Tag Archives: covid-19

Covid vaccine: COVID-টিকা নেওয়ার পর ছাড়তে হবে মদ? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা, জানুন… – does drinking alcohol reduce immunity and resistance to covid-19?

হাইলাইটসনা, এমন নয় যে, মদ না ছুঁলেই করোনা থেকে নিরাপদ থাকবেন আপনি। বিষয়টা হল, যদি করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে নিজেকে করোনাভাইরাসের থাবা থেকে সুরক্ষিত রাখতে চান, তবে কিছু বিধি নেষেধ মেনে চলতে হবে। এমনই জানিয়ে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: না, এমন নয় যে, মদ না ছুঁলেই করোনা থেকে নিরাপদ থাকবেন আপনি। বিষয়টা হল, যদি করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে নিজেকে করোনাভাইরাসের থাবা থেকে সুরক্ষিত রাখতে চান, তবে কিছু বিধি নেষেধ মেনে চলতে হবে। এমনই জানিয়ে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রাণ বাঁচাতে গেলে টিকা নির্মাতাদের পরামর্শ মেনে চলা ছাড়া উপায় নেই।যুক্তরাষ্ট্রে রোজ প্রায় ২০০,০০০ এরও বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে সকলকে এই টিকা দিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। মার্চের মধ্যে ৫০ বছরেরও বেশি বয়স্কদের এই টিকা দেওয়ার কাজ শেষ করা হবে। তবে, লকডাউনে দীর্ঘদিন অফিস-আদালত, রেস্তারাঁ বন্ধ থাকার পর সব কিছুই স্বাভাবিক নিয়মে খুলতে শুরু করেছে। খুলেছে বারও। সুরাপ্রেমীদের মন আনন্দে মেতে উঠলেও টিকা নেওয়ার পর অ্যালকোহল পান করা উচিত কিনা সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভ্যাকসিন দেওয়ার পরে আপনার কি অ্যালকোহল পান করা উচিত? এতে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হবে কি?এ রাজ্যে অ্যালকোহলের বিক্রি বরাবরই চড়া। ফি বছর ৮০ লক্ষ কেস বিয়ার বিক্রি হয় বঙ্গে। একেকটি কেসে ২৪টি করে বিয়ারের বোতল থাকে। অন্যদিকে, বছরে আইএমএফএল বা ইন্ডিয়ান মেড ফরেন লিকারের বিক্রি হয় ১.৪ কোটি কেস। পরিমাণেই মালুম হয় বাংলায় মদ বিক্রির বহর।ওজন কমাতে খাওয়া-দাওয়া সব ছেড়ে দিয়েছেন? কষ্ট না করে ভরসা রাখুন জাপানি ওয়াটার থেরাপি!এখন প্রশ্ন হল, টিকা নেওয়ার পর ঠোঁটে গ্লাস ছোঁয়ান যাবে কী?করোনার টিকা নিতে হলে দূরে রাখতে হবে সোনালি তরল। ঠোঁটে গ্লাস ছোঁয়ালে কাজ করবে না কোভিড (COVID-19) টিকা। এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানিয়েছেন, মদ ওই সময়ে শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ারকে কমিয়ে দেবে। ফলে কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়ার জন্য শারীরিক অবস্থা যেমন থাকা কাম্য, তা থাকবে না। তবে এর বিরুদ্ধমতও বাজারে ঘুরছে। বলা হচ্ছে, এক পাত্তর শ্যাম্পেন মোটেই শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার কমবে না। তাঁদের ব্যাখ্যায়, চিকিৎসা পরিভাষায় অ্যালকোহলকে বলে ইমিউনো সাপ্রেসেন্ট। অর্থাৎ অ্যালকোহল রক্তে মেশার পর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। সংক্রামক স্ট্রেনকে শরীরে প্রবেশ করানোর আগে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হচ্ছে। এই নিষ্ক্রিয় ভাইরাল স্ট্রেন অত্যন্ত দুর্বল। তার আর শরীরে ঢুকে প্রতিলিপি তৈরি করার ক্ষমতা নেই। এই স্ট্রেন শরীরে ঢুকে বি সেলকে সক্রিয় করে তুলবে। যা অ্যান্টিবডি তৈরির পক্রিয়াকে উজ্জিবিত করবে। কিন্তু অ্যালকোহল এই প্রক্রিয়াকেই ব্যাহত করবে।পলিসিস্টিক ওভারি নিয়ে ভয়? অসুখ এড়াবেন কোন পথে? পড়ুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ…কতদিন বন্ধ রাখতে হবে মদ খাওয়া?রাশিয়ার কনজিউমার হেল্থের প্রধান আন্না পপোভা একটি রেডিয়ো স্টেশনে জানিয়েছেন, স্পুটনিক-ভি’র প্রথম দু’টি ডোজ নেওয়ার আগে গ্রাহককে অন্তপক্ষে দু’সপ্তাহ মদ থেকে দূরে থাকতে হবে। এবং টিকা নেওয়ার পরে আরও চল্লিশদিন তাঁকে মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে। এসব শুনে এর মধ্যেই অধিকাংশ মানুষ হতাশ হয়ে পড়েছেন।কোভিড টিকায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে?ক্লান্তি ভাবমাথাধরাদুর্বলতাঅস্বস্তি বোধ করাএই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

mouth infection: জিভে ইনফেকশনও করোনার নতুন উপসর্গ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা – infection in mouth can be an early sign of covid 19

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খাবারের স্বাদ না পাওয়া বা গন্ধ না পাওয়ার লক্ষণ তো এখন সকলেই জেনে গেছেন, তবে বিজ্ঞানীরা আবার মারণ করোনার নতুন লক্ষণ খুঁজে পেলেন, থাকুন সাবধান, হন সতর্ক৷ এই বিরল উপসর্গের জন্য মুখের ভিতরে ইনফেকশন হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।হাজারো বিতর্কের মধ্যেই ভ্যাকসিন বাজারে আসতে যখন সবে কিছুটা আশার আলো ছড়িয়েছিল, তখনই করোনা নিয়ে নতুন এই উপসর্গের কথা জানালেন বিশেষজ্ঞরা। কিংস কলেজ লন্ডন-এর অধ্যাপক টিম স্পেকটর এক হেলথ ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, করোনার প্রাথমিক উপসর্গ দেখা যেতে পারে মুখের ভিতর। বেশ কয়েকজন কোভিডের রোগীদের মধ্যেই এই উপসর্গ তিনি লক্ষ্য করেছেন। মুখের ভিতরে ইনফেকশন, জিভে অস্বস্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতি পাঁচজন করোনা রোগীর মধ্যে একজনের এই উপসর্গের অভিজ্ঞতা রয়েছে।তাই এই উপসর্গের সঙ্গে অন্য উপসর্গ দেখা গেলে তখনই সতর্ক হতে বলছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু উপসর্গ তেমন ক্ষতিকর পর্যায়ে পৌঁছায় না বলে জানা যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে নিজে থেকেই এই সমস্যা কমতে থাকে। তবে এই উপসর্গের সঙ্গে জ্বর, খুসখুসে কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা গেলে আইসোলেশনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বঙ্গে দ্বিতীয় দফার করোনা ভ্যাকসিনের চালান আসতে চলেছে আগামী সপ্তাহেই। এমনটাই স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহেই আসবে করোনার ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় চালান। পুনের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে আসবে ভ্যাকসিন। তবে কত ভ্যাকসিন আসবে তা এখনো জানায়নি কেন্দ্র। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

women suffer from depression: ২০২০-তে অবসাদ ও একাকীত্বে পুরুষদের তুলনায় বেশি ভুগেছেন মহিলারা! – women suffer from depression and anxiety more than men due to covid-19 isolation, says new study

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভালো নেই মন। না ভালো লাগা, ২০২০-তে অপ্রাপ্তিতে গিলে খেয়েছে প্রতি নিয়ত। প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধি, সামাজিক দূরত্ব ও আইসোলেশনের জাঁতাকলে পড়ে একে অন্যের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দীর্ঘদিন কেটেছে। বহুদিন কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেননি মানুষজন একঘেঁয়েমি ও মানসিক অবসাদে ভুগেছে সকলেই। তবে, সমীক্ষায় দেখা গেল এই সমস্যায় ভুগছেন বেশি মহিলারা। একটি গবেষণায় জানা গিয়েছে, যে করোনা ভাইরাসের কামড়ে খারাপ সময়ে পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ অবস্থায়। তিনটি মেয়ের মধ্যে একটি মেয়ের মনের অবস্থা ভালো নেই। একাকীত্বে ভুগছে তাঁরা।সম্প্রতি কানাডার গবেষকরা একটি নতুন তথ্য তুলে ধরেছেন। তাঁদের গবেষণা ও সমীক্ষা বলছে, এই লকডাউন পরিস্থিতি বা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়টি মহিলা ও পুরুষের উপর ভিন্নভাবে প্রভাব ফেলেছে। এক্ষেত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানসিক উদ্বিগ্নতা, অস্থিরতা,অবসাদ সহ একাধিক সমস্যায় পুরুষদের থেকে বেশি ভুগেছেন মহিলারা।অফিসের কাজ, সঙ্গে সন্তান পরিবারকে সময় দেওয়া, ঘরের কাজ সামাল দেওয়া, অন্যের মন জুগিয়ে চলা এছাড়াও করোনা তো অতিরিক্ত চিন্তার কারণ হিসেবে রয়েছে। এত কিছুতে সামাল দিতে পারছে না বহু মহিলা। পাশাপাশি বদলাতে হয়েছে অনেক অভ্যাস। যার কারণে এতকিছুর মাঝে মস্তিস্ককে সজাগ রাখতে মনের কথা ভাবার সময় পাচ্ছে না তাঁরা। নিজেকে সময় দিতে না পেরে একাকীত্বে ভুগছে তাঁরা।সকালে খালি পেটে জিরে-জল খেলেই হবে সমস্যার সমাধান! উপকার জানলে আজ থেকেই খাবেন…Hotchkiss Brain Institute-এর সঙ্গে কালগ্যারি বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Calgary) গবেষকরা একটি দীর্ঘ সমীক্ষা ও গবেষণা চালিয়েছেন। লকডাউনের মাসগুলিতে মহিলা ও পুরুষদের মূলত ঘুম, মানসিক সুস্থতা, মানসিক স্থিতিশীলতা-সহ এই জাতীয় কিছু বিষয়ের উপর গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই উপসর্গগুলি নিয়ে বিশদে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। কানাডার ৫৭৩ জন অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে করা এই সমীক্ষায় পুরুষের সংখ্যা ছিল ১১২ ও মহিলার সংখ্যা ছিল ৪৫৯। ২০২০ সালের ২৩ মার্চ থেকে ৭ জুনের মধ্যে এদের গড় বয়সের পরিমাণ ছিল ২৫ বছর ৯ মাস।সুস্থ থাকতে পিরিয়ডের সময় যেসব খাবার ভুলেও খাবেন না…সমীক্ষায় যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানসিক উদ্বিগ্নতা, অস্থিরতা ও অবসাদের শিকার হচ্ছেন মহিলারা। যত দিন যাচ্ছে ও একাকীত্ব বাড়ছে, তাঁদের এই উপসর্গ আরও খারাপ ও ভয়ানক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এই সংক্রমণকালে আইসোলেশন বা সামাজিক দূরত্বের জাঁতাকলে পড়ে এই ধরনের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পায়। আরও একটি বিষয়ও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, মহিলাদের মধ্যে এমপ্যাথি বা সহমর্মিতা বোধের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। এই অধিক মাত্রার এমপ্যাথি কিন্তু মানসিক উদ্বিগ্নতা বা অবসাদের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। তাঁরা অত্যন্ত সংবেদনশীলও। সংসার, প্রিয়জন বা পরিবারের কোনও কঠিন সময়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাঁদের বেশি চাপ নিতে হয়। প্রত্যেকের প্রতি যত্ন নেওয়া, পরিবারের ছোটো ছোটো বিষয়ের সঙ্গে অতিরিক্তভাবে জড়িয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ভালোবাসা আর স্নেহের জেরে মহিলাদের মানসিক চাপ আর চিন্তাটাও ক্রমে বাড়তে থাকে। এর জেরে মানসিক অবসাদ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

covid-19: জনস্বাস্থ্যের পাঠ শিখিয়েছে করোনা – public health in the time of covid-19

