থাকুন। বাইরে বেরনোর কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁরা যদি ওষুধ সেবন করেন। সেগুলো নিয়ম করে নিন। সমস্যা হলে বাড়ি থেকে ফোনের মাধ্যমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। শিশুদের একইভাবে যত্ন নেওয়া উচিত। যে কোনও সংক্রমণ ঠেকানোর একমাত্র উপায় পরিচ্ছন্নতা। খাবার আগে অবশ্যই হাতে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।এই সময় ডিজিটাল: করোনার প্রথম রিপোর্টে পজিটিভ আসার পর কেউ যদি হোম কোয়ারানটিনে থাকেন। তবে দ্বিতীয় রিপোর্টে নেগেটিভ আসলেই কি তিনি সুস্থ? এক্ষেত্রে একটি ধারণা রয়েছে যে উপসর্গ না থাকলে দ্বিতীয়বার টেস্টের প্রয়োজনীয়তা নেই। সঠিক কোনটি? ড. বিশ্বাস: কেউ একবার সেরে ওঠার পর কোনও রকম অসতর্কতায় বা দুর্বল শরীরের কারণে ফের করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। করোনা আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি সেরে ওঠার পরও সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। এই সময় ডিজিটাল: প্রথম রিপোর্টে পজিটিভ আসার পর হোম কোয়ারানটিনের সময় শেষে দ্বিতীয় রিপোর্টে যদি কেউ নেগেটিভ আসেন। তিনি কি তৎক্ষণাৎ বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন? নাকি আরও ৭ দিন সময় নিজেকে কোয়ারানটিন করে বাইরে বের হওয়া উচিত। ড. বিশ্বাস: হ্যাঁ, প্রথম রিপোর্টে পজিটিভ আসার পর হোম কোয়ারানটিনের সময় শেষে দ্বিতীয় রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়া একেবারেই উচিৎ নয়। আরও কিছুদিন নিজেকে কোয়ারানটিনে রাখতে হবে। এই সময় ডিজিটাল: আনলক পর্বে অনেক অফিস খুলে গেছে। যাঁদের কর্মস্থলে যেতে হয় তাঁরা নিজেদের কীভাবে যত্ন নেবেন?ড. বিশ্বাস: এ ক্ষেত্রে মাস্ক অবশ্যই পরে থাকতে হবে। ঘন ঘন সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুতে হবে। শুধু তাই নয়, অফিসের মধ্যেও শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখতে হবে। অফিসের মধ্যে ফেস শিল্ড বা মাস্ক পরতে হবে। অফিসও যেন বারবার স্যানিটাইজ করা হয়। অফিসের মধ্যে থেকেও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।এই সময় ডিজিটাল: শোনা যাচ্ছে আসছে শীতে সংক্রমণের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে, সে ক্ষেত্রে কতটা সতর্ক থাকতে হবে?ড. বিশ্বাস: হ্যাঁ, শীতকালে আরও বাড়বে ভাইরাসের প্রকোপ। শীতে তামমাত্রা কম থাকা আর আর্দ্রতা বেশি থাকা এলাকায় মানুষের কথা বলা, হাঁচি, কাশি থেকে করোনাভাইরাসের জীবাণু হাওয়ার সঙ্গে অনেকটাই দূরে যেতে পারে। এছাড়া জ্বর, সর্দি-কাশির মতো উপসর্গগুলি ইনফ্লুয়েঞ্জার সাধারণ লক্ষণ। তাই শীতকালে মাস্কের ব্যবহার করার পাশাপাশি ভিড় এড়িয়ে চলা বা নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। শীতকালে আমদের জল খাওয়াটাও কম হয়। শুধু করোনা নয় যে কোনও ভাইরাস মকোবিলায় আমাদের খেয়ালা রাখতে হবে যে, সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া যেন হয়। এতে পেটের সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়।এই সময় ডিজিটাল: এখনকার পরিস্থিতিতে সবচেয়ে কঠিন কাজ নিঃসন্দেহে হাসপাতালে যাওয়া। আশপাশে কে করোনা আক্রান্ত হয়েছে তা বোঝার উপায় নেই। জরুরি প্রয়োজনে যদি হাসপাতালে যেতে হয় তাহলে কোন কোন বিষয়ে নজর রাখতে হবে?ড. বিশ্বাস: মাত্র কয়েকদিন আগেই হাত ধোয়া দিবস পালন করেছি আমরা। সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করা অনেক বেশি কার্যকরী। নেহাত যেখানে সাবান ও জল দিয়ে হাত পরিষ্কার করা সম্ভব নয়, কেবলমাত্র সেখানেই স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। জনবহুল জায়গা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। তা হলেই ঠেকানে যাবে করোনার সংক্রমণ।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: ৯ ঘণ্টা আপনার ত্বকে বেঁচে থাকতে সক্ষম করোনাভাইরাস! চাঞ্চল্যকর দাবি গবেষকদের – Coronavirus Survives On Skin For 9 Hours, Longer Than Flu Pathogen: Study

