Tag Archives: Covid patients

coronavirus: বাড়িতেই কোভিড রোগী? কী ভাবে নিজে নিরাপদ থাকবেন জেনে নিন – ways to stay safe when you have a covid-19 patient at home

হাইলাইটসকোভিড রোগী যে ঘরে থাকবেন, সেখানেই তাঁর প্রয়োজনের জিনিস যতটা সম্ভব রেখে দিন। যাতে আর কাউকে সেই ঘরে প্রবেশ করার খুব বেশি প্রয়োজন না পড়ে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: কোভিড পজিটিভ হয়েও যদি উপসর্গ কম থাকে, তাহলে বাড়িতে থেকেই চিকিত্‍সা করাচ্ছেন অনেকে। কিন্তু নিজের বাড়ির চেনা পরিবেশে থাকার সুযোগ সেই ব্যক্তি তাঁর পরিবারের অন্যান্যদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কিন্তু অনেকটাই বেড়ে যায়। বাড়িতেই কোভিড রোগী থাকলে পরিবারের অন্য সদস্যদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি থাকে। তাই বাড়ির মধ্যে কোভিড রোগী থাকলে রোগীর দেখভাল করার পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্যের প্রতিও অতিরিক্ত খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষজ্ঞদের গাইডলাইন অনুযায়ী এক বাড়িতে কোভিড রোগীর সঙ্গে বসবাস করলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ৫০ শতাংশ বেড়ে যায়। তাই সেক্ষেত্রে আপনাকে কিছু অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। প্রথমেই যেটা খেয়াল রাখতে হবে, তা হল আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশে যত কম সময় সম্ভব থাকুন। অসুস্থ ব্যক্তির জন্য একটা আলাদা ঘর নির্দিষ্ট করে দিন। রোগীর কোনও রকম জিনিসপত্র অন্য কেউ যেন ব্যবহার না করে। যদি সম্ভব হয় রোগীর জন্য একটা আলাদা বাথরুমের ব্যবস্থা করুন। রোগীর থেকে অন্তত ৬-৭ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। যন্ত্রণায় মাথা ফেটে যাচ্ছে? হতে পারে আপনার করোনা হয়েছে! কোভিড রোগী যে ঘরে থাকবেন, সেখানেই তাঁর প্রয়োজনের জিনিস যতটা সম্ভব রেখে দিন। যাতে আর কাউকে সেই ঘরে প্রবেশ করার খুব বেশি প্রয়োজন না পড়ে। রোগী খুব একটা অসুস্থ হয়ে না পড়লে নিজে থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মাপা, অক্সিমিটার দিয়ে শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ মাপার মতো কাজগুলো নিজেই করে নিন। ওষুধ কখন কী খেতে হবে তা রোগীকে দূর থেকে বা ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে পারেন। যাতে ওষুধ খাওয়াতেও আর কাউকে ঘরে ঢুকতে না হয়। মনে রাখবেন কোভিড রোগীর থেকে যত দূরে থাকবেন, তত আপনার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। কোভিড পরীক্ষার ফল পজিটিভ এলে অন্তত ১৪ দিনের জন্য নিজেকে সবার থেকে আলাদা রাখতে হবে। যাদের বাড়িতে কোভিড রোগী রয়েছেন, তাঁদেরও কোয়ারানটিনে থাকা জরুরি। ১৪ দিন বাইরে না বেরোলে আপনার শরীর ঠিক করে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় পাবে। এই সময় বাইরে থেকে কেউ যাতে আপনার বাড়িতে না আসে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে গেলে চিন্তা নয়, বরং ঝুঁকি কম করোনা রোগীদের বাড়িতে কোভিড রোগী থাকলে ঘরেও সব সময় মাস্ক পরে থাকবেন। কারণ বন্ধ ঘরের মধ্য়ে বাতাসেও এই ছোঁয়াচে ভাইরাস ঘুরতে পারে। তবে সব সময় মাস্ক পরে থাকলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘরের দরজার হাতল, জানালা, ইলেকট্রিক সুইচ, বেসিনের কল বা অন্য যে সব জায়গায় সবার হাত পড়ে, সেগুলি বারবার স্যানিটাইজ করে নিন। বারবার সাবান ও জল দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। সাবান দিয়ে সম্ভব না হলে হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন। রোগীর খেয়াল রাখতে গিয়ে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাতে দুর্বল না হয়ে পড়ে, সেদিকে নজর দিতে হবে। বেশি করে শাকসবজি, ফল খান। ভিটামিট সি জাতীয় খাবার এবং ডিটক্স পানীয় অবশ্যই খেতে