এই সময়: করোনা করোনা করেই কেটে গেল বছরটা। সংক্রমণ আর প্রাণহানির সংখ্যা গোনাটাও গত ১০ মাসে দৈনিক খবর জানার অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সব কিছুর পরেও জামাকাপড়ের মতোই মাস্ক, স্যানিটাইজার আর স্বাস্থ্যবিধি রোজনামচার অঙ্গ হয়ে গিয়েছে প্রায় সকলেরই। আর এখানেই এই অতিমারীর মধ্যেও ইতিবাচক দিক দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।চিকিৎসকরা বলছেন, কোভিডের মতো দুনিয়াজোড়া বিপর্যয়ের লাগাতার ছোবলের মধ্যেও আমজনতার জন্য এ বছরের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হল জনস্বাস্থ্যের পাঠ এবং তা অনুশীলনের অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, নভেল করোনাভাইরাস নিয়ে যে ভয়ের বাতাবরণ রয়েছে, তার সূত্রে কিছু সুফলও অজান্তেই মিলছে। ভয়ের সঙ্গে যেহেতু সতর্কতার বিষয়টিও অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে, তাই করোনা প্রতিরোধের প্রয়াসে ভর করেই এ যাত্রা আটকে যাচ্ছে অন্য গুচ্ছ সংক্রমণও।লকডাউনের সময় থেকেই সাধারণ মানুষ ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যবিধি পালনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। পরে আনলক পর্বে তা আরও জোরদার হয়েছে রাস্তাঘাট, অফিস-কাছারি, বাসে-ট্রামে। অথচ হাঁচি-কাশির সময়ে যথাযথ মুখ ঢাকা থেকে শুরু করে হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজারের ব্যবহার নিয়ে এ বছরের গোড়াতেও মানুষের মধ্যে হেলদোল ছিল না। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বিশ্বাস বলছেন, ‘শৈশবে পাঠ্যপুস্তকেই সকলকে এই সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি শেখানো হয়। কিন্তু বড় হয়ে তা মনে রাখে ক’জন! করোনা সেই মনে করিয়ে দেওয়ার কাজটাই কড়া হাতে করেছে।’মহামারী-তত্ত্বের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দীপিকা শূর মনে করেন, করোনা ঠেকাতে যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে মানুষ, সেই অভ্যাসের সবচেয়ে ইতিবাচক দিকটি হল, এই সব সতর্কতামূলক পদক্ষেপ শুধুমাত্র করোনা নয়, নাক-মুখ-চোখ-হাতের ফাঁক গলে শরীরে ঢোকা অনেক জীবাণুর প্রবেশও নিষিদ্ধ করতে সক্ষম। একই সুর কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মাইক্রোবায়োলজির শিক্ষক-চিকিৎসক সৌগত ঘোষের গলায়। তাঁর মতে, ‘যত্রতত্র থুতু না-ফেলা কিংবা বারংবার হাত ধোয়ার মতো ঠিকঠাক স্বাস্থ্যবিধি মানার অভ্যাস তৈরি হলে তা সর্দি-কাশি ও পেটের অসুখেও যে অনেকটা লাগাম দেবে, তাতে সন্দেহ নেই।’বয়স্করোগ বিশেষজ্ঞ অরুণকুমার মজুমদার জানাচ্ছেন, করোনার দাপটে আগের চেয়ে ঢের বেশি সাবধানী হয়ে গিয়েছেন প্রবীণ নাগরিকরা। তিনি বলেন, ‘করোনা তো নতুন অসুখ। কিন্তু হাওয়া বদলের সময়ে বরাবর দেখা যায়, মারাত্মক হারে বেড়ে যায় ফ্লু আর ভাইরাল ডায়েরিয়া। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, অ্যাডিনোভাইরাস, রোটা ভাইরাস, সিগেলা- সবই করোনার মতো মুখ-হাত হয়ে শরীরে ঢোকে। এবং বয়সকালে এই সব ক’টি অসুখই প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে অনেক সময়ে। কিন্তু করোনার ভয়ে জনসমক্ষে মেলামেশা এড়ানো, সামান্য সর্দিকাশিতেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং সর্বোপরি হাত ধোয়া ও মাস্কের কল্যাণে ওই সব জীবাণু নিশ্চিত ভাবেই অনেকাংশে আটকাচ্ছে।’একমত বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধানও। তিনি মনে করেন, করোনার দৌলতে শেখা এই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাসটা স্থায়ী হলে, তা ভারতের মতো ফ্লু ও টিবি জর্জরিত দেশের পক্ষে খুবই মঙ্গল। তাঁর কথায়, ‘মনে রাখতে হবে, দুনিয়ায় প্রতি দিন চার হাজারের বেশি মানুষ টিবি-তে মারা যায়। এর সিংহভাগই ভারতে। এখন হাত ধোয়া, মাস্ক পরা কিংবা যত্রতত্র থুতু না-ফেলার যে অভ্যাস তৈরি হয়েছে, তা নিশ্চিত ভাবেই টিবি কমাবে এ দেশে।’কমিউনিটি মেডিসিনের অধ্যাপক তথা বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের অধ্যক্ষ অণিমা হালদারও মনে করেন, যে হারে মানুষ হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছে, তা নজিরবিহীন। আপাতদৃষ্টিতে ব্যাপারটাকে হুজুগ বলে মনে হলেও তার প্রভাব ইতিবাচকই। তাঁর বক্তব্য, ‘এই সময়ে সাধারণ ফ্লুয়ের পাশাপাশি সোয়াইন ফ্লু-ও হয়। করোনা প্রতিরোধের স্বাস্থ্যবিধি মানলে সে সব অসুখবিসুখও অনেকাংশেই ঠেকানো সম্ভব। এ শিক্ষা আখেরে করোনারই দান।’এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

coronavirus: সেরেও সারছে না করোনা, সুরক্ষিত নয় কোনও অঙ্গই! অতিষ্ঠ ডাক্তাররা – no organ is protected due to corona!