হাইলাইটসমানুষের ত্বকে করোনাভাইরাস (covid-19) প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে সক্রিয় থাকতে পারে বলে জাপানের একদল গবেষক নতুন গবেষণায় প্রমাণ পেয়েছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর একদিন পর ময়নাতদন্তের নমুনা থেকে ত্বক সংগ্রহ করে এই গবেষণা চালান তাঁরা। তাই কোভিড আক্রান্ত (covid-19) বা অন্য কেউ যাঁর ত্বকে আগে থেকেই ভাইরাসটি রয়েছে, তাঁদের সংস্পর্শে এলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যেতে পারে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মানুষের ত্বকে করোনাভাইরাস (covid-19) প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে সক্রিয় থাকতে পারে বলে জাপানের একদল গবেষক নতুন গবেষণায় প্রমাণ পেয়েছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর একদিন পর ময়নাতদন্তের নমুনা থেকে ত্বক সংগ্রহ করে এই গবেষণা চালান তাঁরা। তাই কোভিড আক্রান্ত (covid-19) বা অন্য কেউ যাঁর ত্বকে আগে থেকেই ভাইরাসটি রয়েছে, তাঁদের সংস্পর্শে এলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যেতে পারে।স্পর্শ থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে কি না, তা নিয়ে গবেষণা করছিলেন গবেষকরা। ক্লিনিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিসেস জার্নালে তাঁদের গবেষণাপত্রটি প্রকাশ হয়েছে। এই মাসে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়। সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের (এ ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস) সঙ্গে তুলনা টেনে বলা হয়েছে, যে প্যাথোজেন (ক্ষতিকারক অনুজীব) ফ্লু তৈরি করে, মানব ত্বকের উপর তা সাধারণত ১০৮ মিনিট বেঁচে থাকে। কিন্তু যে সার্স-কোভ-২ (কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাস) মানব ত্বকের উপর ৯ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। তাই আইএভির (ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস) তুলনায় মানুষের সংস্পর্শে একজনের দেহ থেকে অন্যজনের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে। এর ফলেই গোটা বিশ্বজুড়ে করোনা (covid-19) মহামারি ক্রমশ বেড়ে চলেছে। আরও পড়ুন: রোজ সকালে এক গ্লাস ছাতু শরবত, সহজেই ঝরবে মেদ!করোনা আবহে অত্যাবশ্যক পণ্যে পরিণত হয়েছে মাস্ক এবং স্যানিটাইজার। তাই পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আরও সাবধানী না হলে আরও বিপদ ঘনিয়ে আসছে বলে এ বার জানিয়ে দিলেন জাপানের কোভিড (covid-19)গবেষকরা। তাঁদের দাবি, মানুষের ত্বকের উপর ৯ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে কোভিড-১৯ ভাইরাস। করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর পর অটোপসি করে তাঁর ত্বকের নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণাটি চালিয়েছেন জাপানের গবেষকরা। তাতে দেখা গিয়েছে, ইথানল প্রয়োগের ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে করোনাভাইরাস এবং ফ্লু ভাইরাস নিস্ক্রিয় হয়ে যায়। হ্যান্ড স্যানিটাইজারেও ইথানল থাকে। তাই ঘন ঘন হাত ধোওয়ার উপর জোর দিয়েছেন গবেষকরা। সংক্রমণ ঠেকাতে ঘন ঘন হাত ধোওয়া যে জরুরি, শুরু থেকেই তাতে জোর দিয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) (WHO)।