হবে। তার সঙ্গে সকালে প্রাণায়ম করবেন। নিজের ওষুধ খেতে ভুলবেন না। কোভিড রোগীর সংস্পর্শ এলেই নিজের পরীক্ষা করাতে পারেন। তবে সমীক্ষা বলছে কোভিড রোগীর সংস্পর্শে আসার ২-৫ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। কোনও রকম উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে তখনই করোনা পরীক্ষা করিয়ে নিন। শারীরিক ভাবে তো বটেই মানসিক ভাবেই বিপর্যস্ত করে দেয় করোনা। তাই নিজের মনোবল ধরে রাখবেন। নিজেকে কখনও একা ভাববেন না। কাছের লোকেদের সঙ্গে ফোনে কথা বলুন। গল্পের বই পড়ুন, পছন্দের সিনেমা দেখুন। কখনও মন খারাপ করে বসে থাকবেন না। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

coronavirus: ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে গেলে চিন্তা নয়, বরং ঝুঁকি কম করোনা রোগীদের – how loss of smell can be a good sign of recovery for many covid patients

হাইলাইটসখাবারের স্বাদ না পাওয়া এবং কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া নিয়ে অতটা চিন্তার কিছু নেই বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছনে যে এই উপসর্গ যাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, তাঁদের করোনার সংক্রমণ আসলে বেশ হালকা স্তরের মধ্যে থাকছে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া যে করোনাভাইরাইসারে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ, সে তো আমরা জানিই। প্রথম দিকে এই উপসর্গ সামান্য কয়েকজনের শরীরেই দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু পরে তা বহু করোনা রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা যায়। কারোর কারোর ক্ষেত্রে ঘ্রাণশক্তি এবার জিভে খাবার স্বাদ বোঝার অনুভূতি করোনার কারণে চলে যাওয়ার পর কয়েক মাস লেগে যাচ্ছে তা স্বাভাবিক হতে। তবে ঘ্রাণশক্তি করোনার কারণে চলে গেলে তা নিয়ে চিন্তা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। খাবারের স্বাদ না পাওয়া এবং কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া নিয়ে অতটা চিন্তার কিছু নেই বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছনে যে এই উপসর্গ যাদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, তাঁদের করোনার সংক্রমণ আসলে বেশ হালকা স্তরের মধ্যে থাকছে। তাই অনেকের মতে খাবারের স্বাদ না পাওয়া এবং কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া করোনা সংক্রমণের ভালো লক্ষণ। অবশ্যই একেবারেই কারোর করোনা না হওয়াই সবথেকে ভালো। কিন্তু করোনা হলে ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে গেলে বরং একটু নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। কারণ যে সব করোনা রোগীদের এই উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাঁদের বেশিরভাগেরই করোনা সংক্রমণ গুরুতর আকার নিচ্ছে না। রোজের মেনু থেকে জাস্ট একটা খাবার বাদ দিয়েই ৫ মাসে ২০ কেজি ওজন কম! করোনা সংক্রমণে যেটা সবচেয়ে চিন্তার বিষয়, তা হল শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়ে করোনা প্রাণঘাতী আকার নিতে পারে। কিন্তু যে সব করোনা রোগীদের কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়ার উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাঁদের বেশিরভাগেরই শ্বাসপ্রশ্বাসের কষ্ট দেখা দিচ্ছে না। অর্থাত্‍ বিশেষজ্ঞদের মত অনুসারে বলা যেতে পারে যে ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে যাওয়া আসলে আপনাকে নিশ্বাসের কষ্টের মতো গুরুতর সমস্যা থেকে রক্ষা করছে। দেশের ডাক্তাররা জানিয়েছেন যাঁদের শরীরে করোনা সংক্রমণ গুরুতর আকার নিয়েছে এবং যাঁদের করোনার জন্য আইসিইউ-তে রাখতে হয়েছে, তাঁদের বেশিরভাগই হঠাত্‍ করে কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়ার কথা জানাননি। বাতাসের দূষণ থেকে রক্ষা করবে আমলা! জানুন কখন, কী ভাবে খাবেন সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে প্রায় ৪০ শতাংশ করোনা রোগী ঘ্রাণশক্তি আচমকা হারিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। আবার অনেকের যে বস্তুর যেমন গন্ধ পাওয়ার কথা তার থেকে অন্যরকম গন্ধ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। ঘ্রাণশক্তির পাশাপাশি কোনও খাবারে স্বাদ না পাওয়ার উপসর্গ দেখা দিয়েছে অনেকের ক্ষেত্রে। খাবারে স্বাদ না পাওয়ার জন্য খাওয়া দাওয়া কমিয়ে দিচ্ছেন অনেকে। এটা কিন্তু ঠিক নয়। কারণ করোনায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি অত্যন্ত জরুরি। তাই খাওয়া কমিয়ে শরীরে পুষ্টির অভাব ঘটানো যাবে না। ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে যাওয়া করোনা সেরে যাওয়ার পরেও দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে অনেকের ক্ষেত্রে। এর প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরেও। করোনা সেরে গেলেও তার জের থেকে যাচ্ছে বলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন রোগীরা। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

coronavirus: COVID রোগীদের নয়া আশঙ্কা ‘ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস’! সতর্ক করছে গবেষণা – high risk of deep vein thrombosis found in patients suffering from covid-19, new study reveals

হাইলাইটসসারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ এখন করোনার কবলে। লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়েছে এই মারণ ভাইরাস। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ এখন করোনার কবলে। লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়েছে এই মারণ ভাইরাস। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। ভারতে ইতোমধ্যেই ৬৬ লক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে মোট আক্রান্তের সংখ্যা। মৃতের হার ১.৫৫ শতাংশ। সোমবার রাত পর্যন্ত ভারতে করোনায় মৃত্যু হয় ১ লক্ষ ৩ হাজার ৬২২ জনের। রিসার্চ অ্যান্ড প্র্যাক্টিসেস ইন থ্রম্বোসিস অ্যান্ড হিমোস্ট্যাসিস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা গিয়েছে কোভিড রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়ছে ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস অথবা ভেনাস থ্রম্বো এম্বলিজম (ভিটিই)-এর সম্ভাবনা। যারা হাসপাতালে ভরতি হয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা গিয়েছে। নয়া আশঙ্কাডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস বা ভেনাস থ্রম্বো এম্বলিজমটা কী আসলে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি কোনওভাবে ধমনীতে রক্ত জমাট বেঁধে যায় সেই অবস্থাকে বলে ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস। আর সেই জমাট বাঁধা রক্ত ঢুকে পড়ছে কোভিড রোগীর ফুসফুসে। সাম্প্রতিক ওই গবেষণা করে জানা গিয়েছে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ডে থাকা রোগীদের ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস অথবা ভেনাস থ্রম্বো এম্বলিজম (ভিটিই) ঝুঁকি থেকে যায় ৫ থেকে ১১ শতাংশ। যারা কোভিডে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সেই সমস্ত রোগীর ক্ষেত্রে সেই ঝুঁকি বেড়ে গিয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে গুরুতর অসুস্থ রেগীর এই প্রবণতা ১৮ থেকে ২৮ শতাংশ। এমনটাই জানিয়েছে রিসার্চ অ্যান্ড প্র্যাক্টিসেস ইন থ্রম্বোসিস অ্যান্ড হিমোস্ট্যাসিস জার্নালে। Breast Cancer Awareness Month: বাড়ছে ব্রেস্ট ক্যানসার! জানুন ৫ লক্ষণ, সতর্ক থাকুন…ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে করেনায় আক্রান্ত হয়ে যাঁরা ভরতি হচ্ছেন, দেখা গিয়েছে, তাঁদের প্রতি ১০ জনে ৬ জনের বয়স ৪০ বছরের নীচে। অর্থাত্‍‌ শতাংশের হিসেবে, হাসপাতালে চিকিত্‍‌সাধীন করোনা আক্রান্তের ৬২.