এই সময়: করোনা পজিটিভ হলেও সম্পূর্ণ উপসর্গহীনই ছিলেন যুবক। তার মাস দুয়েকের মাথায় কালীপুজোর সময়ে ঠান্ডা-গরম থেকে মামুলি সর্দি-কাশি হয় তাঁর। দিন চারেকের মাথায় তা থেকে একেবারে নিউমোনিয়া। চিকিৎসক বিলক্ষণ বুঝেছিলেন, আসল খলনায়ক করোনাভাইরাসই, যা দু’মাস আগে ফুসফুসকে নিঃশব্দে এতটা ঘায়েল করে দিয়েছে। দিন দশেক হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরেছিলেন প্রৌঢ়া। হাঁটাহাঁটি করতে একটু অসুবিধা হচ্ছিল শুধু। ডাক্তার বলেছিলেন, সপ্তাহখানেকের মধ্যে সেটাও সেরে যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। এক মাসেও হাঁটতে না-পারায় যখন ফের চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন তিনি, তখন জানা যায় যে, করোনা আর সুগার মিলে তাঁর স্নায়ুর এমন বারোটা বাজিয়েছে যে পায়ে শক্তি ফেরাতে লম্বা ফিজিয়োথেরাপি ছাড়া উপায় নেই। পেশায় চিকিৎসক তরুণী আবার কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর ত্বকে র‍্যাশের সমস্যায় জেরবার হন। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞ জানান, এটাও করোনারই দান। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এমন ‘কেস’ অজস্র। করোনা থেকে সেরে উঠেছেন, বর্তমানে এমন মানুষের সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ছুঁইছুঁই রাজ্যে। সংখ্যাটা রোজই বাড়ছে হাজার তিনেক করে। ফলে করোনামুক্তদের থেকে নিয়মিত নতুন সমস্যার খোঁজ পাচ্ছেন প্রায় সব শাখার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাই। তাঁদের অভিজ্ঞতা-হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি কিংবা সুগারের গণ্ডগোলের পাশাপাশি স্বাদ-গন্ধ না-ফেরার সমস্যা সিংহভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে। রোগটা নিয়ে যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি থাকছেন কিছু দিন এবং হাই-ফ্লো অক্সিজেন ও স্টেরয়েড পাচ্ছেন, তাঁদের আরও নানা অঙ্গের সমস্যা দেখা যাচ্ছে পরে। অনেক সুস্থ মানুষও কো-মর্বিডিটির শিকার হয়ে পড়ছেন।আইডি হাসপাতালের পোস্ট-কোভিড ক্লিনিকের প্রধান চিকিৎসক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, এত রকম সমস্যা নিয়ে আসছেন করোনাজয়ীরা যে জটিলতার এই তালিকা রোজই লম্বা হয়ে চলেছে। এসএসকেএমের মেডিসিন বিভাগের এক শিক্ষক-চিকিৎসকের কথায়, ‘স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের আমরা ডেঙ্গি নিয়ে পড়ানোর সময়ে বলতাম, খেয়াল রেখো, এ অসুখ থেকে গর্ভধারণ ছাড়া আর সব কিছুই হতে পারে। এখন দেখছি, করোনাও সেই একই রকম, বস্তুত কিছু ক্ষেত্রে আরও বেশিই খেল দেখাচ্ছে।’ ফুসফুস রোগ বিশেষজ্ঞ রাজা ধর জানান, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, পুরোপুরি সুস্থ তরতাজা যুবকের একবার করোনায় ভোগার জেরে হয়তো আজীবন শ্বাসের সমস্যা তৈরি হয়ে গেল। এতে জীবনযাত্রার মানও প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পিএমআর বিশেষজ্ঞ মৌলিমাধব ঘটক বলেন, ‘অসম্ভব দুর্বলতা ও ক্লান্তি কিংবা দু’পায়ে জোর না-পাওয়া অথবা কোমরে-হাঁটুতে মারাত্মক যন্ত্রণা নিয়ে নিয়মিত করোনাজয়ীরা আসছেন ক্লিনিকে। সমস্যাগুলো থেকে যাচ্ছে কোভিড থেকে সেরে ওঠার দু’-তিন মাস পর পর্যন্তও।’ তিনি জানান, ভাইরাসটা স্নায়ু ও পেশিতেও হামলা চালাচ্ছে। সে জন্যই করোনামুক্তির পরে এগুলোর জন্যও আলাদা চিকিৎসা জরুরি হয়ে পড়ছে। বাঁচার উপায় কী? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সে ব্যাপারে এখনই ঠিক দিশা দেখানোর মতো অবস্থায় তাঁরাও নেই। তবে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বিশ্বাস কিংবা এন্ডোক্রিনোলজি বিশেষজ্ঞ সতীনাথ মুখোপাধ্যায়রা বলছেন, ‘করোনা থেকে সেরে ওঠার পর প্রতি দু’ সপ্তাহ অন্তর ডাক্তারের কাছে চেক-আপ জরুরি। তাতে সমস্যাটা অন্তত গোড়ায় ধরা পড়ে। ফলে চিকিৎসায় সারার সম্ভাবনাও দ্রুত। দেরির অর্থ, শরীরকে লম্বা দৌড়ে কষ্ট দেওয়া, যা ভবিষ্যতে আরও বড় সমস্যা ডেকে আনতে পারে।’এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন-

Source link

coronavirus: শেষের পথে ২০২০, এবছর কী কী নতুন জিনিসের সঙ্গে পরিচয় হল আপনার? জানুন… – 5 never seen before things in 2020 -here’s a glimpse of yearender 2020