আরও পড়ুন: করোনাকালে বাড়ি থেকে কাজ? লিভার সুস্থ রাখুন এই ৫ টিপসেএকই দাবি অবশ্য করা হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু-এর তরফেও। সেখানে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস (covid-19) কোনও জড়বস্তুর উপর অনেকক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে। এছাড়া হাওয়াতেও এই ভাইরাস অনেকটা ভেসে যেতে পারে বলেও বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে। তাই এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে তিনটে বিষয়ের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে হু। সেগুলি হল, মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও হাত ধোয়া। আর এই হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আরও একবার জানাল জাপানি গবেষকদের গবেষণা।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

New Normal: জীবন চলছে না আর সোজা পথে! ‘নিউ নর্মালে’ অভ্যাস গড়ার কয়েকটি টিপস দেখে নিন… – covid-19: adjusting to the new normal? how to cultivate habitual changes that endure

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কোভিড-১৯ (covid-19) কবে যাবে বা কত দিন পর আবারও পৃথিবী আগের মতো হবে, তা নিয়ে নিশ্চিত করতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। লকডাউনে (Lockdown) সময় কাটাতে অনেকেই অনেক নতুন কিছু শুরু করেছেন। কেউ গান গাইছেন, কেউ বাগান করছেন, কেউ মানুষের সেবায় মন দিয়েছেন আরও বেশি করে। এই অভ্যাসটা নষ্ট করবেন না। ভবিষ্যতে যদি আরও কোনও বিপদ আসে এই ভাবেই সে বিপদ কাটিয়ে উঠতে পারবেন। আনলকে (unlock) ফিরেছে দেশ। খুলেছে অফিস-কাছারি, দোকানপাট, মন্দির-মসজিদ-সহ ধর্মীয় স্থান, রেস্তোরাঁ, শপিং মল। আপাতত করোনাকে সঙ্গী করেই জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ার দিকে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও করোনার (corona) আক্রান্তের সংখ্যায় কিছুতেই লাগাম পরানো যাচ্ছে না। যাঁদের নিতান্ত উপায় নেই, তাঁদের বেরোতেই হচ্ছে। আর যাঁরা চার দেওয়ালের মধ্যে বসেই অফিসের কাজ (work from home) কিংবা সন্তানের অনলাইন ক্লাস সামলাচ্ছেন, তাঁদের চাপ খানিকটা হলেও বেশি। কারণ এই নতুন ধরনের স্বাভাবিকতায় বাড়ির ছোট-বড় কেউই অভ্যস্ত নয়। ফলে কাজ ভাগ করে নেওয়া, নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে কাজে বা ক্লাসে মন দিতেও বেগ পেতে হচ্ছে।আরও পড়ুন: ত্বকে পড়ছে বয়সের ছাপ! কেমন করে আটকাবেন বলিরেখা?এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কতটা কঠিন? মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার রাস্তাই বা কী? দেখে নিন সেগুলো কী কী১. এখন যেমন সাবধান হয়ে চলছেন, মাস্ক পরছেন, হাত ধুচ্ছেন, দূরত্ব বজায় রাখছেন, তেমনই থাকতে হবে। বাইরে বেরোনোর সময় ছোট্ট পাউচে সাবান, স্যানিটাইজার, অতিরিক্ত মাস্ক নিয়ে বেরোবেন। ক্লাব-পার্টি, রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া, চায়ের দোকানে আড্ডা, পাশাপাশি বসে সিনেমা-থিয়েটার দেখা, দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার ভাবনা থাকলেও ভুলে থাকতে হবে বছরখানেক। নিজেদের ওয়র্ক ফ্রম হোম আর সন্তানের ক্লাস, প্রজেক্টের রোজরুটিনে নিত্যদিন যুঝছেন ছোটদের বাবা-মায়েরাও। অনেকেই বাড়িতে সেট-আপ করে নিয়েছেন। যাঁদের বাইরে বেরোতে হচ্ছে, তাঁদের ঢাল প্রোটেক্টিভ শিল্ড, মাস্ক, গ্লাভস ইত্যাদি। নিউ নর্মাল২ খাওয়ার আগে-পরে, বাইরে থেকে এসে বা এমনিও মুখে-নাকে হাত দেওয়ার আগে হাত ভাল করে সাবান জলে ধুয়ে নিলে বা ৭০-৯০ শতাংশ অ্যালকোহলসমৃদ্ধ স্যানিটাইজারে হাত পরিষ্কার করে নিলে ফ্লু থেকে শুরু করে পেটের গোলমাল ও অন্য সংক্রমণজনিত অসুখের আশঙ্কা কমবে।