Tag Archives: Fitness tips in bengali

weight loss tips in bengali: ‘রোজ সকালে এক কাপ গরম জলে আমলা জুস আর জিরে’, এক বছরেই কমল ২৭ কেজি ওজন! – weight loss story: “i have a hot cup of amla jeera water every morning”

হাইলাইটসছোট থেকেই আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে মজা করত। কিন্তু আমি ওসবে পাত্তা দিতাম না। এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ৩০ বছরের কৃতিকা মোটেই তার লুক নিয়ে চিন্তিত ছিল না। কিন্তু এটুকু জানত ভবিষ্যতেও তাকে সুস্থ থাকতে হবে। আর সুস্থ থাকতে হলে তাকে ওজন কমাতেই হবে। তবে জিমে যেতে আর পিৎজা বাদ দিয়ে স্যালাড খেতে মোটেই তার ভাল লাগত না। আর তাই বাড়িতে যোগা শুরু করেছিল। সেই সঙ্গে প্রতিদিন সকালে উঠে আমলা-জিরা জল খেতে শুরু করে। যখন শুরু করে তখন তার ওজন ছিল ৮০ কেজি। মাত্র অকবছরের মধ্যে ২৭ কেজি ঝরিয়ে ফেলেছে কৃতিকা। দেখে নিন কৃতিকা কী বলছেন। ছোট থেকেই আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে মজা করত। কিন্তু আমি ওসবে পাত্তা দিতাম না। আমি কিন্তু কত্থক শিল্পী। যদিও নিয়মিত নাচ করার পরও আমার ওজন একটুও কমেনি। আমি ভাবতাম আমার পক্ষে ওজন কমানো অসম্ভব। আমি এই নিয়েই খুশি থাকতাম। কিন্তু ২৫ বছর বয়সে এসে মনে হল আমি হাঁপিয়ে পড়ছি। ওজন বেশি হয়েছে বলে কোনও কাজ মন দিয়ে করতে পারছি না। এরপর ডায়েট শুরু করলাম। কিন্তু খেতে ভালোবাসি, তাই ওসব স্যালাড, স্যুপ খেয়ে থাকতে পারতাম না। ২০১৯- এ আমি ঠিক করলাম আমাকে যেভাবেই হোক রোগা হতেই হবে। এরপর আমি একবছরের চেষ্টায় ২৫ কেজি ওজন কমিয়ে ফেললাম। মনে রাখবেন আমি কিন্তু জিমে এক পয়সাও দিইনি। দিন শুরু করতাম এককাপ গরম জলে দুচামচ আমলা জুস আর জিরে পাউডার দিয়ে।ব্রেকফাস্টভেজিটেবল পোহা/ ডালিয়া / উপমা/ স্যান্ডউইচ/ পনির ভেজিটেবল স্যালাড/ ওটস / মুগ ডাল চিল্লা। বেলা ১১ টায় খেতাম- এককাপ গ্রিন টি। সঙ্গে একটা আমন্ড, একটা কিসমিস আর একটা আখরোট। লাঞ্চে খেতাম-দুটো রুটি, একবাটি সবজি, একবাটি টকদই আর স্যালাড। রাতে- স্যুপ বা ডালিয়ার খিচুড়ি। কোনও কোনওদিন মিক্সড স্যালাড। আগে যা ছিলেন পরে যা হয়েছে ওয়ার্ক আউট শুরু করতাম এককাপ ব্ল্যাক কফি দিয়ে। শেষ করে খেতাম কোনও একটা ফল। ফিটনেসের জন্য যা যা করতামভোর পাঁচটায় ঘুম থেরে ওঠা অভ্যেস করেছিলাম। এরপর যোগা করতাম। তারপর কার্ডিয়ো করতাম। এরপর প্রতিদিন পাঁচ কিলোমিটার হাঁটতাম। সেই সঙ্গে প্রচুর জল খেতাম। জল খেলে আমাদের দেহের ক্ষতিকর টক্সিন বাইরে বেরিয়ে আসে। এইভাবে একটা রুটিনে চলার পর আমি ভেতর থেকে এনার্জি পেতাম। আগের থেকে অনেক মনযোগ দিয়ে কাজ করতে পারতাম। আমি কিন্তু দ্রুত ওজন কমানোর কোনও ট্যাবলেট খাইনি। প্রতিদিনের এই আমলা-জিরা জলই আমায় এত সাহায্য করেছে। এতেই একবছরে ২৭ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলি। কৃতিকা কুনগেরের মতো ওজন কমাতে চান আপনিও? তাহলে দেখে নিন এই ডায়েট টিপস। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে

Source link

Mimi Chakraborty: Exclusive: Diet And Fitness Tips By Actress Mp Mimi Chakraborty – ফিট শরীরেই হিট! মিমি চক্রবর্তীর ফিটনেস সিক্রেট কী? জানুন আপনিও…

এই সময় ডিজিটাল এক্সক্লুসিভ: পাটুলির অফিসে মিটিং সামলে সটান শ্যুটিং ফ্লোর, আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় কারোর কোনও সমস্যার কথা চোখে পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেন টিমের সঙ্গে। এত কিছুর পরও কিন্তু ফিটনেস রুটিনে কোনও ছেদ পড়েনি তাঁর। তিনি হলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty। এত চাপ সামলেও কীভাবে থাকেন ফিট? এই সময় ডিজিটালের তরফে অভিনেত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখেছিলেন রেশমী প্রামাণিক। এবার আমাদের সঙ্গেই তাঁর ফিটনেস সিক্রেট ভাগ করে নিলেন মিমি। অভিনেত্রী প্রথমেই বললেন, ‘আমি কিন্তু ডায়েটে বিশ্বাসী নই, আমি বিশ্বাস করি ভালো থাকায়। সেই সঙ্গে বাড়ির ভাত-ডাল-তরকারি আমার প্রথম পছন্দ।’ আমি বিশ্বাস করি ভালো থাকায় ছোট থেকে যে খাবারে আমি অভ্যস্ত তাই খাই। তবে মাছ-মাংসের থেকে আমার নিরামিষ খাবার বেশি পছন্দের। আর তাই ডিনারে বেশিরভাগ দিন আমি মিক্সড ডাল খাই। আমি খুব একটা স্যালাড ফ্যান নই, কারণ কলকাতায় খুব ভালো ফ্রেশ লেটুস, রকেট পাতা খুব একটা ভালো পাওয়া যায় না। তাই এখানে থাকলে খুব একটা স্যালাড খাই না।বাড়ির খাবারই মিমির প্রথম পছন্দ আমি চিজ খেতে খুব ভালোবাসি। প্রতিদিন চিজ, ঘি থাকবেই আমার মেনুতে। আর মিষ্টি দেখলে আমি একদম লোভ সামলাতে পারি না। মিষ্টির প্রতি আমার অসম্ভব ভালোবাসা। জানি, আমার জন্য মিষ্টি বিষের সমান, কিন্তু হাতের সামনে মিষ্টি কিছু পেলেই চটপট চালান করে দিই মুখে’। লকডাউনের পর ফের শুরু তাঁর ওয়ার্কআউট লকডাউনের আগে প্রতিদিন নিয়ম মেনে ওয়ার্কআউট করতেন মিমি। কিন্তু এই লকডাউনে একটু আলসেমি করেছেন। বললেন,’সবার মতো লকডাউনে আমিও আলসেমি করেছি। তবে আবার আমি আগের রুটিনে ফিরে এসেছি। প্রতিদিন যোগা, স্ট্রেচিং করছি। সব মিলিয়ে ভেতর থেকে আমি এখন ফিট’। এই সময়ের পাঠকদের জন্য মিমির বিশেষ টিপসস্থানীয় ফল, সবজিই থাক প্রতিদিনের মেনুতে। বাজারে সহজলভ্য বলেই বিদেশি ফল, সবজির প্রতি না ঝোঁকাই ভালো।আপনি যে অঞ্চলে থাকেন সেখানকার আবহাওয়া অনুযায়ী খাবার খান।মরশুমি ফল, সবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর ফিটনেস টোটকা তো জানলেন। প্রতিদিন ফিট থাকতে আপনাদের টোটকা কী? নিজের নিজের অভিজ্ঞতা জানান নীচের কমেন্ট বক্সে। মন্তব্য করুন ইংরেজি বা বাংলায়।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে।সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: ওয়ার্ক ফ্রম হোমে ফিট থাকতে তাল মেলান জুম্বা ডান্সে! – top 8 health benefits of zumba during coronavirus