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দেখতে দেখতে নানান চড়াই–উৎরাইয়ের মাধ্যমে ২০২০ সালও শেষ হতে চলল। ২০১৯ থেকে ২০২০ সালে আসার পর পরই বিশ্বের সকলের জীবনে থাবা বসায় করোনা ভাইরাস। যার জেরে বেশ কয়েক দশক পর গোটা বিশ্ব মহামারির রূপ ধারণ করে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চিন থেকে এই মারণ রোগটি ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বে। যা কোনও দিন দেখেনি কেউ, তারও সম্মুখীন হতে হয়েছে। যা হতে পারে বলে ভাবেনি কেউ, তাও হয়েছে। সাধারণ জীবনযাপনে পরিবর্তন এসেছে। হঠাৎ করে চাইলেই ঘর থেকে বেরোনো, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি বা প্রিয়জনের কাছে যাওয়া- সবেতেই এসেছে নানা পরিবর্তন।এমন অনেক নতুন জিনিসের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে, যা আগে কখনও চোখে দেখেনি কেউ। ২০২০ শেষে রইল তেমনই পাঁচ জিনিসের কথা। দেখে নিন সেগুলি কী-ইনফ্রারেড থার্মোমিটার -করোনাকালে মোকাবিলায় প্রায় সব জায়গায় সুরক্ষাবিধি মেনে চলা হচ্ছে। শপিং মল থেকে মেট্রো, ট্রেন থেকে বাড়ির পাশের দোকান- সব জায়গায়ই তাপমাত্রা মাপা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার আবশ্যক করা হয়েছে। এই তাপমাত্রা মাপার জন্যই তৈরি হয়েছে ইনফ্রারেড থার্মোমিটার (Infrared Thermometers)। যা শারীরিক সংস্পর্শে না এসে দূর থেকে Infrared Ray-র মাধ্যমে শরীরে তাপমাত্রা নির্ণয় করতে সক্ষম হয়। এই থার্মোমিটারের ব্যবহার করোনাকালের আগে সে ভাবে কখনও দেখা যায়নি। স্পর্শ না করে পাঁচ সেন্টিমেটার দূর থেকেই তাঁর শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য ‘ইনফ্রারেড থার্মোমিটার’ বাধ্যতামূলক হয়ে গিয়েছে দোকান-হাট-শপিং মলে। অনেকটা হেয়ার ড্রায়ারের মতো দেখতে এই যন্ত্র করোনা-কালে মানুষকে ভরসা যোগাচ্ছে। স্বভাবতই মহামারির সময় ইনফ্রারেড থার্মোমিটারের কাটতি বেড়েছে কয়েক গুণ। ফেস শিল্ড ও মাস্ক – কোভিডের গ্রাফ ক্রমেই উর্ধমুখী। এর মধ্যেই যেতে হচ্ছে অফিসকাছারি। বাসে-ট্রামে-রাস্তায় সামাজিক দূরত্বের মাপকাঠি বজায় থাকছে না বললেই চলে। তার উপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে জানানো হল, করোনাভাইরাসের মারণক্ষমতা কমেনি একটুও। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় যে সকল সুরক্ষাবিধি মেনে চলা কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে ফেস মাস্ক ও ফেস শিল্ড পরা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীদের ফেস শিল্ডের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যাঁরা মাস্ক পরলে দমবন্ধ লাগে এই যুক্তিতে কষ্ট করে মাস্ক পরতে বাধ্য হন, ফেস শিল্ডে তাঁদেরও সুবিধা। তা ছাড়া এটি জীবাণুমুক্ত করা সহজ। সাবান-জলে ধুয়ে নিলে বা স্যানিটাইজার দিয়ে মুছে নিলে তা পরিষ্কার হয়ে যায়। ভাইরাস যাতে কম ছড়ায় এবং সংক্রমণ কম হয়, তার জন্যই ফেস শিল্ডের ব্যবহার। এই ফেস শিল্ডও আগে কখনও দেখা যায়নি। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায়ই উঠে এসেছে এটি। আর মাস্ক আগে দূষণের জন্য, ধুলোর জন্য ব্যবহার হলেও সারা দিন তা পরে থাকাও এ বছরের নতুন বিষয়! অনেকটা হেয়ার ড্রায়ারের মতো দেখতে এই যন্ত্র করোনা-কালে মানুষকে ভরসা যোগাচ্ছে। স্বভাবতই মহামারির সময় ইনফ্রারেড থার্মোমিটারের কাটতি বেড়েছে কয়েক গুণ। সারফেস ডিজইনফেক্ট – করোনা (Corona) কী না করিয়েছে আামাদের দিয়ে! রাস্তায় বসে আড্ডা দেওয়া, পার্কে বসে গল্প বা অফিসে যেখানে সেখানে এমনিই বসে যাওয়ার দিন শেষ করে দিয়েছে এই ভাইরাস। বাসে-ট্রামে বা মেট্রোয়- এখন প্রায় সব কিছুই ডিজইনফেক্ট করা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যবহার করা হচ্ছে Surface Disinfect। কোথাও বসার আগে বা হাত দেওয়ার আগে এখন প্রায় সবাই Surface Disinfectors ব্যবহার করেন। কী এই Surface Disinfectors, করোনা আসার আগে কারও তেমন জানা ছিল না। বা আগে কখনও এর ব্যবহার করেননি কেউ।পিপিই কিট – চিনে যে সময় করোনা সংক্রমণ শুরু হয়, তখন টিভিতে দেখে অনেকেরই মনে হত এটা কী, হয়তো কোনও নতুন ধরনের জামা! ধীরে ধীরে মিডিয়ার প্রচারের পর জানা যায় এটির নাম PPE Kit। যা পরলে আংশিক ভাবে হলেও সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ভারতে যখন করোনা প্রবেশ করে তখন এখানেও স্বাস্থ্য়কর্মীদের জন্য PPE Kit আনা শুরু হয়। এই জামাও আগে কখনও দেখেনি কেউ। ২০২০ ও প্যানডেমিক PPE Kit পরাও শিখিয়েছে মানুষকে। আর শুধু স্বাস্থ্যকর্মীরাই নয়, বর্তমানে সাধারণ মানুষও দূরে যাত্রা করলে PPE Kit পরছেন।প্যাডেল অপারেটেড স্যানিটাইজার – করোনা শুরু হওয়ায় সবাই স্যানিটাইজার ব্যবহার শুরু করেন। তখন কারও মাথায় আসেনি বোতল থেকেও ছড়াতে পারে করোনা। পরে যখন সেই সম্ভাবনার কথা বিজ্ঞানীরা তুলে ধরেন, তখনই কনট্যাক্ট লেস স্যানিটাইজার ও Paddle operated sanitiser bottle আসে বাজারে। পা দিয়ে চাপলে উপরে বোতল থেকে স্যানিটাইজার বের হয়। এটিও আগে কখনও দেখেনি কেউ। সবই আবিষ্কার করতে হয়েছে এই ভাইরাসের দৌলতে এই ২০২০-তে!এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Good Housekeeping: ঝাঁ চকচকে মানেই কিন্তু বাড়ি জীবাণুমুক্ত নয়! জানুন সুরক্ষার সহজ উপায় – these ways to kill germs around the house