৩ মানুষের সঙ্গে ৩-৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখলেও কমবে ড্রপলেট সংক্রমণের আশঙ্কা। ৪ মাস্ক আপনাকে বাঁচাবে ফ্লু, টিবি, ডাস্ট বা পোলেন অ্যালার্জি থেকে। তাই পরিবেশ দূষণের প্রকোপ বাড়লেও মাস্ক পরলে তা কিছুটা ঠেকাতে পারবেন। ৫ রোদ না লাগায় চুল শুষ্ক হবে কম। মুখ ঢাকা থাকলে মেক-আপের প্রয়োজন হবে না। প্রয়োজন হবে না বিউটি ট্রিটমেন্টের। নিউ নর্মাল৬ ত্বকের কোনও ক্ষতি হবে না। রোদ এবং মেক-আপ এড়িয়ে গেলে ত্বক ভাল হবে আগের চেয়ে।আরও পড়ুন: কোভিডের সঙ্গে বাড়ছে ডেঙ্গি, বাড়িতেই কী ভাবে নেবেন রোগীর যত্ন? জানুন…৭ নিজের হাতে ঘরে রান্না করার অভ্যাসটা বজায় রাখতে পারেন। কম তেলে রান্না করা হালকা খাবার পেট একটু খালি রেখে খেলে ও বাইরের খাবার না খাওয়ার অভ্যাস মোটামুটি বজায় রাখতে পারলে, এখন যেমন ডাক্তারের প্রয়োজন খুব একটা হচ্ছে না, পরেও হবে না।নিউ নর্মালের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে চলেছে অনভ্যস্ত জীবন। তার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়াই ভালো।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

health tips: Covid-19 Keep These In Mind To Grow Nutritious Food Habit Of Children – করোনাকালে শিশুদের সুষম খাবারের অভ্যাস তৈরিতে যেগুলি মাথায় রাখতে হবে…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মানুষের শান্তি ও স্বস্তি কেড়ে নিয়েছে করোনা (covid19) । মানুষের দিন যাচ্ছে করোনা আতঙ্কে। বাড়িতে যাঁদের শিশু রয়েছে তাঁরা নিজেদের থেকেও বেশি চিন্তিত সন্তানদের জন্য। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাই তাদের নিয়ে বাবা-মায়ের চেষ্টার শেষ নেই। কীভাবে বাড়ানো যাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা? কেমনভাবে গড়তে হবে সুষম খাবারের ( nutritious food habit) অভ্যাস?এখন সকালে উঠে স্কুলের তাড়া নেই, সাঁতার, আঁকা, নাচ ,গান বা টেবিল টেনিস খেলাও বন্ধ, নেই টিউশন যাওয়ার জন্য রেডি হওয়াও। কোভিড যুগে সকলের সঙ্গে ছোটদের জীবনেও বদল ঘটেছে। বাড়িতে থাকার জন্যে এবং হাতে আগের থেকে বেশি সময় পাওয়ায়, ছোটদের সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস ( Nutritious Food Habit) গড়ে তোলার এটাই সেরা সময় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাঁচ বছর বয়স থেকে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত (১১ বছর থেকে ১৮ বছর) বাচ্চাদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার (nutritious food)। সুষম খাবারেআরও পড়ুন: পুজোর আগেই ফিরবে ত্বকের জেল্লা এই ৫ হোমমেড ফেসপ্যাকেশিশুদের ডাল ভাত মাছের ঝোলের পাশাপাশি মুখরোচক খাবার দিতেও পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তাঁদের মতে, একটু ধৈর্য নিয়ে খাবার তৈরি করে দিলে একদিকে যেমন খেতে ভালো লাগবে অন্যদিকে বাইরের খাবারের আশক্তি কমবে। জীবনের প্রাথমিকস্তরগুলিতে শিশুর স্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে বাইরে খেতে গেলে বা কোথাও বেড়াতে গেলে আপনার ক্ষেত্রে সহজ হবে। সে জাঙ্কফুড (Junk Food) না ফল ও স্যালাড, কিসের প্রতি আসক্ত হবে, এই পর্যায়ে আপনিই তা নির্ধারণ করবেন। স্বাস্থ্যকর খাবারের ( Healthy Food) পাশাপাশি, আপনার শিশু যেন সক্রিয় থাকে এবং খেলা ও সূর্যের আলোয় বেরুনোর মতো যথেষ্ট সময় পায়, তা আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। এটা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করবে পাশাপাশি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কিছুটা বলেও কম হবে।