হাইলাইটসমর্নিং ওয়াক কিংবা জিমে যেতে এখনও অনেকেই ভয় পাচ্ছেন। তাই সুস্থ থাকতে বাড়িতেই শুরু করুন জুম্বা। নাচের তালে ওজন ঝরাতে জুম্বার মতো ভালো আর কিছুই নেইএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: দীর্ঘদিন ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ফলে একঘেঁয়েমি, ক্লান্তি সবই এসেছে। সেই সঙ্গে বাদ নেই মানসিক অবসাদও। আর বাড়ি থেকে কাজ করতে গিয়ে প্রায় দ্বিগুণ কাজ করতে হচ্ছে সকলকেই। সকাল থেকে ফোন, ল্যাপটপ আর কনফারেন্স কলে ব্যতিব্যস্ত জীবন। সেই সঙ্গে কথায় কথায় সিক লিভ নেওয়ার সুযোগও নেই। আর বাড়িতে কাজের ফাঁকে মুখ একটু বেশিই চলছে। চা-কি কম হলেও চিপস, বিস্কুট চানাচুর আছেই। সেই সঙ্গে দুপুরে মাছের ছোল দিয়ে ভাত মেখে খাওয়ার পর মনটা একটু ভাতঘুম করে বইকী! আর উইকএন্ডে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, খাওয়া সেসব তো আছেই। ফলে লাগামছাড়া ভাবে বাড়ছে ওজন। করোনাকালে যা মোটেই ভালো লক্ষণ নয়। কারণ ওজন বাড়া মানেই সুগার, প্রেসার, ঘুম না হওয়ার মতো আরও উটকো কিছু সমস্যা এসে যুক্ত হবে। এছাড়াও শরীর ক্লান্ত হলে কমবে কর্মদক্ষতা। কাজ কম হলে চাকরি হারানোর একটা মানসিক চাপ সবসময় থেকে যায়। আর সেই সঙ্গে যুক্ত হয় করোনার সংক্রমণের ভয়। মর্নিং ওয়াক কিংবা জিমে যেতে এখনও অনেকেই ভয় পাচ্ছেন। তাই সুস্থ থাকতে বাড়িতেই শুরু করুন জুম্বা। নাচের তালে ওজন ঝরাতে জুম্বার মতো ভালো আর কিছুই নেই। করতে যেমন ভালো লাগে তেমনই প্রতিদিন ৩০ মিনিট জুম্বা করলে তার উপকারিতাও অনেক। জুম্বার মিউজিক চালিয়ে নিজে নিজেই বাড়িতে শুরু করতে পারেন। কিংবা সাহায্য নিতে পারেন কোনও এক্সপার্টের। তবে তার আগে জেনে নিন জুম্বা কী! জুম্বা ডান্স হল পাশ্চাত্য বেশ কিছু নাচের সংমিশ্রণ। সালসা, হিপ হপ, বেলি ডান্স, ট্যাঙ্গো ইত্যাদিকে একসঙ্গে মিশিয়ে তৈরি হয়েছে এই ফিটনেস ডান্স। বিশেষ পদ্ধতি মেনে গানের তালে তালে নাচ করতে হয়। আর তাতেই মেলে নানা উপকার। এই ট্রেনিং হল “হোল বডি এক্সারসাইজ”। তাই তো শরীরের কোর ফিটনেস বাড়াতে এর কোনও বিকল্প হয় না। হ্যাপেনিং মিউজিকের তালে নাচতে-নাচতে মন হালকা হয়, সেই সঙ্গে শরীরের ভিতরের এবং বাইরের ক্ষমতাও বাড়ে। ফলে ছোট-বড় কোনও রোগ-ব্যাধিই শরীরের ধারেকাছে ঘেঁষতে পারে না আরও পড়ুনস্বাস্থ্য সচেতন? ভয় নেই নিশ্চিন্তে খান আচার, উপকার পাবেন!জুম্বা ডান্সের অনেক রকম ফের আছে। বেসিক জুম্বা ট্রেনিং এর পাশাপাশি করতে পারেন অ্যাকোয়া জুম্বা ওয়ার্কআউট, নয়তো জুম্বা টোনিং। এমন ধরনের এক্সারসাইজে আরও একটু বেশি ক্যালরি ঝরে। সঙ্গে পেশীর ক্ষমতাও বাড়ে।