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শরীর-স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে বেশ কিছু নিয়ম-কানুনও মেনে চলতে হয় আমাদের। তার মধ্যে ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস অন্যতম। ঘরের ভিতর বা চারপাশে নোংরা-আবর্জনা জমলে সেখান থেকেও রোগ-জীবাণু ছড়ায়। শিশুদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে ঘরবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে বাড়িতে যদি শিশুরা থাকে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তুলনামূলক কম হওয়ায় এই সব নোং‌রা থেকে খুব দ্রুত রোগ ছড়িয়ে পড়ে।শরীর-স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে বেশ কিছু নিয়ম-কানুনও মেনে চলতে হয় আমাদের। তার মধ্যে ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস অন্যতম। ঘরের ভিতর বা চারপাশে নোংরা-আবর্জনা জমলে সেখান থেকেও রোগ-জীবাণু ছড়ায়। শিশুদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে ঘরবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে বাড়িতে যদি শিশুরা থাকে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তুলনামূলক কম হওয়ায় এই সব নোং‌রা থেকে খুব দ্রুত রোগ ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ঘরই নয়, বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখতে হবে যার ফলে জীবাণু মুক্ত হয়ে উঠবে আপনার পরিবেশ। দেখে নিন সেগুলি কী-ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখুনবাড়ির সব জায়গা পরিচ্ছন্ন থাকলেও ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র নিয়মিত পরিস্কার রাখা হয় না। রেফ্রিজারেটর, ডিশওয়াশার, ওভেন ডোর হ্যান্ডল, মাইক্রোওয়েভ টাচপ্যাড, কফি মেকার এবং আভেনের নবগুলিতেও ঘন ঘন জীবাণুনাশক করা প্রয়োজন। হাতলগুলি মুছতে স্ক্রাব স্পঞ্জ এবং সাবান জল ব্যবহার করুন, তারপরে জল এবং শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সবশেষে জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করুন। নকশাদার আসবাবপত্রের ক্ষেত্রে পরিষ্কারের সময় জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে। ল্যামিনেশন বা সানমাইকার ক্ষেত্রে বাজার চলতি স্প্রে স্যানিটাইজার ব্যবহার করলেই হবে। কাচের জিনিসের ক্ষেত্রেও প্রথাগত পদ্ধতি মেনেই পরিষ্কার করতে হবে। একইসঙ্গে স্যানিটাইজার স্প্রে করে পরিষ্কার করতে পারলে ভালো।বিছানার চাদর লিভিং রুমে সোফা কভার ওয়াশেবল রাখতে হবেবিছানার চাদর লিভিং রুমে সোফা কভার পরিস্কার করতে হবে নিয়মিত। স্যানিটাইজ করতে হবে প্রয়োজন মতো। ফ্যাব্রিক মেটেরিয়ালের সোফা হলে সেটিও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বড় সোফার বদলে একাধিক ছোট সোফা, চেয়ার ব্যবহার করা সুবিধাজনক। স্যানিটাইজিং স্প্রে দিয়ে পরিষ্কার করতেও সুবিধা হবে। কার্পেট এবং ফলস সিলিং এই মুহূর্তে একেবারেই ব্যবহার করা যাবে না। কারণ ড্রপলেট আটকে থাকার আশঙ্কা থাকবে। জীবাণু এবং ধূলিকণা থেকে মুক্ত করার জন্য গরম জলে ডিটারজেন্ট পাউডার মিশিয়ে ভালো করে ভিজিয়ে রাখুন। এর পর সেগুলি ভালো করে ধুয়ে শুকনো করতে দিন। খেয়াল রাখবেন আর্দ্রতা যেন বজায় রাখে।রান্নাঘরের পরিছন্নতাস্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সুষম আহার যেমন উপযোগী তেমনি রান্না ঘরের পরিচ্ছন্নতাও বিশেষ দরকার। রান্না ঘর থেকেই রোগজীবাণু শরীরে বাসা বাধে। আপনার রান্না ঘরের প্রতিটি কোণা পরিষ্কার রাখুন। বাইরে থাকে আনা বাজার রান্না ঘরের সিঙ্কে পরিষ্কার করতে হয়। সে ক্ষেত্রে সিঙ্কের মধ্যে থেকে জল যেন রান্নার সংস্পর্শে না আসে। বাড়ির খাবার জায়গা এবং হাত মুখ ধোওয়ার জায়গা বা বেসিনের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব থাকতে হবে। সে ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে। বেসিন বারবার পরিষ্কার করতে হবে। ওই বিশেষ জায়গাটি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। রান্নাঘরের ক্ষেত্রে রান্না শুরুর আগে এবং পরে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। যাতে কোনওরকম ধুলো বা ড্রপলেট জমতে না পারে, তার দিকে নজর রাখতে হবে। রান্নাঘরের সিঙ্ক, বেসিন, কিংবা শৌচাগারের কলের ক্ষেত্রে একটা পাতলা কাপড় দিয়ে কলিন্স, স্যানিটাইজিং স্প্রে দিয়ে রোজ পরিষ্কার করতে হবে।বাথরুম পরিষ্কার রাখুনপ্রতিদিন সাবান-জন দিয়ে বাথরুমের দরজার নব, টয়লেট সিটার, ওয়াশ বেসিন পরিষ্কার করুন। আপনার পরিবারের কেউ যদি অসুস্থ থাকেন, তাহলে চেষ্টা করুন এটা নিশ্চিত করতে যে তিনি যেন আলাদা বাথরুম ব্যবহার করুন। প্রতিদিন সাবান-জন দিয়ে বাথরুমের দরজার নব, টয়লেট সিটার, ওয়াশ বেসিন পরিষ্কার করুন। আপনার পরিবারের কেউ যদি অসুস্থ থাকেন, তাহলে চেষ্টা করুন এটা নিশ্চিত করতে যে তিনি যেন আলাদা বাথরুম ব্যবহার করুন। তবে আতঙ্কে থেকে বাতিকগ্রস্তের মতো সব সময় বাথরুম পরিষ্কার করবেন না। পরিবারের সবাইকে বলে রাখুন যে বাথরুম ব্যবহারের পর তা পরিষ্কার করার দায়িত্ব সবার। বাড়ির একজন সারাদিন বাথরুম পরিষ্কার করলে তিনি করোনা না হলেও অন্য অসুখে আক্রান্ত হয়ে পড়তে পারেন।শিশুর খেলনা রাখুন জীবাণুমুক্তকরোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে। এতে বড়দের পাশাপাশি শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ব্যাপারেও এ সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। করোনাকালে শিশুদের বিষয়ে অবশ্যই অতি সতর্ক থাকতে হবে। খুব ছোট বাচ্চাদের বারবার হাত ধুয়ে দিতে হবে। যারা হামাগুড়ি দেয়, যাদের আঙুল মুখে দেয়ার অভ্যাস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে মা-বাবাকে। .করোনাকালে এমনিতেই ঘরবাড়ি জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। আর ঘরে যদি শিশু থাকে তবে ঘরবাড়ি জীবাণুমুক্ত রাখার ব্যাপারে আরও সতর্ক থাকতে হবে। তাদের খেলনাও জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করুন। বাড়ির মেঝে, দরজার হাতল, টেবিল, সুইচ ইত্যাদি জীবাণুনাশক দিয়ে দিনে কমপক্ষে দু’বার পরিষ্কার করতে হবে।

Source link

covid-19 protocol: Coronavirus: করোনায় আক্রান্ত? ১৪ দিনের আইসোলেশন কতটা গুরুত্বপূর্ণ! জানুন… – coronavirus: can the isolation period be shorter than 14 days for people with covid-19