আরও পড়ুন: রোজ সকালে এক গ্লাস ছাতু শরবত, সহজেই ঝরবে মেদ!প্রথমত শরীর ও মনের এনার্জির জন্যে প্রয়োজন কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate)। এই বয়সের অনেকেই মোটা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ভাত রুটি খাওয়া খুব কমিয়ে দেয়। কেউ বাইরের রোল চাউমিন খেয়ে পেটের সমস্যায় ভোগে। সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে ভরপেট খেয়ে যেতে পারলে ভালো হয়। পুষ্টিবিজ্ঞানের একটা মত হল সকালের জলখাবার খেতে হয় রাজার মত, আর রাতের খাবার গরীব প্রজার মত। সকালে কোনওদিন রুটি ডাল, রাজমা, ঘুগনি, খোসা-সহ ডালের তড়কা খাওয়া যেতে পারে।সুষম খাবারের অভ্যাসটাটকা মাছ-সবজি-ফল-দুধ নিয়মিত রাখতে হবে শিশুর খাবারের তালিকায়। শিশুর শরীর খারাপ করলেই নিজেরা অ্যান্টিবায়োটিক খাইয়ে দেবেন না। এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। বরং শিশুর খাবার, খেলনা, তার হাত যেন সব সময় জীবাণুমুক্ত থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যারা নিরামিষাশী তাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি বেশি দেখা যায়। তাই বিভিন্ন ডাল, বিনসের সঙ্গে পর্যাপ্ত ফল খেতে হবে। আর হাড়ের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ দুধ, ছানা, দই খাওয়াও দরকার। পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শরীর গড়ে তোলার পাশাপাশি নিয়ম করে শরীরচর্চা ও সাইকেল চালালে শরীর মন দুইই ভালো থাকবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

covid positive man: সিঁথি থেকে টালিগঞ্জ, ১৫ কিমি পথ গাড়ি চালিয়ে নিজেকে আইসোলেশন করোনা রোগীর – west bengal: covid positive man drives 15km to isolate himself

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ এখন জল-ভাতের মতো হয়ে গেছে। কখন হবে, কার হবে কেউ জানে না। নিয়ম মেনে ঘরে বসে থাকলেই যে পার পাওয়া যাবে, এমনও নয়। সরকারি হাসপাতালে সহজে জায়গা পাওয়া যায় না। বেসরকারি হাসপাতালের খরচ বেলাগাম, স্থানও অকুলান। ফলে যাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ কিন্তু উপসর্গ তেমন নেই বা হালকা থেকে মাঝারি উপসর্গ আছে তাঁদের ঘরেই আর সবার থেকে আলাদা করে আইসোলেশনে থাকতে বলা হচ্ছে। সঙ্গে চলছে চিকিৎসা ও নজরদারি। এই পরিস্থিতিতে নিজের পরিবারকে নিরাপদে রাখতে সিঁথি থেকে টালিগঞ্জে এলেন একজন। গত বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে। এর জন্যে আগে থেকে প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছিলেন।বৃহস্পতিবার লকডাউন থাকায় রাস্তা-ঘাট বন্ধ থাকার ফলে তিনি এই কাজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু কেন এতটা রাস্তা একা গাড়ি চালিয়ে এলেন? উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, টালিগঞ্জে তাঁর একটি ফাঁকা ফ্ল্যাট রয়েছে। কোভিড রোগীকে হোম আইসোলেশনে থাকা বাধ্যতামুলক। তাই পরিবারকে নিরাপদে রাখতে তিনি সেখানে একাই থাকবেন। যদিও তাঁর এই অবস্থার কথা বিবেচনা করে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করতে চেয়েছিল প্রশাসন। তিনি সেই উদ্যোগ ফিরিয়ে দেন। তিনি বলেন খুব দ্রুত টালিগঞ্জে পৌঁছে যাবেন। যদিও তাঁর এই কাজ প্রশাসন সঠিক মনে করেনি। তবুও তাঁর এই কারণটিকে গুরুত্ব দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। তাঁদের মতে এই কাজের জন্য তিনি আগেই পুলিশকে জানিয়েছেন। অনেকেই হোমআইলেশনের নিয়ম ভঙ্গ করে থাকেন। তাঁর ক্ষেত্রে তা হয়নি।