প্রতিদিন ৪৫ মিনিট জুম্বা করুন তবে একটানা ৪৫ মিনিটের বেশি জুম্বা করতে মানা করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে সারা দেহের ফ্যাট বার্ন হয়। মাত্র ৪ বছর বয়স থেকেই শুরু করা যেতে পারে এই এক্সারসাইজ। জুম্বার সঙ্গে প্রাণায়ম, ডায়েট মেনে চললে শরীর থাকে খুব ঝরঝরে। জুম্বা যেহেতু গানের তালে হয়, তাই ৩০ মিনিট টানা জুম্বা করলেও কোনও ক্লান্তি আসে না। বরং ৬৫০-১০০০ ক্যালরি বার্ন হয়। আর এনার্জিও বাড়ে। দেখে নিন করোনাকালে জুম্বার উপকারিতাক্যালোরি আর ফ্যাট বার্ন- ঘরে বসে কাজ করে অতিরিক্ত মেদ জমছে? কাল থেকেই শুরু করুন জুম্বা। ইউটিউব দেখে অনুশীলন করলেও হবে। সব থেকে ভালো কোনও ফিটনেস এক্সপার্টের ট্রেনিং পেলে। প্রতিদিন ফ্রি হ্যান্ড আর ৪৫ মিনিট জুম্বা করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যাবে। প্রতিদিন ৬০০ থেকে ১০০০ ক্যালোরি কমবেই। জুম্বাতে শরীরের প্রতিটি অংশ কাজ করে। ফলে শরীর ভেতর থেকে থাকে সুস্থ। সেই সঙ্গে পুশ আপ, স্কোয়াট এসব করতে পারলেও খুব ভালো। মেনে চলুন ডায়েটও মনসংযোগ বাড়ে- জুম্বাতে যেহেতু শরীরের খুব ভালো এক্সারসাইজ হয় তাই মন ভালো থাকে। চিন্তা কমে। ফলে একে অপরের সঙ্গে ব্যবহার, মনসংযোগ সবই বাড়ে। যে কারণে অনেক কর্পোরেট সংস্থাই কর্মীদের জন্য জুম্বা ডান্স শেখানোর ব্যবস্থা রাখেন।ফুল-বডি ওয়ার্কআউট- জুম্বাতে ফুল বডি ওয়ার্ক আউট হয়। যা হাঁটা বা দৌড়নোতে হয় না। ঘাড়ের প্যথা, পেটের মেদ, পায়ের ব্যথা সবই কমে এই জুম্বাতেই। সপ্তাহে একদিন ছাড়া একদিন জুম্বা করতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ওয়ার্ক ফ্রম হোমে অনেকেই লং টার্ম কোমর ব্যাথায় ভুগছেন। সেই ব্যথারও উপশম হয়। ক্লান্তি দূর করে- করোনা শরীরের ক্লান্তি দূর করে। অনেক এনার্জি দেয়। ফলে একটানা বসে কাজ করলেও সেই মনের ক্লান্তি টা আসে না। আত্মবিশ্বাস বাড়ায়- সুস্থ থাকতে গেলে ওজন কমানো টা খুব জরুরি। আর সঠিক পদ্ধতিতে ওজন কমলেই আত্মবিশ্বাস বাড়ে। ভেতরথেকে একটা পজিটিভ এনার্জি আসে। যার ফলে অন্য কাজও অনেক ভালো হয়। যে কোনও বয়সেই জুম্বা করা যায় মন ভালো রাখে- কোনও কারে মন খারাপ থাকলে জুম্বা মন ভালো করে দেয়। যা এই লকডাউনে আরও বেশি করে হচ্ছে। নানা কারণে মানুষের মন এখন বিক্ষিপ্ত। আর মন খারাপ থাকলে সেই প্রভাব পড়ে শরীরেও। যে কারণে মন খারাপ থাকলে জুম্বা করতে বলা হয়। জুম্বার মিউজিক মনের জন্য খুব ভালো।মন খুলে মিশতে পারা যায়- সারা বিশ্ব এখন মজে জুম্বাতে। আর জুম্বা যাঁরা করেন তাঁদের নিয়ে মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন ট্রেনিং অনুষ্ঠান হয়। আর এই সব ট্রেনিং কিন্তু খুব মজার। তাই জুম্বা করলে বেশ কিছু নতুন বন্ধুও পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে ডান্সেরও তালিম থাকে। ফলে পার্টি ভালোই জমে। পার্টিতে ভালো ডান্স করতে কে আর না চায়! হার্ট ভালো থাকে- জুম্বা ট্রেনিং করার সময় শরীরের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়, যার প্রভাবে দেহের প্রতিটি কোণে অক্সিজেন-সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যাওয়ার কারণে কিডনি, লিভারের ক্ষমতা তো বাড়েই, সঙ্গে-সঙ্গে হার্টের পাম্পিং ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে। ফলে কোনও ধরনের কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link