সতর্কতা মেনেও আটকানো যাচ্ছে না করোনার সংক্রমণ। অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন। সকলেই যে হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে এমন নয়। বাড়িতে থেকেই সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। আর করোনায় আক্রান্ত হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন মেনে ১৪ দিন থাকতে হয় হোম আইসোলেশনে। সেই ১৪ দিন অন্য কোনও ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা যাবে না। সারাদিন যেমন মাস্ক পরেই থাকতে হবে। তেমনই খাওয়া দাওয়া সারতে হবে ডিসপোজেবল প্লেটে। নিজের ঘর, পোশাক নিজেকেই পরিষ্কার করতে হবে। এমনকী বাথরুমও আলাদা ব্যবহার করতে হবে। তবে অনেক বাড়িতেই দুটো বাথরুম ব্যবহারের সুবিধে থাকে না। সেক্ষেত্রে একবার করোনা রোগী ব্যবহার করার পর তা খুব ভালোভাবে স্যানিটাইজ করে তবেই অন্যকেউ ব্যবহার করবেন। তবে ১৪ দিনের এই আইসোলেশন অনেকেই মানছেন না। চিকিৎসকদের মতে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর অসুস্থতা থাকে ৫ থেকে ৭ দিন। ইনফেকশন ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে ১০ দিন পর্যন্ত। ১২ দিন পেরিয়ে গেলে কোভিড আক্রান্ত রোগীর থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় থাকে না। কততদিনে অনেকেরই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তবুও ১৪ দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকতেই হবে। প্রয়োজনে মেয়াদ বাড়ানো যেতেই পারে। কোয়ারানটিন কীভাবে কোভিডের ক্ষেত্রে সাহায্য করে?হোম আইসোলেশন বা কোয়ারানটিন করোনার সংক্রমণ অনেকটাই রুখে দিতে পারে। কারণ আপনি যদি কোনও কারণে আক্রান্ত হন তাহলে আপনার সেই অধিকার নেই যে বাকিদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে দেবেন। সমীক্ষা বলছে করোনায় আক্রান্ত হয়ার আগের পাঁচদিন আর আক্রান্ত হওয়ার সাত দিনের মধ্যেই ভাইরাস বেশি ছড়ায়। সমীক্ষা কী বলছেসম্প্রতি একটি সমীক্ষা বলছে করোনার লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর ৯ দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকে করোনার ভাইরাস। এমনকী যাঁদের খুব বেশি শ্বাসকষ্ট জ্বর থাকে তাঁরাও কিন্তু ৯ দিন পর কোভিড নেগেটিভ হয়ে যান। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর এই ৯ দিন পর্যন্তই সক্রিয় থাকে ভাইরাস। কতদিন পর্যন্ত সংক্রমণ স্থায়ী হতে পারেএখনও পর্যন্ত দেখা গিয়েছে সংক্রমণ ৮ দিনের বেশি স্থায়ী হয় না। খুব বেশি হলে ১২ দিন। এই পুরোটাই নির্ভর করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর। ভাইরাস যতদিন দেহে থাকবে ততদিন পর্যন্ত তা রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা রাখে। আমেরিকার একটি ঘটনায় দেখা গিয়েছে ভাইরাস ৭১ বছরের এক ব্যক্তির দেহে ৭০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ দিন পর থেকেই বেশিরভাগ লক্ষণ প্রকট হয়। তবে যাঁদের আগে থেকেই শারীরিক কোনও সমস্যা থাকে তাঁদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের স্থায়িত্ব বেশি হয়। তবে সবার ক্ষেত্রে দীর্ঘ কোয়ারানটিন প্রয়োজন হয় নাএখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই করোনা ১৪ দিনের আইসোলেশনেই কেটে যাচ্ছে। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই ২২ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। এমনকী হাসপাতালে ভর্তি হলেও ২৫ দিনের আগে ছাড়া পাচ্ছেন না। জ্বর সেরে গেলেও কাশি, শ্বাসকষ্ট থেকে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে দুর্বলতার স্থায়িত্ব হচ্ছে প্রায় ২ মাস। তাতেও ক্লান্তি কাটছে না বলে অনেকেই দাবি করেছেন। করোনা সাকলেই কি বাড়ির বাইরে বেরনো যাবে?করোনায় আক্রান্ত হবার সাতদিনের মাথায় যেমন বিনামাস্কেই অনেকে বিয়েবাড় খেতে আসছেন তেমনই ১৪ দিন কোনও রকমে কাটিয়েই অনেকে বাড়ির বাইরে বেড়িয়ে পড়ছেন। আদতে কিন্তু তা ঠিক নয়। কারণ করোনার রিপোর্ট পুরোপুরি নেগেটিভ তখনই জানা যায় যখন RT-PCR পরীক্ষা হয়। দ্বিতীয়বার এই RT-PCR পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেই তখনই বাড়ি থেকে বেরনো উচিত। তবে করোনা থেকে সেরে ওঠার পর অন্তত ৭ দিন বাড়ির বাইরে না বেরনোই ভালেো। সেই সঙ্গে মাস্ক, বারবার হাত ধোওয়া এসব মেনে চলতেই হবে। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো কাজ করুন।

Source link

Amit Malavya Admitted At Kolkata Hospital With Covid-19 – বিজেপির IT সেলের প্রধান অমিত মালব্য কোভিড পজিটিভ, ভর্তি হাসপাতালে