আরও পড়ুন: চিন্তা কমছে কলকাতায়-আতঙ্ক বাড়ছে উত্তর ২৪ পরগনায়! ২৪ ঘণ্টায় সুস্থের সংখ্যা ৩২৮৬সুস্থতার হার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণে তেমন কোনও পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বাংলায় আরও ২,৯৮২ জন মানুষ মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে পুরো চিত্রটাই আতঙ্কের নয়। কারণ প্রতিদিন করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা উত্তোরত্তর বাড়ছে। বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে আক্রান্তের চেয়ে সুস্থ মানুষের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। কিন্তু রাজ্যের মধ্যে কলকাতা নিয়ে কিছুটা চিন্তা কমলেও আতঙ্ক বাড়ছে উত্তর ২৪ পরগনা নিয়ে।খবরটি ইংরেজিতে পড়তেএই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

coronavirus: পুলিশে আক্রান্ত ২২০, সমস্যায় পড়েছে থানা – kolkata news: 220 police personnel test positive for coronavirus in kolkata

হাইলাইটসবেশ কিছু থানায় এর ফলে কাজ চালানো অসুবিধাজনক হয়ে পড়েছে। গড়ফা থানায় যেমন ১৫ জন পুলিশকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। স্থানীয়দের তরফ থেকে এমন দাবিও তখন উঠেছিল, যেন গড়ফা থানা সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ, লোকবলের অভাব।এই সময়: কলকাতা পুলিশে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে গেল। সোমবার পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২২০ জন পুলিশকর্মী। এর মধ্যে অবশ্য রোগমুক্তও হয়েছেন ১০০ জন। মৃত্যু হয়েছে এক পুলিশকর্মীর।বেশ কিছু থানায় এর ফলে কাজ চালানো অসুবিধাজনক হয়ে পড়েছে। গড়ফা থানায় যেমন ১৫ জন পুলিশকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। স্থানীয়দের তরফ থেকে এমন দাবিও তখন উঠেছিল, যেন গড়ফা থানা সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ, লোকবলের অভাব। তবে তা সামাল দিতে ডিসি এসএসডির অফিস ও লালবাজার থেকে ফোর্স পাঠানো হয়। করোনা আক্রান্ত ১৫ জন পুলিশকর্মীর মধ্যে ১২ জন ইতিমধ্যে সুস্থও হয়ে উঠেছেন। তবে তাঁদেরকে আরও পনেরো দিন হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে।রিজেন্ট পার্ক থানার তিনজন পুলিশকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সংক্রমণ যাতে পরিবার-পরিজনের মধ্যে ছড়িয়ে না-পড়ে, তা নিশ্চিত করতে ওই থানার ৬০ শতাংশ কর্মী থানায় থেকেই গত পনের-কুড়ি দিন একনাগাড়ে কাজ করছেন। মাঝেমধ্যেই থানা স্যানিটাইজও করা হচ্ছে। রবিবার যাদবপুর থানার দুই পুলিশকর্মীও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন থানার ওসির নিরাপত্তারক্ষী। আর এক পুলিশকর্মী যে ব্যারাকে ছিলেন, সেখানকার সমস্ত পুলিশকর্মীদের আলাদা করে রাখা হয়েছে থানার মধ্যে। আলাদা করে রাখা পুলিশকর্মীরা যে কোনও সময় আক্রান্ত হওয়ার ভয় পাচ্ছেন।

Source link

coronavirus: সংক্রমণের শিকার নার্স, কন্টেনমেন্ট জোন কামালগাজি – rajpur sonarpur municipalty takes preventive measures for coronavirus