৫ শতাংশের বয়স চল্লিশ অনূর্ধ্ব। তবে শুধু ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিসই নয়, করোনা ভাইরাসের আক্রমণে নানা আনুষঙ্গিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে মানুষের শরীরে। এই নিয়ে বিগত কয়েক মাস ধরেই গবেষণা চলছে। সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ বলছে, কোভিড ১৯-এর সংক্রমণ হার্টের অপূরণীয় ক্ষতি করে দিচ্ছে। এমনকি যাঁদের ক্ষেত্রে মৃদু সংক্রমণ হচ্ছে, তাঁদের হার্টেও স্থায়ী ক্ষতি হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই নতুন করে হার্টের নানা সমস্যার শিকার হচ্ছেন। এর আগে একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা অন্তত ৬০ শতাংশ মানুষের মধ্যে ‘মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্লেমেশন’ বা হৃদযন্ত্রের পেশিতে প্রদাহজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা ১০০ জন করোনা আক্রান্তকে পর্যবেক্ষণের পর এই তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা। করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের একটা বড় অংশের (৭৮ শতাংশ) মধ্যে হার্টের নানা সমস্যা তৈরি হওয়া চিন্তা বাড়িয়েছে চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞদের।রসুন আর মধু খালি পেটে এক সপ্তাহ খেলেই ম্যাজিক!ভিয়েনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সিহান আই জানিয়েছেন, মোট ৫ হাজার ৯৫১ জন কোভিড রোগীকে পরীক্ষা করে গবেষণা চালানো হয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে যাঁরা হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন তাঁদের ক্ষেত্রে ভিটিই-তে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ১৪ শতাংশ। ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে থাকা রোগীদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৩ শতাংশ। সম্প্রতি দিল্লিতে ২১ হাজার ৩৮৭ জনকে নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়। ওই সমীক্ষায় দিল্লির বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, করোনা থেকে সেরে ওঠার পর কিডনি, হার্ট বা ফুসফুসের নানা সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ফিরছেন হাজার হাজার মানুষ। দিল্লি, মুম্বই-সহ দেশের বড় বড় শহরে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার ১৪-১৫ দিন পর অনেকেই সামান্য শ্বাসকষ্ট, তলপেটে ব্যথা, মাথা যন্ত্রণার মতো সাধারণ সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে আসছেন। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, এঁদের অনেকের মধ্যেই নতুন করে কিডনি, হার্ট বা ফুসফুসের নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে করোনা-পরবর্তি শারীরিক সমস্যাগুলি চিন্তা বাড়াচ্ছে বিজ্ঞানীদের।নয়া আশঙ্কামার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা বলছে রোগী করোনা আক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে যাওয়ার মাসখানেক পরেও হৃদযন্ত্রে প্রদাহ এবং ক্ষত থেকে যাচ্ছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিডজয়ী রোগীদের রোগমুক্ত হওয়ার পরেও শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় হওয়া- এই সব হয়েই চলেছে। কারণ বিশ্লেষণে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর কার্ডিওভাস্কুলার বায়োলজির গবেষক চার্লস মুরি বলছেন, হার্টের পেশি-কোষ নতুন করে তৈরি হয় না, জন্মের সময় থেকে একই থাকে। তাই কোনও ভাবে এই কোষের ক্ষয়ক্ষতি হলে তা সারার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে, হার্টের যান্ত্রিক ক্ষমতা কমে যায়।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link