হাইলাইটসকরোনা আক্রান্ত হলেন বিজেপির আইটি সেলের সর্বভারতীয় প্রধান এবং বাংলায় দলের সহকারী পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। তাঁর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাঁকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আক্রান্ত হলেন বিজেপির আইটি সেলের সর্বভারতীয় প্রধান এবং বাংলায় দলের সহকারী পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। তাঁর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাঁকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতা অমিত মালব্য়। বুধবার তাঁকে ইএম বাইপাস লাগোয়া একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সামান্য জ্বর রয়েছে তাঁর। তবে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা। সম্প্রতি বঙ্গ-বিজেপির সহকারী পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে কলকাতাতেই আছেন অমিত।এ দিকে, বিক্ষোভকারী কৃষকদের উপর পুলিশি নির্যাতন-সংক্রান্ত ‘ফ্যাক্ট চেক’ ছবি পোস্ট করে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিজেপি-র আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। সেই পোস্টকেই ‘বিকৃত খবর’ বলে বুধবার দাগিয়ে দিয়েছে টুইটার। স্বাভাবিক ভাবে এ সুযোগ ছাড়েনি কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টি। কোনও ভারতীয় রাজনীতিবিদের সঙ্গে এমন ঘটনা এই প্রথম, দাবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে তারা। নেটিজেনদের বিদ্রুপ, কটাক্ষের শেষ নেই। কারও প্রশ্ন, ‘এ বার কি টুইটারকেও নিষিদ্ধ করবে আইটি সেল?’ ভারতে এই প্রথম! বিজেপি IT সেলের প্রধানের ‘কারসাজির’ ট্যুইট ফ্ল্যাগ করল ট্যুইটারবিতর্কিত তিন কৃষি আইন নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গত সাত দিন ধরে চলতে থাকা বিক্ষোভ এখনও থামার লক্ষণ নেই। মঙ্গলবার দু’পক্ষ আলোচনার টেবিলে বসলেও রফাসূত্র মেলেনি। বিজেপি-বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, কেন্দ্র কৃষকদের সঙ্গে জঙ্গিদের মতো আচরণ করছে। সম্প্রতি সে অভিযোগের সমর্থনে বিক্ষোভকারী চাষিদের উপর পুলিশ নির্যাতনের একটি ছবিও পোস্ট করেন রাহুল গান্ধী-সহ একাধিক কংগ্রেস নেতা। তাতে দেখা যায়, উর্দিধারীর উদ্ধত লাঠি ধেয়ে আসছে প্রতিবাদী এক কৃষকের দিকে। কোনও মতে সে মার এড়ানোর চেষ্টা করছেন তিনি। রাহুলের ওই টুইট-সহ গত ২৮ নভেম্বর পাল্টা একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন অমিত। ‘দুরভিসন্ধিমূলক প্রচার বনাম বাস্তব’ শিরোনাম-সহ একটি ক্যাপশনও দেন ওই পোস্টে। তাতে লেখা ছিল, ‘এ দেশ গত অনেকখানি সময়ের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতার নিরিখে এত নিম্নমানের বিরোধী নেতা পায়নি।’ ভিডিয়োটিতে দেখা যায়, পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে এগিয়ে গেলেও তাঁর মার এড়িয়ে যাচ্ছেন কৃষক। রাহুলের পোস্ট করা ছবি ও ওই ভিডিয়ো একই ঘটনার বলে দাবি করে বিজেপি আইটি সেলের প্রধানের বক্তব্য, সেদিন পুলিশ প্রতিবাদকারীদের গায়ে হাতই তোলেনি। কিন্তু এর পরই ওই অশান্তি-পর্বের আর একটি দীর্ঘতর ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে। তাতে কিন্তু প্রতিবাদীদের উপর নির্মমভাবে লাঠি চালাতে দেখা যায় পুলিশকে। অমিতের বিরুদ্ধে সুর চড়তে শুরু করেছিল তখনই। এ দিন টুইটার তাঁর পোস্টটিকে ‘ভুয়ো পোস্ট’ বলে দেগে দেওয়ায় বিদ্রুপ-কটাক্ষ-নিন্দার বন্যা বয়ে যায়। নেটিজেনদের এক জন যেমন লেখেন, ‘টুইটার ইন্ডিয়া-তেও ভুয়ো খবর ট্যাগ করা শুরু হল। আন্দাজ করুন দেখি, ভারত থেকে প্রথম এই সম্মানের দাবিদার কে হলেন? @অমিতমালব্য, ভারতে ভুয়ো খবরের সম্রাট।’ তবে অন্য একটি অংশের বক্তব্য, রাহুল-ও তো ঘটনার পূর্ণ ছবিটি দেননি। কিন্তু তাঁকে সতর্ক করা হল না কেন? তা ছাড়া অনেকের দাবি, ভিডিয়োটি থেকে স্পষ্ট বোঝা সম্ভব নয়, আদৌ পুলিশের লাঠি কৃষকের উপর পড়েছিল না। এ ব্যাপারে অবশ্য ওই ঘটনার স্থিরচিত্রগুলি তুলনামূলকভাবে স্পষ্টতর। তবে পিটিআই-এর যে চিত্রগ্রাহক সেগুলি তুলেছিলেন, সেই রবি চৌধরিও সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘যে দিকে ঘটনাটি ঘটছিল, তার উল্টো দিক থেকে ছবিটি তুলেছিলাম। তা ছাড়া ভীষণ ধস্তাধস্তি হচ্ছিল সেখানে। তাই নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব নয় ফ্রেমবন্দি ওই পুলিশ-ই কৃষকটিকে মেরেছিলেন কি না। হতে পারে বাঁচতে গিয়ে অন্য কোনও পুলিশের হাতে মার খেয়েছেন তিনি।’ এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Health Tips in Bengali: Coronavirus: Can Covid-19 Impact Your Teeth? Here Are Some Alarming Signs To Watch Out For – দাঁতে ব্যথাও কি COVID 19-এর উপসর্গ হতে পারে? কী বলছে নয়া গবেষণা, জানুন…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে ততই নিজের চরিত্র পালটাচ্ছে COVID-19। যার ফলে পরিবর্তন হচ্ছে উপসর্গেও। সম্প্রতি নতুন নতুন উপসর্গ যোগ হয়েছে উপসর্গ তালিকায়। দাঁতে ব্যথাও তেমনই একটি নতুন উপসর্গ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এমন অনেকেরই দাঁতের সমস্যা শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, দাঁত তুলতে হচ্ছে এমন সমস্যাও দেখা গিয়েছে।বর্তমানে অনেকেই আছেন যারা করোনা (Coronavirus) থেকে মুক্ত হওয়ার পরও একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। করোনামুক্ত হওয়ার পর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, ত্বক, চোখ, রেসপিরেটরি সিস্টেম-সহ শরীরের একাধিক ক্ষেত্রে এই ভাইরাস প্রভাব ফেলছে। একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করছে।সাম্প্রতিক কিছু সমীক্ষায় চিকিৎসকরা দেখেছেন, এই কয়েকটি উপসর্গ বা শারীরিক সমস্যাগুলির পাশাপাশি যাঁরা করোনা থেকে সুস্থ হচ্ছেন তাঁদের দাঁতের সমস্যাও হচ্ছে। শুধু তাই নয়, করোনা (Coronavirus) হওয়ার সময়েও দাঁতে ব্যথা, এনামেল নষ্ট হয়ে যাওয়া বা মাড়িতে ব্যথা হচ্ছে। যাকে করোনার নতুন উপসর্গ বলে মনে করা হচ্ছে। যা রীতিমতো ভাবাচ্ছে চিকিৎসকদের।তবে, দাঁতে ব্যথা কি কোভিড ১৯-এর (COVID 19) উপসর্গ হতে পারে? ওরাল হেলথের (Oral Health) উপরে করোনার প্রভাব রয়েছে? অনেক জায়গাতেই বলা হয়েছে ওরাল হেলথের (Oral Health) উপরে করোনার প্রভাব রয়েছে। কিন্তু করোনার জন্যই যে দাঁতে ব্যথা বা দাঁতের সমস্যা হচ্ছে, তা সে ভাবে এখনও প্রমাণিত হয়নি। তবে সমীক্ষা বলছে, কোভিড ১৯ (COVD-19) থেকে যাঁরা সেরে উঠছেন, তাঁদের পরবর্তী বিভিন্ন উপসর্গের উপরে নজর রাখতে হবে।দাঁতের উপর করোনার প্রভাব বলতে কী বোঝানো হচ্ছে?এখনও পরিষ্কার নয়, ওরাল হেলথের উপরে SARS-COV-2-এর প্রভাবটা কতটা। তবে, চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা ব্লাড ফ্লো বা শরীরে রক্ত সরবরাহে ক্ষতি করে। যার কারণে হার্ট (Heart), ব্রেন (Brain) বা শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সমস্যা হয়। এখন দাঁতের মাড়ি বা মুখের ভিতরে একাধিক জায়গায় ব্লাড ভেসেলের অ্যাক্টিভিটি বেশি, তাই যদি রক্ত সরবরাহে সমস্যা হয়, তা হলে দাঁতের সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যাঁদের মুখে বা ন্যাসাল এরিয়ায় ভাইরাস সব চেয়ে বেশি থাকছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ওরাল ক্যাভিটি হওয়ার সমস্যা থাকছে। এই সাইটোকাইন স্টর্মও করোনার সঙ্গে যুক্ত। শিশুদেরও দাঁতে ব্যথা হতে পারে করোনার তেমন ক্ষতিকর প্রভাব দেখা না গেলেও সমীক্ষা বলছে, তাদের মধ্যেও দাঁতে ব্যথা বা দাঁতের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ডায়াবিটিস , ক্যানসারের রোগীদের মধ্যেও উপসর্গ এমনিতেও সব চেয়ে বেশি থাকে। কিন্তু তাঁদের যদি এমন দাঁতে ব্যথার উপসর্গ থাকে, তা হলে তা নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া ভালো। দাঁত ভালো রাখতে কী কী করা যেতে পারে আগে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) সঙ্গে দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখা বা না রাখার যোগ থাকত। বর্তমানে করোনা নিয়ে তেমন প্রমাণিত কিছু তথ্য না থাকলেও দাঁতের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। দাঁত পরিষ্কার রাখা, দাঁতের মাড়ি ভালো রাখা খুবই জরুরি। এর জন্য ডায়েটেও নজর দিতে হবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link