এই সময়, ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিদিনই কেউ না কেউ করোনা সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন সোনারপুরে। শুক্রবার রাতে কামালগাজি উড়ালপুলের কাছে এক বহুতলের বাসিন্দার দেহে করোনার সংক্রমণেক সন্ধান মেলে। তিনি ইএম বাইপাসে একটি বেসরকারি হাসপাতালের মেট্রন। শনিবার নরেন্দ্রপুর থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী নিজে মাইক নিয়ে প্রচারে নামেন কামালগাজিতে। সবাইকে ঘরে থাকতে অনুরোধ করেন। বৃহস্পতিবারও নরেন্দ্রপুর স্টেশন সংলগ্ন ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক পুলিশ কনস্টেবল করোনায় আক্রান্ত বলে জানা যায়। গত এক মাসে সব মিলিয়ে সোনারপুর গ্রামীণ ও পুর-এলাকায় বেশ কয়েক জন আক্রান্ত হলেন। ঝুঁকি বাড়তে না-দিয়ে কামালগাজি-সহ সোনারপুরের ৩, ৪, ৬, ২৪, ৩১ এবং ১৭, ২১, ২৫ নং ওয়ার্ড কন্টেনমেন্ট জোন চিহ্নিত হয়েছে।তবে এলাকায় প্রথম দিকে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। মৃত্যুরও কোনও খবর নেই। কিন্তু আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বেড়ে চলায় উদ্বেগ রয়েছে। সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক ফিরদৌসি বেগম বলেন, ‘আক্রান্তের সংখ্যা বাড়াটা উদ্বেগজনক। পাশাপাশি, প্রতদিনই কেউ না কেউ অসুখ সারিয়ে ঘরে ফিরছেন, সেটা খুব স্বস্তির।’গত ২১ এপ্রিল ১৪ নং ওয়ার্ডে এক নার্সের শরীরে প্রথম করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। কয়েক দিন পরে গ্রামীণ এলাকায় তিন জনের কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে। কালিকাপুর-১ পঞ্চায়েতের বাসিন্দা হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের এক কনস্টেবলের কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়। পরে তাঁর শাশুড়িও আক্রান্ত হন। কলকাতা লাগোয়া খেয়াদহ-২ পঞ্চায়েতের কিসান মার্কেটের এক জনের শরীরেও করোনা ধরা পড়ে। তিনি বিহার থেকে ফিরেছিলেন। বর্তমানে তাঁরা প্রত্যেকেই সুস্থ হয়ে বাড়িতে।কিন্তু দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে ৩, ৪, ৬, ২৪, ৩১ নং ওয়ার্ডে এক জন করে নতুন আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। যার জেরে ওই ওয়ার্ডগুলি ছাড়াও ১৭, ২১, ২৫ নং ওয়ার্ডও ‘কন্টেনমেন্ট জোন’ চিহ্নিত হয়েছে। কয়েকদিন আগে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ২৪ নং ওয়ার্ডে এক বৃদ্ধের দেহে সংক্রমণ ধরা পড়ে। স্বাস্থ্য দপ্তরের এক কর্তা জানিয়েছেন, ওই ভদ্রলোক চিকিৎসার জন্য কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বোড়ালের এক মহিলার দেহে, গ্রামীণ এলাকায় খুড়িগাছিতে এক শ্রমিকের দেহে কোভিড-১৯-এর অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। খেয়াদহ-২ পঞ্চায়েত এলাকার দাসপাড়ায় ৭১ বছরের এক বৃদ্ধের দেহেও সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তিনিও হার্নিয়া অপারেশনের জন্য বাইপাস লাগোয়া একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সন্দেহ, সেখান থেকেই সংক্রমণ।অনির্দিষ্টকালের জন্য রাজপুর ও গড়িয়া সন্ধ্যাবাজার বন্ধ করেছে প্রশাসন। সোনারপুর স্টেশন সংলগ্ন বাজারেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এখানে ভোর তিনটে থেকে পাঁচটা পর্যন্তই শুধু সব্জির পাইকারি কেনাবেচা হবে। ৬টা থেকে ৯টা সাধারণ ক্রেতাদের খুচরো কেনাকাটা। আর সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মুদির দোকান খোলা থাকছে। সোনারপুরের বিডিও সৈকত মাজি বলে, ‘করোনা সংক্রমণের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে যা যা পন্থা অবলম্বন করা দরকার, তা করা হচ্ছে।’

Source link